লগইন রেজিস্ট্রেশন

ইসলামের নবীর সাথে বিয়ের সময় মা আয়েশার প্রকৃত বয়স কত ছিল? ৬ নাকি ১৯?

লিখেছেন: ' ফারুক' @ সোমবার, ডিসেম্বর ২১, ২০০৯ (৬:৪৫ অপরাহ্ণ)

ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের একটি অতি প্রিয় প্রচারনা হলো – শেষ নবী মুহম্মদ শিশু নির্যাতনকারী ছিলেন। কথিত আছে মুহম্মদ যখন আয়েশাকে বিয়ে করেন , তখন তার বয়স মাত্র ৬ বছর ছিল এবং তাদের দাম্পত্য জীবন শুরু হয় আয়েশার ৯ বছর বয়সে। এই নাস্তিকদেরি বা দোষ কি? বহু মুসলমান বিশেষ করে সুন্নি মুসলমানরা ও অন্ধভাবে এটাই বিশ্বাস করে। তাদের এই অভিযোগ বা বিশ্বাসের ভিত্তি হলো চরম মুহাম্মদ বিদ্বেষী বুখারীর একটি হাদীস । বুখারীর হাদীসগ্রন্থে এমন বহু হাদীস পাওয়া যায় , যেগুলো আমাদের প্রিয় নবী মুহম্মদের অবমাননাকারী। এই হাদীসটি যে বুখারী কোন রকম যাচাই বাছাই না করেই তার গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন শুধুমাত্র মুহম্মদ বিদ্বেষের কারনে , তার প্রমান হলো এমন আরো হাদীসের বর্ননা তার গ্রন্থে পাওয়া যায় , যেগুলো এই হাদীসের পরিপন্থি বা সাংঘর্ষিক।

নবী মুহাম্মদ কোরানের আদর্শেই জীবন পরিচালিত করতেন। তার জীবনাদর্শ সর্বকালের মুসলমানদের জন্য অনুকরনীয়। তিনি কোরানের পরিপন্থি কোন কাজ করতে পারেন না। কোরান থেকে বিবাহের যোগ্যতা বা উপযুক্ত বয়সের যে দিগনির্দেশনা পাওয়া যায় , তাতে এটা প্রতীয়মান হয় যে শিশুবিবাহ ইসলামে নিষিদ্ধ। যারা আগ্রহী তারা ৪:৬ , ৪:২১ , ৩০:২১ ও ২৫:৭৪ আয়াতগুলো পড়ে দেখতে পারেন। এই আয়াতগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যায় গেলাম না , কারন নাস্তিকরা কোরানে বিশ্বাস করে না এবং সুন্নি মুসলমানরা ও কোরানের চেয়ে হাদীসের বর্ননায় বেশি আস্থাবান। যেহেতু এই অভিযোগের ভিত্তি হলো বুখারী বর্নীত একটি হাদীস , তাই হাদীস থেকেই প্রমানের চেষ্টা করব যে উক্ত হাদীসট ছিল ভূয়া। বুখারী হাদীসটি তার গ্রন্থে স্থান দিয়েছেন মুহাম্মদ তথা ইসলামকে অবমাননা করার জন্য কিনা তা আল্লাহই ভালো জানেন।

১) এই হাদীসটির বর্ননাকারীদের শেষ ব্যাক্তি হিশাম বিন উর্‌ওয়া তার বাপের কাছ থেকে হাদীসটি শুনেছিলেন। হাদীসটি মূলত আহাদ হাদীস। হিশাম তার জীবনের প্রথম ৭১ বছর মদিনায় কাটালেও মদিনার কেউ এই হাদীসটি শোনেনি , এমনকি তার বিখ্যাত ছাত্র মালিক বিন আনাস ও এই হাদীসের উল্লেখ করেন নি। হিশামের শেষ জীবন কাটে ইরাকে । একারনেই এই হাদীসের বর্ননাকারী বাকি সকলেই ইরাকি। ইয়াকুব ইবনে শায়বাহ বলেছেন , “হিশামের সকল হাদীস বিশ্বাসযোগ্য , শুধুমাত্র ইরাকিরা যেগুলো বর্ননা করেছে সেগুলো ছাড়া।” মালিক বিন আনাস , যিনি হিশামের ছাত্র ছিলেন , তিনি হিশামের ইরাকিদের মাধ্যমে বর্নীত হাদীসগুলোকে সন্দেহকরে ওগুলোকে বাতিল করেন। (সুত্র – তেহজিবুল তেহজিব , লেখক-ইবনে হাজার আল আশকানি। বইটি হাদীস বর্ননাকারীদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে লিখিত।)

২) এমন বিবরন পাওয়া যায় যে , হিশাম বিন উর্‌ওয়া শেষ বয়সে স্মৃতিশক্তির দুর্বলতায় ভুগেছিলেন , যেকারনে তার শেষ বয়সের অর্থাৎ ইরাকে বসবাসকালীন বর্নীত হাদীসগুলোতে বিশ্বাস করা যায় না। (সুত্র- আল যাহবি লিখিত “মিজানুল-আই
তিদাল”। বইটি হাদীস বর্ননাকারীদের জীবনী নিয়ে লিখিত।)

৩) বুখারীর কিতাবুল তাফসিরে একটি হাদীস পাওয়া যায় , যেখানে আয়েশা নিজেকে সূরা ৫৪ নাযিলের সময় কিশোরি মেয়ে ‘যারিয়াহ’ (শিশু ‘সিবিয়াহ’ নয়) হিসাবে দাবী করেছেন।
Volume 6, Book 60, Number 399:
Narrated Yusuf bin Mahik:

I was in the house of ‘Aisha, the mother of the Believers. She said, “This revelation: “Nay, but the Hour is their appointed time (for their full recompense); and the Hour will be more previous and most bitter.” (54.46) was revealed to Muhammad at Mecca while I was a playfull little girl.”

স্মরন থাকে যে , সূরা ৫৪ হিজরীপূর্ব ৯ সালে মক্কায় অবতীর্ন হয়। আয়েশার সাথে নবীর বিয়ে হয় ২য় হিজরীতে। এখন সূরা ৫৪ নাযিলের সময় আয়েশার বয়স ৫ বছর ও হয় (যেহেতু তার এই ঘটনা স্মরন আছে এবং এর নিচে হলে তাকে কিশোরি না বলে শিশু বলা উচিৎ ছিল) তাহলে বিয়ের সময় আয়েশার বয়স ৫+৯+২=১৬ বছর ন্যুনতম ছিল। দাম্পত্য জীবন শুরু হয় আরো ২ বছর পরে। তাহলে আমরা কোন হাদীসটি বিশ্বাস করব? এটি নাকি হিশাম বিন উর্‌ওয়া বর্নীত হাদীসটি? ১৬ নাকি ৬? বুখারী এই আপাত বিরোধী ২ টি হাদীস কিভাবে তার গ্রন্থে সংকলন করলেন? বলাবাহুল্য দুটৈ সহী হাদীস!!

৪) অনেক হাদীসের বর্ননায় পাওয়া যায় আয়েশা ওহুদের যুদ্ধে নবীর সফরসঙ্গী ছিলেন। ওহুদের যুদ্ধে ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে ১৫ বছরের নিচে কাউকে যুদ্ধে নেয়া হয় নি। ওহুদের যুদ্ধ ২য় হিজরীর নিকটবর্তী কোন এক সময় সংঘটিত হয়। এর অর্থ দাড়ায় আয়েশার বয়স বিয়ের সময় ১৫ বছরের বেশি ছিল।

৫) ঐতিহাসিকগন মহিলা সাহাবি ‘আসমা’র বয়স সম্পর্কে একমত। আসমা , আয়েশার বড় বোন ও বয়সে আয়েশার থেকে ১০ বছরের বড়। তাকরিবুল তেহজিব ও আল-বিদায়াহ ওয়াল নিহায়াহ বই দুটিতে বর্নীত হয়েছে যে , আসমা ৭৩ হিজরী সালে ১০০ বছর বয়সে মারা যান। এর অর্থ দাড়ায় , হিজরতের সময় আসমার বয়স ছিল ২৭ বছর। আয়েশা যেহেতু আসমার চেয়ে ১০ বছরের ছোট , তাহলে হিজরতের সময় আয়েশার বয়স ছিল ১৭ বছর। আয়েশার বিয়ে হয় ২য় হিজরীতে । এই হিসাবে আয়েশার বয়স বিয়ের সময় হয় ১৯ বছর।
(For Asma being 10 years older than Ayesha, see A`la’ma’l-nubala’, Al-Zahabi, Vol 2, Pg 289, Arabic, Mu’assasatu’l-risalah, Beirut, 1992. Ibn Kathir confirms this fact, [Asma] was elder to her sister [Ayesha] by ten years” (Al-Bidayah wa’l-nihayah, Ibn Kathir, Vol 8, Pg 371, Arabic, Dar al-fikr al-`arabi, Al-jizah, 1933). For Asma being 100 years old, see Al-Bidayah wa’l-nihayah, Ibn Kathir, Vol 8, Pg 372, Arabic, Dar al-fikr al-`arabi, Al-jizah, 1933). Ibn Hajar al-Asqalani also has the same information: “She [Asma (ra)] lived a hundred years and died in 73 or 74 AH.” Taqribu’l-tehzib, Ibn Hajar Al-Asqalani, Pg 654, Arabic, Bab fi’l-nisa’, al-harfu’l-alif, Lucknow).

৬) তাবারি তার ইসলামের ইতিহাস বইতে উল্লেখ করেছেন যে , আবুবকরের ৪ সন্তানের সকলেই ইসলামপূর্ব ৬১০ সালের আগেই জন্মগ্রহন করেন। আয়েশার বিয়ে হয় ৬২৪ সাল বা ২য় হিজরীতে। এর মানে দাড়ায় বিয়ের সময় আয়েশার বয়স ন্যুন্নতম ১৪ বছর ছিল। (Tarikhu’l-umam wa’l-mamlu’k, Al-Tabari, Vol 4, Pg 50, Arabic, Dara’l-fikr, Beirut, 1979).

৭) ঐতিহাসিক ইবনে হিশামের বর্ননামতে আয়েশা উমর ইবনে আল-খাত্তাবের বেশ কিছু আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। এর অর্থ দাড়ায় আয়েশা ৬১০ সালের কাছাকাছি সময়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন । এখন যদি ধরা যায় তিনি বুঝে শুনে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন , তাহলে তখন তার বয়স ছিল ৭-৮ বছর। এই হিসাবে আয়েশার বয়স বিয়ের সময় ২০ বছরের উপরে হয়। (Al-Sirah al-Nabawiyyah, Ibn Hisham, vol 1, Pg 227 – 234 and 295, Arabic, Maktabah al-Riyadh al-hadithah, Al-Riyadh).

এইরুপ আরো অনেক হাদীস বা ঐতিহাসিকের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রমান করা যায় যে আয়েশার বয়স বিয়ের সময় ৬-৭ বছর ছিল না। স্মরন করা যেতে পারে যে , রসূল নিজমুখে কিন্তু বলেননি যে , বিয়ের সময় আয়েশার বয়স ছিল ৬-৭ বছর। এই দাবী করেছে হিশাম ইবনে উরওয়া নামে এক লোক তার বাপের বরাত দিয়ে। বুখারী এইরুপ একটি বিতর্কিত হাদীস সংকলন করে প্রমান করেছেন , তিনি কতটুকু সততা ও পরিশ্রম করে হাদীস সংকলন করেছিলেন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩,১৯২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৪৫ টি মন্তব্য

  1. ফারুক সাহেব, আপনার পোষ্টে দেখি কেউ কোন মন্তব্য করলেন না। এর কারণ কি? এই পোষ্ট কি ইসলাম বিরুধী হয়ে গেছে? না কারু এই বিষয়ে জবাব দেবার ক্ষমতা নাই? :(

  2. আপনি কি করেন? পক্ষে বা বিপক্ষে জবাব দেন না কেন? আপনি জবাব দেন আর আমরা রং দেখি।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,আমরা তো হোলি খেলতেছি না যে রং দেখবেন। আপনার কাছে কেমন লাগল এই পোস্ট , সেব্যপারে মন্তব্য করতে পারেন বা ইগনোর করতে পারেন।

    জ্ঞানান্ধ

    @দ্য মুসলিম হ্যাঁ ঠিক বলেছেন সঙ্গ রা ই শুধু রং দেখতে এবং দেখাতেই থাকে এছাড়া অন্য কিছুতে যে ওদের দৌড়ে কুলায় না।

  3. আশা করছি নিচের লিংকের পুরো লেখাটা পড়লে সবারই অনেক ধারণা পরিষ্কার হবেঃ
    http://www.islamawareness.net/FAQ/what_was_ayesha.html

    জ্ঞানান্ধ

    @মালেক_০০১,আপনি কি এন্টি হাদিস ফারুক? এই লিংকতো এই পোষ্টে ফারুক বাংলা করে দিয়েছেন তো আপনি নতুন কি দেখালেন?

    মালেক_০০১

    @জ্ঞানান্ধ, আমি মোটেও হাদিস অনুসরণের বিরোধী নই। অবশ্যই সহীহ হাদিস অনুসরণ করতে হবে। Quran-only রা হাদিস মানতে চায় না, অথচ এর প্রমাণ হিসেবে তারা হাদিসকেই ব্যবহার করে, যেটাকে আবার তারা সঠিক মনে করে।

    আমি উপরের রেফারেন্সটি দিয়েছি এইজন্যে যে, এই রেফারেন্সগুলো বেশ মজবুত (অন্তত, আমার কাছে, যেহেতু আমি কোন হাদিস বিশারদ নই)। কিন্তু যারা লাখ লাখ হাদিস ইসনাদসহ মুখস্ত বর্ণনা করেছেন, সেখানে কেন এমনটি হচ্ছে তা অবশ্যই বিজ্ঞ আলেমদের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে (অবশ্যই উপযুক্ত প্রমাণ সহকারে)এবং এই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছি।

    আল্লাহ আমাদের কোরআন-সুন্নাহর আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

    জ্ঞানান্ধ

    @মালেক_০০১, আমি মোটেও হাদিস অনুসরণের বিরোধী নই। অবশ্যই সহীহ হাদিস অনুসরণ করতে হবে।
    (Y)

    Quran-only রা হাদিস মানতে চায় না, অথচ এর প্রমাণ হিসেবে তারা হাদিসকেই ব্যবহার করে, যেটাকে আবার তারা সঠিক মনে করে।

    ঠিক বলেছেন।

    আল্লাহ আমাদের কোরআন-সুন্নাহর আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

    আমিন ! (F)

  4. আপনাদের মনের চোখে অসূখ হয়ে গেছে। নাসারারা ইসলামের যা যা খারাপ বলবে আপনারাও তাকে সত্য জ্ঞান করে নিয়া হাদিস খুঁজবেন যা দিয়ে ইসলামকে নাসারাদের মনমত খতনা করে ইসলামের নতুন সংস্করন ইউরোস্লাম বানান যায়।কেমন করে ইসলামের এই প্রচলিত ধারণাকে মিথ প্রমাণ করা যায়। অথচ হাদিসকে আপনারা গ্রহণ যোগ্য মনে করেননা।চিৎকার করে ফাল পাড়েন হাদিস মানিনা। এটি আস্ত হিপোক্রেসী নয় কি?

    শুনেন মিঃ ফারুক, এই কয়েক বছর আগেও আমাদের এই দেশে, কি হিন্দু কি মুসলিম ৪০ বছরের বর ৯ বছরের কন্যাকে অহরহ বিয়ে করে থাকতো। এই বিষয়ে ৪০ /৫০ দশকের গল্প উপন্যাস পড়ে দেখুন। স্বয়ং রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর উনার ১০ বছরের কন্যাকে বিয়ে দিয়েছিলেন। কই তখন তো এই গুলোকে কেউ খারাপ চোখে দেখতো না!
    হিন্দু কালচারে আট বছরের শিশু কন্যাকে গৌরী, ৯ বছরের শিশু কন্যাকে কুমারী, ১০ বছরের উপরের শিশুদেরকে রজকিনী বলত। ৯ বছরের শিশু যেহেতু বিশুদ্ধা অঘ্রাণাতা তাই তাকে কুমারী বলে চিহ্নিত করা হত এবং ঐ সময়ে ঐ শিশুকে পাত্রস্থ করা হত। যদি তা না করে ঐ কন্যা রজকিনী হয়ে যেত তাতে প্রতি মাসে কন্যার মাসিক নিঃস্বরণের কারনে কন্যার পিতা ব্রাহ্মহত্যার অপরাধে অপরাধী হতে হত।

    আর আরব দেশে ঐ টি ছিল স্বাভাবিক নিয়ম। শিশু অবস্থায় শুধু আয়শা রাঃ বিয়ে নয়,হযরত মোহাম্মদের ২ মেয়েরও বিয়ে হয়েছিল। ফাতেমা রাঃ মেয়েকেও আলী রাঃ স্বয়ং ওমর রাঃ কাছে বিয়ে দিয়েছিলেন। এধরণের শিশু বিয়ের ভুরি ভুরি ঘটনা ইতিহাস খূঁজলে পাওয়া যাবে।

    একটি কথা মনে রাখবেন এই ভাবে যদি ইউরোস্লামীয়া ফরসেপ দিয়ে ইসলামের খতনা করতে থাকেন তাহলে এক সময় ইসলামকে আর খুঁজে পাবেন না। যেমন করে ইহুদি খৃষ্টান হিন্দুরা খুঁজে পায়না তাদের স্বতন্ত্রতা।
    একটি হাস্যকর বিষয় ইউরোপে শিশু বিবাহ নিষেধ করে কিন্তু শিশুদের যৌন কার্যে বাধা দেয় না তাই প্রতি বছর শত শত কুমারী মাতার আভির্বাব হচ্ছে এবং রাষ্ট্রযন্ত্র ঐ সব অবাঞ্চিত মাদের প্রচুর অর্থ দিয়ে সাহায্য করে ওদের আরও ব্যাপক ভাবে ঐ কাজে নিয়োজিত থাকতে উৎসাহ দিয়ে চলছে।

    কাজেই যৌনতা তাদের কাছে মুল সমস্যা নয় সমস্যা হলো আইন সম্মত বিয়া। তারা চাচ্ছে দুনিয়া থেকে বিবাহ নামক ব্যবস্থা তোলে সারা দুনিয়াকে জারজদের আখড়ায় পরিণত করতে। আর আপনিও ঐ কাজে এগিয়ে আসছেন। তাই আপনাকে (N)

    মনে রাখবেন শিশু বিয়া ইসলামের মৌলিক কোন শর্ত নয়। এবং এটি সুন্নতও নয়। যদি এটি সুন্নত হয় তাহলে মোহাম্মদ সাঃ এর প্রথম বিয়ে উনার চেয়ে ১৫ বছরের বড় খাদিজা রাঃ সাথে ঐ টিও সুন্নত হবে এবং আমারাও বিধবা ও বয়সে বড় কন্যাকে বিয়ে করতে বাধ্য থাকব।

    ফারুক

    @জ্ঞানান্ধ,আপনি প্রসঙ্গ ছেড়ে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা টেনে এনেছেন। ইহুদি নাসারা হিন্দুরা কি কইল সেটা এই পোষ্টের মূল বিষয় নয়। আরেকটি জিনিষ মনে রাখবেন ইসলাম সর্বযূগের জন্য , তো এর বিধি বিধান ও সর্বযূগের জন্য।

    এখন এই পোষ্টের আলোচ্য বিষয় নিয়ে একটা কিছু বলুন। আয়েশার বয়স ৬ বছর নাকি ১৯ বছর ছিল? নাকি ৬ ও ১৯ দুইটাই কারেক্ট?

    জ্ঞানান্ধ

    @ফারুক ৬, ৯, ১৬ এটি আমার কাছে মূখ্য কোন কিছু নয়। শুনেন আগে সুন্নত ও আরবীয় কালচারের মধ্যে কি ব্যবধান তা নির্ণয় করুন। ছোট একটি উদাহরণ – রাসুল শুধু চাটাইয়ে শুতেন যাতে উনার শরীরে ঐ চাটায়ের দাগ পড়ে থাকতো তো এটি তো সুন্নত নয় কারণ ঐ যুগে আরবদের বেশীর ভাগ মানুষ এভাবেই শুতো এবং রাসুল ঐ ভাবে শুবার নির্দেশও দিয়ে যান নাই। এটি ছিল কালচার। আর রাসুল ডান হাত দিয়ে খেতেন এবং সবাইকে ডান হাতে খেতে নির্দেশ দিতেন তাই ডান হাতে খাওয়া সুন্নত।

    আর বিয়ের বিষয়ে যেমন ৯ বছর বয়সী বিয়ে করার জন্য কাউকে অনুপ্রাণিত করে যাননি তাই এটি সুন্নত নয়। তবে এটি হারামও নয়। ক্ষেত্র বিশেষে প্রযোজ্য হতে পারে।

    সর্ব যুগ বলতে আপনি কি বুঝেন? আপনিতো এই যুগ দিয়েই বিচার করছেন? আর আপনার বিচার কি সর্ব যুগের উপযোগী তা কেমন করে ভাবতে পারলেন?

    জ্ঞান পিপাষু

    @জ্ঞানান্ধ, সহমত। সুন্দর বলেছেন। আমিও নিচে কিছু কথা বলেছি এ বিষয়ে, আমার লিখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত চাই। (Y)

    ফারুক

    @জ্ঞানান্ধ,চর্বিত চর্বন হয়ে যাচ্ছে। কি আর করা।

    ছোট একটি উদাহরণ – রাসুল শুধু চাটাইয়ে শুতেন যাতে উনার শরীরে ঐ চাটায়ের দাগ পড়ে থাকতো তো এটি তো সুন্নত নয় কারণ ঐ যুগে আরবদের বেশীর ভাগ মানুষ এভাবেই শুতো এবং রাসুল ঐ ভাবে শুবার নির্দেশও দিয়ে যান নাই। এটি ছিল কালচার। আর রাসুল ডান হাত দিয়ে খেতেন এবং সবাইকে ডান হাতে খেতে নির্দেশ দিতেন তাই ডান হাতে খাওয়া সুন্নত।

    ডান হাত দিয়ে খাওয়া কি ঐ আমলে কালচার ছিল না? বেশিরভাগ লোক কি বাম হাতে খেত? যুক্তি আপনি ইচ্ছা অনুযায়ী দেখাতে পারেন না!!

    জ্ঞানান্ধ

    @জ্ঞানান্ধ, ডান হাত দিয়ে খাওয়া কি ঐ আমলে কালচার ছিল না? বেশিরভাগ লোক কি বাম হাতে খেত?

    আরে বাবুজি, এখানে ডান হাত বাম হাত মূখ্য নয়, মূখ্য নির্দেশ, অনু্প্রেরণা ইত্যাদি।

    ফারুক

    @জ্ঞানান্ধ,নির্দেশি যদি মূখ্য হবে , তাহলে কালচার নিয়ে জ্ঞান দিলেন কেনো?

    জ্ঞানান্ধ

    @ফারুক, যদি প্রশ্ন হয় যে শিশুর সাথে যৌনকর্ম সঙ্গত কিনা? তার উত্তরে আমি প্রমাণ দিয়েছি এই সেই দিনও আমাদের দেশেও ৪০ বছরের লোক ৯ বছরের শিশুকে বিয়ে করত। এবার যদি বলেন সে শিশুটি কি যৌন ক্ষমতায় সক্ষম কিনা? আমার উত্তর নেটে দেখেন ৫ বছরের মেয়েও আল্লাহর কুদরতে মা হয়েছে।
    আর যে আল্লাহ আদম কে বিনা বাবা ও মায় পয়দা করলেন, যে আল্লাহ ঈসা নবীকে বিনা বাপে পয়দা করেছেন, যে আল্লাহ ইঊনূস নবীকে তিনদিন মাছের পেটে রেখেও জীবন বাচিয়েছেন সেই আল্লাহ কি আয়শা কে ৯ বছরে সর্ব বিষয়ে সক্ষম করে তোলতে পারবেন না?

    দুনিয়ায় এত সমস্যা আছে যা এই সময়ের জন্য আলোচনার প্রয়োজন থাকতে আপনি এই সব কি নিয়ে আসলেন যার প্রয়োজন এখন আদৌই নেই।

    ফারুক

    @জ্ঞানান্ধ,

    দুনিয়ায় এত সমস্যা আছে যা এই সময়ের জন্য আলোচনার প্রয়োজন থাকতে আপনি এই সব কি নিয়ে আসলেন যার প্রয়োজন এখন আদৌই নেই।

    কে বল্লো প্রয়োজন নেই? নাস্তিক আর অন্যধর্মাবলম্বিরা রসূলকে পেডোফাইল হিসাবে দেখিয়ে অবমাননা করছে , সেটা খন্ডানোর দায়িত্ব সকল মুসলমানের।

    জ্ঞানান্ধ

    @জ্ঞানান্ধ, সেটি খণ্ডানোর দায়িত্ব মুসলমানের তা ঠিক। তবে এই মতে নয় যে তাদের মানদণ্ডে তা খণ্ডাইতে হইবে। আর যারা এন্টি মোহাম্মদ তাদেরকে গলা কাইটা হাতে তোলে দিলেও তারা রাসুল সাঃ এর শানে কুৎসা রটানো ছাড়বেনা। শুধু শুধু সময় নষ্ট করে ফায়দা হবেনা।

    অবশ্যই এই বিষয়ে P blog কর্তৃক্ষ একটি রোলিং দিবেন, এই আশায় রইলাম।

    ফারুক

    @জ্ঞানান্ধ, কিসে ফায়দা , তা যদি জানতেন , তাহলে আর শুধু শুধু সময় নষ্ট হতোনা।

    ফারুক

    @জ্ঞানান্ধ,

    মনে রাখবেন শিশু বিয়া ইসলামের মৌলিক কোন শর্ত নয়। এবং এটি সুন্নতও নয়। যদি এটি সুন্নত হয় তাহলে মোহাম্মদ সাঃ এর প্রথম বিয়ে উনার চেয়ে ১৫ বছরের বড় খাদিজা রাঃ সাথে ঐ টিও সুন্নত হবে এবং আমারাও বিধবা ও বয়সে বড় কন্যাকে বিয়ে করতে বাধ্য থাকব।

    কেন সুন্নত নয়?

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক, কেন সুন্নত নয়?

    রাসূল (সঃ) যা কিছু করেছেন তার সবই সুন্নাত, আমার যদি ভুল না হয়। য়ার আমাদের উচিত কুরানের সাথে সুন্নাহর অনুশরন করা। তবে কিছু বিষয় আছে যা শুধু আল্লাহর রাসূলের জন্যেই প্রযোজ্য ছিল এবং তা আল্লাহর হুকুমেই, যা আমাদের জন্যে অনুশরন যোগ্য নয়।

    ভুল হলে শুধরে দিবেন বলে আশা রাখি। ধন্যবাদ। :)

    জ্ঞানান্ধ

    @জ্ঞান পিপাষু, তাহলে জনাব, রাসুল সাঃ ঘরে তিন মাসেও চুলা জ্বলতনা। প্রায় উপোস থাকতেন।রাসুল ক্ষুধা নিভারণের জন্য শুকনো চাতু ও ভেড়ার দুধ খেতেন এবং তা সুন্নত অতএব আপনিও সে ভাবে তা পালন করে দেখান। তারপর আসবেন রাসুলের সব সুন্নত পালন করতে। এক জন মুসলামানের উচিত সে যা করতে পারে তা সে বলে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ জ্ঞানান্ধ ,

    নিসন্দেহে আপনার কথার যুক্তিকতা আমার কথার চেয়ে বেশি। তবে কিছু বিষয় আছে যা শুধু আল্লাহর রাসূলের জন্যেই প্রযোজ্য ছিল এবং তা আল্লাহর হুকুমেই, এ ব্যাপারে আপনার কি দিমত আছে? (Y)

    জ্ঞানান্ধ

    @জ্ঞান পিপাষু,

    তবে কিছু বিষয় আছে যা শুধু আল্লাহর রাসূলের জন্যেই প্রযোজ্য ছিল এবং তা আল্লাহর হুকুমেই, এ ব্যাপারে আপনার কি দিমত আছে?

    না এই বিষয়ে দ্বিমত থাকার কথা নয়।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ জ্ঞানান্ধ , ধন্যবাদ। এবার আপনার কাছে একটি বিষয় জিজ্ঞেস করি। দয়া করে জানাবেন কি, সুন্নাহ বলতে আমরা কি বুঝি?

    জ্ঞানান্ধ

    @জ্ঞান পিপাষু, কুরআনের বক্তব্যগুলোর বাস্তব রূপ হলো রাসুল সাঃ এর জীবন চরিত যাকে পরিভাষায় সুন্নাহ বলাহয়।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ জ্ঞানান্ধ , বুঝলাম। আপোনার কি মনেহয় আল-কুরআনের বক্তব্যগুলোর বাহিরে কোন সুন্নাহ নাই?

    জ্ঞানান্ধ

    @মিঃ জ্ঞান পিপাষু, আমি হলাম জ্ঞান + অন্ধ = জ্ঞানান্ধ। মানে জ্ঞানকানা । কাজেই আমি নিজেই জ্ঞানভিখারী কেমন করে আপনারে জ্ঞান বিতরণ করব?
    আপনিতো এই ব্লগে অনেক বড় বড় পোষ্ট দিতেছেন, তো সুন্নাহর সংজ্ঞা আমার কাছে চাইছেন কেন? বরং এক কাম করেন, ব্লগের নীতিমালা পড়ে বুঝেছি যে, এই ব্লগের কর্তৃক্ষ এই ব্লগের মাধ্যমে দ্বীনের খেদমত করে অশেষ ছওয়াব হাছিলের আনজাম করেছেন। তাই কোন কিছু জানতে হলে কর্তৃপক্ষের কাছে জানুন।

    আর হ্যাঁ পোষ্টের বিষয়ের বাহিরে না যাওয়া বোধহয় ভাল। পারলে ফারুকের নয় না ছয় কিংবা উনিশ তার উপর কিছু বক্তব্য রাখুন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ জ্ঞানান্ধ , মিঃ জ্ঞান + অন্ধ= জ্ঞানান্ধ। মানে জ্ঞানকানা । আমি এইখানে আসছি আপনাদের থেকে জ্ঞান অর্জন করতে।
    আমার নামটি দেখে তা বুঝেন না। যাই হোক, আমি এ ব্যাপারে আপনার সাথে বিতর্কে যেতে চাই না। আসল কথাটা বলি।
    আমাদের এক ভাই সুন্নাহ বিষয়ে একটা লিখা দিয়েছিলেন। আসুন আমরা দেখি কিভাবে স্কলারভেদে সুন্নাহর সংজ্ঞা পরিবর্তিত
    হয় এবং সুন্নাহর আসল সংজ্ঞা কি তা জেনে নেই। সাথে থাকুন, ধন্যবাদ । :)

    http://www.peaceinislam.com/mariner/3036/

    জ্ঞানান্ধ

    @জ্ঞান পিপাষু, কেন ভাই শুধু ঊনার সংজ্ঞাকে সত্য সনাতন মানতে হবে? ঐ পোষ্টে কংক্র্রিট কোন সিদ্ধান্ত পাওয়া গেছে কি? উসুলরা কোরানকে বাদ দিয়ে দিয়েছন। আমি অল্প জ্ঞানি আমি জানি যেহেতু কোরান নাজিল হয়েছিল রাসুলের মাধ্যমে তাই তিনিই কোরানের ব্যখ্যা ও কোরানের নির্দেশ কেমন করে পালন করতে তা বাস্তবে দেখিয়ে গিয়েছেন তাইই সুন্নাহ।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ জ্ঞানান্ধ , না, মন না চাইলে কোন কিছু মানার দরকার নাই। জ্ঞান বুদ্ধি দিয়া যাচাই করেন তার পর সিদ্ধান্ত নেন। এবং আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের বিরুদ্ধে গেলে তা বর্জন করুন। ধন্যবাদ। :)

  5. Can you explain what kinds of comment you expect from us.

    Are you a Shia. May be……………………….. (N)

    ফারুক

    @sadman, open your eyes. Think by your own brain. Don’t follow blindly others , this will not help you at all in akherat.

    জ্ঞানান্ধ

    @sadman, জ্বে…….না, বিষাদমানব । নামের যথার্থতা বক্তব্যে পাওয়া যায়। (F)

  6. @জ্ঞানান্ধরসূলের নির্দেশি যদি মূখ্য হবে , তাহলে কালচার নিয়ে জ্ঞান দিলেন কেনো?

    জ্ঞানান্ধ

    @ফারুক, হুজুরে আজিজ, কালচার দিয়ে জ্ঞানতো দেই নাই, ধাক্কা দিয়েছিলাম। কারণ যদিও রাসুল যা পালন করেছেন তাই সুন্নাহ হলেও এখানে সুন্নাহ দুই প্রকারের । এক ধরণের আরবীয় রীতিনীতি যা রাসুল পালন করেছেন সেটিও সুন্নাহ । কিন্তু এই সুন্নাহ রাসুল সঃ আগ থেকে তদান্তিন আরবে প্রচলিত ছিল। আর এক ধরণের সুন্নাহ যা রাসুল আদেশ নির্দেশ দিয়েছেন কিংবা ভালবাসতেন যা আমাদেরকে অবশ্যই মেনে চলা উচিত।

    তাই কিছু সুন্নাহ আছে যেটি অবশ্য পালনিয় নয়। যেমন বিগত যৌবনা বা শিশু বিবাহ। এগুলো প্রয়োজনে পালন করা যেতে পারে। আর জানেন তো প্রয়োজনে মরা মাংসও খাওয়া যায়।

  7. অনেক ভালো লাগলো। আশা করি আপনারা একটা সিদ্ধান্তে পৌছাতে পেরেছেন।ধন্যবাদ।

  8. এই পোষ্টের ভ্রান্তধারণাগুলোর উত্তর পাওয়া যাবে নিচের লিংকেঃ
    http://qa.sunnipath.com/issue_view.asp?HD=7&ID=4604&CATE=1

    ফারুক

    @মালেক_০০১, আপনার পোস্টের অসারতার জবাব আপনার পোস্টে দিয়েছি।

    মালেক_০০১

    @ফারুক, আমার পোস্টে আপনার মন্তব্যের অসারতার জবাবও দেয়া হয়েছে।

  9. [...] সাহেব "ইসলামের নবীর সাথে বিয়ের সময় মা আয়েশ… নামে একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন। তার [...]

  10. ব্লগার ভাইয়েরা কি realize করেন যে, আপনাদের জীবন (অর্থাৎ জীবনের সময়) কিভাবে satanic dispute-এ কেটে যাচ্ছে বা চুরী হয়ে যাচ্ছে?? অথচ, আমাদের অনেকেরই হয়তো তৌহীদের মত basic বিষয়ের জ্ঞানটুকুও নেই!! যা কিছু আপনাকে আপনার সরলপথ ভুলিয়ে রাখবে, সেটাই satanic। আমাদের অনেকের ছেলেবেলায়ই হয়তো এমন ঘটনা ঘটে থাকবে যে, মা আমাদের দোকানে পাঠিয়েছেন কিছু আনতে – আর আমরা রাস্তায় লোকের ভীড় দেখে “সাপের খেলা” বা “বানর নাচ” দেখতে দাঁড়িয়ে গিয়ে ভুলেই গেছি যে, মা বলেছিলেন “তাড়াতাড়ি” কিছু একটা এনে দিতে। এই লোকটির প্রতিটি পোস্ট, একজন বিশ্বাসীকে বিচ্যুত করার কাজে বা সঠিক পন্থায় জ্ঞান অর্জনের প্রচেষ্টা ভুলিয়ে রাখার কাজে নিয়োজিত। আমি সাধারণত এর পোস্টে participate করি না বা comment করি না। আজ পরিচিত নাম “মালেক_০০১” দেখে এই পোস্টে ঢুকে দেখলাম, এটাও সেই একই কাহিনী। আপনাদের যদি সে একবার বোঝাতে পারে যে, আমরা “সহীহ হাদীস” বলতে যা বুঝি সেগুলো ভিত্তিহীন, তবে আপনার বিশ্বাস ও আমল দু’টোই সংশয়ে ডুবে যাবে – শয়তান ঠিক যা achieve করতে চায়। আর কিছু না হলেও আপনারা যে সময় আল্লাহর দ্বীন সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করার কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখতে পারতেন, সেই সময়টুকু আপনাদের “বানর নাচ” দেখতে ব্যস্ত রাখলো।আপনাদের, বিশেষ করে কর্তৃপক্ষের ধৈর্যের প্রশংসা করতেই হয়!!

    মালেক_০০১

    @মুসলিম৫৫, আসসালামুআলাইকুম । আমার দেওয়া নিচের পোস্টটি আপনি যদি চান তো দেখতে পারেনঃ
    http://www.peaceinislam.com/malek001/3332/

    আল্লাহ আমাদেরকে কোরআন ও সহীহ-হাদিসের (আমরা “সহীহ হাদীস” বলতে যা বুঝি) আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

    মালেক_০০১

    @মুসলিম৫৫, আমরা “বানর নাচ” দেখতে ব্যস্ত, এটা ঠিক বলেছেন ।
    এবং আমি এটাও জানি, এই সকল “বানর নাচ” কেন ভিত্তিহীন সে সকল জবাবও আছে। শুধু আমরা সেগুলো জানি না। আমি শুধু ঐ জবাবগুলো জানার চেষ্টা করি, এর বেশি কিছুই না।

    আল্লাহ আমাদেরকে কোরআন ও সহীহ-হাদিসের আলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার তৌফিক দান করুন। আমীন।

    ফারুক

    @মুসলিম৫৫,ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে আমার পোস্টে মন্তব্য করার জন্য। তবে জুজুর ভয় না দেখিয়ে পোস্টের বক্তব্যকে যুক্তি দিয়ে খন্ডন করলে আমার মতো নাদানরা , যারা নিজেকে মনে প্রানে মুসলিম বলে মনে করি , উপকৃত হতাম। আপনি গোড়াতেই ভুল করেছেন এইভেবে যে পোস্টের বক্তব্যগুলো আমার আবিস্কার। আসলে এগুলো মুসলমান দাবীদার এইরুপ সাইট থেকে অনুবাদ করা। এরা এক আল্লাহ ও কোরানে বিশ্বাসী।

    কে শয়তানের প্ররোচনায় বান্দর নাচ দেখাচ্ছে , তা বিচারের ভার পাঠক আর আল্লাহ্‌র উপরে ছেড়ে দিলাম। ভালো থাকুন , শান্তিতে থাকুন।