লগইন রেজিস্ট্রেশন

আহলে হাদিসদের মিথ্যাবাদীতা ও দু:সাহসের নমুনা – ২

লিখেছেন: ' Anonymous' @ মঙ্গলবার, মার্চ ২৭, ২০১২ (১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ)

ম্যালকম এক্স শুরু করেছিলেন। আমি একটু contribute করছি।

আমাদের এক সহব্লগার মাযহাব নিয়ে কিছু মানুষের চলমান বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে এক বিশ্লেষণধর্মী ও প্রামান্য পোস্ট দিয়েছিলেন। ওই পোস্টে তিনি শুরুতেই স্বীকার করেছিলেন
আজকাল অনেক ভাইকে দেখা যায় মাযহাব শব্দটি নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগে থাকেন।

আবার অনেকে এই শব্দটির সঠিক অর্থ জানা সত্ত্বেও এই শব্দটি নিয়ে সাধারন মুসলমানদের ভিতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন।

যারা জেনে শুনে মাযহাব নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন তাদের জন্য এই পোষ্ট নয়।
কারন ঘুমন্ত মানুষকে জাগানো আমার সম্ভব কিন্তু জাগ্রত ব্যক্তিকে সম্ভব নয়।

যারা সত্যিকার অর্থেই মাযহাব নিয়ে জানতে চান তাদের জন্য আমার এই পোষ্ট।

এই ঘোষণার পরও আরেক ব্লগার কোন প্রামান্য দলীলের পথে না হেঁটে শুরু করেন গালাগালি। এক পর্যায়ে তার এই আচরণের প্রতিবাদ করলে এবং প্রমাণ চাইলে তিনি পেশ করেন এক হাদিস। এরপর আরেক প্রস্থ গালাগালি করলেন মাযহাবকে। দেখুন কোন মাযহাবকে মন্দ বলার অর্থ হল ঐ মাযহাবের সকল ইমাম, আলেম ও অনুসারীদের মন্দ বলা। তার দেয়া হাদীসের বিশ্লেষণ নিয়ে এই পোস্ট।

ভদ্রলোক বোল্ড অক্ষরে লিখলেন “হাদীস:২: জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত । তিনি বলেন , নবী করীম (সাঃ) এর খুৎবা দানকালে সেখানে এক ব্যক্তি আগমন করেন । তিনি তাকে বলেন , হে অমুক ! তুমি কি ( তাহিয়াতুল মাসজিদ ) সালাত পড়েছ ? ঐ ব্যক্তি বলেন , না । নবী ( সাঃ ) বলেন , তুমি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় কর । অন্য হাদীসে বলা হয়েছে তুমি সংক্ষিপ্ত ভাবে দুই রাকাআত ( তাহিয়াতুল মাসজিদ ) সালাত আদায় কর ।
( বুখারী হা/৮৮৩ , ৮৮৪ ; মুসলিম হা/১৮৯৫ , ১৮৯৬ , ১৮৯৭ , ১৮৯৮ , ১৮৯৯ , ১৯০০ ; তিরমিযী ; ইবনে মাজাহ ; নাসাঈ হা/১৪০৩ ; আবু দাউদ হা/১১১৫ , ১১১৬ , ১১১৭)

উনার কাছে বুখারী শরীফের এডিশন জানতে চাওয়ায় উনি অনেক পরে এডিশন জানান। পরবর্তীতে উনি যে রেফারেন্স দিলেন (ইসলামী ফাউন্ডেশন, পন্ঞম প্রকাশ ২০০৪) ওখানে উনার রেফারেন্সমত ১৯০-১৯১ পৃষ্ঠায় গিয়ে তাহিয়াতুল মাসজিদ শব্দ দুটি পাওয়া যায় নি। এদুটি উনার পক্ষ থেকে বানোয়াট বা জাল বর্ণনা। এভাবেই রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস বিকৃত করে উনারা সাধারণ মানুষদের ধোঁকা দিয়ে থাকেন। একই ভাবে “অন্য হাদীসে বলা হয়েছে তুমি সংক্ষিপ্ত ভাবে দুই রাকাআত ( তাহিয়াতুল মাসজিদ ) সালাত আদায় কর ।” সংক্ষিপ্ত ভাবে দুই রাকাআত বুখারী শরীফের এমন কোন রেওয়ায়েত পাওয়া যায় নি। অন্য কোন কিতাবে আছে কিনা উনি কোন রেফারেন্স দেন নি।

বক্ষ্যমান হাদীসখানা তাহিয়াতুল মাসজিদ শব্দ দুটি ছাড়া সহীহ। কিন্তু এর বক্তব্য স্পষ্ট নয়। ওখানে বর্ণিত দুই রাকায়াত আদৌ তাহিয়াতুল মাসজিদ কিনা নিশ্চিত হবার কোন উপায় নেই। একই ভাবে কোন ব্যক্তি এসেছিলেন তাও উল্লেখ নেই। থাকলে তাঁর বর্ণিত কোন হাদীস বিশ্লেষণ করে দেখা যেত। মোট কথা এই হাদীসে বর্ণিত নামায যে তাহিয়াতুল মাসজিদ নিশ্চিত নয়। অথচ উনি এটাকেই পুঁজি করে মাযহাবীদের গালাগালি করলেন। আমি পূর্বেই বলেছি মাযহাবকে মন্দ বলার অর্থ হল ঐ মাযহাবের সকল ইমাম, আলেম ও অনুসারীদের মন্দ বলা।

এবং উনার শব্দ চয়নের নমুনা দেখুন। “সহীহ হাদীসকে লাল বাতি জ্বালিয়ে দুরে ঠেলে দেয়া হয়েছে” “কারণ আপনাদের মাযহাবে তাহিয়াতুল মসজিদ নফল। আার খুৎবা ওয়াজিব। যে ওয়াজিব খুৎবা থামিয়ে তাহিয়াতুল মসজিদ নামায পড়ানো হল সেটা নফল হয় কি করে ?“। “একটু ভেবে দেখুন অন্ধ অনুসরণ করতে গিয়ে আমরা সহীহ হাদীসের সাথে যে আচরণ করছি তার পরে নবী (সাঃ) এর সামনে দাঁড়াতে পারবো তো?

এবার আসুন দেখি উনার দাবীর বাস্তবতা কতটুকু। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসের সাথে তাদের কি আচরণ এবং মাযহাবের ইমাম সাহেবদের অনুসরণ কি ইমামদের অন্ধ অনুসরণ নাকি নাকি জেনে বুঝে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ। এ পর্যায়ে আমি শুধু বুখারী, মুসলিম ও মুয়াত্তা মালেক থেকে রেফারেন্স দিব। কেননা ইতিহাসে এই তিনখানা কিতাব বিশুদ্ধতম হাদীসের কিতাব হিসেবে বিবেচিত। আমি পাঠকদের সুবিধার জন্য সব রেফারেন্স এখান থেকে দিলাম যাতে সহজে খুঁজে পেতে পারেন। ওখানে গিয়ে jumua বা khutba বা friday বা sermon ইত্যাদি word গুলো search দিলেই পেয়ে যাবেন ইনশা আল্লহ।

বুখারী
Narrated Abu Huraira: While ‘Umar (bin Al-Khattab) was delivering the Khutba on a Friday, a man entered (the mosque). ‘Umar asked him, “What has detained you from the prayer?” The man said, “It was only that when I heard the Adhan I performed ablution (for the prayer).” On that ‘Umar said, “Did you not hear the Prophet saying: ‘Anyone of you going out for the jumua prayer should take a bath’?”. (Book #13, Hadith #7)
খেয়াল করুন উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু খুতবা দেয়ার সময় একজন আসলেন, উনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন কোন জিনিস তোমাকে নামায পড়তে বাধা দিল। বাস্তব কথা হল তখন খুতবা শুরু হয়ে গেছে। খুতবা শুরু হলে আর নামায পড়া যায় না বলেই উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু তাকে জিজ্ঞাসা করলেন কোন জিনিস তোমাকে নামায পড়তে বাধা দিল, না হলে তিনি বলতেন নামায পড়ে নাও। এই হাদীসটি আরও কিছু সূত্রে বর্ণীত হয়েছে। ঐ লিংক থেকে দেখে নেয়ার অনুরোধ রইল।

Narrated Abu Huraira: The Prophet said, “When it is a Friday, the angels stand at the gate of the mosque and keep on writing the names of the persons coming to the mosque in succession according to their arrivals. The example of the one who enters the mosque in the earliest hour is that of one offering a camel (in sacrifice). The one coming next is like one offering a cow and then a ram and then a chicken and then an egg respectively. When the Imam comes out (for jumua prayer) they (i.e. angels) fold their papers and listen to the Khutba.” (Book #13, Hadith #51) এখানে লক্ষ্য করুন যখন ইমাম আসেন তখন ফিরিশতা তাঁর লেখা ব্ন্ধ করে খুতবায় মনোনিবেশ করেন। এজন্য খুতবা শুরুর পরে যারা মাসজিদে আসেন তাদের নাম জুমুআ’য় আংশগ্রহণ কারীদের লিস্টে লেখাই হয় না। এজন্য খুতবা শুরুর পর এসে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়ার কোন যুক্তি নেই। এই হাদিসে লক্ষ করুন ফিরিশতাদের যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল জুমুআ’র attendance নেয়া, তা বন্ধ করে দেন। কেননা খুতবা শুরু হওয়ার পর খুতবা শুনা ছাড়া আর কোন কাজ বৈধ নয়।

Narrated Abu Huraira: Allah’s Apostle (p.b.u.h) said, “When the Imam is delivering the khutba, and you ask your companion to keep quiet and listen, then no doubt you have done an evil act.” (Book #13, Hadith #56)
খেয়াল করুন খুতবা চলাকালীন অন্য কাউকে নসীহাত করাকেও গুনাহ বলা হয়েছে।

Narrated Sharik bin ‘Abdullah bin Abi Namir: I heard Anas bin Malik saying, “On a Friday a person entered the main Mosque through the gate facing the pulpit while Allah’s Apostle was delivering the khutba. The man stood in front of Allah’s Apostle and said, ‘O Allah’s Apostle! The livestock are dying and the roads are cut off; so please pray to Allah for rain.’ ” Anas added, “Allah’s Apostle (p.b.u.h) raised both his hands and said, ‘O Allah! Bless us with rain! O Allah! Bless us with rain! O Allah! Bless us with rain!’ ” Anas added, “By Allah, we could not see any trace of cloud in the sky and there was no building or a house between us and (the mountains of) Sila.” Anas added, “A heavy cloud like a shield appeared from behind it (i.e. Sila’ Mountain). When it came in the middle of the sky, it spread and then rained.” Anas further said, “By Allah! We could not see the sun for a week. Next Friday a person entered through the same gate and at that time Allah’s Apostle was delivering the Friday’s khutba. The man stood in front of him and said, ‘O Allah’s Apostle! The livestock are dying and the roads are cut off, please pray to Allah to with-hold rain.’ ” Anas added, “Allah’s Apostle I raised both his hands and said, ‘O Allah! Round about us and not on us. O Allah! On the plateaus, on the mountains, on the hills, in the valleys and on the places where trees grow.’ So the rain stopped and we came out walking in the sun.” Sharik asked Anas whether it was the same person who had asked for the rain (the last Friday). Anas replied that he did not know. (Book #17, Hadith #126)
খেয়াল করুন, এক বেদুঈন জুমুআ’র খুতবার সময় আসল, বৃষ্টি না হওয়ার অভিযোগ করল। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম দুআ’ করে দিলেন। পরের সপ্তাহেও একই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম দুই জুমুআ’র কোন জুমুআ’তেই তাঁকে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়তে বলেন নি। তাহলে কি রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামই নিজের বর্ণিত সহীহ হাদিস দুরে ঠেলে দিলেন? এই ঘটনাটি আরও বেশ কয়েকটি সূত্রে বুখারী শরীফেই বর্ণিত হয়েছে। পক্ষান্তরে আমাদের স্বঘোষিত আহলে হাদীস(?) ভাইয়ের উল্লেখ করা হাদিসটি বুখারী শরীফের মাত্র দুটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে তাও ওখানে তাহিয়াতুল মাসজিদ কিনা তা উল্লেখ নেই।

এভাবে বুখারী শরীফে আরও কিছু হাদীস উল্লেখ আছে যাতে একথা পরিষ্কার খুতবা শুনা ওয়াজিব। এবং ঐ একটি হাদীস ছাড়া বুখারী শরীফের অন্য কোন হাদীসে খুতবা বাদ দিয়ে (তাহিয়াতুল মাসজিদ কিনা অনিশ্চিত) নামায পড়ার কোন বর্ণনা আমার চোখে পড়েনি। কারও চোখে পড়লে আমাকে একটু জানাবেন।

মুসলিম
ইমাম মুসলিম রহ’মাতুল্লহ আ’লাইহি খুতবার সময় চুপ থাকার উপরে একটা স্বতন্ত্র অধ্যয় কায়েম করেছেন।
Chapter 154: EXCELLENCE OF ONE WHO LISTENS TO THE khutba (SERMON) WITH PERFECT SILENCE

মুয়াত্তা মালিক
Yahya related to me from Malik from Abu’z Zinad from al-Araj from Abu Hurayra that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, “Even saying to your companion ‘Listen’ while the imam is giving the khutba on the day of jumua, is to speak foolishly.” (Book #5, Hadith #5.2.6) এ রকম আরও কিছু হাদীস আছে যা বুখারী রহ’মাতুল্লহ আ’লাইহির বর্ণনায় আছে বলে উল্লেখ করা হল না। যাদের প্রয়োজন হয় দেখে নিবেন।

Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab that Thalaba ibn Abi Malik al Quradhi informed him that in the time of Umar ibn al Khattab they used to pray on the day of jumua until Umar came out, and when Umar came out and sat on the mimbar and the muadhdhins called the adhan, they would sit and talk, and then when the muadhdhins were silent and Umar stood to give the khutba, they would pay attention and no-one would speak . Ibn Shihab said, “The imam coming out stops prayer and his speaking stops conversation.” (Book #5, Hadith #5.2.7)
এখানে লক্ষ করুন, পরিষ্কার উল্লেখ আছে উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু খুতবা দিতে আসার আগ পর্যন্ত সবাই নামায পড়তেন। এবং ইমামের আগমন নামায বন্ধ করে দিত এবং তাঁর কথা পারস্পরিক কথাপোকথন বন্ধ করে দিত। আমাদের আহলে (মুনকিরে) হাদিস ভাই অভিযোগ করলেন আমরা নাকি লাল বাতি জ্বালিয়ে সহীহ হাদিস দূরে সরিয়ে দিয়েছি। অথচ এই সহীহ হাদিস(?) উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহুই প্রথম দূরে সরিয়ে দিয়ে ছিলেন। (মুনকিরে হাদিস ভাইদের ভাষ্যে তাই বুঝা যায়।) উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু এর ব্যপারে এমন আক্বীদাহ যদি কেউ রাখে তার ঈমান থাকবে কি?

Yahya related to me from Malik from Abu’n Nadr, the mawla of Umar ibn Ubaydullah, from Malik ibn Abi Amir that Uthman ibn Affan used to say in khutbas, and he would seldom omit it if he was giving the khutba, “When the imam stands delivering the khutba on the day of jumua, listen and pay attention, for there is the same portion for someone who pays attention but cannot hear as for someone who pays attention and hears. And when the iqama of the prayer is called, straighten your rows and make your shoulders adjacent to each other, because the straightening of the rows is part of the completion of the prayer.” Then he would not say the takbir until some men who had been entrusted with straightening the rows came and told him that they were straight. Then he would say the takbir. (Book #5, Hadith #5.2.8)
লক্ষ্য করে দেখুন, উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহু একথা খুব কম সময়ই বলতে ছাড়তেন (অর্থাৎ প্রায় সব সময় বলতেন) যখন ইমাম খুতবা জন্য দাঁড়ান শোন এবং মনোযোগ দাও। খুতবার সময় যদি তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়া বৈধ থাকত তাহলে তিনি তা অবশ্যই উল্লেখ করতেন যে, যারা নতুন আসবে তারা তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়ে নিও বাকিরা মনোযোগ দাও। কিন্তু এমন রেওয়ায়েত পাওয়া যায় না। খুতবার সময় তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়েছেন বা পড়তে বলেছেন এমন কোন রেওয়ায়েত কেউ পেয়ে থাকলে জানাবেন মেহেরবানী করে। যে হাদিসটা উল্লেখ করা হয়েছে তাতে তাহিয়াতুল মাসজিদ উল্লেখ নেই।

Yahya related to me from Malik from Nafi that Abdullah ibn Umar saw two men talking while the imam was giving the khutba on the day of jumua and he threw pebbles at them to tell them to be quiet. (Book #5, Hadith #5.2.9)
জুমুআ’র খুতবার সময় খুতবায় মনোযোগ না দেয়া এভাবি সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ’নহুম অপছন্দ করতেন।

Yahya related to me from Malik that he had heard that a man sneezed on the day of jumua while the imam was giving the khutba, and a man by his side asked Allah to bless him. Said ibn al Musayyab was asked about it and he forbade the man to do what he had done and said, “Don’t do it again.” (Book #5, Hadith #5.2.10) খুতবার সময় দুআ’ পড়েছেন বা দুআ’ করেছেন তাই নিষেধ করা হয়েছে, সেখানে নামায একটি পরিপূর্ণ দুআ’ তা কিভাবে বৈধ থাকতে পারে, খুতবা চলাকালীন?

Yahya related to me from Malik that he asked Ibn Shihab about talking in the jumua after the imam had come down from the mimbar but before he had said the takbir. Ibn Shihab said, “There is no harm in that.” (Book #5, Hadith #5.2.11) ইমাম মিম্বার থেকে নামার পরে কথা অনুমতি দেয়া হয়েছে এখানে, আগে নয়।

এভাবেই অসংখ্য হাদীস রয়েছে। অন্যান্য কিতাবের গুলো তো উল্লেখ করলামই না। পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে খুতবা চলাকালীন তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়া বৈধ নয় বরং নিষেধ। এর সাথে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের আ’মালের আবং উনার সম্মানিত সাহাবাহ রদিয়াল্লহু আ’নহুম দের আ’মালের কোন সম্পর্ক নেই। বরং এটা একটা নতুন আবিষ্কার এবং বিদআত

একই ভাবে আরেকটি মিথ্যা তথ্য উনি দিয়েছেন তা হল “আপনাদের মাযহাবে তাহিয়াতুল মসজিদ নফল“। বরং অনেক উলামাকেরামের মতে শরঈ কোন ওজর না থাকলে প্রতিদিন কমপক্ষে একবার তাহিয়াতুল মসজিদ পড়াটা ওয়াজিব। যারা উত্তরা বা আজিমপুরের কাছাকাছি থাকেন তারা প্রফেসর হামীদুর রহমান স্যার দামাত বারাকাতুহুমের জামাতা মুফতি হাবীবুর রহমানের থেকে তাহকীক করে নিতে পারেন মাসাআলাটা।একই ভাবে উলামাকেরাম বলেন মাসজিদে ঢুকে কোন আ’মাল না করে বের হয়ে আসা মাকরূহ। এজন্য ফরয নামাযের সময় ছাড়া অন্য কোন সময়ে মাসজিদের ঢুকলে তাহিয়াতুল মাসজিদ অবশ্যই পড়া চাই।

এভাবেই আহলে মুনকারে হাদীসের দল মাযহাবের উপর মিথ্যা অপবাদ চাপানোর জন্য রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীস জাল করে, অসংখ্য সহীহ অস্বীকার করে (রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস অস্বীকার করাকেও উলামাকেরাম কুফরী বলেছেন), সাহাবাহ কেরামদের আ’মাল কে মন্দ বলে যা কুফুরী, নতুন নতুন আ’মাল আবিষ্কার করে যা বিদআত। এদের থেকে দূরে থাকুন। এদের প্রতিহত করুন। এ কথার উপর ইয়াকীন রাখুন মাযহাবের প্রতিটি আ’মাল অত্যন্ত মজবুত দলীলের উপর প্রতিষ্ঠিত। বরং তাদের (স্বঘোষিত আহলে হাদিস তথা আহলে মুনকিরে হাদীস) প্রায় প্রতি আ’মালই নতুন বা বিদআত, জঈফ হাদীস কেন্দ্রীক, মনগড়া ব্যাখ্যা ভিত্তিক অথবা অপেক্ষাকৃত কম মজবুত দলীল ভিত্তিক। আর নিজেদের ঈমান আ’মাল বাঁচানোর জন্য ভালো কোন আলেমের সার্বক্ষণিক সাহচর্য গ্রহণ করুন। আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা সবাইকে বুঝ দান করুন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৭৭৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

১৯ টি মন্তব্য

  1. যে হাদীসগুলো ইংরেজীতে উল্লেখ করেছি পরবর্তীতে সময় পেলে বাংলায় অনুবাদ করে দিব ইনশা আল্লহ।

    ABU TASNEEM

    @Anonymous , আপনি যে অভিযোগ গুলি করলেন তা আদৌ ঠিক নয় । এখানে আমি তার জবাব দিয়ে দিচ্ছি ।

    ১।


    তাহিয়াতুল মাসজিদ শব্দ দুটি পাওয়া যায় নি। এদুটি উনার পক্ষ থেকে বানোয়াট বা জাল বর্ণনা। এভাবেই রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস বিকৃত করে উনারা সাধারণ মানুষদের ধোঁকা দিয়ে থাকেন।

    আমি তাহিয়াতুল মসজিদ শব্দ দুটি বন্ধনীর মধ্যে উল্লেখ করেছি । শুধু কারনেই বর্ণনা জাল / বানোয়াট হতে পারে না । হাদীছে এই সালাতের নির্দিষ্ট কোন নাম দেয়া হয়নি । শুধু বলা হয়েছে যখন কেই মসজিদে ঢুকবে তখন যেন দু’রাকাত সালাত আদায় করা ব্যতীত না বসে । এখানে হাদীসের শব্দাবলীর দিকে খেয়াল করে কেউ এর নাম দিয়েছেন তাহিয়াতুল মসজিদ , কেউ দিয়েছেন দুখুলুল মসজিদ । আর এ নাম ব্যবহার করার জন্য জাল , বানোয়াট বা বতিল হয়ে যায় না ।

    ২।

    একই ভাবে “অন্য হাদীসে বলা হয়েছে তুমি সংক্ষিপ্ত ভাবে দুই রাকাআত ( তাহিয়াতুল মাসজিদ ) সালাত আদায় কর ।” সংক্ষিপ্ত ভাবে দুই রাকাআত বুখারী শরীফের এমন কোন রেওয়ায়েত পাওয়া যায় নি। অন্য কোন কিতাবে আছে কিনা উনি কোন রেফারেন্স দেন নি।

    আমি শুধু বুখারীর রেফারেন্স দিইনি । আরও রেফারেন্স দিয়েছি । দেখুন ( বুখারী হা/৮৮৩ , ৮৮৪ ; মুসলিম হা/১৮৯৫ , ১৮৯৬ , ১৮৯৭ , ১৮৯৮ , ১৮৯৯ , ১৯০০ ; তিরমিযী ; ইবনে মাজাহ ; নাসাঈ হা/১৪০৩ ; আবু দাউদ হা/১১১৫ , ১১১৬ , ১১১৭)” উল্লিখিত অংশটুকু আছে আবু দাউদ হাদীস নং ১১১৬ , ২য় খন্ড , পৃঃ ১৩১ । সুতরাং অন্য হাদীসে আছে কিনা উনি কোন রেফারেন্স দেননি – এটা কিভাবে বলতে পারেন । বলুন আমি চেক করতে পারিনি । কারন আপনার রিসোর্স তো শুধু অনলাইন কিছু প্রকাশনা , আর দেওবন্দীদের কিছু ওয়েব সাইট । সেখানে যদি পান তাহলে বলেন আছে , আর সেখানে যদি না পান তাহলে বলেন নেই ।

    ৩।

    বক্ষ্যমান হাদীসখানা তাহিয়াতুল মাসজিদ শব্দ দুটি ছাড়া সহীহ। কিন্তু এর বক্তব্য স্পষ্ট নয়। ওখানে বর্ণিত দুই রাকায়াত আদৌ তাহিয়াতুল মাসজিদ কিনা নিশ্চিত হবার কোন উপায় নেই। একই ভাবে কোন ব্যক্তি এসেছিলেন তাও উল্লেখ নেই। থাকলে তাঁর বর্ণিত কোন হাদীস বিশ্লেষণ করে দেখা যেত। মোট কথা এই হাদীসে বর্ণিত নামায যে তাহিয়াতুল মাসজিদ নিশ্চিত নয়। অথচ উনি এটাকেই পুঁজি করে মাযহাবীদের গালাগালি করলেন। আমি পূর্বেই বলেছি মাযহাবকে মন্দ বলার অর্থ হল ঐ মাযহাবের সকল ইমাম, আলেম ও অনুসারীদের মন্দ বলা।

    আমি আগেই বলেছি হাদীসে এ সালাতের কোন নির্দিষ্ট নাম ব্যবহার করা হয়নি । শুধু গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে । সুতরাং তাহিয়াতুল মসজিদ /দুখুলুল মসজিদ/ বুঝেন আর না বুঝের এর গুরুত্ব অস্বীকার করতে পারেন না । আর কোন ব্যক্তি এসেছিল , এটা প্রকাশ করা বা সেই ব্যক্তির হাদীস বর্ণনা করাও জরুরী নয় । যেমন আপনার উল্লেখ করা বেদুঈন এর হাদীসে বর্ণনাকারী সেই বেদুঈন নয় , বা তার নামও উল্লেখ করা হয়নি । এখানে কেউ যদি বলে তার থেকে বর্ণিত কোন হাদীস পেলে বিশ্লেষণ করে দেখা যেত – এটাকে আপনি গোঁড়ামী ছাড়া অন্য কিছু বলবেন কি?

    ৪।

    খেয়াল করুন উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু খুতবা দেয়ার সময় একজন আসলেন, উনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন কোন জিনিস তোমাকে নামায পড়তে বাধা দিল। বাস্তব কথা হল তখন খুতবা শুরু হয়ে গেছে। খুতবা শুরু হলে আর নামায পড়া যায় না বলেই উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু তাকে জিজ্ঞাসা করলেন কোন জিনিস তোমাকে নামায পড়তে বাধা দিল, না হলে তিনি বলতেন নামায পড়ে নাও। এই হাদীসটি আরও কিছু সূত্রে বর্ণীত হয়েছে। ঐ লিংক থেকে দেখে নেয়ার অনুরোধ রইল।

    এটা হচ্ছে হচ্ছে আপনার অপব্যাখ্যা । যদি সে রাসূল সাঃ এর শিক্ষা অনুযায়ীই কাজ করে থাকে তাহলে তাকে তো আর প্রশ্ন করার দরকার ছিল না । সে তো সুন্নাহ মতই কাজ করেছে , তাহলে ওমর রাঃ খুৎবার মধ্যে আবার জিজ্ঞেস করার কি প্রয়োজন ছিল । বরং সে সুন্নাহর বিপরীত কাজ করার ওমর রাঃ তাকে স্মরণ করিরে দিয়ে তিনিও একটি সুন্নাতের উপর আমল করেছেন । তাই নয় কি ? যারা প্রতিষ্ঠিত নিয়মের ভিতরে কাজ করে তাদেরকে কখনও জিজ্ঞেস করা হয় না , জিজ্ঞেস করা হয় তাদেরকে যারা এর বিপরীত কাজ করে । এটাই স্বাভাবিক নিয়ম । কোন হাদীস আপনাদের (মাযহাবীদের) পছন্দ না হলে , আপনাদের মতামতের বিপরীত হলে এভাবেই আপনারা অপব্যাখ্যা করে থাকেন – এটাই আপনাদের চিরাচরিত স্বভাব ।

    ৫।

    এখানে লক্ষ্য করুন যখন ইমাম আসেন তখন ফিরিশতা তাঁর লেখা ব্ন্ধ করে খুতবায় মনোনিবেশ করেন। এজন্য খুতবা শুরুর পরে যারা মাসজিদে আসেন তাদের নাম জুমুআ’য় আংশগ্রহণ কারীদের লিস্টে লেখাই হয় না। এজন্য খুতবা শুরুর পর এসে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়ার কোন যুক্তি নেই। এই হাদিসে লক্ষ করুন ফিরিশতাদের যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল জুমুআ’র attendance নেয়া, তা বন্ধ করে দেন। কেননা খুতবা শুরু হওয়ার পর খুতবা শুনা ছাড়া আর কোন কাজ বৈধ নয়।

    এর দ্বারা কখনই প্রমাণ হয় না যে খুৎবা শুরু হওয়ার পর তাহিয়াতুল মসজিদ সালাত আদায় করা নিষেধ । বরং এর দ্বারা খুৎবার গুরুত্ব বুঝানো হয়েছে । খুৎবা চলাকালীন অন্য কোন কাজ করা এমনকি অন্যকে সতর্ক করাও বৈধ নয় । কিন্তু খুৎবা চলাকালীন অবস্থায়ও সংক্ষিপ্ত হলেও তাহিয়াতুল মসজিদ পড়তে হবে এটা তিনিই শিখিয়েছেন , যিনি খুৎবার গুরুত্ব শিখিয়েছেন । সুতরাং সুন্নাহকে লাল বাতি না জ্বালিয়ে আসুন সুন্নাহর কাছে আত্মসমর্পন করি । কারণ রাসূল সাঃ কে ভালবাসার মানে হচ্ছে সুন্নাহকে ভালবাসা , সুন্নাহ অনুসরণ করা ।

    ৬।

    খেয়াল করুন, এক বেদুঈন জুমুআ’র খুতবার সময় আসল, বৃষ্টি না হওয়ার অভিযোগ করল। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম দুআ’ করে দিলেন। পরের সপ্তাহেও একই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম দুই জুমুআ’র কোন জুমুআ’তেই তাঁকে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়তে বলেন নি। তাহলে কি রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামই নিজের বর্ণিত সহীহ হাদিস দুরে ঠেলে দিলেন? এই ঘটনাটি আরও বেশ কয়েকটি সূত্রে বুখারী শরীফেই বর্ণিত হয়েছে। পক্ষান্তরে আমাদের স্বঘোষিত আহলে হাদীস(?) ভাইয়ের উল্লেখ করা হাদিসটি বুখারী শরীফের মাত্র দুটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে তাও ওখানে তাহিয়াতুল মাসজিদ কিনা তা উল্লেখ নেই।

    একটি হাদীসে সকল বিষয় উল্লেখ থাকতে হবে এটা যৌক্তিক কথা নয় । মূল যেটা প্রকাশ করা উদ্দেশ্য একজন রাবী সেটাই প্রকাশ করেন । কুরআন এবং হাদীসে এর অসংখ্য উদাহরণ দেখতে পাবেন । তাহলে কি বলবেন যে এগুলি সত্য নয় বানিয়ে বলতে যেয়ে বর্ণনার মধ্যে একেক জায়গায় একেক রকম হয়েছে । আল্লাহ আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুন ।

    আজকে আর সময় নেই । কাজে যেতে হবে আগামীকাল ইনশা-আল্লাহ বাকী গুলো জবাব দেব ।

    Anonymous

    @ABU TASNEEM,
    ১) হাদীস যে ভাবে আছে ঐ ভাবেই বর্ণনা করার নিয়ম। আপনি নিজে থেকে কোন শব্দ যোগ করতে পারেন না। বড়জোর আপনি এতটুকু করতে পারেন হাদীসখানা বর্ণনা করে এরপর অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ কি ব্যাখ্যা করেছেন তা উল্লেখ করা। আপনি তা কোনটাই করেন নি। বরং নিজে থেকে যোগ করেছেন। এবং নিজে থেকে ব্যাখ্যা করেছেন। এই হাদীস দ্বারা কিভাবে তাহিয়াতুল মাসজিদ বা দুখুলুল মাসজিদ নিশ্চিত হওয়া যায়, একটু বলবেন।
    “শুধু বলা হয়েছে যখন কেই মসজিদে ঢুকবে তখন যেন দু’রাকাত সালাত আদায় করা ব্যতীত না বসে ” এটা এই হাদীসে বলা হয় নি। বরং অন্য কোন হাদীসে বলা হয়ে থাকতে পারে। রেফারেন্স উল্লেখ করলে উত্তর দিতে পারব ইনশা আল্লহ। আপনি বুখারী শরীফের ১১৬৭নং হাদীসের রেফারেন্স উল্লেখ করেছেন ওখানে তাহিয়াতুল মাসজিদ সম্পর্কে কোন হাদীস নেই, আছে ৭ জিনিস করা এবং ৬ জিনিস না করার হাদীস। এজন্য আপনার রেফারেন্সে আস্থা রাখা মুশকিল। আপনি এরপোর কোন হাদীস উল্লেখ করলে আগে হাদীস উল্লেখ করবেন এরপর সূত্র উল্লেখ করবেন। শুধু একটি হাদীস লিখে কিছু নম্বর ধরিয়ে দিবেন না।

    ২) আমি নেই একথা বলিনি। বলেছি আপনি রেফারেন্স দেন নি। যেহেতু আপনি একটি বড় অভিযোগ করেছেন তাই রেফারেন্স উল্লেখ করাটা জরুরী।

    ৩) তাহিয়াতুল মাসজিদের গুরুত্ব অস্বীকার করা হয় নি। বলেছি এই হাদীস দ্বারা দুখুলুল মাসজিদ বা তাহিয়াতুল মাসজিদ নিশ্চিত ভাবে জানা যায় না। বলেছি যাঁকে বলা হয়েছে তাঁর থেকে বর্ণিত অন্যান্য কোন হাদীস দিয়ে হয়ত নিশ্চিত হওয়া যেত। আর অনিশ্চিত কোন আ’মাল দিয়ে কোন মাযহাবের সকল ইমাম, সকল আলেম ও সকল অনুসারীদের গালাগালি করা যায় না।

    ৪) “সে তো সুন্নাহ মতই কাজ করেছে , তাহলে ওমর রাঃ খুৎবার মধ্যে আবার জিজ্ঞেস করার কি প্রয়োজন ছিল” তিনি (যেঁ সাহাবীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে) সুন্নত মত কাজ করেন নি। বরং সুন্নত ছিল খুব তাড়াতাড়ি মাসজিদে চলে আসা। শুরু থেকে আ’মালে শরীক হওয়া। তিনি তা হতে পারেন নি। দেখুন যদি খুতবা চলাকালীন উনি গোসলের গুরুত্ব বুঝাতেও ছাড়েন নি। তাই খুতবা চলাকালীন নাযাম বৈধ থাকলে তাও পড়তে বলতেন। “কোন হাদীস আপনাদের (মাযহাবীদের) পছন্দ না হলে , আপনাদের মতামতের বিপরীত হলে এভাবেই আপনারা অপব্যাখ্যা করে থাকেন” দেখুন শাফেয়ী মাযহাবে কিন্তু ঐ সময় নামায পড়া বৈধ বলা হয়েছে। কাজেই মাযহাবী বলে গালি দেয়াটা সমীচীন নয়। ইমাম শাফেয়ী রহ’মাতুল্লহ আ’লাইহি এর ঐ মাসায়ালার কারণে হানাফী আলেমগণ কখনও উনাকে খারাপ বলেন নি। শাফেয়ী মাযহাবের কোন আলেমও তাদের মতের বিপরীত হবার কারণে হানাফী আলেমদের গালাগালি করেন নি। কিন্তু আপনারা আপনাদের মতের বিপরীত কিছু হলেই গালাগালি আরম্ভ করেন। পার্থক্যটা এখানে। হানাফী আলেমদের খুতবার গুরুতের উপরে অসংখ্য সহীহ হাদিস থাকার কারণেই খুতবার সময় অন্যান্য আ’মাল নিষেধ করা হয়েছে। সাহাবাহ কেরামদের জামানাতেও এমনই আ’মাল হত দেখুন
    Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab that Thalaba ibn Abi Malik al Quradhi informed him that in the time of Umar ibn al Khattab they used to pray on the day of jumua until Umar came out, and when Umar came out and sat on the mimbar and the muadhdhins called the adhan, they would sit and talk, and then when the muadhdhins were silent and Umar stood to give the khutba, they would pay attention and no-one would speak . Ibn Shihab said, “The imam coming out stops prayer and his speaking stops conversation.” (Book #5, Hadith #5.2.7)
    এখানে লক্ষ করুন, পরিষ্কার উল্লেখ আছে উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু খুতবা দিতে আসার আগ পর্যন্ত সবাই নামায পড়তেন। এবং ইমামের আগমন নামায বন্ধ করে দিত এবং তাঁর কথা পারস্পরিক কথাপোকথন বন্ধ করে দিত।

    ৫) এখানে বর্ণিত হাদীস থেকে একথা পরিষ্কার জুমুআ’র দিন খুব তাড়াতাড়ি মাসজিদের হাজির হবার জন্য বলা হয়েছে। যেন উম্মতের মাঝে জুমুআ’র দিন আগে আগে হাজির হবার এক প্রতিযোগীতা হয়। এবং এমন প্রতিযোগীতাই ছিল সাহাবাহ রদিয়াল্লহু আ’নহুমদের জামানায়। কেউ দেরি করলে তাঁকে জবাবদিহি করতে হত। এমন হাদীস ইতিমধ্যেই উল্লেখ করা হয়েছে।

    ৬) আমার বলার উদ্দেশ্য ছিল আপনি শুধু একটি ঘটনার উল্লেখ করে মাযহাবের সকল ইমাম, আলেম ও অনুসারীদের গালাগালি করলেন। অসংখ্য হাদীসে খুতবার সময় কথা, দুআ’ এমন কি হাতের ইশারায় নসীহাতও নিষেধ করা হয়েছে। একটি ঘটনার দ্বারা কি আপনি সকল হাদিস অস্বীকার করবেন? বরং এটাই বেশী সম্ভাবনা যে, ঐ ঘটনা একটি exception ছিল। exceptional কোন ঘটনা দিয়ে কোন আ’মাল প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। খুতবার সময় তাহিয়াতুল মাসজিদ থাকলে তা সাহাবাহদের জামানায় আম রেওয়াজ হয়ে যেত। কিন্তু এমন কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। বরং আম ভাবে সবাই আগে আগে মাসজিদে চলে আসত এমনটাই পাওয়া যায়।

    সবচেয়ে বড় কথা হল এমন বেশ কিছু ব্যপারে উম্মতের উলামা কেরাম একমত হতে পারেন নি। কেননা বিপরীতমুখী অনেক হাদীস পাওয়া যায়। কিছু কিছু হাদীসের ব্যপারে মানসুখ হওয়া সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। কিছু কিছু ব্যপারে হওয়া যায় নি। সে ক্ষেত্রে একেক ইমাম একেক হাদীসের উপর আ’মাল করেছেন। সব মাযহাবেও এমনটা হয়েছে। হানাফী আলেমগণও নিজেদের মধ্যে অনেক ব্যপারে একমত হতে পারেন নি। এটা খুবই স্বাভাবিক। সাহাবাহ কেরামও নিজেদের মধ্যে সব সময় একমত হতে পারেন নি। কিন্তু এই জন্য কাউকে গালাগালি করতে দেখা যায় নি। কিন্তু আপনারা এইসব এখতেলাফী জিনিস গুলো সামনে নিয়ে আসছেন, আ’মাল প্রতিষ্ঠিত করার জন্য নয় বরং গালাগালি করার জন্য। অথচ দেখুন আপনাদের গুরু শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী নিজেও অনেক ব্যপারে একমত হতে পারেন নি। তিনি কখনও এক হাদীসকে সহীহ বলেছেন, আরেক জায়গায় ঐ একই হাদীস কে জঈফ বলেছেন। এইজন্য আপনারা তাঁকে কখনও গালাগালি করেছেন শুনিনি। আমাদের দেশীয় উলামাকেরাম সম্পর

    ABU TASNEEM

    @Anonymous,

    এখানে লক্ষ করুন, পরিষ্কার উল্লেখ আছে উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু খুতবা দিতে আসার আগ পর্যন্ত সবাই নামায পড়তেন। এবং ইমামের আগমন নামায বন্ধ করে দিত এবং তাঁর কথা পারস্পরিক কথাপোকথন বন্ধ করে দিত। আমাদের আহলে (মুনকিরে) হাদিস ভাই অভিযোগ করলেন আমরা নাকি লাল বাতি জ্বালিয়ে সহীহ হাদিস দূরে সরিয়ে দিয়েছি। অথচ এই সহীহ হাদিস(?) উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহুই প্রথম দূরে সরিয়ে দিয়ে ছিলেন। (মুনকিরে হাদিস ভাইদের ভাষ্যে তাই বুঝা যায়।) উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু এর ব্যপারে এমন আক্বীদাহ যদি কেউ রাখে তার ঈমান থাকবে কি?

    এখানে কি বলা হয়েছে যে ওমর রাঃ তাহিয়াতুল মসজিদ সালাত পড়তে নিষেধ করেছেন । বরং এখানে সুন্নাত পদ্ধতিই প্রকাশ পেয়েছে যে , জুমআর দিনে সবাই তাড়াতাড়ি এসে তাহিয়াতূল মসজিদ পড়ার পর ইমাম আসার আগ পর্যন্ত যার যত ইচ্ছা নফল সালাত পড়তে থাকবে । ইমাম এসে গেলে খুৎবা শুনার জন্য বসে যাবে । কিন্তু কেউ যদি দেরি করে আসে তাহলে সে সংক্ষিপ্তভাবে দুই রাকাত সালাত আদায় করে বসে যাবে । এটাই সুন্নাত । কিন্তু আপনারা ইমাম আসার আগ পর্যন্ত নফল সালাত পড়ার এ সুন্নাতকে দূরে ঠেলে দিয়ে লাল বাতি জ্বালিয়ে দিয়েছেন । আপনি নিজেই দেখেন মসজিদে লাল বাতি জ্বালানো হয় মূল খুৎবার সময় নয় । বাংলা বয়ানের সময় । আর এই সুন্নাতকে লাল বাতি জ্বালিয়ে আপনারা এমন এক সুন্নাতকে গুরুত্ব দিলেন (ক্বাবলাল জুমআ) , নবী সাঃ থেকে যার কোন প্রমাণ নেই । না তিনি কখনও ক্বাবলাল জুমআ পড়েছেন , না পড়তে বলেছেন ?

    আপনি বলেছেন এটি ছিল ব্যতিক্রমী একটি ঘটনা । হ্যাঁ ব্যতীক্রমী হওয়ারই কথা । কারণ তখন সাহাবীদের ঈমানী জজবা আমাদের সমাজের লোকদের মত ছিল না যে তারা অহরহ দেরী করে আসবে । যেমন হাতিব রাঃ একজন ভাল মানের এবং বদরী সাহাবী হওয়ার পরেও কাফিরদের কাছে চিঠি লিখেছিলেন । এটা ব্যতিক্রমী এখন আপনি যদি ব্যতিক্রমী বলে ঘটনাকেই অস্বীকার করেন তাহলে আরও হাজার হাজার ঘটনা আপনাকে অস্বীকার করতে হবে ।

    বরং এই ব্যতিক্রমী ঘটনার পর নবী সাঃ তাকে দেরী না করে মসজিদে না আসার নসীহাত করতে পারতেন । কিন্তু তিনি তা না করে সংক্ষিতভাবে তাকে সেই সালাত পড়ালেন । এবং এর গুরুত্ব বুঝিয়ে দিলেন যে , এটার গুরুত্বও কোন অংশে কম নয় ।

    Anonymous

    @ABU TASNEEM,”এখানে কি বলা হয়েছে যে ওমর রাঃ তাহিয়াতুল মসজিদ সালাত পড়তে নিষেধ করেছেন।” এটা খুতবা বাদ দিয়ে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়ার কোন দলীল হতে পারে না। বরং সাহাবাহদের আ’মালই এটা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট যে খুতবা শুরুর পর খুতবা শুনা ছাড়া আ’মাল নেই। উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহু খুতবা শুরুর পর নামায পড়েন নি, এটা কি যথেষ্ট নয়? একই ভাবে কঠোর ভাবে খুতবায় মনোযোগ দেয়ার নির্দেশ কি যথেষ্ট নয়? আর তাহিয়াতুল মাসজিদ যদি এতি গুরুত্বপূর্ণ হবে যা দিয়ে হাজার বছর ধরে লাখো আলেমর গবেষণাকে মন্দ বলে যাবে তা হলে তো এটা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ থাকারই কথা। আনাস রদিয়াল্লহু আ’নহু এত গরুত্বপূর্ণ একটি আ’মাল উল্লেখ করলেন না, উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু উল্লেখ করলেন না, উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহু আ’মাল করলেন না তাহলে কি উনারা সবাই এতবড় একটা আ’মালের কথা স্মরন করিয়ে দিতে ভুলে গেলেন? এভাবে মনগড়া ব্যাখ্যা করবেন না হাদীস উল্লেখ করুন বা মুহাদ্দিসদের দলীল উল্লখ করুন।

    “জুমআর দিনে সবাই তাড়াতাড়ি এসে তাহিয়াতূল মসজিদ পড়ার পর ইমাম আসার আগ পর্যন্ত যার যত ইচ্ছা নফল সালাত পড়তে থাকবে । ইমাম এসে গেলে খুৎবা শুনার জন্য বসে যাবে । কিন্তু কেউ যদি দেরি করে আসে তাহলে সে সংক্ষিপ্তভাবে দুই রাকাত সালাত আদায় করে বসে যাবে । এটাই সুন্নাত ।” এভাবেই করা হয়। তবে আরবী খুতবা যাকে পরিভাষায় খুতবা বলা হয়, সাহাবাহ কেরামদের আমাল দ্বারা প্রমাণিত, প্রচুর হাদীস দ্বারা প্রমাণিত এসময় অন্য আ’মাল বৈধ নয়।

    ” কিন্তু আপনারা ইমাম আসার আগ পর্যন্ত নফল সালাত পড়ার এ সুন্নাতকে দূরে ঠেলে দিয়ে লাল বাতি জ্বালিয়ে দিয়েছেন ।” এমন কোথাও করা হয় বলে আমার জানা নেই। এটা আপনার বানোয়াট কথা। না হয় বলুন কোথায় ইমাম আসার আগে নামায নিষেধ করা হয়েছে?

    “আপনি নিজেই দেখেন মসজিদে লাল বাতি জ্বালানো হয় মূল খুৎবার সময় নয়। বাংলা বয়ানের সময়।” এটাই যদি আপনার অভিযোগ থাকে তাহলে আমিও আপনার সাথে একমত। কিন্তু যে পোস্ট কে সামনে নিয়ে এই পোস্ট সেখানে আপনি এই অভিযোগ করেন নি। বরং খুতবার কথা বলেছেন। এরপর এই হাদীস দিয়ে আমাদের উপর শিরকের অভিযোগ এনেছেন। এটা একটা প্রয়োজনের খাতিরে করা হয়। কেননা আমাদের সমাজ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাবার কারণে সমাজে নসীহাতের রাস্তা প্রায় বন্ধ। একারণে ইমাম সাব রা জুমুআ’র সমাবেশে সুযোগে কিছু নসীহাত করেন। ওসময় কাউকে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়তে নিষেধ করা হয় না। যদি কেউ করে আমি তাকে অবশ্যই মন্দ বলব। এই নসীহাত শুনা ওয়াজিব নয়। যে সব মাসজিদে নিয়ন্ত্রন উলামাদের হাতে যেমন কাকরাইল মাসজিদ, ওখানে এভাবে জুমুআ’র আগে কোন বয়ান হয় না।

    “আর এই সুন্নাতকে লাল বাতি জ্বালিয়ে আপনারা এমন এক সুন্নাতকে গুরুত্ব দিলেন (ক্বাবলাল জুমআ) , নবী সাঃ থেকে যার কোন প্রমাণ নেই । না তিনি কখনও ক্বাবলাল জুমআ পড়েছেন , না পড়তে বলেছেন ?” এটা শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানীর (আল্লহ তাঁকে মাফ করুন) কথা। উনার দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। বরং প্রচুর ভুলে ভরা। একটা লিংক আপনাকে দিয়েছিলাম আগেই কাবলাল জুমুআ’ সম্পর্কে। পরে সুযোগ পেলে আরও দিব।

    “বরং এই ব্যতিক্রমী ঘটনার পর নবী সাঃ তাকে দেরী না করে মসজিদে না আসার নসীহাত করতে পারতেন।” এটা কোন যুক্তির কথা নয় যার মাধ্যমে আপনি ঐ নামায না পড়াকে শিরক বলতে পারেন। আপনি কিন্তু ঐ পোস্টে তাই বলেছিলেন। রবং এই নামাযকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য আরও হাদিসের প্রেক্ষিতে খুতবার সময় অন্য আ’মালকে স্থগিত করা হয়েছে।

    Anonymous

    @ABU TASNEEM, ক্ববলাল জুমুআ’হর জন্য এই লিংকটি দেখুন

    আর যে ব্যতিক্রমী ঘটনা আপনি উল্লেখ করলেন, ঐ হাদীসের বর্ণনাকারী জাবের রদিয়াল্লহু আ’নহু ঐ হাদীসের ভিত্তিতে খুতবা চলাকালীন মাসজিদের এসে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়েছেন এমন কোন বর্ণনা আছে আপনার কাছে? উ’মার বা উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহুমার জামানায় এমন পড়েছেন কেউ, এমন দলীল দিলে খুশি হব।

    ধন্যবাদ।

    ABU TASNEEM

    @Anonymous , এই লিংক গুলিও দেখুন ক্বাবলাল জুমআর জন্য জুমআর আগে কোন নিয়মিত সুন্নাত নেই

    জুমআর আগে কোন নিয়মিত সুন্নাত নেই

    মুফতী ইবরাহীম একজন বিদআতী আলেম । তার দেয়া দলীল গুলি সবই জাল যঈফ । সেগুলি দ্বারা ক্বাবলাল জুমআ প্রমাণিত হয় না । আর এজন্য আরব দেশগুলোতে ক্বাবলাল জুমআ নামে কোন সালাত নেই ।

    Anonymous

    @ABU TASNEEM, আপনারা বিদআতের যে সংজ্ঞা দেন সে অনুসারে মুফতি ইবরহীম দেশাই দামাতবারাকাতুহুম বিদআতী তাতে কোন সন্দেহ আমি করছি না। কিন্তু শারীয়াতের পরিভাষায় এই জামানায় অমুসলিম দেশে বসবাসকারী মুসলমানদের জন্য তিনি আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লার পক্ষ থেকে এক বিশেষ নিয়ামত। দেশে দেশে সুন্নত জিন্দাকারী এবং বিদআত খতমকারী এক মুজাহিদ।

    তার দেয়া দলীলগুলো জাল যঈফ, এটা মুখে না বলে প্রমাণ করুন।

    ” আর এজন্য আরব দেশগুলোতে ক্বাবলাল জুমআ নামে কোন সালাত নেই ।” এটা আপনার দেয়া মিথ্যা বা ভুল তথ্যের আরেক নমুনা। যে লিংক দিয়েছি তাতে আরব আলেমদের দলীল দেয়া আছে।

    যাই হোক, আপনি প্রসঙ্গ ঘুরাচ্ছেন। এই ব্যাপারে আলাপ থাকলে ভিন্ন পোস্ট দেন। যে ব্যপারে আলাপ হচ্ছিল তার ব্যপারে কোন দলীল থকলে বলুন।

    Anonymous

    @ABU TASNEEM,দুঃখ জনক! যে দলীলগুলো খন্ডন করা হয়েছে সেগুলোই আবার পেশ করেছেন। আর ইবরহীম দেশাই দামাত বারাকাতুহুমের কোন দলীল খন্ডন না করে বিদআতী হিসেবে গালি দিলেন!!

    Anonymous

    @ABU TASNEEM,এই হাদিসখানা দেখুন মুসলিম শারীফ থেকে
    Abu Huraira reported: umar b. Khattab was delivering a sermon to the people on friday when ‘uthman b. ‘Affan came there. ‘umar hinting to him said: What would become of those persons who come after the call to prayer? Upon this ‘uthman said: Commander of the faithful, I did no more than this that after listening to the call, I performed ablution and came (to the mosque). ‘umar said: Just ablution! Did you not bear the Messenger of Allah (my peace be upon him) say this: When any one of you comes for Jumu’a, he should take a bath. (Book #004, Hadith #1837)
    এখানে পরিষ্কার ইঙ্গিত, উ’মার রদিয়াল্লহু আ’নহু যাঁকে বলেছিলেন কিসে তোমাকে নামায থেকে বিরত রাখল, তিনি উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহু ছিলেন। আপনি বুঝতে পারলেন খুতবা শুরু হলেও তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়তে হবে আর উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহু বুঝেন নি?

    উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহু খুতবা শুরু হবার পর এর চেয়ে অন্য কিছুকে গুরুত্বপুর্ণ মনে করতেন না। এই নীতিতেই তিনি অটল ছিলেন। এজন্যই পরবর্তীতে তাঁর নিজের খিলাফাতের জামানায় খুতবায় মনোযোগ দেয়ার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ দিতেন।
    Yahya related to me from Malik from Abu’n Nadr, the mawla of Umar ibn Ubaydullah, from Malik ibn Abi Amir that Uthman ibn Affan used to say in khutbas, and he would seldom omit it if he was giving the khutba, “When the imam stands delivering the khutba on the day of jumua, listen and pay attention, for there is the same portion for someone who pays attention but cannot hear as for someone who pays attention and hears. And when the iqama of the prayer is called, straighten your rows and make your shoulders adjacent to each other, because the straightening of the rows is part of the completion of the prayer.” Then he would not say the takbir until some men who had been entrusted with straightening the rows came and told him that they were straight. Then he would say the takbir. (Book #5, Hadith #5.2.8) মুয়াত্তা মালিক।

    এই ঘটনাটি বুখারী শরীফেও আছে যেখানে উ’সমান রদিয়াল্লহু আ’নহুর নাম নেই কিন্তু প্রথাম সারির মুহাজির উল্লেখ আছে।
    Narrated Ibn ‘umar: While umar bin Al-Khattab was standing and delivering the sermon on a friday, one of the companions of the Prophet, who was one of the foremost Muhajirs (emigrants) came. ‘umar said to him, “What is the time now?” He replied, “I was busy and could not go back to my house till I heard the Adhan. I did not perform more than the ablution.” Thereupon ‘umar said to him, “Did you perform only the ablution although you know that Allah’s Apostle (p.b.u.h) used to order us to take a bath (on fridays)?” (Book #13, Hadith #3) বুখারী

    তো প্রথমসারীর মুহাজির সাহাবী জানলেন না, উ’সমান রদইয়াল্লহু আ’নহু জানলেন না, জানলেন আপনি!! আর কত এভাবে হাদীস বিকৃত করবেন আর আল্লহর রসুলের সাহাবীদের সাথে দুশমনী করবেন? এখনও কি হক্ব কবুল করার সময় আসে নি?

    Anonymous

    @ABU TASNEEM,”এক বেদুঈন জুমুআ’র খুতবার সময় আসল, বৃষ্টি না হওয়ার অভিযোগ করল। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম দুআ’ করে দিলেন। পরের সপ্তাহেও একই ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম দুই জুমুআ’র কোন জুমুআ’তেই তাঁকে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়তে বলেন নি।” এর উত্তরে আপনি বলেছেন–
    একটি হাদীসে সকল বিষয় উল্লেখ থাকতে হবে এটা যৌক্তিক কথা নয়। মূল যেটা প্রকাশ করা উদ্দেশ্য একজন রাবী সেটাই প্রকাশ করেন। কুরআন এবং হাদীসে এর অসংখ্য উদাহরণ দেখতে পাবেন। তাহলে কি বলবেন যে এগুলি সত্য নয় বানিয়ে বলতে যেয়ে বর্ণনার মধ্যে একেক জায়গায় একেক রকম হয়েছে।

    প্রথমেই স্বীকার করে নিচ্ছি, আমি আপনার উল্লেখ করা হাদিস অসত্য বলিনি, বলেছি ওখানে আপনি নিজে থেকে কিছু শব্দ উল্লেখ করেছেন যা মূল হাদীসে নেই এবং এহেন কাজ খুবই গর্হিত। তবে জুমুআ’র খুতবা বাদ দিয়ে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়া যদি এতই গুরুত্বপূর্ণ হবে যার উপর ভিত্তি করে পুরো এক মাযহাবের লাখো আলেমের সহস্র বছরের গবেষণার ফসলকে এক বাক্যে মন্দ বলা যাবে, তাহলে তা অবশ্যই থাকত। যেমন জুমুআ’র খুতবা চলাকালীন চুপ করে শুনার কথা অসংখ্য সহীহ রেওয়ায়েতে পাওয়া যায়। আমি মাত্র কয়েকখানা উল্লেখ করেছি। কিন্তু খুতবা বাদ দিয়ে নামায পড়েছেন এমন একটা ঘটনাই জাবের রদিয়াল্লহু আ’নহু এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। এই ঘটনাই যদি অন্য কোন সাহাবীর সূত্রে পেয়ে থাকেন তাহলে জানাবেন। এবং খুতবা বাদ দিয়ে তাহিয়াতুল মাসজিদ পড়ার অন্য কোন ঘটনা যদি থাকে তাও জানাবেন।

  2. ওদের কাজ হল ফিৎতা সৃস্টি করা । ওরা আহলে হাদিস নয় ,বরং আহলে হদস।

    Mohammad Fourkan Hamid

    @এম এম নুর হোসেন,সহমত!!!

  3. শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানীর মতদ্বৈততার কিছু নমুনা এখানে এবং এখানে পাবেন।

  4. সত্য সন্ধানীদের জন্য আরো কিছু লিংক

    Allah Ta’ala has mentioned in the noble Qur’aam, ‘When the Qur’aan is recited, listen to it with attention and remain silent so that you may receive mercy.’ (al-A’raaf)

    The Mufassireen (commentators of the Qur’aan) have stated that this refers to Salaat and the Khutbah of Jummu’ah. Such was the Tafseer of Mujaahid, Attaa, Sa’eed ibn Jubayr and others. (Tafsir ibn Katheer vol.2 pg.292-3).

    Hence, the obligation of keeping quite during the Khutbah will be preferred to the performing 2 Rakaats Tahiyyatul Masjid upon entering the Musjid which in principle is Mustahabb (preferred act). An obligation cannot be left out due to the fulfillment of a Mustahabb.

    In fact, Rasulullah (Sallallaahu Alayhi Wasallam) has mentioned that if anyone during the time of the Khutbah advises his brother to keep quite, then he (the advisor) has committed a void action (and his reward will be decreased). This further emphasizes the obligation of listening attentively to the Khateeb (speaker). For this reason, it was the Madhab of many Sahaaba (Radhiallaahu Anhum) and Taabi’een that they would not perform these 2 Rakaats while the Khutbah was taking place. This was the practice of the likes of Sayyiduna Umar, Uthmaa, Aliyy, ibn Abbaas and others (Radhiallaahu Anhum). (See Musannaf ibn Abi Shaybah; Musannaf Abdur Razzaaq, Nasbur Raaya and Bazlul Majhood vol.2 pg.192)

    As for Nafl before Maghrib Salaats, its permissibility is proven through various Ahaadith. However, this was not a constant practice of Rasulullah (Sallallaahu Alayhi Wasallam). In fact, nor was it the practice of the Khulafaa-e-raashideen. Instead, the actual practice of Rasulullah and the majority of many companions was to hasten with the Fardh of Maghrib Salaat. (Tahawi). আসক ইমাম সাইট থেকে নেয়া।

    Allah Taala commands us in the Holy Quraan: “When the Quraan is read, listen to it with attention and hold your peace: that ye may receive mercy.” (Verse 204, Surah Al-A’araaf)

    Many commentators like of Mujaahid, Ibn Juraij and Saeed ibnul Musayib (R.A) are of the opinion that the above verse also refers to the period of the Jumuah Khutba and Salaat. ( Tafseer Ibn Katheer – vol 2)

    Rasulullah Sallallaahu-alaihi-wasallam has also mentioned: “When one of you enters the masjid whilst the imaam is on the pulpit (delivering the khutba) then he should not perform any salaat nor should he speak until the imaam completes (the sermon).” (Tabrani)

    A hadith in Musnad Ahmad also suggests that when one enters the Musjid for Salaatul-Jumua and the imaam has already commenced the sermon, then one should sit down and listen attentively to the sermon and not perform any salaat. ( Musnad Ahmad pg. 75, vol 5)

    The above has been the practise of many eminent Sahaba (R.A.) and Tabi’een such as Hazrat Umar (R.A), Uthman (R.A), Ali (R.A), Ibn Abbas (R.A), Imam Malik, Laith, Abu-Hanifa,Thawri, Ibn Sireen (R.A). ( Sharh Muslim -Pg 287, vol 1 / Musannaf ibn abi Shaiba Pg.20, vol 2 )

    However, Imaam Shafie and Imaam Ahmad bin Hanbal (R.A), are of the opinion that it is mustahab (preferable) for one who arrives after the imaam has commenced his sermon to perform his Tahiyyatul-musjid. (Sharh-Muslim- Nawawi p.g 287)

    They have based their view on the strength of an incident that occurred with Hazrat Sulaik Al-Ghatfani (R.A). Hazrat Jabir R.A narrates that Sulaik Al – Ghatfani entered whilst Rasulullah Sallallaahu-alaihia -wasallam was delivering the Friday sermon and sat down. Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam enquired of him if he had performed his salaat. When he replied in the negative, Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam then ordered him with the following: a) to stand up b) perform 2 rakaats( nafl-salaat) c) keep the salaat brief Kitaabul-Jumuah – Sahih Muslim P.g 287, Vol-1)

    The majority of the scholars who do not hold the same view as Imaam Shafie & Ahmad bin Hanbal (R.A ), explain the above hadith to be a special case concerning Hazrat Sulaik (R.A.) only. This line of reasoning has been supported by a narration of Hazrat Abu Saeed Al-Khudri R.A that Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam had ordered him to offer his 2 rakaats of salaat. He (Sallallaahu-alaihi wasallam) encouraged the sahaaba to be charitable towards him, upon seeing his down-trodden condition. ( Kitaabul- Jumua, Nasaai -Pg.208, vol 1)

    Hence the deduction of these scholars indicates that the reason for Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam’s ordering him to perform his salaat was for the sahaaba to notice his pitiable, poor and downtrodden condition. In this way Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam encouraged charity towards him. Notwithstanding the above incident, Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam never commanded any other latecomer to stand up and perform his tahiyyatul-musjid, as he commanded Hazrat Sulaik (R.A).

    There are many incidents which substantiate this view, where a late comer was not commanded by Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam to offer his salaat. To the contrary he was instructed to sit down and not cause any inconvenience to others. (Nasaai- p.g 207 ) Some narrations also mention that Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam stopped his sermon, waited for Hazrat Sulaik (R.A) and resumed his sermon after he had completed his salaat.( Musannaf ibn Abi Shaiba-pg.20-vol2) This clearly indicates that Hazrat Sulaik (R.A) did not perform his 2 rakaats during the sermon. Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam had also asked him to make his salaat brief (whilst he waited for him).This also emphasizes the importance of listening to the sermon. Infact Rasulullah Sallallaahu-alaihi wasallam prohibited any other activity during the sermon, so that one listens to the advices of the sermon. Even commanding someone with good during the sermon was prohibited, although it is normally wajib act. Hence, if a wajib act was not permitted, then how will a nafl act be given preference over it? (Al bahruraaiq p.g 271 vol 2) >

    From the above, it can be concluded that it is advisable for the latecomer to sit down and listen to the Friday Sermon and not to engage in any nafl salaat. This viewpoint is strongly supported by the majority of the eminent and pious predecessors. Even, great scholars like Imaam Shafie & Imaam Ahmad bin Hambal are of the opinion that at the most, it is sunnat (and not compulsory) for the latecomer to perform the tahiyyatul-musjid , during the sermon. (Alfiqhul-Islaami wa adillatuhu – p.g 297 vol,2 ) and

    Allah Ta’ala Knows Best
    Mufti Ebrahim Desai FATWA DEPT. সূত্র একই।

    এদুটো লিংক যারা ইংরেজী জানেন তাদের জন্য। দুঃখিত সময়ের অভাবে বাংলা করতে পারলাম না।

    যারা আরবী জানেন তাদের জন্য এই লিংক।

    জাযাকাল্লহ খইরন

    ম্যালকম এক্স

    @Anonymous,

    খোৎবার সময় নামাজ পড়া নিষেধ এমন হাদিস আছে কিনা? আমি যতদুর জানি প্রথম দিকে নফল নামাজ পড়া বৈধ ছিল পরবর্তীতে এটা নিষেধ হয়ে যায়। যদি একটি হাদিস থাকে নামাজ পড়া বিষয়ে এবং আর একটি হাদিস থাকে খোৎবার সময় নামাজ না পড়া বিষয়ে তখন সমন্বয় করতে হবে কিনা?

    ম্যালকম এক্স

    @Anonymous,

    1) It is related from ‘Abdullah ibn ‘Abbas and Ibn ‘Umar (radiallahu anhum) “that they disliked any prayer or conversation on Friday once the imam had appeared [to deliver the sermon]. (Musannaf lbn Abi Shayba 2:124)

    2) It is narrated from Ibn ‘Umar (radiallahu anhuma) that he would remain in prayer on Friday, and when the imam would appear he would stop praying. (Musannaf Ibn Abi Shayba 2:124)

    Anonymous

    @ম্যালকম এক্স,আমি এগুলো জানতাম। প্রথম দিন উনার কমেন্ট পাওয়ার পরই এক আলেম কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কিন্তু আমি চেয়ে ছিলাম শুধু বুখারী, মুসলিম, মুয়াত্তা থেকে বলতে। কেননা উনারা যে কোন দলীলের বিপক্ষে এক বাক্যে কোন প্রমাণ ছাড়াই বলে দেন জঈফ

    বাস্তবিক সাধারণ মানুষকে ধোঁকা খাওয়া থেকে বাঁচাতেই এই পোস্ট। কেননা উনাদের দলীল দিয়ে কিছু বুঝানো যাবে না। যে জেগে ঘুমায় তাকে কিভাবে জাগাবেন?

    আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা এদের থেকে সাধারণ মানুষদের হিফাজত করুন।

    Mohammad Fourkan Hamid

    @Anonymous, আমীন!