লগইন রেজিস্ট্রেশন

লেখক আর্কাইভ

 

হাতের কাছে নেকী থাকতে “নেকী’র জন্য হুড়াহুড়ি!! বিষয়টি তুচ্ছ হলেও আসুন একটু পর্যালোচনা করি।

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১০ (৬:৪৩ পূর্বাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

আমরা নেকীর আশায় আজ ভুরি ভুরি বিদ’আত কাজ করে চলেছি, অথচ আমরা সত্যিকারের নেকীকে দুরে ঠেলে আজ কতই না ক্ষতির স্বীকার হচ্ছি তার হিসাব একমাত্র আল্লাহ তা’আলাই জানেন। আজ একটা বই পড়লাম এবং মহা চিন্তিত হয়ে গেলাম, চিন্তা কেন জানেন? আসলেই কি আমরা ভুল করছি? না-কি পারষ্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ আর ইসলামে দালাদলি নামক ফাঁটা বাঁশের গ্যাড়াকলে বন্দি হয়ে গেছি? পাঠক সমাজের কাছে আমার এই মূল্যহীন লেখা কতটুকু কাজে দিবে জানিনা, তবে আশা রাখি আপনারা যারা আমার এই লেখাটুকু বিস্তারিত .....

৬৫ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

“কাবীরা গুনাহ থেকে সাবধান! ও তাওবার সঠিক পদ্ধতি”

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ শুক্রবার, জানুয়ারি ৮, ২০১০ (১২:৩১ অপরাহ্ণ)

কবীরা গুনাহের আভিধানিক অর্থ বড় গুনাহ অর্থ বড় গুনাহ। আর শারী’আতের পরিভাষায় আল্লাহ ও তাঁর রসূল যে সকল কাজ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন এবং সে সকল কাজের জন্য শাস্তির বিধান অথবা আল্লাহর রাগের কথা ঘোষণা রয়েছে, তাকে কাবীরা গুনাহ বলা হয়।

কাবীরা গুনাহ কোন ‘ইবাদাতের দ্বারা মাফ হয় না এবং এর জন্য তাওবাহ করা আবশ্যক। আর সাগীরা গুনাহ (ছোট গুনাহ) নেক ‘আমাল দ্বারাও মাফ হয়ে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

দ্বীনের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ ছাড়া আর কোন অলি নেই

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০০৯ (৯:৪০ পূর্বাহ্ণ)


“অলি”-এর বহুবচন আওলিয়া। “অলি”-এর আভিধানিক অর্থঃ অভিভাবক, সাহায্যকারী, বন্ধু। দুনিয়ার কার্যকলাপে মানুষ অলি হতে পারে। যেমন, গৃহকর্তা পরিবারের অলি।

দ্বীনের ব্যাপারে অলি কাকে বলে?০

১। মানুষ যার কথা মত চলে; যার হিদায়াত অনুযায়ী আমল করে; যার নির্ধারিত নিয়ম-নীতি প্রথা, আইন-বিধান পদ্ধতির অনুসরণ করে কুরআনের ভাষায় তাকে অলি বলা হয়।

০২। মানষ যার পথ প্রদর্শনের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মনে করে যে, সে তার জন্য সঠিক পথ বাতলে দেয় ও ভুল ভ্রান্তি হতে রক্ষা করে সে হল অলি।

০৩। যার সম্পর্কে মানুষ মনে .....

১০ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কোন ইমামের ব্যক্তিগত ফতোয়ার করনে ইসলামকে খাটো করে দেখবেন না।

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ সোমবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০০৯ (১:০১ পূর্বাহ্ণ)

আজ আমরা ইসলামের অপব্যাখ্যা করে পবিত্র ইসলামকে কলুষিত করছি। অমুসলিম ভাইরা ভাবছে, এই নাকি ইসলাম? তারা হাসছে, ধিক্কার দিচ্ছে আর রাসূল (সঃ) কে জঘন্য ভাষায় গালি গালাজ করছে, কুরআনকে অবমাননা করছে। আপনাদের সামনে একটি বিষয়ে তুলে ধরছি যাহা ইসলামে জঘন্য হারাম কাজ। অথচ আমরা না জেনে না বুঝে ইসলামকে কত ছোট করি!

[su]এক মজলিসে প্রদত্ত তিন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে হালালার নামে গোপন যিনাঃ[/su]
“হালালা’ আল্লাহ তা’আলার নাফরমানিমূলক অপকর্ম- যাকে শরীয়ত সিদ্ধ বলে বিশ্বাস করা একটি শয়তানি উত্তেজনা এবং লাঞ্ছনামূলক আচরণ। স্বয়ং আল্লাহর .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কারো ব্যক্তিগত ফতোয়ার কারনে কেউ ইসলামকে খাটো করে দেখবেন না।

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ রবিবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০০৯ (১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ)

মাযহাবীদের মতবিরোধঃ
০১) যে কোন ভাষায় নামাযের সূরা (কেরআত) পড়লে ইমাম আবু হানিফার মতে উত্তম যদিও সে ব্যক্তি আরবী ভাষা জানে। কিন্তু ইমাম আবূ ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদের মতে তা নাজায়েয।
(হিদায়ার ১৪০১ হিঃ আশরাফী হিন্দ ছাপার ১ম খন্ডের ১০২ পৃঃ)

০২) আল্লাহ তা’আলা কুরআনে যে সকল মেয়েদেরকে বিবাহ করা হারাম করেছেন সে সকল মেয়েদেরকে কেউ বিবাহ করলে ও যৌন ুধা মিটালে ইমাম আবূ হানিফার মতে কোন হদ (শাস্তির) প্রয়োজন নাই। কিন্তু ইমাম আবূ ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মদের মতে হদ দিতে .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

ইসলামে বিভিন্ন মাযহাব, বিভিন্ন ত্বরিকা, বিভিন্ন দল, বিভিন্ন পথ ও মত পন্থীদের প্রতি আল্লাহ তা’আলার কঠোর হুসিয়ারী

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০০৯ (১২:০৭ অপরাহ্ণ)


ইসলাম এক ও অখন্ড দ্বীন। আমরা যারা এ দ্বীনকে খন্ড খন্ড করার তালে আছি তাদের প্রতি আল্লাহর নিন্মোক্ত হুসিয়ারীঃ

০১) “যারা নিজেদের দ্বীনকে খন্ড খন্ড করে বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে তাদের সাথে আপনার (হে রাসূল) কোন সম্পর্ক নেই।” (সূরা আনআম-৬, আঃ-১৫৯)

০২) “হে ঈমানদারগণ ! আল্লাহর আনুগত্য কর, রাসূলের আনুগত্য কর এবং তোমাদের মধ্যে যারা হুকুম দানের অধিকারী তাদেরকেও মেনে চল। যখন তোমাদের মধ্যে মতের মিল না হয় তাহলে ফিরে আস আল্লাহ ও রাসূলের দিকে; যদি তোমরা আল্লহ ও আখেরাতের দিনের .....

১৫ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

কারও সম্মানে দাঁড়ানো

লিখেছেন: ' শাহরিয়ার' @ সোমবার, ডিসেম্বর ২১, ২০০৯ (৬:৫০ পূর্বাহ্ণ)

আবু উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রসূলুল্লাহ (সঃ) লাঠির উপর ভর করে বের হলেন। আমরা তাঁর জন্য দাঁড়ালাম। তিনি বললেনঃ অনারবগন একে অপরকে সম্মান করার জন্য যেভাবে দাঁড়ায় তোমরা সেভাবে দাঁড়িওনা।
(আবূ দাউদ, মিশকাত ১ম খন্ড ৪০৩ পৃঃ)

সাঈদ বিন আবিল হাসান হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ আবূ বাকরাহ আমাদের মাজলিসে আসলেন। অতঃপর মাজলিস থেকে একব্যক্তি দাঁড়াল, তিনি ঐ মাজলিসে বসতে অস্বীকার করলেন এবং বললেনঃ নাবী (সাঃ) এটা (দাঁড়ানো) কে নিষেধ করেছেন।
(আবূ দাউদ ২য় খন্ড ৬৬৪ পৃঃ, মিশকাত ১ম খন্ড .....

১৩ টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>