লগইন রেজিস্ট্রেশন

অনলাইনে ইসলামী প্রচারণা

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০০৯ (৮:৪৫ অপরাহ্ণ)

বাতিল ফিরকা তথা মুসলিমজাতির মধ্যেও হাদীসে বর্ণীত ৭২টি ভ্রান্ত ফেরকার আবির্ভব হবে, বর্তমান অনলাইন যূগে এসব বাতিল ফিরকা ব্যাপকভাবে অনলাইন ভিত্তিক ইসলামি প্রচারণা চালায়।বিশেষত ইরানী-ইরাকী শিয়াইজম, যার বাংলাদেশি দোসর হল  জামাত ইসলামী বাংলাদেশ। (কেউ মনক্ষুন্ন হলে আল্লাহর খাতিরে ক্ষমা করবেন)জামাত ইসলামী কেউ থাকলে আপনাদের জন্য আপনাদের ইসলামী সাইটের লিংক দেয়া হবে, পরবর্ততি আমি  আপনাদের সাথে সাঙঘর্ষিক আক্বীদারগত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত সিরিয়াল পোস্ট করবো ইনশা আল্লাহ।  সৌদি-আরব হল ইসলামের অদ্বিতীয় তীর্থস্থান যূগযূগ ধরে ইসলামের মূল কেন্দ্র হিসেবে অটুট থাকবে। সকল মাজহাব ও ভেদের উর্দ্ধে এই হেজাযভুমি। হাদিসের ভাষায় : و ان الدين ليارز إلي الحجاز كما ترز الحية إلي حجرها আর ইসলাম হেযাজেই পূনঠাই নিবে যেভাবে সাপ তার গর্তে আশ্রয় নেয়” তাই দেখা গেল শাইখ আব্দুল ওয়াহ্হাব নজদী রহ যখন ইসলামী সঠিক বিশ্বাসের দাওয়াত দিয়েছিলেন ইরাকবাসীর নিকট, তখান ইরাকের শিয়া সম্প্রদায় তাকে হত্যা করতে উদ্দ্যত হয়েছিল, তিনি আত্নরক্ষা করতে হেযাজে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তদানিন্তন শেখ সউদ(বতর্মান সৌদি আরবের প্রথম বাদশা) খাদেমুল হারামাইন শেখকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় উপদেষ্টা নিয়োজিত করেছিলেন, বস্তুত এ ছিল মহান আল্লাহ ইছ্চা যে তিনি সতলোকদেরকেই ক্ষমাতবান করেন এবং বাতিলদের উতক্ষাত করেন।
এভাবেই সৌদিআরব বিশ্বমুসলিমদের সর্বকালের সর্বোতকৃস্ট কেন্দ্র হিসেবে অবশিষ্ট থাকবে।
প্রিয় পাঠক আমি আমার দৃষ্টিতে যাদেরকে সত্যের অনুসারী মনে করি আপনাকেও তাদেরকে অনুসরণ করতে পরামর্শ দিব।
সৌদি আরব ভিত্তিক সরকারী ফতোয়া বিভাগের ওয়েব সাইট বাংলায়  http://www.islamhouse.com/s/9739 
জামাত-ই ইসলামী ভাইদের গুরুত্বপূর্ন ওয়েব: http://www.islam.net.bd/content/category/4/33/27      তাদের রেফারেন্স কোড এ জন্যই টানলাম যে আমি পরবর্তিতে জামাত ইসলামের বিভ্রান্তিকর যে যসকল দিক আলোচনা করবো তা তাদের নিজেদের রচিত কিতাব এবং আমাদের কাছে রেকডকৃত কিতবের মাধ্যমেই করবো ইনশা আল্লাহ ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২০৬ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৫ টি মন্তব্য

  1. ১)
    : و ان الدين ليارز إلي الحجاز كما ترز الحية إلي حجرها আর ইসলাম হেযাজেই পূনঠাই নিবে যেভাবে সাপ তার গর্তে আশ্রয় নেয়” তাই দেখা গেল

    —-
    হক কথা , তবে একটা বিষয় ভেবে দেখবেন , হেযাজের আলেম সমাজ আর সৌদি গভমেন্ট কিন্তু এক না । যেমন রাজতন্ত্র , যেটা হেজাজের আলেমগন সাপোর্ট করে না । হাদিস শরীফ তো অবশ্যই সঠিক তবে সেটা সৌদির সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমগনকে বুঝায়, সৌদি গভমেন্ট এর সাথে সংশ্লিষ্ট এবং তাদের দ্বার প্রমোটকৃত আলেমগনকে বুঝায় না ।

    ২)
    যার বাংলাদেশি দোসর হল জামাত ইসলামী বাংলাদেশ। (

    আপনার দ্বিতীয় কমেন্ট এর বেলায় বলছি , যদি আপনার জামাত ইসলামী সম্বন্ধে কিছু বলার থাকে তবে “দোসর” , “দালাল” এসব শব্দ ব্যবহার না করে শরীয়তের দিক থেকে তাদের ভুলটা কোথায় সেটা দেখিয়ে দিন । গালাগালি বা বাজে কমেন্ট করে নয় । এমন ভাবে দাওয়াত দিবেন যেন বোঝা যায় আপনি তাদের হিতাকাংখী ।

    ধন্যবাদ ।

  2. সৌদি আরবে কোন আলেমগনই সরকারের মোটিভেট না। বরং সরকার তাদের শুরা কাউন্সিল তথা আলেমদের দ্বারা মোটিভেড। এটা সৌদিআরবের একটি ঐতিহ্যগত দিক বরং সকল মুসলিম সালতানাত তথা রাজাদের এমনই হওয়া উচিত। সৌদি আরবের রাজতন্ত্র নুতন কিছু নয় অনেক পুরানো দিনথেকেই চলে আসছে। খেলাফতে রাশেদা আমলের সমাপ্তির পরথেকেই যে যূগ হিজরী ৪০থেকে আজ অবধি কখনোই সৌদি আরবে রাজতন্ত্র ছাড়া আর কিছুই চলে নি। হিজরী ২০০পর্যন্ত যে প্রজন্ম ছিল তাদের ব্যাপারে হাদিসের পরিস্কার বানী خيرالقرون قرني ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم আমারযূগের লোকেরাই সর্বোত্তম (খেলাফত যূগ) তারপর তাবেয়ী গন তারপর তাবে তাবেয়ীগন ( মামলাকাতের যূগ বা রাজতান্ত্রীক উমাইয়া যূগ) সর্বপ্রথম রাজা হলেন প্রশিদ্ধ সাহাবী মুআবীয়া বিন আবু সুফিয়ান রযি, হাজারের অধিক সাহবি তখন মুয়াবিয়া রযি এর রাজতান্ত্রিক ব্যাবস্থাকে মান্য করে নেন। তো এসব কি শরীয়তের দলিল ভাববেন না? সাহাবাদের আদর্শ কি অনুকরণ যোগ্য না? নাকি খারেজীদের মত বিদ্রোহ করতে হবে? যা কেবল গনতন্ত্রের মাধ্যমেই সম্ভব।

  3. ভাই, দোস্ত, বুজুর্গ
    তাই আসুন, বাংলাদেশেও রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি। পরবর্তী বাদশাহ হবেন সজীব ওয়াজেদ জয়। সৌদি আরবের মহান বাদশাহদের মতো শাহজাদা জয়েরও ভালো আমেরিকা কানেকশন আছে।
    আর হ্যাঁ ..খামোশ !! মহান সৌদি বাদশাহগণের বিরুদ্ধে যে কথা বলবে তাকেই খারেজী উপাধি দেয়া হবে।

  4. বি:দ্র: মুল পোস্টের বিষয় হিসাবে ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বপ্রাচীন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দেওবন্দ মাদ্রাসার ফতোয়া বিভাগের লিংকটিও দেয়া জরুরী মনে করছি :http://http://www.darulifta-deoband.org/