লগইন রেজিস্ট্রেশন

দরুদ কি এবং কেনো?

লিখেছেন: ' ফারুক' @ শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪, ২০০৯ (৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ)

কেউ কেউ আবার সম্মান দেখাতে ‘দরুদ শরীফ’ বলেন। যতদুর জানি শব্দ দুটি আরবি নয়। ফারসি শব্দ। আমার জ্ঞান বুদ্ধিমতো যা বুঝি , দরুদ একটি বোধ হীন আবৃত্তি।

দরুদ কি এবং কেনো? এনিয়ে আমার মনে হয় খোলামেলা আলোচনা হওয়া উচিৎ। আছেন কি কেউ যে এর যৌক্তিকতা প্রমান করতে খোলামেলা আলোচনা করতে এগিয়ে আসবেন!!

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,০৮১ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২৪ টি মন্তব্য

  1. দরুদ একটি বোধ হীন আবৃত্তি।
    এই কথা কে সংশোধন করুন নতুবা
    এ্যাডমিন প্যানেল@কে দরুদ শরীফ এবং আল্লাহ কালাম ان الله و ملائكته يصلون علي النبي يا أيها الذين آمنوا صلوا عليه و سلموا تسليما الأحزاب/56 নিশ্চয় আল্লাহ এবং তার ফেরেস্তাকুল নবীর উপর দুরুদ(ফারসীতে সরাসরারি এবং ফার্সি ভাবধারায় বাংলায়) পড়েন, হে ঈমানদারগন তোমরাও তার উপর দরুদ এবং সালাম পড়ো। আহযাব ৫৬
    আমি ফারুকের কাছে বিকৃতপূর্ণ অর্থ আশা করবো না, এবং সকল তাফসীর কারকগন এখানে দরুদের ওয়াজিবকে বুঝিয়েছেন তা স্বীকার করেছেন যেমনটি নামাজে পড়া হয় । এ্যাডমিনপ্যানেলের কাছে আমার দাবী রইলো অবমাননার দায়ে ফারুকের বিরুদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী,আপনি তো বল্লেন না দরুদ কি? দরুদ বলতে যেটা বল্লেন তার মানেই বা কি? আপনি কোরানের যে আয়াত দিলেন তার মানে ও বিকৃত করলেন। ourholyquran অনুযায়ী -

    আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর জন্যে রহমতের তরে দোয়া কর এবং তাঁর প্রতি সালাম প্রেরণ কর।

    একি সুরার ৪৩ নং আয়াত দেখুন-

    هُوَ الَّذِي يُصَلِّي عَلَيْكُمْ وَمَلَائِكَتُهُ لِيُخْرِجَكُم مِّنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ وَكَانَ بِالْمُؤْمِنِينَ رَحِيمًا 43

    তিনিই তোমাদের প্রতি রহমত করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও রহমতের দোয়া করেন-অন্ধকার থেকে তোমাদেরকে আলোকে বের করার জন্য। তিনি মুমিনদের প্রতি পরম দয়ালু।

    এখানেও আল্লাহ ও ফেরেশতাগন আপনার দাবী অনুযায়ী দরুদ (يُصَلِّي) পাঠান , তবে তা রসূলকে নয়, মুমিনগনকে। তাহলে তো প্রতি মুমিনের নাম উচ্চারন করার সাথে সাথে দরুদ পাঠাতে হবে । আপনি কি বলেন?

    অবমাননা কিভাবে করলাম , একটু ব্যখ্যা করবেন? আমি ও তো দাবী করতে পারি কোরানের বানীর বিকৃত ব্যাখার জন্য আপনাকে ব্যান করার জন্য।

    বাংলা মৌলভী

    @ফারুক, صيغة الأمر Order حكمহুকুম বুঝেন? আহযাবের আয়াতে صلوا সীগাতুল আমর বা আদেশ করা হয়েছে- পড়ো এটা ওয়াজীব । আর আপনার هُوَ الَّذِي يُصَلِّي عَلَيْكُمْ এটা খবর সংবাদবাচক জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে আল্লাহ ইমানদারদের প্রতি রহমত বর্ষন করেন।

    আমি একটি কথাই আপনাকে পূনরায় বলবো আপনার কোরান পড়া কথনোই আপনাকে হেদায়াত দিতে পারে না যতক্ষন না আপনি রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের তরীকা অনুযায়ী তা অনুধাবন করতে পারেন। ملا كي أواز أيك هي اور غيروا كي أذان ايك কবি বলেছিলেন মোল্লার আওয়াজ এবং অন্যদের আওয়াজে পার্থক্যই আছে। কথা না বাড়িয়ে তওবা করুন। আজ কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ব্লগের ময়দানে নাজাত পেলেও কেয়ামতের ময়দানে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম (বোধ নিয়ে বলছি, মহব্বতের সাথে বলছি ) তার এই কথা শুনতে যাইয়েন না سحقا سحقا

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী, বুঝলাম একটা আদেশ , আরেকটা সংবাদ। তা صلوا মানে কি? দরুদ পড়া , নাকি রহমত বর্ষন করা , নাকি অন্য কিছু? দরুদের বাংলা অনুবাদ টা দিবেন কি প্লিজ।

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী, দরুদ , এটা দোয়া নাকি ছালাম?

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী, আল্লাহর আদেশ – পড়ো এটা ওয়াজীব কেনো হবে? এটা তো ফরজ হবে , আল্লাহর আদেশ তো আর ওয়াজীব হতে পারে না।

  2. এত্তকথা না বলে একবার মুখে পড়ুন অন্তরে স্মরণ করুন যে রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর মর্যাদা এবং অবদান কী? তাহলেই বোধ হয়ে যাবে অবোধের প্রলাপ বা আবৃত্তি হবে না । আমি তর্ক বাড়াতে চাইনা ।
    বি. স وجوب ওয়াজিব এবং فرض একই সারির এবং كراهية এবং تحريم তাহরিম একই সাড়ির।

    ফারুক

    @বাংলা মৌলভী, বুঝলাম , আপনি বোধ হীন আবৃত্তিই করতে বলছেন , যা কোরানের শিক্ষার বিপরীত। রসূলের মর্যাদা এবং অবদান অনুযায়ী তিনি আ্লাহ্‌র কাছে পুরস্কৃত হবেন , আর আমার কর্মফল অনুযায়ী আল্লাহ আমাকে পুরস্কৃত কর্বেন বা শাস্তি দেবেন। রসূলের প্রশস্তি করা তো আমার কাছে শির্ক মনে হয় । স্মরন করুন, শির্ক ছাড়া আর সকল গোনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন।

  3. এটা তো আর ছোট খাট ব্যপার নয়। এক শ্রেণীর মুসলমানের কাছে যা ওয়াজিব মনে হয় অন্য শ্রেণীর কাছে তা শিরক মনে হয়। যারা ব্যন করার বিরোধিতা করেছিলেন তারা কি বলবেন এটা এখন দেখবার বিষয়। অবশ্য কেউ যদি মনে করেন যে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি দুরূদ পাঠ করার বিরোধিতা করা সত্বেয় আমাদের “পিস ইন ইসলামের” পিস রক্ষার সার্থে চুপ করে থাকা উচিৎ তাহলে আমাদের ঈমানের ভিত্তি নিয়ে চিন্তিত হওয়া উচিৎ।

    এ ব্যপারে কর্তপক্ষের হস্তক্ষেপ আশা করছি। আশা করি “সেচ্ছাচারিতা”,”মত প্রকাশের স্বাধীনতা”,”যুগপোযোগী আলোচনা”,”নতুন প্রজন্মে ইসলামী চেতনার বিকাশ” ইত্যাদির নামে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অবমাননা হতে দিবেন না।

  4. @ফারুক, আপনি দুরূদ পাঠ না করতে চাইলে সেটা আপনার ব্যপার। অনুগ্রহ করে অযথা গোলযোগ সৃষ্টি করবেন না। আমরা মুসলমানদের বৃহৎ একটা অংশ দুরূদ পাঠ করাকে মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের একটা অন্যতম উপায় বলে মনে করে থাকি। আর এটা আমাদের পূর্বপুরুষদের ১৪০০ বছর ধরে লালন করে আশা একটি গভীর বিশ্বাস। এমনকি এই বিশ্বাস এতটাই দৃঢ় যে সামান্যতম বিতর্কের সুযোগ আমরা দিতে পারি না।

    অনুগ্রহ করে এ ব্যপারে বেশী বাড়াবাড়ি করবেন না। লক্ষ লক্ষ মুসলমানের বিশ্বাস নিয়েও খেলবেন না। আপনার যদি মনে হয় দুরূদ পড়া উচিৎ নয়,সেটা আপনার ব্যপার। চাইলে পড়া থেকে বিরত থাকতে পারেন। আল্লাহ আপনাকে হেদায়াত দিন।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম, muslim55 ভাই আজি একটি পোস্ট দিয়েছেন , যেখানে বলেছেন-

    বিশ্বাস হতে হবে জ্ঞান-ভিত্তিক – যে জ্ঞানের ভিত্তি হবে ”অহী” তথা text বা ”নস্” – সংস্কার বা উত্তরাধিকার ভিত্তিক নয়।

    আপনি বলছেন –

    আর এটা আমাদের পূর্বপুরুষদের ১৪০০ বছর ধরে লালন করে আশা একটি গভীর বিশ্বাস। এমনকি এই বিশ্বাস এতটাই দৃঢ় যে সামান্যতম বিতর্কের সুযোগ আমরা দিতে পারি না।

    কার কথা বিশ্বাস করব?

    আপনার সকল যুক্তি তর্ক কি বিতর্কের সুযোগ দেয়া বা না দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ? আপনি বিতর্ক বলতে কি বোঝেন বলেন তো। আপনি যা বল্বেন , সেটা বিনা বাক্যব্যায়ে মেনে নেয়াটাই কি বিতর্ক? আমি তো আলোচনার ডাক দিয়েছি। আমাকে বোঝান , আমি কেন ভুল পথে আছি , আর আপনারা কেনো সঠিক পথে আছেন। দাবী করলেই তো আর হবে না।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আপনার বিশ্বাস আপনার কাছে থাকুক। কিন্তু আপনি অন্যদের বিশ্বাসকে তিরস্কার করছেন কেন? অনুগ্রহ করে এ বিষয় নিয়ে বেশী বাড়াবাড়ি করবেন না।

  5. ফারুক সাহেব, সে দিনও আপনি রাসুল সাঃ শানে (ভয়ানক ভুল) এমন শব্দ ব্যবহার করেছিলেন যা একজন রাসুল প্রেমীর মনে আঘাত লাগে। সে দিনও আমি আপনাকে সতর্ক করে ছিলাম রাসুলের অমর্যাদা হয় এমন শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। আপনি তো বিরত হচ্ছেন না বরং আরও এগ্রাসিভ হয়ে উঠছেন।
    মানুষের অন্তরে তার প্রিয় জনকে আঘাত দিয়ে আপনি কোন ইজমই কায়েম করতে পারবেন না। রাসুলের শানে সালাম পাঠানো সেই রাসুল সাঃ আমল থেকে চলে আসছে, সু-দীর্ঘ ১৪০০ বছর গত হল, লক্ষ কোটি আলেম উলামা গত হলেন, কেউ তো আপনার মত প্রশ্ন তুলেন নাই। তাহলে কি ঐ লক্ষ কোটি সবাই ভুল পথে মার্চ করে গেছেন? যদি আপনার অভিযোগ সত্য হয় তথাপি আমিও ঐ ভুল পথে থাকবো, এতে যদি জাহান্নামে যেতে হয় যাব।

    আসলে আপনার অন্তরে রাসুল সাঃ প্রতি কোন মহব্বত নেই, এই সেই রাসুল যিনি আমাদের আল্লাহ চিনালেন, এই সেই রাসুল যিনি আমাদের তৌহীদ শিখালেন, এই সেই রাসুল যার মুখ থেকে কোরান নামক কিতাব পেলাম, সেই মহা মানব, সর্ব শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, তার সম্মানে সালাম পাঠাবো না তো আর কার সম্মানে সালাম পাঠাবো? যাকে স্বয়ং আল্লাহ উনার গুনবাচক নাম রাউফুর রহিম দ্বারা সম্মান জানিয়েছেন, যে ভূমিতে রাসুল হাটতেন সেই ভূমির কসম আল্লাহ খেয়েছেন, যে জয়তুন ও তীন রাসুলের প্রিয় খাদ্য ছিল সে প্রিয় খাদ্য নিয়েও আল্লাহ শপথ করেছেন, সেখানে সেই নবীর উম্মত হয়ে তাকে তার শানে সম্মান জানিয়ে সালাম ভেজাকে আপনি বোধহীন উক্তি বলে কিসের পরিচয় দিলেন ?

    আপনার বক্তব্য উপস্থাপন তা মোটেই আলোচনার জন্য নয় বরং ব্লগে অশান্তি আনয়নের প্রচেষ্টা বলে আমি মনে করি। যদি সত্যি আপনার জানার বা আলোচনার ইচ্ছা হতো তাহলে আপনি এই বিষয়কে প্রশ্ন আকারে তুলতে পারতেন। কিন্তু আপনার উদ্দেশ্য যে সেটা নয় তার প্রমাণ আপনি নিজেই বোধহীন উক্তি বলে চিহ্নিত করেছেন। আপনার কথার তীব্র নিন্দা জানাই। আপনার উচিত সব ব্লগারের কাছে তাদের মনে কষ্ট দেবার জন্য ক্ষমা চাওয়া। ধন্যবাদ।

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন,শান্ত হোন। আমি রসূলকে সম্মান করি এবং রসূলের অসম্মান হয় এমন কথা আমি জ্ঞানত কখনো বলিনি। রসূল ভয়ানক ভুল করেছেন এটা কিন্তু আমার নিজস্ব কথা নয়, কোরানের কথা। প্রমান স্বরুপ কোরানের আয়াত সাথে দিয়েছি।

    আপনারা চান টা কি বলেন তো? মুখে বলেন(গত পোস্টে লিখেছেন) মুসলমান মুসলমানের মধ্যে পার্থক্য কোথায় জানতে চান , আবার আপনার জানার বাইরে কিছু আসলেই ক্ষমা চাইতে বলেন। এটা কি ধরনের আচরন। তার থেকে পরিস্কার বলুন , সুন্নি মতবাদ মেনে নিয়ে এখানে আলোচনা করতে হবে। সেটা যে কি আলোচনা হবে , আর তার কি উপকারিতা , তা যারা অন্য ধারনাকে ব্যান করতে চান তারাই ভালো জানেন।

    সম্মান দেখানোর রকমভেদ আছে। কেউ দুর থেকে নিরবে সম্মান জানায় , আবার কেউ ছালাম পাঠিয়ে বা দিয়ে , কেউ আবার কদমবুছি করে , কেউ কেউ প্রশংসা বাক্য বলে মুখে ফেনা তুলে। এদের মধ্যে কাকে আপনি ভন্ড বলবেন? ভ্রান্ত বলবেন? দুর থেকে নিরবে সম্মান জানালে কি , যারা প্রশংসা বাক্য বলে মুখে ফেনা তুলে , তাদের অসম্মান করা হয়? নারে ভাই আমি ক্ষমা চাওয়ার মতো কিছু করিনি।

    আপনি বলেছেন – সু-দীর্ঘ ১৪০০ বছর গত হল, লক্ষ কোটি আলেম উলামা গত হলেন, কেউ তো আপনার মত প্রশ্ন তুলেন নাই। ভুল বল্লেন। আমি যেটা বলেছি সেটা আমার একার কথা নয়। ইতিহাস একটু ঘাটুন , দেখবেন এই একি প্রশ্ন যুগে যুগে সত্যের অনুসন্ধানীরা করে গেছেন। এই যে আমি কোরানের আয়াত থেকে উদ্ধৃতি দেই , এগুলো কি আমার কথা? আমাকে এত জ্ঞানী ভাবা আপনাদের উচিৎ না। আমি অন্য জায়গায় পড়ে যেগুলো খটকা লাগে , বা সত্য বলে মনে হয় , সেগুলৈ ব্লগে লিখি। উদ্দেশ্য , যদি আমার ভুল হয় , তাহলে আপনাদের যুক্তিপূর্ন কথায় আমার ভুল ভাঙবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় যুক্তি কোথাও পেলাম না। পেয়েছি নামকরন।

    দেখুন , যতক্ষন ব্লগে আমাকে ব্যান না করে , ততক্ষন লিখব যেটা আমার কাছে সত্য মনে হয়। ব্যান হওয়ার ভয়ে আমি শঠতার আশ্রয় নেব না। আমি ব্যান হওয়ার ভয় পাই না। কারন আমি কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ব্লগে লিখি না।

    যুক্তি থাকলে দেন , নইলে ব্যান করুন।

    মর্দে মুমিন

    @ফারুক,যুক্তি থাকলে দেন , নইলে ব্যান করুন। ব্যানের মালিক আমি নই এই সব হাস্যকর দাবি যুক্তি ছাড়াই করলেন।

    ১.ভয়ানক ভুল বাক্যটি কোরানের কোন আয়াতে পেয়েছেন দেখাবেন কি?

    ২. তাহলে এই বোধহীন আবৃত্তি কথা টি আরও কে কে দাবি করেছেন তা আমাদেরকে দেখানতো?

    ৩. সম্মান দেখানোর রকমভেদ আছে। কেউ দুর থেকে নিরবে সম্মান জানায় , আবার কেউ ছালাম পাঠিয়ে বা দিয়ে , কেউ আবার কদমবুছি করে , কেউ কেউ প্রশংসা বাক্য বলে মুখে ফেনা তুলে। এদের মধ্যে কাকে আপনি ভন্ড বলবেন? ভ্রান্ত বলবেন? দুর থেকে নিরবে সম্মান জানালে কি , যারা প্রশংসা বাক্য বলে মুখে ফেনা তুলে , তাদের অসম্মান করা হয়? নারে ভাই আমি ক্ষমা চাওয়ার মতো কিছু করিনি।

    তাহলে এখানে সমস্যা কোথায়? যে যার মত সালাম জানাবে আপনিই বলছেন তাহলে বোধহীন আবৃতি বলে আপনি কি সুন্নী জামাতকে হেয় করেন নাই?

    ৪.আর যুক্তির কথা দাবি করছেন? যুক্তি কথা শুনার আগে অন্তরের অজু করে আসেন না হলে কোরান শুধু পড়তে থাকবেন গলার নিচ দিয়ে যাবেনা রে ভাই।
    ৫. ক্ষমা চাইতে বলছি এর জন্য আপনি সুন্নীদের কেন দুনিয়ার যে কোন সম্প্রাদয়ের বিশ্বাস বা তার কালচারকে আপনি অপমান করতে পারেন না। আপনার বোধহীন আবৃতি বাক্য দ্বারা সেই কর্মটি করেছেন যা তাসলিমা ও আগরা বাগরা রা করেছিল। একটি নির্দৃষ্ট সংখ্যক মানুষের মনে আঘাত করার অপরাধে আপনি অপরাধী।
    ক্ষমা চাওয়া মহত ব্যক্তিত্ত্বের পরিচয়। ধন্যবাদ।

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন, ‘অন্তরের অজু’ জিনিষটা কি?

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,

    সম্মান দেখানোর রকমভেদ আছে। কেউ দুর থেকে নিরবে সম্মান জানায় , আবার কেউ ছালাম পাঠিয়ে বা দিয়ে , কেউ আবার কদমবুছি করে , কেউ কেউ প্রশংসা বাক্য বলে মুখে ফেনা তুলে। এদের মধ্যে কাকে আপনি ভন্ড বলবেন?

    কেন আপনি না কাউকে ট্যাগিং করেননা? তাহলে আজ আবার ভন্ড খুজছেন কেন? আপনি আপনার বিবেক বুদ্ধি অনুযায়ী প্রশংসা করুন। আমরা আমাদের অনুযায়ী প্রশংসা করছি দুরূদের মাধ্যমে। অন্যদের বিশ্বাসকে তিরস্কার করবেন না।

    আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম তাসলিমা।

    ফারুক

    @মর্দে মুমিন,আরেকটি কথা –

    যদি আপনার অভিযোগ সত্য হয় তথাপি আমিও ঐ ভুল পথে থাকবো, এতে যদি জাহান্নামে যেতে হয় যাব।

    ভুলে ও কখনো জাহান্নামে যাওয়ার কথা চিন্তায় আনবেন না। তওবা করুন।

    মর্দে মুমিন

    @ফারুক, আমি আবার বলছি রাসুল সাঃ ভালবেসে সম্মান জানিয়ে সালাম পাঠালে যদি জাহান্নামে যেতে হয় তাহলে সে জাহান্নামও মঞ্জুর।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,

    আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম তাসলিমা।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,ট্যগিং করলাম কোথায়? আমি তো প্রশ্ন রেখেছি। আমি জানতে চেয়েছি কে ভন্ড?

    আমি আমার বিশ্বাসের কথা বলেছি। অন্যের বিশ্বাসকে তিরস্কার করলাম কোথায়? আপনিতো দেখি পায়ে পা বাধায়ে ঝগড়া করতে উস্তাদ।
    আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম তাসলিমা। এর বাংলা মানেটা জানাবেন কি?

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক, আমাদের দ্বারা কৃত দোয়াকে আপনি বোধহীন আবৃতি বললেন এটা কে কি বলে বিশেষিত করবো আপনিই বলে দিন। আর আমি ঝগড়া বাঁধাতে উস্তাদ কথাটা সত্যি নয়। বরং আপনিই এর আগে আপনার দেয়া পোষ্ট গুলো একটু ঘেটে দেখবেন যে সেখানে “যুগপোযোগী”,”শিক্ষনীয়”,”ধর্মীয় আমল”-ইত্যাদি বিষয়ে কয়টি পোষ্ট ছিলো।

    আমি এর আগে আপনার প্রতিটি পোষ্ট,মন্তব্য পড়েছিলাম (অবশ্য সবকটি পোষ্টই পড়েছিলাম) আর আমি জানি আপনাকে বোঝানো বাংলাদেশের (অথবা দুনিয়ার) কারো সাধ্যের বাহিরে। তাই আমি ইস্তফা দেব বলে ভাবছি। তাছাড়া এই সাইটে অনেক ভাই আছেন যারা যুক্তি তর্ক করে সত্য প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী, তারা আশা করে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। অবশ্য বিতর্কিত বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়ে আপনার সাথে শেয়ার করতে আপত্তি নাই। যদিও আপনি কখনও তা দেবেন কিনা সন্দেহ।

    আপনার প্রতিটি পোষ্ট ছিলো হয় হাদীসকে বা সুন্নাহকে আক্রমন করে বা কাউকে তিরস্কার করে বা বিতর্কিত বিষয় সমুহের ব্যপারে।
    প্লীজ ভাই একটু আত্মসমালোচনা করুন। আপনি নিজেই পোষ্ট গুলো একটু যাচাই করে দেখুন।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,

    আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লাম তাসলিমা।

  6. @ ফারুক ‘অন্তরের অজু’ জিনিষটা কি?

    অজু দুই প্রকার ১.বাহ্যিক অজু যা আমরা করে পরিচ্ছন্ন হই ২. অন্তরের অজু যার দ্বারা পবিত্র হই। পরিচ্ছন্নতার মানে কিন্তু পবিত্রতা নয়। যেমন সব মুসলিম মুমিন নয় কিন্তু সব মুমিন মুসলিম তেমনি বাহ্যিক অজু দ্বারা পরিচ্ছন্নতা লাভ করলেও মনের পবিত্রতা না থাকলে ঐ অজু পবিত্র হয় না। সব এবাদতের পিতা হল পবিত্রতা যেমন -১. আততেহারাতো মিন নিসফুল ঈমান। ২.আততেহারাতো মেফতাহুস সালাত ।৩. আস সালাতু মেফতাহুল জান্নাত ।৪. আস সালাতু নুরুল্লাহ । ৫.আস সালাতুল মেরাজুল মুমিনিন। অতএব অন্তের অজু করার প্রেক্টিস করুন তখন দেখবেন আল্লাহ তালা বোধহীন জ্ঞানকে বোধ সম্পন্ন করে দেবেন ইনশাল্লাহ।