লগইন রেজিস্ট্রেশন

রজম একটি বাস্তবতা

লিখেছেন: ' সাদাত' @ সোমবার, মে ৯, ২০১১ (১০:৫২ পূর্বাহ্ণ)

রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক মুসলিমের ওপর রজম প্রয়োগের প্রমাণ:

এক.

জাবির বিন আব্দুল্লাহ আল আনসারি হতে বর্ণিত:

বনি আসলাম গোত্রের এক লোক রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে জানাল যে সে জিনা করেছে এবং নিজের বিরূদ্ধে চার বার সাক্ষ্য দিল। রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে প্রস্তরাঘাতে মৃত্যুর নির্দেশ দিলেন, কারণ সে বিবাহিত ছিল।

[বুখারি শরিফ ভলিউম ৮, বুক ৮২, নম্বর ৮০৫]

রজম প্রয়োগের এই ঘটনাটি বুখারি শরীফের ৮টা, মুসলিম শরীফের ৯টা, আবু দাউদ শরীফের ৪টা, মুয়াত্তা ইমাম মালিকের ২ টা, মোট ২৩ টা সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

দেখুন:

বুখারি শরিফ, ভলিউম/নম্বর 7/195,7/196,8/805,8/806,8/810,8/813,8/814,9/280

মুসলিম শরিফ, হাদিস নম্বর 4196,4198,4199,4201,4202,4205,4206,4209,4483

আবু দাউদ শরিফ, হাদিস নম্বর 4364, 4405, 4413, 4414

মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস নম্বর41.1.2, 41.1.4

বিভিন্ন সূত্রে এই ঘটনা যাদের থেকে বর্ণিত হয়েছে:

জাবির বিন আব্দুল্লাহ আল আনসারি(রা.),আবু হুরাইরা(রা.),জাবির বিন সামুরা(রা.),সাঈদ বিন যুবাইর(রা.), সুলাইমান বিন বুরাইদা(রা.), আব্দুল্লাহ বিন বুরাইদা(রা.), যায়েদ বিন খালিদ আল জুহানি(রা.), আমির বিন সা’দ বিন আবি ওয়াক্কাস(রা.), আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস(রা.), সাঈদ ইবনে আল মুসায়্যিব(রা.) প্রমুখ।

দুই.

একজন বিবাহিতা মহিলা জেনার স্বীকারোক্তি করায় তার ওপর রজম প্রয়োগ করা হয়।

দেখুন:

বুখারি শরিফ, ভলি:/নম্বর 3/508, 3/860, 3/885, 8/629, 8/815, 8/821, 8/826, 8/842, 9/303, 9/365

বর্ণনাকারি: যায়েদ বিন খালিদ আল জুহানি(রা.), আবু হুরাইরা(রা.)

তিন.

একজন গর্ভবতী মহিলা নিজে জেনার স্বীকারোক্তি করায় সন্তান-প্রসব এবং সন্তানকে দুধ ছাড়ানোর পর তার ওপর রজম প্রয়োগ করা হয়।

দেখুন:

মুসলিম শরিফ, হাদিস নম্বর ৪২০৭

মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস নম্বর ৪১.১.৫

রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক ইহুদি নরনারী ওপর রজম প্রয়োগের প্রমাণ:

একজন ইহুদি পুরুষ এবং একজন ইহুদি নারীর ওপর জেনার জন্য রজম প্রয়োগ করা হয়।

বুখারি শরিফ, ভলি/নম্বর 2/413, 4/829, 6/79, 8/809, 8/825, 9/37, 9/432, 9/633

মুসলিম শরিফ, নম্বর 4211, 4212, 4214

মুয়াত্তা ইমাম মালিক, নম্বর 41.1.1

একটি সংশয়ের নিরসন:

আশ-শায়বানি হতে বর্ণিত:

আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আউফাকে রজম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি উত্তর দিলেন, “নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজমের শাস্তি কার্যকর করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “সেটা কি সূরা আন্-নূর অবতরণের আগে না পরে?” তিনি বললেন, “আমি জানি না”।

[বুখারি শরিফ ভলিউম ৮, বুক ৮২, নম্বর ৮২৪]

এই হাদিস থেকে কারো মনে এই চিন্তা দানা বাঁধতে পারে যে হয়ত রজমের ঘটনাগুলো আসলে সূরা আন-নূর অবতরণের আগের ঘটনা, কাজেই সূরা আন-নূরের ১০০ বেত্রাঘাতের আয়াত দ্বারা রজমের বিধান হয়ত রহিত হয়ে গেছে।

কিন্তু সে সন্দেহ নিতান্ত অমূলক। কারণ আব্দুল্লাহ ইবনে আবি আউফা(রা.)এই বিষয়টি না জানতে পারেন কিন্তু আমাদের জন্য কিন্তু এ বিষয়ে অজ্ঞ থাকার কোন সুযোগ নেই। আসুন নিজেরাই যাচাই করে দেখি:

১. সূরা আন-নূরা অবতীর্ণ হয়েছে হিজরি ৫ সনে। [এই সূরায় হযরত আয়েশা(রা.)এর প্রতি আরোপিত অপবাদ খণ্ডন করা হয়েছে। আর অপবাদ আরোপের ঘটনাটি ঘটেছিল বনু মুস্তালিক যুদ্ধের(৫ম হিজরি, ৬২৬ খ্রি.)পর পর।]

[The general agreement of scholars is that this sura was revealed shortly before or after the Battle of the Trench in 5 AH

http://en.wikipedia.org/wiki/An-Nur]

[The Banu al Mustaliq, allied to the Quraish of Mecca, were the subject to a pre-emptive attack by Muhammad in the month of Sha'ban of the year 626 (5 AH).

http://en.wikipedia.org/wiki/Banu_Mustaliq]

২. আর রজমের এই ঘটনা ঘটেছে হিজরি ৭ সনে বা তার পরে। কারণ এই ঘটনার অনেক বর্ণনাকারির ভেতর আবু হুরাইরা(রা.) ও রয়েছেন, আর এটা সুবিদিত যে আবু হুরাইরা(রা.) মদিনায় আসেন হিজরি ৭ সনে।

In 629 he went to Medina with some others from his tribe.

http://en.wikipedia.org/wiki/Abu_Hurairah

কাজেই রজম প্রয়োগের এই ঘটনা যে সূরা আন-নূর অবতরণের অনেক পরের ঘটনা তাতে সন্দেহের কোন বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই। এতেও যদি কারো মনের খুঁতখুঁতানি দূর না হয়, তবে বলব, শুধু সূরা আন-নূর নয়, বরং পুরো কুরআন অবতরণের পরে এমনকি রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর ওফাতের পরে খুলাফায়ে রাশেদিনের সময়েও রজম প্রয়োগের ঘটনা আমরা সহিহ হাদিসে পাই। নিচে দেখুন:

খুলাফায়ে রাশেদীনের সময়ে রজমের প্রচলন:

এক.

Abu Daud, Book 38, Number 4385:

Narrated Ali ibn AbuTalib:

Ibn Abbas said: A lunatic woman who had committed adultery was brought to Umar. He consulted the people and ordered that she should be stoned.

Ali ibn AbuTalib passed by and said: What is the matter with this (woman)? They said: This is a lunatic woman belonging to a certain family. She has committed adultery. Umar has given orders that she should be stoned.

He said: Take her back. He then came to him and said: Commander of the Faithful, do you not know that there are three people whose actions are not recorded: a lunatic till he is restored to reason, a sleeper till he awakes, and a boy till he reaches puberty?

He said: Yes. He then asked: Why is it that this woman is being stoned?

He said: There is nothing. He then said: Let her go. He (Umar) let her go and began to utter: Allah is most great.

Abu Daud, Book 38, Number 4388:

Narrated Ali ibn AbuTalib:

AbuZubyan said: A woman who had committed adultery was brought to Umar. He gave orders that she should be stoned.

Ali passed by just then. He seized her and let her go. Umar was informed of it. He said: Ask Ali to come to me. Ali came to him and said: Commander of the Faithful, you know that the Apostle of Allah (peace_be_upon_him) said: There are three (people) whose actions are not recorded: A boy till he reaches puberty, a sleeper till he awakes, a lunatic till he is restored to reason. This is an idiot (mad) woman belonging to the family of so and so. Someone might have done this action with her when she suffered the fit of lunacy.

Umar said: I do not know. Ali said: I do not know.

দুই.

Malik’s Muatta, Book 41, Number 41.6.20:

Malik related to me from Rabia ibn Abi Abd ar-Rahman that Umar ibn al-Khattab spoke about a man who went out with his wife’s slave-girl on a journey and had intercourse with her and then the wife became jealous and mentioned that to Umar ibn al-Khattab. Umar questioned him about it. He said, “”She gave her to me.”" Umar said, “”Bring me a clear proof or I will stone you.”" Rabia added, “”The wife confessed that she had given her to him.”"

তিন.

আলী(রা.)জুমআর দিন একজন মহিলার ওপর রজম প্রয়োগ করেন।

Narrated Ash-Sha’bi:
from ‘Ali when the latter stoned a lady to death on a Friday. ‘Ali said, “I have stoned her according to the tradition of Allah’s Apostle.”

[Bukhari Vol.8, Book 82, No.: 803 ]

রজমের ব্যাপারে আরো সহিহ হাদিস:

এক.

আবু হুরাইরা(রা.)বলেন:

নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “সন্তান বিছানা(মালিক)এর আর জিনাকারির জন্য রজম”

[বুখারি শরিফ: ভলিউম ৮, বুক ৮২, নম্বর ৮০৮]

এ সংক্রান্ত আরো সহিহ হাদিস:

বুখারি শরিফ, ভলি/নম্বর 3/269, 3/421, 4/8, 5/596, 8/741, 8/757, 8/807, 8/808, 9/293

মুয়াত্তা ইমাম মালিক, নম্বর 36/21/20

দুই.

Narrated An-Nu’man ibn Bashir:
The Prophet (peace_be_upon_him) said: about a man who had (unlawful) intercourse with his wife’s slave girl: If she made her lawful for him, he will be flogged one hundred lashes; if she did not make her lawful for him, I shall stone him.

[Abu Daud, Book 38, Number 4444]

আরো দেখুন: আবু দাউদ শরিফ, নম্বর ৪৪৪৩

তিন.

[Muslim Sharif : Book: 17, Chapter: 3, Number: 4191 ]
‘Ubada b. as-Samit reported: Allah’s Messenger (may peace be upon him) as saying: Receive (teaching) from me, receive (teaching) from me. Allah has ordained a way for those (women). When an unmarried male commits adultery with an unmarried female (they should receive) one hundred lashes and banishment for one year. And in case of married male committing adultery with a married female, they shall receive one hundred lashes and be stoned to death.

চার.

[Muslim Sharif : Book: 17, Chapter: 3, Number: 4192 ]

‘Ubada b. as-Samit reported that whenever Allah’s Apostle (may peace be upon him) received revelation, he felt its rigour and the complexion of his face changed. One day revelation descended upon him, he felt the same rigour. When it was over and he felt relief, he said: Take from me. Verily Allah has ordained a way for them (the women who commit fornication),: (When) a married man (commits adultery) with a married woman, and an unmarried male with an unmarried woman, then in case of married (persons) there is (a punishment) of one hundred lashes and then stoning (to death). And in case of unmarried persons, (the punishment) is one hundred lashes and exile for one year.

[এখানে মাত্র ৪টি হাদিস গ্রন্থ থেকে সহিহ হাদিসগুলোই তুলে ধরেছি। আরো অনেক অনেক হাদিস তো রয়েই গেছে। যারা মনে করেন রজমের দলিল হচ্ছে “বানরের রজম করার” হাদিস, বা হযরত উমর(রা.)এর সেই ভাষণ যাতে রজমের আয়াত কুরআনে ছিল বলা হয়েছে, অথবা আয়েশা(রা.) এর সেই হাদিস যাতে রজমের আয়াত লিখিত টুকরা ছাগলে খেয়েছে বলা হয়েছে, তারা একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন রজম প্রমাণের জন্য প্রথমটা যেমন কোন দলিলই না এবং দ্বিতীয় বা তৃতীয় দলিলও অপরিহার্য নয়। বরং এগুলো একেবারে মন থেকে মুছে ফেললেও হাদিস এবং ইতিহাসের বিশাল ভান্ডার থেকে রজমকে কখনও মুছে ফেলা সম্ভব নয়। কাজেই রজমকে অস্বীকার বা গোপন করে নয় বরং রজমের প্রকৃত বাস্তবতাকে তুলে ধরার মাধ্যমেই ইসলামের সঠিক প্রচার সম্ভব। এরপর আমি ইনশাআল্লাহ আরো কিছু লেখা দেব যেগুলো পড়ার পর রজম নিয়ে আমাদের সংকীর্ণতা দূর হবে।]

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৪০১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৮ টি মন্তব্য

  1. অনুগ্রহ কোরে রজম সম্পর্কে স্পষ্টভাবে আল-কোরআনের রেফারেন্স দিন

    বেশ কিছু হাদিছের উদ্ধৃতি দিয়ে এখনও পাথর ছুঁড়ে মৃত্যু দন্ড কার্যকর করার দাবি তোলা হয়। এই হাদিছ গুলোকে সরাসরি অস্বীকার করার মত ধৃষ্টতা আমার নেই। আমি বিশ্বাস করি যে, রাসূল (সাঃ) কোন সময় যদি এ বিধানটি কার্যকর করে থাকেন, তাহলে তখনকার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রুক্ষ মরু-এলাকার বর্বর স্বভাবের মানুষ গুলোর জন্য নিশ্চয় তা সঠিক ছিল। একটি হাদিছে (4211) ইহুদিকে ব্যভিচারের শাস্তি দেবার জন্য ইহুদি সম্প্রদায়ের স্মরণাপন্ন হওয়ার এবং তাদের কিতাব অনুসারে শাস্তি কার্যকর করার বিবরন এসেছে।

    Sahih Muslim-

    (4211) Abdullah b. ‘Umar reported that a Jew and a Jewess were brought to Allah’s Messenger (may peace be upon him) who had committed adultery. Allah’s Messenger (may peace be upon him) came to the Jews and said: What do you find in Torah for one who commits adultery? They said: We darken their faces and make them ride on the donkey with their faces turned to the opposite direction (and their backs touching each other), and then they are taken round (the city). He said: Bring Torah if you are truthful. They brought it and recited it until when they came to the verse pertaining to stoning, the person who was reading placed his hand on the verse pertaining to stoning, and read (only that which was) between his hands and what was subsequent to that. Abdullah b. Salim who was at that time with the Messenger of Allah (may peace be upon him) said: Command him (the reciter) to lift his hand. He lifted it and there was, underneath that, the verse pertaining to stoning. Allah’s Messenger (may peace be upon him) pronounced judgment about both of them and they were stoned. Abdullah b. ‘Umar said: I was one of those who stoned them, and I saw him (the Jew) protecting her (the Jewess) with his body.

    এখানে দেখুন, ইহুদিদের কাছে তাদের ধর্মগ্রন্থের সমাধান বের করতে বলা হয়েছে এবং অনেকের উপস্থিতিতে এবং সাক্ষী ছিল বলেই তো তাদের ধর্মগ্রন্থ মতে শাস্তি দেয়া হযেছে।

    তাছাড়া অন্য হাদিছের (4206) বর্ণনা অনুসারে বোঝা যায় যে, তিনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আসামীকে বার বার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আসামিরা তাদের কৃতকর্মের জন্য এতটাই অনুতপ্ত ছিল যে তারা পরকালীন মুক্তি পাবার আশায় পার্থিব শাস্তি বরন করে নেবার জন্য নিজেরাই ব্যতিব্যস্ত ছিল। রসূল (সাঃ) এর ওফাতের (ইন্তেকাল) পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত যেহেতু ওয়াহী আসার সম্ভাবনা ছিল। তাই পূর্ববর্তী কিতাবের এই বিধানটি সম্পর্কে তিনি হঠাৎ করে নেগেটিভ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন নাই। এ কারনেই হয়ত নতুন কোন বিধান আসে কিনা সেই আশায় বার বার আসামীকে ফিরিয়ে দেবার পরও অগত্যা তাদের মনের বাসনা পূরণের জন্য পূর্বের কিতাবের বিধানটি কার্যকর করেছিলেন।

    (4206) ‘Abdullah b. Buraida reported on the authority of his father that Ma’iz b. Malik al-Aslami came to Allah’s Messenger (may peace be upon him) and said: Allah’s Messenger, I have wronged myself; I have committed adultery and I earnestly desire that you should purify me. He turned him away. On the following day, he (Ma’iz) again came to him and said: Allah’s Messenger, I have committed adultery. Allah’s Messenger (may peace be upon him) turned him away for the second time, and sent him to his people saying: Do you know if there is anything wrong with his mind. They denied of any such thing in him and said: We do not know him but as a wise good man among us, so far as we can judge. He (Ma’iz) came for the third time, and he (the Holy Prophet) sent him as he had done before. He asked about him and they informed him that there was nothing wrong with him or with his mind. When it was the fourth time, a ditch was dug for him and he (the Holy Prophet) pronounced judg- ment about him and he wis stoned. He (the narrator) said: There came to him (the Holy Prophet) a woman from Ghamid and said: Allah’s Messenger, I have committed adultery, so purify me. He (the Holy Prophet) turned her away. On the following day she said: Allah’s Messenger, Why do you turn me away? Perhaps, you turn me away as you turned away Ma’iz. By Allah, I have become pregnant. He said: Well, if you insist upon it, then go away until you give birth to (the child). When she was delivered she came with the child (wrapped) in a rag and said: Here is the child whom I have given birth to. He said: Go away and suckle him until you wean him. When she had weaned him, she came to him (the Holy Prophet) with the child who was holding a piece of bread in his hand. She said: Allah’s Apostle, here is he as I have weaned him and he eats food. He (the Holy Prophet) entrusted the child to one of the Muslims and then pronounced punishment. And she was put in a ditch up to her chest and he commanded people and they stoned her. Khalid b Walid came forward with a stone which he flung at her head and there spurted blood on the face of Khalid and so he abused her. Allah’s Apostle (may peace be upon him) heard his (Khalid’s) curse that he had huried upon her. Thereupon he (the Holy Prophet) said: Khalid, be gentle. By Him in Whose Hand is my life, she has made such a repentance that even if a wrongful tax-collector were to repent, he would have been forgiven. Then giving command regarding her, he prayed over her and she was buried.

    কিন্তু দেখা যায যে, রাসূলের (সাঃ) ওফাতের আগ মূহুর্ত পর্যন্ত রজমের বিধানটি আল্লাহর কিতাবে ওয়াহী হিসেবে সংযোজিত হয়নি। যেহেতু আল-কোরআনের বিধান শুধু আরবের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত হয়েছে। তাই সমগ্র মানবজাতির জন্য আল-কোরআনে বিদ্যমান বিধানই সর্বোত্তম হিসেবে গ্রহন ও কার্যকর করাই মুসলিমদের ইমানী দায়িত্ব এবং এর মধ্যেই মানবজাতির কল্যাণ রয়েছে।

    ‘রজম’ এই বিধানটি যেহেতু আল-কোরআনে নেই, তাই ইমানদার হিসেবে এই বিশ্বাস তো অবশ্যই রাখতে হবে যে, রজমের বিধানটি আল্লাহতায়ালার ইচ্ছাতেই তুলে নেয়া হয়েছে। আর যা নেই তা নিয়ে বাড়াবাড়ি করে জালিম সেজে জুলুম করা কোন মুসলিমের কর্ম হতে পারে না। রসূল (সাঃ) এর উপর অতিরিক্ত ভক্তির অজুহাত দেখিয়ে কোনরূপ বাড়াবাড়ি করা সঠিক কিনা তা ভেবে দেখা উচিত।

    সাদাত

    @mahfuzhn,

    ইসলাম বলতে আমি কুরআন এবং সুন্নাহ উভয়কেই বুঝি।

    সাদাত

    @mahfuzhn,

    খুলাফায়ে রাশেদিনের চেয়ে কুরআনকে বেশি বুঝার দাবি আমি করি না।

  2. জাযাকাল্লাহ আহসানাল জাযা।

  3. @mahfuzhn, যেহেতু আল-কোরআনের বিধান শুধু আরবের জন্য নয়, বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত হয়েছে। হাদীসের বিধান কি সকল মানব জাতীর জন্য নয়? তাহলে নামায কি ভাবে পড়বেন? রোজা কি ভাবে রাখবেন? যাকাতের নেসাব কিভাবে ঠিক করবেন? আসলে এটা সুক্ষ ইসলাম বিরুধিতা যে শুধু কুরআনের উপর আমল করব। কারণ নবী গণ যা করেছেন বা বলেছেন তা আল্লাহ পাকের ইচ্ছাই করেছেন বা বলেছেন। পবিত্র কুরআনে এর অনেক উদহারণ আছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের কে হেফাজত করুন। আমীন

    রাসেল আহমেদ

    @মুসাফির, সহমত।

    এম এম নুর হোসেন

    @মুসাফির,শুকরিয়া , সহমত। (F)

  4. অনেকদিন ধরে অনেকে প্রশ্ন করছিল । সুন্দরভাবে গুছিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ ।