লগইন রেজিস্ট্রেশন

কোরান অনলি-দের নিকট প্রশ্ন

লিখেছেন: ' Areef' @ সোমবার, ডিসেম্বর ৭, ২০০৯ (৩:৪০ পূর্বাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম ।
আমি বেশ কিছুদিন ধরে এই ব্লগের লেখা পড়ছি । জ্ঞানগর্ভ আলোচনা বেশ ভালো লাগছে । তবে খুব দুঃক্ষ পেলাম তাদের কথা শুনে যারা শুধু কোরান মানেন কিন্তু হাদীস মানেন না । আমার হাযারো প্রশ্ন আছে তাদের কাছে । তবে আপাতত শুধু একটা বিষয়েই আলোকপাত করছি ।

1. خَتَمَ اللّهُ عَلَى قُلُوبِهمْ وَعَلَى سَمْعِهِمْ وَعَلَى أَبْصَارِهِمْ غِشَاوَةٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ عظِيمٌ

Allâh has set a seal on their hearts and on their hearings, (i.e. they are closed from accepting Allâh’s Guidance), and on their eyes there is a covering. Theirs will be a great torment. (2-07)

2. مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِّن رِّجَالِكُمْ وَلَكِن رَّسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا
Muhammad (SAW) is not the father of any man among you, but he is the Messenger of Allâh and the last (end) of the Prophets. And Allâh is Ever All¬Aware of everything. (33-40)

আমি উপরে পবিত্র কোরানের দুটি আয়াত উল্লেখ করলাম । আয়াত দুটির অর্থ ourholyquran.com থেকে নেয়া । দুটি আয়াতেই ” خَتَمَ “ শব্দটি আছে । অথচ অর্থ ভিন্ন । যারা শুধুমাত্র কোরান মানেন, হাদীস মানেন না, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন :

১। আয়াত দুটির অর্থ ourholyquran.com থেকে নেয়া । আপনারা কি এই অর্থ মানেন ?
২। যদি মানেন, তবে আমাকে একটু বুঝিয়ে বলুন কেন ” خَتَمَ “ শব্দটির অর্থ দুই আয়াতে দুই রকম হলো ।
৩। যদি না মানেন, তবে দুটি আয়াতের অর্থ কি কি হবে ?

আপনারা যেহেতু হাদীস মানেন না, শুধুমাত্র কোরান দি্যেই এর সমাধান করতে হবে ।

اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ

আমিন ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৩৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৪২ টি মন্তব্য

  1. @ দ্য মুসলিম, আরে ভাই আমি কুরান অনলীদেরকে একটা কথা জিগাইতাম চাই, ওরা নামাজ কয় রাকাত পরে, কুরানে কি নামাজ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আছে নি ?

    উপরে একটাই প্রশ্ন করলাম বাকি গুলি পরে করুম, জাগো হে কুরান অনলীদেরা……………………।

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    ওরা বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার টাইপের লোক। আল্লাহ হেদায়াত দিন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম, এভাবে বইলেন না ভাই।।ওরা মনে কষ্ট পাইবো । :)… (Y)

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,এইটাতো সকলের বেলায় প্রযোজ্য।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,এটা কুরআন অনলির জন্য প্রযোজ্য।

    বাংলা মৌলভী

    @জ্ঞান পিপাষু,কেউ একজন আপনার জবাবে কোরানের থেকে নামাজ পাচঁ ওয়াক্ত সাবেত করার চেষ্টা করছেন। আসলে তা কখনোই কোরানে সরাসরি পাচঁ ওয়াক্তের উল্লেখিত নয়, বরং তিন ওয়াক্ত। কিন্তু হাদিসের মাধ্যমেই কোরানের “আকিমুস্সালাত” এর ব্যাখা হয়, এবং ওয়াজিব মুস্তাহাব এগুলো সুন্নাহ এবং ফেকহ শাস্ত্রমত প্রতীয়মান হয়, সুতরাং কোরান অনলিদের জন্য আপনি এই প্রশ্ন বহাল রাখতে পারেন যে কিভাবে আল্লাহ কোরানে পাচঁ خمس صلوات কিংবা ظهر عصر عشاء নামাজের শাব্দিক উল্লেখ করেছেন। ব্যাখা করা যাবে না কারন তারা ব্যাখা মানে না শাব্দিক কোরানই মানে।

    দ্য মুসলিম

    @বাংলা মৌলভী, একমত। (Y)

    জ্ঞান পিপাষু

    @বাংলা মৌলভী, সুন্দর বলেছেন, তবে আমি চাই অনাদের ভুল ধারণা গুলি ভেঙ্গে দিতে আল-কুরানে আরো অনেক কিছুরই ব্যাখ্যা নাই আমিও এটা জানি যা শুধু সহিহ হাদীছ থেকেই পাওয়া সম্ভব, কিন্তু হেদায়েত একমাত্র আল্লাহর কাছে, আল্লাহ ছাড়া কেউ হেদায়াত দিতে পারবে না, আল্লাহ চাইলে দুনিয়ার সবাইকে মুসলিম বানাতে পারতো, যাই হউক, বলুন সত্য এসে গেছে আর মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে মিথ্যাতো বিলুপ্ত হয়ারই ছিল (আল-কুরআন) –আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সাথে থাকুন। (Y)… (F)(F)(F)

    মর্দে মুমিন

    @বাংলা মৌলভী, কি ভাই নাম নিতে কোন অসুবিধা আছে নাকি?

    বাংলা মৌলভী

    @মর্দে মুমিন, আসলে আমি তেলমারা কিংবা বিদ্বেষ ছড়ানোর পক্ষপাতি নই, এবং পরিচিত অপরিচিত কারো সংঙ্গেই অযথা বিতর্কে লিপ্ত হতে রাজি না। আমি এতদিন এখেন পরিস্থিতি যা বুঝলাম তা হলো আমাকে নিজেকে নিজের মতের উপর স্টেইট হতে হবে । এবং আমার কনসেপ্টকে আকড়ে ধরতে হবে। সেই সাথে “বাতিল” অন্যায় বলে যা বুঝে আসবে তা থেকে বেচেঁ থাকতে হবে এবং যথাসাধ্য সতর্ক করতে হবে। আমি সরলভাবে তাই করছিলাম, আপনার সাথেও সেই সরলতার খাতিরে ইন্ডিকেট করে কথা বলিনি। কিন্তু কিছু ব্যক্তি বরংবার এধরনের সুযোগ দেয়ার পরেও তারা আমাকে “কাফের” পর্যন্ত বলেছে দেখুন তুষারের পীরের প্রচারণায় । তো এদের সাথে বিনম্র আচরনের মাত্রা শেষ । কারণ এদেরকে সমীহ করতে গেলে সাধারণ মানুষ ভাববে তারা দীনের একটা মহাআঞ্জামই দিচ্ছেন। নাম ধরে এবং বাস্তবতা উম্মোচন করে হইলাইট করেই বলার চেস্টা করবো – ইনশাআল্লাহ তবে আমি কেউকে বাতিল বৈ কাফের ফতোয়া দেইনি যা তারা করেছে।

  2. এমন একটা প্রশ্ন করার আগে নিজেদের একটু খতিয়ে দেখা উচিৎ ছিল। আমাদের মেরিনার ও দ্য মুসলিম দেখি (*) (F)(Y) দিয়ে গেছেন।

    ভালো করে আরবিটা দেখুন। সূরা বাকারাতে দেখুন خَتَمَ আলিফ নাই। সূরা আহযাবে خَاتَمَ একটা আলিফ আছে। সুতরাং বুঝতেই পারছেন দুইটা আলাদা শব্দ । দুইটা আলাদা শব্দের মানে দুই রকম হবে না তো কি একি হবে? কি সব আবজাব প্রশ্ন করেন!!! এইবার আরবি ডিকশনারি দেখেন মানে পেয়ে যাবেন।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,ডিটেইলস ব্যাখ্যা করলে ভালো হয়। আমাদের কাছে ডিকশনারী নাই। আপনি পারলে দেখে বইলেন। :(

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,না থাকলে নাই। পোস্টে যে মানে দেয়া আছে ঐটাই।

    অ.ট আল্লাহ গর্বকারী ও শো-বাজ দের পছন্দ করেন না।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, (F)

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম, (F)

    বাংলা মৌলভী

    @ফারুক, سبحان الله আপনাদের দেখে একটা বানী স্মরণ হচ্ছে ” অনেক নাদানরাও এই কোরানকে বুঝতে চেস্টা করবে অথচ কেবল মাত্র জ্ঞানীরাই তার কিছুটা বুঝে” خاتم আর ختم এর مادة বা ইশতেক্বাক (গ্রামার জানা থাকলে) কি বলবেন। আরবী الف আলিফ দিয়ে লিখে না ع আইন দিয়ে লিখেরে ভাই। :)

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী, ধন্যবাদ নাদান আখ্যা দেয়ার জন্য। জানা ছিল না , আল্লাহ শুধুমাত্র আপনাদের মতো জ্ঞানী গুনীদের জন্য কোরান নাযিল করেছেন। ভালো থাকুন , পরিতৃপ্তিতে থাকুন। :(

    মর্দে মুমিন

    @ফারুক, আমিন!

    বাংলা মৌলভী

    @ফারুক, এটা অজ্ঞর প্রতিশব্দ না ভাই? আসলে না জেনে কেউ বড় বড় কথা বল্লে খুবই দুখ পাই, সেই দুখটা কত জঘন্য তা শেয়ার করতে এ ধরনের প্রতিশব্দ ব্যবহার করতে হয় । দুখিত (F)

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আপনি এখন থেকে গ্রামার প্র্যাকটিস শুরু করে দিন। আমার মনে হয় কোরান ভালো ভাবে জানার জন্য গ্রামার জানাটাও অনেক জরুরী।

  3. দ্য মুসলিম

    সমস্যাটা কোথায় আমি তো বুঝলাম না।

    خَتَمَ হচ্ছে verb যার অর্থ – 3rd person কেউ একজন [past-এ] সীল-মোহর মেরে দিয়েছেন।
    خَاتَمَ হচ্ছে noun যার অর্থ “সীল-মোহর” [বা "কোন কিছুর শেষ"]।

    শব্দ দু’টি এক উৎস থেকে এসেছে, [যেমন ধরুন "চড় মারা" ও "চড়"] – তবু তফসীরকাররা ভিন্ন অর্থ বুঝেছেন দু’টো কারণে:

    ১) সাহাবীরা (রা.) পরেরটির অর্থ এভাবেই [অর্থাৎ "শেষ"] বুঝেছেন রাসূল(সা.)-এর কাছ থেকে(অর্থাৎ হাদীস থেকে)
    এবং
    ২)variant readings-গুলোর অন্য বেশীরভাগ রিওয়াতে “খাতিম” পড়া হয় [প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে "খাতাম" মানে "seal" আর "খাতিম" মানে "the one who seals"] – যার জন্য এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এখানে শেষ নবীই বোঝানো হয়েছে। সুবহানাল্লাহ্! একসময় আমি ভাবতাম যে, একই কুর’আনের এর কয়েকটা variant readings রাখার wisdomটা কি? এখন বুঝি ক্বাদীয়ানী এবং মুসলিমবেশী “যিন্দিকরা” এসব নিয়ে ফিতনা তৈরী করবে তা আল্লাহ্ আগেই জানতেন বলে এরকম রেখেছেন। যাতে যারা সত্যিকার জ্ঞানী এবং মুখলেস বিশ্বাসী, তারা বিপথগামী হবেন না – অথচ, মীর্জা গোলাম আহমাদ ও রাশাদ খলিফার মত মূখর্রা এসব থেকেই “কাফির” হয়ে যাবে।

    দ্য মুসলিম

    @mariner,
    আমি ওদের মুখ থেকে ব্যাখ্যা শুনতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ফারুক ভাই আমাকে নিরাশ করলেন। মনে হয় ওনার ভান্ডার শেষ।

    mariner

    @দ্য মুসলিম, (F) (F) (F)
    (thumbs up আমি consciously ব্যবহার করি না – ওটা “কাফির”-দের কালচার থেকে এসেছে। আমরা কুফ্ফারের কাছ থেকে অনেক কিছুই wholesale গ্রহণ করি। মাত্র ক’বছর আগেও -বা- হয়তো এখনও, thumbs up দেখালে গ্রামাঞ্চলে মারামারি লেগে যেত/যাবে, কারণ বাংলাদেশের সমাজে, এটার খুব বাজে একটা অর্থ আছে। )

    দ্য মুসলিম

    @mariner, আরো ডিটেইলস বললে ভালো হয়। তাহলে আমরা কতৃপক্ষকে ও তা বর্জন করার জন্য অনুরোধ করতাম। অবশ্য তা দলিল ভিত্তিক হলে তো আরও ভালো।

    মর্দে মুমিন

    @mariner, ভাই বেয়াদপি নিবেন না! আপনাকে তো মাঝে দেখি বাংলা কিংবা আরবী সহজবোধ্য শব্দ রেখে ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করতে ঐ ইংরেজী শব্দ গুলো কোন মুমিনদের কাছ থেকে এসেছে বলবেন কি? ধন্যবাদ।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,

    কিন্তু ফারুক ভাই আমাকে নিরাশ করলেন। মনে হয় ওনার ভান্ডার শেষ।

    দুঃখিত আপনাকে নিরাশ করার জন্য।

  4. এতক্ষনে একটা কথা মনে পড়ল। আমরা সবাই তো মারামারি করছি। কিন্তু আমাদের “আরিফ” ভাই কোথায়? যিনি এই পোষ্ট দিয়েছেন? যেহেতু পোষ্ট দিয়েছেন উনি তো এই ব্যপারে ভালো জানার কথা।

    “আরিফ ভাই কোথায় আপনি???????????????????????????”

    Areef

    @দ্য মুসলিম, আমি আছি ভাই। আমি দিনের বেলা ছাড়া রাতে নেট ব্যবহার করি না। যাই হোক, সকালে এসেই দেখলাম অনেক কথাবার্তা চলছে। কিন্তু আমি যাদের উদ্দেশ্যে ( কোরান অনলিদের) এই পোষ্ট দিলাম তাদের তো দেখা নেই। একবার শুধু ‘আলিফ’ নি্যে প্রশ্ন করলো এবং mariner ভাই তার সঠিক জবাব দিয়ে দিলো। ব্যস।
    ফারুক ভাই, দয়া করে জবাব দিন। আর যদি জবাব দিতে না পারেন এবং এখনো মনে করেন হাদীস শরীফের প্রয়োজন নাই, তবে আমি আরো কিছু প্রশ্ন করবো।

    মনে রাখবেন এবং বিশ্বাস করবেন, সর্বসম্মতভাবে মুসলমানদের আকিদা হল হাদীস শরীফ হচ্ছে কোরান শরীফের ব্যখ্যা ; হাদীস শরীফ না মানলে কেউ কখনই কোরান শরীফ শুদ্ধ আকিদায় বুঝতে পারবে না। এমনকি কিছু কিছু হাদিস শরীফ না মানলে আনেক সময় আকিদা গড়বর হয়ে যায়। যেমন শেষ নবী সংক্রান্ত হাদীসসমূহ না মানার কারনে কিছু মুসলমান কাদিয়ানি হয়ে কাফের হয়ে গেছে।

    আল্লাহপাক আমদেরকে সঠিক পথে রাখেন।

    দ্য মুসলিম

    @Areef,আছেন শুনে খুশি হলাম। ভালো থাকুন এই কামনা রইলো। আল্লাহ হাফেজ। (F)

  5. @ বাংলা মৌলভী আসলে আমি তেলমারা কিংবা বিদ্বেষ ছড়ানোর পক্ষপাতি নই, এবং পরিচিত অপরিচিত কারো সংঙ্গেই অযথা বিতর্কে লিপ্ত হতে রাজি না। আমি এতদিন এখেন পরিস্থিতি যা বুঝলাম তা হলো আমাকে নিজেকে নিজের মতের উপর স্টেইট হতে হবে । এবং আমার কনসেপ্টকে আকড়ে ধরতে হবে। সেই সাথে “বাতিল” অন্যায় বলে যা বুঝে আসবে তা থেকে বেচেঁ থাকতে হবে এবং যথাসাধ্য সতর্ক করতে হবে। আমি সরলভাবে তাই করছিলাম, আপনার সাথেও সেই সরলতার খাতিরে ইন্ডিকেট করে কথা বলিনি। কিন্তু কিছু ব্যক্তি বরংবার এধরনের সুযোগ দেয়ার পরেও তারা আমাকে “কাফের” পর্যন্ত বলেছে দেখুন তুষারের পীরের প্রচারণায় । তো এদের সাথে বিনম্র আচরনের মাত্রা শেষ । কারণ এদেরকে সমীহ করতে গেলে সাধারণ মানুষ ভাববে তারা দীনের একটা মহাআঞ্জামই দিচ্ছেন। নাম ধরে এবং বাস্তবতা উম্মোচন করে হইলাইট করেই বলার চেস্টা করবো – ইনশাআল্লাহ তবে আমি কেউকে বাতিল বৈ কাফের ফতোয়া দেইনি যা তারা করেছে।

    * আপনি কি বলবেন আর না বলবেন এটা আপনার একান্ত বিষয়। কারন কাল কিয়ামতের দিন আপনার আমলনামা মোতাবেক আপনাকেই জবাবদিহী করতে হবে।

    ২য়ত যে ব্যক্তি আপনাকে কাফের বলেছেন তিনি ভূল করেছেন। কোন মুসলমান অন্য কোন মুসলমানকে কাফের বলার অধিকার নাই। কর্তৃপক্ষ অবশ্যই উক্ত ব্লগারকে সতর্ক করে দিবেন। এবং ঐ মন্তব্যও ডিলেট করে দিতে পারেন।
    আমি নিজ থেকে এই কাফের শব্দ ব্যবহারকারিকে নিন্দা জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।

  6. মর্দে মুমিন ভাই!
    আপনার এই কথাটা একদম ঠিক:

    @mariner, ভাই বেয়াদপি নিবেন না! আপনাকে তো মাঝে দেখি বাংলা কিংবা আরবী সহজবোধ্য শব্দ রেখে ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করতে ঐ ইংরেজী শব্দ গুলো কোন মুমিনদের কাছ থেকে এসেছে বলবেন কি? ধন্যবাদ।

    আমার colonized মস্তিষ্কটা এখনো জঞ্জালমুক্ত হয় নাই – তবে চেষ্টা করে যাচ্ছি, দোয়া করবেন। ছোটবেলায় বাবা-মা “মানুষ” বানানোর চেষ্টায় ইংলিশ মিডিয়ামে ভর্তি করেছিলেন – King of the kings-এর আরবী না শিখিয়ে queen-এর English শিখিয়েছিলেন – এগুলো তারই ফল। তবে “thumbs up” একটা অতি সাম্প্রতিক সংযোজন – খুব সম্ভবত Bruce Willis বা Keanu Reeves মার্কা ছবির কল্যাণে আমাদের মগজে ঢুকেছে। Thanks to “ডিশ” ও “ডিজুস” কালচার!!

    মর্দে মুমিন

    @mariner, বাহ ভাইজানের পোষ্ট পড়ে মনে হতো দেওবন্দী আলেম এখন দেখি ভাইজান ছবিও দেখেন। :)

    mariner

    @মর্দে মুমিন, আপনি অভিযোগ করেছিলেন যে: আমি বাংলা কিংবা আরবী সহজবোধ্য শব্দ রেখে ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করি। এখন বলছেন: ভাইজানের পোষ্ট পড়ে মনে হতো দেওবন্দী আলেমআসলেই কি আপনি আমাকে দেওবন্দী আলেম মনে করেছেন? নাকি কেবলই আমাকে mock বা ridicule করতে কথাটা বলা??

    যা হোক আমি ছবি দেখি না – দুইজন নায়কের নাম বলতে ছবি দেখতে হয় না, বাংলাদেশের খবরের কাগজ পড়াই যথেষ্ট। তবে এককালে দেখেছি – আল্লাহ্ দয়া করে আমাকে dustbin থেকে তুলে নেবার আগে। আর সে জন্য রাতদিন regret করি, তওবা করি, মাফ চাই।

  7. ফারুক ভাই, কত সময় আপনার জবাবের আপেক্ষায় থাকবো বলবেন কি?

    mariner

    @Areef,

    আমি “কুর’আন অনলি”দের সাথে কোন dialogue-এ যাই না। এখন বুঝছি আপনার এই পোস্টে মন্তব্য করতে আসাও উচিত হয়নি আমার। আমার জীবনে সময় খুবই কম। জীবন দ্রুত ফুরিয়ে আসছে – সব সময় এমন বোধ হয়। সেই দ্রুত ক্ষয়িষ্ণু জীবনের সময়টুকু আল্লাহর সন্তুষ্টি অজর্ন করতে সবচেয়ে ভালো কোথায় utilize করা যায়, সেটা বিচার করতে চেষ্টা করি। “কুর’আন অনলি”রা এই যুগের “যিন্দিক” – এসেছে ইসলামকে ভিতর থেকে deconstruct করতে। দেখুন কথাকে কিভাবে পেঁচাতে থাকে। এই ব্লগে যারা লেখেন, তারা তো আমাদের দেশের গুটিকেয়ক fortunate ও privileged মানুষ – যারা সাধরণের তুলনায় মেধাবী ও যাদের সময় মূল্যবান । তাদের শত শত man-hour, এদের সাথে অহেতুক তর্কে জড়িয়ে কিভাবে ড্রেনে বয়ে যাচ্ছ – অথচ, সেই সময় ব্যয় করে আপনার আমার মত কেউ যদি একটা পথ-শিশুকেও “অ” “আ” “ক” “খ” লিখতে শেখাতো – তাও হয়তো অনেক বেশী কল্যাণে আসতো!! তবু আপনার জন্য, আর যাদেরকে তারা “শিকার” ধরতে চায়, তাদের জন্য আরো কিছু তথ্য দিলাম:

    চিঠি বা নোটিশ ইত্যাদি লেখা শেষ হলে, একটা খামে ভরে, খামের opening-এর উপর “সীল-মোহর” মেরে দেয়া হয়। একটা sealing material (গালা) আগুনে গলিয়ে খামের এর উপর ঢেলে তার উপর stamp মেরে দেয়া হয়। এখানে লক্ষ্যণীয় ব্যাপার হচ্ছে ঐভাবে খামের মুখ বন্ধ করা মানে ঐ খামে [সহজে] আর কিছু ঢোকানো যাবে না বা খাম খুলে ঐ চিঠি বা নোটিশ কেউ বদলাতে পারবে না – কারণ খামের মুখ প্রথমে seal করা হেয়ছে – তার উপর সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের stamp [যেমন ডাক বিভাগের চিহ্ন সম্পন্ন লোহার stamp হয়ে থাকে] মেরে দেয়া হয়েছে [কেউ খুলতে চাইলেই ধরা পড়ে যাবে - এখনো ডাক বিভাগ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে, তাদের রেজিস্টার্ড পার্সেল ইত্যাদির ব্যাপারে] । এখানে এই বণর্নায় অনেক কয়টা sense রয়েছে – একটা প্রক্রিয়ার সমাপ্তি, একটা কিছু [যেমন খাম] বন্ধ করে দেয়া – যাতে তাতে আর কিছু ঢোকানো অথবা তা থেকে কিছু বের করা না যায়, কোন কিছু finalize করা ইত্যাদি।

    ইবন কাসীরের তফসীর থেকে আপনার উল্লিখিত আয়াত দু’টোর তফসীর তুলে দিলাম, যার ব্যাখ্যায় প্রয়োজনীয় হাদীসগুলোও রয়েছে:

    [কুর'আন, ২:০৭]

    (7. Allah has set a seal on their hearts and on their hearing, and on their eyes there is a covering. Theirs will be a great torment).

    As-Suddi said that,

    (Khatama Allah) means, “Allah has sealed.” Qatadah said that this Ayah means, “Shaytan controlled them when they obeyed him. Therefore, Allah sealed their hearts, hearing and sight, and they could neither see the guidance nor hear, comprehend or understand.” Ibn Jurayj said that Mujahid said,

    (Allah has set a seal on their hearts), “A stamp. It occurs when sin resides in the heart and surrounds it from all sides, and this submersion of the heart in sin constitutes a stamp, meaning a seal.” Ibn Jurayj also said that the seal is placed on the heart and the hearing. In addition, Ibn Jurayj said, that `Abdullah bin Kathir narrated that Mujahid said, “The stain is not as bad as the stamp, the stamp is not as bad as the lock which is the worst type.” Al-A`mash said, “Mujahid demonstrated with his hand while saying, `They used to say that the heart is just like this – meaning the open palm. When the servant commits a sin, a part of the heart will be rolled up – and he rolled up his index finger. When the servant commits another sin, a part of the heart will be rolled up’ – and he rolled up another finger, until he rolled up all of his fingers. Then he said, `Then, the heart will be sealed.’ Mujahid also said that this is the description of the Ran (refer to 83:14).”
    Al-Qurtubi said, “The Ummah has agreed that Allah has described Himself with sealing and closing the hearts of the disbelievers, as a punishment for their disbelief. Similarly, Allah said,

    (Nay, Allah has set a seal upon their hearts because of their disbelief) (4:155).”

    He then mentioned the Hadith about changing the hearts, (in which the Prophet supplicated),

    (O You Who changes the hearts, make our hearts firm on Your religion.)

    He also mentioned the Hadith by Hudhayfah recorded in the Sahih, in which the Messenger of Allah said,

    (The Fitan (trials, tests) are offered to the hearts, just as the straws that are sewn into a woven mat, one after another. Any heart that accepts the Fitan, then a black dot will be engraved on it. Any heart that rejects the Fitan, then a white dot will be engraved on it. The hearts will therefore become two categories: white, just like the barren rock; no Fitnah shall ever harm this category as long as the heavens and earth still exist. Another category is black, just as the cup that is turned upside down, for this heart does not recognize righteousness or renounce evil. )

    Ibn Jarir said, “The truth regarding this subject is what the authentic Hadith from the Messenger of Allah stated. Abu Hurayrah narrated that the Messenger of Allah said,

    (When the believer commits a sin, a black dot will be engraved on his heart. If he repents, refrains and regrets, his heart will be polished again. If he commits more errors, the dots will increase until they cover his heart. This is the Ran (stain) that Allah described,

    (Nay! But on their hearts is the Ran (stain) which they used to earn)” (83:14).

    At-Tirmidhi, An-Nasa’i and Ibn Majah recorded this Hadith, and At-Tirmidhi said that it is Hasan Sahih.

    -X-X-X-

    [কুর'আন, ৩৩:৪০]

    (40. Muhammad is not the father of any of your men, but he is the Messenger of Allah and the last of the Prophets. And Allah is Ever All-Aware of everything.)

    Allah states:

    (Muhammad is not the father of any of your men,) After this it was not permitted to say Zayd bin Muhammad, i.e., he was not his father even though he had adopted him. No male child of the Prophet lived until puberty. Khadijah, may Allah be pleased with her, bore him Al-Qasim, At-Tayyib and At-Tahir, but they died in childhood. Mariyah Al-Qibtiyyah bore him Ibrahim, but he also died in infancy. He also had four daughters from Khadijah: Zaynab, Ruqayyah, Umm Kulthum and Fatimah, may Allah be pleased with them all. Three of them died during his lifetime, Fatimah lived long enough to be bereaved of him, then she died six months later.

    (but he is the Messenger of Allah and the last of the Prophets. And Allah is Ever All-Aware of everything.) This is like the Ayah:

    (Allah knows best with whom to place His Message) (6:124). This Ayah clearly states that there will be no Prophet after him. If there will be no Prophet after him then there will surely be no Messenger after him either, because the status of a Messenger is higher than that of a Prophet, for every Messenger is a Prophet but the reverse is not the case. This was reported in many Mutawatir Hadiths narrated from the Messenger of Allah via a group of his Companions, may Allah be pleased with them. Imam Ahmad recorded a narration from Ubayy bin Ka`b, from his father that the Prophet said:

    (My parable among the Prophets is that of a man who built a house and did a good and complete job, apart from the space of one brick which he did not put in its place. The people started to walk around the building, admiring it and saying, “If only that brick were put in its place. ” Among the Prophets, I am like that brick.) It was also recorded by At-Tirmidhi, who said “Hasan Sahih.”

    Imam Ahmad recorded that Anas bin Malik, may Allah be pleased with him, said that the Messenger of Allah said:

    (Messengership and Prophethood have come to an end, and there will be no more Messengers or Prophets.) This worried the people, then he said:
    (But there will be Al-Mubashshirat.) They said, `O Messenger of Allah, what are Al-Mubashshirat’ He said,
    (The dreams of a Muslim man, and they are one of the parts of prophethood.) This was also recorded by At-Tirmidhi, who said, “Sahih Gharib.”

    Abu Dawud At-Tayalisi recorded that Jabir bin `Abdullah, may Allah be pleased with him, said that the Messenger of Allah said:

    (The parable of myself and the Prophets is that of a man who built a house and did a complete and good job, except for the space of one brick. Whoever entered it would look at that space and say, how good it is, apart from the space of that brick. My position is like that of that brick, and the Prophets — blessings and peace be upon them — end with me.) It was also recorded by Al-Bukhari, Muslim and At-Tirmidhi, who said, “It is Sahih Gharib with this chain of narrators.”

    Imam Ahmad recorded that Abu Sa`id Al-Khudri, may Allah be pleased with him, said that the Messenger of Allah said:

    (The parable of myself and the Prophets is that of a man who built a house and completed it apart from the space of one brick. I have come and completed that brick.) This was also recorded by Muslim.

    Imam Ahmad recorded that Abu Hurayrah, may Allah be pleased with him, said that the Messenger of Allah said:

    (The parable of myself and the Prophets who came before me is that of a man who built houses and made them complete and beautiful apart from the space of a brick in one of the corners. The people started to walk around, admiring the construction and saying, If only you put a brick here, your construction will be complete.) The Messenger of Allah said:

    (And I am that brick.) It was also recorded by (Al-Bukhari and Muslim).

    Imam Ahmad recorded that Abu Hurayrah, may Allah be pleased with him, said that the Messenger of Allah said:

    (I have been given preference over the other Prophets in six ways: I have been given the ability to speak concisely; I have been aided by fear (cast into the hearts of my enemies); the spoils of war have been made permissible for me; the entire earth has been made a Masjid and a means of purification for me; I have been sent to all of mankind; and the Prophets end with me.) This was also recorded by At-Tirmidhi and Ibn Majah; At-Tirmidhi said, “It is Hasan Sahih.”

    Imam Ahmad recorded that Abu Sa`id Al-Khudri, may Allah be pleased with him, said that the Messenger of Allah said:

    (The parable of myself and the Prophets who came before me is that of a man who built a house and completed it apart from the space of one brick. I have come and completed that brick.) It was also recorded by Muslim.

    Jubayr bin Mut`im, may Allah be pleased with him, said that he heard the Messenger of Allah say:

    (I have several names: I am Muhammad, and I am Ahmad; I am Al-Mahi (the eradicator) through whom Allah will erase disbelief; I am Al-Hashir (the gatherer) at whose feet mankind will gather; and I am Al-`Aqib (the final one) after whom there will be no Prophet.) It was also recorded in the Two Sahihs. And there are many other Hadiths on this topic. Allah has told us in His Book, and His Messenger has told us in the Mutawatir Sunnah, that there will be no Prophet after him, so that it may be known that everyone who claims this status after him is a liar and fabricator who is misguided and is misguiding others. Even if he twists meanings, comes up with false claims and uses tricks and vagaries, all of this is false and is misguidance as will be clear to those who have understanding. This is what Allah caused to happen in the case of Al-Aswad Al-`Ansi in the Yemen and Musaylimah the Liar in Al-Yamamah, whose false miracles and nonsensical words showed everyone who was possessed of understanding that they were liars who were leading people astray; may the curse of Allah be upon them both. This is the case with every false prophet until the Day of Resurrection, until they end with Al-Masih Ad-Dajjal (the Antichrist). Each of these liars is given by Allah signs which show the people of knowledge and the believers that his message is false — which is part of the perfect kindness of Allah towards His creation. These liars do not enjoin what is good, nor forbid what is evil, unless they do so by coincidence or because it serves an ulterior purpose. They are the utmost in falsehood and immorality, in all that they say and do, as Allah says:

    (Shall I inform you (O people!) upon whom the Shayatin descend They descend on every lying, sinful person.) (26:221-222) This is in contrast to the Prophets — may blessings and peace be upon them — for they are the utmost in righteousness, truthfulness, wisdom, uprightness and justice in all that they say and do, command and forbid. In addition to this they are supported with miracles and clear and obvious proof. May the blessings and peace of Allah be upon them always, as long as heaven and earth remain.

  8. কি আর জবাব দেবো? মেরিনারের উত্তরে হাদীসের কিছু তো দেখলাম না , আর আপনি সেটাকে সত্যায়িত ও করে ফেল্লেন। তাই আর অযথা কথা বাড়াতে চাইনি। কিন্তু আপনার অতি উৎসাহের কারনে লিখতেই হলো।

    মেরিনার বলেছেন “সীল-মোহর” [বা "কোন কিছুর শেষ"]।
    সীল মোহর মানে তো জানতাম নামাঙ্কন করা বা নিদর্শন রাখা বা করা। এখন মেরিনার ভাইর ব্যখ্যা অনুযায়ী যদি কোন কিছুর শেষ যদি হয় তাহলে আহজাবের আয়াতের অর্থ দাড়ায় মুহম্মদ নবীদের শেষ এবং বাকারার আয়াতের অর্থ দাড়ায় আল্লাহ তাদের হৃদয়ের উপরে শেষ করেছেন। আমি তো কিছু বুঝলাম না। কেউ বুঝে থাকলে একটু ব্যখ্যা করুন।

    বাংলা মৌলভী

    @ফারুক,তাই আমিও বলছি যে পথে অগ্রসর হচ্ছেন তা কোরান বোঝার পথ নয়। গোমরাহী বোঝার পথ। এবং কোরানকে পুজিঁ করে অনেকে গোমরাহ ও বটে। ” আল্লাহ এই কোরানের মাধ্যমে অনেককে গোমরাহ করেন এবং অনেক কে হেদয়াত করেন। ” আল কোরান :(

    mariner

    @বাংলা মৌলভী, উপরে আমার শেষ কমেন্টটা কষ্ট করে একটু পড়বেন, ইনশা’আল্লাহ্!

    Areef

    @ফারুক,

    এই ব্লগে আপনি ছাড়া বোধ হয় আর কেউ কোরান অনলি নেই। আমরা বাকি সবাই মিলে ( অবশ্য অনেকেই আপনার ব্যপারে হতাশ ) আপনাকে মূলত একটা বিষয়ই বোঝাবার চেষ্টা করছি যে হাদীস শরীফ ছাড়া কোরান শরীফ বুঝা সম্ভব নয়। একারনেই আমি এই পোষ্টে কোরান শরীফের দুটি আয়াত তুলে ধরেছি যেখানে একটি শব্দ ‘খাতাম’-এর অর্থ সকল আনুবাদকারক/তফসীরকারকরাই দুটি ভিন্ন অর্থ করেছেন। অন্য ভাষার মত আরবি ভাষায়েও একটি শব্দের অনেক অর্থ হতে পারে। সাহিত্যের দিক দিয়ে যদি বিচার করেন, তবে কোরান শরীফের সাহিত্য হচ্ছে সর্বোচ্চ মানের সাহিত্য। কাজেই নিজে কোরান শরীফ বুঝতে হলে আরবি ভাষায় পান্ডিত্য থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, যখন একই শব্দ বিভিন্ন আয়াতে ব্যবহার হচ্ছে তখন ঐ শব্দের কোন অর্থ কোথায় ব্যবহার হবে তা বুঝতে হলে অবশ্যই হাদীস শরীফের সাহায্য নিতে হবে।

    ‘খাতাম’ শব্দের মত আরও অনেক শব্দ কোরান শরীফে আছে যা বিভিন্ন আয়াতে বিভিন্ন অর্থ বহন করে। যেমন ‘صلوا’ শব্দ। সম্ভবত আপনি আরবি না পড়ে শুধু অনুবাদ পড়েছেন, যার জন্যই বুঝতে পারেন নাই একই শব্দ বিভিন্ন আয়াতে বিভিন্ন অর্থ বহন করেছে। এবং সেই অর্থগুলো হাদিস শরীফের সাহায্য নিয়েই করা হয়েছে।

    সবশেষে যা বলতে চাই, কোরান শরীফ বুঝার জন্য যদি হাদীস শরীফের প্রয়োজন নাই হতো, তবে কোরান শরীফ নাযিল হতে ২৩ বছর সময়ের প্রয়োজন হতো না ( এক মূহুর্তেই সম্পূর্ন কোরান শরীফ নাযিল হয়ে যেত ) আর নবীজির এত কষ্ট করে সাহাবাদেরকে তালিম দিতেন না।

    আপাতত এটুকুই।

    আল্লাহপাক আমাদেরকে সঠিক পথে রাখুন।

    ফারুক

    @Areef,

    সবশেষে যা বলতে চাই, কোরান শরীফ বুঝার জন্য যদি হাদীস শরীফের প্রয়োজন নাই হতো, তবে কোরান শরীফ নাযিল হতে ২৩ বছর সময়ের প্রয়োজন হতো না ( এক মূহুর্তেই সম্পূর্ন কোরান শরীফ নাযিল হয়ে যেত )

    এটা আপনার বা আপনাদের নিজস্ব ধারনা। কোরানেই একটি আয়াত আছে , কেনো আল্লাহ একসাথে কোরান নাযিল করেন নি তার কারন ব্যাখ্যা করে। কোরান পড়ুন। জানতে পারবেন।