লগইন রেজিস্ট্রেশন

ফ্যরকা।

লিখেছেন: ' ফারুক' @ সোমবার, জানুয়ারি ৪, ২০১০ (৬:৪২ পূর্বাহ্ণ)

মুনিম সাহেব , ওয়া আলাইকুম ছালাম। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ , কষ্ট করে এত বড় ও তথ্য পূর্ন ইমেইল করার জন্য।

আপনাকে একটা কথাই বলব , তা হলো , কখনো কি জানার চেষ্টা করেছেন , আপনি ধর্ম হিসাবে যা পালন করছেন তা সত্য কিনা? হাদীস পড়েছি , না পড়ে বাতিল করিনি। আপনার হাদিসেই আছে মুসলমানদের ৭০ কি ৭২ টা ফ্যরকা হবে , ১ টা বাদে বাকি সবকটিই জাহান্নামি। সুতরাং নিশ্চিতভাবে জানুন , আপনার পথটাই সঠিক কিনা ?

আমি সঠিক রাস্তা খুজতে যেয়ে দেখেছি , আল্লাহ্‌র বাণীকে অনুসরন করা ছাড়া পথ নেই। সুন্নত পরিত্যগ করা আমার জন্য এত সহজ ছিল না। আমার জন্ম সুন্নি পরিবারে। সবশেষে মনকে এই বলে প্রবোধ দিয়েছি , শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভর করে , আমাকে যদি দোজখে যেতে হয় , তাহলে তাই সই। অন্তত কোন ভাবেই আমি আল্লাহ্‌র সাথে কাউকে শরিক করব না।

ভালো থাকুন । আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত করুন এই দোয়া করি।
ফারুক।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২৫০ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

২৮ টি মন্তব্য

  1. আপনার হাদিসেই আছে মুসলমানদের ৭০ কি ৭২ টা ফ্যরকা হবে , ১ টা বাদে বাকি সবকটিই জাহান্নামি। সুতরাং নিশ্চিতভাবে জানুন , আপনার পথটাই সঠিক কিনা ?

    আমার জানামতে, যারা যাহান্নামে যাবে তারা হল, সেই ৭২টি দল, যারা আল্লাহর রাসুল সঃ এবং তার ছাহাবীগণকে অনুশরন করবে না। আপনি কি আমাদেরকে জানাবেন কিভাবে আপনি রাসুল সঃ এবং তার ছাহাবীগণকে অনুশরন করেন?

    আপনার ও মুনিম ভাইয়ের এই আলোচনার মধ্যে কিছু বলেছি বলে আমাকে ক্ষমা করবেন। :)

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু,সকলের জন্য উম্মুক্ত এই আলোচনা, সুতরাং ক্ষমা চাওয়া বা করার প্রশ্নই ওঠেনা। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

    আমার জানামতে, যারা যাহান্নামে যাবে তারা হল, সেই ৭২টি দল, যারা আল্লাহর রাসুল সঃ এবং তার ছাহাবীগণকে অনুশরন করবে না।

    আপনার জানাটাই সঠিক , তা কিভাবে নিঃসন্দেহ হলেন? আমাকে একটু জানান , যাতে আমি আমার ভুল বুঝতে পারি।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক, আল্লাহ বিনয়ীদেরকে ভালোবাসেন।ধন্যবাদ আপনার সুন্দর প্রশ্নের জন্যে।

    প্রশ্নঃ আপনার জানাটাই সঠিক , তা কিভাবে নিঃসন্দেহ হলেন? আমাকে একটু জানান , যাতে আমি আমার ভুল বুঝতে পারি।


    উত্তরঃ

    আমার জানাটাই যে সঠিক হতে হবে, এই নিশ্চয়তা আপনাকে কে দিল? যদি আল-কুরানকে না দেখে বিশ্বাস করতে পারি রাসূলুল্লাহ সঃ এর উপর নাযিল হয়েছে বলে ঈমান আনতে পারি, আল্লাহ কে না দেখে বিশ্বাস করতে পারি, পুর্বেও অনেক নবীগণ এসেছিলেন এটা কুরানে আছে, যা পিছনে গিয়ে প্রমান করতে পারবো না, শুধু কুরানেন আয়াত শুনে যদি বিশ্বাস করতে পারি, যদি নবী মুহাম্মাদ সঃ কে না দেখে বিশ্বাস করতে পারি, তাহলে রাসূলুল্লাহ সঃ কে না দেখে তার জিবনাদর্শের অনুশরন করতে পারবোনা কেন?

    আর আপনিতো হাদীস মানেন না। তবে আমাকে বলুন, রাসূলুল্লাহ সঃ এর অনুগত্য করেন কিভাবে?
    আপনার কি মনে হয়না যে, রাসূলুল্লাহ সঃ এরও আমাদের মত জীবন ইতিহাস আছে এবং তা আমাদেরকে মেনে চলতে হবে?

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু,রসূল যতদিন জীবিত ছিলেন, ততদিন তার আনুগত্য করা সম্ভব। কোরানে দেখুন, প্রতিটি নবী রসূলের আনুগত্য করার কথা বলা হয়েছে।
    রসূলের জীবন ইতিহাস আমাদের ধর্মীয় অনুশাসনের জন্য আবশ্যক নয়। যার যার কর্মফল তার নিজস্ব। পরকালে কেউ কারো সাহায্যে আসবে না বা সাহায্য করতেও পারবেনা।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক, আচ্ছা আচ্ছা! সুন্দর বলেছেন। কিন্তু ভাই সুন্দর অনেকেই বলতে পারে, কিন্তু সব সুন্দর সমান না, অনেক সুন্দর ভালো লাগে আবার অনেক সুন্দর ভালো লাগে না।


    ১) রসূল যতদিন জীবিত ছিলেন, ততদিন তার আনুগত্য করা সম্ভব।
    আল-কুরানে কোথায় বলা হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ সঃ যতদিন জীবিত আছে ততোদিন তার অনুগত্য কর?

    ২) কোরানে দেখুন, প্রতিটি নবী রসূলের আনুগত্য করার কথা বলা হয়েছে।

    আপনি কি জানেন, আল্লাহ কুরানে বলেছেনঃ আজ তোমাদের দ্বীনকে পরিপুর্ন করে দিলাম। তাই আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারি, আগের বিভিন্ন্য নবী ঠিকি এসেছিলেন, কিন্তু তখন দ্বীন ইসলাম পরিপুর্ন ছিলো না। মানব সভ্যতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আল্লাহ বিভিন্ন রকম আইন বানিয়েছিলেন। এ ব্যাপারটি আপনি কিভাবে ব্যখ্যা করবেন?

    ৩) রসূলের জীবন ইতিহাস আমাদের ধর্মীয় অনুশাসনের জন্য আবশ্যক নয়।

    কিন্তু আল-কুরানে আছেঃ
    বলুন, আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য প্রকাশ কর। বস্তুতঃ যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তাহলে আল্লাহ কাফেরদিগকে ভালবাসেন না।
    আর তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ ও রসূলের, যাতে তোমাদের উপর রহমত করা হয়।
    (3-32,132.)

    ৪) যার যার কর্মফল তার নিজস্ব। পরকালে কেউ কারো সাহায্যে আসবে না বা সাহায্য করতেও পারবেনা।

    সহমত। নবী কোন জায়গায় কি বলেছেন যে, তোমরা যা ইচ্ছা কর, আমি তোমাদেরকে পরকালে সাহায্য করবো এবং জাহান্নাম থেকে উদ্ধার করবো?

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু,
    ১) মরা মানুষের আনুগত্য করার কোন রাস্তা আমার জানা নেই। আরেকটি জিনিষ বুঝার চেষ্টা করুন , রসূল মুহম্মদ ও মানুষ মুহম্মদ দুই টি ভিন্ন গুরুত্ব বহন করে। রসূল মুহম্মদকে অনুসরন ও তার আনুগত্য করতে বলা হয়েছে , মানুষ মুহম্মদকে নয়। মানুষ মুহম্মদের অনেক ভুল আছে। এই পয়েন্ট নিয়ে একটু গভিরভাবে চিন্তা ভাবনা করুন।

    ২)

    )তাই আমরা খুব সহজেই বুঝতে পারি, আগের বিভিন্ন্য নবী ঠিকি এসেছিলেন, কিন্তু তখন দ্বীন ইসলাম পরিপুর্ন ছিলো না। মানব সভ্যতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আল্লাহ বিভিন্ন রকম আইন বানিয়েছিলেন।

    সকল নবী রসূলের ধর্ম একি। ইসলাম। সাবাত ও রমজানে রাতে সেক্স নিষেধাজ্ঞা , এই রকম মৌলিক নয় দুয়েকটি বিষয় রদ করা ছাড়া কোন পার্থক্য নেই।

    সুঃ আশ-শুরা , আঃ ১৩
    তিনি তোমাদের জন্য সেই একই দ্বীণ (ধর্ম) নির্ধারন করেছেন, যা নূহ আঃ এর জন্য করেছিলেন এবং যা আমি প্রত্যাদেশ করেছি আপনার প্রতি ও যার আদেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহিম আঃ, মূসা আঃ ও ঈসা আঃ কে এই মর্মে যে , “তোমরা দ্বীণকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং তাতে অনৈক্য সৃষ্টি করো না।”

    সুঃ হা-মীম , আঃ ৪৩
    আপনাকে ঠিক ঠিক তাই বলা হয় , যা বলা হতো পূর্ববর্তী রসুলগণকে।

    সুঃ আম্বিয়া , আঃ ২৫
    আপনার পূর্বে আমি যে রসুলই প্রেরন করেছি , তাকে একই অহী পাঠিয়েছি: “আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই , সুতরাং আমারই উপাসনা কর।”

    ৩)১নং এর উত্তর এটার জন্যেও প্রযোজ্য।

    ৪) সহমত। :)

    জ্ঞান পিপাষু

    @জ্ঞান পিপাষু,

    ১) মরা মানুষের আনুগত্য করার কোন রাস্তা আমার জানা নেই।
    আমি কোথায় বলেছি যে, মরা মানুষের আনুগত্য করুন? মানুষ চলে যায় কিন্তু তার জীবনাদর্শ, তার কথা, যা তিনি বলে গেছেন, তার ব্যবহার ইত্যাদি কখনো মরে না, আর এই বিষয়গুলি প্রজন্মের পর প্রজন্ম একজন থেকে আরেকজনের কাছে পৌছে যায়, যেমন আমার দাদার দাদা, তার দাদা, তার দাদার দাদা কে ছিল বা কি বলে ছিল বা কত সম্পদ রেখে গিয়েছিল, তা মরা জানতে পারি।

    আরেকটি জিনিষ বুঝার চেষ্টা করুন , রসূল মুহম্মদ ও মানুষ মুহম্মদ দুই টি ভিন্ন গুরুত্ব বহন করে। রসূল মুহম্মদকে অনুসরন ও তার আনুগত্য করতে বলা হয়েছে , মানুষ মুহম্মদকে নয়। মানুষ মুহম্মদের অনেক ভুল আছে। এই পয়েন্ট নিয়ে একটু গভিরভাবে চিন্তা ভাবনা করুন।

    রসূল মুহম্মদ সঃ কে কিভাবে আনুগত্য করতে হবে, আল-কুরান কি বলে?
    মানুষ মুহম্ম সঃ এর যে অনেক ভুল আছে, এটা কোথায় পেয়েছেন, উল্ল্যেখ করুন?

    আপনার অবগতির জন্যে যানাচ্ছি যে, আপনি আমার অনেক প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছেন, যা আমাদের কখনই কাম্য নয়। ধন্যবাদ।

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু,

    রসূল মুহম্মদ সঃ কে কিভাবে আনুগত্য করতে হবে, আল-কুরান কি বলে?
    মানুষ মুহম্ম সঃ এর যে অনেক ভুল আছে, এটা কোথায় পেয়েছেন, উল্ল্যেখ করুন?

    রসূল যেহেতু জীবিত নেই , সেকারনে তাকে কিভাবে আনুগত্য করতে হবে , এ প্রশ্ন এখন অবান্তর।
    মানুষ মুহম্ম সঃ এর যে অনেক ভুল আছে , এটা কোরানেই পাবেন। কোরান পড়ুন , জানতে পারবেন।

    কোন প্রশ্নগুলো এড়িয়ে গেলাম , সেটা উল্লেখ করুন। ুত্তর জানা থাকলে জানাব।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ ফারুক,


    রসূল যেহেতু জীবিত নেই , সেকারনে তাকে কিভাবে আনুগত্য করতে হবে , এ প্রশ্ন এখন অবান্তর।

    এটাতো আপনার কথা। আমার বা আপনার নিজস্ব মতামতের কোন দাম নাই। কুরান কি বলে সেটা বলেন?
    যদি কুরানে না থাকে, তাহলে সেটাও উল্লেক করুন।

    মানুষ মুহম্ম সঃ এর যে অনেক ভুল আছে , এটা কোরানেই পাবেন। কোরান পড়ুন , জানতে পারবেন।

    আপনি যদি যানিয়ে দিতেন, তাহলে খুবই উপকৃত হতাম, যেহেতু এর উল্লখ আপনি করেছেন।

    কোন প্রশ্নগুলো এড়িয়ে গেলাম , সেটা উল্লেখ করুন। ুত্তর জানা থাকলে জানাব।

    যেমনঃ কুরান থেকে উদ্রিতি দিতেছেন, কিন্তু এক আয়াত মানেন আরেক আয়াত মানেন না, এক আয়াত দিয়ে আরেক আয়াত ভুল প্রমান করা ইত্যাদি। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।

  2. @ফারুক,

    সকল নবী রসূলের ধর্ম একি। ইসলাম। সাবাত ও রমজানে রাতে সেক্স নিষেধাজ্ঞা , এই রকম মৌলিক নয় দুয়েকটি বিষয় রদ করা ছাড়া কোন পার্থক্য নেই।

    সকল নবী রসূলের ধর্ম একি ইসলাম(শান্তি)। সহমত।
    তাহলে ধর্ম গ্রন্থগুলি এক এবং তার কথাগুলিও কি এক ?
    তাহলে আপনি আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলি না মেনে, কুরানকে মানেন কেন?


    আপনাকে ঠিক ঠিক তাই বলা হয় , যা বলা হতো পূর্ববর্তী রসুলগণকে।

    তাহলে রাসুল সঃ এর উপরে কেন নাযিল হল আল-কুরান, যদি আল্লাহ সব নবীগনকে একি কথা বলতেন?
    আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলি কি অপরাধ করেছে?

    আপনার পূর্বে আমি যে রসুলই প্রেরন করেছি , তাকে একই অহী পাঠিয়েছি: “আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই , সুতরাং আমারই উপাসনা কর।
    সহমত। কি এক ছিল আল্লাহ তা বলেছেন যেমনঃ “আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই , সুতরাং আমারই উপাসনা কর।
    কিন্তু কুরানে এও আছে যে আল্লাহর সাথে রাসূলের অনুগত্য কর।

    আর আল্লাহ যে বলেছেনঃ তোমাদের দ্বীনকে পরিপুর্ন করে দিলাম। এটাওকি আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলিতে আল্লাহ বলেছিলেন?
    আর রাসুল সঃ কে আল্লাহ মানব জাতীর উপর রহমত বলেছেন। এ কথাও কি অন্যান্ন নবীগনদের ক্ষেত্রে আল্লাহ বলেছিলেন?

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু,

    তাহলে আপনি আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলি না মেনে, কুরানকে মানেন কেন?

    কোরান সর্বশেষ গ্রন্থ এবং এর বিশুদ্ধতা হেফাজতের দায়িত্ব আল্লাহ নিজেই নিয়েছেন। একারনেই কোরান মানি। আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলি বিশ্বাস করা ও ইসলামের জন্য অবশ্য পালনীয়। তবে কথা থাকে যে, আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলিতে মানুষ কতৃক কিছু বিকৃতি ঘটেছে , যার বর্ননা কোরানেই আছে , ঐ বিকৃতিগুলো বাদে আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলি মানতে কোন অসুবিধা নেই।

    আর আল্লাহ যে বলেছেনঃ তোমাদের দ্বীনকে পরিপুর্ন করে দিলাম। এটাওকি আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলিতে আল্লাহ বলেছিলেন?
    আর রাসুল সঃ কে আল্লাহ মানব জাতীর উপর রহমত বলেছেন। এ কথাও কি অন্যান্ন নবীগনদের ক্ষেত্রে আল্লাহ বলেছিলেন?

    তোমাদের দ্বীনকে পরিপুর্ন করে দিলাম। এটা বলতে আপনি কি বুঝেছেন? জানাবেন কি?

    আল্লাহ মানব জাতীর উপরে রহমত করেছেন , যূগে যূগে নবী রসূল পাঠিয়ে। রসূল ও তেমনি রহমত। কোরান ও মানবজাতীর জন্য রহমত।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক,

    কোরান সর্বশেষ গ্রন্থ এবং এর বিশুদ্ধতা হেফাজতের দায়িত্ব আল্লাহ নিজেই নিয়েছেন।

    আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলির হেফাজতের দায়িত্ব আল্লাহ নেন নি, আর নতুন করে একি কথা একের পর এক রাসুল পাঠিয়ে আল্লাহ বলেছেন, এইসব আজগবি কথা ছাড়া আর কি হতে পারে?


    তোমাদের দ্বীনকে পরিপুর্ন করে দিলাম। এটা বলতে আপনি কি বুঝেছেন? জানাবেন কি?

    আমি বুঝি , বিভিন্ন নিষিদ্ধ জিনিস আল্লাহ হালাল করেছেন যা আগে ছিল হারাম, বিভিন্ন নতুন বিষয় উল্লেখ করা যা আগের মানব সভ্যতার জন্যে প্রযোজ্য ছিল না বা আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলিতে উল্লেখ ছিল না , ভুলত্ক্রমে আগে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন দোষ ক্রটি ক্ষমা করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

    যেমনঃ
    তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে মৃত জীব, রক্ত, শুকরের মাংস, যেসব জন্তু আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গকৃত হয়, যা কন্ঠরোধে মারা যায়, যা আঘাত লেগে মারা যায়, যা উচ্চ স্থান থেকে পতনের ফলে মারা যা, যা শিং এর আঘাতে মারা যায় এবং যাকে হিংস্র জন্তু ভক্ষণ করেছে, কিন্তু যাকে তোমরা যবেহ করেছ। যে জন্তু যজ্ঞবেদীতে যবেহ করা হয় এবং যা ভাগ্য নির্ধারক শর দ্বারা বন্টন করা হয়। এসব গোনাহর কাজ। আজ কাফেররা তোমাদের দ্বীন থেকে নিরাশ হয়ে গেছে। অতএব তাদেরকে ভয় করো না বরং আমাকে ভয় কর। আজ আমি তোমাদের জন্যে তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্যে দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। অতএব যে ব্যাক্তি তীব্র ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে; কিন্তু কোন গোনাহর প্রতি প্রবণতা না থাকে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমাশীল। ৫;৩

    এবার বলেন , তোমাদের দ্বীনকে পরিপুর্ন করে দিলাম। এটা বলতে আপনি কি বুঝেছেন?

    আল্লাহ মানব জাতীর উপরে রহমত করেছেন , যূগে যূগে নবী রসূল পাঠিয়ে। রসূল ও তেমনি রহমত। কোরান ও মানবজাতীর জন্য রহমত।

    আল্লাহ কি আগের নবী গনদের ক্ষেত্রেও এই কথা বলেছিলেন যে, সবাই মানব জাতীর উপরে রহমত।তাহলে অন্যান্ন নবী দের সাথে পারথক্যটা কি?

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু,

    তাহলে অন্যান্ন নবী দের সাথে পারথক্যটা কি?

    কোনই পার্থক্য নেই।

    রসুল (মুহম্মদ ছঃ) বিশ্বাস করেন যাহা অবতীর্ণ হইয়াছে তাহার কাছে তাহার পালনকর্তার পক্ষ হইতে এবং মুমেনগণ সকলেই বিশ্বাস করে আল্লাহকে , তাহার ফেরেশতাদেরকে , তাহার গ্রন্থসমুহকে এবং তাহার রসুলগণকে। আমরা তাহার রসুলদের মধ্যে কোন তারতম্য করি না। তাহারা বলে , আমরা শুনলাম ও কবুল করলাম , হে আমাদের রব্ব আমাদেরকে ক্ষমা কর এবং তোমার কাছেই সবাইকে ফিরতে হবে। সুঃবাকারা,আঃ ২৮৫

    বলুন, আমি অন্যা্ন্য রসুলদের থেকে নতুন (আলাদা) কিছু নই। আমি জানিনা, আমার ও তোমাদের ভাগ্যে কি আছে । আমি শুধু তাহাই অনুসরন করি , যাহা আমার কাছে ওহী করা হয়। আমি স্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া আর কিছু নই। সুঃ আল আহক্বাফ (৪৬) আঃ ৯

  3. রসূলের ভুলের ২ টা আয়াত দিলাম। চাইলে আরো দিতে পারব , যদিও ১টি আয়াতই যথেষ্ঠ।

    “ স্মরণ কর, যাহার উপরে আল্লাহর অনুগ্রহ রহিয়াছে এবং তোমার ও অনুগ্রহ রহিয়াছে, তাহাকে বলিয়াছিলে : ‘তোমার পত্নীকে ত্যগ করিও না এবং আল্লাহকে ভয় কর’, এইভাবে তুমি গোপন করিতেছিলে তাহাই, যাহা আল্লাহ প্রকাশ করিতে চাহিয়াছেন। কারন তুমি মানুষকে করিতেছিলে ভয়, বস্তুত, তোমার আল্লাহকেই ভয় করা উচিৎ ছিল। পরে জায়েদ (মুহাম্মদের পালিত পুত্র) তাহার পত্নীকে ত্যগ করিলে তোমার সহিৎ তাহার বিবাহ দিলাম, যেন বিশ্বাসী মানুষের মনে কোন সংশয় না থাকে যে, পোষ্যপুত্রদের তালাকপ্রাপ্তা পত্নীকে বিবাহ করায় দোষ নেই। আল্লাহর আদেশ পালিত হইয়াছিল।”
    (সুরা ৩৩ আহযাব আয়াত ৩৭)

    “ সে (মুহাম্মদ) ভ্রুকুঞ্চিত করিল ও চলিয়া গেল, যখন তাহার কাছে অন্ধ মানুষটি আসিল। তুমি তো জানো না, হয়তো সে পাক হইবে অথবা তোমার ঊপদেশ নিবে এবং সেই উপদেশ হইতে সে উপকৃত হইবে। কিন্তু যে বিত্তবান, তাহার জন্য তুমি মনোযোগী। অথচ সে পাক হইবে কি না তাহা তোমার দায়িত্ব নয়। আর যে তোমার কাছে দৌড়ে আসে এবং সে ভীত, তার প্রতি তুমি উদাসীন। কখ্খনো নয়, নিশ্চয় ইহা স্মরণ করার জন্য, যাহার ইচ্ছা সে উহা গ্রহণ করুক।”
    (সুরা ৮০ আবাসা আয়াত ১২ )

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক, রসূলের ভুলের ২ টা আয়াত দিলাম। চাইলে আরো দিতে পারব , যদিও ১টি আয়াতই যথেষ্ঠ।

    কেন নয়, অবশ্যই চাই। আপনি আর কয়টা ভুলের কথা জানেন উল্লেখ করুন। আর এর বাহিরেও উপরে কিছু প্রশ্ন করেছি, দয়া করে তাও পরিস্কার করুন আলোচনা করে।ধন্যবাদ ।

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু, নিশ্চয় আমি আপনার প্রতি সত্য কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষের মধ্যে ফয়সালা করেন, যা আল্লাহ আপনাকে হৃদয়ঙ্গম করান। আপনি বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষ থেকে বিতর্ককারী হবেন না। এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু। যারা মনে বিশ্বাস ঘাতকতা পোষণ করে তাদের পক্ষ থেকে বিতর্ক করবেন না। আল্লাহ পছন্দ করেন না তাকে, যে বিশ্বাস ঘাতক পাপী হয়। ৪:১০৫-১০৭

    আরো দেয়া যাবে , তবে খুজতে সময় লাগবে।

  4. @জ্ঞান পিপাষু, আপনি একটি একটি করে প্রশ্ন করুন , তাহলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। আয়াত খুজে পেতে উত্তর দিতে কিছু দেরি হতে পারে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক, আপনি একটি একটি করে প্রশ্ন করুন , তাহলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে।

    ওকে ঠিক আছে। আমি একটি করে প্রশ্ন পরছি। :)

    প্রশ্ন ১) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কি আগের নবী গনদের উপর ফরজ ছিল, তারা কিভবে নামাজ পরতেন?

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু, আর আমি নির্দেশ পাঠালাম মূসা এবং তার ভাইয়ের প্রতি যে, তোমরা তোমাদের জাতির জন্য মিসরের মাটিতে বাস স্থান নির্ধারণ কর। আর তোমাদের ঘরগুলো বানাবে কেবলামুখী করে এবং নামায কায়েম কর আর যারা ঈমানদার তাদেরকে সুসংবাদ দান কর। ১০:৮৭

    হে আমাদের পালনকর্তা, আমি(ইব্রাহিম) নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের পালনকর্তা, যাতে তারা নামায কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।১৪:৩৭

    হে আমার পালনকর্তা, আমাকে(ইব্রাহিম) নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্যে থেকেও। হে আমাদের পালনকর্তা, এবং কবুল করুন আমাদের দোয়া। ১৪:৪০

    আমি তাঁদেরকে নেতা করলাম। তাঁরা আমার নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতেন। আমি তাঁদের প্রতি ওহী নাযিল করলাম সৎকর্ম করার, নামায কায়েম করার এবং যাকাত দান করার। তাঁরা আমার এবাদতে ব্যাপৃত ছিল। ২১:৭৩

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক,আমি কি জিজ্ঞাসা করলাম আর আপনি কি উত্তর দিলেন, আমিকি আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছি যে, তারা নামাজ পড়তো কিনা?

    আমি আমার প্রশ্নটি আবার করছি।
    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কি আগের নবী গনদের উপর ফরজ ছিল, তারা কিভবে নামাজ পরতেন?

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু, নামাজ যে ফরজ ছিল , এটাতো ঠিক। কয় ওয়াক্ত নামাজ , এটা নিয়ে বিভ্রান্তি এখনো আছে।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক,
    নামাজ যে ফরজ ছিল , এটাতো ঠিক। কয় ওয়াক্ত নামাজ , এটা নিয়ে বিভ্রান্তি এখনো আছে।

    আপনাকে প্রশ্নটা দু’বার করলাম। প্রথম উত্তর দিলেন খামখেয়ালি ভাবে। আর এখন উত্তর দিলেন অস্পষ্ট ভাবে।
    বলি আপনার ভয় কিসে। বলুন আগের নবী গনদের উপর নামাজ ফরজ ছিল, কিন্তু পাঁচ ওয়াক্ত ছিল না। যা রাসূলুল্লাহ সঃ এর উপর হয়েছে। এবং আল-কুরানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বর্ননা আছে, কিন্তু আগের ধর্ম গ্রন্থ গুলিতে কয় ওয়াক্ত ছিল তা উল্লেখ করুন?

    আর তারা কিভবে নামাজ পরতেন এটার উত্তর কবে দিবেন?

  5. ফারুক ভাই, আপনার এই পোষ্ট দেখে বাধ্য হলাম লগইন করতে। কারণ কথা নাই বলা নাই, আমার নাম নিয়ে পোষ্ট দিয়ে দিলেন। ইমেল তো দুই ব্যক্তির মধ্যে ব্যক্তিগত ভাবে হয়। সেই মেইলকে প্রকাশ্যে আনা কতটুকু যুক্তি সঙ্গত হয়েছে বলে আপনি মনে করেন?

    পাঠক, পাছে আপানারা আমাকে ভুল বুঝেন তাই এই কমেন্ট করতে হল। আমার দীর্ঘ ব্লগীয় জীবনের এই প্রান্তে এসে বুঝেছি যে, ধর্ম হলো কতিপয় বিশ্বাসের সমষ্টি তাই এখানে লজিক দেখানুর কোন লজিক নেই। কারণ সবই যার যার চোখে দুনিয়া দেখে থাকেন তাই ব্লগীয় আলোচনা শুধু সময়ের অপচয়।

    ফারুক ভাই মেইলটির উল্লেখ করেছেন, তাহল এই পিস ইন ইসলামের জন্মের ৭ দিন আগের। পিস ইনের জনম হয় ২২ শে আগষ্ট ২০০৯
    আর আমার এই মেইল উনার কাছে প্রেরিত হয়েছিল- ১৫ই আগষ্ট ২০০৯ এ। তাই এতদিন বাদে এই ব্লগে ইমেলটির জবাব পোষ্ট করায় আমি যারপর হতবাক হয়েছি।।

    আর ইমেলের প্রসঙ্গ ও হাদিশ নিয়ে ছিলনা, আমারব্লগের একটি পোষ্টে ছিল কোরানে বর্ণিত ইবলীসের কথা, সে জিন ছিল না ফেরেস্তা ছিল সেইটির ব্যখ্যা করে ঐ মেইলটি দেওয়া হয়েছিল।

    কাজেই এই মেইলের সাথে অনুজ ফাহাদের এই উক্তির আপনার ও মুনিম ভাইয়ের এই আলোচনার মধ্যে কিছু বলেছি বলে আমাকে ক্ষমা করবেন কোন যুগ সূত্র নেই। এবং এই পোষ্ট আমার নাম ও মেইল আমার অজান্তে ফারুক ভাই পোষ্ট করেছেন এবং তিনি কেন করেছন তা তিনিই জবাব দিবেন নিশ্চয়। আমি এত কথা বলছি, এর জন্য যে,পাছে আমার মানসিকতা নিয়ে কারো মনে যাতে সংশয় না আসে । সবাই ভাল থাকুন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @মুনিম,

    আমার দীর্ঘ ব্লগীয় জীবনের এই প্রান্তে এসে বুঝেছি যে, ধর্ম হলো কতিপয় বিশ্বাসের সমষ্টি তাই এখানে লজিক দেখানুর কোন লজিক নেই। কারণ সবই যার যার চোখে দুনিয়া দেখে থাকেন তাই ব্লগীয় আলোচনা শুধু সময়ের অপচয়।

    এ এক কঠিন বাস্তবতা। আমিও কিছুদিন থেকে আপনার মত উপলদ্ধি করিতেছি। ভাবতেছি নিজেকে গুটিয়ে নেব। কারন আমারও মনে হয়, ব্লগীয় আলোচনা শুধু সময়ের অপচয়।লাভ কম ক্ষতি বেশি।

    কাজেই এই মেইলের সাথে অনুজ ফাহাদের এই উক্তির আপনার ও মুনিম ভাইয়ের এই আলোচনার মধ্যে কিছু বলেছি বলে আমাকে ক্ষমা করবেন কোন যুগ সূত্র নেই।

    আমার উদ্দেশ্য কাউকে আঘাত করা নয়। এটা আপনাদের দু জনের ব্যক্তিগত ব্যপার। আমি শুধু এই পোষ্টে অন্য বিষয় নিয়ে আলচনা করতে ইচ্ছুক।তার পরেও ভুল হলে ক্ষমা করবেন। ধন্যবাদ। (F)

    ফারুক

    @জ্ঞান পিপাষু,

    এ এক কঠিন বাস্তবতা। আমিও কিছুদিন থেকে আপনার মত উপলদ্ধি করিতেছি। ভাবতেছি নিজেকে গুটিয়ে নেব। কারন আমারও মনে হয়, ব্লগীয় আলোচনা শুধু সময়ের অপচয়।লাভ কম ক্ষতি বেশি।

    মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয় , আড়ালে তার সূর্য হাসে..

    সত্য বড়ই কঠিন।

    জ্ঞান পিপাষু

    @ফারুক,

    মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয় , আড়ালে তার সূর্য হাসে..

    সত্য বড়ই কঠিন।

    মেঘ , সূর্য কোনটাই আমার দরকার নাই।আর ভয় করুম কারে?

    সত্য বড়ই কঠিন, তাতে কি?
    এই মানব জীবন যেখানে কূল হারা, সেখানে ভয় কিসের? :(

    ফারুক

    @মুনিম,আমার মনে হয় না এই পোস্টে আপনাকে ভুল বোঝার কোনো অবকাশ আছে। এমন কোনো তথ্য এই পোস্টে নেই যা আপনার বিপক্ষে যায় বরং আপনার মহানুভবতায় প্রকাশ পায় বলে আমার ধারনা। আমার সম্পর্কে এই ব্লগের অনেকেরি একটি মিশ্র ধারনা আছে বলে মনে হয়। অনেকদিন পরে আপনার কাছে লেখা এই জবাবটি পড়ে আমার মনে হোল , এটি যদি এই ব্লগের জন্য উম্মুক্ত করে দেই , তাহলে এই ব্লগের পাঠকরা আমার সম্পর্কে একটি সঠিক ধারনা পাবে। একারনেই এটি পোস্ট আকারে দেয়া।

    যাইহোক , আপনি যদি মনে করেন , কোনভাবে আপনার মানহানি হয়েছে , তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

  6. I think we all are need to pray for Mr.Faruq.Only ‘Dauya’ is not that much effective with that we also need to ‘Dua’ for him Because he is setting on a fire place and he has no sence about himself.May Allah help him to justify the truth.