লগইন রেজিস্ট্রেশন

ইসলামের দৃষ্টিতে প্রেম করা জায়েজ কিনা ?

লিখেছেন: ' ahmad2005' @ রবিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০১০ (১:০৫ পূর্বাহ্ণ)

আস্-সালামু-আলাইকুম-ওয়া-রাহমাতুল্লাহ।
এটা Peaceinislam এ আমার প্রথম পোষ্ট। শুরুতেই ইসলামের উপর বাংলাতে এমন একটি বল্গ তৈরি করার জন্য এর উদ্যোক্তা, সাইটের ডেভলাপার এবং সম্মানীত লেখন ও পাঠক ভাইদেরকে আমার পক্ষ থেকে প্রানঢালা শুভেচ্ছা ।

আমাকে এই সাইটে লেখার সুযোগ করে দেওয়াতে আমি খুবই খুশি। আমি একজন মুসলমান হলেও এই সাইটের অনান্য লেখনদের মতো আমি ধর্ম সম্পর্কে ততটা জানি না। তাই আমার আগ্রহ জানার প্রতি এজন্যই আমার প্রথম পোষ্টিটি একটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু করলাম।

প্রশ্ন:
প্রেম করা ইসলামে জায়েজ কিনা অর্থাৎ বিয়ের আগে নারী-পুরুষের প্রেম সম্পর্কে ইসলাম কি বলে।
অনেকের মুখে বলতে শুনেছি যে প্রেম নাকি পবিত্র জিনিস এটা কতখানি সত্য এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এটা সত্য।
Update:
উল্লেক্ষ এখানে প্রেম বলতে, কোরকম যিনা কিংবা হারাম কাজ না করে ইসলামের পর্দার সকল বিধিনিষেন মন্য করে যদি নারী-পুরষ একে অনের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে এবং একে অন্যকে ভালবাসে সেটা কি ইসলাম সামর্থন করে ?

“আমি ইসলামিক টিভির এক আনুষ্ঠানে একজন বক্তাকে বলতে শুনেছিলাম যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়েই ইলামের সকল বিধিনিষেদ মান্য করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়তুলে তাহলে তেমন কোন বিধিনেষধ ইসলামে নাই । এ ব্যাপারে ইসলাম নাকি নিশঃচুপ আথাৎ করা যাবে যদি যিনা এবং পর্দা ভঙ্গ না হয়।”

সকলের বুঝার সুবিধার্থে দুটি কমেন্টের পরেও আমাকে কিছু কাথা যোগ করতে হচ্ছে যেহেতু বিষয়টা বতর্মান যুগে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়েগেছ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৪১,০৯৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ২.০০)

৮৬ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম ব্রাদার!!!!!

    শান্তির জগতে আপনাকে স্বাগতম। (F) (F) (F) (F) (F) (F) (F) (F) (F) (F)

    আশা করি আপনি আপনার সাধ্যমত আমাদেরকে দ্বীন সম্পর্কে জানাবেন এবং আমিও আপনার মত সাধারন বা বলতে পারেন আপনার চেয়ে কম জানি ইসলাম সম্পর্কে, তাই এখানে আলেমগন যারা আছেন তাদের কাছ থেকে জ্ঞান অর্জনের চেষ্টায় নিজেকি নিয়জিত রেখেছি। সাথে থাকুন। ধন্যবাদ। :)

    ahmad2005

    @জ্ঞান পিপাষু,
    ধন্যবাদ

  2. আসসালামু আলাইকুম ভাই,

    বিবাহ পূর্ব প্রেম হারাম।
    “স্বাধীনভাবে লালসা পূরণ কিংবা গোপনে লুকিয়ে প্রেমলীলা করবে না” (সূরা আল মায়িদা: ৫)
    এরপর সূরা নূর এর ৩০ নং আয়াতে পুরুষদের চোখ নীচু রাখতে এবং লজ্জা স্থান হিফাজত করতে বলা হয়েছে।
    ৩১ নং আয়াতে নারীদেরও একই কথা বলা হয়েছে, পর্দা করার কথা বলা হয়েছে আর নারীরা কাদের সাথে সাক্ষাত করতে পারবে তাদের একটা তালিকা দেওয়া হয়েছে।
    সূরা আহযাবের ৫৯ নং আয়াতে পর্দা করার নির্দেশ আরো পরিস্কার ভাষায় বলা হয়েছে।

    যেখানে দৃষ্টি নীচু ও সংযত রাখা, লজ্জা স্থান হিফাজত করার কথা এবং পর্দা করার কথা বলা হয়েছে আর সূরা মায়িদাতে গোপন প্রেমলীলাকে নিষেধ করা হয়েছে সেখানে বিবাহ পূর্ব প্রেম বৈধ হতে পারে কি করে? এটা হারাম।

    জিনা তথা অবৈধ শারীরীক সম্পর্ক হারাম। (সূরা ইসরা আয়াতঃ ৩২) (সূরা ফুরকানঃ ৬৮)
    জিনার নিকট যাওয়াই নিষেধ অর্থাৎ যে সকল জিনিস জিনার নিকটবর্তী করে দেয় তার কাছে যাওয়াই নিষেধ।
    বিবাহ পূর্ব প্রেম নর-নারীকে জিনার নিকটবর্তী করে দেয় আর জিনা মারাত্মক একটি কবিরা গুণাহ।

    বিবাহপূর্ব প্রেম অনেক সময় বান্দাহকে শিরকের নিকটবর্তী করে দেয়।
    কারণ অনেক সময় তারা একে অপরকে এতটাই ভালভাসা শুরু করে দেয় যে প্রকার ভালভাসা পাওয়ার দাবীদার একমাত্র আল্লাহ। (সূরা বাকারাঃ১৬৫)

    আমি আয়াতগুলো পুরোপুরি তুলে দেয়নি যাতে করে আপনি নিজে আয়াতগুলো সেই সাথে সূরা গুলো পড়ে নেন।

    মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাই ও বোনদের এই হারাম কাজ থেক হিফাজত করুন। আমীন।

    ahmad2005

    @manwithamission,

    ধন্যবাদ ভাই আপনার উত্তরের জন্য। তার পরেও আমার কিছু দিধা রয়ে গেছে।
    ১) প্রেম বলতে আমি এখানে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ককে বুঝাই নি। শারীরিক সম্পর্ক না করে এমন কি একে আন্যকে স্পর্শ না করে ইসমের পর্দার সকল বিধিনিষেধ মান্য করে নারী-পুরুষের সম্পর্ক হতে পারে কিনা ? এভাবে জায়েজ কিনা।
    ২) আমি ইসলামিক টিভির এক আনুষ্ঠানে একজন বক্তাকে বলতে শুনেছিলাম যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়েই ইলামের সকল বিধিনিষেদ মান্য করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়তুলে তাহলে তেমন কোন বিধিনেষধ ইসলামে নাই । এ ব্যাপারে ইসলাম নাকি নিশঃচুপ আথাৎ করা যাবে যদি যিনা এবং পর্দা ভঙ্গ না হয়।

    manwithamission

    @ahmad2005,

    http://islamqa.com/en/ref/23420/love
    http://islamqa.com/en/ref/93450/love
    http://islamqa.com/en/ref/82010/love

    ইনশাল্লাহ আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। Search এ Key Word লিখুন, ইসলামের যে কোন বিষয়ে জানার জন্য এটা একটা নির্ভরযোগ্য সাইট।
    ভাল থাকবেন।

    সত্যের খোঁজে

    @ahmad2005,একজন অচেনা নারীর সাথে আপনি কিভাবে প্রেম শুরু করবেন? ইসলামে অচেনা নারীর সাথে কোনো কথআ বলার নিয়ম আছে কি?

    দ্য মুসলিম

    @সত্যের খোঁজে,

    কোন বিধান নাই। কিন্তু আজকাল কেউ কেউ এটাকে যায়েয বানানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছে।

    সত্যের খোঁজে

    @দ্য মুসলিম, :) :)ঠিক বলেছেন

    ahmad2005

    @দ্য মুসলিম,

    কোন বিধান যে নাই এইটা আপনি কোথায় পেলেন রেফারেন্স দেন ..

    দ্য মুসলিম

    @ahmad2005,

    টোটাল বিধান নিচে দেয়া আছে। কষ্ট করে নিচে নামুন।

    মুনিম

    @manwithamission, “স্বাধীনভাবে লালসা পূরণ কিংবা গোপনে লুকিয়ে প্রেমলীলা করবে না” (সূরা আল মায়িদা: ৫)

    এই আয়াতে কিন্তু জিনার কথা বলছে । প্রশ্ন কর্তার প্রশ্নে উনার প্রেমের ডেফিনেশন উনি পরিস্কার ভাবে দিয়েছেন তাই উত্তর ও সোজা দেওয়া উচিত। ধন্যবাদ।

    ahmad2005

    @মুনিম ভাই ,
    “স্বাধীনভাবে লালসা পূরণ কিংবা গোপনে লুকিয়ে প্রেমলীলা করবে না” (সূরা আল মায়িদা: ৫)

    এরকম যদি হয় যে লালসা পূরণ কিংবা শারিরীক সম্পর্ক না করে বা করার মানসিকতা যদি না থাকে ।

    আর উক্ত আয়াতে প্রমলীলা বলতে কি বুঝানো হয়েছে ? আমি প্রেমের যে ডেফিনেসন দিয়েছি তার সাথে এই আয়াতের প্রেমের কতটুকু মিল ?

    মুনিম

    @ahmad2005,লীলা বুঝেন নাই? দেবতারা কাম লীলা করতেন ঐটাকে সম্মানের সাথে বলে প্রেমলীলা।

    ahmad2005

    @মুনিম,

    আমি যে প্রেমের সংঙ্গা দিয়েছি ঐটা কি প্রেমলীলা বা কামলীলার মধ্যে পরে..?

    সত্যের খোঁজে

    @মুনিম, একজন অচেনা নারীর সাথে আপনি কিভাবে প্রেম শুরু করবেন? ইসলামে অচেনা নারীর সাথে কোনো কথা বলার নিয়ম আছে কি?

    মুনিম

    @সত্যের খোঁজে, প্রেম আবার শুরু করতে হয় নাকি? প্রেম তো এমনি অটোমেটিক হয়ে যায়। প্রেম তো আদম হাওয়া সুচনা করে গেছেন। ইসলামে অচেনা নারীর সাথে কোনো কথা বলার নিয়ম আছে কি?
    নিশ্চয় আছে। আপনি তৃতীয় কাউকে সামনে রেখে কথা বলতে পারেন।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    সহমত।

    মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাই ও বোনদের এই হারাম কাজ থেক হিফাজত করুন। আমীন।
    আমিন।

  3. @ ahmad2005

    ১) প্রেম বলতে আমি এখানে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ককে বুঝাই নি। শারীরিক সম্পর্ক না করে এমন কি একে আন্যকে স্পর্শ না করে ইসমের পর্দার সকল বিধিনিষেধ মান্য করে নারী-পুরুষের সম্পর্ক হতে পারে কিনা ? এভাবে জায়েজ কিনা।

    যেমনঃ কিছু উধারন দিন যদি সম্ভব হয়? আল-কুরানে সরাসরি নিশেধ করা হয়েছে এবং কাদের সাথে প্রকাশ্য দেখা করা যাবে আর কাদের সাথে দেখা করা যাবেনা। যা উপরের ভাই উল্ল্যেখ করেছেন।


    ২) আমি ইসলামিক টিভির এক আনুষ্ঠানে একজন বক্তাকে বলতে শুনেছিলাম যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়েই ইলামের সকল বিধিনিষেদ মান্য করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়তুলে তাহলে তেমন কোন বিধিনেষধ ইসলামে নাই । এ ব্যাপারে ইসলাম নাকি নিশঃচুপ আথাৎ করা যাবে যদি যিনা এবং পর্দা ভঙ্গ না হয়।

    আল্লাহ বলেনঃ

    হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।

    শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখন ও কি নিবৃত্ত হবে?

    ৫) সূরা আল মায়েদাহ, আয়াত নং ৯০ থেকে ৯১

    আপনি হয়তো এখন বলতে পারেন যে, মদ বা জুয়া মানূষের ক্ষতির কারন, কিন্তু যদি একটু মদ খাই তাহলে কিবা ক্ষতি হবে।
    আসলে ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা মানুষকে গুনাহ থেকে বাচতে বিভিন্ন উপায় বলে দেয়, আজ একটূ খাবেণ, কাল আরেকটু এভাবে একদিন শয়তান আপনাকে পথভ্রষ্ট করে দিবে। তাই ইসলাম আগে থেকেই উপায় বলে দেয় যেখানে শান্তি বজায় থাকবে, আর তা আমাদের ইহিকাল এবং পরকালের ভালোর জন্যেই। ধন্যবাদ।

  4. @ahmad2005,
    আসসালামু আলাইকুম ভাই,

    http://islamqa.com/en/ref/23420/love
    http://islamqa.com/en/ref/93450/love
    http://islamqa.com/en/ref/82010/love

    ইনশাল্লাহ আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। Search এ Key Word লিখুন, ইসলামের যে কোন বিষয়ে জানার জন্য এটা একটা নির্ভরযোগ্য সাইট।
    ভাল থাকবেন।

  5. আমিও গ্যালারীতে বসে আছি।

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    ভাই, নিচে নামেন। কিছু বলেন। আশা করি আপনার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবো। :)

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম,

    উনিকি কাছে উঠছেন নাকি যে, নিচে নামবে? :) :) :) :) :) :) :) :) :) :) :)

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    ভাইযান গ্যালারিতে। তাই মাঠে নামতে বললাম।

    মুনিম

    @দ্য মুসলিম, আপনারা হলেন বক্তাউল্লাহ মানে নায়েবে নবী আর আমি হলাম শোনাউল্লাহ তাই মায়দানে আপনারাই থাকেন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @মুনিম,

    মুনিম ভাই, কেমোন আছেন? :)

    দ্য মুসলিম

    @মুনিম,

    হটাৎ ক্ষেপলেন কেন ভাই? আপনিতো সব দিক থেকে আমার সিনিয়র। তাই শিখার জন্য আপনার কথা শুনতে চাইলাম। (যদিও বিদেশে এক গাদা সন্দেহ মাথার মধ্যে নিয়ে এসেছেন।)

  6. আমরা আরো সহজ হতে পারি বিষয়টিতে। আমার যদি ভুল না হয় আপনি জানতে চাচ্ছেন যে,
    কেউ যদি হিজাব হজায় রেখে প্রেম করে তাহলে ইসলাম কি কোন বিধি নিশেধ আছে?

    আর প্রেম বলতে আপনি বুঝাচ্ছেন যে কোন প্রেম শুধু শারীরিক সম্পর্ক ব্যজাচ্ছেন না, তাই কি?

    আপনাকে আগে একটি প্রশ্ন করি, পরে আপনার প্রশ্ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
    আপনি বিয়ের আগে প্রেম করার কথা বলছেন, এখন বলুন যদি প্রেম এর উদ্দেশ্য হয় দুজনের মিলন, তাহলে য়াগে প্রেম না করে সরাসরি বিয়ে করতে সমস্যা কোথায়? এবং বিয়ের পরে মন ভরে প্রেম করতে অসুবিধা কোথায়?

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    এ বিষয়ে আপনার সুচিন্তিত মতামত আশা করছি।

    ahmad2005

    @জ্ঞান পিপাষু ভাই ,

    বিয়ে কারার মতো সামর্থ কিংবা সুযোগ যদি না থাকে তাহলে সে তখন কি করবে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ahmad2005,

    আমি আপনাকে একটি প্রশ্ন করেছিল, আপনার মন্ত্যব্য শুনে বুঝলাম আপনিও বিয়ের পরে প্রেমকে ভালো মনে করেন। :)

    কিন্তু বিয়ে করার সামর্থ কিংবা সুযোগ যদি না থাকে, তাহলে সে তখন কি করবে?

    আপনি বুঝাচ্চেন এমন একজন লোক, যার বিয়ে করার সামর্থ কিংবা সুযোগ নাই, তাই সে প্রেম করতে চায়, আর যদি তা কেউ করে ইসলাম কি বলে?

    আপনার এই প্রশ্নের উত্তর আমি এখনি দিতে পারি, কিন্তু তার আগেই উপরে আমি আপনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম যে, কিছু উদহারন আমাদেরকে দিন পর্দা বা হিজাব মেনে একজন কিভাবে প্রেম করবে, আপনার মতামত দিন দয়াকরে? ধন্যবাদ।

    ahmad2005

    @জ্ঞান পিপাষু,

    এরকম উদাহরণ আমার কাছে নাই তবে যদি ফোনের মাধ্যমে সম্পর্ক চালিত হয় তখন কি শরীয়ার বিধান ভঙ্ঘ হবে ??

    জ্ঞান পিপাষু

    @ahmad2005,

    এরকম উদাহরণ আমার কাছে নাই তবে যদি ফোনের মাধ্যমে সম্পর্ক চালিত হয় তখন কি শরীয়ার বিধান ভঙ্ঘ হবে ??

    দেখুন একে একে আমাদের বিষয় কিভাবে পরিবর্তন হচ্ছে। প্রথম ছিলো প্রেম, তার পর বিয়ে, তার পর এখন ফোনের মাধ্যমে প্রেম। আসলে আমার বয়স তেমন না, আলহামদুলিল্লাহ যুবকদের মনে কিকি বিষয় উকি দেয় তা আমার বুঝতে কষ্ট হয় না।

    ফোনে আপনি প্রেম করার কথা বলছেন, কিন্তু আপনি নিজেও দুই একটা উধারন দিতে পারছেন না কারন,নারী পুরুষের প্রেম নামক মেলা মেশা খুব বিপদ যনক। আর আমাদের সমাজে দেখবেন, কেউ মজা মারার জন্যে প্রেম করে, কেউ শারীরিক চাহীদা মেটাতে প্রেম করে, আবার কেউ বিয়ে করবে এজন্যে প্রেম করে ইত্যাদি।

    এখন আমাদের সমাজে দেখুন কয়জন প্রেম করে বিয়ে করে, অনেক ক্ষেত্রে এই প্রেম জীবনের বর ক্ষতির কারন হয়ে যায়, যেমন, অবৈধ গর্ভপাত, মাদকাশক্তি, অনেক ক্ষেত্রে আত্তহত্যা ইত্যাদির দিকে আমাদের কে নিয়ে যায় এই প্রেম নামের বুস্তুটি।

    আপনাকে আগেই বলেছি, প্রেম একটি পবিত্র, নিজিন যদি তা সঠিক জায়গায় সঠিক ভাবে করা যায়। এখন আপনাকেই প্রশ্ন করি, আমরাকি এর সঠিক ব্যবহার করি?

    আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, আপনি প্রেম করতে চান ফোনের মাধ্যমে কথা বলে। এখন আপনাকে বলি, ফোনে আপনি একজন মেয়ে বা অন্য কারো সাথে কথা বলতে পারেন, কিন্তু আপনি কি ফোনে সব দরকারি কথা বলেন? প্রেম যদি কোন নারী কেন্দ্রিক হয় তখন আমরা অযথাই অনেক আলাপ করে থাকি, যেমন, তুমি খুব সুন্দর, তমার এই জায়গাতা খুব সুন্দর, তোমার অটা সুন্দর ইত্যাদি ইত্যাদি। আর এই কথা গুলি বারবার বলে থাকি যা কিনা আমাদের ফোন কলের বিনিময়ে কলরেট প্রদান করতে হয়।
    যা কিনা অপচয়ের পর্যায়ে পরে, আর আল্লাহ বলেন ”অপচয় কারি শতানের ভাই”। একেতো আপনার টাকার অপচয়,দ্বীতিয় আপনার সময়ের অপচয়, আর সব শেষে আপনার কথার অপচয়, কিন্তু আল্লাহ বলেনঃ তোমরা অযথা কথাবার্তা থেকে নির্লিপ্ত থাক।

    এছাড়া এ সম্পর্কে নবীজির আকটি হাদিস আছেঃ ”যে চুপ থাকবে সে নাজাত পাবে।

    তাই এইসব ইসলামে নিশিদ্ধ। তাই বুঝতেই পারছেন ফনে কথা বলতে পারেন, কিন্তু দরকারি কথা, আর তা যে কারো সাথে। ফোনে কথা বলার ক্ষেত্রে , যদি আপনাদের কথা
    দরকারি, যৌন শুরশুরি যনিত, খারাপ কথা, যা আল্লাহ এবং রাসূলের প্রেম কে দূরে ঠেলে দেয় এমন কথা, যা অপচয় করতে হয় এমন কিছু ইত্যাদি ইসলামে নিশিদ্ধ। আর আপোনাকে আগেই বোলেছি, ইসলআম এমন একটি ধর্ম যা মানুষ্কে বিভিন্ন লক্ষ অর্জনের উপায় দেখিয়ে দেয় যা অন্য কোন ধর্মে প্রায় নাই বললেই চলে। এই হোল ইসলামের আসল গুন।

    আমাদের আসল প্রেম হওয়া উচিত আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুলের জন্যে, এবং এজন্যে যদি দুনিয়ার খনিকের ভোগ্য কিছু হারাতে হয় তাহলে তাও বিনা দিদ্ধায় মেনে নেয়া উচিত।
    আখেরাতে আমাদের জন্যে আছে মহা পুরুষ্কার। এমন অসংখ্য নারিগন, যারা দুনিয়াতে যদি একটু খাসি দেখাতো, তাহলে দুনিয়াটা আলোকিত হয়ে যে। আল্লাহ আলকুরানে অনেকবার এই সুন্দরি নারী বা হুরদের কথা বলেছেন।

    আপনি যদি আমার প্রশ্নের উত্তর দিতেন, তাহলে আরো ভাল ভাবে বলতে পারতাম।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    আপনাকে আগেই বলেছি, প্রেম একটি পবিত্র, নিজিন যদি তা সঠিক জায়গায় সঠিক ভাবে করা যায়। এখন আপনাকেই প্রশ্ন করি, আমরাকি এর সঠিক ব্যবহার করি?
    ভাই, আপনার কথার দলিল কি? এর সাপেক্ষে কি কোন সহীহ হাদিস আছে? অথবা কোরআনে কারীমের দলিল? কারন প্রেম একটি পবিত্র এই কথাটি সাধারণত ছোট থাকতে বাংলা সিনেমাতে শুনতাম। বড় হবার পর আর শুনিনি। তাছাড়া আপনিতো সহীহ হাদীস ও কোরআনুল কারীম এর দলিল ছাড়া কিছু মানেন না। তাই সঠিক দলিল চাচ্ছি।

    জ্ঞান পিপাষু

    @জ্ঞান পিপাষু,
    ভাই, আপনার কথার দলিল কি? এর সাপেক্ষে কি কোন সহীহ হাদিস আছে? অথবা কোরআনে কারীমের দলিল? কারন প্রেম একটি পবিত্র এই কথাটি সাধারণত ছোট থাকতে বাংলা সিনেমাতে শুনতাম। বড় হবার পর আর শুনিনি। তাছাড়া আপনিতো সহীহ হাদীস ও কোরআনুল কারীম এর দলিল ছাড়া কিছু মানেন না। তাই সঠিক দলিল চাচ্ছি।

    আমি কি বল্লাম আর আপনি কি বুঝলেন। আমি বলেছি সঠিক জায়গায় সঠিক পন্থায় প্রেম করার কথা।
    আর আমি না, আপনারাই ইজমা , কিয়াস নিয়া মাতা মাতি করেন। ইসলামের বিরুদ্ধে যদি কিছু না যায়, তাহলে তার সব কিছু হালাল। পারলে আমার কথা ভূল প্রমান করেন যাতে আমি আমার ভূল বুঝতে পারি। ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    রাগ করলেন নাকি ভাই?

    আমি বলেছি সঠিক জায়গায় সঠিক পন্থায় প্রেম করার কথা।
    আজকে একটু আমাকে প্রশ্ন করতে দিন। দয়া করে সেই সঠিক পন্হাটা কি বলবেন?

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম ,

    রাগ করলেন নাকি ভাই?

    না রাগ কোরিনি, কারোন, এখানে এসেছি আপনাদের মত জ্ঞানিদের কাছে শিখতে। রাগ করতে নয়। আর আমাদের আলোচনা অনেক দিকে যাবে, তাই বলে রাগ করতে হবে এমন কিছু নয়।

    আজকে একটু আমাকে প্রশ্ন করতে দিন। দয়া করে সেই সঠিক পন্হাটা কি বলবেন?

    এটা আগেই বলেছি, যেমনঃ আমাদের আসল প্রেম হওয়া উচিত আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুলের জন্যে, এবং এজন্যে যদি দুনিয়ার খনিকের ভোগ্য কিছু হারাতে হয় তাহলে তাও বিনা দিদ্ধায় মেনে নেয়া উচিত।আখেরাতে আমাদের জন্যে আছে মহা পুরুষ্কার।

    উপরে দেখেন লিখা আছে। ধন্যবাদ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ahmad2005,

    আপনাকে একটা পরামর্শ দেই। যদি কোন মেয়েকে আপনার ভালো লাগে বা আপনার প্রেম যদি বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে আপনি এক কাজ করতে পারেন। যেমনঃ আপনি সাধারন মানুষদের সাথে যে ব্যবহার করেন, যা বলেন, ঠিক সেই রকম করে যদি আপনাদের সম্পর্ক বজায় থাকে, তাহলে ইসলামে কোন বাধা আছে বলে আমার মনে হয় না। তবে ভাই তা খুব কঠিন, যে কোন মুহুর্তে শয়তানের ধোকায় পরতে পারেন। যাই হোক, আপনি যদি এভাবে পারেন তাহলে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেব। আল্লাহ বলেন, তোমরা সিমা লঙ্ঘন কোর না, তাই সিমা লঙ্ঘন যাতে না হয়। একজন মানুষের আরেক জনকে ভাল লাগতেই পারে। তাই অন্তত এতোটুকু মেনে চলুন এবং যদি সম্ভব হয় আপনারা বাবা মাকে এবং মেয়ের বাবা মাকে বিষোয়টি জানিয়ে দিন। তাহলে অনেক খানি
    বিপদ থেকে বাচতে সহজ হবে। আপনাকে সরাসরি না করলাম না, কারন তাহলে তা অবইচার করা হবে আপনার প্রতি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন। য়ামিন। :)

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    কনগ্রাচুলেশন ভাই, শরীয়তে মাঝে নতুন মাত্রা যোগ করছেন মনে হয়? নাকি নতুন শরীয়ত বানাবেন?

    আপনাকে সরাসরি না করলাম না, কারন তাহলে তা অবইচার করা হবে আপনার প্রতি।
    সহীহ হাদীস বা কোরআনের দলিল দিলে ভালো হয়।

    আপনাকে একটা পরামর্শ দেই। যদি কোন মেয়েকে আপনার ভালো লাগে বা আপনার প্রেম যদি বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে আপনি এক কাজ করতে পারেন। যেমনঃ আপনি সাধারন মানুষদের সাথে যে ব্যবহার করেন, যা বলেন, ঠিক সেই রকম করে যদি আপনাদের সম্পর্ক বজায় থাকে, তাহলে ইসলামে কোন বাধা আছে বলে আমার মনে হয় না।
    সহীহ হাদীস বা কোরআনের দলিল দিলে ভালো হয়।

    জ্ঞান পিপাষু

    @জ্ঞান পিপাষু,

    কনগ্রাচুলেশন ভাই, শরীয়তে মাঝে নতুন মাত্রা যোগ করছেন মনে হয়? নাকি নতুন শরীয়ত বানাবেন?

    আপনারকে ডবল কনগ্রাচুলেশন ভাই আপোআনর পরোশনের জোন্যে। তা সরাসরি কারো সাথে সাধারন ভাবে দরকারি কথা বলা ইত্যাদি ইসলামে নিশেধ নাকি, আগে হেইডা কন?


    সহীহ হাদীস বা কোরআনের দলিল দিলে ভালো হয়।

    দলিলতো আপনি আমাকে দিবেন, যাতে আমার কথা ভুল প্রমান হয়, কি পারবেন?

    ahmad2005

    @জ্ঞান পিপাষু,
    দেখুন একে একে আমাদের বিষয় কিভাবে পরিবর্তন হচ্ছে। প্রথম ছিলো প্রেম, তার পর বিয়ে, তার পর এখন ফোনের মাধ্যমে প্রেম। আসলে আমার বয়স তেমন না, আলহামদুলিল্লাহ যুবকদের মনে কিকি বিষয় উকি দেয় তা আমার বুঝতে কষ্ট হয় না

    ভাই দেখুন আমি প্রেম করতে চাই বলে যে এই কথা গুলো বলছি তা না । আমি নিজেও আগে জানতাম যে প্রেম করা গুনাহ কিন্তু ইসলামিক টিভিতে একজন মাওলানার প্রেমের পক্ষে বক্তব্য শুনে আমার মাথা ঘুরে যায় তাই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত যানার আগ্রহ বেরে যায় আসলে কোনটা সত্য কারন তিনি ঐখানে বিস্তারিত বলেননি।

    আমার প্রেম করতে ইচ্ছা করছে এজন্য না । আমি বিষয়টির সত্য জানতে চাই তাই নিজ নাম দিয়েই বলেছি।

    ফোনে আপনি প্রেম করার কথা বলছেন, কিন্তু আপনি নিজেও দুই একটা উধারন দিতে পারছেন না কারন,নারী পুরুষের প্রেম নামক মেলা মেশা খুব বিপদ যনক। আর আমাদের সমাজে দেখবেন, কেউ মজা মারার জন্যে প্রেম করে, কেউ শারীরিক চাহীদা মেটাতে প্রেম করে, আবার কেউ বিয়ে করবে এজন্যে প্রেম করে ইত্যাদি

    বিয়ে কারার উদ্দেশ্য নিয়ে যদি কেউ সম্পর্ক করতে চায় তাহলে কি তা খারাপ হবে ? ( সে যদি শরিয়ার বিধান পালন করে চলে)

    আপনাকে আগেই বলেছি, প্রেম একটি পবিত্র, নিজিন যদি তা সঠিক জায়গায় সঠিক ভাবে করা যায়।
    সঠিক জায়গায় সঠিক ভাবে কিভাবে করে?

    আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, আপনি প্রেম করতে চান ফোনের মাধ্যমে কথা বলে। এখন আপনাকে বলি, ফোনে আপনি একজন মেয়ে বা অন্য কারো সাথে কথা বলতে পারেন, কিন্তু আপনি কি ফোনে সব দরকারি কথা বলেন? প্রেম যদি কোন নারী কেন্দ্রিক হয় তখন আমরা অযথাই অনেক আলাপ করে থাকি, যেমন, তুমি খুব সুন্দর, তমার এই জায়গাতা খুব সুন্দর, তোমার অটা সুন্দর ইত্যাদি ইত্যাদি। আর এই কথা গুলি বারবার বলে থাকি যা কিনা আমাদের ফোন কলের বিনিময়ে কলরেট প্রদান করতে হয়।

    কথা গুলে আমার কাছে হাস্যকর মনে হচ্ছে। :) :)

    আমি ফোন না আমি ওয়ারলেস ব্যবহার করবো তাতে তো কোন সমস্যা হবে না। :) :) :)
    আমি যদি নারীর বিষয় নিয়ে আলাপ না করে আল্লাহ-রাসূল, হাদিস-কিতাব, দেশ-জাতি, সমাজ-বিজ্ঞান এইসব নিয়ে আলাপ করি তাতে কি কোন সমস্যা আছে..??

    আমাদের আসল প্রেম হওয়া উচিত আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুলের জন্যে, এবং এজন্যে যদি দুনিয়ার খনিকের ভোগ্য কিছু হারাতে হয় তাহলে তাও বিনা দিদ্ধায় মেনে নেয়া উচিত।
    আখেরাতে আমাদের জন্যে আছে মহা পুরুষ্কার। এমন অসংখ্য নারিগন, যারা দুনিয়াতে যদি একটু খাসি দেখাতো, তাহলে দুনিয়াটা আলোকিত হয়ে যে। আল্লাহ আলকুরানে অনেকবার এই সুন্দরি নারী বা হুরদের কথা বলেছেন।

    মানলাম । এই কথা অনেক শুনেছি কিন্তু নারীদের জন্য কি আছে ?

    আপনাকে একটা পরামর্শ দেই। যদি কোন মেয়েকে আপনার ভালো লাগে বা আপনার প্রেম যদি বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে আপনি এক কাজ করতে পারেন। যেমনঃ আপনি সাধারন মানুষদের সাথে যে ব্যবহার করেন, যা বলেন, ঠিক সেই রকম করে যদি আপনাদের সম্পর্ক বজায় থাকে, তাহলে ইসলামে কোন বাধা আছে বলে আমার মনে হয় না।

    এতো ক্ষনে লাইনে আইসা কথা বলেলন । কিন্তু তার পরেও সরাসরি বলতে নারাজ কেন।
    তবে ভাই তা খুব কঠিন, যে কোন মুহুর্তে শয়তানের ধোকায় পরতে পারেন। যাই হোক, আপনি যদি এভাবে পারেন তাহলে সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেব। আল্লাহ বলেন, তোমরা সিমা লঙ্ঘন কোর না, তাই সিমা লঙ্ঘন যাতে না হয়। একজন মানুষের আরেক জনকে ভাল লাগতেই পারে।

    ভাই আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে পৃথিবীতে কোন ভালো মনের মানুষ নাই বা আমরা ভাল না মেয়েদের সাথে কথা বলতে গেলে নিজেকে সমলাতে পারবোনা তাই এই দিকে না আগানোই ভালো।
    ভাই কিছু মনে করবেন না, ধরেন আপনার মতো বুজুর্গ লোক যদি কোন মেয়ের সাথে কথা বলে বা সম্পর্ক থাকে তখন কি আপনার খারাপ কথা মনে আসবে , আপনি কি খারাপ কাজ করতে চাইবেন , তার সাথে খারপ বা অশলিল কথা বলবেন ? বিয়ের পরে যখন স্ত্রীর সাথে থাবেন তখন কি এসব কথা বলবেন ? তখন এই অঙ্গ সুন্দর ঐ অঙ্গ সুন্দর এসব বললে কি গুনাহ হবে না ??

    পৃথিবীর সকল মানুষের মন কি খারপ চিন্তা দিয়েই ভরা ?? খারাপ মানুষের জন্য আইন ভাল মানুষের জন্য কি কোন আইন নাই ।

    সত্যের খোঁজে

    @ahmad2005,
    বুজুর্গ লোক কোন মেয়ের সাথে কেন কথা বলবে? :(

    ahmad2005

    @সত্যের খোঁজে,

    আমরা সাধারণরা তো আর বুজুর্গ না ..

    জ্ঞান পিপাষু

    @ ahmad2005,

    আপনাকে আগেই বোলেছি, দেখুন এক প্রশ্ন থেকে কিভাবে বিভিন্ন প্রশ্ন বাহির হয়।

    যাই হক, আসুন আমরা একবারে একটি বিশয় নিয়ে আলোচনা করি। আপনার মূল প্রশ্নের পাশাপাশি সং ক্ষেপে উত্তর দিচ্ছি যাতে আপনি না বলতে পারেন যে, আমি উত্তর গুলি জানি না, তাই দিচ্ছি। কিন্তু একবারে একটি বিষয় বলবেন বলে আশা রাখি। ধন্যবাদ।

    বিয়ে কারার উদ্দেশ্য নিয়ে যদি কেউ সম্পর্ক করতে চায় তাহলে কি তা খারাপ হবে ? ( সে যদি শরিয়ার বিধান পালন করে চলে)

    আপনাকে বলেছি যা আমি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে ইসলামকে যেভাবে বুঝি, তার আলোকেই।
    যদি কোন মেয়েকে আপনার ভালো লাগে বা আপনার প্রেম যদি বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে আপনি এক কাজ করতে পারেন। যেমনঃ আপনি সাধারন মানুষদের সাথে যে ব্যবহার করেন, যা বলেন, ঠিক সেই রকম করে যদি আপনাদের সম্পর্ক বজায় থাকে, তাহলে ইসলামে কোন বাধা আছে বলে আমার মনে হয় না। কারন আপনিতো সাধারন ব্যবহারই করছেন মেয়ের সাথে, যেভাবে অন্য দের ক্ষেত্রে করেন। তাই নিশিদ্ধ হওয়ার প্রশ্নই এখানে আসে না।

    আমি যদি নারীর বিষয় নিয়ে আলাপ না করে আল্লাহ-রাসূল, হাদিস-কিতাব, দেশ-জাতি, সমাজ-বিজ্ঞান এইসব নিয়ে আলাপ করি তাতে কি কোন সমস্যা আছে..??

    আপনি যদি অন্য সবার সাথে এমন আলাপ করেন তাদের জ্ঞান বারাতে, তাহলে এখানে অসুবিধা নাই। আর শুধু ঐ মেয়েকেই কেন, আপনার পরিবারে যে মেয়েরা আছে তাদেরও আল্লাহ-রাসূল, হাদিস-কিতাব, দেশ-জাতি, সমাজ-বিজ্ঞান এইসব নিয়ে জ্ঞাণ দান করতে পারেন।

    মানলাম । এই কথা অনেক শুনেছি কিন্তু নারীদের জন্য কি আছে ?

    যার মন যাহা চাইবে তাহাই পাবে। কোন নারী যদি মনে করে তার পুরুষ দরকার তাহলে সেও পাবে এবং তার মন মত।


    এতো ক্ষনে লাইনে আইসা কথা বলেলন । কিন্তু তার পরেও সরাসরি বলতে নারাজ কেন।

    সরাসরি আবাড় কিভাবে?

    পৃথিবীর সকল মানুষের মন কি খারপ চিন্তা দিয়েই ভরা ?? খারাপ মানুষের জন্য আইন ভাল মানুষের জন্য কি কোন আইন নাই

    আইন সবার জন্যে। আল্লাহ আপনাকে জ্ঞান দিয়েছেন, তার আলোকে আপনার যার কথা সঠিক মনে হয় তার কথা মানেন। ধন্যবাদ।

    সত্যের খোঁজে

    @জ্ঞান পিপাষু,
    কোন মেয়ের দিকে একবারের বেশি তাকানো যায় না, প্রেম শুরু কোরবেন কিভাবে? আর বিয়ে কারতে চাইলে মোরুব্বী দিয়ে প্রস্তাব পাঠানো ই ভাল।

    ahmad2005

    @সত্যের খোঁজে,

    মোরুব্বীরা যদি মেয়েটির দিকে তাকায় তখন কি গুনহ হবে না .??

    মুনিম

    @ahmad2005, মুরুব্বী টুরব্বী যাদের মনে চোখে জিনা করবে তাদের নিশ্চয় গুণাহ হবে এবং আর আপনি যদি নিঃষ্কাম ভাবে দেখতে পারেন তো আপনার গুণাহ হবেনা বলে আমার অপিনিয়ন। কারণ আল্লাহ তার বান্দার ইনেটশন দেখে বিচার করবেন। মানুষ মাত্র তার শরীরে রসায়নিক ক্রিয়া কলাপ বর্তমান। তাই পজেটিভ আর নেগেটিভের তো আকর্ষণ থাকবে। আর এর জন্য ইউরোপিয় সভ্যতা ফ্রি সেক্সের অনুমতি দিয়েছে। আর ইসলামও এই সেক্সকে অস্বীকার করে নাই। তাই যে কোন বয়সে বিয়ে করে সেক্স করার অনুমতি দিয়েছে।

    কিন্তু মুসকিল হল আমাদের দেশে, এখানে ইউরোপীয় টি ও চলেনা এবং ইসলামেরটি চলেনা। আমরা যেমন, যখন ইচ্ছা যার ইচ্ছা তার সাথে সেক্স করতে পারিনা। কারণ এই ব্যবস্থা আমাদের সমাজ মেনে নেয় না, ধর্ম অনুমোদন দেয় না, রাষ্ট্রিও আইনেও বেআইনি। আবার রাষ্ট্রও যে বয়সে মানুষ ব্রেকহীন থাকে, সেই টিন এজ সময়ে বিয়ে করতেও অনুমিত দেয়না। তাই আমাদের সমাজে সেক্সকে অবদমন করে রাখা হয়। আর এর পরিনাম ভালহয়না। ধন্যবাদ।

    ahmad2005

    @মুনিম,

    কি পরিমন গুনাহ হতে পারে ..

    মুনিম

    @সত্যের খোঁজে, আচ্ছা এই একবার দৃষ্টির সময় কতটুকু নেওয়া যাবে?

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    যদি কোন মেয়েকে আপনার ভালো লাগে বা আপনার প্রেম যদি বিয়ে করার উদ্দেশ্যে হয়, তাহলে আপনি এক কাজ করতে পারেন। যেমনঃ আপনি সাধারন মানুষদের সাথে যে ব্যবহার করেন, যা বলেন, ঠিক সেই রকম করে যদি আপনাদের সম্পর্ক বজায় থাকে, তাহলে ইসলামে কোন বাধা আছে বলে আমার মনে হয় না। কারন আপনিতো সাধারন ব্যবহারই করছেন মেয়ের সাথে, যেভাবে অন্য দের ক্ষেত্রে করেন। তাই নিশিদ্ধ হওয়ার প্রশ্নই এখানে আসে না।
    কিছু মনে করবেননা ভাই। অহেতুক ফতোয়া দেয়ার আগে একটু পড়াশোনা করেন। আপনাকে কে বললো কোন প্রয়োজনীয় কারন ছাড়া সাধারণ ভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলা যায়েজ? এ ব্যপারে প্রচুর রেস্ট্রিকশন আছে। আরেকটু পড়াশোনা করেন অথবা কিছু বলা থেকে চুপ থাকেন। একমাত্র তাই বলেন যার দলিল আপনার কাছে আছে?
    এমন কোন দলিল কি আছে যাতে হাদিস বা কোরানে পাকে এই অনুমতি দেয়া আছে? বরং নিষেধ করা আছে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ দ্য মুসলিম,

    কিছু মনে করবেননা ভাই। অহেতুক ফতোয়া দেয়ার আগে একটু পড়াশোনা করেন। আপনাকে কে বললো কোন প্রয়োজনীয় কারন ছাড়া সাধারণ ভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলা যায়েজ?

    ওহেটুক কারোন ছারা কথা বলা জায়েজ, আমার কথা থেকে আপনি শুধু এটাই বুঝলেন? ভাল।

    এ ব্যপারে প্রচুর রেস্ট্রিকশন আছে। আরেকটু পড়াশোনা করেন অথবা কিছু বলা থেকে চুপ থাকেন।

    চুপ থাকলাম, আপনার সেই পাতাটা আমাকে দেন, যা আমার পড়ার এখোনো বাকি আছে, অকে?

    একমাত্র তাই বলেন যার দলিল আপনার কাছে আছে? এমন কোন দলিল কি আছে যাতে হাদিস বা কোরানে পাকে এই অনুমতি দেয়া আছে? বরং নিষেধ করা আছে।

    আমার কাছে সব চেয়ে বড় দলিল হচ্ছে ইসলামের বিরুদ্ধে যদি কিছু না যায়, তাহলে তা যায়েয, যা আগেই আমি বলেছি।
    মানা নামানা আপনার জ্ঞান। আপনিতো আমর কথা ভূল প্রমান করেন আগে, নিজের দলিল আগে দেন। ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    আপনিতো আমর কথা ভূল প্রমান করেন আগে, নিজের দলিল আগে দেন। ধন্যবাদ।

    শরীয়তের দৃষ্টিতে প্রেম।

    স্বাভাবিক দুরুত্বে অবস্হান করে প্রেমঃ
    অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে, দুরুত্ব রেখে প্রেম করলেতো সমস্যা হবার কথানা। তাছাড়া সাধারণ মানুষের মতো আচরণ করলে সমস্যা কি?
    উত্তরঃ
    উমর (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন পুরুষ যখন কোন নারীর সাথে একান্তে থাকে, তখন তাদের মাঝে তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত হয় স্বয়ং শয়তান তাদের মাঝে ভাবাবেগকে উৎসাহিত করে এবং উভয়ের মাঝে খারাপ কুমন্ত্রণা দিতে থাকে এবং সর্বশেষে লজ্জাকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়।
    সুতরাং বোঝা যায় যে নিভৃতে বেগানা নারী পুরুষ এক সাথে নির্জন স্হানে বসা যায়েয নেই।

    হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আলী রাঃ কে লক্ষ করে বলেনঃ “হে আলী তুমি একবার তাকাবার পর পুনর্বার তাকাবেনা। তোমার প্রথম দৃষ্টিপাত ক্ষমার যোগ্য কিন্তু দ্বিতীয়বার নয়।”
    অনেকেই মনে করেন যে কোন নারী হিজাব অবস্হায় থাকলে (মুখ ও কব্জি যদি খোলা থাকে) তখন বারবার তাকানোতে দোষ নেই। এই হাদীস থেকে আশা করি তারা শিক্ষা নিতে পারবেন।

    হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “লালসার দৃষ্টি চোখের ব্যভিচার, লালসার বাক্যালাপ জিহবার ব্যভিচার, কামভাবে স্পর্শ করা হাতের ব্যভিচার, এ উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের ব্যভিচার, অশ্লীল কথাবার্তা শুনা কানের ব্যভিচার, কামনা বাসনা মনের ব্যভিচার, গুপ্তাঙ্গ-যা বাস্তবে সূপদান করে কিংবা দমন করে।”(বোখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযি)
    এই হাদীস শোনার অনেকেই হয়তো বলতে পারে যে এখানেতো লালসার কথা বলা হয়েছে, আমরা তো লালসার মাধ্যমে এসব করবো না। বরং আমরা পবিত্র প্রেম করবো। তাদের উত্তর হলো যে, যাদের বিপরীত লিঙ্গের সাথে নিভৃতে এক সাথে থাকার পরও লালসার কোন চিন্হ প্রকাশ পায় না, তাহলে তাদেরকে মেডিকেল সায়েন্স এর ভিত্তিতে পুরুষ মহিলা বলা যাবেনা। তাদের ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান ভিন্ন।

    দেখা না করে শুধু কথা বলে প্রেম বা মোবাইলে প্রেমঃ
    অনেকেই মনে করেন মোবাইলে কথা বললে তো ব্যভিচারের আশংকা অনেক কমে যায়। তাদের জন্য নিম্নোক্ত হাদীসটি আবার প্রণিধান যোগ্যঃ
    হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “লালসার দৃষ্টি চোখের ব্যভিচার, লালসার বাক্যালাপ জিহবার ব্যভিচার, কামভাবে স্পর্শ করা হাতের ব্যভিচার, এ উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের ব্যভিচার, অশ্লীল কথাবার্তা শুনা কানের ব্যভিচার, কামনা বাসনা মনের ব্যভিচার, গুপ্তাঙ্গ-যা বাস্তবে সূপদান করে কিংবা দমন করে।”(বোখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযি)
    এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ব্যভিচার অনেক রকম হতে পারে। এবং প্রত্যেক ব্যভিচারই হারাম।

    এছাড়া যদি প্রয়োজন মোতাবেক কথা বলতেই হয় সেক্ষেত্রে কর্কশ ভাষায় কথা বলতে হবে। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কোরানে কালামের আয়াত প্রণিধান যোগ্যঃ
    আল্লাহ পাক বলেনঃ “তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় কর, তাহলে পরপুরুষদের সাথে কোমল কন্ঠে কথ বলবে না। তা হলে যার অন্তরে রোগ আছে, সে প্রলুব্ধ হয়ে পড়বে। তোমরা স্বাভাবিক ভাবে কথা বল।” (সুরা আহযাব-৩২)

    অনেকেই বলতে পারেন যে আমরা প্রেম করলে তো স্বাভাবিক ভাবে কথা বলবো। কন্ঠ কোমল করবোনা। তাদেরকে বলতে চাই, এই আয়াতের দ্বারা তাফসীর বিদগণ প্রয়োজনীয় কথা বার্তা ছাড়া অন্যান্য কথা বার্তা নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছেন।
    যেমন আল্লামা আলুসী রঃ বলেনঃ “ভিন্ন পুরুষদের কথার জবাব দেয়ার সময় তোমরা বিনয় ও নম্রতাপূর্ণ এবং নারীসুলভ কোমল ও নরম স্বরে কথা বলবেনা, যেমন করে সংশয়পূর্ণ মানসিকতাসম্পন্ন ও চরিত্রহীনা মেয়ে লোকেরা বলে থাকে।”

    এছাড়া সাহাবীগণ, তাবেয়ীগণ এবং তাবে তাবেয়ীগণদের সময়ে বর্তমান সময়ের প্রচলিত ধরণের প্রেমকে জায়েয বলা হয়নি এবং কেউ করেনওনি। এছাড়া আলিমগণ এসকল দলিলের ভিত্তিতে এক যোগে এই ধরণের প্রেমকে হারাম বলেছেন। অনেকেই বলতে পারেন যে আমরা আলিম মানিনা, আমরা শুধু কোরান শরীফ এবং সিয়াহ সিত্তাহকেই মানবো তাদের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ কাছে হেদায়াতের জন্য দোয়া করা ছাড়া আর কিছু করতে পারিনা।

    (এগুলো ছাড়াও বাস্তব জীবনে প্রেমের অনেক কুফল রয়েছে যা কোন জ্ঞানসম্পন্ন লোকই অস্বীকার করতে পারেনা। )

    আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে হিদায়াত দিন। আমিন

    দ্য মুসলিম

    @ahmad2005,

    ভাই, হাদীস শরীফে আছে যার সামর্থ নাই সে যেন বেশী বেশী রোজা রাখে। ধন্যবাদ

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম,
    ভাই, হাদীস শরীফে আছে যার সামর্থ নাই সে যেন বেশী বেশী রোজা রাখে। ধন্যবাদ

    আর যদি কেউ অন্য কোন সমস্যার কারনে বিয়ে না করতে পারে , তাহলে?

    রোজা দিয়ে শারীরিক সামান্য কিছু পরিবর্ত্ন হতে পারে, এর বেশি কিছু নয়, রোজার মাসেযে আগে সেক্স করা নিষেধ ছিলোনা, তা আপনি জানেন নিশ্চই।

    ahmad2005

    @দ্য মুসলিম,
    ভাই বাংলাদের মানুষের বিয়ের জন্য অর্থনৈতিক কোন সমস্যা হয় না , সমস্য হয় পারিবারিক ।

    দ্য মুসলিম

    @ahmad2005,

    এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয় ভেবে দেখতে হবেঃ

    ১) বিয়ের ক্ষত্রে পিতামাতার আদেশ মানতে হবে, এখন পর্যন্ত এমন কোন হাদিস বা অন্যকিছু শুনিনি। কিন্তু একটি কথা মনে রাখতে হবে যদিও পিতামাতার অনুমতির কথা বলা হয়নি তারপরও যদি বিয়ে করতে গিয়ে পিতা-মাতার মনে কষ্ট দিতে হয় সেক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার কাছে জবাব দিহি করতে হবে।

    ২) হাদীস শরীফে এসেছে- “তালাক প্রাপ্তা বা বিধবা নারীকে তাদের অনুমতি ব্যতিরেকে বিয়ে দেয়া যাবেনা। কুমারী মেয়েদেরকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া যাবেনা। ”

    মানুষ সামাজিক জীব। তাই তাদেরকে সব কিছু ম্যনেজ করে চলতে হয়। কেউ যদি তার বাবা-মা কে প্রাধান্য দিতে চায় (এবং সর্বাবস্হায় তাই দেয়া উচিত একমাত্র হারাম কোন কাজ না করতে বললে) তাহলে সে তাদের ইচ্ছে মতোই বিয়ে করবে অথবা তাদেরকে সাধ্যমতো বোঝানোর চেষ্টা করবে।
    আর কেউ যদি মনে করে যে, তার নিকট বিয়ে করাটা মুখ্য বা তার জন্য অপরিহার্য তবে সে বিয়ে করতে পারে এবং তা তার জন্য হারাম হবেনা (যদি সে ভরপোষনে সক্ষম হয়) কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে, পিতা-মাতার মনে কষ্ট দান কারীকে আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতেই শাস্তি দিয়ে থাকেন আর আখেরাতেতো আছেই।

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    কেউ যদি হিজাব হজায় রেখে প্রেম করে তাহলে ইসলাম কি কোন বিধি নিশেধ আছে?
    এই দুটি জিনিষ পরস্পর বিরোধী। কেই হিজাব মানলে সে প্রেম করতে পারবে না আর কেউ প্রেম করতে চাইলে তার দ্বারা হিজাব পালন করা অসম্ভব। এব্যপারে কিছু দলিল দিয়েছি। আশা করি আপনার জ্ঞানপিপাসা মেটাতে পারবে।

    সত্যের খোঁজে

    @জ্ঞান পিপাষু, একজন অচেনা নারীর সাথে আপনি কিভাবে প্রেম শুরু করবেন? ইসলামে অচেনা নারীর সাথে কোনো কথা বলার নিয়ম আছে কি?

    জ্ঞান পিপাষু

    @সত্যের খোঁজে,


    একজন অচেনা নারীর সাথে আপনি কিভাবে প্রেম শুরু করবেন? ইসলামে অচেনা নারীর সাথে কোনো কথা বলার নিয়ম আছে কি?

    আপনি কি বলতে চাচ্ছেন অচেনা বলে, চেনা কারো সাথে কি প্রেম করা যায় আগে এটার উত্তর দেন?

  7. আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

    ভাই, স্বাগতম। আশা করি সবসময় আপনাকে সাথেই পাবো।

    সত্যের খোঁজে

    @দ্য মুসলিম, অবশ্যই :)

  8. আসসালামু আলাইকুম,

    //১) প্রেম বলতে আমি এখানে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ককে বুঝাই নি। শারীরিক সম্পর্ক না করে এমন কি একে আন্যকে স্পর্শ না করে ইসমের পর্দার সকল বিধিনিষেধ মান্য করে নারী-পুরুষের সম্পর্ক হতে পারে কিনা ? এভাবে জায়েজ কিনা।//

    বিবাহ পূর্ব সম্পর্ক কোন ভাবেই বৈধ নয়, হোক তা পর্দার আড়াল থেকে।
    ইবনে আব্বাস কর্তৃক বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন পুরুষেরই কোন নারীর সাথে একাকী অবস্থান করা যাবে না। (বুখারী ও মুসলিম)
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, কোন পুরুষই কোন নারীর সাথে একাকী থাকে না বরং সেখানে তৃতীয় একজন অবস্থান করে আর সে হচ্ছে শয়তান। (সহীহ, তিরমিযী)

    অর্থাৎ বিবাহ পূর্ব সাক্ষাৎ, কথা বলা(আবশ্যিক প্রয়োজন ব্যতীত) জায়েজ নেই। কাজেই কোন প্রকার সম্পর্ক গড়ে উঠার প্রশ্নই উঠে না।

    আপনি কোন মেয়ের সম্পর্কে জানতে পারলেন সে ভাল, তাকওয়া সম্পন্ন এবং দেখতেও ভাল সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারেন এবং বিবাহের পূর্বে মাহরাম ব্যক্তির উপস্থিতিতে সেই মেয়ের সাথে কথা এবং তাকে দেখে নিতে পারেন। এই একই নিয়ম নারীদের বেলায়ও প্রযোজ্য।
    মুঘিরা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি একজন নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বল্লেন, যাও তাকে দেখে নাও, এটা তোমাদের মধ্যে ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে। (হাসান, তিরমিযী)

    ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে এর মানে বুঝাচ্ছে বিবাহ পর ভালোবাসা।

    //২) আমি ইসলামিক টিভির এক আনুষ্ঠানে একজন বক্তাকে বলতে শুনেছিলাম যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়েই ইলামের সকল বিধিনিষেদ মান্য করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়তুলে তাহলে তেমন কোন বিধিনেষধ ইসলামে নাই । এ ব্যাপারে ইসলাম নাকি নিশঃচুপ আথাৎ করা যাবে যদি যিনা এবং পর্দা ভঙ্গ না হয়।//

    ইসলামের সকল বিধি নিষেধ মান্য করলে বিবাহ পূর্ব প্রেমের সম্পর্ক আবার কিভাবে গড়ে উঠতে পারে?
    যাই হোক, হয়তো আপনি ভুল শুনেছেন অথবা তার বক্তব্য ঠিকমতো বুঝতে পারেন নি কিংবা যিনি বলেছেন তিনি বলতে যেয়ে ভুল করে ফেলেছেন।
    ইসলামী শরীয়াহতে বিবাহ পূর্ব প্রেম হারাম আর এই শরীয়াহ হচ্ছে কুরআন এবং সহীহ হাদীস সমূহ। কোন বিষয়ে ফয়সালা দিতে গেলে তাকে এই দুইটি থেকে রেফারেন্স দিতে হবে। মনগড়া বা নিজের প্রবৃত্তি কিংবা অনেকেই একই কথা বলেছেন – এই সব শরীয়ার ভিত্তি হতে পারে না।

    আরো বিস্তারিত জানতে নীচের লিংকগুলো পড়ে দেখতে পারেন।
    http://islamqa.com/en/ref/23420/love
    http://islamqa.com/en/ref/84102/love
    http://islamqa.com/en/ref/84089

    ইনশাল্লাহ, বিষয়টি আপনার নিকট বোধগম্য হবে। ভাই হিসেবে বলবো, কুরআন এবং সহীহ হাদীস পড়ুন, বুঝুন এবং নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করুন আর আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করুন। ভাল থাকবেন।

  9. এই লিংকে ক্লিক করুন:

    http://www.sunnahfollowers.net/newaudio/index.php

    তারপর Laila Nasheeba-র lecture-এর ভিতর “other lectures and classes” সাব-হেডিং-এর under-এ Passionate love এবং Love in Islam বলে দু’টো audio lecture রয়েছে। এর যে কোনটি শুনলেই, যে কেউ বুঝবেন যে, ইসলামে Passionate love-এর (বা বিবাহ-পূর্বক তথা বিবাহ-বহির্ভূত প্রেমের ) কোন স্থান নেই – অবশ্য যদি সত্যি কেউ সত্যাসত্য জানতে চান। আর কারো মন বা “হাওয়া” যা পছন্দ করে বা শুনতে চায়, তা শুনতে চাইলে আপনি একটু খোঁজ করলেই এমন হুজুর পেয়ে যাবেন, যিনি বলবেন যে, আপনার শুনতে চাওয়া ব্যাপারটি জায়েয – তা যাই হোক না কেন। সেজন্যই এখন ইসলামী গান, ইসলামী নাটক, ইসলামী সিনেমা, ইসলামী ফ্যাশন শো থেকে শুরু করে আরো কত কি “বাজারে” আসছে। তাহলে ইসলামী প্রেম বাদ থাকবে কেন (নাউযুবিল্লাহ!)? ইসলামী ডেটিং-এর কথা তো শুনেছি সেই কবেই!

  10. আপনাকে এই ব্লগে স্বাগতম।

    আপনার স্ত্রী ছাড়া , যেকোন নারীর সাথে যেকোনো ধরনের “প্রেম” জাতীয় সম্পর্ক ইসলামে সম্পূর্ন নিষেধ । হোক সেটা “শারীরিক” বা “মানসিক” ।

    ১৪ জন ছাড়া যেকোন নারীর সাথে “কথা বলা” , “দেখা” সম্পূর্ন হারাম ।

    সময়ের অভাবে দলীল দিতে পারলাম না । বিস্তারিত জানতে চাইলে দেখুন ।

    http://www.askimam.org/fatwa/fatwa.php?askid=270feb992edb98ba7e0321b47fce67e9

    ahmad2005

    @হাফিজ,

    আপনার স্ত্রী ছাড়া , যেকোন নারীর সাথে যেকোনো ধরনের “প্রেম” জাতীয় সম্পর্ক ইসলামে সম্পূর্ন নিষেধ । হোক সেটা “শারীরিক” বা “মানসিক” ।

    দয়াকরে এই সম্পর্কে বিস্তারিত বলেন । এই টপিকটা হেলা করার মতো কোন ফালতু বিষয় নয় । আপনাদের মতো জ্ঞানী লোকদের কাছে এই বিষয় সম্পর্কে যানা আছে বিধায় ফালতু মনে হতে পারে কিন্তু এই জরে ভুগছে আমাদের দেশ তারা জানেও না যে এটা নিষিদ্ধ কি সিদ্ধ। তাই দয়াকরে যেকোন হাদিছ উল্লেখ্য করছে রেফারেন্স সহ বিস্তারিট লিখবেন।

    ১৪ জন ছাড়া যেকোন নারীর সাথে “কথা বলা” , “দেখা” সম্পূর্ন হারাম ।

    দয়াকরে এখানেই বিস্তারিত উল্লেখ্য করুন ।

    manwithamission

    @ahmad2005, আসসালামু আলাইকুম,

    আমার কমেন্টগুলো আপনার ব্লগে আসছে না কেন?

    Your comment is awaiting moderation. এই লেখাটা দেখাচ্ছে?

    manwithamission

    @ahmad2005, (আলহামদুলিল্লাহ সমস্যাটা এখন নাই)
    আসসালামু আলাইকুম,

    //১) প্রেম বলতে আমি এখানে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ককে বুঝাই নি। শারীরিক সম্পর্ক না করে এমন কি একে আন্যকে স্পর্শ না করে ইসমের পর্দার সকল বিধিনিষেধ মান্য করে নারী-পুরুষের সম্পর্ক হতে পারে কিনা ? এভাবে জায়েজ কিনা।//

    বিবাহ পূর্ব সম্পর্ক কোন ভাবেই বৈধ নয়, হোক তা পর্দার আড়াল থেকে।
    ইবনে আব্বাস কর্তৃক বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন পুরুষেরই কোন নারীর সাথে একাকী অবস্থান করা যাবে না। (বুখারী ও মুসলিম)
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, কোন পুরুষই কোন নারীর সাথে একাকী থাকে না বরং সেখানে তৃতীয় একজন অবস্থান করে আর সে হচ্ছে শয়তান। (সহীহ, তিরমিযী)

    অর্থাৎ বিবাহ পূর্ব সাক্ষাৎ, কথা বলা(আবশ্যিক প্রয়োজন ব্যতীত) জায়েজ নেই। কাজেই কোন প্রকার সম্পর্ক গড়ে উঠার প্রশ্নই উঠে না।

    আপনি কোন মেয়ের সম্পর্কে জানতে পারলেন সে ভাল, তাকওয়া সম্পন্ন এবং দেখতেও ভাল সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারেন এবং বিবাহের পূর্বে মাহরাম ব্যক্তির উপস্থিতিতে সেই মেয়ের সাথে কথা এবং তাকে দেখে নিতে পারেন। এই একই নিয়ম নারীদের বেলায়ও প্রযোজ্য।
    মুঘিরা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি একজন নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বল্লেন, যাও তাকে দেখে নাও, এটা তোমাদের মধ্যে ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে। (হাসান, তিরমিযী)

    ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে এর মানে বুঝাচ্ছে বিবাহ পর ভালোবাসা।

    //২) আমি ইসলামিক টিভির এক আনুষ্ঠানে একজন বক্তাকে বলতে শুনেছিলাম যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়েই ইলামের সকল বিধিনিষেদ মান্য করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়তুলে তাহলে তেমন কোন বিধিনেষধ ইসলামে নাই । এ ব্যাপারে ইসলাম নাকি নিশঃচুপ আথাৎ করা যাবে যদি যিনা এবং পর্দা ভঙ্গ না হয়।//

    ইসলামের সকল বিধি নিষেধ মান্য করলে বিবাহ পূর্ব প্রেমের সম্পর্ক আবার কিভাবে গড়ে উঠতে পারে?
    যাই হোক, হয়তো আপনি ভুল শুনেছেন অথবা তার বক্তব্য ঠিকমতো বুঝতে পারেন নি কিংবা যিনি বলেছেন তিনি বলতে যেয়ে ভুল করে ফেলেছেন।
    ইসলামী শরীয়াহতে বিবাহ পূর্ব প্রেম হারাম আর এই শরীয়াহ হচ্ছে কুরআন এবং সহীহ হাদীস সমূহ। কোন বিষয়ে ফয়সালা দিতে গেলে তাকে এই দুইটি থেকে রেফারেন্স দিতে হবে। মনগড়া বা নিজের প্রবৃত্তি কিংবা অনেকেই একই কথা বলেছেন – এই সব শরীয়ার ভিত্তি হতে পারে না।

    আরো বিস্তারিত জানতে নীচের লিংকগুলো পড়ে দেখতে পারেন।
    http://islamqa.com/en/ref/23420/love
    http://islamqa.com/en/ref/84102/love
    http://islamqa.com/en/ref/84089

    ইনশাল্লাহ, বিষয়টি আপনার নিকট বোধগম্য হবে। ভাই হিসেবে বলবো, কুরআন এবং সহীহ হাদীস পড়ুন, বুঝুন এবং নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করুন আর আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করুন। ভাল থাকবেন।

    ahmad2005

    @manwithamission ভাই,

    বুঝতেছিনা , আমিতো কাউকে আনসাস্ক্রাইব করে রাখি নাই।

    Biplobi

    @ahmad2005, আমার কমেন্টগুলোও আপনার ব্লগে আসছে না!

    Your comment is awaiting moderation. এই লেখাটা দেখাচ্ছে !!

    Biplobi

    @ahmad2005, ভাই অনধিকার চর্চা করলাম! আমার যে কমেন্টটা প্রকাশিত হয়নি তা ছিল এরকম:

    এই লিংকে ক্লিক করুন:

    http://www.sunnahfollowers.net/newaudio/index.php

    তারপর Laila Nasheeba-র lecture-এর ভিতর “other lectures and classes” সাব-হেডিং-এর under-এ Passionate love এবং Love in Islam বলে দু’টো audio lecture রয়েছে। এর যে কোনটি শুনলেই, যে কেউ বুঝবেন যে, ইসলামে Passionate love-এর (বা বিবাহ-পূর্বক তথা বিবাহ-বহির্ভূত প্রেমের ) কোন স্থান নেই – অবশ্য যদি সত্যি কেউ সত্যাসত্য জানতে চান। আর কারো মন বা “হাওয়া” যা পছন্দ করে বা শুনতে চায়, তা শুনতে চাইলে আপনি একটু খোঁজ করলেই এমন হুজুর পেয়ে যাবেন, যিনি বলবেন যে, আপনার শুনতে চাওয়া ব্যাপারটি জায়েয – তা যাই হোক না কেন। সেজন্যই এখন ইসলামী গান, ইসলামী নাটক, ইসলামী সিনেমা, ইসলামী ফ্যাশন শো থেকে শুরু করে আরো কত কি “বাজারে” আসছে। তাহলে ইসলামী প্রেম বাদ থাকবে কেন (নাউযুবিল্লাহ!)? ইসলামী ডেটিং-এর কথা তো শুনেছি সেই কবেই!

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    সম্পূর্ণ একমত। ধন্যবাদ।

    সত্যের খোঁজে

    @হাফিজ, সহমত (Y)

  11. (বুঝলাম না, মন্তব্য কেন Submit হচ্ছে না)
    আসসালামু আলাইকুম,

    //১) প্রেম বলতে আমি এখানে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ককে বুঝাই নি। শারীরিক সম্পর্ক না করে এমন কি একে আন্যকে স্পর্শ না করে ইসমের পর্দার সকল বিধিনিষেধ মান্য করে নারী-পুরুষের সম্পর্ক হতে পারে কিনা ? এভাবে জায়েজ কিনা।//

    বিবাহ পূর্ব সম্পর্ক কোন ভাবেই বৈধ নয়, হোক তা পর্দার আড়াল থেকে।
    ইবনে আব্বাস কর্তৃক বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন পুরুষেরই কোন নারীর সাথে একাকী অবস্থান করা যাবে না। (বুখারী ও মুসলিম)
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, কোন পুরুষই কোন নারীর সাথে একাকী থাকে না বরং সেখানে তৃতীয় একজন অবস্থান করে আর সে হচ্ছে শয়তান। (সহীহ, তিরমিযী)

    অর্থাৎ বিবাহ পূর্ব সাক্ষাৎ, কথা বলা(আবশ্যিক প্রয়োজন ব্যতীত) জায়েজ নেই। কাজেই কোন প্রকার সম্পর্ক গড়ে উঠার প্রশ্নই উঠে না।

    আপনি কোন মেয়ের সম্পর্কে জানতে পারলেন সে ভাল, তাকওয়া সম্পন্ন এবং দেখতেও ভাল সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারেন এবং বিবাহের পূর্বে মাহরাম ব্যক্তির উপস্থিতিতে সেই মেয়ের সাথে কথা এবং তাকে দেখে নিতে পারেন। এই একই নিয়ম নারীদের বেলায়ও প্রযোজ্য।
    মুঘিরা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি একজন নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বল্লেন, যাও তাকে দেখে নাও, এটা তোমাদের মধ্যে ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে। (হাসান, তিরমিযী)

    ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে এর মানে বুঝাচ্ছে বিবাহ পর ভালোবাসা।

    //২) আমি ইসলামিক টিভির এক আনুষ্ঠানে একজন বক্তাকে বলতে শুনেছিলাম যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়েই ইলামের সকল বিধিনিষেদ মান্য করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়তুলে তাহলে তেমন কোন বিধিনেষধ ইসলামে নাই । এ ব্যাপারে ইসলাম নাকি নিশঃচুপ আথাৎ করা যাবে যদি যিনা এবং পর্দা ভঙ্গ না হয়।//

    ইসলামের সকল বিধি নিষেধ মান্য করলে বিবাহ পূর্ব প্রেমের সম্পর্ক আবার কিভাবে গড়ে উঠতে পারে?
    যাই হোক, হয়তো আপনি ভুল শুনেছেন অথবা তার বক্তব্য ঠিকমতো বুঝতে পারেন নি কিংবা যিনি বলেছেন তিনি বলতে যেয়ে ভুল করে ফেলেছেন।
    ইসলামী শরীয়াহতে বিবাহ পূর্ব প্রেম হারাম আর এই শরীয়াহ হচ্ছে কুরআন এবং সহীহ হাদীস সমূহ। কোন বিষয়ে ফয়সালা দিতে গেলে তাকে এই দুইটি থেকে রেফারেন্স দিতে হবে। মনগড়া বা নিজের প্রবৃত্তি কিংবা অনেকেই একই কথা বলেছেন – এই সব শরীয়ার ভিত্তি হতে পারে না।

    আরো বিস্তারিত জানতে নীচের লিংকগুলো পড়ে দেখতে পারেন।
    http://islamqa.com/en/ref/23420/love
    http://islamqa.com/en/ref/84102/love
    http://islamqa.com/en/ref/84089

    ইনশাল্লাহ, বিষয়টি আপনার নিকট বোধগম্য হবে। ভাই হিসেবে বলবো, কুরআন এবং সহীহ হাদীস পড়ুন, বুঝুন এবং নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করুন আর আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করুন। ভাল থাকবেন।আসসালামু আলাইকুম,

    //১) প্রেম বলতে আমি এখানে নারী-পুরুষের শারীরিক সম্পর্ককে বুঝাই নি। শারীরিক সম্পর্ক না করে এমন কি একে আন্যকে স্পর্শ না করে ইসমের পর্দার সকল বিধিনিষেধ মান্য করে নারী-পুরুষের সম্পর্ক হতে পারে কিনা ? এভাবে জায়েজ কিনা।//

    বিবাহ পূর্ব সম্পর্ক কোন ভাবেই বৈধ নয়, হোক তা পর্দার আড়াল থেকে।
    ইবনে আব্বাস কর্তৃক বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন পুরুষেরই কোন নারীর সাথে একাকী অবস্থান করা যাবে না। (বুখারী ও মুসলিম)
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, কোন পুরুষই কোন নারীর সাথে একাকী থাকে না বরং সেখানে তৃতীয় একজন অবস্থান করে আর সে হচ্ছে শয়তান। (সহীহ, তিরমিযী)

    অর্থাৎ বিবাহ পূর্ব সাক্ষাৎ, কথা বলা(আবশ্যিক প্রয়োজন ব্যতীত) জায়েজ নেই। কাজেই কোন প্রকার সম্পর্ক গড়ে উঠার প্রশ্নই উঠে না।

    আপনি কোন মেয়ের সম্পর্কে জানতে পারলেন সে ভাল, তাকওয়া সম্পন্ন এবং দেখতেও ভাল সে ক্ষেত্রে আপনি তাকে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারেন এবং বিবাহের পূর্বে মাহরাম ব্যক্তির উপস্থিতিতে সেই মেয়ের সাথে কথা এবং তাকে দেখে নিতে পারেন। এই একই নিয়ম নারীদের বেলায়ও প্রযোজ্য।
    মুঘিরা কর্তৃক বর্ণিত, তিনি একজন নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বল্লেন, যাও তাকে দেখে নাও, এটা তোমাদের মধ্যে ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে। (হাসান, তিরমিযী)

    ভালবাসা তৈরী করতে সাহায্য করবে এর মানে বুঝাচ্ছে বিবাহ পর ভালোবাসা।

    //২) আমি ইসলামিক টিভির এক আনুষ্ঠানে একজন বক্তাকে বলতে শুনেছিলাম যে, যদি নারী-পুরুষ উভয়েই ইলামের সকল বিধিনিষেদ মান্য করে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়তুলে তাহলে তেমন কোন বিধিনেষধ ইসলামে নাই । এ ব্যাপারে ইসলাম নাকি নিশঃচুপ আথাৎ করা যাবে যদি যিনা এবং পর্দা ভঙ্গ না হয়।//

    ইসলামের সকল বিধি নিষেধ মান্য করলে বিবাহ পূর্ব প্রেমের সম্পর্ক আবার কিভাবে গড়ে উঠতে পারে?
    যাই হোক, হয়তো আপনি ভুল শুনেছেন অথবা তার বক্তব্য ঠিকমতো বুঝতে পারেন নি কিংবা যিনি বলেছেন তিনি বলতে যেয়ে ভুল করে ফেলেছেন।
    ইসলামী শরীয়াহতে বিবাহ পূর্ব প্রেম হারাম আর এই শরীয়াহ হচ্ছে কুরআন এবং সহীহ হাদীস সমূহ। কোন বিষয়ে ফয়সালা দিতে গেলে তাকে এই দুইটি থেকে রেফারেন্স দিতে হবে। মনগড়া বা নিজের প্রবৃত্তি কিংবা অনেকেই একই কথা বলেছেন – এই সব শরীয়ার ভিত্তি হতে পারে না।

    আরো বিস্তারিত জানতে নীচের লিংকগুলো পড়ে দেখতে পারেন।
    http://islamqa.com/en/ref/23420/love
    http://islamqa.com/en/ref/84102/love
    http://islamqa.com/en/ref/84089

    ইনশাল্লাহ, বিষয়টি আপনার নিকট বোধগম্য হবে। ভাই হিসেবে বলবো, কুরআন এবং সহীহ হাদীস পড়ুন, বুঝুন এবং নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করুন আর আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করুন। ভাল থাকবেন।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    সহমত।

  12. গ্যালারিতে আছি, আলোচনা চলুক, জানতে চাই।

    দ্য মুসলিম

    @ফুয়াদ,

    ভাই, মাঠে নামেন। একসাথে থাকলে সাহস বাড়বে।

  13. @ahmad2005,

    আসসালামু আলাইকুম।

    ভাই এ ব্যপারে আমার নিকট একটি লিখা ছিলো। যেহেতু অনেক বড় লিখা তাই পোষ্ট আকারে দিলাম। আশা করি কিছু মনে করবেন না। পোষ্টটি এখানে সংযোজন করলাম। কষ্ট করে ধৈর্য সহকারে পড়বেন। আশা করি উপকৃত হবেন। পড়ার পর কোন বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে আলোচনা করা যাবে। ধন্যবাদ।

    বৈধ ভালবাসা বনাম নিষিদ্ধ প্রেম

    ahmad2005

    @দ্য মুসলিম,

    দয়াকরে এইখানে দেন ভাই । আমি এই পেজটা অনেকের কাছে ইনভাইট করছি ।

    দ্য মুসলিম

    @ahmad2005,

    অনেক বড়তো? আপনাদের কমন্টে আবার সমস্যা হবে। যাই হোক দিলাম। সমস্যা হলো ডিলেট করে দিয়েন।

    চারটি অক্ষরের সমন্বয় খুব ছোট একটি শব্দ ভালবাসা যাকে আরবী ভাষায় মুহাব্বত ও ইংরেজী ভাষায় Love বলে। যার অর্থ হচ্ছে, অনুভূতি, আকর্ষণ, হৃদয়ের টান; যা মানুষের অন্তরে আল্লাহপাক সৃষ্টিগতভাবে দিয়ে দেন। সাধারণত ভালবাসা দুই ধরনের (১) বৈধ ও পবিত্র (২) অবৈধ ও অপবিত্র । বিবাহের পূর্বে আধুনিক যুবক-যুবতীরা যে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকেই অবৈধ ও অপবিত্র ভালবাসা বলে। আর পবিত্র ভালবাসা বলতে আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি ভালবাসা, সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার ভালবাসা,স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা ইত্যাদিকে বুঝায়।

    আল্লাহপাক আমাদেরকে সৃষ্টির সেরা মাখলুক হিসেবে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। অন্য কোন জীব জন্তুকে আমাদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেননি। এমনকি সর্ব শ্রেষ্ঠ আখেরী নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মত আমাদেরকে বানিয়েছেন। তাই প্রতিটি মুসলমানের উচিত সর্ব প্রথম এই নিখিল বিশ্বের স্রষ্টা মহান আল্লাহ তাআলাকে ভালবাসা এবং আমাদের সর্বশেষ নবী ও হাবীবে রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে ভালবাসা। আল্লাহপাক কুরআন শরীফে এরশাদ করেন:
    وَالَّذِينَ آَمَنُوا أَشَدُّ حُبًّا لِلَّهِ
    ‍যারা ঈমানদার মুমিন, তাদের অন্তরে আল্লাহর মহব্বত ভালবাসা হবে সর্বাধিক প্রগাঢ়। সূরা আল বাকারা। (আয়াত সূরা আল বাকারা: ১৬৫) আর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন: কোন লোক পূর্ণ মুমিন হবে না যতক্ষণ না সে নিজের জীবন এবং পরিবার পরিজনের চেয়ে আমাকে বেশী ভালবাসবে। এর দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ তার রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে ভালবাসা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য তথা ফরয। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে ভালবাসার অর্থ হচ্ছে তার সুন্নত ও আদর্শের অনুসরণ করা। আর যে ব্যক্তি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নতের বেশী অনুসরণ করবে তাতে বুঝা যাবে তার অন্তরের মধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি প্রেম-ভালবাসা অধিক গাঢ় এবং যারা নবীজির সুন্নতের অনুসরণ করেনা, তাঁর শরীয়ত মানে না শুধু লোক সমাজে মুখে আশিকে রাসূল, আশিকে নবী তথা নবী প্রেমিক বলে দাবী করে প্রকৃত পক্ষে তারা আশিকে রাসূল নয়। তারা শয়তান-ধোকাবাজ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি আমার সুন্নত থেকে মুখ ফিরায়, সে আমার উম্মত নয়। অন্যথায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‌যে আমার সুন্নাতকে ভালবাসল, সে যেন আমাকে ভালবাসল, আর যে আমাকে ভালবাসল সে আমার সাথে বেহেশতে থাকবে।

    আল্লাহ ও রাসূলের পরেই রয়েছে মাতা-পিতার প্রতি মহব্বতের ফযিলত। প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, সে ব্যক্তি নিপাত যাক! সে ব্যক্তি নিপাত যাক! সে ব্যক্তি নিপাত যাক! সাহাবারা আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, মাতা-পিতাকে জীবিত পেয়েও তাদের সেবা-যত্ন করে যে জান্নাত খরিদ করেনি। এ ছাড়া মাতা-পিতার দুআ সন্তানের জন্য অনিবার্যভাবে কবুল হয়।

    স্বামী-স্ত্রীকে ভালবাসার ফযিলত : হাদীস শরীফে আছে, স্বামী-স্ত্রী মহব্বতের সাথে আলাপ আলোচনা করা কথা-বার্তা বলা নফল ইবাদতের চেয়ে উত্তম। অন্যথায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে মহিলা (স্ত্রী) তার স্বামীকে সন্তুষ্ট রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় সে অবশ্যই বেহেশতে প্রবেশ করবে।
    সন্তানকে ভালবাসার ফযিলত : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ সন্তান ফাতিমাকে অত্যাধিক ভালবাসতেন। তিনি স্বীয় জবানে এরশাদ করেন, ফাতিমা আমার কলিজার টুকরা, তাকে কেউ কষ্ট দিলে আমাকেই কষ্ট দেয়া হবে। নবীজির পাক জবানের বর্ণনায় ফুটে উঠে যে সন্তানকে ভালবাসা ছাওয়াবের কাজ।

    পক্ষান্তরে আমাদের সমাজে বেগানা যুবক-যুবতীর প্রেম-ভালবাসার নামে যে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি উত্তাল সাগরের উর্মিমালার মত বহমান রয়েছে তা সম্পূর্ণ রূপে অবৈধ ও হারাম। বিবাহের পূর্বে এরূপ প্রেম-ভালবাসা শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়, অবৈধ। ইসলামের বিধি-বিধান অনুযায়ী কোন যুবতী কোন অবস্থায় কোন যুবকের সান্নিধ্যে থাকতে পারেনা। উমর (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন পুরুষ যখন কোন নারীর সাথে একান্তে থাকে, তখন তাদের মাঝে তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত হয় স্বয়ং শয়তান তাদের মাঝে ভাবাবেগকে উৎসাহিত করে এবং উভয়ের মাঝে খারাপ কুমন্ত্রণা দিতে থাকে এবং সর্বশেষে লজ্জাকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। এতে তারা নিজেরা যেমনি কঠিন গোনাগার হবে, তেমনি তাদেরকে এই মেলামেশার সুযোগ দেয়ার কারণে তাদের পিতা-মাতা ও অভিভাকদেরকে হাদীস শরীফে দাইয়ুস বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে যে, দাইয়ুস জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তাই এইসব ব্যাপারে সকলের কঠোরভাবে সাবধান হওয়া জরুরী এবং তা ঈমানের দাবী। আর এই অবৈধ ভালবাসার প্রতিরোধের জন্যই আল্লাহ নর-নারীকে দিয়েছেন পর্দার বিধান। এই বিধান নারী-পুরুষ উভয়ে পরিপূর্ণ রূপে পালন করলে সমাজে ঐ রকম অবৈধ ভালবাসার কোন অবকাশই থাকবে না। আমাদের সমাজের অনেকের আবার মন্তব্য যে, প্রেম-ভালবাসা নাকি বৈধ, তাদের উক্তি হল যে, প্রেম পবিত্র, ভালবাসা পবিত্র। তাদের এই সব কথা সম্পূর্ণ ভুল, নাজায়িয, অবৈধ, অপবিত্র এবং ইসলাম বিরোধী। ভালবাসা কখনও বৈধ হতে পারে না। বস্তুত: এ ধরনের প্রেম ভালবাসা সম্পর্ক ইসলাম সাপোর্ট করে না। তবে হ্যা যে কেউ তার মনের মত জীবন সঙ্গীনী পছন্দ করে রাখতে পারে বটে। কিন্তু তাই বলে তার সাথে বিবাহের পূর্বে কোন রকম প্রেম-প্রেম খেলা শুরু করতে পারবে না। কেননা বিবাহের ইচ্ছা থাকলেও বিবাহ না করা পর্যন্ত এভাবে প্রেম-ভালবাসা করা গুনাহে কবিরা ও হারাম। এমন কি বিবাহের কথা পাকাপাকি হয়ে গেলেও আকদ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কোন প্রেম-ভালবাসা জায়িজ নয়। বিবাহের মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রী হওয়ার পরই কেবল প্রেম ভালবাসা করতে পারে এবং তা পবিত্র ও ছাওয়াবের কাজ।

    কিছুদিন আগে একজন মেয়ে, তার এক ক্লাসমিটের গল্প বললো এভাবে – তার সাথে দেখা হয়। ভাল-মন্দ আলাপের এক পর্যায়ে সে আমাকে এভাবে বলতে শুরু করল- জানিস সারিরা কিছুদিন আগে আমি নানার বাড়িতে গিয়েছিলাম, ওখানে আমার কয়েকজন খালাতো বোনের সাথে দেখা হয়। তাদেরকে পেয়ে আনন্দে মেতে উঠি। এই সেই অনেক গল্প হয়। তাদের মাঝে একজনের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। আমি তাকে জিজ্ঞাস করলাম কিরে মোহনা! বর কি তোকে দেখছে? তখন সে বলল, দেখছে মানে! আমাদের প্রতিদিনই ফোনে কথা হয়। আমি বললাম, এটা ঠিক হয়নি। জাননা- বিবাহের পূর্বে প্রেম করা নাজায়িজ, হারাম। তখন তারা সবাই হেসে উঠল, তাদের এই হাসির কারণ কি আমি বুঝতে পারলাম না। মোহনা বলল, আরে আমাদের বিয়ের সব কিছু ঠিক, এখানে আবার গুনাহের কি আছে। তাছাড়া যদি বিয়ের আগে প্রেম না করি, তাহলে একে অপরকে জানব কেমন করে। হঠাৎ অপরিচিত একজনের সাথে সংসার করব কেমন করে। তাছাড়া প্রেম-ভালবাসা পবিত্র, তখন সবাই এক সাথে বলল হ্যা। প্রেম ভালবাসা পবিত্র তাদের যুক্তি হল- ইউসুফ-জুলাইখা প্রেম করছেন। তিনি নবী হয়ে যখন প্রেম করলেন তাহলে অবশ্যই অবশ্যই প্রেম পবিত্র। আমি তাদেরকে অনেক বুঝালাম, তারা বলল, যদি সঠিক ও স্পষ্ট যুক্তি দেখাতে পারিস তাহলে আমরা তোর কথা মেনে নেব।

    দেখলেন তো তাদের যুক্তি, তাদের ধর্মীয় জ্ঞান না থাকার কারণে তারা ইউসুফ-জুলাইখাকে দিয়ে যুক্তি ধরেছে। অথচ তারা জানেনা, ইউসুফ (আ:) এই ঘটনায় জড়িত কি না, জুলাইখার এই ভালবাসার রহস্য কি? কত বছর আগে জুলাইখা ইউসুফ (আ:) কে স্বপ্নের মধ্যে সান্নিধ্য লাভ করেছেন? তার ভালবাসা বর্তমান যুগের যুবক-যুবতীর প্রেম ভালবাসার মত কি না। আর এই না জানার জন্যই তারা প্রেম ভালবাসা পবিত্র বলে অবৈধ প্রেম করে বেড়াচ্ছে। এ ধরনের অবৈধ প্রেম-ভালবাসায় জড়িত হয়ে অনেক তরুণ-তরুণীর জীবন অকালে ঝড়ে পড়ছে। তাদের লেখা-পড়ার ক্ষতি হচ্ছে, সময়ের অপচয় হচ্ছে। ¯^v¯’¨ নষ্ট হচ্ছে, সাজানো সংসার ভেঙ্গে চুরমান হচ্ছে, সবচেয়ে বড় কথা হল- ঈমানের জ্যোতি নিভে যাচ্ছে, দীনদারিত্ব নষ্ট হচ্ছে। আসলে ভালবাসা বলতে যা বুঝায়-বর্তমান যুবক-যুবতীর এই ভালবাসা সেই ভালবাসা নয়। তাদের ভালবাসার মূল মিনিং হচ্ছে অনেক সময় দেখা যায় তাদের এই ভালবাসায় অভিভাবকদের সম্মতি থাকে না বিধায় তাদের মুখে চুনকালি দিয়ে পালিয়ে যায়। আবার কিছু দিন পরে যখন প্রেমের আবেগ নিশা টুটে যায়, তখন কালো মেঘের ছায়ার মত নেমে আসে নানাবিধ অস্বস্তি ও যন্ত্রণা। তখন তড়িৎ গতিতে বিচ্ছেদ ঘটে যায়। তারা সর্বনাশা প্রেমে একুল-অকুল সবি হারায়।
    তারা কি জানেনা! প্রেম কি? ভালবাসা কি? তার প্রতিফল কি? কেন জানবে না, হ্যা তারা জানে, প্রেম এক মরণাত্বক যন্ত্রণার নাম। একটি হৃদয় বিদারক সংক্রামক রোগ, যা অত্যন্ত ছোয়াছে বড়ই মারাত্মক এ প্রেম। যে একবার এ পথে পা বাড়িয়েছে সে কখনও সুখের ছায়া দেখেনি। কেননা তাতে রয়েছে আল্লাহ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নারাজী। প্রেমের প্রধান উৎস হচ্ছে আবেগ আর প্রচন্ড এই আবেগই হচ্ছে প্রেমের চালিকা শক্তি। কিন্তু গভীর এই আবেগকৃত প্রেমের গভীরতা যখন থেমে যায়, তখন প্রেমের বদলে জন্ম নেয় মোহ। কচুপাতার পানির মত এক সময় এই মোহও ঝড়ে পড়ে। তখন স্বপ্ন সাধ, আশা, ভালবাসা সবই হয়ে যায় চুর্ণ। কেউ কেউ আবার প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখায়। কেউ প্রতিশোধ নেয় (এসিড, খুন বা যুবতীর বিবাহ ভঙ্গন) কেউ চিরকুমার থেকে যায়, কেউ করে আত্মহত্যা। আরে বাবা এত ভয়ক্ষর রাস্তার নামই কি ভালবাসা! তারপরও বুঝে আসে না কি করে যে বিনা বিবেচনায় আজকের তরুণ-তরুণীরা তা বরণ করে নেয়। যারা অবৈধ প্রেমের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করে তাদেরকে বলছি এ হারাম পথে কেন নিজের জীবন উৎসর্গ করতে চান? খোদার পথে জীবন পরিচালিত হয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ কর। যেখানে থাকবে না কোন অশান্তি, কোন কষ্ট, শুধু থাকবে সুখ আর সুখ, শান্তি আর শান্তি, বর্তমান আধুনিক বিশ্বে ভালবাসা বলতে যা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে ইসলাম বিরোধী। কিন্তু শত আফসোস হলেও সত্য যে, বর্তমান বিশ্বে অধিকাংশ কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী বিশেষ করে আধুনিক শিক্ষিত ও সচেতন স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা এই ভালবাসা নামক মরণব্যাধিতে আক্রান্ত। যার ফলে অকালে ঝড়ে যাচ্ছে হাজারো জীবন। প্রতিনিয়ত এসিডে দগ্ধ হচ্ছে হাজারো নারী। আধুনিক বিশ্বে আধুনিক প্রেমের বেলায় এটি কি সত্য। তাই বলতে হয় এটা ভালবাসা নয় এটা মরণ নেশা।

    ভালবাসার নামে দেশের ভবিষ্যত সম্ভাবনাময় যুব সমাজকে ধ্বংস ও নিঃশেষ এর দিকে টেলে দিচ্ছে। যার ফলে পরিবার, সমাজ সবই হচ্ছে কলংকিত, অধ:পতিত। যার জলন্ত প্রমাণ প্রতিদিনই পত্রিকার পাতায় চোখ ভুলালেই দেখতে পাই। তারপরও কি আমরা সে পথ থেকে ফিরে আসতে পারি না? সময় থাকতে তা থেকে শিক্ষা নিতে পারি না? হ্যা ভালবাসা বড় মহৎ একটি গুণ। মহান আল্লাহপাক এই ভালবাসাকে একশত ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের কাছে রেখে মাত্র একভাগ সারা বিশ্বে সকল প্রাণী জগতে দান করে দিয়েছেন। যার দ্বারা মা সন্তানদেরকে ভালবাসে, স্বামী-স্ত্রীকে ভালবাসে, আত্মীয় স্বজন একে অপরকে ভালবাসে। বাকি নিরানব্বই ভাগ ভালবাসা মহান আল্লাহ নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। কিয়ামতের দিন তা দ্বারা তিনি স্বীয় বান্দাদের প্রতি করুণা প্রদর্শন করবেন। মহান আল্লাহ প্রেম-ভালবাসা নামক ধ্বংসাত্বক রোগের প্রতিরোধের জন্য পর্দাপ্রথা দিয়েছেন। এরই মাধ্যমে বাচানো সম্ভব হবে ব্যক্তি, পরিবার সমাজ এবং দেশকে রক্ষা করা।

    আল্লাহপাক নারীদের উদ্দেশ্য করে বলেন-
    وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَى
    তোমরা জাহেলী যুগের ন্যায় নিজেদের প্রদর্শন করে বাহিরে বের হয়ো না। (আল-কুরআন) যারা অবৈধ ভালবাসাকে পবিত্র বলতে দুঃসাহস দেখান এবং বলেন প্রেম পবিত্র। শালিনতার সাথে প্রেম করলে তা নাজায়িয হবে কেন? তাদেরকে আবারও বলছি, এটা আপনাদের নিছক মুর্খতা ও সম্পূর্ণ অমূলক ভুল এবং ভুল ধারণা। অবৈধ ভালবাসা কখনো পবিত্র হতে পারে না এবং পবিত্র হবার কোন পথও নেই। যুবক ও যুবতীর ভালবাসা সম্পূর্ণ নাজায়িয ও হারাম। এক মাত্র বৈবাহিক সম্পর্কের পর পরই প্রেম-ভালবাসা পবিত্র হতে পারে। বিয়ের আগে তা পবিত্র নয়, হারাম ও কবিরা গুনাহ। যদি বিয়ের তারিখ ঠিক হয়েও যায় তবুও এ কাজে লিপ্ত হতে পারবে না যতক্ষণ না আকদ হয়েছে। এমন কি আকদের পূর্ব পর্যন্ত প্রেম সংক্রান্ত গোপন চিঠি আদান প্রদান, দেখা-সাক্ষাত, ফোনে কথা-বার্তা বলা সবই নিষিদ্ধ, কবীরা গুনাহ।
    তাই আমাদেরকে সঠিকভাবে বাচতে হলে দেশ, জাতি ও পরিবারকে বাঁচাতে হলে এই অবৈধ প্রেম ভালবাসার পথ চিরতরে বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে প্রত্যেক মুসলমানদের সতর্ক হওয়া অতীব জরুরী। পরিশেষে বলব, যদি আমরা যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের শরীয়ত সম্মতভাবে বৈবাহিক বন্ধনের ভিত রচনা করি তাহলে ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতে সুখী হতে পারব। দেশ ও সমাজকে পাপাচার থেকে মুক্তি দিতে পারব এবং সামনে আগত প্রত্যেক শিশুকে সুন্দর ভবিষ্যত এবং কাঙ্খিত দেশ সমাজ ও পরিবেশ উপহার দিতে পারব। তাই আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই এবং যুবসমাজকে সঠিকভাবে বাঁচার জন্য সুন্দর পথ দেখাই।

    ahmad2005

    @দ্য মুসলিম,

    ধন্যবাদ

    সত্যের খোঁজে

    @দ্য মুসলিম,সহমত

  14. শরীয়তের দৃষ্টিতে প্রেম।

    স্বাভাবিক দুরুত্বে অবস্হান করে প্রেমঃ
    অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে যে, দুরুত্ব রেখে প্রেম করলেতো সমস্যা হবার কথানা। তাছাড়া সাধারণ মানুষের মতো আচরণ করলে সমস্যা কি?
    উত্তরঃ
    উমর (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন পুরুষ যখন কোন নারীর সাথে একান্তে থাকে, তখন তাদের মাঝে তৃতীয় জন হিসেবে উপস্থিত হয় স্বয়ং শয়তান তাদের মাঝে ভাবাবেগকে উৎসাহিত করে এবং উভয়ের মাঝে খারাপ কুমন্ত্রণা দিতে থাকে এবং সর্বশেষে লজ্জাকর পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়।
    সুতরাং বোঝা যায় যে নিভৃতে বেগানা নারী পুরুষ এক সাথে নির্জন স্হানে বসা যায়েয নেই।

    হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আলী রাঃ কে লক্ষ করে বলেনঃ “হে আলী তুমি একবার তাকাবার পর পুনর্বার তাকাবেনা। তোমার প্রথম দৃষ্টিপাত ক্ষমার যোগ্য কিন্তু দ্বিতীয়বার নয়।”
    অনেকেই মনে করেন যে কোন নারী হিজাব অবস্হায় থাকলে (মুখ ও কব্জি যদি খোলা থাকে) তখন বারবার তাকানোতে দোষ নেই। এই হাদীস থেকে আশা করি তারা শিক্ষা নিতে পারবেন।

    হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “লালসার দৃষ্টি চোখের ব্যভিচার, লালসার বাক্যালাপ জিহবার ব্যভিচার, কামভাবে স্পর্শ করা হাতের ব্যভিচার, এ উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের ব্যভিচার, অশ্লীল কথাবার্তা শুনা কানের ব্যভিচার, কামনা বাসনা মনের ব্যভিচার, গুপ্তাঙ্গ-যা বাস্তবে সূপদান করে কিংবা দমন করে।”(বোখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযি)
    এই হাদীস শোনার অনেকেই হয়তো বলতে পারে যে এখানেতো লালসার কথা বলা হয়েছে, আমরা তো লালসার মাধ্যমে এসব করবো না। বরং আমরা পবিত্র প্রেম করবো। তাদের উত্তর হলো যে, যাদের বিপরীত লিঙ্গের সাথে নিভৃতে এক সাথে থাকার পরও লালসার কোন চিন্হ প্রকাশ পায় না, তাহলে তাদেরকে মেডিকেল সায়েন্স এর ভিত্তিতে পুরুষ মহিলা বলা যাবেনা। তাদের ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান ভিন্ন।

    দেখা না করে শুধু কথা বলে প্রেম বা মোবাইলে প্রেমঃ
    অনেকেই মনে করেন মোবাইলে কথা বললে তো ব্যভিচারের আশংকা অনেক কমে যায়। তাদের জন্য নিম্নোক্ত হাদীসটি আবার প্রণিধান যোগ্যঃ
    হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ “লালসার দৃষ্টি চোখের ব্যভিচার, লালসার বাক্যালাপ জিহবার ব্যভিচার, কামভাবে স্পর্শ করা হাতের ব্যভিচার, এ উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের ব্যভিচার, অশ্লীল কথাবার্তা শুনা কানের ব্যভিচার, কামনা বাসনা মনের ব্যভিচার, গুপ্তাঙ্গ-যা বাস্তবে সূপদান করে কিংবা দমন করে।”(বোখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযি)
    এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, ব্যভিচার অনেক রকম হতে পারে। এবং প্রত্যেক ব্যভিচারই হারাম।

    এছাড়া যদি প্রয়োজন মোতাবেক কথা বলতেই হয় সেক্ষেত্রে কর্কশ ভাষায় কথা বলতে হবে। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত কোরানে কালামের আয়াত প্রণিধান যোগ্যঃ
    আল্লাহ পাক বলেনঃ “তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় কর, তাহলে পরপুরুষদের সাথে কোমল কন্ঠে কথ বলবে না। তা হলে যার অন্তরে রোগ আছে, সে প্রলুব্ধ হয়ে পড়বে। তোমরা স্বাভাবিক ভাবে কথা বল।” (সুরা আহযাব-৩২)

    অনেকেই বলতে পারেন যে আমরা প্রেম করলে তো স্বাভাবিক ভাবে কথা বলবো। কন্ঠ কোমল করবোনা। তাদেরকে বলতে চাই, এই আয়াতের দ্বারা তাফসীর বিদগণ প্রয়োজনীয় কথা বার্তা ছাড়া অন্যান্য কথা বার্তা নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছেন।
    যেমন আল্লামা আলুসী রঃ বলেনঃ “ভিন্ন পুরুষদের কথার জবাব দেয়ার সময় তোমরা বিনয় ও নম্রতাপূর্ণ এবং নারীসুলভ কোমল ও নরম স্বরে কথা বলবেনা, যেমন করে সংশয়পূর্ণ মানসিকতাসম্পন্ন ও চরিত্রহীনা মেয়ে লোকেরা বলে থাকে।”

    এছাড়া সাহাবীগণ, তাবেয়ীগণ এবং তাবে তাবেয়ীগণদের সময়ে বর্তমান সময়ের প্রচলিত ধরণের প্রেমকে জায়েয বলা হয়নি এবং কেউ করেনওনি। এছাড়া আলিমগণ এসকল দলিলের ভিত্তিতে এক যোগে এই ধরণের প্রেমকে হারাম বলেছেন। অনেকেই বলতে পারেন যে আমরা আলিম মানিনা, আমরা শুধু কোরান শরীফ এবং সিয়াহ সিত্তাহকেই মানবো তাদের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ কাছে হেদায়াতের জন্য দোয়া করা ছাড়া আর কিছু করতে পারিনা।

    (এগুলো ছাড়াও বাস্তব জীবনে প্রেমের অনেক কুফল রয়েছে যা কোন জ্ঞানসম্পন্ন লোকই অস্বীকার করতে পারেনা। )

    আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে হিদায়াত দিন। আমিন

    দ্য মুসলিম


    হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আলী রাঃ কে লক্ষ করে বলেনঃ “হে আলী তুমি একবার তাকাবার পর পুনর্বার তাকাবেনা। তোমার প্রথম দৃষ্টিপাত ক্ষমার যোগ্য কিন্তু দ্বিতীয়বার নয়।”

    আবু দাউদ, সুনান, ২য় খন্ড, বৈরুতঃ দারুল ফিকর, তা.বি পৃ ২৪৬; মিশকাত, কিতাবুন নিকাহ পৃ ২৬৯।

    পুরুষ যখন কোন মহিলার সাথে নিভৃতে অবস্হান করে, শয়তান তখন তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সেখানে অবস্হান নেয়।
    তিরমিযি, তাবারানী।

  15. একজন অচেনা নারীর সাথে আপনি কিভাবে প্রেম শুরু করবেন? ইসলামে অচেনা নারীর সাথে কোনো কথা বলার নিয়ম আছে কি?

  16. ভাই আহমদ ২০০৫ কেমন আছেন? আপনার জবাব পাইছেন? দেখিয়েন আবার আমার মত হেমায়েত পুর যাবার প্রয়োজন হয় কিনা?

    ভাই প্রেম হারাম। প্রেম করলে জাহান্নামে দাখেল হবেন। আর তো জানেন জাহান্নামের আগুন দুনিয়ার আগুন থেকে কত লক্ষ গুণ ভয়ানক। ভাই আপনি বৈধ ভাবে বিয়ে করতে আপনি অক্ষম। কিন্তু আপনার নফসে আম্বারা তা মানতে চায়না। শয়তান আপনার নফসে আম্বারায় ভর করে আপনাকে প্রেম নামক অবৈধ কাজে নিয়োজিত রাখতে চায়। ভাই রোজা রাখেন। রোজা রাখেন। রোজা রাখেন। কি করবেন মাত্র দুইদিনের দুনিয়া। এখানে তো সবাই মুসাফির। আজ আপনি সবর করলে সেই অনন্ত জীবনে কত হুর পাবেন যারা ভার্জিন।ওদের সাথে প্রেমলীলা করতে কত সূখ পাবেন। আর উদ্যান যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে নহর।

    ধন্যবাদ।

    ahmad2005

    @মুনিম,

    চিন্তিত