লগইন রেজিস্ট্রেশন

আহলে কিতাবদের abrogated কিতাবের reference

লিখেছেন: ' Biplobi' @ রবিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০১০ (১০:৫১ অপরাহ্ণ)

একটু আগে আমার ব্লগে, আমাদের পিস ইন ইসলামের “জ্ঞান পিপাষু”(বা ফাহাদ) ভাইয়ের

http://islamic.amarblog.com///posts/97515/#comment-557088

পোস্টে একটা কমেন্ট করে আসলাম।

কোন অজ্ঞাত কারণবশত এখানে (পিস ইন ইসলামে) আমার কমেন্টগুলো প্রকাশিত হচ্ছে না – তাই ভাবলাম পোস্ট আকারেই ব্যাপারটা সামনে নিয়ে আসি। ওখানে আমি যে কমেন্ট করেছি তা হচ্ছে এরকম:

@জ্ঞান পিপাষু,না ঠিক আছে! তার মানে আপনার নিজের দ্বীনকে জানা সম্পন্ন হয়েছে তাই তো? সেজন্য আপনি আহলে কিতাবদের কাছে দাওয়াত extend করছেন! মাশা’আল্লাহ, আপনার উন্নতি remarkable!.

আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানমতে নিজেকে এবং নিজের পরিবার পরিজনকে আগুন থেকে বাঁচানো প্রতিটি মুসলিমের জন্য topmost priority। এছাড়া আমাদের জন্য, আহলে কিতাবদের দ্বীন চর্চার উপর restriction আছে – ব্যাপারটা সাধরণের জন্য পরিত্যাজ্য। এজন্য নয় যে, আমরা কুপমন্ডুক হয়ে থাকবো – বরং এজন্য যে, আমাদের জ্ঞান কম বলে আমাদের defense mechanism শক্ত নয়! জাকির নায়েকের মত বুজুর্গ অথবা মীর্জা গোলাম আহমাদের মত পথভ্রস্ট – এই দুই প্রান্তিক অবস্থানে কিছুটা যৌক্তিকতা থাকলেও, আপনার approach-টা আপনার জন্যই বিপজ্জনক। ভাই হিসাবে আপনাকে বললাম – আপনার পদ্ধতিটি সঠিক মনে হচ্ছে না। নীচে মুসনাদ আহমাদের একটা হদীস দেখুন:

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ جَاءَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي مَرَرْتُ بِأَخٍ لِي مِنْ بَنِي قُرَيْظَةَ فَكَتَبَ لِي جَوَامِعَ مِنْ التَّوْرَاةِ أَلَا أَعْرِضُهَا عَلَيْكَ قَالَ فَتَغَيَّرَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ فَقُلْتُ لَهُ أَلَا تَرَى مَا بِوَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ عُمَرُ رَضِينَا بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَسُولًا قَالَ فَسُرِّيَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَصْبَحَ فِيكُمْ مُوسَى ثُمَّ اتَّبَعْتُمُوهُ وَتَرَكْتُمُونِي لَضَلَلْتُمْ إِنَّكُمْ حَظِّي مِنْ الْأُمَمِ وَأَنَا حَظُّكُمْ مِنْ النَّبِيِّينَ

আব্দুল্লাহ ইবনে সাবিত থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: উমার ইবনে খাত্তাব(রা.) নবীর(সা.) কাছে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল আমি বনী কুরায়যা গোত্রীয় আমার এক ভাইয়ের কাছে যাওয়ায়, সে আমার জন্য তাওরাতের কিছু অংশ লিখে দিয়েছে, আমি কি তা আপনাকে দেখাবো না? ফলে রাসূলুল্লাহর(সা.) চেহারা বদলে গেল, আব্দুল্লাহ বললেন, আমি তাঁকে বললাম, আপনি কি আল্লাহর রাসূলের চেহারায় যা প্রকাশ পাচ্ছে তা দেখছেন না? অতঃপর উমার(রা.) বললেন: আমরা রব হিসেবে আল্লাহর ব্যাপারে, দ্বীন হিসেবে ইসলামের ব্যাপারে এবং রাসূল হিসেবে মুহাম্মাদের(সা.) ব্যাপারে সন্তুষ্ট, ফলে নবী(সা.) স্বাভাবিক হলেন, অতঃপর বললেন: যদি তোমাদের মাঝে মুসা থাকতেন, আর তোমরা আমাকে পরিত্যাগ করে মুসার অনুসরণ করতে তবে অবশ্যই তোমরা পথভ্রষ্ট হতে, নিশ্চয়ই তোমরা উম্মাতসমূহের মাঝে আমার অংশ আর আমি নবীগণের মাঝে তোমাদের অংশ ৷(মুসনাদ, আহমাদ)

এছাড়াও আমাদের মনে রাখতে হবে, বিদায় হজ্জের মাঠে কুর’আনের ৫:৩ আয়াত নাযিল হবার পর, দুনিয়ায় কেবল ২টি দ্বীনই আছে – দ্বীন আল ইসলাম এবং দ্বীন আল কুফর। আপনি/আমি হয় একজন মুসলিম নাহয় একজন কাফির – মাঝামাঝি কিছু হবার উপায় নেই । সাদা অথবা কালো – ধূসর বা gray হবার উপায় নেই। দুনিয়ার সকল দ্বীন, সেগুলোর কিতাব, হুকুম, আহকাম, শরীয়াহ্ – সব abrogated বা রোহিত হয়ে গেছে। সুতরাং কোন আদর্শ, নীতি কথা বা নীতিমালায় সে সবের reference টেনে আনাও একধরনের দীনতা – যা থেকে এটাও মনে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে যে, মুহাম্মদ (সা.) যা নিয়ে এসেছিলেন তা, as if পর্যাপ্ত নয় (নাউযুবিল্লাহ!)। আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে উপযুক্ত vision দান করুন যাতে, আমরা “ভাবিয়া কাজ করি, করিয়া না ভাবি”! আমীন!!

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৮৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৪ টি মন্তব্য

  1. জাকির নায়েকের মত বুজুর্গ অথবা মীর্জা গোলাম আহমাদের মত পথভ্রস্ট – এই দুই প্রান্তিক অবস্থানে কিছুটা যৌক্তিকতা থাকলেও, আপনার approach-টা আপনার জন্যই বিপজ্জনক

    আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি। আপনি আমাকে সরাসরি বলেন আমার ভূলটা কোথায়? তাহলে আপনার কাছে কিতজ্ঞ থাকবো।

    আর আপনি আমাকে কি ভাবছেন তা আমি জানিনা। তবে আমার মনের খবর আমি জানি আর আমার আল্লাহ ভালো জানে।
    আমি শুধু বিভিন্ন ধর্মের মিল গুলি নিয়ে আলোচনা করি। আর আল্লাহ আল-কুরানে বলেছেনঃ এসো সেই কথায় যা তোমাদের এবং আমাদের মধ্যে অভিন্ন। আমি এর বেশি কিছু করতে ইচ্ছুক নই। তবে বিভিন্ন বিষয় জানতে আমি সব সময় আগ্রহ্ব।আর আমার এয়াগ্রহটা জন্মিয়েছে ডঃ জাকির নায়েকের কথা শুনেই। তার ছাত্ররা সব ধর্ম বিশয়ে জ্ঞান রাখেন তার মত। বাকিটা আপনার উত্তরের পরে বলব।ধন্যবাদ।

    হাফিজ

    @জ্ঞান পিপাষু,
    একজন মুসলিম যখন Comparative Religion নিয়ে পড়াশুনা করবে , তার উদ্দেশ্য কয়েকটা থাকতে পারে । ইসলাম ধর্ম প্রচার করা , বিভিন্ন ধর্মের তুলনা করে ইসলামের মাহাত্ন ফুটিয়ে তোলা, অন্য ধর্মের অসারতা প্রমান করা । ( মুলত: ইসলাম ধর্মের প্রচার করা )

    আপনার আমারব্লগে পোস্টে বোঝা যাচ্ছে না , আপনি কি চাচ্ছেন , যেকেউ মনে করতে পারে আপনি বাইবেলের মাহাত্ন প্রচার করছেন । অথবা একজন মুসলিমেরও বাইবেল থেকে গ্রহন করার অনেক কিছু আছে এটাই বুঝাতে চেয়েছেন । আর তুলনাত্নক ধর্ম বিষয়ে একজনের আগ্রহ থাকতেই পারে। তবে কেউ এ বিষয়ে লিখতে গেলে অবশ্যই তাকে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে , যেটা আহমদ দীদাত এবং জাকির নাইকের আছে ।

    আমার মনে হয় “বিপ্লবি” ভাই এটাই বুঝাতে চেয়েছেন ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @হাফিজ,


    আপনার আমারব্লগে পোস্টে বোঝা যাচ্ছে না , আপনি কি চাচ্ছেন ,তার উদ্দেশ্য কয়েকটা থাকতে পারে ।

    যেখানে কুরান বাইবেল একমোত, সেখানে কোন অসুবিধা আছে বলে আমার মনে হয় না। যেখানের যেই ভাও, ঠেক বুঝে নৌকা বাও এই আর কি। আশা করি বুঝেছেন।

    তবে কেউ এ বিষয়ে লিখতে গেলে অবশ্যই তাকে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে , যেটা আহমদ দীদাত এবং জাকির নাইকের আছে ।

    আপনাদের মত বুরাতো হয়ে যাই নাই এখোনো । :)

    পড়াশুনা এবং জ্ঞান অর্জনের কাজেই নিজেকে নিয়জিত রেখেছি। আর সেই ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকেই মাঝে মাঝে আপনাদেরকে কিছু বলি।
    ভুল হলে শুধ্রে দিবেন তাই কামনা করি। আমি আর আমার আল্লাহপাক জানে, আমার অন্তরের খবর। ধন্যবাদ।

  2. ব্যপারটা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির উপর। কেউ যদি মনে করেন যে তিনি বাইবেল পড়লে পথভ্রষ্ট হবেন না, বরং তার দাওয়াতী কাজে সাহায্য হবে তখন তিনি পড়তে পারবেন।