লগইন রেজিস্ট্রেশন

সেপ্টেম্বর, ২০১০ -এর আর্কাইভ

 

***ইসলামী খিলাফা অমুসলিমদের যে সুবিধা দিয়েছিল আজকের যুগের তথাকথিত সেকুলার কোন রাষ্ট্র তার ধারের কাছেও নেই***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১০ (১০:০৮ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
আলহামদুলিল্লাহির রহমানির রাহিম, ওয়াস্সালাতু ওয়াস্সালামু আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ ﷺ।

বর্তমান যামানার অধিকাংশ মুসলমান ইসলামী খিলাফা কি রকম ছিল সে সম্পর্কে খুব কম ধারণাই রাখেন। ইসলামী খিলাফার শাসন ব্যবস্থায় অমুসলিমরা পর্যন্ত এতটাই সন্তুষ্ট ছিল যে রোমানরা যখন সিরিয়া’র হিমস এর নিকট সৈন্য সমাবেশ করতে থাকে তখন মুসলিমরা হিমস এর খ্রিস্টানদের নিকট থেকে যে ‘জিজিয়া’ নিয়েছিল তা সকল খ্রিস্টানদের নিকট ফিরিয়ে দেয়, মুসলিম সৈন্যরা তাদের বলেছিল, আমরা তোমাদের নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলাম কিন্তু যেহেতু আমরা নিরাপত্তার আশ্বাস দিতে পারছি না .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

এই “কেন”এর জবাব কি?

লিখেছেন: ' মুহম্মদ তুষার' @ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১০ (১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ)

কেন একজন ইহুদী, খৃষ্টান কিংবা বিধর্মী দাঁড়ি রাখলে সে তার ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করছে বলা হয় অথচ একজন মুসলমান একই করলে সে একজন চরমপন্থী এবং উগ্রপন্থী কিংবা মধ্যযুগীয় মনমানসিকতা সম্পন্ন লোক বলে সম্বোধন করা হয়?
কেন একজন নান তার ধর্মীয় পোশাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঢেকে রাখলে বলা হয় সে ঈশ্বরের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করছে কিন্তু একজন মুসলমান নারী পর্দা করার জন্য বোরকা কিংবা হিজাব পরিধান করলে বলা হয় তিনি নির্যাতিত কিংবা সেকেলে?
কেন একজন পশ্চিমা অমুসলিম নারী .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শিক্ষানীতি ২০১০ : পর্যালোচনা ও পরামর্শ 2

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১০ (৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান

(৬) ধর্ম নিরপেক্ষতা :
(ক) ধর্মনিরপেক্ষতা স্বভাবগতভাবেই শান্তিশৃংখলা এবং রাষ্ট্রীয় সংহতির জন্য মারাত্মক বাধা। কারণ কোন মানুষ স্বীয় ধর্ম বিশ্বাস বাদ দিয়ে কোন কর্মকাণ্ড পরিচালিত করতে পারে না। এ জন্যই উন্নত-অনুন্নত কোন দেশেই কার্যত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র নেই। অবশ্য অনেক রাষ্ট্রের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতার কথা লেখা রয়েছে কিন্তু কার্যকারিতা মোটেই নেই। শুধু তাই নয়, ঐ সমস্ত সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রসমমূহে শাসকদের ধর্মের প্রতি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা আরো প্রকট। কারণ মানুষ যা বিশ্বাস করে কর্মজীবনে তার প্রতিফলনই স্বাভাবিক। অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

শিক্ষানীতি ২০১০ : পর্যালোচনা ও পরামর্শ 1

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১০ (৬:৫৩ পূর্বাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান

বুখারী শরীফের হাদীসে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “উপদেশ প্রদান দ্বীনের অন্যতম একটি দায়িত্ব।” এই হাদীসের আলোকে ভাল পরামর্শ ও সদুপদেশ দানের গুরুত্ব ফুটে উঠে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ঘোষিত শিক্ষানীতি সম্পর্কে নিম্নে কিছু জরুরী পরামর্শ উল্লেখ করা হলো।
(১) জাতীয় শিক্ষানীতি ২০০৯-এর চূড়ান্ত খসড়া
(ক) ইসলাম ধর্ম-শিক্ষা নিয়ে এতে অতি সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হয়েছে। ইসলামের মূল উৎস পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ্-র কোনো বর্ণনা দেয়া হয় নাই। অথচ খৃষ্টান ধর্মের আলোচনা প্রসঙ্গে বাইবেলের উল্লেখ রয়েছে। এটা
.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

আলেম সমাজ ও কওমী ছাত্রদেরকে হেয়প্রতিপন্ন করা:মহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১০ (৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ)

গত ২৮/৭/১০ রোজ বুধবার মতিঝিল দারুল উলুম মাদরাসায় আয়োজিত খতমে কুরআন ও খতমে বুখারীর মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ গ্রহণ করেন যাত্রাবাড়ী মাদরাসার মুহতামিম, গুলশান আযাদ মসজিদের খতীব, মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমীর শাইখুল ইসলাম মুহিউস সুন্নাহ হযরত মাওলানা মাহমূদুল হাসান সাহেব দা. বা.। প্রধান অতিথির ভাষণে হযরত বলেন, একটি চক্র দেশের নিরিহ আলেম সমাজ ও কওমী মাদরাসার ছাত্রদেরকে সমাজের দৃষ্টিতে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য সর্বদা বিভিন্ন ধরনের অপবাদ, অসত্য, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কখনো জঙ্গিবাদ, কখনো সাম্প্রদায়িকতা, .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সাধারণ শিক্ষা ও কওমী মাদরাসা শিক্ষার পার্থক্য 2

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১০ (৬:৩১ পূর্বাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান

(গত তারিখ : ৩০/৭/১০ জামিয়া ইসলামিয়া যাত্রাবাড়ী মদরাসার দাস্তার বন্দী মাহফিলে প্রদত্ত বয়ান)

আমি তাকে কিছুক্ষণ পর প্রশ্ন করলাম, আপনি যা বললেন তা ঠিক তো? সে উত্তর দিল, হ্যা ঠিক। আমি বললাম, আপনার সঙ্গে আমি কথা বলতে রাজি নই। কারণ আপনাকে আমি মূর্খ বলতে পারছি না। আমি যদি এখন কথা বলি তাহলে আপনি মূর্খ সাব্যস্ত হবেন। আমি জানি বাংলাদেশের স্কুল-কলেজের ছাত্ররা মূর্খ হয় না। তারা খুবই কষ্ট স্বীকার করে লেখাপড়া করে। আমার মনে হয় এই শিক্ষানীতি .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সাধারণ শিক্ষা ও কওমী মাদরাসা শিক্ষার পার্থক্য 1

লিখেছেন: ' মাসরুর হাসান' @ শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১০ (৬:২৮ পূর্বাহ্ণ)

মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান
(গত তারিখ : ৩০/৭/১০ জামিয়া ইসলামিয়া যাত্রাবাড়ী মদরাসার দাস্তার বন্দী মাহফিলে প্রদত্ত বয়ান)
মাদরাসা শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য দুটি ১. তালিম ২. তরবিয়াত। কিছুদিন আগে আমি ঢাকার মতিঝিল মাদরাসায় গিয়েছিলাম খতমে কুরআন ও খতমে বুখারীর অনুষ্ঠানে। সেই মাহফিলে ঐ মাদরাসার কমিটির একজন বলছিল, কওমী মাদরাসার শিক্ষানীতিতে সবই আছে কিন্তু সামান্য কিছু বাকি আছে। কী জিনিসটা বাকি আছে তা তিনি বলতে পারেন না। শুধু বলেন, সংগীত নেই, পতাকা নেই। আমি তাকে বললাম, কওমী মাদরাসা শিক্ষায় যে
.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

এক তাবলীগি ভাই এর আত্মপোলব্ধি (১ম উসুল: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ -পর্ব ২)

লিখেছেন: ' abdullah al Mamun' @ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০১০ (৭:৫৮ অপরাহ্ণ)

.....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

***উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর জেরুজালেম সফর এবং আমাদের জন্যে শিক্ষা***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০১০ (৬:০৮ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
আলহাদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, ওয়াস্সালাতু ওয়াস্সালমু আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ ﷺ।

উমর (রা) এর জেরুজালেম সফরের ঘটনা প্রায় মোটামুটি সবাই জানেন আর উমর (রা) সম্পর্কে এই ঘটনাটি অনেক বেশী আলোচিত। সংক্ষেপে ঘটনাটি এরকম, জেরুজালেম নগরী যখন মুসলিমদের দখলে আসে তখন সেখানকার খ্রিস্টান প্রধান “আমিরুল মুমিনীন” বা মুমিনদের নেতা উমর (রা) ব্যতীত অন্যের নিকট বায়তুল মাকদাস মসজিদের চাবি হস্তান্তর করতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে উমর (রা) তার এক ভৃত্যকে সাথে নিয়ে জেরুজালেমের পথে রওনা দেন। তাদের যানবাহন হিসেবে ছিল একটি মাত্র উট। .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>

সংশয়-সন্দেহে সুন্নাত

লিখেছেন: ' আবু আনাস' @ বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০১০ (২:৩৬ অপরাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

আমার প্রায় লেখাগুলোই শুরু হয় আমাদের জ্ঞানহীনতার আহাজারি দিয়ে। ব্যাপারটা একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে কিন্তু সত্যি কথা এটাই যে মুসলিম হিসেবে যা জানার কথা ছিল ক্লাস ফোর-ফাইভে, সেটা আমি জেনেছি অনার্স পরীক্ষা দেবার পর! এরকম ইসলামের খুব বেসিক কিন্তু একেবারেই অজানা একটা বিষয় হল সুন্নাত।

সুন্নাত শব্দটার সরল অর্থ পথ, নিয়ম বা রীতি। সুন্নাতুল্লাহ মানে আল্লাহর রীতি। সুন্নাতুর রসুল মানে রসুল(সাঃ) এর পথ, তাঁর রীতি। কিন্তু ইসলামি পরিভাষায় সুন্নাত শব্দটি বিভিন্ন শাখার স্কলাররা বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করেছেন। যেমন –

১. .....

টি মন্তব্য  |  বিস্তারিত >>