<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: প্রসঙ্গ আল্লাহ তায়ালা সর্বত্র বিরাজমান এবং কথিত আহলে হাদীসদের ভ্রান্ত আক্বিদা</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: Ahmed</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10783</link>
		<dc:creator>Ahmed</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10783</guid>
		<description>আল্লাহর ওয়াস্তে একটু খেয়াল করেনঃ

বরং এ ব্যাপারে জাফর ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্নিত আছে যে , এক ব্যক্তি ইমাম মালেক (রহ:) কে জিজ্ঞেস করেছিলেন – “আল্লাহপাক আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন” এ কথাটির স্বরূপ বা তাৎপর্য কি ? ঐ ব্যক্তির এই প্রশ্ন শ্রবন মাত্র ইমাম মালেক (রহ:) ঘর্মাক্ত হলেন , ভীত সন্ত্রস্হ হলেন , এবং প্রায় সংজ্ঞাহারা হওয়ার অবস্হা হোলো , যখন হুশ ফিরে আসলো তখন তিনি বললেন “আল্লাহপাকের আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়ার স্বরূপ মানুষের বোধ শক্তির উর্ধে । আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়ার তাৎপর্য মানুষের অজানা , তবে তার উপর ঈমান আনা ওয়াজিব । আর এ সম্পর্কে প্রশ্ন করা বেদআত । ”

আমাদের প্রচলিত ভুলঃ
আরশ মাখলুক বা সীমাবদ্ধ তাই বিরাজমান সর্বত্র বলছি। অথচ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা স্থান‍ কাল সময় – সব হতে পবিত্র। আপনি এর পক্ষে একজন খায়রুল কুরূনের আলেমে দ্বীনের ও দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবেন যিনি বলেছেন বিরাজমান সর্বত্র (বা কুদরতীভাবে) না বলেছেন হাকীকতে আসমানে?

তথাকথিত সালাফী ভাইদের ভুলঃ

আল্লাহপাকের আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়াকে ধরে নিয়ে বলছে অধিষ্ঠিত হওয়ার স্বরূপ মানুষের বোধ শক্তির উর্ধে ।

এটাও বিচ্যুতি….কারন তা সৃষ্টির সিফাতের সাদৃশ্যের নিকটবর্তী।

সহীহ আক্বীদাঃ

(আল ইমরানঃ ৭) না তিনি সর্বত্র বিরাজমান, না তিনি হাকীকতে বা বাহ্যিক অর্থে আসমানে? তিনি সবকিছু হতে পবিত্র। আল্লাহপাকের আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়া ও অধিষ্ঠিত হওয়ার স্বরূপ উভয়ই মানুষের বোধ শক্তির উর্ধে ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের বিচ্ছিন্নতা ও বিচ্যুতি হতে হিফাযত করেন।
আমীন</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>আল্লাহর ওয়াস্তে একটু খেয়াল করেনঃ</p>
<p>বরং এ ব্যাপারে জাফর ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্নিত আছে যে , এক ব্যক্তি ইমাম মালেক (রহ:) কে জিজ্ঞেস করেছিলেন – “আল্লাহপাক আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন” এ কথাটির স্বরূপ বা তাৎপর্য কি ? ঐ ব্যক্তির এই প্রশ্ন শ্রবন মাত্র ইমাম মালেক (রহ:) ঘর্মাক্ত হলেন , ভীত সন্ত্রস্হ হলেন , এবং প্রায় সংজ্ঞাহারা হওয়ার অবস্হা হোলো , যখন হুশ ফিরে আসলো তখন তিনি বললেন “আল্লাহপাকের আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়ার স্বরূপ মানুষের বোধ শক্তির উর্ধে । আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়ার তাৎপর্য মানুষের অজানা , তবে তার উপর ঈমান আনা ওয়াজিব । আর এ সম্পর্কে প্রশ্ন করা বেদআত । ”</p>
<p>আমাদের প্রচলিত ভুলঃ<br />
আরশ মাখলুক বা সীমাবদ্ধ তাই বিরাজমান সর্বত্র বলছি। অথচ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা স্থান‍ কাল সময় – সব হতে পবিত্র। আপনি এর পক্ষে একজন খায়রুল কুরূনের আলেমে দ্বীনের ও দৃষ্টান্ত দেখাতে পারবেন যিনি বলেছেন বিরাজমান সর্বত্র (বা কুদরতীভাবে) না বলেছেন হাকীকতে আসমানে?</p>
<p>তথাকথিত সালাফী ভাইদের ভুলঃ</p>
<p>আল্লাহপাকের আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়াকে ধরে নিয়ে বলছে অধিষ্ঠিত হওয়ার স্বরূপ মানুষের বোধ শক্তির উর্ধে ।</p>
<p>এটাও বিচ্যুতি….কারন তা সৃষ্টির সিফাতের সাদৃশ্যের নিকটবর্তী।</p>
<p>সহীহ আক্বীদাঃ</p>
<p>(আল ইমরানঃ ৭) না তিনি সর্বত্র বিরাজমান, না তিনি হাকীকতে বা বাহ্যিক অর্থে আসমানে? তিনি সবকিছু হতে পবিত্র। আল্লাহপাকের আরশের উপর অধিষ্ঠিত হওয়া ও অধিষ্ঠিত হওয়ার স্বরূপ উভয়ই মানুষের বোধ শক্তির উর্ধে ।</p>
<p>আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের বিচ্ছিন্নতা ও বিচ্যুতি হতে হিফাযত করেন।<br />
আমীন</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10773</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10773</guid>
		<description>@badru,নফসপুজারী আহলে নফসদের অতি পুরানো টেকনিক। খন্ডন করা বিষয়গুলোকেই আবার পেশ করেছেন। উপরের পোস্ট ও মন্তব্যগুলো পড়ুন ও বুঝার চেষ্টা করুন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@badru,নফসপুজারী আহলে নফসদের অতি পুরানো টেকনিক। খন্ডন করা বিষয়গুলোকেই আবার পেশ করেছেন। উপরের পোস্ট ও মন্তব্যগুলো পড়ুন ও বুঝার চেষ্টা করুন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: badru</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10689</link>
		<dc:creator>badru</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10689</guid>
		<description>সমগ্র জাহানের প্রতিপালক ও সংরক্ষক মহান আল্লাহ্ তা’আলা সপ্তাকাশের উপর অবস্থিত সুমহান আরশের উপর সমুন্নত, তিনি সর্বস্থানে বিরাজিত নন। তাঁর ক্ষমতা অসীম ও সর্বব্যাপী। তিনি সব কিছু দেখেন ও শোনেন। কোনকিছুই তাঁর জ্ঞানের বাইরে নয়। তিনি আরশেআ’যীমে থেকেই সব কিছু সুচারুরূপে পরিচালিত করেন।
১) মহান আল্লাহ্ এরশাদ করেন:
(ان ربكم الله الذي خلق السموات والأرض في ستة أيام ثم استوى على العرش)
অর্থ:‘ নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ্, যিনি আকাশ সমূহ এবং পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টিকরেছেন। অতঃপর তিনি আরশে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।’ (সূরা আরাফ-৫৪)
২) আল্লাহ্ তা’আলা আরও বলেন:
الرحمن على العرش استوى
অর্থ: ‘রহমান (আল্লাহ্) আরশে সমুন্নত।’ (সূরাত্বহা-৫) এ কথায় কোনই সন্দেহ নেই যে আরশ আসমান রয়েছে জমিনে নয়।
৩) তাই মহান আল্লাহ্ অন্যস্থানে বলেন:
أأمنتم من في السماء أن يخسف بكم الأرض
অর্থ: ‘তেমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছো যে, যিনি আকাশে অবস্থিত রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন না।’ (মূলক-১৬)
এ ছাড়া বহু আয়াতে আল্লাহ্ পাক নিজের পরিচয়ে বলেছেন যে, তিনি আকাশের উপর মহান আরশেই রয়েছেন। এ ক্ষেত্রে অধিক প্রমাণের জন্য নিম্ন লিখিত আয়াত গুলো দেখা যেতে পারে। ( ইউনুস-৩, রা’দ-২, ফুরক্বান- ৫৯, সাজদাহ্-৪, হাদীদ-৪) ৪) হাদীছে রাসূলে কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
ألا تأمنوني وأنا أمين من في السماء يأتيني خبر السماء صباحاً ومساءً -متفق عليه
অর্থ: ‘তোমরা কি আমাকে আমানতদার মনে কর না, অথচ যিনি আসমানে আছেন আমি তাঁর আমানতদার। আমার কাছে আসমানের খবর সকাল-সন্ধ্যায় আসে।” (বুখারী ও মুসলিম) আসমানে যিনি আছেন নিশ্চয় তিনি মহান আল্লাহ্। কোন সন্দেহ আছে কি ?
৫) হযরত মুয়াবিয়া বিন হাকাম আস্ সুলামী (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক দাসীকে প্রশ্ন করেছিলেন : ‘আল্লাহ্ কোথায়?’ উত্তরে সে বলেছিল : আল্লাহ্ আসমানে। তিনি বললেন , আমি কে? সে বলল: আপনি আল্লাহ্র রাসূল। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মনিবকে বললেন: তাকে আজাদ করে দাও। কেননা সে ঈমানদার। (ছহীহ মুসলিম) দাসীটি যদি উত্তরদাতা মাওলানা সাহেবের মতবাদ অনুযায়ী জবাব দিত তবে নির্ঘাৎ সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট অমুসলিম সাব্যস্তগ হত। কেননা তার ঈমান পরীক্ষা করার জন্যই তাকে তিনি অনুরূপ প্রশ্ন করেছিলেন।
৬) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন:
(ارحموا من في الأرض يرحمكم من في السماء )
অর্থাৎ-‘ যারা জমিনে আছে তোমরা তাদের প্রতি দয়াশীল হও যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়াশীল হবেন।’ (তিরমিযী, হাদীছ ছহীহ)
৭) সুপ্রসিদ্ধ মে’রাজের ঘটনা বুখারী -মুসলিম সহ বহু হাদীস গ্রন্থে রয়েছে।
হে বিবেকবান মুসলিম ভাই! আল্লাহ্ যদি সর্বত্র সবকিছুতেই বিরাজিত থাকেন, তবে মে’রাজের কি দরকার ছিল? মে’রাজের রাত্রে বোরাকে চড়ে সপ্তাকাশের উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ্র দরবারে গমনই তো প্রমাণ করে যে মহান আল্লাহ্ সাত আসমানের উপর অবস্থিত আরশেই রয়েছেন। নতুবা মে’রাজ অর্থহীন হয়ে যায়না কি?
এ ক্ষেত্রে সালফে সালেহীনের আকীদা বা কিছু উক্তি:
৮) ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) বলেন : যে ব্যক্তি আল্লাহ্আরশে আছেন একথা বিশ্বাস করে, কিন্তু সন্দেহ করে যে আর্মস আসমানে আছে না জমিনে তবে সে কাফের বলে গণ্য হবে। (দ্র: আল্ ফিকহুল আবসাত)
৯) ইমাম আওযায়ী বলেন: আমরা তাবেয়ীগণের উপস্থিতে বলতাম, নিশ্চয় মহান আল্লাহ্ তাঁর আরশের উপর রয়েছেন। তাঁর গুণাগুণ সম্পর্কে যে বর্ণনা এসেছে আমরা সবই তা বিশ্বাস করি। (ইমাম যাহাবী প্রণীত মুখতাছার উলু দ্রষ্টব্য)
১০) ইমাম মালিক (রহঃ) বলেন : ( الله في السماء وعلمه في كل مكان لا يخلو منه شيء ) ‘আল্লাহ্ রয়েছেন আসমানে এবং তাঁর ইলম সর্বাস্থানে পরিব্যপ্ত, তার জ্ঞান থেকেকোন স্থান খালি নেই।
১১) ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন: আমি যে তরিকার উপর প্রতিষ্ঠিত ও যাদেরকে ঐ তরিকার উপর পেয়েছি যেমন সুফিয়ান সাওরী, মালিক প্রমখগণ তা হল- এ কথার স্বীকৃতদেয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন হক মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র রাসূল আর আল্লাহ্ তিনি আসমানে আরশের উপর রয়েছেন। তিনি তার বান্দার নিকটবর্তী হন যে ভাবে ইচ্ছা করেন এবং যে ভাবে চান ঠিক সেভাবেই দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন …।
১২) ইমাম আহমাদ (রাহ) কে জিজ্ঞেস করা হল: আল্লাহ্ সপ্তাকাশে আরশের উপর রয়েছেন। সৃষ্টিকুল থেকে পৃথক আছেন এবং তার কুদরত ও ইলম সকল স্থানে পরিব্যাপ্ত। উত্তরে তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি স্বীয় আরশে রয়েছেন এবং কোন বস্তু তার ইলমের বাইরে নয়।
১৩) ইমাম ইবনে খুযাইমা বলেন: (من لم يقر بأن الله على عرشه استوى فوق سبع سماواته بائن من حلقه فهو كافر يستتاب فإن تاب وإلا ضربت عنقه وألقي على مزبلة لئلا يتأذى بريحه أهلالقبلة وأهل الذمة
) ”যে ব্যক্তি স্বীকার করে না যে আল্লাহ্ তা’আলা সপ্তাকাশে স্বীয় আরশে সমুন্নত, সৃষ্টি জগত হতে সম্পূর্ণ আলাদা-সে কাফের। তাকে তওবা করার নির্দেশ দিতে হবে। তওবা না করলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। অতঃপর তার লাশ ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করতে হবে যাতে করে কিবলা ওয়ালা মুসলমানগণ এবং কর প্রদানকারী অমুসলিমগণ তার দূর্গন্ধে কষ্ট না পায়। (ইমাম যাহাবীপ্রণীত মুখতাছার উলু দ্রষ্টব্য)
১৪) বড় পীর হিসেবে খ্যাত হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ) স্বীয় ‘গুনিয়াতুত্ তালেবীন’ নামক গ্রন্থে বলেন: ‘আল্লাহ্ পাক আরশে সমুন্নত রয়েছেন। রাজত্ব নিজ আয়ত্তে রেখেছেন। সমস্ত বস্তুকে বেষ্টন করে রেখেছেন। ….. আর এ ভাবে তাঁর পরিচয় দেয়া জায়েজ নয় যে, তিনি প্রত্যেক স্থানে বিরজমান; বরং বলতে হবে তিনি আসমানে আরশের উপর রয়েছেন যেমনটি তিনি (নিজেই) বলেছেন: الرحمن على العرش استوى “রহমান (আল্লাহ্) আরশে সমুন্নত”। (ত্বা-হা/৫) একথা স্বাভাবিক ভাবেইবলতে হবে কোন প্রকার অপব্যখ্যা করেনয়। তিনিযে আসমানে আছেন একথা নবী-রাসলদের প্রতি নাযিলকৃত প্রত্যেক কিতাবেই লিখিত আছে। তবে আরশে তিনি কিভাবে রয়েছেন তার পদ্ধতি কারো জানা নেই।’
১৫) মানুষের সৃষ্টিগত ফিৎরাতও একথা স্বীকার করে যে, আল্লাহ্ তায়ালা আসমানেই রয়েছেন সব স্থানে নয়। এর প্রমাণে আপনি আপনার স্নেহের কচি শিশুকে প্রশ্ন করুন- আল্লাহ্ কোথায়? দেখবেন তার পবিত্র মুখ থেকে জবাব বেরুবে, ‘উপরে’। বা সে তার কচি আঙ্গুল উঠিয়ে উপর দিকেই ইশারা করবে, অর্থাৎ তিনি (আল্লাহ্) আকাশে রয়েছেন, সব জায়গাতে নয়। আরও বহু আয়াত ওহাদীস রয়েছে যেগুলো দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় আল্লাহ তায়ালা সব জায়গায় বিরাজমান নন। বরং তার ক্ষমতা, রাজত্ব, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, জ্ঞান, দৃষ্টি ইত্যাদিসর্বত্র ও সব কিছুতে বিরাজমান। কিন্তু তিনিস্বত্বাগতভা বে অবস্থান করেন, সাত আসমানের উপর আরশে আযীমে।
সম্মানিত পাঠক! এই হল কুরআন-হাদীস এবং সালফে সালেহীনের আকিদাহ্ ও বিশ্বাস যা সংক্ষেপে উদ্ধৃত করা হল। যার সার সংক্ষেপ হল- মহান আল্লাহ্ আরশে রয়েছেন তিনি সর্বত্র সবকিছুতে বিরাজিত নয়। আর এটাই হল বিশুদ্ধ আকীদা। অথচ এধরণের আকীদার অধিকারীদেরকেমাও লানা মুহিউদ্দীন উত্তর দিতে গিয়ে ‘অকাট মূর্খ অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক বা গোমরাহ ফেরকার গোপন এজেন্ট’ রূপে গরালাগালী করেছেন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>সমগ্র জাহানের প্রতিপালক ও সংরক্ষক মহান আল্লাহ্ তা’আলা সপ্তাকাশের উপর অবস্থিত সুমহান আরশের উপর সমুন্নত, তিনি সর্বস্থানে বিরাজিত নন। তাঁর ক্ষমতা অসীম ও সর্বব্যাপী। তিনি সব কিছু দেখেন ও শোনেন। কোনকিছুই তাঁর জ্ঞানের বাইরে নয়। তিনি আরশেআ’যীমে থেকেই সব কিছু সুচারুরূপে পরিচালিত করেন।<br />
১) মহান আল্লাহ্ এরশাদ করেন:<br />
(ان ربكم الله الذي خلق السموات والأرض في ستة أيام ثم استوى على العرش)<br />
অর্থ:‘ নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ্, যিনি আকাশ সমূহ এবং পৃথিবীকে ছয় দিনে সৃষ্টিকরেছেন। অতঃপর তিনি আরশে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।’ (সূরা আরাফ-৫৪)<br />
২) আল্লাহ্ তা’আলা আরও বলেন:<br />
الرحمن على العرش استوى<br />
অর্থ: ‘রহমান (আল্লাহ্) আরশে সমুন্নত।’ (সূরাত্বহা-৫) এ কথায় কোনই সন্দেহ নেই যে আরশ আসমান রয়েছে জমিনে নয়।<br />
৩) তাই মহান আল্লাহ্ অন্যস্থানে বলেন:<br />
أأمنتم من في السماء أن يخسف بكم الأرض<br />
অর্থ: ‘তেমরা কি নিরাপদ হয়ে গেছো যে, যিনি আকাশে অবস্থিত রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন না।’ (মূলক-১৬)<br />
এ ছাড়া বহু আয়াতে আল্লাহ্ পাক নিজের পরিচয়ে বলেছেন যে, তিনি আকাশের উপর মহান আরশেই রয়েছেন। এ ক্ষেত্রে অধিক প্রমাণের জন্য নিম্ন লিখিত আয়াত গুলো দেখা যেতে পারে। ( ইউনুস-৩, রা’দ-২, ফুরক্বান- ৫৯, সাজদাহ্-৪, হাদীদ-৪) ৪) হাদীছে রাসূলে কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:<br />
ألا تأمنوني وأنا أمين من في السماء يأتيني خبر السماء صباحاً ومساءً -متفق عليه<br />
অর্থ: ‘তোমরা কি আমাকে আমানতদার মনে কর না, অথচ যিনি আসমানে আছেন আমি তাঁর আমানতদার। আমার কাছে আসমানের খবর সকাল-সন্ধ্যায় আসে।” (বুখারী ও মুসলিম) আসমানে যিনি আছেন নিশ্চয় তিনি মহান আল্লাহ্। কোন সন্দেহ আছে কি ?<br />
৫) হযরত মুয়াবিয়া বিন হাকাম আস্ সুলামী (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনৈক দাসীকে প্রশ্ন করেছিলেন : ‘আল্লাহ্ কোথায়?’ উত্তরে সে বলেছিল : আল্লাহ্ আসমানে। তিনি বললেন , আমি কে? সে বলল: আপনি আল্লাহ্র রাসূল। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মনিবকে বললেন: তাকে আজাদ করে দাও। কেননা সে ঈমানদার। (ছহীহ মুসলিম) দাসীটি যদি উত্তরদাতা মাওলানা সাহেবের মতবাদ অনুযায়ী জবাব দিত তবে নির্ঘাৎ সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট অমুসলিম সাব্যস্তগ হত। কেননা তার ঈমান পরীক্ষা করার জন্যই তাকে তিনি অনুরূপ প্রশ্ন করেছিলেন।<br />
৬) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন:<br />
(ارحموا من في الأرض يرحمكم من في السماء )<br />
অর্থাৎ-‘ যারা জমিনে আছে তোমরা তাদের প্রতি দয়াশীল হও যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়াশীল হবেন।’ (তিরমিযী, হাদীছ ছহীহ)<br />
৭) সুপ্রসিদ্ধ মে’রাজের ঘটনা বুখারী -মুসলিম সহ বহু হাদীস গ্রন্থে রয়েছে।<br />
হে বিবেকবান মুসলিম ভাই! আল্লাহ্ যদি সর্বত্র সবকিছুতেই বিরাজিত থাকেন, তবে মে’রাজের কি দরকার ছিল? মে’রাজের রাত্রে বোরাকে চড়ে সপ্তাকাশের উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ্র দরবারে গমনই তো প্রমাণ করে যে মহান আল্লাহ্ সাত আসমানের উপর অবস্থিত আরশেই রয়েছেন। নতুবা মে’রাজ অর্থহীন হয়ে যায়না কি?<br />
এ ক্ষেত্রে সালফে সালেহীনের আকীদা বা কিছু উক্তি:<br />
৮) ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) বলেন : যে ব্যক্তি আল্লাহ্আরশে আছেন একথা বিশ্বাস করে, কিন্তু সন্দেহ করে যে আর্মস আসমানে আছে না জমিনে তবে সে কাফের বলে গণ্য হবে। (দ্র: আল্ ফিকহুল আবসাত)<br />
৯) ইমাম আওযায়ী বলেন: আমরা তাবেয়ীগণের উপস্থিতে বলতাম, নিশ্চয় মহান আল্লাহ্ তাঁর আরশের উপর রয়েছেন। তাঁর গুণাগুণ সম্পর্কে যে বর্ণনা এসেছে আমরা সবই তা বিশ্বাস করি। (ইমাম যাহাবী প্রণীত মুখতাছার উলু দ্রষ্টব্য)<br />
১০) ইমাম মালিক (রহঃ) বলেন : ( الله في السماء وعلمه في كل مكان لا يخلو منه شيء ) ‘আল্লাহ্ রয়েছেন আসমানে এবং তাঁর ইলম সর্বাস্থানে পরিব্যপ্ত, তার জ্ঞান থেকেকোন স্থান খালি নেই।<br />
১১) ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন: আমি যে তরিকার উপর প্রতিষ্ঠিত ও যাদেরকে ঐ তরিকার উপর পেয়েছি যেমন সুফিয়ান সাওরী, মালিক প্রমখগণ তা হল- এ কথার স্বীকৃতদেয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন হক মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্র রাসূল আর আল্লাহ্ তিনি আসমানে আরশের উপর রয়েছেন। তিনি তার বান্দার নিকটবর্তী হন যে ভাবে ইচ্ছা করেন এবং যে ভাবে চান ঠিক সেভাবেই দুনিয়ার আকাশে অবতরণ করেন …।<br />
১২) ইমাম আহমাদ (রাহ) কে জিজ্ঞেস করা হল: আল্লাহ্ সপ্তাকাশে আরশের উপর রয়েছেন। সৃষ্টিকুল থেকে পৃথক আছেন এবং তার কুদরত ও ইলম সকল স্থানে পরিব্যাপ্ত। উত্তরে তিনি বললেন: হ্যাঁ, তিনি স্বীয় আরশে রয়েছেন এবং কোন বস্তু তার ইলমের বাইরে নয়।<br />
১৩) ইমাম ইবনে খুযাইমা বলেন: (من لم يقر بأن الله على عرشه استوى فوق سبع سماواته بائن من حلقه فهو كافر يستتاب فإن تاب وإلا ضربت عنقه وألقي على مزبلة لئلا يتأذى بريحه أهلالقبلة وأهل الذمة<br />
) ”যে ব্যক্তি স্বীকার করে না যে আল্লাহ্ তা’আলা সপ্তাকাশে স্বীয় আরশে সমুন্নত, সৃষ্টি জগত হতে সম্পূর্ণ আলাদা-সে কাফের। তাকে তওবা করার নির্দেশ দিতে হবে। তওবা না করলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। অতঃপর তার লাশ ডাস্টবিনে নিক্ষেপ করতে হবে যাতে করে কিবলা ওয়ালা মুসলমানগণ এবং কর প্রদানকারী অমুসলিমগণ তার দূর্গন্ধে কষ্ট না পায়। (ইমাম যাহাবীপ্রণীত মুখতাছার উলু দ্রষ্টব্য)<br />
১৪) বড় পীর হিসেবে খ্যাত হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ) স্বীয় ‘গুনিয়াতুত্ তালেবীন’ নামক গ্রন্থে বলেন: ‘আল্লাহ্ পাক আরশে সমুন্নত রয়েছেন। রাজত্ব নিজ আয়ত্তে রেখেছেন। সমস্ত বস্তুকে বেষ্টন করে রেখেছেন। ….. আর এ ভাবে তাঁর পরিচয় দেয়া জায়েজ নয় যে, তিনি প্রত্যেক স্থানে বিরজমান; বরং বলতে হবে তিনি আসমানে আরশের উপর রয়েছেন যেমনটি তিনি (নিজেই) বলেছেন: الرحمن على العرش استوى “রহমান (আল্লাহ্) আরশে সমুন্নত”। (ত্বা-হা/৫) একথা স্বাভাবিক ভাবেইবলতে হবে কোন প্রকার অপব্যখ্যা করেনয়। তিনিযে আসমানে আছেন একথা নবী-রাসলদের প্রতি নাযিলকৃত প্রত্যেক কিতাবেই লিখিত আছে। তবে আরশে তিনি কিভাবে রয়েছেন তার পদ্ধতি কারো জানা নেই।’<br />
১৫) মানুষের সৃষ্টিগত ফিৎরাতও একথা স্বীকার করে যে, আল্লাহ্ তায়ালা আসমানেই রয়েছেন সব স্থানে নয়। এর প্রমাণে আপনি আপনার স্নেহের কচি শিশুকে প্রশ্ন করুন- আল্লাহ্ কোথায়? দেখবেন তার পবিত্র মুখ থেকে জবাব বেরুবে, ‘উপরে’। বা সে তার কচি আঙ্গুল উঠিয়ে উপর দিকেই ইশারা করবে, অর্থাৎ তিনি (আল্লাহ্) আকাশে রয়েছেন, সব জায়গাতে নয়। আরও বহু আয়াত ওহাদীস রয়েছে যেগুলো দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় আল্লাহ তায়ালা সব জায়গায় বিরাজমান নন। বরং তার ক্ষমতা, রাজত্ব, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, জ্ঞান, দৃষ্টি ইত্যাদিসর্বত্র ও সব কিছুতে বিরাজমান। কিন্তু তিনিস্বত্বাগতভা বে অবস্থান করেন, সাত আসমানের উপর আরশে আযীমে।<br />
সম্মানিত পাঠক! এই হল কুরআন-হাদীস এবং সালফে সালেহীনের আকিদাহ্ ও বিশ্বাস যা সংক্ষেপে উদ্ধৃত করা হল। যার সার সংক্ষেপ হল- মহান আল্লাহ্ আরশে রয়েছেন তিনি সর্বত্র সবকিছুতে বিরাজিত নয়। আর এটাই হল বিশুদ্ধ আকীদা। অথচ এধরণের আকীদার অধিকারীদেরকেমাও লানা মুহিউদ্দীন উত্তর দিতে গিয়ে ‘অকাট মূর্খ অথবা বিকৃত মস্তিষ্ক বা গোমরাহ ফেরকার গোপন এজেন্ট’ রূপে গরালাগালী করেছেন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: badru</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10688</link>
		<dc:creator>badru</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10688</guid>
		<description>http://www.peaceinislam.com/badru/11936/</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><a href="http://www.peaceinislam.com/badru/11936/" rel="nofollow">http://www.peaceinislam.com/badru/11936/</a></p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10552</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10552</guid>
		<description>আকায়দ শাস্ত্রে  যারা জ্ঞান রাখেন, ওনারা এমন পরস্পরবিরোধী আয়াতের এভাবে সমাধান দিয়েছেন। যে আয়াত বা হাদিস শরীফে আল্লাহ পাকের এমন কোনো বৈশিষ্ট বর্ননা এসেছে যেটাতে কোনো সৃষ্টির সাথে আল্লাহপাকের মিল দেখা যায়, সেটাকে রূপক বর্ননা হিসেবে ধরা হবে। কেননা আল্লাহ পাক অন্য আয়াতে বলেছেন &quot;আল্লাহপাক কোনো কিছুর মতো নন&quot;। সেখানে দুনিয়ার কোনো কিছুর সাথে ওনার মিল কল্পনাই করা যায় না। একমাত্র এই ব্যাখ্যার দ্বারাই সবগুলো আয়াত , হাদিস শরীফের মধ্যে সামন্জস্য রক্ষা করা যায়।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>আকায়দ শাস্ত্রে  যারা জ্ঞান রাখেন, ওনারা এমন পরস্পরবিরোধী আয়াতের এভাবে সমাধান দিয়েছেন। যে আয়াত বা হাদিস শরীফে আল্লাহ পাকের এমন কোনো বৈশিষ্ট বর্ননা এসেছে যেটাতে কোনো সৃষ্টির সাথে আল্লাহপাকের মিল দেখা যায়, সেটাকে রূপক বর্ননা হিসেবে ধরা হবে। কেননা আল্লাহ পাক অন্য আয়াতে বলেছেন &#8220;আল্লাহপাক কোনো কিছুর মতো নন&#8221;। সেখানে দুনিয়ার কোনো কিছুর সাথে ওনার মিল কল্পনাই করা যায় না। একমাত্র এই ব্যাখ্যার দ্বারাই সবগুলো আয়াত , হাদিস শরীফের মধ্যে সামন্জস্য রক্ষা করা যায়।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10545</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10545</guid>
		<description>আবু তাসনীম, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আপনি অনেক কষ্ট করেছেন দলীল সংগ্রহের জন্য। আপনি কিছু হাদীস পেশ করেছেন এরপর নিজ থেকে কিছু মন্তব্য করেছেন। আপনার হাদিসগুলো থেকে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার আরশের অস্তিত্ব সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত। এবং তিনি আরশে আছেন এটাও প্রমাণিত। তিনি আসমানে আছেন এটাও প্রমাণিত। এরপর আপনি নিজে থেকে বলেছেন আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা আসমান বাদে আর কোথাও নেই। একথা হাদিস থেকে প্রমাণিত নয়। আপনার অনেক প্রশ্নের জবাব পোস্টেই দেয়া ছিল। অনেক প্রশ্নের জবাব আমি দিয়েছি। পোস্টে কিছু করআনের আয়াতও ছিল। যার দ্বারা প্রমাণিত হয় আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা আমাদের নিকটেও আছেন। তাহলে বুঝা গেল আল্লহ আসমানেও আছেন, আমাদের কাছেও আছেন।

প্রসংগটা উঠেছিল দেওবান্দীদের আকীদা নিয়ে। এদেশের প্রায় সব মাদ্রাসাই দেওবান্দী মাদ্রাসা। তাই কেউ যদি তার ছেলেমেয়েদের আলেম বানাতে চান তাহলে দেওবান্দী মাদ্রাসার আশ্রয় নিতে হয়। এখন দেওবান্দীদের আকীদায় যদি (বায়বীয়) গলদ দেখানো যায় তাহলে আমজনতা আর তাদের ছেলেমেয়েদের দেওবান্দী মাদ্রাসায় পড়াবে না। যেহেতু দেওবান্দী মাদ্রাসা ছাড়া আর মাদ্রাসা নেই তাই স্কুলে দিবে। একটা সময় আসবে যখন তারা ইলমশুণ্য হবে এবং দ্বীনহারা হবে। ইসলামের শত্রুরা তাই কিছু দুনিয়াদার আলেম ভাড়া করল। যারা টাকার বিনিময়ে ইলম বিক্রি করে আর ইসলামের শত্রুদের সেবা করে। তারা আবিষ্কার করল দেওবান্দীরা বলে, আল্লহ সবখানে আছেন। অথচ এতা কুদরতীভাবে। স্বত্ত্বাগত ভাবে নয়। দেওবান্দী কোন আলেম কোনদিনও বলেছেন যে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা স্বত্ত্বাগতভাবে সর্বত্র বিরাজমান। কোন প্রমাণ দিতে পারবেন। হ্যা যদি কেউ বলে থাকেন তাহলে আমরাও তাকে গোমারাই বলব। বরং এই ব্যপারে সকল জামানার সকল উলামা কেরাম একমত আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা কুদরত, শক্তি, জ্ঞান, সিফাত সর্বত্র বিরাজমান। এইকথার উপর দৃঢ় ইয়াকীন হওয়াটাই অহাদাতুল অজুদ। এটা ঈমানের এমন এক স্তর যখন বান্দা অনুভব করে, আমার আল্লহ (কুদরতী ভাবে) সব খানে আছে। তিনি সবদেখেন, সবজানেন, সবশুনেন। তখন তার পক্ষে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার নাফরমানী করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আসল ব্যপার হল যখন মানুষ আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা থেকে গাফেল হয়ে যায় তখনই গুনাহ করে। মেহনত করতে করতে যখন এমন এক অবস্থায় উপনিত হয় যে সে আর কখনওই আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা থেকে গাফেল হয় না এটাকেই অহাদাতুল অজুদ। এটা আপনি যেভাবে ব্যাখ্যা করেন। এরমধ্যে শিরকের গন্ধ খুজে পাওয়াটা গোমহারীর আলামত।

আসল ব্যপার হল এদেশে ইংরেজ শাসন কায়েম হওয়ার পর তারা একেরপোর এক দ্বীনী প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে ছিল তখন এদেশে কিছু আলেম উলামা দ্বীনকে টিকিয়ে রাখার জন্য দেওবান্দে এক মাদ্রাসা কায়েম করেন যা দেওবান্দ মাদ্রাসা হিসবে পরিচিত। ঐ সময় ঐ মাদ্রাসা কায়েম না হলে আমাদের অবস্থাও আজ স্পেন, সিরিয়া, আলবেনিয়া, উজবেকিস্তান, তুর্কিস্তানের মত হত। ইসলামের শত্রুরা এই লালসা আজও ছাড়ে নাই এজন্যই দেওবান্দ মাদ্রাসার বিরূদ্ধে কিছু ভাড়াটে দুনিয়াদার আলেম লেলিয়ে দিয়েছে। এদেশে এবং হেযাযে নামধারী আহলে হাদিস এদেরই সৃষ্টি। আমরা ভয় করিনা। কেননা আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা যত দিন চাইবেন দ্বীন ততদিনই টিকবে। আমরা শুধু পরকালের নাযাতের আশায় এবং আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার কাছ থেকে পুরষ্কারের আশায় চেষ্টাই করতে পারি যতটুকু তিনি সামর্থ দেন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>আবু তাসনীম, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আপনি অনেক কষ্ট করেছেন দলীল সংগ্রহের জন্য। আপনি কিছু হাদীস পেশ করেছেন এরপর নিজ থেকে কিছু মন্তব্য করেছেন। আপনার হাদিসগুলো থেকে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার আরশের অস্তিত্ব সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত। এবং তিনি আরশে আছেন এটাও প্রমাণিত। তিনি আসমানে আছেন এটাও প্রমাণিত। এরপর আপনি নিজে থেকে বলেছেন আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা আসমান বাদে আর কোথাও নেই। একথা হাদিস থেকে প্রমাণিত নয়। আপনার অনেক প্রশ্নের জবাব পোস্টেই দেয়া ছিল। অনেক প্রশ্নের জবাব আমি দিয়েছি। পোস্টে কিছু করআনের আয়াতও ছিল। যার দ্বারা প্রমাণিত হয় আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা আমাদের নিকটেও আছেন। তাহলে বুঝা গেল আল্লহ আসমানেও আছেন, আমাদের কাছেও আছেন।</p>
<p>প্রসংগটা উঠেছিল দেওবান্দীদের আকীদা নিয়ে। এদেশের প্রায় সব মাদ্রাসাই দেওবান্দী মাদ্রাসা। তাই কেউ যদি তার ছেলেমেয়েদের আলেম বানাতে চান তাহলে দেওবান্দী মাদ্রাসার আশ্রয় নিতে হয়। এখন দেওবান্দীদের আকীদায় যদি (বায়বীয়) গলদ দেখানো যায় তাহলে আমজনতা আর তাদের ছেলেমেয়েদের দেওবান্দী মাদ্রাসায় পড়াবে না। যেহেতু দেওবান্দী মাদ্রাসা ছাড়া আর মাদ্রাসা নেই তাই স্কুলে দিবে। একটা সময় আসবে যখন তারা ইলমশুণ্য হবে এবং দ্বীনহারা হবে। ইসলামের শত্রুরা তাই কিছু দুনিয়াদার আলেম ভাড়া করল। যারা টাকার বিনিময়ে ইলম বিক্রি করে আর ইসলামের শত্রুদের সেবা করে। তারা আবিষ্কার করল দেওবান্দীরা বলে, আল্লহ সবখানে আছেন। অথচ এতা কুদরতীভাবে। স্বত্ত্বাগত ভাবে নয়। দেওবান্দী কোন আলেম কোনদিনও বলেছেন যে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা স্বত্ত্বাগতভাবে সর্বত্র বিরাজমান। কোন প্রমাণ দিতে পারবেন। হ্যা যদি কেউ বলে থাকেন তাহলে আমরাও তাকে গোমারাই বলব। বরং এই ব্যপারে সকল জামানার সকল উলামা কেরাম একমত আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা কুদরত, শক্তি, জ্ঞান, সিফাত সর্বত্র বিরাজমান। এইকথার উপর দৃঢ় ইয়াকীন হওয়াটাই অহাদাতুল অজুদ। এটা ঈমানের এমন এক স্তর যখন বান্দা অনুভব করে, আমার আল্লহ (কুদরতী ভাবে) সব খানে আছে। তিনি সবদেখেন, সবজানেন, সবশুনেন। তখন তার পক্ষে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার নাফরমানী করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আসল ব্যপার হল যখন মানুষ আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা থেকে গাফেল হয়ে যায় তখনই গুনাহ করে। মেহনত করতে করতে যখন এমন এক অবস্থায় উপনিত হয় যে সে আর কখনওই আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা থেকে গাফেল হয় না এটাকেই অহাদাতুল অজুদ। এটা আপনি যেভাবে ব্যাখ্যা করেন। এরমধ্যে শিরকের গন্ধ খুজে পাওয়াটা গোমহারীর আলামত।</p>
<p>আসল ব্যপার হল এদেশে ইংরেজ শাসন কায়েম হওয়ার পর তারা একেরপোর এক দ্বীনী প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করতে ছিল তখন এদেশে কিছু আলেম উলামা দ্বীনকে টিকিয়ে রাখার জন্য দেওবান্দে এক মাদ্রাসা কায়েম করেন যা দেওবান্দ মাদ্রাসা হিসবে পরিচিত। ঐ সময় ঐ মাদ্রাসা কায়েম না হলে আমাদের অবস্থাও আজ স্পেন, সিরিয়া, আলবেনিয়া, উজবেকিস্তান, তুর্কিস্তানের মত হত। ইসলামের শত্রুরা এই লালসা আজও ছাড়ে নাই এজন্যই দেওবান্দ মাদ্রাসার বিরূদ্ধে কিছু ভাড়াটে দুনিয়াদার আলেম লেলিয়ে দিয়েছে। এদেশে এবং হেযাযে নামধারী আহলে হাদিস এদেরই সৃষ্টি। আমরা ভয় করিনা। কেননা আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা যত দিন চাইবেন দ্বীন ততদিনই টিকবে। আমরা শুধু পরকালের নাযাতের আশায় এবং আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার কাছ থেকে পুরষ্কারের আশায় চেষ্টাই করতে পারি যতটুকু তিনি সামর্থ দেন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10543</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10543</guid>
		<description>@ABU TASNEEM, আপনি যে ব্যাখ্যা গুলো দিয়েছেন এগুলোই ওয়াদাতুল ওজুদ। জাহমিয়্যাহ সম্প্রদায় বিশ্বাস করত আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#039;লা স্বত্ত্বাগতভাবে সর্বত্র বিরাজমান। কিন্তু এখন উলামা কেরাম একমত আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#039;লা স্বত্ত্বা সম্পর্কে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#039;লাই ভাল জানেন। এটা আমাদের বিবেচ্য নয়। আমরা কেবল আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#039;লার কুদরত নিয়েই চিন্তা করতে পারি। আর কুদরতীভাবে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#039;লা সর্বত্র বিরাজমান। আরও সহজ কথায় আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#039;লার কুদরত সর্বত্র বিরাজমান। এটাই সহীহ আক্বীদাহ। এটা যারা স্বীকার না করাই গলদ আকীদাহ। অথচ আপনারা দেওবান্দীদের উপর শিরকের তুহমাত দিয়ে থাকেন। কেউ স্বত্ত্বাগতভাবে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#039;লা সর্বত্র বিরাজমান বলেছেন কোন প্রমাণ দিতে পারবেন?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@ABU TASNEEM, আপনি যে ব্যাখ্যা গুলো দিয়েছেন এগুলোই ওয়াদাতুল ওজুদ। জাহমিয়্যাহ সম্প্রদায় বিশ্বাস করত আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#8217;লা স্বত্ত্বাগতভাবে সর্বত্র বিরাজমান। কিন্তু এখন উলামা কেরাম একমত আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#8217;লা স্বত্ত্বা সম্পর্কে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#8217;লাই ভাল জানেন। এটা আমাদের বিবেচ্য নয়। আমরা কেবল আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#8217;লার কুদরত নিয়েই চিন্তা করতে পারি। আর কুদরতীভাবে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#8217;লা সর্বত্র বিরাজমান। আরও সহজ কথায় আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#8217;লার কুদরত সর্বত্র বিরাজমান। এটাই সহীহ আক্বীদাহ। এটা যারা স্বীকার না করাই গলদ আকীদাহ। অথচ আপনারা দেওবান্দীদের উপর শিরকের তুহমাত দিয়ে থাকেন। কেউ স্বত্ত্বাগতভাবে আল্লহ সুবহানাহু ওয়া  তায়া&#8217;লা সর্বত্র বিরাজমান বলেছেন কোন প্রমাণ দিতে পারবেন?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10542</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10542</guid>
		<description>@ABU TASNEEM, ‘আমি তার ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষাও নিকটতর’ (ক্বাফ ৫০/১৬)। এখানে আমি দ্বারা ফেরেশতা উদ্দেশ্য কোথায় পেলেন এমন ব্যাখ্যা? আপনাদের অবস্থা হয়েছে বেরেলভীদের মত। অন্যের উপর শিরকের তোহমাদ দিতে গিয়ে নিজেরাই শিরকে পতিত হয়েছেন। বেরেলভীরা দেওবান্দীদের উপর রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেয়াদবীর তুহমাত দিতে গিয়ে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লামের উপর এমন সিফাত আরোপ করল যা আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার শানে ব্যবহার করা হয়। আপনিও আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার জবানে আমি শব্দের অর্থ ফেরেশতা করলেন। আপনি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে আমি শব্দের অর্থ ফেরেশতা বুঝা যায় না।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@ABU TASNEEM, ‘আমি তার ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষাও নিকটতর’ (ক্বাফ ৫০/১৬)। এখানে আমি দ্বারা ফেরেশতা উদ্দেশ্য কোথায় পেলেন এমন ব্যাখ্যা? আপনাদের অবস্থা হয়েছে বেরেলভীদের মত। অন্যের উপর শিরকের তোহমাদ দিতে গিয়ে নিজেরাই শিরকে পতিত হয়েছেন। বেরেলভীরা দেওবান্দীদের উপর রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেয়াদবীর তুহমাত দিতে গিয়ে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লামের উপর এমন সিফাত আরোপ করল যা আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার শানে ব্যবহার করা হয়। আপনিও আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার জবানে আমি শব্দের অর্থ ফেরেশতা করলেন। আপনি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তাতে আমি শব্দের অর্থ ফেরেশতা বুঝা যায় না।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10541</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10541</guid>
		<description>@ABU TASNEEM,হ্যাঁ এভাবে আপনি যে হাদীসগুলো পেশ করেছেন এগুলোও অনেক ব্যাখ্যা আছে। ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এটাই অহাদাতুল অজুদ। আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#039;লার স্বত্ত্বা নিয়ে চিন্তা করতে নিষেধ করা আছে হাদীসে। আসল কথা হল আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#039;লার কুদরত সর্বব্যাপী। এই কথাটাই দেওবান্দীরা বলে থাকে এজন্য আপনারা বলেন তাদের আকীদায় সমস্যা আছে। বাস্তবে আপনারাও জানেন এটাই সহিহ আকীদাহ এরপরও শুধু আমজনতাকে দ্বীন থেকে গাফেলরাখার উদ্দেশ্যেই দেওবান্দীদের উদ্দেশ্যে বায়বীয় অভিযোগ এনে প্রপাগান্ডা চালান।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@ABU TASNEEM,হ্যাঁ এভাবে আপনি যে হাদীসগুলো পেশ করেছেন এগুলোও অনেক ব্যাখ্যা আছে। ইমাম ইবনে তাইমিয়্যা রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এটাই অহাদাতুল অজুদ। আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#8217;লার স্বত্ত্বা নিয়ে চিন্তা করতে নিষেধ করা আছে হাদীসে। আসল কথা হল আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া&#8217;লার কুদরত সর্বব্যাপী। এই কথাটাই দেওবান্দীরা বলে থাকে এজন্য আপনারা বলেন তাদের আকীদায় সমস্যা আছে। বাস্তবে আপনারাও জানেন এটাই সহিহ আকীদাহ এরপরও শুধু আমজনতাকে দ্বীন থেকে গাফেলরাখার উদ্দেশ্যেই দেওবান্দীদের উদ্দেশ্যে বায়বীয় অভিযোগ এনে প্রপাগান্ডা চালান।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: ABU TASNEEM</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/anonymous/11826/comment-page-1/#comment-10540</link>
		<dc:creator>ABU TASNEEM</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=11826#comment-10540</guid>
		<description>‘আমি তার ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষাও নিকটতর’ (ক্বাফ ৫০/১৬)। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না’ (ওয়াক্বি‘আহ ৫৬/৮৫)। যারা এ আয়াত দ্বারা দলীল পেশ করে বলেন, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান তাদের ধারণা ঠিক নয়। 

এখানে উভয় আয়াতের উদ্দেশ্য হচ্ছে- আল্লাহ তা‘আলার ফেরেশতারা মানুষের নিকটবর্তী। যেমন অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষণকারী’ (হিজর ৯)। 

এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে- আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে জিবরীল (আঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট পবিত্র কুরআন পৌঁছে দিয়েছেন। অনুরূপভাবে ফেরেশতাগণ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে ও তাঁর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মানুষের ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষা নিকটতর। আর মানুষের উপর ফেরেশতার যেমন প্রভাব থাকে, তেমনি শয়তানেরও। 

রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, 
‘তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার সাথে তার জিন সহচর অথবা ফেরেশতা সহচর নিযুক্ত করে দেয়া হয়নি। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, আপনার সাথেও কি হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, আমার সাথেও, তবে আল্লাহ তা‘আলা তার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করেছেন। ফলে সে আমার অনুগত হয়ে গেছে। সে আমাকে কেবল ভাল কাজেরই পরামর্শ দেয়’।(মুসলিম, মিশকাত হা/৬৭ ‘ঈমান’ অধ্যায়।) অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘শয়তান মানুষের মধ্যে তার রক্তের ন্যায় বিচরণ করে থাকে’।(মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৮ ‘ঈমান’ অধ্যায়, ‘কুমন্ত্রণা’ অনুচ্ছেদ।) 

এজন্যই আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘স্মরণ রেখো, দুই গ্রহণকারী ফেরেশতা তার ডানে ও বামে বসে তার কর্ম লিপিবদ্ধ করে’ (ক্বাফ ৫০/১৭)। আল্লাহ আরো বলেন, ‘মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে’ (ক্বাফ ১৮)। 

আমরা যা কিছু বলি সবই ফেরেশতারা লিপিবদ্ধ করেন। আল্লাহ বলেন, ‘অবশ্যই রয়েছে তোমাদের জন্য তত্ত্বাবধায়কগণ, সম্মানিত লেখকবর্গ, তারা জানে তোমরা যা কর’।(ইনফিতার ৮২/১০-১২; তাফসীর ইবনে কাছীর, ৭ম খন্ড, পৃঃ ৪০৪।) 
আল্লামা মুহাম্মাদ বিন ছালেহ আল-উছায়মীন বলেন, উভয় আয়াতে নিকটবর্তী বুঝাতে ফেরেশতাদের নিকটবর্তী হওয়া বুঝাচ্ছে। অর্থাৎ এখানে উভয় আয়াতের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফেরেশতাগণ। 

(১) প্রথম আয়াতে (ক্বাফ ১৬) নিকটবর্তিতাকে শর্তযুক্ত (مقيد) করা হয়েছে। যেমন বলা হয়েছে, ‘আমিই মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় তা আমি জানি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী অপেক্ষাও নিকটতর। স্মরণ রেখো, দুই গ্রহণকারী ফেরেশতা তার ডানে ও বামে বসে তার কর্ম লিপিবদ্ধ করে; মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে’ (ক্বাফ ৫০/১৬-১৮)। উল্লিখিত আয়াতে إِذْ يَتَلَقَّي শর্ত দ্বারা বুঝা যায় যে, দু’জন ফেরেশতার নিকটবর্তিতাই এখানে উদ্দেশ্য। 

(২) দ্বিতীয় আয়াতে (ওয়াকি‘আহ ৮৫) নিকটবর্তিতাকে মৃত্যুকালীন সময়ের সাথে শর্তযুক্ত (مقيد) করা হয়েছে। আর মানুষের মৃত্যুর সময় যারা তার নিকট উপস্থিত থাকেন তারা হলেন ফেরেশতা। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘অবশেষে যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন আমার প্রেরিত দূতগণ তার প্রাণ হরণ করে নেয় এবং তারা কোন ত্রুটি করে না’ (আন‘আম  ৬/৬১)। 
উল্লিখিত আয়াতে বুঝা যাচ্ছে যে, তারা হচ্ছেন ফেরেশতা। তারা সেখানে একই স্থানে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু আমরা দেখতে পাই না। ( আল-কাওয়াইদুল মুছলা ফী ছিফাতিল্লাহি ওয়া আসমায়িহিল হুসনা, পৃঃ ৭০-৭১।)

এখানে একটা প্রশ্ন থেকে যায় যে, যদি আয়াত দু’টিতে ফেরেশতাই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহ’লে আল্লাহ নিকটবর্তিতাকে নিজের দিকে কেন সম্পর্কিত করলেন? এর জবাবে বলা যায় যে, ফেরেশতাদের নিকটবর্তিতাকে আল্লাহ নিজের দিকে সম্পর্কিত করেছেন। কারণ তার নির্দেশেই তারা মানুষের নিকটবর্তী হয়েছে। আর তারা তার সৈন্য ও দূত। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর’ (ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৮)। এখানে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট জিবরীল (আঃ)-এর কুরআন পাঠ উদ্দেশ্য। অথচ আল্লাহ পাঠকে নিজের দিকে সম্পর্কিত করেছেন। আল্লাহর নির্দেশে যেহেতু জিবরীল রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট কুরআন পাঠ করেন সেহেতু আল্লাহ কুরআন পাঠকে নিজের দিকে সম্পর্কিত করেছেন। ( ঐ।)</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>‘আমি তার ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষাও নিকটতর’ (ক্বাফ ৫০/১৬)। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি তোমাদের অপেক্ষা তার নিকটতর, কিন্তু তোমরা দেখতে পাও না’ (ওয়াক্বি‘আহ ৫৬/৮৫)। যারা এ আয়াত দ্বারা দলীল পেশ করে বলেন, আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান তাদের ধারণা ঠিক নয়। </p>
<p>এখানে উভয় আয়াতের উদ্দেশ্য হচ্ছে- আল্লাহ তা‘আলার ফেরেশতারা মানুষের নিকটবর্তী। যেমন অন্যত্র আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষণকারী’ (হিজর ৯)। </p>
<p>এখানে উদ্দেশ্য হচ্ছে- আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে জিবরীল (আঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট পবিত্র কুরআন পৌঁছে দিয়েছেন। অনুরূপভাবে ফেরেশতাগণ আল্লাহ তা‘আলার অনুমতিক্রমে ও তাঁর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মানুষের ঘাড়ের শাহ রগ অপেক্ষা নিকটতর। আর মানুষের উপর ফেরেশতার যেমন প্রভাব থাকে, তেমনি শয়তানেরও। </p>
<p>রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,<br />
‘তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার সাথে তার জিন সহচর অথবা ফেরেশতা সহচর নিযুক্ত করে দেয়া হয়নি। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, আপনার সাথেও কি হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, আমার সাথেও, তবে আল্লাহ তা‘আলা তার ব্যাপারে আমাকে সাহায্য করেছেন। ফলে সে আমার অনুগত হয়ে গেছে। সে আমাকে কেবল ভাল কাজেরই পরামর্শ দেয়’।(মুসলিম, মিশকাত হা/৬৭ ‘ঈমান’ অধ্যায়।) অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘শয়তান মানুষের মধ্যে তার রক্তের ন্যায় বিচরণ করে থাকে’।(মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৮ ‘ঈমান’ অধ্যায়, ‘কুমন্ত্রণা’ অনুচ্ছেদ।) </p>
<p>এজন্যই আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘স্মরণ রেখো, দুই গ্রহণকারী ফেরেশতা তার ডানে ও বামে বসে তার কর্ম লিপিবদ্ধ করে’ (ক্বাফ ৫০/১৭)। আল্লাহ আরো বলেন, ‘মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে’ (ক্বাফ ১৮)। </p>
<p>আমরা যা কিছু বলি সবই ফেরেশতারা লিপিবদ্ধ করেন। আল্লাহ বলেন, ‘অবশ্যই রয়েছে তোমাদের জন্য তত্ত্বাবধায়কগণ, সম্মানিত লেখকবর্গ, তারা জানে তোমরা যা কর’।(ইনফিতার ৮২/১০-১২; তাফসীর ইবনে কাছীর, ৭ম খন্ড, পৃঃ ৪০৪।)<br />
আল্লামা মুহাম্মাদ বিন ছালেহ আল-উছায়মীন বলেন, উভয় আয়াতে নিকটবর্তী বুঝাতে ফেরেশতাদের নিকটবর্তী হওয়া বুঝাচ্ছে। অর্থাৎ এখানে উভয় আয়াতের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফেরেশতাগণ। </p>
<p>(১) প্রথম আয়াতে (ক্বাফ ১৬) নিকটবর্তিতাকে শর্তযুক্ত (مقيد) করা হয়েছে। যেমন বলা হয়েছে, ‘আমিই মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় তা আমি জানি। আমি তার গ্রীবাস্থিত ধমনী অপেক্ষাও নিকটতর। স্মরণ রেখো, দুই গ্রহণকারী ফেরেশতা তার ডানে ও বামে বসে তার কর্ম লিপিবদ্ধ করে; মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তার জন্য তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে’ (ক্বাফ ৫০/১৬-১৮)। উল্লিখিত আয়াতে إِذْ يَتَلَقَّي শর্ত দ্বারা বুঝা যায় যে, দু’জন ফেরেশতার নিকটবর্তিতাই এখানে উদ্দেশ্য। </p>
<p>(২) দ্বিতীয় আয়াতে (ওয়াকি‘আহ ৮৫) নিকটবর্তিতাকে মৃত্যুকালীন সময়ের সাথে শর্তযুক্ত (مقيد) করা হয়েছে। আর মানুষের মৃত্যুর সময় যারা তার নিকট উপস্থিত থাকেন তারা হলেন ফেরেশতা। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘অবশেষে যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন আমার প্রেরিত দূতগণ তার প্রাণ হরণ করে নেয় এবং তারা কোন ত্রুটি করে না’ (আন‘আম  ৬/৬১)।<br />
উল্লিখিত আয়াতে বুঝা যাচ্ছে যে, তারা হচ্ছেন ফেরেশতা। তারা সেখানে একই স্থানে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু আমরা দেখতে পাই না। ( আল-কাওয়াইদুল মুছলা ফী ছিফাতিল্লাহি ওয়া আসমায়িহিল হুসনা, পৃঃ ৭০-৭১।)</p>
<p>এখানে একটা প্রশ্ন থেকে যায় যে, যদি আয়াত দু’টিতে ফেরেশতাই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাহ’লে আল্লাহ নিকটবর্তিতাকে নিজের দিকে কেন সম্পর্কিত করলেন? এর জবাবে বলা যায় যে, ফেরেশতাদের নিকটবর্তিতাকে আল্লাহ নিজের দিকে সম্পর্কিত করেছেন। কারণ তার নির্দেশেই তারা মানুষের নিকটবর্তী হয়েছে। আর তারা তার সৈন্য ও দূত। যেমন আল্লাহ বলেন, ‘যখন আমি উহা পাঠ করি তুমি সেই পাঠের অনুসরণ কর’ (ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৮)। এখানে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট জিবরীল (আঃ)-এর কুরআন পাঠ উদ্দেশ্য। অথচ আল্লাহ পাঠকে নিজের দিকে সম্পর্কিত করেছেন। আল্লাহর নির্দেশে যেহেতু জিবরীল রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট কুরআন পাঠ করেন সেহেতু আল্লাহ কুরআন পাঠকে নিজের দিকে সম্পর্কিত করেছেন। ( ঐ।)</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
