লগইন রেজিস্ট্রেশন

ব্যান পলিছি

লিখেছেন: ' কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]' @ শনিবার, ডিসেম্বর ৫, ২০০৯ (৪:০৬ পূর্বাহ্ণ)

আস-সালামু আলাইকুম,

আপনাদের কাছে আমাদের দুটি প্রশ্ন ।

১। কি কি কারনে একটি লেখা ব্যান করা যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

২। কি কি কারনে কোনো ব্লগারকে ব্যান করা যেতে পারে ?

কেউ যদি প্রাইভেট মতামত দিতে চান , সরাসরি আমাদের মেইল করতে পারেন support@peaceinislam.com.

এ সম্বন্ধে আপনাদের মতামত আমরা জানতে আগ্রহী । তবে ব্লগারদের সুবিধার জন্য আমরা জানিয়ে রাখছি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমাদের ম্যানেজমেন্ট টিম নির্ধারন করবে।

ওয়াস-সালাম।

কর্তৃপক্ষ [ পিস ইন ইসলাম ]

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৫১৫ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৯৬ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম,

    আমি পয়েন্ট আকারে নীচে কিছু কারণ উল্লেখ করছিঃ

    *** এমন লেখা যা মুসলমান ভাইদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করবে যা ফিতনার নামান্তর আর ফিতনা হত্যার চেয়েও জঘন্য।
    *** নতুন কোন মতবাদ বা নতুন কোন ইবাদতের পন্থা তথা বিদাত যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহতে নেই।
    *** বিভ্রান্ত মূলক লেখা যা ইসলামের প্রতিষ্ঠিত কোন বিষয় বা ইবাদত নিয়ে তর্কের সৃষ্টি করবে। যেমনঃ ঈমান, নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব ও যাকাত নিয়ে বিভ্রান্তমূলক লেখা।
    *** এমন লেখা যাতে শিরকপূর্ণ ইবাদত বা শিরকপূর্ণ কথা থাকবে। যেমনঃ মাজার পূজা, তাবিজ-কবজ, জ্যোতিষ চর্চা ইত্যাদি।
    *** এমন কোন লেখা যা কোন দল-উপদলের প্রচার করে এবং সেই দল-উপদল মুসলমান ভাইদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টিকারী হিসেবে পরিচিত বা প্রতিষ্ঠিত। যেমনঃ কাদিয়ানী, শিয়া ইত্যাদি।
    *** জাল এবং মিথ্যা হাদীস নির্ভর কোন ইবাদতের প্রচার এমন লেখা।

    মহান আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @manwithamission,

    ধন্যবাদ,

    আপনার পয়েন্টগুলো মুল্যবান নিসংন্দেহে ।

    ওয়াসসালাম ।

    mariner

    @manwithamission, (F) (F) (F)

    বাংলা মৌলভী

    @manwithamission,যুক্তিযত মন্তব্য (Y) (Y)

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,সহমত। (Y) (F)

    সাউন্ড অফ ইসলাম

    @manwithamission, একমত আমি আপনার সাথে। (F)

  2. আসসালামু আলাইকুম। যুক্তি তর্ক যেন আমাদেরকে একত্রিত করে বিভক্ত নয় এটাই হচ্ছে মূল কথা।

    আমার ক্ষুদ্র চিন্তা ভাবনা থেকে আমি যা বুঝি তা হচ্ছে, আজ আমাদের মুসলিমদেরকে দেখে মানুষ হাসাহাসি করে আর বলে, তাদের মধ্যেই একতা নেই আবার তারা শান্তির কথা বলে, ইসলামকে বিভিন্ন ভাগে বিভক্তকরা আল-কুর আনে সম্পুর্ন নিষিধ্ব।
    যেহেতু এটা একটা ইসলামিক সাইট (peaceinislam), তাই যদি কারো কথা ইসলাম,মুসলিম,কুরআন ও সহিহ হাদিছের বিরুধ্বে যায়, তাহলে তাকে ব্যান করা যেতে পারে ।

    তবে আমাদের মধ্যে যুক্তি তর্ক থাকবেই, তানাহলে আমরা সত্যকে জানতে পারবো না, তাই কারো যুক্তি তর্ককে অন্য ভাবে নেয়ার দরকার নেই বলে আমার মনেহয়, এছাড়া আপনারা যদি কারো যুক্তি তর্কএর উপরে আঘাত করেন, তাহলে সাইটটির জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে, অতীত কিন্তু তাই বলে, আমাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিৎ, তবে যা ইচ্ছা তাই যেন আমরা না বলি এটা আপনারা যারা লিখক আছেন তাদের খেয়াল রাখা উচিত ও এবিষয়ে বিধি নিষেধ আরোপ করতে পারেন বলে আমার মনে হয়, । ধন্যবাদ । :)

    ফাহাদ

    নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত। (al-imran 3-19 )

    নিশ্চয় আমি আপনাকে সত্যধর্মসহ সুসংবাদদাতা ও ভীতি প্রদর্শনকারীরূপে পাঠিয়েছি। আপনি দোযখবাসীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন না।( baqara 2-119)

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @ফাহাদ,

    এছাড়া আপনারা যদি কারো যুক্তি তর্কএর উপরে আঘাত করেন, তাহলে সাইটটির জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে

    আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ, তবে একটি বিষয় উল্লেখ করা অপ্রাসংগিক হবে না সেটা হলো , আমরা “জনপ্রিয়তা” অর্জন করার চেয়ে সাইটটি “আল্লাহতাআলার” নিকট কবুল হবার ব্যাপারে বেশী আগ্রহী ।

    আমরা চাই সাইটটির মাধ্যমে “কোরান” , “সুন্নাহ” ভিত্তিক কমিউনিটি গড়ে উঠুক । এতে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে ব্যর্থ হলেও আমাদের আপত্তি নেই ।

    ওয়াস সালাম

    ফাহাদ

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],

    বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।
    al-isra17-81

    আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হতে পার।
    al-imran 3-103

    বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। সত্য কথাগুলি মিথ্যার চেয়ে আলাদা, নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হইবে, সাইটটি “আল্লাহতাআলার” নিকট কবুল হবার ব্যাপারে বেশী আগ্রহী আপনারা এটা শুনে ভালো লাগলো,
    তবে আমার কথার একটি অংশ কেটে কেন উপস্থাপন করলেন আল্লাহ ভালো জানেন, উপরে আমি আরো বলেছি যে, যেহেতু এটা একটা ইসলামিক সাইট (peaceinislam), তাই যদি কারো কথা ইসলাম,মুসলিম,কুরআন ও সহিহ হাদিছের বিরুধ্বে যায়, তাহলে তাকে ব্যান করা যেতে পারে ।

    তবে আমাদের মধ্যে যুক্তি তর্ক থাকবেই, তানাহলে আমরা সত্যকে জানতে পারবো না, তাই কারো যুক্তি তর্ককে অন্য ভাবে নেয়ার দরকার নেই বলে আমার মনেহয়, এছাড়া আপনারা যদি কারো যুক্তি তর্কএর উপরে আঘাত করেন, তাহলে সাইটটির জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে, অতীত কিন্তু তাই বলে, আমাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিৎ, তবে যা ইচ্ছা তাই যেন আমরা না বলি এটা আপনারা যারা লিখক আছেন তাদের খেয়াল রাখা উচিত ও এবিষয়ে বিধি নিষেধ আরোপ করতে পারেন বলে আমার মনে হয়, ।

    যাই হোক, আপনারা যাই করেন তাযেন আল-কুরয়ান ও হহিহ হাদীছ সম্মত হয় তাহলেই আনন্দিত হব, আপনাকে আবারো ধন্যবাদ
    :)

    ফাহাদ

    উল্লেখ্যঃ

    ১- যেহেতু এটা একটা ইসলামিক সাইট (peaceinislam), তাই যদি কারো কথা ইসলাম,মুসলিম,কুরআন ও সহিহ হাদিছের বিরুধ্বে যায়, তাহলে তাকে ব্যান করা যেতে পারে ।

    ২-তবে আমাদের মধ্যে যুক্তি তর্ক থাকবেই, তানাহলে আমরা সত্যকে জানতে পারবো না, তাই কারো যুক্তি তর্ককে অন্য ভাবে নেয়ার দরকার নেই বলে আমার মনেহয়, এছাড়া আপনারা যদি কারো যুক্তি তর্কএর উপরে আঘাত করেন, তাহলে সাইটটির জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে, আর সাইটটির জনপ্রিয়তা কমে গেলে লেখকেরা লেখার আগ্রহ হারাবে, আর লেখকেরা লেখার আগ্রহ
    হারালেতো আমাদের যুক্তি তর্কএর কোন দরকারই নেই।

    ৩-আমাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিৎ, তবে যা ইচ্ছা তাই যেন আমরা না বলি এটা আপনারা যারা লিখক আছেন তাদের খেয়াল রাখা উচিত ও এবিষয়ে বিধি নিষেধ আরোপ করতে পারেন বলে আমার মনে হয়।

    আশা করি এখন খুব সহজেই বুঝতে পেরেছেন আমি কি বলতে চেয়েছি ।

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @ফাহাদ,

    আসসালামু আলাইকুম।

    তবে আমার কথার একটি অংশ কেটে কেন উপস্থাপন করলেন আল্লাহ ভালো জানেন,
    কারন হলো আপনার অন্য অংশের সাথে আমরা সমমত পোষন করি । আর এই অংশের বিষয়ে আমাদের বক্তব্যটা পরিস্কার করার জন্য আমরা নিজেদের একটি পয়েন্ট যোগ করলাম মাত্র ।

    “কোরান” এবং “সুন্নাহ” কে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কেউ যুক্তি তর্ক উপস্হাপন করলে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাই । আর এর বিপক্ষে কেউ যুক্তি তর্ক উপস্হাপন করলে সেটাতে আমাদের আপত্তি ।

    ওয়াস-সালাম।

    দ্য মুসলিম

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],
    সহমত। (Y)

  3. সবার প্রতি সালাম,

    এত দিন পর ঈদের ছুটি কাটিয়ে পিসিতে বসতে এই পোষ্টটি চোখে পড়লো। এই ধরণের পোষ্ট পড়ার আমার ইচ্ছাও ছিলনা এবং আগামীতেও থাকবে না। তবে বে-বুঝদারের মতো এই ব্লগের শুরুর আগ থেকে কর্তৃপক্ষের উৎসাহে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম PEACE IN ISLAM এর PEACE টাকে নিয়ে এবং আমার মাথায় এই PEACE শব্দটি ছাড়া অন্য কিছু কাজ করছেনা আর করবেনা ইনশাহআল্লাহ। তাই এই পোষ্টে কিছু বলার আহ্বান করা হয়েছে তাই বলছি।

    এই ব্যান এর জন্য বিগত ১৪০০ বছরের মধ্যে ৪০ বছর বাদে পৃথিবীর কোথায়ও কল্যাণ ধর্মী ইসলামিক রাষ্ট্র গঠণ সম্ভব হয়নাই বলে আমার বিশ্বাস।

    সবাইকে আবারও সালাম।

    ফাহাদ

    @মর্দে মুমিন, আসসালামু আলাই ভাই, কেমন আছেন ? আল্লাহ চাহেতো ভালো আছেন।

    আমি ব্যান করার পক্ষে না, কারন আমি প্রথমে চাই যদি কোন ভাই ইসলাম বা কুরআন হা্দীছ নিয়ে কিছু বলে তখন তার সাথে যুক্তি তর্ক দ্বারা ও আলচোনার মাধ্যমে সমাধান করতে কারন অতীতে আমরা দেখেছি ইসলাম নিয়ে যত সমালচোনা হয়েছে তত মানুষ
    ইসলামের দিকে ছুটে এসেছে আর মানুষ প্রকৃত সত্যকেও জানতে পেরেছে, তাই আগে চাই উপযুক্ত যুক্তি তর্ক যা আল-কুরানে আল্লাহ বলে দিয়েছেন,

    আপন পালনকতা’র পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের
    কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরুপে, এবং তাদের
    সাথে বিতক’ করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায় । নিশ্চয় আপনার পালনকতা’ই ঐ ব্যক্তি সম্পকে’ বিশেষ ভাবে জ্ঞাত র‌য়েছেন,
    যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল
    জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে ।
    (সুরা নাহাল, সুরা নাম্বার ১৬ ,আয়াত নাম্বার ১২৫ )

    মর্দে মুমিন

    @ফাহাদ,যারা মনে করেন ব্যান করে ইসলামকে রক্ষা করবেন তারা ভুলে যান এই Peace in islam ব্লগ ই একমাত্র ইসলামী ব্লগ নয়। এবং কাউকে ব্যান করে যদি মনে করেন তার চিন্তা চেতনাকে ব্যান করে দিবেন তা অবশ্য হাস্যকরই বটে।
    সহনশীলতা যেখানে থাকবেনা সেখানে PEACE মার্কা ঝাণ্ডার সাইনবোর্ড কত টুকু কার্যকর হবে তা নিয়ে ভাবার বিষয়।
    কেউ কেউ এমনও দাবি করছেন- না বুঝে না জেনে কিছু বলবেন না। যা বলার সব বলে দেওয়া হয়ে গিয়েছে। নতুন করে বলার কিছু নেই, তাই সুবোধ বালকের ন্যায় বিনা বাক্যে মেনে নিন নতুবা গর্দান দিন।
    আসলে কর্তৃপক্ষের ব্যান নামক সারিবাদী সালসার প্রয়োগে না গিয়ে নতুন করে ব্লগের নীতিমালায় বর্ণনা করা উচিত ব্লগার্সদের নতুন করে জানিয়ে দেওয়া কোন কোন বিষয়ে কথা বলা যাবে আর কোন কোন বিষয়ে যাবেনা। উক্ত নীতিমালা বিরুদ্ধে গেলেই কর্তৃপক্ষ কুটুস করে ব্যান করে দিবেন । ধন্যবাদ।

    ফাহাদ

    @মর্দে মুমিন, তাহলেই মনে হয় সাইটটি আল্লাহ কবুল করবেন । :)

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন,সহমত। (Y)

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন,

    গের নীতিমালায় বর্ণনা করা উচিত ব্লগার্সদের নতুন করে জানিয়ে দেওয়া কোন কোন বিষয়ে কথা বলা যাবে আর কোন কোন বিষয়ে যাবেনা। উক্ত নীতিমালা বিরুদ্ধে গেলেই কর্তৃপক্ষ কুটুস করে ব্যান করে দিবেন । ধন্যবাদ।

    সহমত। (Y)

    ফাহাদ

    @ দ্য মুসলিম , সাথে PEACE IN ISLAM এর ব্যাখ্যা ও নিচের বাংলা লিখাটারও ব্যাখ্যা চাই,
    ”নতুন প্রজন্মে ইসলামি চেতনার বিকাশ” এটা কিভাবে সম্ভব , কি বলেন ? :)

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন, (Y)

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @মর্দে মুমিন,

    আসলে কর্তৃপক্ষের ব্যান নামক সারিবাদী সালসার প্রয়োগে না গিয়ে নতুন করে ব্লগের নীতিমালায় বর্ণনা করা উচিত ব্লগার্সদের নতুন করে জানিয়ে দেওয়া কোন কোন বিষয়ে কথা বলা যাবে আর কোন কোন বিষয়ে যাবেনা। উক্ত নীতিমালা বিরুদ্ধে গেলেই কর্তৃপক্ষ কুটুস করে ব্যান করে দিবেন । ধন্যবাদ।

    জ্বী, ব্লগের নীতিমালা আমরা তৈরী করছি । সেটাতে বিস্তারিত ভাবে বর্ননা করা থাকবে কি ধরনের লেখা এখানে প্রমোট করা হবে, কি ধরনের লেখা গ্রহনযোগ্য নয় ইত্যাদি ।
    ধন্যবাদ

    হাফিজ

    @মর্দে মুমিন, কেমন আছেন ? গরুর গোস্ত কেমন খেলেন ? আমি তো ঈদের পর থেকে গরুর গোস্তের উপরই আছি :)

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ, আপনার কথা শুনে গরুর গোস্তের কথা মনে পড়ে গেলো। খুবই মিস করছি। :(

    মর্দে মুমিন

    @হাফিজ,আলমাদুলিল্লাহ। না ভাই আমি গরু ছাগলের উপরে নই। ব্যক্তিগত ভাবে গোস্ত নামক খাদ্যের প্রতি তেমন আকর্ষণ নেই।

  4. “কোরান” এবং “সুন্নাহ” কে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কেউ যুক্তি তর্ক উপস্হাপন করলে সেটাকে আমরা স্বাগত জানাই । আর এর বিপক্ষে কেউ যুক্তি তর্ক উপস্হাপন করলে সেটাতে আমাদের আপত্তি ।

    ভাই এখানে সবাই এক রকম বুঝে না, কেউ কম কেউবা বেশি, আর আপনাদের সাইটটির
    মূল কথাটাই হচ্ছে, ”নতুন প্রজন্মে ইসলামি চেতনার বিকাশ”
    তাই যুক্তি তর্ক করতে গিয়ে অনেক রকম কথা হতে পারে, পক্ষে বিপক্ষে সবাই যার যার যুক্তি উপস্থাপন করবে, আমার কাছে যেটা ভালো অন্যের কাছে সেটা ভালো নাও হতেপারে, নতুনরা শিখবে,জানবে এব্যপারে আপনাদের কি মতামত জানাবেন কি ?

    ফাহাদ

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @ফাহাদ ,

    ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য । আমরা যেভাবে চিন্তা করেছি সেটা নিম্নরূপ । এরপরেও আপনাদের কোনো মতামত থাকলে শেয়ার করুন:

    কোনো বিষয়ে মতভেদ দেখা দিলে আমাদের সাপোর্ট টিম স্বনামধন্য ইসলামিক প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ে “ফতোয়া” বা “সমাধান” সংগ্রহ করে ব্লগে পোস্ট করবেন । বিষয়টির নিস্পত্তি হবার পর এ সংক্রান্ত কোনো পোস্ট ব্লগে পুনরায় আসলে সেটা প্রয়োজনবোধে ডিলিট অথবা প্রথম পেজ থেকে সরিয়ে দেয়া হবে ।

    ওয়াস-সালাম।

    ফাহাদ

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],
    আমরা যেভাবে চিন্তা করেছি সেটা নিম্নরূপ । এরপরেও আপনাদের কোনো মতামত থাকলে শেয়ার করুন:

    ১। কি কি কারনে একটি লেখা ব্যান করা যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?
    ২। কি কি কারনে কোনো ব্লগারকে ব্যান করা যেতে পারে ?

    ———————————————————————————————–

    খুব ভালো বলেছেন, তবে সরাসরি ব্যান করার ব্যাপারে আমার দিমত আছে,আপনাদের সাপোর্ট টিম এবং এখানে যে লিখাটি লিখক লিখবেন বা মন্তব্য করবেন এবং এ বিষয়টি নিয়ে এখানে যদি পক্ষে বা বিপক্ষে আলোচনা হয় তার উপরে ভিত্তি করে মতামত আসে এবং তার উপরে নির্ভর করে কারো লিখা ডিলেট করা বা কাউকে ব্যান করা যেতে পারে, আপনারা কি বলেন?

    ফাহাদ

    আমার মতে কারো একোক সিধ্বান্তে কিছু যাতে না হয়, সবার মতামতের উপরে নির্ভর করবে । ধন্যবাদ।

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @ফাহাদ,

    প্রথমে ওয়ারনিং দেয়া হবে , ৩ বার ওয়ারনিং দেবার পর যদি ব্লগাররা গাইডলাইন না মেনে চলে তাহলে ব্যান করা হতে পারে ।

    ধন্যবাদ

    মর্দে মুমিন

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ], স্বনামধন্য এইটি আবার কি? আপনার ঐ প্রতিষ্ঠান কি সর্বসম্মত ইসলামিক প্রতিষ্ঠান? আপনার ঐ প্রতিষ্ঠানের নাম এবং ঠিকানা টি যদি জানান তাহলে ভাল হয়।

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @মর্দে মুমিন,

    বর্তমানে আমরা “বসুন্ধরা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার” থেকে ইসলামিক জুরিসপ্রডেন্স বিষয়ে মতামত সংগ্রহ করে থাকি । ভবিষ্যৎ-এ আরো অনেকের সাথে যোগাযোগ করা হবে ।

    ধন্যবাদ ।

  5. আসসালামু আলাইকুম ।
    ধন্যবাদ পূনরায় বিবেচনা করার জন্য। বিষয়টি আমি দুইটি নীতির আলোকে আলোচনা করতে চাই
    ১। সাধারণ ব্লগিং নীতিমালা
    ২। ধর্মীয় ব্লগিং নীতিমালা

    - সাধারণ ব্লগিং নীতিমালায় কিছু রেস্ট্রিকশন আছে সেগুলো অনকেটা কপিরাইট এবং অনলাইন নীতিমালার কাছাকাছি। এগুলোর কিছু লিংক এখানে দেখুন:
    http://en.wordpress.com/tos/ ওয়ার্ডপ্রস নীতিমালা।
    http://www.blogger.com/terms.g ব্লগার নীতিমালা।
    http://www.google.com/accounts/TOS গুগল সমূহ সার্ভিসেস নীতিমালা।
    http://www.maktoob.com/Blog আরবীভাষার শীর্ষ জনপ্রিয় ব্লগ।

    কয়েকটি ফোরাম :
    ট্রাভেল ফোরাম : আরবী
    সাহিত্য ফোরাম
    ব্লগিং এর আলিফ বা
    এখানে সাধারণ এবং ধর্মকেন্দ্রিক নয় এমন একটি ট্রাভেলস ফোরামের নীতিমালা অনুবাদ করবো যাতে বিষয়টি খুব সাধরণ নীতিমালায় বিবেচনা করা যায় ।
    পরবর্তি মন্তব্য দ্রষ্টব্য:

    বাংলা মৌলভী

    @বাংলা মৌলভী, ১ম প্রাকার হিসেবে আমি সাধারণ (ধর্মসংশ্লিষ্ট নয় ) এমন একটি ফোরাম (ব্যাবহারকারী হিসেবে ) তার নীতিমালা অনুবাদ করে দিচ্ছি:
    সাধারণ শর্ত সমূহ:
    - ব্যাবহারকারী সকলপ্রকার দায়বদ্ধতা বহন করিবেন, যে সকল বিষয় তাহার নিজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং তাহার আইডি থেকে প্রকাশিত হইবে।
    - ব্যাবহারকারী কর্তৃপক্ষকে কোন বিষয়ে বাধ্য কিংবা প্রশ্ন করিতে পারিবেন না। যদিও কর্তৃপক্ষ কোন বিষয়কে অনুপযোগী, অসংলগ্ন অসংস্লিস্টতা কিংবা বিরোধ বিপত্তি জনিত করনে কিংবা এর ব্যাতিক্রম ভাবিয়া যে কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
    - নিরাপত্তা এবং কল্যানের স্বার্থে কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত সকল বিষয় সংরক্ষন করিতে পারেন, ব্যাবহারকারী ইহাতে কোন প্রকার আপত্তি করিতে পারেন না। (কপি রাইটিং বন্ড ব্যান্ড) এবং কোন যে কোন ধরণের পরিবর্তন- সংযোজন – বিয়োজন ও করিতে পারিবেন, কিংবা পরিপূর্ণভাবে বিলুপ্ত সাধনও করিতে পারেন।
    - ব্যাবহারকারীর কোন প্রকার আপত্তি থাকিলে কর্তৃপক্ষের সহিত যোগাযোগ করিয়া মীমাংশা করিবার চেষ্টা করিতে পারিবেন।
    - অনুরুপ ভাবে কোনপ্রকার টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য ব্যাবহারকারী কর্তৃপক্ষের সহিত যোগযোগ করিয়া সুরাহ করিবে।
    - ব্যাবহারকারী কোন প্রকার ব্যক্তিগত প্রচারণা চালাইতে পারিবেন না, যথা ইমেইল, মোবাইল নং কিংবা যোগাযোগ ঠিকানার প্রচার, চাই তা লিখিত উপায়ে হউক কিংবা ছবির মাধ্যমে হউক।
    - প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ যেকোন প্রকার ব্যাবসায়িক প্রচারণাও নিষিদ্ধ ।
    ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, উদ্দেশ্র প্রনোদিত হুমকি, সংবাদ ইত্যাদি প্রচারনা নিষিদ্ধ।
    ব্যবহারকারী কোন বিষয় কোড করতে চাইলে সোর্স পক্ষীয় নীতিমালা (তৃতীয়পক্ষের) নিয়ম-নীতিকে শ্রদ্ধা করিতে বাধ্য থাকিবেন। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ যেকোন প্রকার ব্যাবসায়িক প্রচারণাও নিষিদ্ধ ।
    ব্যক্তিগত চিঠিপত্র, উদ্দেশ্র প্রনোদিত হুমকি, সংবাদ ইত্যাদি প্রচারনা নিষিদ্ধ।
    -ব্যবহারকারী কোন বিষয় কোড করতে চাইলে সোর্স পক্ষীয় নীতিমালা (তৃতীয়পক্ষের) নিয়ম-নীতিকে শ্রদ্ধা করিতে বাধ্য থাকিবেন।
    -তৃতীয় পক্ষের কোন বিষয় ব্যবহার করার ক্ষেত্রে তার সোর্স কিংবা রেফারেন্স উল্লেখ করিতে হইবে।
    -কর্তৃপক্ষের কোন বিষয়ে হস্তক্ষে করণ কিংবা প্রচেস্টা করন সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ, যথা এ্যাডমিন প্যানেলের ব্যাবহার- কিংবা ব্যাবহারের প্রচেস্টা-হ্যাক কিংবা অবগত হওয়ার পরে তা পরিবর্তন ইত্যাদি কিংবা এতদ্ব সংশ্লিষ্ট যে কোন ধরণের বিষয় ব্যাবহারকারীর জন্য নিষিদ্ধ।
    -তৃতীয় পক্ষের কোন বিষয় ব্যবহার করার ক্ষেত্রে তার সোর্স কিংবা রেফারেন্স উল্লেখ করিতে হইবে।
    -কর্তৃপক্ষের কোন বিষয়ে হস্তক্ষে করণ কিংবা প্রচেস্টা করন সম্পূর্ণরুপে নিষিদ্ধ, যথা এ্যাডমিন প্যানেলের ব্যাবহার- কিংবা ব্যাবহারের প্রচেস্টা-হ্যাক কিংবা অবগত হওয়ার পরে তা পরিবর্তন ইত্যাদি কিংবা এতদ্ব সংশ্লিষ্ট যে কোন ধরণের বিষয় ব্যাবহারকারীর জন্য নিষিদ্ধ।
    ………………… অসমাপ্ত ( বিষয়গুলো এখানে অপ্রসাংঙ্গিক) বিধায় আর অনুবাদ করলাম না।
    এভাবে যে সকল কারন কর্তৃপক্ষ কোনরুপ নোটিশ ও সতর্কীকরণ ব্যতিতই ব্লগ বাতিল, ব্লগারকে ব্যান্ড কিংবা যে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন :
    - কোনপ্রকার এ্যাডভারটেস মুলক প্রচারনার জন্য ।
    - ইমেইল, মোবাইল, কিংবা কারো ছবি বিনা অনুমতিতে প্রকাশ করার জন্য ।
    - অপ্রসাংঙ্গিক বক্তব্যে পোস্ট দিয়ে বরংবার সমস্যা তৈরি কার প্রচেষ্টা করলে।
    - কোন প্রকার হ্যাকিং প্রতিয়মান হলে ।
    - শরয়ীত পরিপন্থি কোন বিষয় প্রচার করল।
    - ধর্মীয় বিশ্বাস এবং আদবের অবমাননা ও বিকৃতি ঘটাল।
    - ভ্রান্ত গোস্ঠিদের মতবাদ প্রচার করতে চেষ্টা করলে।
    - পাবলিক সেন্টিমেন্টে আঘাত হেনে কোন মতপ্রকাশ করল।
    - অন্যান্ন সদস্যদের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে যাবে এমন কোন বিষয় বারংবার উপস্থাপন করলে।
    - কোন বিশেষ সদস্যের বিরুদ্ধে, কিংবা রাজনৈতিক উদদ্দেশ্যে কিংবা তৃতীয় কোন ব্যক্তির ব্যাপারে উদ্দেশ্যমুলক বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করলে।
    - কোন অর্থবহণ করে না এমন পোস্টিং করলে।
    - রাজনীতি সংশ্লিষ্ট কোন বিষয় পোস্টিং করলে ।
    - আলোচিত – সমালোচিত একই বিষয়ে বরংবার পোস্টিং করলে। সোর্স : منتديات العرب المسافرون আরবী ট্রাভেলস ফোরাম

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @বাংলা মৌলভী,

    আপনার পয়েন্টগুলো আমরা পর্যালোচনা করে দেখব ।

    বিস্তারিত লেখার জন্য ধন্যবাদ।

  6. আসসালামু আলাইকুম।
    এই পোষ্টের মন্তব্যে যুক্তি-তর্কের উপর জোর প্রদান করা হয়েছে যেন সত্য প্রকাশিত হতে পারে অথবা শিখতে প্রকাশিত হতে পারে।
    কিন্তু ইসলামের মধ্যে কি এমন অসত্য লুকিয়ে আছে যে, যার কারনে আমাদেরকে যুক্তি তর্কের আশ্রয় নিতে হবে ? ? ? ? ? ? ? ?
    এখানে আল্লাহ তায়ালাকে সত্যি সত্যি ভয় পায় এবং মন থেকে ইসলাম এর কল্যান চায় তারা ঠিকই জানে কোনটি নব ফেরকা এবং অসত্য। কারন আল্লাহ তায়ালা কখনও সত্য পথের অন্বেষন কারীকে পথ ভ্রষ্ট করবেন না। অবশ্য আমরা সবাই নিজেকে সত্য অন্বেষন কারী বলে পরিচয় দেই। আর এদের মধ্য থেকে “ভন্ড” বের করার উপায় হলো এদের কথাকে কোরান ও সুন্নাহ এর কষ্টি পাথরে যাচাই করা এবং আমাদের পূর্বপূরুষদের আমল আখলাক যাচাই করা। কারন যত দিন যাবে তত “রাজারবাগ পীর”,”দেওয়ান বাগী”, “কোরান অনলি”-দের মতো ভন্ডের সংখ্যা বেড়ে যাবে। এদেরকে প্রথমেই ব্যান করা উচিৎ। এদের কে সুযোগ দেয়ার মানে হলো এদের বিস্তারে সহায়তা করা। এ ধরনের ভন্ডদের কাছ থেকে আমরা ভালো কিছু যে শিখতে পারবোনা এটা কনফার্ম।

    আল্লাহ পাক পবিত্র কোরানে কারীম এ ইরশাদ করেনঃ
    “মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক আছে, যাদের পার্থিব জীবনের কথাবার্তা তোমাকে চমৎকৃত করবে। আর তারা নিজেদের মনের কথার ব্যপারে আল্লাহকে সাক্ষ্য স্হির করে। আসলে তারা (সত্যের) জগন্যতম শত্রু । আর যখন তারা ফে যায় তখন প্রচেষ্টা চালায কাতে সেখানে অকল্যান সৃষ্টি এবং শস্যক্ষেত্র ও জীবন ধ্বংস করতে পারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ বিশৃঙ্খলা অরাজকতা পছন্দ করেন না”

    এখানে আমাদের সবার ঈমানের শক্তি সমান নয় অথবা সবাই সমান জানি না। যখনই কোন বাতিল ফেরকার বাতিল যুক্তি শুনে থাকি তখন তা কিছুটা হলেও মন কে আচ্ছন্ন করে রাখে কারন তারাও এসব করার জন্য কোরান এবং হাদিস এর সাহায্য নেয়। আর কোরান এবং হাদিস এর সাহায্য গ্রহণ করার মানে এই নয় যে তারা সত্য পন্থী। আল্লাহ পাক কোরানে কারীমে ইরশাদ করেনঃ
    “(তিনি এর দ্বারা) পথভ্রষ্ট করেন অনেক কেই এবং হেদায়াত দেন অনেককেই। আর তিনি একমাত্র ফাসিকদের ব্যতিত কাউকে পথ ভ্রষ্ট করেন না”

    শিয়া, আহমদিয়া-দের নিজেদের নিজস্ব ওয়েব সাইট আছে। যারা এদের অনুসারী তারা সেখানে গিয়ে যা ইচ্ছা তা করুক। এদের কে এখানে সুযোগ দেয়ার কোন মানে হয় না। আর কেউ যদি “তর্ক-বিতর্ক” করে কিছু শিখতে চায় তারা ও সেসব সাইটে ব্রাউজ করতে পারে।

    আর তাছাড়া এখানে যারা তর্ক-বিতর্ক করতেই আসেন তারা নিজেদের মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতেই আসে। তর্ক-বিতর্ক করে এদের শোধরানো যাবে না। এরা এদের মতবাদ এর থেকে কখনও সরে যাবে না। মাঝখানে অহেতুক অন্যদের সময় নষ্ট হয়। কোন এক মনিষি বলেছিলেনঃ দ্বীনকে ধ্বংস করা, মনুষত্ব হ্রাস করা ও অন্তরকে মত্ত করা ছাড়া খুসুমা বা আর্থিক বিতর্কের মাধ্যমে আর কোন কিছুকে সাফল্যমন্ডিত হতে দেখিনি

    “হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (দঃ) বলেছেনঃ বিরতিহীন ভাবে তর্ক করতে থাকা গুনাহে মত্ব হওয়ার জন্য যথেষ্ট”।
    “হযরত আলী (রাঃ) বলেছেনঃ ধ্বংসের কারন হচ্ছে বাদানুবাদ”।

    শুধুমাত্র যুক্তি-তর্কের থেকে কিছু শিখতে পারি এই মতবাদের উপর ভিত্তি করে কাউকে ব্যান করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ হবে না।

    সুতরাং
    *** যখনই মনে হবে কোন লিখক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তখন সাথে সাথে তাকে ওয়ার্নিং দিয়ে তার লিখা ডিলিট করা উচিৎ। আর এরূপ ৩ বার করলে তার আইডি ব্যান করা উচিৎ। কারন বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ দিলে ক্ষতি যা হবার হয়ে যাবে।
    *** নির্ধারিত ফেরকা যেমনঃ রাজারবাগী, আহমদিয়া, কোরান অনলি এদের কোন পোষ্ট যদি তাদের মতবাদের সমর্থনে প্রকাশ করা হয় তখন সাথে সাথে ব্যান করা উচিৎ।

    এই মন্তব্য নির্দিষ্ট কাউকে লক্ষ করে করা হয়নি। শুধুমাত্র কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন ই মূল উদ্যেশ্য।

    mariner

    @দ্য মুসলিম, (F) (F) (F)

    ফাহাদ

    @দ্য মুসলিম, অয়ালাইকুম আসসালাম।

    সুন্দর আলোচনা হচ্ছে, আশাকরি আমাদের এই আলোচনা বৃথা যাবে না ।

    এবার আপনার কথার পিঠে কিছু বলার চেষ্টা করি, ভুল হলে সুধরে দিবেন বলে আশা রাখি, আমি উপরে যেতা বুঝিয়েছি, সেটা হচ্ছে সাইটটির
    মূল কথাটাই হচ্ছে, ”নতুন প্রজন্মে ইসলামি চেতনার বিকাশ” আর আমরা যুক্তি তর্ক করবো নতুন প্রজন্মের মাঝে ইসলামি চেতনার বিকাশ ঘটাতে,
    তার মানে এই নয় আমরা যা ইচ্ছা তাই বলবো।
    অবশ্যই আমাদের কথা কুরান ও সোহীহ হাদিছ ধারা ১০০% প্রমানিত হতে হবে।
    তবে অনেক ক্ষেত্রে মানুষের ভুলভ্রান্তি হতে পারে তখন সেটাকে কুরান ও সোহীহ হাদিছ ধারা ১০০% প্রমান করে দেয়া, তার পর আর কোন কথা থাকতে পারেকি।

    নুম্বার ২- আপনি বলেছেনঃ কিন্তু ইসলামের মধ্যে কি এমন অসত্য লুকিয়ে আছে যে, যার কারনে আমাদেরকে যুক্তি তর্কের আশ্রয় নিতে হবে ? ? ? ? ? ? ? ?

    উত্তরঃ ইসলামের মধ্যে কি আছে আর কি নাই সেটা আল্লাহ আল-করআনে বলে দিয়েছেন, আল্লাহর নিকত একমাত্র গ্রহনযোগ্য ধর্ম ইসলাম, আর আল্লাহই এই দ্বীন ইসলামকে টিকিয়ে রাখবেন আর যুক্তি তর্কের আশ্রয় নিতে হবেকিনা তা জানতে এই আয়াতের দিকে খেয়াল করুন

    আপন পালনকতা’র পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের
    কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরুপে, এবং তাদের
    সাথে বিতক’ করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায় । নিশ্চয় আপনার পালনকতা’ই ঐ ব্যক্তি সম্পকে’ বিশেষ ভাবে জ্ঞাত র‌য়েছেন,
    যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল
    জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে ।
    (সুরা নাহাল, সুরা নাম্বার ১৬ ,আয়াত নাম্বার ১২৫ )

    আমরা উপরের আয়াত থেকে জানতে পারি ইসলাম বিতক’ এর পক্ষে।

    নুম্বার ৩-আপনি বলেছেনঃ (“রাজারবাগ পীর”,”দেওয়ান বাগী”, “কোরান অনলি” শিয়া, আহমদিয়া) এরা কারা দয়া করে জানাবেন কি? আমি প্রবাসে থাকি, তাই এদের সম্পর্কে তেমন ভালো জানি না, এরা আল-কুরয়ান ও সহিহ হাদিছের পক্ষে না বিপক্ষের দল? এরা আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের পক্ষে না বিপক্ষের দল ?

    আল্লাহ আল-করআনে বলে দিয়েছেন,

    আর তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ় হস্তে ধারণ কর; পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। আর তোমরা সে নেয়ামতের কথা স্মরণ কর, যা আল্লাহ তোমাদিগকে দান করেছেন। তোমরা পরস্পর শত্রু ছিলে। অতঃপর আল্লাহ তোমাদের মনে সম্প্রীতি দান করেছেন। ফলে, এখন তোমরা তাঁর অনুগ্রহের কারণে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ। তোমরা এক অগ্নিকুন্ডের পাড়ে অবস্থান করছিলে। অতঃপর তা থেকে তিনি তোমাদেরকে মুক্তি দিয়েছেন। এভাবেই আল্লাহ নিজের নিদর্শনসমুহ প্রকাশ করেন, যাতে তোমরা হেদায়েত প্রাপ্ত হতে পার। al-imran 3-103

    ইসলামকে বিভক্ত করা ইসলামে সম্পুর্ন নিষিধ্ব।

    এছাড়া আপনি অনেক কথা বলেছেন, তার উত্তর আমি আল-করআনের একটি আয়াত দিয়েয় দিতে পারি বলে আমার মনে হয়,

    আল্লাহ আল-করআনে বলে দিয়েছেন,

    বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।
    al-isra17-81

    আপনাকে ধন্যবাদ এবং আমার ভুল হলে সুধরে দিবেন বলে আশা রাখি। :)

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @দ্য মুসলিম,

    “হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (দঃ) বলেছেনঃ বিরতিহীন ভাবে তর্ক করতে থাকা গুনাহে মত্ব হওয়ার জন্য যথেষ্ট”।
    “হযরত আলী (রাঃ) বলেছেনঃ ধ্বংসের কারন হচ্ছে বাদানুবাদ”।

    শুধুমাত্র যুক্তি-তর্কের থেকে কিছু শিখতে পারি এই মতবাদের উপর ভিত্তি করে কাউকে ব্যান করা থেকে বিরত থাকা উচিৎ হবে না।

    সুতরাং
    *** যখনই মনে হবে কোন লিখক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তখন সাথে সাথে তাকে ওয়ার্নিং দিয়ে তার লিখা ডিলিট করা উচিৎ। আর এরূপ ৩ বার করলে তার আইডি ব্যান করা উচিৎ। কারন বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ দিলে ক্ষতি যা হবার হয়ে যাবে।
    *** নির্ধারিত ফেরকা যেমনঃ রাজারবাগী, আহমদিয়া, কোরান অনলি এদের কোন পোষ্ট যদি তাদের মতবাদের সমর্থনে প্রকাশ করা হয় তখন সাথে সাথে ব্যান করা উচিৎ।

    এই মন্তব্য নির্দিষ্ট কাউকে লক্ষ করে করা হয়নি। শুধুমাত্র কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন ই মূল উদ্যেশ্য।

    আপনি সুন্দর বলেছেন । “মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে” কেউ যেন স্বেচ্ছাচারিতা না করে সেদিকে কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি রাখছেন। সেই কারনে ব্যান পলিছি বা লেখার গাইডলাইন তৈরী করে সেই অনুযায়ী আমরা অগ্রসর হবো ।

    ওয়াস সালাম।

    মর্দে মুমিন

    @দ্য মুসলিম,যখনই মনে হবে কোন লিখক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তখন সাথে সাথে তাকে ওয়ার্নিং দিয়ে তার লিখা ডিলিট করা উচিৎ।
    বাহ! মারহাবা!

    ভাই দ্য মুসলিম বিভ্রান্তি বা বিভ্রান্তি নয় তা যে মানদণ্ডে বিচার করবেন সেই দণ্ডটি কি সর্বসম্মত?

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন,সেই দন্ডটি যেন সর্বসম্মত হয় সেই জন্যই তো আপনাদের মতামত চাওয়া হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। আপনারা পার্টিসিফেট করলে ভালো হত।

  7. আমরা এখানে কেউ প্রফেশনাল ব্লগার না। কর্মব্যস্ত জীবনে কিছুটা সময় সন্চয় করে রাখি এই সাইটের জন্য, এই উদ্যেশ্যে যে কিছু শিখতে পারবো। কিন্তু বেশির ভাগ সময় “কিছু না শিখে” বরং “কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে” হয়ে সাইন আউট করি। কারন বাতিল ফেরকাবাজদের উদৃত কোরান ও সুন্নাহর দলিল কিছুটা হলেও মনকে আচ্ছন্ন করে রাখে। তারপরও মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া যে তাদের কুমন্ত্রনা থেকে বেঁচে আছি।

    এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে যদি “মত প্রকাশের স্বাধীনতার” নামে এদের সুযোগ দিয়ে যাওয়া হয় তাহলে এরা একদিন “সুঁই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরুবে”। নতুন কেউ যখন এই সাইটে লগ ইন করবে তখন কি ভাববে সে ??? তখন যে সাইটের নামের সাথে (PIECE IN ISLAM) সাথে কাজের কোন সার্থকতা খুঁজে পাবে না এতটুকু কনফার্ম।

    “ব্যান পলিসি লিখার সময় কর্তৃপক্ষকে এসব বিষয়ের দিকে লক্ষ রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি”

    mariner

    @দ্য মুসলিম, (*) (*) (F) (F) (F) (F)

    ফাহাদ

    @দ্য মুসলিম, আপনার লিখাটি আমার কাছে অস্পষ্ট মনে হয়েছে,
    আপনি কোনটির বিরুধ্বে, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নাকি মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে অন্য কিছুর ?

    মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবারি আছে, ছিল, থাকবে ইনশা-আল্লাহ, যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নাই সেখানে সত্যবলে কিছু থাকতে পারেনা অতীত সাক্ষি দেয়, যেখানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবেনা সেখানে কে দোষি আর কে সাধু তা বুঝবো কিভাবে প্রশ্ন রেখে গেলাম ?

    আমি মত প্রকাশের পক্ষে আর মিথ্যার বিরুধ্বে আছি,ছিলাম এবং থাকবো, আপনাকে আবারো ধন্যবাদ ।

    মর্দে মুমিন

    @ফাহাদ, আমি মত প্রকাশের পক্ষে আর মিথ্যার বিরুধ্বে আছি,ছিলাম এবং থাকবো
    (Y)

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন,
    মত প্রকাশের নির্দিষ্ট ক্ষেত্র রয়েছে। কেউ যদি কোরান ও সুন্নাহ এর মনগড়া ব্যাখ্যা দাঁড় করাতে চায় তখনই সমস্যা শুরু হয়।

    দ্য মুসলিম

    @ফাহাদ, আমিও মত প্রকাশের পক্ষে। কিন্তু এই মত প্রকাশের স্বাধীনতা-র সুযোগ নিয়ে কেউ যেন মানুষকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নিতে না পারে সেই জন্যই কিছু রুলস থাকা দরকার।

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @দ্য মুসলিম,

    এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে যদি “মত প্রকাশের স্বাধীনতার” নামে এদের সুযোগ দিয়ে যাওয়া হয় তাহলে এরা একদিন “সুঁই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরুবে”। নতুন কেউ যখন এই সাইটে লগ ইন করবে তখন কি ভাববে সে ??? তখন যে সাইটের নামের সাথে (PIECE IN ISLAM) সাথে কাজের কোন সার্থকতা খুঁজে পাবে না এতটুকু কনফার্ম।

    “ব্যান পলিসি লিখার সময় কর্তৃপক্ষকে এসব বিষয়ের দিকে লক্ষ রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি”

    অবশ্যই এ ব্যাপারে আমরা দৃষ্টি রাখব । ধন্যবাদ।

  8. বলুনঃ সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।
    al-isra17-81

    মিথ্যা অবশ্যই বিলুপ্ত হবে। ব্যান করে মিথ্যা বিলুপ্তি সম্ভব কি? সত্য দিয়েই সম্ভব মিথ্যাকে বিলুপ্ত করা।

    আমার মাথায় আসে না , যারা নিজেদেরকে সত্যের উপরে প্রতিষ্ঠিত বলে দাবী করে , তারা একইসাথে ব্যানের দাবী কিভাবে করে? তাদের কিসের ভয়? মিথ্যা সত্যের উপরে জয়ী হবে? তাহলে তো কোরানের বাণীই মিথ্যা হয়ে যাবে!!

    সত্য যদি প্রতিষ্ঠা করতে হয় , তাহলে মিথ্যাকে সামনা সামনি মোকাবেলা প্রয়োজন। সত্যের জয় হবেই। আল্লাহর বাণী মিথ্যা হতে পারে না। নিজেদের উপরে আত্মবিশ্বাস থাকা উচিৎ।

    আমি ব্যক্তিগত আক্রমন ও গালাগালি ছাড়া যে কোন ধরনের ব্যানের বিপক্ষে। অপেক্ষায় আছি কতৃপক্ষ কি গাইড লাইন দেয় তার জন্য। যদি দেখি অবাধ আলোচনার সুযোগ এখানে নেই , তাহলে এখানে লেখালেখির কোন মানেই হয় না এবং ভবিষ্যতে লিখবো ও না। আপনারা থাকুন আপনাদের মিথ্যা সত্যের গরিমা নিয়ে। আল্লাহ আমাকে চিন্তার স্বাধীনতা দিয়েছেন , আমি কখনৈ চাইব না , তা কোন এক বা একাধিক ব্যক্তির প্ররোচনায় বিসর্জন দিতে।

    আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত করুন , এই দো’য়া করি।

    ফাহাদ

    @ফারুক, ব্যান করে মিথ্যা বিলুপ্তি সম্ভব তবে আমার মতে প্রথমে সেই মিথ্যাকে সত্যের মুখোমুখি হতে হবে তার পর ব্যান করার প্রশ্ন আসে । ধন্যবাদ ।

    দ্য মুসলিম

    @ফাহাদ, @ফাহাদ,
    আপনি “রাজারবাগী”, “দেওয়ানবাগী”, “কুরআন অনলী”- এদের সম্পর্কে জানেন না তাই একথা বলছেন। এদের ভ্রান্ত আকীদা সম্পর্কে এদেশের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান জানে। এদের সম্পর্কে সব লিখতে গেলে প্রচুর সময় লাগবে। আগামী ১০ তারিখ পরীক্ষা তাই লিখতে পারলাম না। আপনি চাইলে আগের পোষ্ট গুলো পড়তে পারেন।

    আর কুরআন অনলী কোন ধরনের হাদিস মানে না।

    ফাহাদ

    @দ্য মুসলিম, আলহামদু লিল্লাহ শুনে ভাল লাগলো আর কুরআন অনলীরা কুরান পন্থি, কিন্তু আল-কুরানেতো স্পষ্ট বোলা আছে
    যে,

    “বলুন, আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর আর তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও তবে জেনে রেখো যে নিশ্চয়ই আল্লাহ অবিশ্বাসীদের ভালবাসেন না।” (৩:৩২)

    “বলুন, তোমরা যদি সত্যিই আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর এবং আল্লাহ তোমাদের ভালবাসবেন এবং তোমাদের গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।” (সূরা আলে-ইমরান, ৩:৩১)

    “কেউ রাসূলের আনুগত্য করলে সে তো আল্লাহরই আনুগত্য করলো।” (সূরা নিসা, ৪:৮০)

    “এবং আমরা তোমার প্রতি স্মরণিকা (কুর’আন) নাযিল করেছি, যাতে তুমি সমগ্র মানবজাতিকে তা বুঝিয়ে দাও যা তাদের জন্য নাযিল করা হয়েছে, যেন তারা তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে পারে।” (সূরা নাহল, ১৬:৪৪)

    উপরের আয়াতগুলি আল-কুরানেতো স্পষ্ট বলা আছে, এর পরেও তারা রাসুলের জীবনাদর্শ হাদিছকে কেন মানেনা বুঝলাম না,
    আর আমি এমন অসংখ্য প্রশ্ন করতে পারি যা হাদিছ ছারা ভিত্যিহিন, তার পরও…………………… :(

    দ্য মুসলিম

    @ফাহাদ,
    এক্ষেত্রে ও আগের পোষ্ট গুলো আপনাকে যথেষ্ট সাহায্য করবে। আমাদের সিনিয়র ব্লগাররা ওদেরকে অনেক বুঝিয়েছে। কিন্তু ওরা পাশ কাটিয়ে যায়। ওদের attempt লক্ষ করলেই বুঝতে পারবেন। আসলে ওরা মুসলিম নামধারী বিধর্মীদের মদদপুষ্ট পাবলিক। তাই এদেরকে যুক্তি দিয়ে বুঝানো যাবে না। মাঝখানে আমাদের মুল্যবান সময় নষ্ট হবে।

    আপনি কষ্ট করে আগের পোষ্ট গুলো একটু দেখুন।

    ধন্যবাদ। (F)

  9. @দ্য মুসলিম, আপনার কথাশুনে এখন আপনাকেই প্রশ্ন করতে ইছে করছে যে, অদেরকে কুরআন অনলী কেন বলেন ?
    ওরাতো আল-কুরান বিরধী মনে হচ্ছে, যাই হোক, যদি এমন কোন প্রমান পাওয়া যায়, তাহলে তাদেরকে বিনা শর্তে ব্যান করা উচিত, ওরাতো মুসলিম নাম ধারি অমুসলিম, ওদের জন্যে আমাদের মত নিরিহ মুসলিমরা বিভ্রান্ত হচ্ছি।

    আমি আসলে যেই বিতর্কের কথা বলতেছি ,সেটা হচ্ছে আমাদের জ্ঞানের উন্নয়ন ঘটাবে, আমরা কিছু জানতে বা শিখতে পারবো,
    এছাড়া আমাদের মধ্যেকার ভুলগুলিও যাতে আমরা সুধরে নিতে পারি এজন্যই আমরা বিতর্ক করবো, আর তা হবে অবশ্যই ১০০% হাদীছ ও কুরান সম্মত , এটাই আমি বোঝাতে চেয়েছি, যাই হোক আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ তথ্যটির জন্যে । (Y)

    দ্য মুসলিম

    @ফাহাদ,ধন্যবাদ। এছাড়া এদেশের অনেক নামধারী পীর ও গোষ্ঠী আছে যাদের ব্যপারে ভ্রান্ত হওয়ার কোন সন্দেহের অবকাশ থাকে না। ধন্যবাদ। (F)

    ফারুক

    @ফাহাদ,আপনি কোরান অনলীদের পক্ষের হলে তো ভালৈ। আমিও কোরান অনলীদের পক্ষে। আপনি কোরান পড়ুন ও নিজেই নিজের ভুল বুঝতে পারবেন।

    দ্য মুসলিম

    @ফাহাদ, জি ভাই এইবার বুঝুন। ফারুক ভাই এর সাথে তর্ক করে আশা করি আপনি সত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন। বেষ্ট অব লাক। (*)

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আমি তো কাউকে অমুসলিম বলিনি। আমি শুধু “ভ্রান্ত”,”ভন্ড”,”বিভ্রান্ত” বলেছি। এগুলো অর্জন করতে হলে অমুসলিম হতে হয় না। আমাদের মুসলমানদের মধ্যেই অনেক আছে। এটা আপনি আমার চাইতে অনেক ভালো জানেন।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,কাউকে শুধু “ভ্রান্ত”,”ভন্ড”,”বিভ্রান্ত” বলার আগে তার কথাগুলো অন্তর দিয়ে বিবেচনা করেছিলেন তো? তার কথাগুলো শুনেছিলেন তো?

    সূরা আল আ’রাফ (৭) আয়াত ১৭৯
    আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ। তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর। তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,অনেক বিবেচনা করেই বলেছি। যাই হোক ওদের সম্পর্কে আমি আমার মতামত দিয়েছি। বাকি মানা না মানা আপনার ইচ্ছা।

    তবে আমি চিন্তা ভাবনা করেই বলেছি। তার মানে আপনার উদৃতি দেয়া কোরানে কারীমের আয়াত এর উপর ও আমি আমল করেছি।

    দোয়া করবেন।

    shane2k

    @ফারুক ,

    ” রসূলকে অনুসরন করার অর্থই হলো , কোরানকে অনুসরন করা। বিভিন্ন মানুষের বানানো কথা , যা রসূলের নামে চালানো হয়েছে, যাকে হাদীস বলা হয় , সেই হাদীসকে মানার অর্থ রসূলকে মানা বা অনুসরন করা নয়। হাদীসকে মানার অর্থ ঐ লোকগুলোকেই অনুসরন করা যারা হাদীস বানিয়েছে। “

    (বানান ভুল মাফ করবেন)

    আপনার উপরক্ত মন্তব্যে আমি বুঝলাম এবং আপনার logic আমি মানলাম কিন্তু except করতে পারছিনা। কেননা আপনার কথা মানলে নিম্নোক্ত problem হচ্ছে

    - সাহাবী এবং তাবীয়ুন সময়কার কন কোর্‌আনিক printআমাদের কাছে নেই। অতঃপর হাফেজগন মারফত আমরা যা জেনেছি তাই সই
    - যেই সকল হাফেজ (তাবীয়ুন ও তাবে-তাবেয়ীন) হতে কোর্‌আন জানা হয়েছে (সময় ঃঃ কাগজ রুপে প্রচার করা হয়, বর্তমানে ঐতিহাসিকভাবে আমরা physical proofযতদুর পাই) তাদের মন্তব্য বা হাদীসকে কেবল ছলনা ধরা হলে স্বয়ং কোর্‌আন্টাকেও আমার একই prism দিয়ে দেখতে হবে
    - আপনি এই সকল হাফজদের আওরান কোর্‌আনের বানীকে সুদ্ধ ভাবতে কন দ্বিধা বধ করছেন না অথচ এই সকল হাফেজদের বর্ণিত হাদীস নামক মন্তব্যকে সন্দেহ করবেন তা কি করে হয়।

    অতএব আপনার কথা আমি মেনে নিলে আমাকে কোর্‌আনও ত্যাগ করতে হচ্ছে। বিপদে ফেলে দিলেন, বাঁচার উপায় কি ?

    দ্য মুসলিম

    @shane2k,সহমত। (Y)

    ফারুক

    @shane2k , নারে ভাই কাউকে বিপদে ফেলার এতটুকু ইচ্ছা আমার নেই। কোরান ও হাদীসের লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষনের ইতিহাস টা একটু ভালো করে পড়ুন , তাহলেই বুঝবেন আপনার প্রশ্ন কত অমূলক। এব্যাপারে যদি আপনার আরো প্রশ্ন থাকে তো ভবিষ্যতে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

    তার আগে আমরা যেটা নিয়ে আলোচনা করছিলাম- রসূলকে অনুসরন করতে বলে আল্লাহ কি বুঝিয়েছেন সেটা জানা। রসূলকে অনুসরন করা শর্তযুক্ত , তার নিজস্ব মত ক্ষতিকর হতে পারে এবং তিনি ভয়ানক কিছু ভুল করেছিলেন এব্যপারে আপনার মত কি? আপনার মতটি দয়াকরে যুক্তি সহকারে বলবেন। এটা জানলে তখন আমরা হাদীসের উপযোগীতা ও সত্যতা নিয়ে আলোচনা করতে পারব।

  10. কর্তৃপক্ষ বরাবরে আবেদন দয়া করে PEACE IN ISLAM এর নামকরনের ব্যাখ্যাটা দিবেন কি? শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম শর্তটা কি? কাবা শরীফের সেই পাথর সরানোর কাহিনী আমাদের কি শিক্ষা দিয়েছে? ধন্যবাদ।

    ফাহাদ

    @মর্দে মুমিন, শুধু PEACE IN ISLAM এর ব্যাখ্যা কেন, সাথে নিচের বাংলা লিখাটারও ব্যাখ্যা চাই,
    ”নতুন প্রজন্মে ইসলামি চেতনার বিকাশ” এটার ব্যাখ্যা কি ? এটা কিভাবে সম্ভব ?

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @ফাহাদ এবং মর্দে মুমিন,

    আপনাদের দুজনের প্রশ্নসাপেক্ষে বলছি:

    একমাত্র ইসলাম ধর্ম পালন করার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি পরিপূর্ন শান্তি পেতে পারে । আমরাও চেষ্টা করছি ইসলাম ধর্ম নিজেদের জীবনে, মননে , চলনে , অনুধ্যনে বাস্তবায়ন করার জন্য । আমাদের জন্য দোয়া করবেন ।

    ”নতুন প্রজন্মে ইসলামি চেতনার বিকাশ” এটার ব্যাখ্যা কি ? এটা কিভাবে সম্ভব ?

    বর্তমান জনগোষ্ঠিকে আমরা বলছি নতুন প্রজন্ম । এর মধ্য শুধু তরুন নয়, যুবক, বৃদ্ধ, কিশোর সবাই পড়বে । আমরা চাই এই ব্লগে এসে সবাই প্রকৃত ইসলামকে জানুক এবং বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে যে সকল সমস্যা হচ্ছে সেগুলোর সমাধান খুজে পাক । সাথে সাথে কেউ যেন বিভ্রান্তি না ছড়ায় সেটার দিকেও আমাদের সজাগ দৃষ্টি ।

    যেমন ধরুন কেউ একজন পোস্ট দিলো রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামকে গালি দিয়ে কিংবা অবমাননা করে । এমন পোস্ট সে প্রতিদিন একটি করে দিলে তাকে নিশ্চয়ই বাহবা দেয়া যায় না ? যারা সম্পূর্ন ব্যান এর বিপক্ষে তারা এটা ভেবে দেখবেন ।

    আমরা কোনোমতেই চাইব না তার লেখাকে প্রমোট করতে । তাকে প্রথমে আমরা ওয়ারনিং দিব , তারপরেও যদি নিয়মিত সে এই ধরনের পোস্ট দিতে থাকে তাহলে তাকে আর ব্যান করা ছাড়া আমাদের গত্যান্তর থাকবে না । তাকে সম্পূর্ন গালাগালি করার স্বাধিনতা দিয়ে সেটাকে “বাক স্বাধীনতা” বা “মত প্রকাশের স্বাধীনতা” বলার কোনো মানে হয় না ।

    আমরা শুধুমাত্র একটি উদাহরন দিলাম। এমন বহু পরিস্হিতি আমাদের সম্মুখে আসবে ।

    আর একটি বিষয় , ইসলামের সঠিক জিনিস অনেক ব্লগ সাইটে প্রকাশ করতে দ্যায় না , কিংবা প্রকাশ করলে গালাগালি খেতে হয় । (যেমন আমারব্লগ ) আমাদের এখানে সেটা প্রকাশ করার সুযোগ রয়েছে ।

    আমরা একটা কমিউনিটি বিল্ডআপ করতে চাচ্ছি , যেখানে তরুন ইসলামিক স্কলাররা থাকবে আপনাদের মতো । এর মধ্য ভালো লেখক থাকবে, বক্তা থাকবে , ওর্গানাইজার থাকবে । তাদের মধ্যে প্রয়োজন হলে গ্রুপ স্টাডি থাকবে । পরবর্তিতে এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে ।

    এখানে যারা ইসলামিক স্কলার থাকবে ( এখন না হলেও আশাকরি আস্তে আস্তে তৈরী হবে ) তারা অন্য যেকনো ব্লগে টিম ওয়ার্কের মতো ইসলামের প্রতি যে অপবাদ দেয়া হয় সেগুলোর জবাব দেবে । একজন হলে যেটা অনেক কঠিন । একটি কমিউনিটি থাকলে সেটা করা সহজ ।
    প্রয়োজন হলে ধীরে ধীরে আমরা পাবলিক সেমিনার এর আয়োজন করব ।

    কিন্ত অবশ্যই একটি বেসিক বাউন্ডারি থাকবে যেটাতে সবাই একমত হবেন । সেটা হলো “কোরান” এবং “হাদিস” । বা বলতে পারেন “ফরজ” , “ওয়াজিব” এর পরে মোস্তাহাব বা ছোট খাট বিষয়ে মতভেদ থাকতেই পারে সেটা ধর্তব্যের মধ্যে নয় । সুতরাং যেসব বিষয়ে ইজমা হয়েছে সেগুলোতে আমরা কোনো ছাড় দেবো না । কিন্তু যেগুলো মোস্তাহাব সেগুলো আমরা ওভারলুক করব।

    যেমন একটা উদাহরন দেয়া যাক । কোনো কোনো ব্যক্তি বা পীর সাহবে ( আমাদের প্রকৃত পীর সাহবে বা শায়খের ওপর বিশ্বাস আছে , এখানে বাতিল যারা তাদের উল্লেখ করা হলো ) বর্তমানে বলে থাকে “হজ্জ্ব করা যাবে না” এবং “পুনর্জন্ম” বিশ্বাস করে । এখন PeaceInIslam.com ব্লগে এসে প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি দিন যদি তারা এই সংক্রান্ত পোস্ট দিতে থাকে তাহলে অবশ্যই এটা উদ্বেগের বিষয় । আমাদের ক্ষমতা থাকা সত্বেও আমরা অন্যায় কাজকে সাপোর্ট করতে পারি না । তাদের নির্দিষ্ট সময় ওয়ারনিং দেবার পর ব্যান করে দেয়া হবে । এ সমন্দ্বে বিস্তারিত পরে জানানো হবে ।

    কাবা শরীফের সেই পাথর সরানোর কাহিনী আমাদের কি শিক্ষা দিয়েছে? ধন্যবাদ।

    পাথর নিজে সরানো কিংবা অন্যকে দিয়ে সরানো দুটোই ছিল ওপশনাল । যেকেউ করলেই হয় । তাই সেটাতে ছাড় দেয়া যেতে পারে । মদীনার জীবনে এমনও প্রমান আছে নবীজী (সা:) মুরতাদের হত্যা করেছেন । “ক্ষমতা থাকা সত্বেও অন্যায়কে প্রতিরোধ না করলে আমরা গোনাহগার হবো” । হ্যা বাহিরের সমস্ত অন্যায়কে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আমাদের নেই, কিন্ত সীমিত পরিসরে যেটা আছে সেটার কারনে আমরা চাইব না ইসলামের নামে যেকেউ এখানে বিভ্রান্তি ছড়াক।

    ইসলাম শান্তির ধর্ম । তবে এই শান্তিকে কেউ যদি বিঘ্ন ঘটাতে চায় তার জন্য এই ব্যান পলিছি । দুইএকজেনর বিভ্রান্তির কারনে অন্যদের শান্তিতে যাতে বিঘ্ন না ঘটে সেই জন্য এই ব্যবস্হা ।

    ওয়াস সালাম।

    তুষার (ﭡﺸر)

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ] >>> যেমন একটা উদাহরন দেয়া যাক । কোনো কোনো ব্যক্তি বা পীর সাহবে ( আমাদের প্রকৃত পীর সাহবে বা শায়খের ওপর বিশ্বাস আছে , এখানে বাতিল যারা তাদের উল্লেখ করা হলো ) বর্তমানে বলে থাকে “হজ্জ্ব করা যাবে না এবং “পুনর্জন্ম” বিশ্বাস করে।”
    পুনর্জম্ম আক্বীদায় বিশ্বাসী হচ্ছে হিন্দু-বৌদ্ধরা। মুসলমানদের জন্যে এ আক্বীদা বিশ্বাস করা কুফরী। কেননা, আল্লাহ পাক কুরআন শরীফ-এর আয়াত শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত যে, মানুষ ইন্তিকাল করার পর পৃথিবীতে আগমন করবেনা। ছূফীবাদ বা তরীক্বতের নাম দিয়ে যারা এ আক্বীদা পোষণ করে তারা বিদ্‌য়াতী, গোমরাহ্‌ ও বাতিল ফিরক্বাহর অন্তুর্ভূক্ত।
    আপনাদের জন্য এটা কখনো মানায় না যে শোনা কথা আপনারা মন্তব্য হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন । আপনাদের প্রতি আমার চ্যালেঞ্জ রইল আপনারা আমাকে দলীল দেখাবেন যে, রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা জিল্লুহুল আলী হজ্জ করতে নিষেধ করেছেন এবং “পুনর্জন্ম” বিশ্বাস করেন। আর ব্যর্থ হলে অন্তত আপনারা (কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম) আপনাদের এই মন্তব্যটুকু মুছে ফেলবেন।

    ফারুক

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],

    ( আমাদের প্রকৃত পীর সাহবে বা শায়খের ওপর বিশ্বাস আছে , এখানে বাতিল যারা তাদের উল্লেখ করা হলো )

    কারা পকৃত ও কারা বাতিল এটা নির্ধারনের মাপকাঠি কি এবং কারা নির্ধারন করবেন কে সঠিক আর কে বাতিল?

    মর্দে মুমিন

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],একমাত্র ইসলাম ধর্ম পালন করার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি পরিপূর্ন শান্তি পেতে পারে

    এটাতো আরও ১০টি মত ও পথের বিশ্বাসী মানুষের মত কথা বললেন। আপনি আমাকে বলবেন কি আরও ১০টি ধর্মের চেয়ে একমাত্র ইসলামে কেন মাধ্যমে একজন ব্যক্তি পরিপূর্ন শান্তি পেতে পারে ?

    কাবা শরীফের সেই পাথর সরানোর কাহিনী আমাদের কি শিক্ষা দিয়েছে?

    আপনি হয়তো আমার প্রশ্ন বুঝতে পারেন নাই, আমি জানতে চাইছি ১, কি কারনে ঐ পাথর সরানোর ঘটনা ঘটেছিল? ২, রাসুল সাঃ ঐ পাথর সরানোতে কোন পন্থা গ্রহণ করেছিলেন? ৩.ঐ ঘটনার মাধ্যমে আমাদের জন্য কি শিক্ষা রেখে গেছেন?
    আর মুরতাদ হত্যার প্রসঙ্গ এনে আপনার মুল বক্তব্য থেকে সরে যাচ্ছেন কি? ধন্যবাদ।

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @তুষার (ﭡﺸر) ,

    আপনাদের জন্য এটা কখনো মানায় না যে শোনা কথা আপনারা মন্তব্য হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন । আপনাদের প্রতি আমার চ্যালেঞ্জ রইল আপনারা আমাকে দলীল দেখাবেন যে, রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা জিল্লুহুল আলী হজ্জ করতে নিষেধ করেছেন এবং “পুনর্জন্ম” বিশ্বাস করেন। আর ব্যর্থ হলে অন্তত আপনারা (কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম) আপনাদের এই মন্তব্যটুকু মুছে ফেলবেন।

    আমরা এখানে বলিনি যে “কোন” পীর সাহেব এগুলো বিশ্বাস করে, আপনি কেনো আপনার পীর সাহেবের সাথে এটা মিলালেন বুঝতে পারলাম না ।

    ধন্যবাদ

  11. - আমি কন একক মাজহাবের অনুসারী নই কিন্তু সকল renowned স্কলার ও প্রধান চার ইমামের supporter.
    - এক মানুষের জন্য কন কিছু সত্য কিনা বুঝতে হলে at least basic common sense থাকতে হবে। without that আমার প্রিয় অথবা অন্য স্কলার বা অন্য কেউ কি ভাল বলল নাকি খারাপ বলল তা বুঝব কি করে।
    - ইসলাম অন্ধ বিশ্বাস promote করে না।
    - মুসলমানের বিচার সবার আগে তার নিয়্যতের উপর এবং পরে তার কর্মের উপর ভিত্তি করে হয়। অতঃপর কেউ যদি খারাপ নিয়্যতে তর্ক করে তার comment & article-এ তা প্রকাশ পাবে, আর কেউ যদি জ্ঞান লাভের আশায় করে থাকে তাও তার কথায় প্রকাশ পাবে। খেয়াল করবেন উভয়ের ক্ষেত্রেই তাদের বহিঃপ্রকাশের maximum এক মনে হতে পারে কিন্তু উভয়কেই একই দন্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
    - আমি চার ইমামের জীবনী ও তাদের কাজ অ কাজের রীতি পড়তে শুরু করেছি। একটি জিনিসই প্রতীয়মান তাদের সকলের ক্ষেত্রে এবং তারা তাই সকলকে promote করেছেন, তা হল যুক্তি তর্ক তবে অযৌক্তিক ভাবে নয়। অন্ধভাবে তারা ইসলামকে পালন করেননি। সেই একই যুক্তির কারণে তারা নিজের sheikh-কে পর্যন্ত ছাড়েননি। এটি বলার পেছনে কারণ হল আমরা কেঊই ১০০% right কখনই নই, to claim that we are is arrogance out of sheer ignorance।

    ১। কি কি কারনে একটি লেখা ব্যান করা যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

    - শুধু লেখা কেন comment-ও ব্যান করতে হবে।
    - কেউ যদি সরাসরি কন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে লিখে তা বাতিল করা উচিত।
    - গঠনমুলোক criticism না করে যদি finger pointing করা শুরু হয় যে কেউ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, কেউ নাস্তিক, অথচ আলোচ্য বিষয়ের উপরে কন constructive বক্তব্য নেই, তাহলে সেই সকল মন্তব্য গালি গালাজের সামিল এবং তা ব্যান করা উচিত।

    ২। কি কি কারনে কোনো ব্লগারকে ব্যান করা যেতে পারে ?

    - ৩টি warning দেয়া উচিত। প্রতি warning-এ nick-কে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য suspend করা উচিত। প্রতিবারই suspend-এর সময় বাড়বে এবং সর্বশেষে ব্যান।
    - personal attack কন nick-কে করা চলবে না।
    - সকল criticism আবশ্যকভাবে topic-এর সাথে জড়িত থাকতে হবে এবং personal attack হতে পারবেনা।
    - কন nick উপরের নিয়ম follow না করলে তাকে suspend-এর নিয়ম follow করার পরে ban করা যেতে পারে।

    ফারুক

    @shane2k,

    এটি বলার পেছনে কারণ হল আমরা কেউই ১০০% right কখনই নই, to claim that we are is arrogance out of sheer ignorance।

    (*) (Y)

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @shane2k,

    ১। কি কি কারনে একটি লেখা ব্যান করা যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

    – শুধু লেখা কেন comment-ও ব্যান করতে হবে।
    – কেউ যদি সরাসরি কন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে লিখে তা বাতিল করা উচিত।
    – গঠনমুলোক criticism না করে যদি finger pointing করা শুরু হয় যে কেউ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, কেউ নাস্তিক, অথচ আলোচ্য বিষয়ের উপরে কন constructive বক্তব্য নেই, তাহলে সেই সকল মন্তব্য গালি গালাজের সামিল এবং তা ব্যান করা উচিত।

    ২। কি কি কারনে কোনো ব্লগারকে ব্যান করা যেতে পারে ?

    – ৩টি warning দেয়া উচিত। প্রতি warning-এ nick-কে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য suspend করা উচিত। প্রতিবারই suspend-এর সময় বাড়বে এবং সর্বশেষে ব্যান।
    – personal attack কন nick-কে করা চলবে না।
    – সকল criticism আবশ্যকভাবে topic-এর সাথে জড়িত থাকতে হবে এবং personal attack হতে পারবেনা।
    – কন nick উপরের নিয়ম follow না করলে তাকে suspend-এর নিয়ম follow করার পরে ban করা যেতে পারে।

    আপনার কমেন্টগুলো আমরা পর্যালোচনা করে দেখব ইনশাআল্লাহ ।

    ধন্যবাদ

    মর্দে মুমিন

    @shane2k, আমি কোন একক মাজহাবের অনুসারী নই কিন্তু সকল renowned স্কলার ও প্রধান চার ইমামের supporter.
    - এক মানুষের জন্য কন কিছু সত্য কিনা বুঝতে হলে at least basic common sense থাকতে হবে। without that আমার প্রিয় অথবা অন্য স্কলার বা অন্য কেউ কি ভাল বলল নাকি খারাপ বলল তা বুঝব কি করে।
    - ইসলাম অন্ধ বিশ্বাস promote করে না।
    - মুসলমানের বিচার সবার আগে তার নিয়্যতের উপর এবং পরে তার কর্মের উপর ভিত্তি করে হয়। অতঃপর কেউ যদি খারাপ নিয়্যতে তর্ক করে তার comment & article-এ তা প্রকাশ পাবে, আর কেউ যদি জ্ঞান লাভের আশায় করে থাকে তাও তার কথায় প্রকাশ পাবে। খেয়াল করবেন উভয়ের ক্ষেত্রেই তাদের বহিঃপ্রকাশের maximum এক মনে হতে পারে কিন্তু উভয়কেই একই দন্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
    - আমি চার ইমামের জীবনী ও তাদের কাজ অ কাজের রীতি পড়তে শুরু করেছি। একটি জিনিসই প্রতীয়মান তাদের সকলের ক্ষেত্রে এবং তারা তাই সকলকে promote করেছেন, তা হল যুক্তি তর্ক তবে অযৌক্তিক ভাবে নয়। অন্ধভাবে তারা ইসলামকে পালন করেননি। সেই একই যুক্তির কারণে তারা নিজের sheikh-কে পর্যন্ত ছাড়েননি। এটি বলার পেছনে কারণ হল আমরা কেঊই ১০০% right কখনই নই, to claim that we are is arrogance out of sheer ignorance।

    আমি আপনার বক্তব্যের ১০০ ভাগ একমত। তবে ব্যানের বিষয়ে একমত নই। যারা ইসলামের বিরুধী পক্ষ তারা এই সাইটে আসবেনা এবং আসার প্রয়োজনও বোধ করবেনা। কারণ তারা যাবে সেখানে, যেখানে তাদের উপযুক্ত মাটি পাওয়া যাবে। PEACE IN ISLAM তাদের জন্য নয়।

    তাহলে আমরা ব্যান নামক মিশাইল কার উপর প্রয়োগ করব? প্রয়োগ করব কলেমার শরিক আরেক ভাইয়ের উপর নয় কি? আমার ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা থাকতে পারে, হীনমন্যতা থাকতে পারে, সংশয় থাকতে পারে,কিন্তু আমার শিকড় তো মূলের প্রতি প্রবিষ্ট আছে, যে কোন এক সময় সকল অজ্ঞতা, হীনমন্যতা ,সংশয় থেকে ইউটার্ন করে আসব এ আমার বিশ্বাস।
    এখন যদি আমাকে ব্যান করে দেন তাহলে আমার মূলের দিকে ফিরে আসার পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হল কিনা তা আপনারা বিবেচনা করে দেখবেন। ধন্যবাদ।

  12. যদি ব্লগারদের পুরোপুরি স্বাধীনতা দেয়া হয় তাহলে “আমু”, “সামু” এর সাথে পিস ইন ইসলাম এর প্রার্থক্য থাকলো কি???
    এখন তো রাজারবাগী এসেছে। কয়েকদিন পর বাকী গুলো ও এসে পড়বে। আর তখন… … …।

    বাংলা মৌলভী

    @দ্য মুসলিম, পারফেক্ট। আমরা পজিটিভলি বিষয়টাকে দেখতে চাই ন্যাগেটিভ প্রশ্নর চাইতে পজিটিভ বিষয়গুলো আলোচনা হতে পারে। আর অন্যান সাইটের উত্তর তৈরির জন্য এখানে লিখতে হবে এমন নয়, কারণ এখানে যারা সদস্য আসছেন তারা এখানের আগে ওসব সাইটে নিশ্চয় লিখছেন এবং উত্তর দিচ্ছেন। আমরা চাই সেসব সাইট সকল বর্ণের জন্য অবারিত থাক তর্ক-বিতর্ক সেখানে চললে চলুক কিন্তু এখানে কেবল শান্তির বানী, পজিটিভ বিষয় নিয়ে লেখা হোক।
    আমি একটি কথা আবারো বলবো: ইসলাম বুদ্ধিবৃত্তিক ধর্ম নয় বরং এর দাবী হল سمعنا و أطعنا কোরানের পর্যাপ্ত পরিমান আয়াত এ বিষয়টিকে ইংঙ্গিত করে। মুসা (আ:) এর কাছে হত্যার বিচার নিয়ে আসলে আল্লাহ বল্লেন তোমরা গরু জবেহ কর…………….. যৌক্তিক কিছু নয়। সাগর পারি দেয়ার কথা আসলে আল্লাহ বল্লেন লাঠি দিয়ে সাগরে বাড়ি দাও – যৌক্তিক বিষয় নয়, সহবাসের ফলে গোসল করতে হবে যৌক্তিক বিষয় নয়, আবার তাইমুম করেও তা কখনো পাক হয় যৌক্তিক বিষয় নয় । সোজা কথা এই যুক্তির সমীকরণ করতে না পেরেই অনেকে নাস্তিক তাই আমজনতার প্রশ্নই আসে না যে ধর্মকে যুক্তি নির্ভর হয়ে পালন করবে। ফিলোসফার তাফসীর কারখ আল্লামা রাযী রহ: তাফসীরুলকাবীর ৩০ঘন্ডে বিশাল সাইজে কিছুটা হলেও দেখার সৌভাগ্য হয়েছে, তার ঘটনা প্রসিদ্ধ যে তিনি মৃত্যুকালে শয়তানের সাথে আল্লাহর একত্ব নিয়ে ৯৯টি যুক্তি পাল্টা যুক্তি ঘন্ডালে শয়তান যখন ১০০তম যুক্তি দিয়েছিল তখন তার সাকারাত চলছে, বাক বিলুপ্ত . ওনার ওস্তাদ কাশফের মাধ্যমে দেখলেন উনি ওয়াসওয়াসার শিকার – তিনি তাওজিহ দিলেন এবং দোয়া করলেন এরপর রাযী রহ যা বলেছিলেন তা সকল মুসলিম ফিলোসফার-যুক্তি বিদ এবং তার্কিকদের এক মহান আদর্শ : আমি স্বীকার করছি বিনা যুক্তিতে আল্লাহ এক তার কোন শরীক নেই’
    এখানে শুধুমাত্র সত্যপন্তীদের যুক্তি আলোচনার সুযোগ থাকুক- ওয়াসওয়াসা-বিভ্রান্তি এবং বাতেল পক্ষীয়দের বাধা দেয়া হোক এই দাবী এবং কামনা রইলো।

    দ্য মুসলিম

    @বাংলা মৌলভী,
    তিনি মৃত্যুকালে শয়তানের সাথে আল্লাহর একত্ব নিয়ে ৯৯টি যুক্তি পাল্টা যুক্তি ঘন্ডালে শয়তান যখন ১০০তম যুক্তি দিয়েছিল….
    ঘটনাটি আমিও শুনেছিলাম। কিন্তু সেটা ছিলো বড় পীর আব্দুল কাদের জীলানী (রহঃ) এক মুরিদের ক্ষেত্রে, যে তখন বড় পীর (রহঃ) অজুর পানি মেরে শয়তানকে ভাগিয়েছিলেন।

    যাই হোক সঠিক সময়ে ঘটনাটি উপস্হাপন করার জন্য ধন্যবাদ। (F)

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,এত ভয় কেনো পান? আপনি যদি সত্যের পথে থাকেন তাহলে তো ভয় পাওয়ার কথা নয়। সত্যের জয় অভষ্যাম্ভাবী। মিথ্যা দূরীভূত হবেই।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, এবং এই কাজটা তো আর এমনিতেই হবে না। আমাদের কে প্রচেষ্টা করতে হবে। আমরা শুধু তাই করছি।

  13. যারা ব্যনের স্বপক্ষে , তাদের জন্য।

    সূরা আল আন-আম ( মক্কায় অবতীর্ণ ), আয়াত ৫১-৫২
    আপনি এ কোরআন দ্বারা তাদেরকে ভয়-প্রদর্শন করুন, যারা আশঙ্কা করে স্বীয় পালনকর্তার কাছে এমতাবস্থায় একত্রিত হওয়ার যে, তাদের কোন সাহায্যকারী ও সুপারিশকারী হবে না-যাতে তারা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে।

    আর তাদেরকে বিতাড়িত করবেন না, যারা সকাল-বিকাল স্বীয় পালনকর্তার এবাদত করে, তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে। তাদের হিসাব বিন্দুমাত্রও আপনার দায়িত্বে নয় এবং আপনার হিসাব বিন্দুমাত্রও তাদের দায়িত্বে নয় যে, আপনি তাদেরকে বিতাড়িত করবেন। নতুবা আপনি অবিচারকারীদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবেন।

    এখানে বিতাড়ন করার ব্যাপারে রসূলকেও সাবধান করা হয়েছে। সুতরাং স্বীদ্ধান্ত নেয়ার আগে চিন্তা করুন।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,

    যারা সকাল-বিকাল স্বীয় পালনকর্তার এবাদত করে, তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে।

    এখানে যাদের কথা বলা হয়েছে তাদের বিতাড়িত করার পক্ষে আমরাও নই। আমরা তো কেবল “ভন্ড”,”ভ্রান্ত”,”পথভ্রষ্ট” লোকদের ব্যান করার কথা বলেছি তখনই যখন তারা তাদের ভ্রান্ত মতবাদ অন্যদেরকে গেলানোর চেষ্টা করে। আপনার টেনশন করার কোন দরকার নাই। আপনিতো আর “ভন্ড”,”ভ্রান্ত”,”পথভ্রষ্ট”-দের মধ্যে পড়েন না।

    আশাকরে আপনি “ভন্ড”,”ভ্রান্ত”,”পথভ্রষ্ট”-দের সাপোর্ট করেননা।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,ভাইরে , আমি ভন্ড যে না সেটা জোর গলায় বলতে পারি। ”,”ভ্রান্ত” কিংবা ”পথভ্রষ্ট” কিনা তা আল্লাহই ভালো জানেন। তবে আমি সকাল-বিকাল আল্লাহ্‌র এবাদত করি ও সকল সময় তার সন্তুষ্টি কামনা করি।

    আমার কোন টেনশন নেই , যতক্ষন আল্লাহ আমাকে সুযোগ দেবেন লেখার ততক্ষন কেউ তা রোধ করতে পারবেনা।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আল্লাহ আপনাকে হেদায়াত দিন। আমাদের জন্যও দোয়া করবেন। (F)

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত করুন , এই দোয়া করি। (F)

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আমিন। (F)

    তুষার (ﭡﺸر)

    @ফারুক >>> আমি আপনার সাথে একমত। কাউকে ব্যান করার মধ্যে কোন সমাধান নেই কারণ সে পুনরায় অন্য নিকে ব্লগ লিখতে পারে। কেঊ যদি ভ্রান্ত বা কুফরী বা শরীয়ত বিরোধী কোন কথা লিখে তবে তার সমালোচনা করা যেতে পারে। নিক ব্যান করা কোন স্থায়ী সমাধান নয়। (F)

    ফারুক

    @তুষার (ﭡﺸر), একমত। (F)

    বাংলা মৌলভী

    @ফারুক,ব্যান পলিসি নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য প্রয়োগ হয় না যে তাকে ব্যান্ড করার জন্য তা ব্যাবহার করা হবে, বরং এটা একটু রুলস এর আওতায় যে কেউ ব্যান হতে পারে যখন সে রুলস বহির্ভুত কোন পোস্ট করবে। তা যে নিকেই হোক। প্রতিবাদ এবং সতর্কীকরণের পর যে কোন নিককে এই পলিসির আওতাভুক্ত করা হবে। (Y)

    দ্য মুসলিম

    @তুষার (ﭡﺸر), পুরো দুনিয়া ঠিক করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। কিস্তু যতটুকু সাধ্যের মধ্যে ততটুকুতো করতেই হবে। এই সাইটের মতো সকল সাইট যদি একই কাজ (ব্যান পলিসি) করতো তাহলে ভন্ডরা দমে যেত। যাই হোক আমরা ব্যান করার পক্ষে।

    মর্দে মুমিন

    @দ্য মুসলিম, আপনাকে যদি আমু সামু আলু ব্লগ ব্যান করে দেয় তো আপনি কি দমে যাবেন?

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন , ব্যপারটা নির্ভর করে বিশ্বাসের উপর। এখানে যে কেউ কোন পোষ্ট দিলে তা যদি মন থেকে বিশ্বাস করে তাহলে ব্যান করে তাকে দমানো যাবে না একথা ঠিক। কিন্তু যারা উদ্যেশ্য প্রনোদিত ভাবে ইসলামের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য পোষ্ট দিচ্ছে বা নিছক তর্ক করার জন্য বিতর্কিত জিনিষ গুলো বারবার উপস্হাপন করছে তাদের কিছুটা হলেও দমানো যাবে বলে বিশ্বাস।

    মর্দে মুমিন

    @তুষার (ﭡﺸر), না আমি আপনার সাথে দ্বি-মত। এই ব্লগ যেহেতু ইসলামিক সেহেতু তার মৌলিক কয়েকটি স্তম্ভ আছে, এখানে যে বা যারা আলোচনায় অংশ নিবেন তারা অবশ্যই ঐ স্তম্ভের বিপরীতে যেতে পারেন না। আর গেলে ওদের এখানে অবস্থানের গ্রহণ যোগ্যতা থাকবেনা।

    আমার বক্তব্য যেটি সেটি হল- কোরান ও সুন্নাহর সুনির্দৃষ্ট নির্দেশের বিপক্ষে যাওয়া যাবেনা তা একশত বার ঠিক কিন্তু কারো কিয়াছ কিংবা কোন এক যুগের, কোন এক অঞ্চলের উপযোগী ইজমাকেও কোরান ও সুন্নাহর মত আপ্তবাক্য বলে মেনে নিতে পারিনা। (আমি এও বলিনা যে তারা ভুল, তাদের যুগে তাদের সময়ে তারা সঠিক কর্মটি করে আমাদেরও এই শিক্ষা দিয়ে গেছেন আমরাও যেন আমাদের যুগের উপযোগী কর্মটি করি)
    আর এখানেই আমার মনে হয় এই ব্লগ কর্তৃপক্ষ ও কিছু কিছু সহব্লগারদের সাথে আমার চিন্তার ব্যবধান।
    আমার মূল মন্ত্র- “কোরান সুন্নাহ সর্ব যুগে – ইজমা কিয়াছ যুগে যুগে” ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মর্দে মুমিন,

    কারো কিয়াছ কিংবা কোন এক যুগের, কোন এক অঞ্চলের উপযোগী ইজমাকেও কোরান ও সুন্নাহর মত আপ্তবাক্য বলে মেনে নিতে পারিনা।

    (Y)

  14. এখানে শুধুমাত্র ব্যান পলিছি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে । তাই বিষয় বহির্ভূত সকল কমেন্ট ডিলিট করে দেয়া হচ্ছে ।

    ওয়াস সালাম।

    রাশেদ

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],

    আসসালামুআলাইকুম,

    support@peaceinislam.com এই ঠিকানায় ইয়াহু থেকে মেইল করতে পারছি না।

    সমস্যাটা বুঝতে পারছি না।