লেখক আর্কাইভ
ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে লেখার সঙ্কলন
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ রবিবার, জানুয়ারি ২২, ২০১২ (৭:১৯ পূর্বাহ্ণ)
ডারউইনবাদীরা কীভাবে বিবর্তনবাদের হাস্যকর সব কল্পকাহিনীকে বিজ্ঞানের নামে “প্রমাণিত সত্য” হিসেবে চালিয়ে দিয়ে অসচেতন লোকজনকে বিভ্রান্ত করছে তা জানতে হলে নিচের লেখাগুলো পড়া যেতে পারে। সেই সাথে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদের উপর ভিত্তি করে অমানবিক ইউজেনিক্স সম্পর্কেও জানা যাবে। মূল পোস্ট এখানে…
! রিপোর্ট করুন ! .....০ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
মুসলিমদেরকে কুরআনের মতো হতে হবে
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বুধবার, অক্টোবর ৫, ২০১১ (১১:৪৫ অপরাহ্ণ)
দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের বিতর্ক পর্যালোচনা করে কুরআনে বিশ্বাসীদের মধ্যে কিছু দুর্বলতা পরিলক্ষিত হয়েছে – যা কুরআনের সাথে কোনভাবেই খাপ খায় না। কোথায় কুরআন (The Smartest Book in the World) আর কোথায় তার অনুসারীরা! অজ্ঞ আর পেগান মানসিকতার লোকজন সাধারণত অনুসারীদের দিয়ে ধর্মকে বিচার করে। বিশেষ করে ৯/১১ ঘটনার পর ইসলামকে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গীবাদ, আত্মঘাতী হামলার মতো ধ্বংসযজ্ঞের সাথে সম্পৃক্ত করার পর থেকে এটি শুরু হয়েছে। এর পেছনে আপাতদৃষ্টে যৌক্তিক কারণও আছে। সর্বপ্রথম কারণ হচ্ছে বৈজ্ঞানিক, মানবিক, ও যৌক্তিক .....
১ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি: প্রয়োজনীয়তা ও প্রাথমিক ধারণা
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ শনিবার, মে ২৮, ২০১১ (৪:২১ পূর্বাহ্ণ)
সারা বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ড আজ সমাজ সচেতন মানুষের জন্য বিশাল এক মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খুন থেকে শুরু করে ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি, সন্ত্রাস, অবৈধভাবে কাউকে রক্তের সম্পর্কের ভাই-বোন হিসেবে চালিয়ে দেয়া, নিজ সন্তানকে অস্বীকার করা, ইত্যাদি অপরাধ প্রতিনিয়ত সংঘটিত হয়েই চলছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপরাধীরা হাতেনাতে ধরা পড়ছে, আবার বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে ধরাছোঁয়ার বাহিরে থেকে যাচ্ছে। সেই সাথে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরী হয়ে পড়েছে। অপরাধী সনাক্তকরণের জন্য অনেক আগে থেকেই .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
ফোরিয়ার ট্র্যান্সফর্ম নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত টিউটরিয়াল
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, মে ২৪, ২০১১ (৬:২১ অপরাহ্ণ)
বিজ্ঞানের ছাত্ররা সাধারণভাবে এবং গণিতের ছাত্ররা বিশেষভাবে “ফোরিয়ার ট্র্যান্সফর্ম (Fourier Transform)” নামে একটি ট্র্যান্সফর্ম এর নাম শুনে থাকবেন। অনেকেই হয়ত ফোরিয়ার ট্র্যান্সফর্ম এর সূত্র ব্যবহার করে অংক কষেছেন। কিন্তু এর তাৎপর্য ও ব্যবহার সম্পর্কে হয়ত পরিষ্কার ধারণা নাই। ফোরিয়ার ট্র্যান্সফর্ম একটি অত্যন্ত পাওয়ারফুল টুল এবং এর ব্যবহার ব্যাপক। এই লেখাতে ফোরিয়ার ট্র্যান্সফর্ম এর ব্যবহার এবং তাৎপর্য সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু ধারণা দেয়া হবে।
যে কোন সিগনালকে টাইম এবং ফ্রীকোয়েন্সি উভয় ডোমেইনেই বিশ্লেষণ করা যায়। একটি সিগনালকে টাইম ডোমেইনে উপস্থাপন করে .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-৫
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বৃহস্পতিবার, মে ১৯, ২০১১ (১১:০২ অপরাহ্ণ)
ইতোমধ্যে এই লেখাতে সুস্পষ্ট যুক্তি দিয়ে দেখিয়ে দেয়া হয়েছে যে, কোরআনের আলোকে পৃথিবী আসলে বর্তুলাকার ও ঘূর্ণায়মান, সমতল ও অনড় নয়। কোরআনের আলোকে পৃথিবী যদি সত্যি সত্যি সমতল ও অনড় হতো তাহলে ছদ্মনামে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর ধরে একই বিষয় বারংবার বুঝানোর দরকার পড়তো না নিশ্চয়। একবার ঠিকমতো বুঝালেই সবাই বুঝে যেত। প্রকৃতপক্ষে একমাত্র কোরআন ছাড়া অন্য কোন ধর্মগ্রন্থকে ভুল, অবৈজ্ঞানিক, সন্ত্রাসী, নারী-বিদ্বেষী, ইত্যাদি প্রমাণ করার জন্য প্রতারণা ও জোচ্চুরির আশ্রয় নিয়ে নামে-বেনামে নিয়মিত ক্যাম্পেইন .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-৪
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ সোমবার, মে ৯, ২০১১ (৬:৫৬ অপরাহ্ণ)
প্রাকৃতিক মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও ধ্বংস তত্ত্ব: বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত যে, এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্বের একটি শুরু আছে। তাঁরা আরো নিশ্চিত যে, এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্ব সম্প্রসারণ করছে। বিষয় দুটি আসলে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত – সম্প্রসারণ করছে বলেই শুরু আছে। অর্থাৎ এমন একটা সময় ছিল যখন এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্ব বর্তমান অবস্থায় ছিল না। প্রাকৃতিক মহাবিশ্বের শুরুর মুহূর্তকে বিজ্ঞানীরা ‘বিগ ব্যাং’ নাম দিয়েছেন। কিছু একটা ‘নাম’ তো দিতেই হবে। ‘বিগ ব্যাং’ এর আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে ‘মহাবিস্ফোরণ।’ এখানে স্মরণ রাখতে হবে যে, .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-৩
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৮, ২০১১ (৬:৪৪ অপরাহ্ণ)
আত্মা: প্রথমত, ‘আত্মা’ বা ‘সোল’ বলে কোন শব্দই বৈজ্ঞানিক জার্নালে খুঁজে পাওয়া যাবে না। দ্বিতীয়ত, আত্মাকে যেহেতু ধরা, ছোঁয়া, বা দেখা যায় না সেহেতু তাকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংজ্ঞায়িত করাও সম্ভব নয়। ফলে ‘আত্মা’ বিষয়টি কোনভাবেই বিজ্ঞানের আওতাভুক্ত বা অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না। এর পরও যারা বিজ্ঞানের নামে আত্মার অনস্তিত্ব প্রমাণ করার দাবি করেন তারা ছদ্মবিজ্ঞানী। জীবিত ও মৃত মানুষের মধ্যে যে সুস্পষ্ট একটা পার্থক্য আছে – সেটা সবাই একবাক্যে স্বীকার করতে বাধ্য। এই পার্থক্যকেই হয়ত আত্মা বা সোল বলা .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-২
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ বুধবার, এপ্রিল ২০, ২০১১ (৯:১৮ অপরাহ্ণ)
ধর্মগ্রন্থ ও বিজ্ঞানের গ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য: ধর্মগ্রন্থের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সমাজ সংস্কার, বিজ্ঞান শেখানো নয়। সেখানে পার্থিব-অপার্থিব অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজ্ঞানের গ্রন্থের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে বিজ্ঞান শেখানো, আত্মশুদ্ধি বা সমাজ সংস্কার নয়। যেমন প্রত্যেকটি ধর্মগ্রন্থে কিছু উপদেশ বাণী আছে। কিন্তু সেই বাণীগুলোর স্বপক্ষে পরীক্ষামূলক উপাত্ত সহ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। ধর্মগ্রন্থের প্রত্যেকটি বাণীর স্বপক্ষে যদি পরীক্ষামূলক উপাত্ত সহ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়া হতো তাহলে সেটি যেমন আর ধর্মগ্রন্থ থাকতো না তেমনি .....
২ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-১
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ সোমবার, এপ্রিল ১৮, ২০১১ (১০:৫২ অপরাহ্ণ)
বিষয়টি শুরুর আগে কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড জেনে নিলে বুঝতে সুবিধা হবে। কোরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য খোঁজাখুজি শুরুর আগে থেকেই কিন্তু অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মগ্রন্থে বৈজ্ঞানিক তথ্য আছে বলে দাবি করে আসছে। ইসলামে বিশ্বাসীরা কখনোই তাদেরকে ছদ্মবিজ্ঞানী, অসৎ, মিথ্যাবাদী, ইত্যাদি বলে অপপ্রচার চালায়নি। কিন্তু ইসলামে বিশ্বাসীরা কোরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য খোঁজাখুজি শুরুর পর থেকে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে কোন কোন ধর্মাবলম্বীদের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। তারা ইসলামে বিশ্বাসীদের দাবিকে মেনে নিতে তো পারছেই না, তা না হয় ঠিক আছে; সেই সাথে আবার বিভিন্নভাবে অপপ্রচারও চালানো .....
৪ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার-১০
লিখেছেন: ' এস.এম. রায়হান' @ মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১১ (২:১৭ পূর্বাহ্ণ)
বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী পুরো জীবজগতের উৎস যেহেতু একটি এককোষী জীব সেহেতু লক্ষ লক্ষ প্রকারের ফল-মূল-ফুলের গাছের আলাদা আলাদা উৎস নাই। একটি জীব থেকে যদি উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগত বিবর্তিত হয়ে থাকে তাহলে বিবর্তনের কোন এক পর্যায়ে উদ্ভিদকে আলাদা হতেই হবে। শুধু তা-ই নয়, সেই উদ্ভিদ থেকে আবার লক্ষ লক্ষ প্রকারের উদ্ভিদ বিবর্তিত হতে হবে; যাদের মধ্যে হাজার হাজার ধরণের শুধু লতা-পাতা-ওয়ালা উদ্ভিদ, হাজার হাজার ধরণের শুধু ফুল-ওয়ালা উদ্ভিদ, এবং হাজার হাজার ধরণের ফলন্ত উদ্ভিদ আছে। আর এগুলোর সবই হতে .....
৩ টি মন্তব্য | বিস্তারিত >>




