লগইন রেজিস্ট্রেশন

ওহাবি/সালাফি সমাচার- ২ !!

লিখেছেন: ' দেশী৪৩২' @ রবিবার, অগাষ্ট ২৯, ২০১০ (১:২৬ অপরাহ্ণ)

আমাদের দেশেও যে ওহাবি/সালাফি আছে এবং তারা এত সচেতন তা আমার জানা ছিল না।আমার মনের দুঃক্ষের কথাকে পাঠক মহলের কাছে বিচারের ভার দিয়ে কিছুটা দুঃখ লাঘবের চেষ্টা করলাম।সে কিনা পাঠকের কাছে আমার লেখাকে রীতিমত অশ্লীলতা বলে চালিয়ে দিল। পাঠক মহল বোধহয় এখনও ওহাবি/সালাফিদের স্বরুপ ভালভাবে উপলব্ধি করতে পারেন নি। তাই অপচয় সত্যেও গোপালভারের পরবর্তী বিচার পর্বটি বাধ্য হয়েই আপনাদের জানাতে হচ্ছে।তাহলে হয়ত
আপনাদের ওহাবি/সালাফিদের স্বরূপ কিছু ভালভাবে বুঝতে সুবিধা সুবিধা হবে।
হাড়ীর মালিক বাধ্য হয়েই বিচারকের সরনাপন্ন হলো।কিন্তু গোপালভারের সমস্যা বিচারকের কাছে যেতে।ভয়ে নয়।এত দুরের পথ পায়ে হেটে যাবে কিভাবে ? তাছছারা ভাল একটা জামাও নেই।ছাতা ও লাঠির কথা না হয় বাদই দিলাম।বেচারা পাতিল আলা বাধ্য হয়েই গোপালভারকে সবকিছু ধার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়ায় গোপালভার বিচারকের কাছে যেতে রাজি হলো।পাতিল আলার দেয়া গাধায় চড়ে,জামা গায় দিয়ে ,হাতে লাঠি ও মাথার উপর ছাতা মেলে গোপাল ভার চলল বিচারকের কাছে।বিচারক গোপালভারকে জিজ্গেস করলো ”তুমি এই ব্যক্তির হাড়ি নিয়েছ ?” গোপালভার জবাব দিল -মহামাণ্য বিচারক,এই লোকটি সত্যিই একটি পাগল।আমার কাছে সে যাই দেখে তাই সে নিজের বলে দাবি করে।কিছুক্ষন পর হয়ত বলবে এই গাধাটিও তার।লোকটি রেগে উঠে বল্লো আমিইতো গাধাটি তোমাকে দিলাম তোমার হেটে আসতে অসুবিধা হবে বলে।দেখলেন মহামান্য বিচারক,বল্লো গোপালভার।কিছুক্ষন পর হয়ত বলবে আমার পরিহিত জামাটিও ওর।লোকটি আবার রেগে বল্লো জামাওতো আমি দিলাম।গোপালভার বল্লো,দেখেন মহামান্য বিচারক।কিছুক্ষন পর হয়ত বলবে ছাতাটিও ওর। তাইতো ছাতাটিওতো আমি দিলাম।আরকি বিচারক পাগল মনেকরে লোকটিকে তাড়িয়ে দিলেন।বর্তমানে ওহাবিরাও তাই শুরু করছে ।ফুটপাতের মত অনলাইন পত্রিকা , ইসলাম বিমুখ ও ইসলাম সম্পর্কে বেশীরভাগ অজ্ঞ লোক ও পাশ্চাত্যের মত ইসলামবিরোধী শক্তি পেয়ে তারা গোপালভারের পথ ধরেছে।
জোহরের নামাজের পুর্বে জুমা পড়ার ব্যপারে একটি হাদিসও না পে্যে বা রসুল পাক সাঃ জীবনে একবারও কোথায় জোহরের নামাজের পুর্বে জুমা আদায় করেছিলেন কিনা তার কোন প্রমান না দিয়ে ইমাম হম্বল রঃ এর বক্তব্য দিয়ে ফতোয়া দেয়ার চেষ্টা। অথচ এই ওহাবি/সালাফিরা সহি ও তাদের মনমত কোন হাদিস না পেলে যে কোন এবাদৎকেই তারা বেদাৎ বলে ও মাঝহাবের বিরোধিতা করাই হলো ওহাবি/সালাফিদের মুল কাজ।আর এখন এই মাযহাবের দোহাই দিয়েই তারা পাঠকমন্ডলীর সমর্থন আদা্যের চেষ্টা করছেন।এ যেন ভুতের মুখে রাম নাম।তারপর আবার একজন দাবী করছেন জুমার দিন যদি ঈদ হয়।আর কেউ যদি ইদের নামাজ পরেন।তাহলে তার জুমা না পরলেও চলবে।আচ্ছা জুমার নামাজ হলো ফরয আর ইদের নামাজ হলো ও্য়াজিব।ওয়াজিব নামাজ দিয়ে ফরজ নামাজ কিভাবে পুরন হয়।তারপর ইদের নামাজেতো আজান নেই।জুমার নামাজে আজান আছে।জুমার নামাজের নিয়তের বাংলা অনুবাব ”বেহেশতি জেওর” গ্রন্থে এভাবে দেয়া-”আমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে কেবলামুখী হয়ে যোহরের পরিবরর্তে জুমার ২ রাকাত ফরজ নামাজ আদায়ের নিয়ত করিলাম।”এখানে স্পষ্টভাবে বলা হচ্ছে ”যোহরেরে নামাজের পরিবর্তে”।তাই যোহরের নামাজের পুর্বে এ নামাজ হয় কি করে ?এখন বিপদজনক প্রতিকুলতার কারনে কেউর যদি আগে পড়তে হয়,সেটা ভিন্ন কথা।আল্লাহ হয়ত কবুল করবেন।
এ বৎসর ইটালিতে সবাইকে এরা ১১ই আগস্ট থেকে রোজা করার অনুমতি দিয়েছে।অথচ www.moonwatch.org
ওয়েব সাইটে গেলে সহজেই দেখা যায় ১০ই আগস্ট ইটালিতে চাদ দেখা একেবারেই অসম্ভব।

অপরদিকে রসুল পাক সাঃ এর রওজা মোবারকের উপর উনার ব্যবহৃত পাগড়িটি এখনও দেখা যায়।অথচ পাগড়ি পরিধানকেও কেউ বেদাত বলছে।হাজার হাজার বছর ধরে রসুল পাক সাঃ এবং সাহাবা রাঃ এর বিভিন্ন স্মৃতিবিজরিত স্হান সংরক্ষিত থাকলেও ওহাবি/সালাফিদের কাছে বর্তমানে এটা বেদাত।বিষয় গুলি সাহাবি রাঃ,তাবেবেইন,তাবেতবেইন কেউ টের পেলেন না।ওহাবি/সালাফিদের অনুবিক্ষনে ধরা পড়লো। অথচ মক্কার হোটেল থেকে কাবা শরীফে যাওয়ার পথে সৌদি রাজার জৌলুসপুর্ন সানগ্লাস যুক্ত ঝুলান বিড়াট ছবি আমি নিজ চোখে দেখে এসেছি।তাছারা প্রতিটি হোটেলের প্রবেশ পথেও ফেরাউনের মত সব রাজাদেরও ছবি বাধ্যতামুলকভাবে ঝুলিয়ে থাকতেও দেখেছি।
সাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত সম্পর্কে হজরত আব্দুল কাদির জিলানী রঃ তার ”গুনিয়াতুত্ব তালিবীন” বইতে ((পৃষ্ঠা ১৬৫-১৬৭) )প্রায় আড়াই পৃষ্ঠা হজরত আলী রাঃ,মা আয়েশা রাঃ,আবুহুরায়রা রাঃ বর্নীত বিভিন্ন হাদিস সহ বিস্তারিত বর্ননা দিয়েছেন ।অথচ ওহাবি/সালাফিদের মতে এটা বেদাত।
রসুল পাক সাঃ বলেছেন ।”দোয়া হচ্ছে এবাদতের সারাংশ” ।অন্যত্র বলেছেন ”দোয়া হচ্ছে মুমিনের হাতিয়ার”।এই দোয়া মোমিন যে কোন সময় করতে পারে। তারা বলছে এটা বেদাত।
আমরা সবাই জানি পুরুষের স্বর্ন ব্যবহার হারাম।কিন্তু কিছুদিন পুর্বে কাবা শরীফের খাদেম ,সৌদী মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক ,সৌদি সরকার প্রধান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওমাকাকে বিড়াট একটি স্বর্নের মালা উপহার দিলেন।এই সাধারন বিষয়টি যাদের অজানা তাদের মুখে ইসলামী শিক্ষা এ যেন গোপালভারকেও হার মানায়।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,৩৯৯ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৩.২৯)

১০ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম
    ভাই আপনার লেখা দেখে খারাপ লাগলো। আপনার মনে কে বা কাহারা ওহাবি/সালাফিদের ব্যপারে বিষ ঢালছে তা কেবল আল্লাহ জানেন।

    ১। ভাই লামাযহাবিরা কিন্তু যেটা most authentic reference সেইটা মানে। তাই মাযহাবের ফতোয়া তারা দিতেই পারেন। আচ্ছা ভাই বলেনতো রাসূল (সা:) বা main stream Sahaba ra কোন মাযহাবের follower ছিলেন। জানি দিতে পারবেননা।

    ২। ভাই আপনার কাছে বিনীতভাবে আনুরোধ করব বিদআতের definition আমাদের জানাবেন। সাথে এটাও বলবেন কোন authentic হাদিস থেকে আপনি নামাযের নিওত পেলেন। To the point এ উত্তর দিবেন। এদিক সেদিক ঘুরায়ে উত্তর দিবেননা। আপনার কাছে আনুরোধ থাকল।

    ৩।আমি সউদি বাদশার ওকালতি করছিনা। আমি বলবনা তিনি হক্‌ পন্হি বাদশাহ। কিনতু তার জন্য আলেমদের গালি দেওয়া ঠিক না। যাই হোক আপনার কথার সাথে আমি নূহ (আ:) এর কওমের মিল পাচ্ছি। তারাও তাদের বূজূরগদের পূজা করতো, তাদের স্ম্ৃতি রক্ষা করতে গিয়ে। বাকিটা আপনার বুজের উপর।

    ৪। দোয়া করা বেদাত এটা কেও মনে হয় বলেনি। তবে সমবেত মোনাজাত প্রত্যেক নামাজের পরে একে বেদাত বলা হচ্ছে।

    পরিশেষে একটা রাগের কথা বলি। আপনি মাযহাব পন্হি, তাবলিগ জামাতের follower admin এর under এ লেখা লেখি করছেন, তাই আপনাকে manwiththemission, abuanas দের মত ব্লক করছেনা। আল্লার আপনাকে হেদায়াত করুন। কথাটা খুব ই সত্যি যে একজন বেদাতি ঠিক পথের মানুষদের ঘৃণা করে। আল্লার আমাদের সঠিক দ্বীন বুঝার তৌফিক দিন। আমিন

    দেশী৪৩২

    @pathkhuji,সৌদি আরবের সরকারের প্রতি আপনার এখনও কোন রাগ হয় না? নাকি তাদের ভাল লাগে ? আপনিতো জবাব দিলেন না।সৌদি সরকারকে সমর্থন করেন না আবার তাদের তৈরী করা সিলেবাস অনুযায়ী মাদ্রাসা থেকে পড়ে আসা আলেমদের সমর্থন করেন ? আপনি নিজে আমাকে দোষারোপ করছেন ”মাযহাব পন্হি, তাবলিগ জামাতের follower admin এর under এ লেখা লেখি , তাই আপনাকে manwiththemission, abuanas দের মত ব্লক করছেনা।” আর সৌদী মাদ্রাসাতে চাকুরী করবে আর তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবে ?আপনি জানেন সৌদী সহ সমগ্র আরব রাষ্ট্রে কত আলেম এখনও জেল খাটছে ? তার পরেও আমার লেখায় কোথায় আমি আলেমদের গালি দিলাম ?তারপর আপনি কত রাকাত কি নামাজ পড়ছেন এটা যদি না জানেন তাহলে কিভাবে নিয়ত করবেন ? তাই হক্কানী আলেমগন বলে থাকেন নিয়ত মুখে উচ্চারন করাটাই নিরাপদ।
    তারপর আপনি বলেছেন-”লামাযহাবিরা কিন্তু যেটা most authentic reference সেইটা মানে। ”
    এখন আপনি বলেন রসুল পাক সাঃ বা সাহাবা রাঃ গন জীবনে কখনও কি যোহরের নামাজের পুর্বে জুমার নামাজ পরেছেন ?

    মুসলিম

    @দেশী৪৩২,

    সালাম আলাইকুম।

    আপনি জানতে চেয়েছেন,”এখন আপনি বলেন রসুল পাক সাঃ বা সাহাবা রাঃ গন জীবনে কখনও কি যোহরের নামাজের পুর্বে জুমার নামাজ পরেছেন ?”
    এ প্রশ্নের উত্তর ঐ পোস্টে দেয়া ছিলো, হয়ত রাগের মাথায় আপনি পড়েননি।
    ইমাম আহমদ সংকলিত হাদিসগ্রন্থ – যা মুসনাদে আহমদ নামে পরিচিত – তাতে আবদুল্লাহ আল-সুলামি থেকে বর্ণিত আছে যে “আমি আবুবকরের সাথে জুম্মার নামাজ পড়েছি, তাঁর খুতবা ও নামাজ দুটোই হয়েছিলো দুপুরের আগে…”
    এছাড়া আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) দুপুরের আগেই জুমা পড়িয়ে বলেছেন,”কারণ, আমি তোমাদের জন্য খরতাপের (অর্থাত দুপুরের গরমের) ভয় করেছিলাম”
    মুয়াবিয়া (রা.), সাদ ইবনে ওয়াক্কাস (রা.) প্রমুখ সাহাবি হতেও অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে।
    সূত্র: ইসলাম ওয়েব

    বলাবাহুল্য এটা সংখ্যালঘিষ্ট মতামত, এবং হানবলিরাও বলেন যে জোহরের সময়েই জুমা পড়া উত্তম, এবং সেটাই সংখ্যাগরিস্ঠ মতামত।

    একই ভাবে, হানাফি ও মালিকি মত হলো ঈদ জামাত পড়লেও জুমা পড়তে হবে। শাফেই ও হানবলি মত হলো এব্যাপারে ছাড় দিয়েছেন স্বয়ং রসুল (সা.)। আবার কেউ বলেন এই ছাড় শুধু দূরবর্তী অঞ্চল থেকে আগত লোকেদের জন্য। যারা ইউরোপ-আমেরিকায় বসবাস করেন তারা জানেন যে মুসলিমরা সংখ্যালঘু হওয়ার কারণে ছোট শহরগুলোতে মসজিদ নেই, দূরের বড় শহরে গিয়ে জুমা পড়তে হয়, আর শুক্রবারে ছুটিও থাকেনা। তাই এখানকার আলেমগণ দ্বিতীয় মতের ব্যাপারে নমনীয়তা দেখিয়ে থাকেন।

    মাজহাবি মতভিন্নতা একটি স্বাভাবিক বিষয়, এনিয়ে মাথা গরম করার প্রয়োজন নেই। আমার সম্পর্কে বিদ্বেষবশতঃ আপনি যে অনুমান করেছেন, তা ঠিক নয়। ব্লগে যখন ক্ষমতাসীন দল (দেওবন্দি) এবং বিরোধী দলের (সালাফি) মধ্যে প্রচণ্ডভাবে ফুলের পাঁপড়ি ও গোলাপজল ছোঁড়াছুঁড়ি চলছিল, তখন আমি কোন পক্ষকেই সমর্থন দেইনি।

    আর ইনটারনেট থেকে তথ্য গ্রহণ করায় দোষের কিছু নেই, সূত্র যদি সুপরিচিত ও নির্ভরযোগ্য হয়।

    আপনি ইটালিতে থাকেন ? ভূমধ্যসাগরের শীতল হাওয়া আপনার রাগ ও ঘৃণা কমিয়ে দিক এই কামনা করি (F)

    দেশী৪৩২

    @মুসলিম,আপনার তথ্য যদি সঠিকও হয়,তবে শুধু বিশেষ সময়ে ও বিশেষ কারনেই জুমার নামাজ যোহরের নামাজের পুর্বে পড়া যেতে পারে।কিন্তু এখানে বড় কোন কারন ছারাই নিয়মিতভাবে যোহরের আগে জুমার নামাজের পুর্বে জুমা পড়া হচ্ছে।আমি নিজেও এ জন্য কয়েকবার জুমা মিছ করেছি বহুলোককেউ নামাজ মিছ করতে দেখেছি।বর্তমানে যে মসজিদে জুমা আদায় করছি সেখানে অন্যান্য মসজিদের তুলনায় লোক বেশী হচ্ছে।তাহলে কোন সার্থে জুমা যোহরের পুর্বে পড়া হচ্ছে
    আর আপনার লেখায় তার অনুপ্রেরনারও গন্ধ পাওয়া যায়।বিধায় অনেকে আবার যোহরের নামাজও আদায় করছে।
    ধন্যবাদ।

    আবু আনাস

    @দেশী৪৩২, সৌদি শাসকরা খুব খারাপ। এবার আপনি খুশি? যার যার হিসাব আল্লাহর সাথে হবে। আমি এক কোটি বার সৌদিদের গালি দিলাম তাতে লাভটা হবে কি? সৌদি মাদ্রাসার সিলেবাস দেখেছেন? ক্বুরান পড়ানো হয়, মুখস্থ করানো হয়। হাদিস পড়ানো হয়, মুখস্থ করানো হয়। আক্বিদার বই হানাফি মাযহাবের আলিমের লেখা। কয়জন মদিনা ফারেগ আলিমকে দেখেছেন, তাদের সাথে কথা বলেছেন? যারা কুর’আন হাদিস এর পক্ষে কথা বলেন তাদের এত ঘৃণা করেন কেন ভাই?

  2. হাতে লাঠি ও মাথার উপর ছাতা মেলে গোপাল ভার চলল বিচারকের কাছে

    গোপাল ভার-এর বাংলা বানানটা যদি একটু শুদ্ধ করে “গোপাল ভাঁড়” করে দিতেন, তবে আপনার পোস্টটা একটু কম অশ্লীল লাগতো – আর আমাদের পূর্বপুরুষ – হিন্দু দাদাদের প্রতিও একটু সম্মান দেখানো হতো!

    দেশী৪৩২

    @loner,হিন্দু দাদাদেরতো খুশি করলেন এখন আপনার সৌদী(?)দের কি করবেন ?

    loner

    @দেশী৪৩২, আমার সৌদী হতে যাবে কেন – আমার “জাযিরাতুল ‘আরাব” – যেটাকে নবী (সা.) বিশেষিত করে গেছেন! বলে গেছেন, সারা পৃথিবী থেকে দ্বীন retract করে এদিন কেবল মক্কা-মদীনায় ফিরে যাবে – যেমন সাপ তার গর্তে ফিরে যায়!

  3. যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা, যত যা বলি যার কান বন্ধ তাকে শোনান যাবেনা। যার হ্রদয় বন্ধ তাকে বোঝানো যাবেনা। মাথা ঠান্ডা করে এর আগের পুরো লেখাটা আবার পড়েন। দেখবেন কোথায় আলিমদের গালি দিয়েছেন।
    ১।

    হক্কানী আলেমগন বলে থাকেন নিয়ত মুখে উচ্চারন করাটাই নিরাপদ।

    এই কথাটা রসুল(সাঃ) কেন বুঝেননি, কেন তিনি মনে নিয়ত করতে বললেন? কেন তিনি মুখে পড়ার কিছু শিখিয়ে দিলেননা? তবে কি তিনি উম্মাতকে অনিরাপত্তার মধ্যে রেখে গেলেন?(নাউযুবিল্লাহ)

    ২। সালাফিদের চাঁদ দেখার মতামত স্পষ্ট। কাফির দেশে বসবাসরত মুসলিমদের জন্য এই ফতোয়া দেখুন-http://www.islamqa.com/en/ref/1248
    যার কথা আমার মতের বিরুদ্ধে যায় সেই ব্যটাই ওয়াহাবি/সালাফি এই কথার আওতায় শিয়ারাও যাদের ওয়াহাবি বলে, কাদিয়ানিরা ওয়াহাবি বলে, আপনিও বললেন। আসলে আমরা আল্লহর রসুলকে মানতে চাই, একমাত্র তাকেই ভুলের উর্ধে মনে করি।

    ৩। পাগড়ি/টুপি পড়া বিদ’আত এই কথা কোথাও কখনো বলিনি। বলেছি পাগড়ি/টুপি পড়লে নামাযে বেশি সাওয়াব হবে এমন সহিহ হাদিস নেই। যদি থাকে দেখাবেন দয়া করে। কেউ ইচ্ছা করলে পড়তে পারে না ইচ্ছা করলে না পড়তে পারে। কেউ যদি রসুলকে ভালোবেসে পাগড়ি পড়তে চায় ১০০ বার পড়বে সেজন্য সে রসুলকে মুহাব্বাতের সাওয়াব পাবে কিন্তু সেটা শুধু নামাযের সময় কেন? শুধু নামাযের সময় পাগড়ি পড়ার কোন সহিহ আদেশ আছেকি?
    ৪। শাবান মাসের মধ্যরাতের ইবাদাত সম্পর্কে সহিহ হাদিস থাকলে দেখাবেন – মেনে নেব ইনশাল্লাহ। কোন বড় বুযুর্গের দোহাই না দিয়ে রসুলের(সাঃ) থেকে/ সাহাবাদের থেকে প্রমাণ দেখান।
    ৫। দু’আ করা অবশ্যি ইবাদাতের নির্যাস। কিন্তু সেটা একাকি, আল্লাহর কাছে গোপনে। একজন নিজের জন্য দু’আ চাচ্ছে আর আমরা তালে তালে আমিন বলছি – এটা অবশ্যই বিদ’আত। এভাবে দু’আ কবুল হলে রসুল (সাঃ) সবসময় ফরয নামাযের পর দল বেধে দু’আ করতেন। অথচ সে সময় তিনি পড়তেন ‘আসগার’ – হিস্নুল মুসলিমিন দেখেন কত কত দু’আ পড়তেন তিনি সালাম ফিরানোর পর।

    ৬। ‘ফিরাউন’ মানে কি জানেন ভাই? সে ছিল ভয়াবহ এক কাফির, এক তাগুত। সে নিজেকে সর্বশ্রেষ্ঠ ইলাহ হিসেবে দাবী করতো। সে দুধের বাচ্চাদের হত্যা করত। ছবি টাঙ্গানো হারাম, অনেক বড় পাপ – কিন্তু তাই বলে কাউকে ফিরাউন তকমা দিয়ে দিলেন? আমাদের দেশের নেত্রীদের কি বলবেন? আগেরজন/এবারের জন? ছবি ঝুলানোর হুকুম তো দুইজনেই দিয়েছিলেন। তাতে তারা ফিরাউন হয়ে গেছেন? দেশের সব আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্ররা তাহলে কই যাবে? এদের পালে তো সরকার!!

    আপনি প্রাণ খুলে সালাফিদের ঘৃণা করেন, আমরা প্রাণ খুলে আপনার জন্য আল্লাহর কাছে দু’আ করব – এটাই সালাফ – অর্থাৎ আমাদের সালফে সালেহিনের শেখানো পথ, পদ্ধতি।

    দেশী৪৩২

    @আবু আনাস, ফরজ নামাজে ইমাম সাহেব সুরা ফাতিহা পরার পর আমরা সবাই ”আমিন” বলি।কোন কোন মাযহাবের লোকেরা উচ্চস্বরেও আমিন বলে।এটাকে কেউ বেদাত বলে না। আর নামাজের পর আমিন বল্লে বেদাত হবে ?এত সস্তা ফতোয়া দিয়ে ইমাম হতে চাওয়া ? তারপর রসুল পাক সাঃ ও সাহাবা রাঃ গনও বহুবার বৃষ্টিপাতের জন্য একত্রে দোয়া করার পুর্বে নামাজ পরতেন।সেটাতো বোধ হয় আপনার জানা আছে। ফেরাউন কিন্তু কাবা ঘরের খাদিমের দায়িত্ব নেয়নি।কিন্তু সৌদি বাদশাহ কাবা ঘরের প্রধান খাদেম এর দায়িত্বে এখনো নিয়োজিত আছেন।আর কাবা ঘরের খাদেম হয়ে যা করছে তার অল্পকিছুও যদি আপনি জানতেন তাহলে আপনি আজ আমার বিপক্ষে কলম না ধরে বরং ওদের সম্পর্কে আমার সঙ্গে মানুষকে সচেতণের কাজে লেগে যেতেন।আর সব কিছু জেনেও যদি ওদের ব্যপারে মানুষকে সচেতন না করেন, তবে কিয়ামতের দিন বোবাশয়তানের সাথে আপনার নামও দেখা যেতে পারে।তাই নিজের চরকায়ও কিছু তেল দেয়ার চেষ্টা করুন। আর আপনি হযরত আব্দুল কাদির জিলানি রঃ এর কথা বিশ্বাস করতে চান না তাহলে আপনার কথা কে বিশ্বাস করবে ?হযরত আব্দুল কাদির জিলানি রঃ এর লেখা বই এ উল্লেখ করা অনেক হাদিস এই পত্রিকাতেও অনেকে দিয়েছে বিধায় আমি আর উল্লেখ করলাম না।সৌদি বাদশাহকে আপনিও খারাপ স্বীকৃতি দিলেন।এখন আপনিই বলেন খারাপ লোক কখনও ভাল লোককে সহ্য করবে ?অন্তত তার শিক্ষামন্ত্রী বানাবে না। ইমাম আবু হানিফা রাঃ চাবুক এর বারি সহ্য করেও এর চেয়ে অনেক ভালো বাদশার চাকুরী গ্রহন করেন নি।তাতো বোধ হয় আপনার জানা আছে।এসব বাদশাহদের সিলেবাস অনুযায়ী মাদ্রাসা থেকে কোন ইয়াতিম বা দরিদ্র লোক যদি পরে আসে আমি তাদের খারাপ বলি না ।খারাপ তখনি লাগে যখন এরা বাদশাহর মনমত শিক্ষা অন্য মানুষকে দিতে আসে।আপনার উল্লেখিত কবির ভাষাতেই বলি ”অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে ,তব ঘৃনা কর তারে তৃনসমদহে”কবি এখানে অন্যায় সহ্য করাকেই অন্যায় বলেছেন। আর যারা অন্যায়কারীদের কাছ থেকে ফায়দা হাছিল করে তাদের নাম নির্বাচনের দায়িত্ব সন্মানিত পাঠক মহলের কাছেই দিলাম।আশা করি পাঠক মহল সারা দিবেন।
    পরিশেষে আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে পরিপুর্ন হেদায়েত দান করুন। আমিন । ।