লগইন রেজিস্ট্রেশন

খাতির জমানোর জন্য মুনাফিক এবং ফাসিকদের সাথে উঠাবসা করা যাবে কী?

লিখেছেন: ' বাগেরহাট' @ শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০০৯ (১:৫৪ অপরাহ্ণ)

“বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।”

দুর্বল ঈমানের অনেক মানুষই পাপাচারী ও দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে
ইচ্ছাকৃতভাবে উঠাবসা করে থাকে। এমনকি আল্লাহর দ্বীন এবং তাঁর অনুসারীদের প্রতি যারা অহরহ বিদ্রুপ করে , তাদের সঙ্গেও তারা দহরম-মহরম সম্পর্ক রেখে চলে। এমনকি অনেকেই তাদের সাথে উঠাবসা , চলা-ফেরা, খাওয়া-দাওয়া ও আত্মীয়তা সবই করে থাকে।অথচ এসমস্ত কাজগুলি যে একজন পরহেযগার ঈমানদার ব্যক্তির জন্য হারাম তাতে কোন সন্দেহ নেই ।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেছেন ,
“হে মুহাম্মদ (সঃ) ! যখন আপনি তাদেরকে আমার কোন আয়াত বা বিধান সর্ম্পকে উপহাসমুলক আলোচনায় মগ্ন দেখতে পান -তখন আপনি তাদের থেকে দূরে থাকুন, যে পর্যন্ত না তারা অন্য বিষয়ে আলোচনা শুরু করে। আর যদি শয়তান আপনাকে ভুলিয়ে দেয়, তাহলে স্মরণে আসার পর যালিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে আপনি আর বসবেন না।” সূরা আনআম-৬৮।
অতএব ফাসিক ও মুনাফিকদের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক যত গভীরই
হউক কিংবা তাদের সাথে সমাজ করাতে যত মজাই লাগুক আর তাদের কথা-বার্তা যত মধুর হউক না কেন – তাদের সাথে উঠাবসা করা একজন সত্যিকার পরহেযগার মুসলমানের জন্য কোন রকমেই জায়েজ নয়।

তবে হ্যাঁ , যে ব্যক্তি তাদেরকে ইসলামের দা’ওয়াত প্রদান করে , তাদের বাতিল আকীদার প্রতিবাদ করে কিংবা তাদেরকে অন্যায় থেকে নিষেধ করার জন্য তাদের নিকট যাতায়াত করে , তাহলে সে উক্ত নির্দেশের আওতাভূক্ত হবে না। স্বেচ্ছায় , খুশীমনে ও কোন কিছু না
বলে নীরবে তাদের সাথে মিলেমিশে থাকাটা বড়ই পাপের কাজ।এ
প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলেছেন, “হে ঈমানদারগণ! ঐসমস্ত
মুনাফিকরা তোমাদের নিকট শপথ করবে যাতে তোমরা তাদের প্রতি
সন্তুষ্ট হও। তবে যদি তোমরা তাদের (ঐ সমস্ত ফাসিকদের) প্রতি সন্তষ্ট থাক তবে( জেনে রেখ) মহান আল্লাহ ফাসিক বা দুষ্কৃতকারী সম্প্রদায়ের প্রতি সন্তুষ্ট হবেন না।”সূরাঃ আত-তওবা৯৬।

মহান আল্লাহ যাদের প্রতি সন্তুষ্ট নন তাদের প্রতি আমাদের সন্তুষ্ট প্রকাশ
কত বড় আল্লাহ বিরোধী কাজ একবার ভেবে দেখেছেন কী? আমরা যেন
মহান আল্লাহপাকের সন্তুষ্ট বজায় রেখে মৃত্যু পর্যন্ত চলতে পারি, মহান রবের নিকট এই প্রার্থনাই করি। আমীন!

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১৫৫ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

১৭ টি মন্তব্য

  1. আমরা যেন
    মহান আল্লাহপাকের সন্তুষ্ট বজায় রেখে মৃত্যু পর্যন্ত চলতে পারি, মহান রবের নিকট এই প্রার্থনাই করি। আমীন!

    আমিন।

  2. আপনি উপরে দুইটি আয়াত থেকে রেফারেন্স দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ ভালো কথা। কিন্তু সেই আয়াত গুলিতে সরাসরি বলা হয়নাইযে একজন মানুষ শুধু অমুসলিম হওয়ার কারনে তার সাথে মেশা যাবে না বা তার সাথে কন সম্পর্ক রাখা যাবে না। আর যদি সবাই অমুসলিম ভাইদের সাথে সম্পর্ক ছিন্য করে তাহলে দুনিয়াতে দুইটা দল হয়ে যাবে। ১,মুসলিম এবং দুই অমুসলিম এবং এতেকোরে দাংগাহাঙ্গামাও বেরে যাবে। আমরা যারা প্রবাশে থাকি তাদেরকে নানা কারনে অমুসলিমদের সাথে মেশ্তে হয়।

    এছাড়া সামাজিক ভাত্রিত্তবদ এবং ব্যবসা বানিজ্যের খাতিরে আমাদের অনেক সময় অমুসলিম ভাইদের সাথে মেলা মেশা করতে হয়। আর আল্লাহর রাসুল যদি অমুসলিমদের সাথে না মেশতেন তাহলে আজ ইসলাম এত প্রসার লাভ করতোনা। মুসলমানের সংখ্যা আনুমানিক ১৪০ কোটি ও তারা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠী।বর্তমানে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মুসলমানরা বাস করেন। আরবে এ ধর্মের গোড়া পত্তন হলেও অধিকাংশ মুসলমান |অনারব এবং আরব দেশের মুসলমানরা মোট মুসলমান সংখ্যার শতকরা মাত্র ২০ বিশভাগ। সুত্র । তাই খুব সহজেই বুঝা জায় যে, বাকি ৮০% মুসলিমদের ব্যাপারটা।

    উল্লেখ্যঃ আমার মনে হয় , যদি কোন অমুসলিম ভাইয়ের কোন কাজ ইসলাম বা মুসলিমদের বিপক্ষে না যায়, তাহলে কোন সমশ্যা নেই তাদের সাথে মেশতে। আর আল্লাহ বলেদিয়েছেনঃ আল্লাহ চাইলে সবাইকে মুসলিম বানিয়ে দুইয়াতে পাঠাতে পারতেন।
    এছাড়া ধর্ম প্রচারের জন্যেও অনেক সময় অমুসলিমদের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরী। আল্লাহ আল কুরানে বলেন তাদেরকে গালি দিওনা, আল্লাহ ব্যাতীত যাদেরকে তারা দাকে, এবং তাদের সাথে যুক্তি দেখাও উত্তম পন্থায়।

    উপরে আমারমত করে আমি বললাম। ভুল্ভ্রান্তি হলে তা সুধ্রে দিবেন বলে আশা রাখি। ধন্যবাদ। :)

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    মুশরিকদের সাহায্য করা অথবা মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সহযোগিতা করা। ইরশাদ হচ্ছে–”তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু বানাবে সে তাদেরই একজন।” সূরা -মায়েদা৫১।
    যেমন- আমাদের দেশে এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবি রয়েছে যারা নিজেদের চিন্তা চেতনা ,বক্তব্য ও লেখনী দিয়ে পৌত্তলিকদের সাহায্য করে যাচ্ছে।
    মুসলিম লেখকদের বাদ দিয়ে মুশরিক লেখকদেরকে সাহায্য করছে।

    ঈমান নষ্টকারী ১০টি বিষয় নামক পোষ্টে এবিষয়টি এভাবে উপস্হাপন করা হয়েছিলো। এছাড়া আপনাকে অনেক দলিল দেয়া যাবে। আসল কথা হলো সম্পর্ক রাখা যাবে, তবে তা হতে হবে প্রয়োজন বশতঃ চাই সেটা ইসলামের দাওয়াত হোক, বা ব্যবসার কাজে হোক ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আপনি তাদের সাথে স্রেফ সময় কাটানোর জন্য বা আড্ডা দেওয়ার জন্য মেলামেশা করতে পারবেন না। আমার মনে হয় উপরের পোষ্ট দিয়ে এটাই বুঝানো হয়েছে।

    ধন্যবাদ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম, মুশরিকদের সাহায্য করা অথবা মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদেরকে সহযোগিতা করা। ইরশাদ হচ্ছে–”তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তাদেরকে বন্ধু বানাবে সে তাদেরই একজন।” সূরা -মায়েদা৫১

    আমার মনে হয় ভাইজান উপরের আয়াতগুলি খেয়াল করেন নাই।সূরা -মায়েদা৫১ নং আয়াত, এখানে প্রসঙ্গটা কি তা আমাদের বুঝা উচিত।অমুসলিমদেরকে বন্ধু বানানো যাবে কি যাবেনা, এ বিষোয়টার উত্তর পোষ্ট আকারে দিতে চাই, আর তা অবশ্যই আল-কুরান ও ছহিহ হাদিসের আলোকে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। :)

    জ্ঞান পিপাষু

    @জ্ঞান পিপাষু, আপনি মাত্র একটি আয়াত উল্যেখ করেছেন। আর আমি সম্পুর্ণ আল-কুরান থেকে রেফারেন্স দেয়ার চেষ্টা করবো। তবে একটু সময় লাগবে। একটু ব্যস্ত আছি। ধন্যবাদ। (F)

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    আর আল্লাহর রাসুল যদি অমুসলিমদের সাথে না মেশতেন তাহলে আজ ইসলাম এত প্রসার লাভ করতোনা।

    পোষ্টেই এ ব্যপারে বলা হয়েছে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম, (F) ……… (F) ……….. (F)

    দ্য মুসলিম

    @জ্ঞান পিপাষু,

    উল্লেখ্যঃ আমার মনে হয় , যদি কোন অমুসলিম ভাইয়ের কোন কাজ ইসলাম বা মুসলিমদের বিপক্ষে না যায়, তাহলে কোন সমশ্যা নেই তাদের সাথে মেশতে।

    এতবড় একটা ব্যপার কি হুট করে সিদ্ধান্ত দিয়ে দিলেন? নাকি এ ব্যপারে দলিল আছে? পারলে সহীহ হাদিস ও কোরান এর দলিল দিয়ে আমাদের কে বাধিত করবেন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম, চেষ্টা করবো আপনাকে বাধিত করতে, একটু ব্যস্ত আছিতো তাই। আর কোন অমুসলিমকে ভাই বলা যাবেনা, এ কথাটি সহীহ হাদিস ও কোরান এর কোথায় আছে দয়া করে জানাবেন কি? :)

    জ্ঞান পিপাষু

    @জ্ঞান পিপাষু, এতবড় একটা ব্যপার কি হুট করে সিদ্ধান্ত দিয়ে দিলেন? নাকি এ ব্যপারে দলিল আছে? পারলে সহীহ হাদিস ও কোরান এর দলিল দিয়ে আমাদের কে বাধিত করবেন।

    ভাইজান, রুগীদের জন্যেই ডাক্তার। অমুসলিমদের রোগ সারাতে মুসলিম দেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। আর আমি উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, তার আলোকেই আমি কথাটি বলেছি। আর বলার আগে বলেছি আমার মনে হয়। তাই এটা আমার ব্যক্তিগত মত।
    আপনার যদি মনে হয় আমার কথা গ্রহনযোগ্য নয়, তাহলে তা বর্জন করুন। :)

  3. ব্যবসা বানিজ্যের খাতিরে আমাদের অনেক সময় অমুসলিম ভাইদের সাথে মেলা মেশা করতে হয়।</strong

    অমুসলিম বললেন আবার ভাই বললেন? আমি যতদুর জানি মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই। অমুসলিমদের ভাই বলার ব্যপারটা আমার কাছে পরিস্কার নয়। দলিল থাকলে পেশ করলে ভালো হয়।

    জ্ঞান পিপাষু

    @দ্য মুসলিম, কোন অমুসলিমকে ভাই বলা যাবেনা, এ কথাটি সহীহ হাদিস ও কোরান এর কোথায় আছে দয়া করে জানাবেন কি? (F)

  4. Make Islam more difficult to difficult that no one can perform it expect your self .

    Look This last Sermon of Rasul s: Where he mentioned Islam perfectly :
    This sermon was delivered on the Ninth Day of Dhul Hijjah 10 A.H. in the ‘Uranah valley of Mount Arafat’ (in Mecca).

    After praising, and thanking God he said:

    “O People, lend me an attentive ear, for I know not whether after this year, I shall ever be amongst you again. Therefore listen to what I am saying to you very carefully and take these words to those who could not be present here today.

    O People, just as you regard this month, this day, this city as Sacred, so regard the life and property of every Muslim as a sacred trust. Return the goods entrusted to you to their rightful owners. Hurt no one so that no one may hurt you. Remember that you will indeed meet your Lord, and that He will indeed reckon your deeds. God has forbidden you to take usury (interest), therefore all interest obligation shall henceforth be waived. Your capital, however, is yours to keep. You will neither inflict nor suffer any inequity. God has judged that there shall be no interest and that all the interest due to Abbas ibn ‘Abd’al Muttalib (Prophet’s uncle) shall henceforth be waived…

    Beware of Satan, for the safety of your religion. He has lost all hope that he will ever be able to lead you astray in big things, so beware of following him in small things.

    O People, it is true that you have certain rights with regard to your women, but they also have rights over you. Remember that you have taken them as your wives only under God’s trust and with His permission. If they abide by your right then to them belongs the right to be fed and clothed in kindness. Do treat your women well and be kind to them for they are your partners and committed helpers. And it is your right that they do not make friends with any one of whom you do not approve, as well as never to be unchaste.

    O People, listen to me in earnest, worship God, say your five daily prayers (Salah), fast during the month of Ramadan, and give your wealth in Zakat. Perform Hajj if you can afford to.

    All mankind is from Adam and Eve, an Arab has no superiority over a non-Arab nor a non-Arab has any superiority over an Arab; also a white has no superiority over black nor a black has any superiority over white except by piety and good action. Learn that every Muslim is a brother to every Muslim and that the Muslims constitute one brotherhood. Nothing shall be legitimate to a Muslim which belongs to a fellow Muslim unless it was given freely and willingly. Do not, therefore, do injustice to yourselves.

    Remember, one day you will appear before God and answer your deeds. So beware, do not stray from the path of righteousness after I am gone.

    O People, no prophet or apostle will come after me and no new faith will be born. Reason well, therefore, O People, and understand words which I convey to you. I leave behind me two things, the Quran and my example, the Sunnah and if you follow these you will never go astray.

    All those who listen to me shall pass on my words to others and those to others again; and may the last ones understand my words better than those who listen to me directly. Be my witness, O God, that I have conveyed your message to your people”.

    ____________________________________________________________________________________

    Anyway,

    006.068
    YUSUFALI: When thou seest men engaged in vain discourse about Our signs, turn away from them unless they turn to a different theme. If Satan ever makes thee forget, then after recollection, sit not thou in the company of those who do wrong.
    PICKTHAL: And when thou seest those who meddle with Our revelations, withdraw from them until they meddle with another topic. And if the devil cause thee to forget, sit not, after the remembrance, with the congregation of wrong-doers.
    SHAKIR: And when you see those who enter into false discourses about Our communications, withdraw from them until they enter into some other discourse, and if the Shaitan causes you to forget, then do not sit after recollection with the unjust people.

    When you see those who engage in discourse about Our signs, the Qur’ān, in mockery, turn away from them, and do not sit with them, until they discourse on some other topic. And if (immā: the letter nūn of the conditional particle in has been assimilated with the extra mā) Satan should make you forget (read yunsiyannaka or yunassiyannaka), and you sit with them, then do not sit, after the reminder, that is, [after] you remember, with the evildoing folk (the overt noun [al-qawm al-zālimīn, ‘the evildoing folk’] replaces the [third person] pronominalisation).

    ভাই, দয়াকরে একটু সাবধান হন । একটু ভাল করে দেখেন । এই আয়াতের শানে নুজল ছাড়া কিভাবে হয় । আয়াত গুলি ভাল করে পড়লে এমনিতেই বুঝতে পারবেন । ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয় ।

    দ্য মুসলিম

    @fuad,দুঃখিত ভাই। ইংরেজী পড়তে জানিনা।

    fuad

    @দ্য মুসলিম,

    আমার কমপিউটার নষঠ বলে বাংলায় লিখতে না পারার জন্য টিটকারি দেন ? নিজের গিয়ানে OHONKARI HOWYA O KHARAP ? OHONKAR TEG KOREN . MATI TE, NEME ASHEN .

    দ্য মুসলিম

    @fuad,সত্য কথা ভাই। আমি ইংরেজীতে খুব দুর্বল।

  5. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে , অমুসলিমদের কালচার বা সংস্কৃতি যেন আমাদের মাঝে প্রবেশ না করে । টেকনোলোজি প্রবেশ করলে সমস্যা নেই ।
    এটাই আমাদের মনে রাখতে হবে । আর যার দুর্বলতা আছে এবং মিলা মিশা করলে নিজের অধ:পতিত হবার সম্ভাবনা আছে তার দুরে থাকা ভালো । আর কেউ দাওয়াতের উদ্দেশ্যে মেলামেশা করলে সমস্যা নেই ।