লগইন রেজিস্ট্রেশন

ইরতিদাদ বা ইসলাম ত্যাগের শাস্তি ও তার যৌক্তিকতা।

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ রবিবার, এপ্রিল ৪, ২০১০ (১১:১৪ অপরাহ্ণ)

মূল ফতোয়া সহায়ক সূত্র
বাংলাদেশের জনসংখ্যায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা স্বত্বেও শরয়া সহায়ক বিচার ব্যবস্থা না থাকার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের অনাকাংঙ্খিত কিছু পীড়াদায়ক ঘটনা ঘটে।
আজ চট্টগ্রামস্থ জেলা কোর্টে এক হিন্দু উকিলের কাছে এক যূগল উপস্থিত, মেয়েটি ইসলাম ত্যাগ করে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে তার প্রেমিকের সাথে হিন্দুসাশ্ত্রমত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাবে। ( লা হাওলা ওলা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ) আল্লাহ আমাদেরকে রক্ষা করুন।

প্রসংঙ্গত মুক্তচিন্তার আলোকে বলা যায় এটা তার স্বাধীনতাও বটে, যে তার কাছে যে ধর্ম ভাল লাগে তা সে পালন করবে এতে কোন আপত্তি থাকার কথা নয়; বস্তুত ব্যাপারটি এমন নয় যে, কোন হিন্দু যখন মুসলিম হয়ে যায় তখন হিন্দু বা খৃস্টান সম্প্রদায়ও তা মেনে নেয় এমন নয়, বরং এ নিয়ে অনেক কিছুই চলে । হিন্দু ধর্মাবলম্বী মুসলিম হওয়ার কারণে যথেস্ট পরিমান নাজেহাল-হত্যা- সম্পত্তিতে থেকে বঞ্চিত করণের শিকার হয় তাও আমরা দেখি, খোদ মুসলিম প্রধান বাংলাদেশেই।

অথচ ইসলামই একমাত্র প্রথম ধর্ম যা মুক্তচিন্তা বা ধর্মীয় স্বাধীনতার দ্বার উম্মোচিত করেছে, ইসলাম জোর-জবস্তিমুলক মত চাপিয়ে দেয়াকে সমর্থন করেনা। ইসলামছাড়া অন্য ধর্মকে পালন করা, নিজের মত প্রকাশ করাকে নিষেধ করে না। যেমন : কোরান বলছে : লা ইকরাহা ফী দ্বীন: ধর্মে জোর জবস্তি নেই। আর ইসলাম এই স্বধীনতাকে দুইভাবে সংরক্ষন করে :
এক: মানুষকে অপরের মতকে সম্মান করা ও সমীহ করার তাগিদ ও জোর দিয়েছে, তাই যে কেউ তার বিরোধী মতাবলম্বীকে জোর করে তার মত চাপিয়ে দিতে পারে না, চাই তা ধর্ম, আচার-আচরণ, বা সাধারণ মতের ব্যাপারেই হোক। আল্লাহ বলছেন: ” আর তোমার প্রভু যদি চাইতেন সকল পৃথীবির সকল লোকই ইমান গ্রহণ করতো, তুমি কি মানুষকে ইমান গ্রহণ না করা পর্যন্ত ঘৃনা করবে?!” সুরা ইউনুস ৯৯ আয়াত। এ জাতিয় আরো আয়াত আছে যা মানুষকে তার নিজস্ব বুঝের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দেয়। এমনকি ধর্মের জন্য যেখানে যুদ্ধ করতে বলা হয়েছে সেখানে শেষে এও বলা হয়েছে যদি তারা জিযিয়া প্রদান করে তবে তাদেরকে হত্যা করা, কিংবা জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা বৈধ হবে না, এবং মুসলিমদের মতই স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মকর্মের নিরাপত্তা কায়েম করতে হবে।

দ্বীতিয়: মানুষকে তার নিজ মতকে আকড়ে ধরা, এবং সেই মতাদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার হুকুমও ইসলাম করে, অর্থাত কেউ যদি তার সমাজ-রাষ্ট্রকে তার ধর্ম বিশ্বাসের পরিপন্থী এবং এই বিরোধের কারণে তার ধর্মান্তরিত- জোর-পূর্বক অন্যমত প্রকাশ করার সন্দেহ দেখা দেয় তবে তাকে হিজরত বা স্থান ত্যাগ করার হুকুমোও ইসলাম দেয় যেমন: ” যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছে,ফেরেস্তারা তাদের প্রাণ হরণ করে বলে: তোমরা কি অবস্থায় ছিলে? তারা বলে আমরা অসহায় ছিলাম। ফেরেস্থারা বলে আল্লাহর জমীন কি প্রশস্থ ছিল না? যে তোমরা দেশত্যাগ করে সেখানে চলে যেতে? অতএব এদের বাসস্থান হল জাহান্নাম এবং তা অত্যন্ত খারাপ স্থান” সূরা নিসা ৯৭-৯৯নং আয়াত। নিজের ধর্মকে আকড়ে ধরার জন্য প্রত্যেক মুসলমানকে সাধ্যনুযায়ী চেষ্টা করতে হুকুম দেয়ার অর্থ যে নিজ বিশ্বাসকে কোন ভাবেই জলাঞ্জলি দেয়ার সুযোগ নেই, চাই তার জন্য দেশ-দশ, অর্থ-জীবন পর্যন্ত দিয়ে দেয়া লাগে তাই লাগুক তবুও ইসলাম ত্যাগ করার সুযোগ নেই । কারণ ইসলাম হল আল্লাহর মনোনীত ধর্ম, এই ইসলাম গ্রহণ করার মাধ্যমেই মানুষ আল্লাহকে পৃকৃতর্থে মান্য করে তাই অন্যসব ধর্মকে বাতিল বলে ইসলামের উপর অটল থাকার হুকুমও ইসলাম দেয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে ইসলাম একদিকে কাফেরদেরকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার সুযোগকে বন্ধ করেছে, আবার ইসলামকে সত্য বলে ঘোষণা করে অন্যগুলোকে বর্জন করা এবং তার চুড়ান্ত শাস্তি হিসেবে আখেরাতে স্রষ্টানিজ হাতের জাহান্নামে দেয়ার কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছেন যদিও পৃথীবিতে মানুষকে স্বাধীন করে দেয়া হয়েছে চাইলে সে ইসলাম গ্রহণ করুক কিংবা তার নিজ ধর্ম পালন করুক। তাই খেলাফত যূগথেকেই ইসলামী বিশ্বেও কাফেরদের উপাসনালয়-ধর্ম ও সমাজ অবশিস্ট রয়েছে।

কিন্তু মুসলিম শাষককদেরকে যে বাধ্যবাধকতা ইসলাম করেছে, অর্থাত কোন প্রাপ্ত বয়স্ক সজ্ঞানে যখন ইসলাম ত্যাগ করে তখন প্রথমে তাকে আবদ্ধ করে পরিষ্কার ভাবে ইসলামের প্রমানগুলো, এবং মৌলিক বিশ্বাসগুলো পুনরায় উপস্থাপন করা হবে, তাকে ইসলামে ফিরে আসার সময় দেয়া হবে, সাক্ষী প্রমান যোগাড় করা হবে যে সে কি করছে তার বিশ্বাসের পরিবর্তনের স্বীকারোক্তির গ্রহণযোগ্য স্বাক্ষী নেয়া হবে, এরপরেও সে ইসলাম গ্রহণ না করলে তাকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে হত্যা করা হবে। এটা ইসলামী প্রক-ও নুতন সকল স্কলারদেরই ঐক্যমত। আপতদৃষ্টে বিষয়টাকে কঠোর এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিরোধি মনে হবে, এর দুটি উত্তর আমি দিব একটি হলো অন্যান ধর্মানুসারীদের ইচ্ছা বা তাদের শরীয়তও একই পন্থা অবলম্বন করে, যেমনটি হিন্দু সমাজে কেউ মুসলিম হয়ে গেলে তাকে সমাজচ্যুত কিংবা হত্যা করা এর অর্থ এই যে, তারা তাদের ধর্মকে বাধ্যতামুলক মনে করে, তাই আমাদেরকেও আমাদের ধর্মাবলম্বীদের অস্তিত্বের প্রয়োজনে একই পন্থা গ্রহণ করতে হবে। আমার এই যুক্তিকে হয়তো কঠরোতা মনে হতে পারে। একজন হিন্দু যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তাকে আগুনে পুড়ে ফেলা হয়, হিন্দু নারীদের ভাই-বোন-বাবা, স্বামী-সন্তান সন্ততিরা চিতার আগুনে পুড়ে যাওয়া কাপড়ের পর তার মায়ের লজ্জাস্থান সহ সমস্ত শরীর দেখতে পায়, এমনি পাশবিকতাকে যে সম্মানের দাফনের পরিবর্তে বেছে নিবে তার জন্য দয়ার প্রশ্নই ওঠে না, কারণ সে নিজেই পৃথীবি থেকে তিরোধানের মুহুর্ত থেকে প্রকাশ্য গঞ্জনার ফায়সালা করে নিয়েছে আর পরকালের ভয়াবহ শাস্তিতো আছেই।

কিন্তু দ্বিতীয় যুক্তি টি এমন যে, এই হত্যাকান্ডটিও মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সহায়ক, নতুবা যে কেউ খামাখা প্রলভোন-প্ররোরচনা- ওয়াসওয়াসা কিংবা লোভের কারণে তার মতকে প্রকাশ না করে অন্য ধর্মাবলম্বী সেজে পরোক্ষ অন্তর্যুদ্ধে লিপ্ত থাকবে অথচ স্বাধীনতা হল নিজের বিবেকের আহবানকে প্রকাশ করা। কেউ যখন কাফের থেকে মুসলিম হয় এবং আবার কাফের হয়ে যায় তখন তার এই ব্যাপারটিকে আমারা হয়তে কপট মোনাফিক্বী বলবো, এবং তার নিজ ধর্ম এবং ইসলাম উভয়টিকে হাস্যকর ও অবান্তর প্রকাশকরার ধৃষ্টতা বিচার করবো, নয়তো সে প্রথমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতো না আবার ইসলাম ছেড়ে আগের ধর্মে ফিরে যাওয়া ইসলামের সাথে প্রহসণ ছাড়া কিছুই নয়, তার মানে সে তার নিজ ধর্মকেও বিশ্বাস করে না আবার ইসলাম ধর্মও বিশ্বাস করে না, এ জাতীয় মানুষ তার নিজ সমাজের যেমন পীড়া তেমনি অন্য সমাজের জন্যও পীড়া তাই তাকে এই বিশৃংঙ্খলার অপরাধে হত্যা করা হবে। অনুরুপ মুসলিম থেকে অন্যধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার শাস্তিও একই, কারণ তাতে মুসলিম সমাজের অস্তিত্বের প্রশ্ন দাড়ায়।

এই হুকুম পালনের উপযোগীতা: এটা পরিষ্কার হওয়া উচিত যে, উল্লেখিত বিচার কার্য্য প্রতিষ্টা করতে ইসলামী শাষক, এবং পূর্বোল্লেখিত বাধ্য বাধকতার প্রয়োজন রয়েছে, আমি মনে করে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় সরকরি রুলস রেগুলেশন করে এটা পাশ করিয়ে নিতে আমাদেরকে সোয়াত বা কাবুলে ফিরে যাবার প্রয়োজন হবে না, সংঙ্খ্যগরিষ্ট মুসলিম দেশে আইন করাই যথেস্ট এবং প্রত্যেক ধর্মের স্বকীয়তা রক্ষার্থে এমন আইনই হওয়া উচিত।

প্রশ্ন হতে পারে যে, বিধর্মী রাষ্ট্রগুলো যদি ইসলামান্তরিত হওয়ার ফলে যদি একই শাস্তি প্রয়োগ করে তবে তা কেমন হয়?
আমি বলবো: এটাও নিশ্চয় হচ্ছে এবং এরই ফলশ্রুতিতে ইজরায়েল-ফিলিপাইন-চেচেন-যুগোস্লাভিয়ার ট্রাজেডী চলছে তাই কেবল আমরাই ছাড় দিয়ে আমাদের প্রভুর মনোনীত ধর্মকে জলাঞ্জলী দিয়ে আত্নহনন করা উচিত হবে না।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,০৩৪ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৭ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম, ইসলামের মতো একটি নিয়ামত পেয়েও ইসলাম কি? তাওহীদ কি? ঈমান কি? তাকওয়া কি? সম্পর্কে বর্তমান প্রজন্মের অধিকাংশ ভাই, বোনেরা কিছুই জানে না। আল্লাহ সম্পর্কে কিছুই জানে না। আর যারা আল্লাহ সম্পর্কে জানে না তারা আল্লাহকে ভয়ও পায় না, আল্লাহর রহমত বরকত সম্পর্কেও জানে না। এই মৌলিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত বা অজ্ঞ থাকাই মুসলমানদের দূর্দশার কারণ।তাই প্রথমেই শাস্তি বাস্তবায়নের চাইতে এই মৌলিক শিক্ষাগুলো ছড়িয়ে দেওয়াটা বেশী গুরত্বপূর্ণ। আর এজন্যে কাজ করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। তাওহীদের আকীদা সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষা দেওয়া সকল নবী রাসূলদের মৌলিক দায়িত্ব ছিল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষদের সর্বপ্রথম তাওহীদের দাওয়াত এবং এসম্পর্কে শিক্ষা দিতেন। রাসূলের উম্মত্‍ হিসেবে আমাদের এই পদ্ধতীতে কাজ করা উচিত।

  2. আপনার কাছে আমার কিছু প্রশ্ন ছিল।
    ১ কেউ যদি নিজে নিজেকে কাফির বা মুরতাদ না ঘোষনা দেয়, এবং কিছু ব্যাক্তি হিসাব নিকাশ করে বের করল, সে মুরতাদ, তাহলে তার ক্ষেত্রেও কি একই শাস্তি?

    ২ যে ব্যাক্তিরা হিসাব নিকাশ করল তারা সামান্য খারিজিদের বৈশিষ্ঠ পাইলেই, তাহলেই শেষ, যারে তারে যখন তখন কাফির ফতোয়া দিয়ে কল্লা ফালাইয়া দাও। কি বলেন? (কয়দিন আগে, জাকির নায়েক কে কাফির ফতোয়া দেওয়া হয়েছে, দেওবন্দের একজন হুজুর কেও কাফির ফতোয়া দেওয়া হয়েছে। ইবনে সিনা কে কাফির ফতোয়া দেওয়া হয়েছে, যা শুনে তিনি লেখলেনঃ আমার মত ব্যক্তি কে ব্লাস্ফামির দয়ে অভিযুক্ত করা সম্ভব নয়, আমার মত ইমান আর নেই, আমি যদি ঈমানদার না হই, তাহলে দুনিয়াতে আর কোন মুসলিম নেই। )

    ৩ ইসলাম কি হিন্দু ধর্ম কিংবা খ্রিস্টান ধর্মের সাথে তুলনা দেওয়ার জন্য আসছে নাকি? (তুলনা দিতে দোষ নেই, কিন্তু এই তুলনা দিয়ে তো কিছু প্রুভ হয় না, হিন্দু ধর্ম কিংবা খ্রিস্টান ধর্ম এখন আর কয়জন পালন করে। এখন সেকুলারিসম কমিউনিজম পালন করে, এখন আমরা যে এদের থেকেও উত্তম তাই প্রমান করতে হবে)

    ৪ হিন্দু বা খ্রিস্টান ধর্মের থেকে একটি জিনিস ভাল হলেই, এটি প্রমান হয়না যে এটি ভাল কাজ। এরা কোন মানদন্ড হইতে পারে না। এরা নিজেরাই ভুল, ভুলের সাথে স্বাভাবিক তুলনা হতে পারে, কত ভুল দেখানোর জন্য। কিন্তু এ দিয়ে প্রমান হবে না, আমাদের কাজটি ভাল। সত্যিকার ভাবেই প্রমান করতে হবে যে আমাদের কাজটি ই ভাল।

  3. @ বাংলা মৌলভীঃ আমি যেটা জানি (ভুল হতে পারে), কোন ইসলামী রাষ্ট্রে কেউ ইসলাম ত্যাগ করে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তাকে হত্যা করতে হবে অন্যথায় নয়।

    @ manwithamission: বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে কোন দাওয়াত আগে আর কোনটা পরে দিবেন সেটা ঠিক করা সম্ভব নয়। কারণ, ইসলামের প্রচারের চাইতে অপপ্রচারই বেশি।

  4. এই হুকুম পালনের উপযোগীতা: এটা পরিষ্কার হওয়া উচিত যে, উল্লেখিত বিচার কার্য্য প্রতিষ্টা করতে ইসলামী শাষক, এবং পূর্বোল্লেখিত বাধ্য বাধকতার প্রয়োজন রয়েছে, আমি মনে করে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় সরকরি রুলস রেগুলেশন করে এটা পাশ করিয়ে নিতে আমাদেরকে সোয়াত বা কাবুলে ফিরে যাবার প্রয়োজন হবে না, সংঙ্খ্যগরিষ্ট মুসলিম দেশে আইন করাই যথেস্ট এবং প্রত্যেক ধর্মের স্বকীয়তা রক্ষার্থে এমন আইনই হওয়া উচিত।

    সহমত।

  5. আসসালামু অলাইকুম
    ভাই আপনি সুন্দর একটি পোষ্ট লিখেছেন, manwithamission যে মত প্রকাশ করেছেন আমি ওনার সাথে একমত, আমরা প্রথমেই এত কঠোর হওয়ার চিন্তা করি কেন, অনেকেই আছে যাদের ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারণাই নাই অথচ সে মুসলমান ! তাদেরকে সঠিক ধারনা দিই, কঠোরতা তাদের জন্য হওয়া উচিত যারা সব জেনে বুঝে ইসলামের বিরোধীতা করে। ধন্যবাদ

  6. হত্যাকান্ডের পূর্বে কিছু বিষয়:

    মুসলিম শাষককদেরকে যে বাধ্যবাধকতা ইসলাম করেছে, অর্থাত কোন প্রাপ্ত বয়স্ক সজ্ঞানে যখন ইসলাম ত্যাগ করে তখন প্রথমে তাকে আবদ্ধ করে পরিষ্কার ভাবে ইসলামের প্রমানগুলো, এবং মৌলিক বিশ্বাসগুলো পুনরায় উপস্থাপন করা হবে, তাকে ইসলামে ফিরে আসার সময় দেয়া হবে, সাক্ষী প্রমান যোগাড় করা হবে যে সে কি করছে তার বিশ্বাসের পরিবর্তনের স্বীকারোক্তির গ্রহণযোগ্য স্বাক্ষী নেয়া হবে, এরপরেও সে ইসলাম গ্রহণ না করলে তাকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে হত্যা করা হবে। এটা ইসলামী প্রক-ও নুতন সকল স্কলারদেরই ঐক্যমত। আপতদৃষ্টে বিষয়টাকে কঠোর এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিরোধি মনে হবে, এর দুটি উত্তর আমি দিব একটি হলো অন্যান ধর্মানুসারীদের ইচ্ছা বা তাদের শরীয়তও একই পন্থা অবলম্বন করে, যেমনটি হিন্দু সমাজে কেউ মুসলিম হয়ে গেলে তাকে সমাজচ্যুত কিংবা হত্যা করা এর অর্থ এই যে, তারা তাদের ধর্মকে বাধ্যতামুলক মনে করে, তাই আমাদেরকেও আমাদের ধর্মাবলম্বীদের অস্তিত্বের প্রয়োজনে একই পন্থা গ্রহণ করতে হবে। আমার এই যুক্তিকে হয়তো কঠরোতা মনে হতে পারে। একজন হিন্দু যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তাকে আগুনে পুড়ে ফেলা হয়, হিন্দু নারীদের ভাই-বোন-বাবা, স্বামী-সন্তান সন্ততিরা চিতার আগুনে পুড়ে যাওয়া কাপড়ের পর তার মায়ের লজ্জাস্থান সহ সমস্ত শরীর দেখতে পায়, এমনি পাশবিকতাকে যে সম্মানের দাফনের পরিবর্তে বেছে নিবে তার জন্য দয়ার প্রশ্নই ওঠে না, কারণ সে নিজেই পৃথীবি থেকে তিরোধানের মুহুর্ত থেকে প্রকাশ্য গঞ্জনার ফায়সালা করে নিয়েছে আর পরকালের ভয়াবহ শাস্তিতো আছেই।

    এ ছাড়াও ব্যাপকভাবে তাউহিদের চর্চার প্রয়োজনীয়তাকেও আমলে নিতে হবে অবশ্যই।