লগইন রেজিস্ট্রেশন

আযান এবং ইক্বামাত দেয়ার সঠিক পদ্ধতি

লিখেছেন: ' ABU TASNEEM' @ শুক্রবার, নভেম্বর ২, ২০১২ (৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ)

Illegal immigrants from Myanmar
আমাদের আমল সহীহ এবং শুদ্ধ করার কথা আসলেই কেবল আলোচনা করা হয় – বুকে হাত বাধা , জোড়ে আমীন বলা , রাফউল ইয়াদাইন করা , ইত্যাদি …….. অথচ এ ছাড়াও আরও অসংখ্য আমল আছে যেগুলি অন্ধভাবে মাযহাব মানার কারণে সঠিক পদ্ধতিতে সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক পালন করা হয় না । আজকে আলোচনা করবো তেমনই একটি বিষয় নিয়ে । আসু আমরা আমাদের মূল আলোচনায় যাই ।
জামা’আতে সালাত আদায়ের জন্য আযান এবং ইক্বামাত দেয়া সুন্নাত । অনুরুপভাবে আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে বাক্যের সংখ্যাগত পার্থক্য করাও সুন্নাত ।

হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেছেন :
বেলালকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে আযানের বাক্যগুলো জোড়ায় জোড়ায় এবং ‘ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ’ ব্যতীত ইক্বামাতের বাক্যগুলো একবার করে বলার জন্য । (অর্থাৎ ইক্বামাতের বাক্যগুলো হবে
‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’ (এক জোড়া) একবার ,
‘আশহাদু আল্লা ই-লাহা ইল্লাল্লাহ’ একবার ,
‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ একবার ,
‘হাইয়া আলাস সালাহ’ একবার ,
‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ একবার ,
‘ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ’ দুইবার ,
‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’ (দুটি আল্লাহু আকবার মিলে একটি বাক্য) একবার ,
‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ একবার ।)
(বুখারী , মুসলিম , নাসায়ী , ইবনে মাজাহ , আবু দাউদ , তিরমিযী , ; কিতাবুস সালাত , পরিচ্ছেদ ; আযানের বাক্যগুলো জোড়ায় জোড়ায় এবং ইক্বামাতের বাক্যগুলো একবার করে বলা)

হযরত ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত , তিনি বলেন : “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সময়ে আযানের বাক্য দুইবার করে এবং ইক্বামাতের বাক্য একবার করে বলা হতো । অবশ্য ইক্বামাতের মধ্যে ‘ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ’ বাক্যটি দুইবার বলা হতো ।” (আবু দাউদ , নাসায়ী ; কিতাবুল আযান)
উল্লেখ্য , আযান ও ইক্বামাত দেয়ার নিয়ম তার সূচনাতেও এভাবে ছিল ।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন , “রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন ‘নাকুস’ (ঘন্টা ধ্বনি) দিয়ে লোকদের সালাতের জন্য একত্র করার নির্দেশ দিলেন , তখন আমি স্বপ্নে দেখতে পেলাম , এক ব্যক্তি হাতে ঘন্টা নিয়ে যাচ্ছে ।
আমি বললাম , হে আল্লাহর বান্দা ! ঘন্টাটি বিক্রি করবে কি ?
লোকটি বলল : তা দিয়ে তুমি কি করবে ?
আমি বললাম : আমরা এর সাহায্যে লোকদেরকে সালাতের জন্য ডাকব ।
লোকটি বলল : আমি কি তোমাকে এর চাইতেও উত্তম জিনিস অবহিত করবো না ?
আমি বললাম : অবশ্যই । লোকটি বললো : সালাতের সময় হলে তুমি বলবে :
“আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
আশহাদু আল্লা ই-লাহা ইল্লাল্লাহ
আশহাদু আল্লা ই-লাহা ইল্লাল্লাহ
আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ
আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ
হাইয়া আলাস স্বালাহ
হাইয়া আলাস স্বালাহ
হাইয়া আলাল ফালাহ
হাইয়া আলাল ফালাহ
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ।”
বর্ণনাকারী বলেন : অতঃপর লোকটি কিছুটা দূরে গিয়ে বললো , যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতে বলবে তখন বলবে :
“আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
আশহাদু আল্লা ই-লাহা ইল্লাল্লাহ
আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ
হাইয়া আলাস স্বালাহ
হাইয়া আলাল ফালাহ
ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ
ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ।”

অতঃপর ভোর হলে আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে স্বপ্নে দেখা বিষয়টি অবহিত করি ।
তিনি বললেন : এটা সত্য স্বপ্ন , ইনশা-আল্লাহ । তুমি ওঠো , বেলালকে সাথে নিয়ে গিয়ে তুমি স্বপ্নে যা দেখেছো তা তাকে শিখিয়ে দাও , সে যেন ঐভাবে আযান দেয় । কারণ তার কন্ঠস্বর তোমার কন্ঠস্বরের চেয়ে উচ্চ ।

অতঃপর আমি বেলালকে নিয়ে দাঁড়ালাম এবং তাকে আযানের এ শব্দগুলো শেখাতে থাকলাম । আর বেলাল ঐগুলো উচ্চস্বরে বলতে লাগলো , উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) নিজ ঘর থেকে ঐ আযান শুনতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ চাদর টানতে টানতে বের হয়ে আসলেন এবং বললেন , ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ! ঐ মহান সত্তার শপথ , যিনি আপনাকে সত্য নবীরুপে পাঠিয়েছেন , আমিও একই স্বপ্ন দেখেছি ।
তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই ।
(আবু দাউদ ; কিতাবুস সালাত , অনুচ্ছেদ : আযানের পদ্ধতি)

উল্লিখিত সহীহ হাদীস সমূহে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হযরত বেলাত (রাঃ) এর মাধ্যমে আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে পার্থক্য করার যে নির্দেশ দিয়েছেন তা উপেক্ষা করে মাযহাবের নামে যারা বলেন : “আযান ও ইক্বামাত একইভাবে অর্থাৎ জোড়ায় জোড়ায় বলা এবং ‘ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ’ দিয়ে আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে পার্থক্য করা সুন্নাত” তাদের এ কথা সঠিক নয় । তার কারণ হলো :

এক : তারা ইক্বামাতের বাক্যগুলো গ্রহণ করেছেন হযরত আবু মাহজুরার বর্ণনা থেকে । হযরত আবু মাহজুরা (রাঃ) বলেছেন :
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে ঊনিশ বাক্যে আযান এবং সতের বাক্যে ইক্বামাত শিক্ষা দিয়েছেন । আযান হলো – প্রথমে ‘আল্লাহু আকবার , আল্লাহু আকবার’ দুইবার করে চার বার , এরপর ‘আশহাদু আন লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ দুইবার , এরপর ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ দুইবার । আবার ‘আশহাদু আন লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ দুইবার এবং ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ দুইবার । এরপর ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ দুইবার এবং ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ দুইবার । শেষে ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’ দুইবার এবং ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ একবার । (মোট ১৯ বাক্য) আর ইক্বামাত হলো সতের বাক্যে । তা হলো প্রথমে ‘আল্লাহু আকবার , আল্লাহু আকবার’ দুইবার করে প্রথমে চার বার । এরপর ‘আশহাদু আন লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ দুইবার । তারপর ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ দুইবার । অতঃপর ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ দুইবার এবং ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ দুইবার । এরপর ‘ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ’ দুইবার । শেষে ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার’ দুইবার এবং ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ একবার । (মোট সতের বাক্য)
(ইবনে মাজাহ ; আযান অধ্যায় , অনুচ্ছেদ : আযানে তারজী করা)

উল্লিখিত হাদীসে আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে শুধু ‘ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ’ বাক্য দিয়ে পার্থক্য করা হয়নি , বরং আযান ১৯ ও ইক্বামাত ১৭ বাক্য করে উভয়ের মধ্যে বাক্যের সংখ্যাগত পার্থক্য করা হয়েছে । সুতরাং আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে শুধু ‘ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ’ বাক্য দিয়ে পার্থক্য করা হলে তাতে রাসূল (সাঃ) এর সুন্নাত অনুযায়ী আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে বাক্যের সংখ্যাগত পার্থক্য হয় না । তাই ১৭ বাক্যে ইক্বামাত দেয়া হলে তার পূর্বে ১৯ বাক্যে আযানও দিতে হবে । অন্যথায় ইক্বামাতের চেয়ে আযানের বাক্য কম হয়ে যাবে । রাসূল (সাঃ) এর সূন্নাত হলো ইক্বামাতের চেয়ে আযানের বাক্য বেশি হওয়া । সুতরাং যেখানে ১৫ বাক্যে আযান দিয়ে ১৭ বাক্যে ইক্বামাত দেয়া হয় এ ইক্বামাত সহীহ ও সঠিক নয় । যেহেতু ওখানে আযানের চেয়ে ইক্বামাতের বাক্য বেশি । এটা সুন্নাতের সম্পূর্ণ পরিপন্থি ।

দুই : হযরত আবু মাহজুরা (রাঃ) এর বর্ণিত আযান ও ইক্বামাতের তুলনায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যায়িদের স্বপ্নে প্রাপ্ত আযান ও ইক্বামাত যা আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কর্তৃক সমর্থিত ও গৃহীত এবং অনুরুপভাবে হযরত বেলাল (রাঃ) কে নির্দেশিত ও আযান ও ইক্বামাত অধিকতর সহীহ ও সহজ । কেননা , প্রথমত – এ আযান ও ইক্বামাতের বাক্য কম । অর্থাৎ এ আযানের বাক্য হলো ১৫ এবং ইক্বামাতের বাক্য হলো ১১ । দ্বিতীয়ত – এ ১৫ বাক্যে আযান এবং ১১ বাক্যে ইক্বামাত আল্লাহর রাসূলের কাছে বেশী পছন্দনীয় ছিলো ।
হযরত আবু রাফে (রাঃ) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেন :
আমি বেলাল (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সামনেই আযানের বাক্যগুলো জোড়ায় জোড়ায় (১৫ বাক্যে) আযান দিতে এবং ইক্বামাতের বাক্যগুলো একবার করে (১১ বাক্যে) ইক্বামাত দিতে দেখেছি ।
(ইবনে মাজাহ ; আযান অধ্যায় , অনুচ্ছেদ : একবার করে ইক্বামাতের বাক্য)

তিন : হযরত আবু মাহজুরা (রাঃ) কে রাসূল (সাঃ) মক্কা সফরের প্রথম দিকে ১৯ বাক্যে আযান ও ১৭ বাক্যে ইক্বামাত দেয়া শেখালেও তিনি মাদানী জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়েছেন হযরত বেলাল (রাঃ) এর ১৫ বাক্যে আযান ও ১১ বাক্যে ইক্বামাতের ওপর । সুতরাং আযান ও ইক্বামাতের নিয়মের ব্যাপারে এটাই তাঁর শেষ আমল । আর কোন বিষয়ে রাসূল (সাঃ) এর দুটি আমল বিদ্যমান থাকলে সেক্ষেত্রে শেষের আমলটিই হবে গ্রহণযোগ্য । সাহাবায়ে কিরাম তা এভাবেই বলতেন : অর্থাৎ কোন বিষয়ে রাসূল (সাঃ) দুইটি আমলের মধ্যে সর্বশেষ আমলটিই গ্রহণ করতে হবে । (বুখারী ; কিতাবুল আযান)

চার : মাযহাব পন্থীরা এ ব্যাপারে আরও একটি হাস্যকর মনগড়া সিস্টেম চালু করেছে । আর তারা তাদের এই মনগড়া সিস্টেমেই বাংলাদেশের অধিকাংশ মসজিদে ইক্বামাত দিয়ে থাকে । যেমন :
“আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার , আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার” এভাবে পরপর চারবার এক নিঃশ্বাসে , তারপর “আশহাদু আল্লা ই-লাহা ইল্লাল্লাহ , আশহাদু আল্লা ই-লাহা ইল্লাল্লাহ” পরপর দুইবার এক নিঃশ্বাসে । অতঃপর “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ , আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ” পরপর দুইবার এক নিঃশ্বাসে । এরপর “হাইয়া আলাস স্বালাহ , হাইয়া আলাস স্বালাহ দুইবার এবং হাইয়া আলাল ফালাহ , হাইয়া আলাল ফালাহ” দুইবার একত্রে এক নিঃশ্বাসে এরপর “ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ , ক্বাদক্বা মাতিস সালাহ” পরপর দুইবার এক নিঃশ্বাসে এবং সবশেষে “আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার এবং লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ।” একত্রে এক নিঃশ্বাসে । এভাবে তারা মনগড়া ভাবে আযান এবং ইক্বামাতের মধ্যে পার্থক্য করে । যার পক্ষে কোন দলীল নেই । মহান আল্লাহ তাদেরকে প্রকৃত সুন্নাহ বুঝার তাওফীক দান করুন । এবং আমাদের সমাজে রাসূল (সাঃ) এর প্রকৃত সুন্নাতকে প্রতিষ্ঠিত করুন । আমীন !

অতএব জামাতে সালাত আদায়ের জন্য ইক্বামাতের বাক্যগুলো ‘আল্লাহু আকবার’ চারবারের জায়গায় দুইবার , ‘আশহাদু আন লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ দুইবারের জায়গায় একবার , ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ দুইবারের জায়গায় একবার , ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ দুইবারের জায়গায় একবার , ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ দুইবারের জায়গায় একবার , ‘ক্বাদ কা মাতিস সালাহ’ দুইবার , ‘আল্লাহু আকবার’ দুইবার এবং ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ একবার মোট ১১ বাক্যে ইক্বামাত দেয়াই হলো সহীহ এবং সুন্নাত । উল্লেখ্য , এ সহীহ এবং সুন্নাত পদ্ধতিতেই হারামাইন সহ আরব বিশ্বের সকল মসজিদে কিম্বা মসজিদের বাইরেও জামাআতে সালাত আদায়ের জন্য তখন থেকে অদ্যাবদি ইক্বামাত দিয়ে আসছে । ভারতীয় উপমহাদেশে কিন্তু ইক্বামাতের এ সুন্নাত আদায় হচ্ছে না শুধু মাযহাবের অন্ধ অনুসরণের কারণেই ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,৪০৪ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৫ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম
    ভাইজান একটা প্রশ্ন করছিলাম। যদি জবাবটা দিতেন …

    http://www.peaceinislam.com/asksumon007/13365/

  2. আর আপনার মুজতাহিদপনা জ্ঞান ফলানোর আগে বইগুলো পড়ুন …

    নবীজির নামায
    ড শাইখ মুহাম্মদ ইলিয়াস ফয়সাল
    মদীনা মুনাওয়ারাহ
    পরিবেশক:
    মাকতাবাতুল আশরাফ
    ইসলামী টাওয়ার, ১১ বাংলাবাজার, ঢাকা- ১১০০।
    প্রকাশক:
    মুমতায লাইব্রেরী
    ইসলামী টাওয়ার, ৬ষ্ঠ তলা
    ১১ বাংলাবাজার, ঢাকা- ১১০০
    ফোন- ৭১৬৪৫২৭, ০১৭১১-১৪১৭৬৪
    …………………………………………………………………………………………………………..
    আরেকটি বই :
    দলিলসহ নামাযের মাসায়েল
    মাওলানা আব্দুল মতিন
    প্রকাশক : মাকতাবাতুল আযহাব (৯৮৮১৫৩২, ০১৯২৪০৭৬৩৬৫)
    …………………………………………………………………………………………………………..
    আরেকটি বই:
    তোহফায়ে আহলে হাদীস
    শাইখুল হিন্দ মাওলানা মাহমুদ হাসান দেওবন্দী রহ।
    সহজীকরন ও বিন্যাস :
    শাইখুল হাদীস মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী
    মাওলানা আমীন পালনপুরী

    পরিবেশনায় : দারুল হাদীস
    ইসলামী টাওয়ার, দোকান নং- 24
    ১১ বাংলাবাজার, ঢাকা- ১০০০.

    প্রকাশক : মাওলানা ওয়াহিদুজ্জামান
    মোবাইল : ০১৭১৩৬১০১১৪, ০১৭১২৬৪২৭০৩
    …………………………………………………………………………………………………………..
    আরেকটি বই :
    হাদীস ও সান্নাহয় নামাযের পদ্ধতি
    মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মালেক
    প্রকাশক
    মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান খান
    আল আবরার ট্রাষ্ট
    ৫০ বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০
    ফোন : ৭১৬৪৫২৭, ০১৭১১১৪১৭৬৪]

    প্রাপ্তিস্থান
    মাকতাবাতুল আশরাফ
    ইসলামী টাওয়ার (দোকান নং : ৫)
    ১১ বাংলাবাজার, ঢাকা ১১০০
    …………………………………………………………………………………..
    ইলাউস সুন্নাহ
    লিখেছেন- মাওলানা যফর আহমদ ওছমানী রাহ., ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক অনুবাদ হয়েছে।

    ABU TASNEEM

    @আবদুস সবুর, কুরআন সুন্নাহর বিপরীত কোন বই আমি পড়তে চাই না । আমি নিয়মিত হাদীস গ্রন্থগুলি পাঠ করি এবং ভাল আলেমদের থেকে পরামর্শ গ্রহন করি । আলহামদু লিল্লাহ , তারা আমাকে দলীল ভিত্তিক কথাই বলেন । মাযহাবীদের আসল রুপ আমার কাছে আরো আগেই আল্লাহ তায়ালা পরিস্কার করে দিয়েছেন । সুতরাং , মহান আল্লাহ পাকের হেদায়েত ছাড়া আমার আর কিছু প্রয়োজন নেই । আমি একমাত্র আল্লাহ পাকের কাছে দোয়া করি হে আল্লাহ ! আমি যদি কোন ভুল পথে থাকি তাহলে তুমি আমাকে সঠিক পথের সন্ধান দাও । আমীন !

    আপনারা চাইলে এই লিংক থেকে ঘুরে আসতে পারেন । আই-ই-আর-এফ ভয়েজচ্যাট এখানে প্রতিদিন মদীনা ইউনিভার্সিটি থেকে পড়াশুনা করা আলেমরা তিন থেকে চারবার ক্লাস নিয়ে থাকেন । এবং ক্লাস শেষে লাইভ প্রশ্নোত্তর প্রদান করা হয় । আশা করি আসবেন ।

    এম এম নুর হোসেন

    @ABU TASNEEM, আপনার দৃস্টিতে এই বই গুলি কুরআন-হাদিসের ভিত্তিতে লেখা হয় নাই। এই হলো আপনাদের তথা কথিত আহলে হদসের চেহারা।

    দেশী৪৩২

    @এম এম নুর হোসেন, এদেরকে নিয়ে সুন্দর একটি কার্টুন দেখুন http://sphotos-b.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/484953_520575311287078_633639315_n.jpg