লগইন রেজিস্ট্রেশন

কর্তৃপক্ষ সমীপে খোলা চিঠি –৪

লিখেছেন: ' ফারুক' @ শনিবার, জানুয়ারি ৯, ২০১০ (৭:০৭ পূর্বাহ্ণ)

কর্তৃপক্ষ সমীপে খোলা চিঠি – ৩ এর লেখক Areef হটাৎ হটাৎ করে উদয় হোন এবং পোস্ট লেখেন আমাকে ব্যান করার দাবী নিয়ে। ব্যান করার দাবী তিনি করতেই পারেন, এটা তার অধিকার। তবে তা নিশ্চয় মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে নয়।

২) আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক,
(৪) আমাদের নবীকে বিশ্বাস করা যাবে না,
(৫) কোরান শরীফে আমাদের নবীকে আনুসরন করতে বলা হয়নি বরং নিষেধ করা হয়েছে,
(৬) আমদের নবী রাসুল নন,
(৭) ফারুকের মতবাদ ছাড়া বাকি সকলেই ভুল পথে আছে।

আমি তাকে ও তাকে যারা সমর্থন করেন তাদেরকে চ্যালেন্জ করলাম , কোথায় ও কোন পোস্টে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছি বা লিখেছি তা দেখানোর জন্য। যদি তা না পারেন তাহলে আমার নামে গীবতের শাস্তি কি হবে? কতৃপক্ষ কি বলেন , দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১৩৬ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৭ টি মন্তব্য

  1. ২) আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক,

    এ ব্যপারে আমিও সাক্ষী। আমি নিজে আপনার এক পোষ্টে এটা পড়েছি। বাকী গুলোর কথা বলতে পারবোনা।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,উদ্ধৃতি দেন। মুখে বল্লেতো হবে না।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক,

    ঠিক আছে। আসলে এটা প্রমান করতে হলে আপনার পোষ্ট গুলো আবার পড়তে হবে। যাই হোক সময় পেলে লিংক দিয়ে দিবো। তবে আশা করি আপনি আবার আগে আগে মুছে দিবেননা।

    ফারুক

    @দ্য মুসলিম,ভয় পাইয়েন না। কোন কিছু মোছার অভ্যাস আমার নেই। আপমি নিজ নামেই পোস্টাই ও নিজের লেখার দায়িত্ব নেয়ার সৎ সাস আমার আছে।

    দ্য মুসলিম

    @ফারুক , ভালো লাগলো।

  2. ফারুকের লেখা “রসূলকে মান্য করা বা অনুসরন করা।(উৎসর্গ জ্ঞানপিপাসু)” – তেই সব পাবেন।

    ২) আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক,

    “রসূল মুহম্মদ যখন কোরানকে অনুসরন করতেন, তখন তার উম্মত হিসাবে আমাদেরও কোরানকেই অনুসরন করা উচিৎ। সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাদেরকে ও নবীকে একি সাথে উদ্দেশ্য করে বলেছেন : “এটি একটি গ্রন্থ, যা আপনার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, যাতে করে আপনি এর মাধ্যমে ভীতি-প্রদর্শন করেন। অতএব, এটি পৌছে দিতে আপনার মনে কোনরূপ সংকীর্ণতা থাকা উচিত নয়। আর এটিই বিশ্বাসীদের জন্যে উপদেশ। তোমরা সকলে অনুসরণ কর, যা তোমাদের প্রতি পালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য সাথীদের অনুসরণ করো না। আর তোমরা অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর। ৭:২-৩” “আল্লাহকে বাদে অন্য সাথীদের অনুসরন করো না”, অনেকেই এর অর্থ করেছেন এভাবে – কোরানকে বাদে অন্য কিছু অনুসরন করতে নিশেধ করা হয়েছে। আল্লাহকে অনুসরন করা সম্ভব একমাত্র কোরানকে অনুসরনের মাধ্যমে। আল্লাহর আদেশ নির্দেশ একমাত্র কোরানেই লিপিবদ্ধ আছে। কোরানের বাইরে অন্য কিছুকে অনুসরনের মানেই দাড়ায় , অন্য সাথীদের অনুসরন করা। কোরানের বাইরে অন্য কিছুকে অনুসরন করার মানেই দাড়ায় , সেই অন্য কিছুকে কোরানের সমকক্ষ করা , প্রকারান্তরে আল্লাহর সমকক্ষ করা , যা শির্ক। এটা আল্লাহ্র তরফ থেকে আদেশ এবং এনিয়ে বিতর্কের কোন অবকাশ নেই।”

    (৪) আমাদের নবীকে বিশ্বাস করা যাবে না
    মুসলমানদেকে মানুষ মুহম্মদকে নয় বরং আল্লাহ্র বানীকেই বিশ্বাস করতে বলা হয়েছে।”

    (৫) কোরান শরীফে আমাদের নবীকে আনুসরন করতে বলা হয়নি বরং নিষেধ করা হয়েছে
    আমরা মানুষ মুহম্মদকে অনুসরন করি না ; আমরা অনুসরন করি সেই আলো’কে , যা মুহম্মদের কাছে এসেছে। অর্থাৎ কোরানকে। কোরান নিজেই এ ব্যাপারে বলেছে : “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং সে নূরের অনুসরণ করেছে যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই নিজেদের উদ্দেশ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে।৭:১৫৭”
    লক্ষ্য করুন এই আয়াতে মুহম্মদকে অনুসরন করতে না বলে সেই নূরের অনুসরন করতে বলা হয়েছে , যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে। যদি আয়াতটি এমন হইত “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং তার অনুসরন করেছে” তাহলে কোরানকে অনুসরন না করে মুহম্মদকেই অনুসরন করতে হতো।”
    (৬) আমদের নবী রাসুল নন,
    কোরানের বানীকেও রসূল বলা হইয়াছে। যেকারনে রসূলকে মান্য করা বাধ্যতামূলক। রসূলের বাইরে ও মানুষ মুহম্মদের একটি জীবন আছে , সেই মানুষ মুহম্মদকেই নবী বলা হয়।”

    (৭) ফারুকের মতবাদ ছাড়া বাকি সকলেই ভুল পথে আছে
    বেশিরভাগ মুসলমান আজ কোরান ছাড়া বা কোরানের পাশাপাশি অন্য কিছু ও অনুসরন করে। তারাই সংখ্যায় ভারী। সংখ্যায় ভারী হলেই যে তারা সত্যপথে আছে এটা ভাবার কোন কারন নেই। কোরানের বানীই সত্য , বেশিরভাগ লোক কি বল্লো তাতে কিছুই যায় আসে না।”

    ফারুক আরও বলেছে ”দরুদ একটি বোধ হীন আবৃত্তি।“(দরুদ কি এবং কেনো?)

    ফারুক

    @Areef,
    ২)

    কোরানের বাইরে অন্য কিছুকে অনুসরন করার মানেই দাড়ায় , সেই অন্য কিছুকে কোরানের সমকক্ষ করা , প্রকারান্তরে আল্লাহর সমকক্ষ করা , যা শির্ক।

    এর ভিতরে আপনি কোথায় দেখলেন যে আমি বলেছি ,”আমাদের নবীকে অনুসরন করা শির্ক”?

    ৪)

    “মুসলমানদেকে মানুষ মুহম্মদকে নয় বরং আল্লাহ্র বানীকেই বিশ্বাস করতে বলা হয়েছে।”

    এখানে কোথায় বলা হয়েছে , “আমাদের নবীকে বিশ্বাস করা যাবে না” ?

    ৫)

    )“আমরা মানুষ মুহম্মদকে অনুসরন করি না ; আমরা অনুসরন করি সেই আলো’কে , যা মুহম্মদের কাছে এসেছে। অর্থাৎ কোরানকে। কোরান নিজেই এ ব্যাপারে বলেছে : “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং সে নূরের অনুসরণ করেছে যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই নিজেদের উদ্দেশ্য সফলতা অর্জন করতে পেরেছে।৭:১৫৭”
    লক্ষ্য করুন এই আয়াতে মুহম্মদকে অনুসরন করতে না বলে সেই নূরের অনুসরন করতে বলা হয়েছে , যা তার সাথে অবতীর্ণ করা হয়েছে। যদি আয়াতটি এমন হইত “সুতরাং যেসব লোক তাঁর উপর ঈমান এনেছে, তাঁর সাহচর্য অবলম্বন করেছে, তাঁকে সাহায্য করেছে এবং তার অনুসরন করেছে” তাহলে কোরানকে অনুসরন না করে মুহম্মদকেই অনুসরন করতে হতো।”

    এখানে কোথায় “কোরান শরীফে আমাদের নবীকে অনুসরন করতে বলা হয়নি বরং নিষেধ করা হয়েছে” কথাটি খুজে পেয়েছেন?

    ৬)

    )“কোরানের বানীকেও রসূল বলা হইয়াছে। যেকারনে রসূলকে মান্য করা বাধ্যতামূলক। রসূলের বাইরে ও মানুষ মুহম্মদের একটি জীবন আছে , সেই মানুষ মুহম্মদকেই নবী বলা হয়।”

    এর “মানে কি এই দাড়ায় ,”আমদের নবী রাসুল নন”?

    ৭)আমার মতবাদটা কি? এখানে কি কিছু বলা হয়েছে মতবাদের ব্যাপারে? “আর যদি আপনি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের কথা মেনে নেন, তবে তারা আপনাকে আল্লাহর পথ থেকে বিপথগামী করে দেবে। তারা শুধু অলীক কল্পনার অনুসরণ করে এবং সম্পূর্ণ অনুমান ভিত্তিক কথাবার্তা বলে থাকে।৬:১১৬” আয়াত টি কি ভুল?

    নুতন অভিযোগ – “ফারুক আরও বলেছে ”দরুদ একটি বোধ হীন আবৃত্তি।“(দরুদ কি এবং কেনো?)”
    এখন আপনিই বলুন কয়জন দরুদের মানে জেনে ও বুঝে আবৃত্তি করে? না বুঝে আবৃত্তি করলে তাকে কি বলে?

    আপনি প্রতিটি পয়েন্টেই আমার বক্তব্যকে পেচিয়েছেন এবং কোরানের আয়াতগুলোকে উপেক্ষা করেছেন বা অস্বীকার করেছেন। আমার প্রতিটি বাক্য কোরানের দলীলসহ বলা হয়েছে। মানা না মানা আপনার অভিরুচি।