লগইন রেজিস্ট্রেশন

কর্তৃপক্ষ সমীপে খোলা চিঠি – ৩

লিখেছেন: ' Areef' @ শনিবার, জানুয়ারি ৯, ২০১০ (৪:৫৪ পূর্বাহ্ণ)

আমি বহুদিন চুপ থেকেছি, ভেবেছিলাম নিরবই থাকব; শুধু পড়ে যাব আপনারা যা লিখছেন। কিন্তু নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না যখন দেখলাম ‘ফারুক’ নামধারী এক মুসলিমবেশী লোক আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীর সমালোচনা করছে নির্দিধায়, আর কর্তৃপক্ষ ধৈর্যের পাহাড়ে বসে বহুদিন আগেই বলে বসে আছে আমাদের ধৈর্য ধরতে ।

এ ব্যপারে আমার কিছু কথাঃ

একঃ কর্তৃপক্ষ কি ফারুকের ইহুদিয় মতবাদ প্রচার করার জন্যই এই ব্লগ সাইট চালু করেছে ? নাকি ফারুকই কর্তৃপক্ষ ?

দুইঃ কর্তৃপক্ষ তুষারকে ব্যন করেছে, কারন সে কর্তৃপক্ষকে গন্ডমুর্খ বলেছে এবং জাকির নায়েককে কাফির বলেছে। আর কর্তৃপক্ষ ফারুককে ব্যন করছে না যদিও সে বলছে
(১) আমাদের নবী মরা নবী,
(২) আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক,
(৩) আমাদের নবী ভয়ানক ভুল করেছেন,
(৪) আমাদের নবীকে বিশ্বাস করা যাবে না,
(৫) কোরান শরীফে আমাদের নবীকে আনুসরন করতে বলা হয়নি বরং নিষেধ করা হয়েছে,
(৬) রাসুল হচ্ছে কোরান শরীফ, আমদের নবী রাসুল নন,
(৭) ফারুকের মতবাদ ছাড়া বাকি সকলেই ভুল পথে আছে।

তিনঃ ফারুক কোরান শরীফের ভুল ব্যখ্যা করেই চলেছে অথচ কর্তৃপক্ষ নিরব ।

চারঃ ফারুকের বিরুদ্ধে এর আগেও ব্যন করার দাবী উঠেছিল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ ধৈর্য ধারন করতে বলেছে।

আমার দাবী একটাই, ফারুককে এই মূহু্র্তে ব্যন করা হোক। “খতামাল্লহু আলা কুলুবিহিম” – ফারুকদের মত লোকদের সম্পর্কেই এই আয়াত শরীফ। দয়া করে, তাকে আর বিভ্রান্তি ছড়াবার সুযোগ দিবেন না।

কর্তৃপক্ষ, আমি এখন আপেক্ষায় আছি কখন আমাকে ব্যন করেন। আমি নিশ্চিত আপনারা আমাকে ব্যন করবেন।
কারন আপনারা সমালোচনা শুনতে পছন্দ করেন না।
কারন আমি ফারুকের বিরুদ্ধে কথা বলেছি।
কারন আমি আমার নবীকে আমার প্রানের চেয়েও ভালোবাসি। (নিশ্চয়ই আমার চেয়েও বেশী আনেকেই ভালোবাসেন।)
আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে আমাদের নবীকে আমাদের প্রানের চেয়েও বেশী ভালোবাসার তৌফিক দান করুন ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২৩২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২১ টি মন্তব্য

  1. আপাতত পারলে ইগনোর করে যান। ধীরে ধীরে সব হবে ইনশাল্লাহ।

  2. আস-সালামু আলাইকুম,

    আমার দাবী একটাই, ফারুককে এই মূহু্র্তে ব্যন করা হোক। “খতামাল্লহু আলা কুলুবিহিম” – ফারুকদের মত লোকদের সম্পর্কেই এই আয়াত শরীফ। দয়া করে, তাকে আর বিভ্রান্তি ছড়াবার সুযোগ দিবেন না।

    আপনার দাবী আমরা আন্তরিকতার সাথে বিবেচনায় রাখছি । অতি শীঘ্রই আমাদের মতামত জানতে পারবেন ।

    আরো একটি বিষয় আমরা জানিয়ে রাখছি । আমরা তাকে একবার ব্যান করেছিলাম , কিন্তু কিছু ব্লগারদের অনুরোধে তাকে আবার এলাউ করি ।

    ওয়াস সালাম

    কর্তৃপক্ষ [ পিস ইন ইসলাম ]

  3. @ Areef, আপনি আমার ব্যান দাবী করতেই পারেন, সেটা আপনার অধিকার। তবে মুসলমান হিসাবে মিথ্যা অভিযোগ করা ঠিক না।

    (

    ২) আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক,
    (৪) আমাদের নবীকে বিশ্বাস করা যাবে না,
    (৫) কোরান শরীফে আমাদের নবীকে আনুসরন করতে বলা হয়নি বরং নিষেধ করা হয়েছে,
    (৬) আমদের নবী রাসুল নন,
    (৭) ফারুকের মতবাদ ছাড়া বাকি সকলেই ভুল পথে আছে।

    এই কথাগুলো আমি কোথায় ও কোন পোস্টে করেছি , প্লিজ উল্লেখ করুন। গীবত করবেন না।
    এই

    Areef

    @ফারুক,

    আপনার লেখা “রসূলকে মান্য করা বা অনুসরন করা।(উৎসর্গ জ্ঞানপিপাসু)” – তেই সব পাবেন।

    ২) আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক,

    “রসূল মুহম্মদ যখন কোরানকে অনুসরন করতেন, তখন তার উম্মত হিসাবে আমাদেরও কোরানকেই অনুসরন করা উচিৎ। সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাদেরকে ও নবীকে একি সাথে উদ্দেশ্য করে বলেছেন : “এটি একটি গ্রন্থ, যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, যাতে করে আপনি এর মাধ্যমে ভীতি-প্রদর্শন করেন। অতএব, এটি পৌছে দিতে আপনার মনে কোনরূপ সংকীর্ণতা থাকা উচিত নয়। আর এটিই বিশ্বাসীদের জন্যে উপদেশ। তোমরা সকলে অনুসরণ কর, যা তোমাদের প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য সাথীদের অনুসরণ করো না। আর তোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর। ৭:২-৩” “আল্লাহকে বাদে অন্য সাথীদের অনুসরন করো না”, অনেকেই এর অর্থ করেছেন এভাবে – কোরানকে বাদে অন্য কিছু অনুসরন করতে নিশেধ করা হয়েছে। আল্লাহকে অনুসরন করা সম্ভব একমাত্র কোরানকে অনুসরনের মাধ্যমে। আল্লাহর আদেশ নির্দেশ একমাত্র কোরানেই লিপিবদ্ধ আছে। কোরানের বাইরে অন্য কিছুকে অনুসরনের মানেই দাড়ায় , অন্য সাথীদের অনুসরন করা। কোরানের বাইরে অন্য কিছুকে অনুসরন করার মানেই দাড়ায় , সেই অন্য কিছুকে কোরানের সমকক্ষ করা , প্রকারান্তরে আল্লাহর সমকক্ষ করা , যা শির্ক। এটা আল্লাহ্র তরফ থেকে আদেশ এবং এনিয়ে বিতর্কের কোন অবকাশ নেই।”

    (৪) আমাদের নবীকে বিশ্বাস করা যাবে না
    মুসলমানদেকে মানুষ মুহম্মদকে নয় বরং আল্লাহ্র বানীকেই বিশ্বাস করতে বলা হয়েছে।”

    (৫) কোরান শরীফে আমাদের নবীকে আনুসরন করতে বলা হয়নি বরং নিষেধ করা হয়েছে
    আমরা মানুষ মুহম্মদকে অনুসরন করি না ; আমরা অনুসরন করি সেই আলো’কে , যা মুহম্মদের কাছে এসেছে। অর্থাৎ কোরানকে। কোরান নিজেই এ ব্যাপারে বলেছে : “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং সে নূরের অনুসরণ করেছে যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই নিজেদের উদ্দেশ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে।৭:১৫৭”
    লক্ষ্য করুন এই আয়াতে মুহম্মদকে অনুসরন করতে না বলে সেই নূরের অনুসরন করতে বলা হয়েছে , যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে। যদি আয়াতটি এমন হইত “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং তার অনুসরন করেছে” তাহলে কোরানকে অনুসরন না করে মুহম্মদকেই অনুসরন করতে হতো।”
    (৬) আমদের নবী রাসুল নন,
    কোরানের বানীকেও রসূল বলা হইয়াছে। যেকারনে রসূলকে মান্য করা বাধ্যতামূলক। রসূলের বাইরে ও মানুষ মুহম্মদের একটি জীবন আছে , সেই মানুষ মুহম্মদকেই নবী বলা হয়।”

    (৭) ফারুকের মতবাদ ছাড়া বাকি সকলেই ভুল পথে আছে
    বেশিরভাগ মুসলমান আজ কোরান ছাড়া বা কোরানের পাশাপাশি অন্য কিছু ও অনুসরন করে। তারাই সংখ্যায় ভারী। সংখ্যায় ভারী হলেই যে তারা সত্যপথে আছে এটা ভাবার কোন কারন নেই। কোরানের বানীই সত্য , বেশিরভাগ লোক কি বল্লো তাতে কিছুই যায় আসে না।”

  4. কর্তৃপক্ষ, আমি এখন আপেক্ষায় আছি কখন আমাকে ব্যন করেন। আমি নিশ্চিত আপনারা আমাকে ব্যন করবেন।
    কারন আপনারা সমালোচনা শুনতে পছন্দ করেন না।
    কারন আমি ফারুকের বিরুদ্ধে কথা বলেছি।

    জ্বী না , আপনার এই কথাটা ঠিক না । আমরা গঠনমূলক সমালোচনা সহ্য করি , কিন্তু দলীল বিহীন সমালোচনা গ্রহন করি না ।

    ওয়াস সালাম

    কর্তৃপক্ষ [ পিস ইন ইসলাম ]

    মেরিনার

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ], (F) (F) (F)

  5. একঃ কর্তৃপক্ষ কি ফারুকের ইহুদিয় মতবাদ প্রচার করার জন্যই এই ব্লগ সাইট চালু করেছে ? নাকি ফারুকই কর্তৃপক্ষ ?
    একঃ কর্তৃপক্ষ কি ফারুকের ইহুদিয় মতবাদ প্রচার করার জন্যই এই ব্লগ সাইট চালু করেছে ? নাকি ফারুকই কর্তৃপক্ষ ?
    একঃ কর্তৃপক্ষ কি ফারুকের ইহুদিয় মতবাদ প্রচার করার জন্যই এই ব্লগ সাইট চালু করেছে ? নাকি ফারুকই কর্তৃপক্ষ ?

    ভাই আরিফ ঠিক জায়গায় হিট করেছেন। অচিরে আপনার ইচ্ছা পূর্ণ হবে।

  6. ২)

    কোরানের বাইরে অন্য কিছুকে অনুসরন করার মানেই দাড়ায় , সেই অন্য কিছুকে কোরানের সমকক্ষ করা , প্রকারান্তরে আল্লাহর সমকক্ষ করা , যা শির্ক।

    এর ভিতরে আপনি কোথায় দেখলেন যে আমি বলেছি ,”আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক”?

    ৪)

    “মুসলমানদেকে মানুষ মুহম্মদকে নয় বরং আল্লাহ্র বানীকেই বিশ্বাস করতে বলা হয়েছে।”

    এখানে কোথায় বলা হয়েছে , “আমাদের নবীকে বিশ্বাস করা যাবে না” ?

    ৫)

    )“আমরা মানুষ মুহম্মদকে অনুসরন করি না ; আমরা অনুসরন করি সেই আলো’কে , যা মুহম্মদের কাছে এসেছে। অর্থাৎ কোরানকে। কোরান নিজেই এ ব্যাপারে বলেছে : “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং সে নূরের অনুসরণ করেছে যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই নিজেদের উদ্দেশ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে।৭:১৫৭”
    লক্ষ্য করুন এই আয়াতে মুহম্মদকে অনুসরন করতে না বলে সেই নূরের অনুসরন করতে বলা হয়েছে , যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে। যদি আয়াতটি এমন হইত “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং তার অনুসরন করেছে” তাহলে কোরানকে অনুসরন না করে মুহম্মদকেই অনুসরন করতে হতো।”

    এখানে কোথায় “কোরান শরীফে আমাদের নবীকে অনুসরন করতে বলা হয়নি বরং নিষেধ করা হয়েছে” কথাটি খুজে পেয়েছেন?

    ৬)

    “কোরানের বানীকেও রসূল বলা হইয়াছে। যেকারনে রসূলকে মান্য করা বাধ্যতামূলক। রসূলের বাইরে ও মানুষ মুহম্মদের একটি জীবন আছে , সেই মানুষ মুহম্মদকেই নবী বলা হয়।”

    এর “মানে কি এই দাড়ায় ,”আমদের নবী রাসুল নন”?

    ৭)আমার মতবাদটা কি? এখানে কি কিছু বলা হয়েছে মতবাদের ব্যাপারে? “আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।৬:১১৬” আয়াত টি কি ভুল?

    নুতন অভিযোগ – “ফারুক আরও বলেছে ”দরুদ একটি বোধ হীন আবৃত্তি।“(দরুদ কি এবং কেনো?)”
    এখন আপনিই বলুন কয়জন দরুদের মানে জেনে ও বুঝে আবৃত্তি করে? না বুঝে আবৃত্তি করলে তাকে কি বলে?

    আপনি প্রতিটি পয়েন্টেই আমার বক্তব্যকে পেচিয়েছেন এবং কোরানের আয়াতগুলোকে উপেক্ষা করেছেন বা অস্বীকার করেছেন। আমার প্রতিটি বাক্য কোরানের দলীলসহ বলা হয়েছে। মানা না মানা আপনার অভিরুচি।

  7. সকলের অবগতির জন্য যে পোস্টের উপর ভিত্তি করে আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ , সেই পোস্ট টি পড়ে আপনারা বিচার বিশ্লেষন করুন।

    রসূলকে মান্য করা বা অনুসরন করা।(উৎসর্গ জ্ঞানপিপাসু)

  8. আস-সালামু আলাইকুম,

    ফারুক এর লেখা বিষয়ে Areef এর অভোযোগ আমরা সত্য পেয়েছি । তাই ফারুক কে “সাসপেন্ড” করে দেয়া হলো । আপনি (ফারুক) যদি আমাদের ব্লগের “ব্যবহারের নিয়ামাবলী” অনুযায়ী লেখা দিতে পারেন তাহলে আমাদের ইমেইল জানান । সেইক্ষেত্রে আমরা চিন্তা করে দেখবো । নতুবা ৩ দিন পর ব্যান করে দেয়া হবে ।

    ওয়াস সালাম

    কর্তৃপক্ষ [ পিস ইন ইসলাম ]

    মেরিনার

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ], আলহমদুলিল্লাহ্! Jazakumullahu Khaira!! (F) (F) (F)

    Areef

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ],

    আলহমদুলিল্লাহ্! Jazakumullahu Khaira!!

    কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আমার আর কোন আভিযোগ নেই। দোয়া করি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপনাদের দ্বারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদামত ইসলাম প্রচারে আরও বেশী একনিষ্ঠ করুন।

    মুনিম

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ], Jazakumullahu Khaira!!

  9. আরিফ সাহেব আমি ফারুকের (১) আমাদের নবী মরা নবী, ও (৩) আমাদের নবী ভয়ানক ভুল করেছেন, প্রশ্ন দুটির বিষয়ে জিজ্ঞাস করছি আমাদের নবীজির কি ওফাত হয় নাই? তিনি কি এখনও দুনিয়াতে বর্তমান? নবী সাঃ কি জীবনে ভুল করেন নাই? আমার প্রশ্নকে প্যাচাবেননা আমি ভয়ানক শব্দটির একমত নই। আমি শুধু জানতে চাইছি নবী সাঃ কি জীবনে ভুল করেন নাই? আশা করি আপনি না হয় অন্য যারা সত্যিকারের আশিকে রাসুল তারা আমার এই দুই প্রশ্নের উত্তর দিবেন এই আশায় থাকলো। ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @মুনিম ভাই,

    আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের আকীদা হলো

    ১) শুধু রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম কেনো সমস্ত নবী রসুল গন কেউ জীবনে সগীরা গোনাহ তো দুরের কথা, কোনো ভুল করে নাই ।

    ২) রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম সহ সমস্ত নবী , রসুলগন কবরে জীবিত আছেন । এমনকি হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমানিত ওনারা কবরে নামাজ পড়েন । তাদের ইন্তেকাল হয়েছিল এটাও সত্য এবং এখন তারা কবরে জীবিত আছেন এটাও সত্য । (ইসা [ আ:] ) ব্যতিত )

  10. ১।তাহলে যখন ঐ হাদিস গুলোর কি হবে যে গুলোতে বলা হয় নবী জির আগে পিছের গুনাহ আল্লাহ মাফ করে দিয়েছেন। যদি গুনাহ না করে থাকেন তবে আল্লাহ কি মাফ করে দিলেন? এবং কোরানেও যে ভিন্ন আয়াতে নবীর জির ভিন্ন ভুলের কথা এসেছে তা কি সের জন্য নাজিল হয়েছিলো?
    ২।২) রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম সহ সমস্ত নবী , রসুলগন কবরে জীবিত আছেন । এমনকি হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমানিত ওনারা কবরে নামাজ পড়েন । তাদের ইন্তেকাল হয়েছিল এটাও সত্য এবং এখন তারা কবরে জীবিত আছেন এটাও সত্য । (ইসা [ আ:] ) ব্যতিত )
    ২য় দাবির পক্ষে এটি সবিস্তারে পোষ্ট দেন তাহলে উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @মুনিম ভাই,

    ১।তাহলে যখন ঐ হাদিস গুলোর কি হবে যে গুলোতে বলা হয় নবী জির আগে পিছের গুনাহ আল্লাহ মাফ করে দিয়েছেন। যদি গুনাহ না করে থাকেন তবে আল্লাহ কি মাফ করে দিলেন? এবং কোরানেও যে ভিন্ন আয়াতে নবীর জির ভিন্ন ভুলের কথা এসেছে তা কি সের জন্য নাজিল হয়েছিলো?

    ইসলামিক স্কলার বা মোফাস্সেররা এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, আসলে নবীজির কোনো গোনাহ ছিলনা , ওনার মর্তবা বৃদ্ধি করার জন্য বলা হয়েছে যে “ওনার আগে পিছের সব গোনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে ” ।

    মুনিম

    @হাফিজ,স্কলারদের কথা পরে বলেন , আগে কোরান ও হাদিস থেকে দলিল দেখান।

    Areef

    @মুনিম,
    আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত তারাই যারা (১) কোরান শরীফ, (২) হাদীস শরীফ, (৩) ইজমা ও (৪) কিয়াস – এই চারটি মেনে চলে। যারা আহলে হাদীস বা লা মাজহাবী তারা ইজমা ও কিয়াস মানে না।
    আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মুহাক্কিক আলেম বা মুজতাহিদগণ যেকোন বিষয়ে শুধুমাত্র কোরান এবং হাদীস দিয়ে প্রমান করে দিতে পারে। এই ধরনের বহু আলেম মুজতাহিদ গত হয়ে গিয়েছেন। বর্তমানে এই ধরনের আলেমের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আমাদেরকে পূর্বের আলেমদের দেয়া সমাধানকেই মেনে নিতে হবে। এই ধরনের একজন আলেম হচ্ছেন শায়খ আবদুল হক মুহাদ্দেস দেহলভি (র:) । উনার লেখা ‘মাদারেজুন নবুওয়াত’ কিতাবখানা দয়া করে পড়বেন। আমার এ অনুরোধ সকলের কাছে। আমাদের প্রিয় নবী সম্পর্কে কি রকম ধারনা আন্তরে পোষন করতে হবে এবং বাস্তবিকই তিনি কেমন ছিলেন তা বিস্তারিত লিখা আছে সেখানে।
    আল্লাহপাক আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করুন।

    হাফিজ

    @মুনিম ভাই,

    শুধু নবী রসুল গন নয় , সমস্ত মানব সম্প্রদায় মারা যাবার পর তাদের জীবন ফিরিয়ে দেয়া হয় এবং সেই জগতকে বলা হয় আলমে বরজখ। তারা যদি জীবিত না থাকত তাহলে মুনকার নকীরের সওয়াল জওয়াব কিভাবে দ্যায় ? তবে নবী , রসুলদের আরো বিশেষত্ব আছে ।

    হাদিস ১: আনাস ইবনে মালিক (রা:) বর্ননা করেন রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) বলেন ” আম্বিয়া (আ:) কবরে জীবিত অবস্হায় আছেন , তারা নামাজ পড়ে থাকেন ” [ মাজমুয়ায-জাওয়াহিদ ]

    হাদিস ২: বুখারী এবং মুসলমি শরীফের হাদিস শরীফ দ্বারা আমরা মিরাজের ঘটনা জানতে পারি , যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) মিরাজের রাত্রিতে সমস্ত নবী, রসুলগনকে নিয়ে নামাজ পড়েছেন এবং উনি ইমামতি করেছেন ।

    হাদিস ৩: রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) বলেন “কেহ আমার ওপর দরূদ পড়লে সে দরূদ শরীফ আমার কাছে নিয়ে আসা হয় ” [ নাসাঈ শরীফ ]

    আশাকরি বুঝতে পেরেছেন ।

    হাফিজ

    @Areef ভাই,

    জ্বী , সহমত ।