লগইন রেজিস্ট্রেশন

শালীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ! ও পর্দাবিরোধীতা প্রসংঙ্গে হাইকোর্টের রায়।

লিখেছেন: ' আল মাহমুদ' @ শুক্রবার, অক্টোবর ৮, ২০১০ (১২:৪৭ অপরাহ্ণ)

পাশ্চাত্যের কয়েকটি দেশেই ধারাবাহিক ভাবে নিষিদ্ধ হয়েছে নিকাব ও হিজাব। ধারাবাহিকতায় মিশর ও বাংলাদেশেও সমমনা রায় ও গ্যাজেট পাশ হয়েছে। ফ্রান্সের পরপরই তাদের অনুসরনে আরো কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের পার্লামেন্টে বিষয়টি উত্থাপিত ও পাশ হবার পথে। সাথে তাল মিলিয়েছে বাংলাদেশের সেক্যুলররা। সরাসরি নিষিদ্ধ করণ তো দেশের মহাযজ্ঞের হেতু হবে তা নিশ্চিত জ্ঞান করেই সুকৌশলে বোল পাল্টে হাইকোর্ট থেকে রায় পাশ করিয়েছে নিষিদ্ধ নয় বরং বাধ্য করা যাবে না।
দেশে পর্নোগ্রাফীর মডেল এখন টিভি তারকা ও সাষ্কৃতি কর্মীরা। আইনজিবীরা বলছেন এসবই স্বাধীনতা, এতে কারো হস্তক্ষেপ করা কাম্য নয় বরং ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করাই নিষিদ্ধ। পাল্লাদিয়ে বেড়েছে ধ্বর্ষণ, ইভাটিজিং ও পারিবারিক বিচ্ছেদ এমনকি নবজাতক ও শিশু হত্যার মতো অমানবিক বিষয়। এতসবই মানবিক কিন্তু অমানবিক হলো পর্দায় বাধ্য করণ। আর সবই মানবিক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা।

পর্দা বা হিজাব ও নেকাব প্রথা মানুষের পোষাকের স্বাধীনতার বিরোধীতা নয় বরং সামাজিক শৃঙ্খলা ও মেয়েদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য অত্যাবশকীয় বিষয়। মেয়েদের রুপে মুগ্ধ হয়েই সমাজে পরস্ত্রীকাতরতা অতপর অবৈধ অসামাজিক কার্যাবলী, ইভাটিজিং, ধ্বর্ষণ ও বহুবিধ অনাকাংঙ্খিত দুর্ঘটনার সুত্রপাত হয়। পত্র-পত্রিকার দৈনন্দিন খবরের ফলো আপে বলা যায় এসব নারীজনিত দুর্ঘটনা এদেশের নিত্তনৈমত্তিক বিষয়ে পরিনত হয়েছে।

ইসলাম মানুষের পরিপূর্ণ শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বলেই মেয়েদেরকে পর্দা পালনে বাধ্য করে। আল কোরানের একাধিক আয়াতে মেয়েদের পর্দা পালনের আবশ্যকীয়তা বা ফরজিয়্যাহ প্রমানিত হয়। যেমন . قال تعالى : ( وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَلْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُولِي الأِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاءِ وَلا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعاً أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ ) النور/31
“ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। ” নূর ৩১।
( يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُوراً رَحِيماً ) الأحزاب/59 “হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। ” আহযাব ৫৯। قال صلى الله عليه وسلم في وصف أهل النار (صنفان من أهل النار لم أرهما، قوم معهم سياط كأذناب البقر يضربون بها الناس، ونساء كاسيات عاريات مائلات مميلات، رؤوسهن كأسنمة البخت المائلة لا يدخلن الجنة ولا يجدن ريحها وإن ريحها ليوجد من مسيرة كذا وكذا)
রসূল সল্লাল্লাহু আলাহেওয়া সাল্লাম ” দুই শ্রেনীর জাহান্নামী হবে যাদের আমি তাদের দেখি নি । (রসূলের যূগে এমন ছিল না) একটি জাতি যাদের হাতে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে এবং তারা তা দিয়ে মানুষদের প্রহার করবে। এবং ঐ সকল মহিলারা যারা কাপড় পরে কিন্তু তারপরো তাদের শরীর দেখা যায়, লোকদের আকৃষ্ট করে ও নিজেরাও তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়, উটের কুজের মতো তাদের মাথা, তারা জান্নাতে প্রবেশ করব না এবং তার ঘ্রানও পাবে না, অথচ তার ঘ্রান এত এত দূর থেকেও পাওয়া যায়” এসব বর্নণা থেকে পর্দা-হিজাব ও চলাফেরার ক্ষেত্রে নিকাবও পরপরুষের দৃষ্টিআষর্ষিত না হয় এমন পোষাকের বাধ্যবাধকতা প্রমান হয়। এবং এসবের ক্ষেত্রে শরীয়তের সুস্পষ্ট নির্দেশে থাকায় তা ফরজ এবং কোন মুসলমানের জন্য একে ঐচ্ছিক বলার সুযোগ নেই। মহান আল্লাহ তালার স্পষ্ট ঘোষণা: وَمَا كَانَ لِمُؤْمِنٍ وَلَا مُؤْمِنَةٍ إِذَا قَضَى اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَمْرًا أَن يَكُونَ لَهُمُ الْخِيَرَةُ مِنْ أَمْرِهِمْ وَمَن يَعْصِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا مُّبِينًا আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়” আহযাব ৩৬। أَلَيْسَ اللَّهُ بِأَحْكَمِ الْحَاكِمِينَ
আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন?” ত্বীন ৮।
সুতরাং কোন পিতা-মাতা, অভিভাবক, সমাজপতি, বিচারক, রাস্ট্রের এই ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ নেই যে আল্লাহ যে বিষয়কে আবশ্যকীয় বানিয়েছেন সে স্বাধীনতা ও স্বচ্ছন্দতা গ্রহনের মানবিক অধিকারের নামে মহান আল্লাহর হুকুমের উপর নিজেন হুকুম চালাবে। বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোতে আজ যখন কৃচ্ছ পোষাক, পর্দার নামে আজীব সব কুরুচী সম্পন্ন পোষাকের প্রচলন বেড়ে গেছে, নগ্নতা ও যৌনাবেদন ময়ী পোষাকের বৃদ্ধি ঘটেছে ফলত বেড়ে গেছে অসামাজিক কার্যক্রম, ইভাটিজিং-পরকীয়া এসবের ফলশ্রুতিতে আত্মহত্যা, ধ্বর্ষণ, পারিবারিক অসম্মন্বয়, কলহ ও শিশু হত্যার মত বিভৎস ঘটনাও যখন নিত্ত নৈমত্তিক হয়ে গেছে, এবং আইন আদালত করেও যখন তার বিহীত করা দুষ্কর হয়ে দাড়িয়েছে তখন বাংলাদেশের উচ্চতর বিচারলায়ে পর্দায় বাধ্য করা যাবে না মর্মের কথিক মানবিক বিধান বস্তুত অমানবিক ও অবৈধ।
বিশেষত একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে এখানকার জনগনের ইসলামী প্রথা পালনের বাধ্যবাধকতা যেমন ধর্মীয় দৃষ্টিতেই বিবেচনা করাই যৌক্তিক তেমনি সামাজের এহেন বিশৃংঙ্খল পরিস্থিতে যথাযত ব্যবস্থা হিসেবে পর্দাপ্রথাকে বাধ্য করণ ও বেহায়াপনা- যৌনুদ্দিপক উৎকট পোষাক- বিশৃংঙ্খল চাল চলনকে নিষিদ্ধ করাই আমাদের দায়ত্ব ছিল ।
দেশে এখন ইভাটিজিং এর বিরুদ্ধে আইন হয়েছে, কিন্তু কৌশলে নারী ও নির্যাতন আরো বৃদ্ধি পেয়েছে, আত্মহত্যা-ধর্ষণ ও পারিবারিক কলহের মৌলিক কারণ হলো মেয়েদের অবাধ চলাফেরা, উত্তেজক পোষাক পরিচ্ছদ, ও সামাজিক মূল্যবোধ হীনতা । শিক্ষক-প্রফসর আর গুনিজন কর্তৃকও মেয়েরা ধ্বর্ষিত হয়েছে, অথচ এসব গুনিজনের সামাকিজ মুল্যবোধ থাকার কথা ছিল সামাজর আর দশটি মানুষের চাইতে বেশি, অথচ তার বিপরীতই আমরা লক্ষ্য করছি প্রতিদিনের পেপার পত্রিকায়। আগুনে ঘি ঢেলে যেমন আগুন নেভানোর কথা বলা হাস্যকর তেমনি অবাধ চলাফেরা- অশালীন পোষাকের স্বাধীনতা দিয়ে মেয়েদের সামাজিক নিরাপত্তাও তেমন কল্পনাতীত। আসুন ব্যক্তিগত ভাবে আমরা এই বাস্তবতাকে অনুধাবন করি।
আল্লাহর হুকুম ” অতএব, হে মুমিনগন তোমরা সকলেই আল্লাহর কাছে তাওবা করো ” হুকুমকে বাস্তবায়ন করি, নিজেররা পর্দা ও শালীনথা আকড়ে ধরি, অপরকে উৎসাহিত করি, হাইকোর্টের এই রায়কে শরীয়তের দৃষ্টিকোন থেকে বিবেচনা করি । রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহে ও সাল্লাম বলেছেন ” لا طاعة لمخلوق في معصية الخالقআল্লাহর অবাধ্যতা করে কোন সৃষ্টির বাধ্যতা করা যাবে না। এমনকি পিতামাতার ব্যপারেও যেখানে মহান আল্লাহর হুকুম তাদের বশ্যতা ও অনুগত হওয়া সেখানে আল্লাহর বিরোধীতার ক্ষেত্রে হুকুম খুবই স্পষ্ট: ” আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দু বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে। সূরা লোকমান ১৪-১৫ আয়াত।
وَإِن جَاهَدَاكَ عَلى أَن تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا
وَاتَّبِعْ سَبِيلَ مَنْ أَنَابَ إِلَيَّ ثُمَّ إِلَيَّ مَرْجِعُكُمْ فَأُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ

পাশ্চাত্যের পর্দা নিষিদ্ধ করনের আদলে এ দেশে তার কাছাকাছি যে রায়টি ঘোষণা করা হয়েছে তা একজন মুসলমানের জন্য কখনোই গ্রাহ্যকর নয়, কারন : الرجل الديوس يااخوان هو الرجل الذى لا يغير على اهل بيته (حديث) معنى الحديث ان الرسول صلى الله عليه وسلم قال الرجل الديوس لا يدخل الجنة فسئل الرسول صلى الله عليه وسلم من هو الديوس يارسول الله فقال لهم هو الذى لا يغير على اهل بيته হাদিসের ভাষ্য মতো ঐ পরুষ জান্নাতে প্রবেশ করবে না যে দাইয়ুস, দায়ুস অর্থ হলো যে, সংসার কর্তা তার পরিবার সম্পর্কে গাফেল। এবং তাদের অপকর্মের কারনে তার চিত্তে নাড়া দেয় না। সর্বপোর মহান আল্লাহর ইরশাদ : {يا أيها الذين آمنوا قوا أنفسكم وأهليكم نارا وقودها الناس والحجارة عليها ملائكة غلاظ شداد لا يعصون الله ما أمرهم ويفعلون ما يؤمرون}
হে ঈমানদারগন! তোমরা নিজেদেরকে ও তোমাদের পরিবারবর্গকে আগুন থেকে বাচাওয় যার যোগান হবে মানুষ ও পাথর এবং যার প্রহরায় কঠিন ও নির্দয়সব ফেরেস্তারা নিয়োজিত যারা আল্লাহর দেয়া হুকুমের ব্যাতিক্রম করে না বরং তার নির্দেশিত হুকুম অনুযায়ি কাজ করে।” তাহরীম ৬নং আয়াত।

যায়েদ বিন সালেম রযি: এই আয়াত অবতীর্ন হওয়ার পর রসূল সল্লাল্লাহু আল্ইহে ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করেন: হে রসুলাল্লাহ আমরা কিভাবে নিজেদের ও পরিবার-পরিজনকে আগুন থেকে বাচাবো?! রসূল সল্লাল্লাহু আল্ইহে ওয়াসাল্লাম উত্তর করলেন: তাদেরকে আল্লাহর নির্দেশ মানার তাগিদ করবে” ইবনে আব্বাস রযি এই আয়াতের ব্যাখায় বলেন: ” “وأهليكم” يعني مروهم بالخير، وانهوهم عن الشر، وعلموهم وأدبوهم تقوهم بذلك، তাদেরকে ভালোর আদেশ দিবে মন্দে নিষেধ করবে, এবং আদব শিক্ষা দিবে এভাবে তাদেরকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবে।
আল্লাহ তা‌‌‌’লা আমাদের তৌফিক দান করুন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৪২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৭ টি মন্তব্য

  1. সুতরাং কোন পিতা-মাতা, অভিভাবক, সমাজপতি, বিচারক, রাস্ট্রের এই ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ নেই যে আল্লাহ যে বিষয়কে আবশ্যকীয় বানিয়েছেন সে স্বাধীনতা ও স্বচ্ছন্দতা গ্রহনের মানবিক অধিকারের নামে মহান আল্লাহর হুকুমের উপর নিজেন হুকুম চালাবে।

    সহমত , সুন্দর বলেছেন ।

  2. বিশেষত একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে এখানকার জনগনের ইসলামী প্রথা পালনের বাধ্যবাধকতা যেমন ধর্মীয় দৃষ্টিতেই বিবেচনা করাই যৌক্তিক তেমনি সামাজের এহেন বিশৃংঙ্খল পরিস্থিতে যথাযত ব্যবস্থা হিসেবে পর্দাপ্রথাকে বাধ্য করণ ও বেহায়াপনা-যৌনুদ্দপন উৎকট পোষাক- বিশৃংঙ্খল চাল চলনকে নিষিদ্ধা করাই আমাদের দায়ত্ব ছিল ।
    (Y) (Y)

  3. হায় সেলুকাস , বিচিত্র এই দেশ।

    যেখানে মুসলিম প্রধান দেশ হয়ে পর্নো সিডি দেদারসে বিক্রি হয় সেখানে কোর্টের কালো-কোট পরিহিত বিচারকরা কোথায় থাকে ? আর ধর্মীয় পোষাক বাধ্য করলেই তাদের যত আপত্তি । নাকি বাইরের দাদাদের মেনিফেস্টো বাস্তবায়ন ?

    তারা মুসলমান ? যদি তারা মুসলমান বলে নিজেদের দাবী করে তাহলে অনুরোধ আলেমদের থেকে জেনে নিন আপনাদের ঈমান এখনও অবশিষ্ট আছে কি নেই ?

    ধিক এইসব বিচারকদের ।

  4. যারা ইসলামের বিরুদ্ধে আজ স্পষটভাবে দাড়িয়েছে তাদের সরকারি পরিচয় পত্রে দেখবেন- তাদের ধর্মের নাম-’ইসলাম’।তাহলে সেকুলার আইনে তাদের বিচারে কি হবে?তাদের ধর্মহীন না এণ্টি-ইসলাম বলবেন? এইসব ধর্মহীন বা এণ্টি-ইসলামীরা কিভাবে মসজিদে যায়? তাদের নাম গুলি কেন এখন পাল্টায় না? কেন ঘোষনা দেয় না যে তাদের মৃত্যুর পর অন্ততঃ ইসলামি কায়দায় যেন কিছু করা না হয়। আবার তাদের জানাজা পড়ার হুজুরের ও অভাব হয় না এদেশে। আসলে তারা কিসের লোভে, কাদের খুশী করতে এসব করতেছে? ইহুদী-মোশরেকরা অতি চালাক।

  5. আলহামদুলিল্লাহ। পড়ে ভালো লাগলো। জাযাকাল্লাহ।