<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: ভবিষ্যতের পথে</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/fuad/1627/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/1627/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: the muslim</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/1627/comment-page-1/#comment-1317</link>
		<dc:creator>the muslim</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1627#comment-1317</guid>
		<description>&lt;blockquote&gt;&lt;strong&gt;এই মহাবিশ্ব এ কেন বুদ্ধি (মানুষ) সৃষ্টি হবে এই স্বল্প সময়ের জন্য , কেন আদিল ভাই কিংবা ফুয়াদ হবে । তাই আমি মনে করি এখানে আল্লাহ সুবাহানাতালার হাত আছে ।&lt;/strong&gt;&lt;/blockquote&gt;

ভাই, পবিত্র কোরানের বিভিন্ন স্হানে মানুষ সৃষ্টির কারন সম্পর্কে পরিস্কার ভাবে বলা আছে। যেমনঃ


&lt;blockquote&gt;&quot;যিনি জীবন ও মৃত্যু সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য যে, তোমাদের মধ্যে কে কর্মে শ্রেষ্ঠ&quot;-- সুরা মুলক ২&lt;/blockquote&gt;

আমি শুধু একটি আয়াত উল্লেখ করলাম।মানুষ সৃষ্টির কারন অনুধাবন করার জন্য আমাদের বিজ্ঞান এর উপর ভরসা করার আগে কোরআন শরীফ এর উপর ভরসা করা উচিৎ । সৃষ্টি বা সৃষ্টি তত্ব বুঝার জন্য আমাদের বিজ্ঞানীদের উপর নির্ভর হওয়াটা &quot;তাকওয়া&quot; অবলম্বনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। 

জ্ঞান অর্জন করা খারাপ কিছু না। কিন্তু সবাই এর সঠিক ব্যবহার করতে পারবে না। যদি পারতো তাহলে প্রযুক্তি বাড়ার সাথে সাথে এত নাস্তিকের জন্ম হত না। 

ধন্যবাদ। অনেক কিছু শিখতে পারলাম আপনার কাছ থেকে। (F)</description>
		<content:encoded><![CDATA[<blockquote><p><strong>এই মহাবিশ্ব এ কেন বুদ্ধি (মানুষ) সৃষ্টি হবে এই স্বল্প সময়ের জন্য , কেন আদিল ভাই কিংবা ফুয়াদ হবে । তাই আমি মনে করি এখানে আল্লাহ সুবাহানাতালার হাত আছে ।</strong></p></blockquote>
<p>ভাই, পবিত্র কোরানের বিভিন্ন স্হানে মানুষ সৃষ্টির কারন সম্পর্কে পরিস্কার ভাবে বলা আছে। যেমনঃ</p>
<blockquote><p>&#8220;যিনি জীবন ও মৃত্যু সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য যে, তোমাদের মধ্যে কে কর্মে শ্রেষ্ঠ&#8221;&#8211; সুরা মুলক ২</p></blockquote>
<p>আমি শুধু একটি আয়াত উল্লেখ করলাম।মানুষ সৃষ্টির কারন অনুধাবন করার জন্য আমাদের বিজ্ঞান এর উপর ভরসা করার আগে কোরআন শরীফ এর উপর ভরসা করা উচিৎ । সৃষ্টি বা সৃষ্টি তত্ব বুঝার জন্য আমাদের বিজ্ঞানীদের উপর নির্ভর হওয়াটা &#8220;তাকওয়া&#8221; অবলম্বনের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। </p>
<p>জ্ঞান অর্জন করা খারাপ কিছু না। কিন্তু সবাই এর সঠিক ব্যবহার করতে পারবে না। যদি পারতো তাহলে প্রযুক্তি বাড়ার সাথে সাথে এত নাস্তিকের জন্ম হত না। </p>
<p>ধন্যবাদ। অনেক কিছু শিখতে পারলাম আপনার কাছ থেকে। <img src='http://www.peaceinislam.com/wp-content/plugins/smilies-themer/Yahoo/rose.png' alt='(F)' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: the muslim</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/1627/comment-page-1/#comment-1315</link>
		<dc:creator>the muslim</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1627#comment-1315</guid>
		<description>@বাংলা মৌলভী,
আপনাকে ধন্যবাদ মনের কথাটা বলে দেয়ার জন্য। আমাদেরকে কোরান ও সুন্নাহর আলোকে চিন্তা করা উচিৎ। যে জ্ঞান আমাদের কে স্রষ্টার কাছ থেকে দুরে সরিয়ে দেয় বা মনে বেপরওয়া ভাব সৃষ্টি করে, এই ধরনের জ্ঞান অর্জন করার ক্ষেত্রে সাবধাণতা অবলম্বন করা উচিৎ। আল্লাহ পাক আমাদের হেদায়াত করুন। (F)</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@বাংলা মৌলভী,<br />
আপনাকে ধন্যবাদ মনের কথাটা বলে দেয়ার জন্য। আমাদেরকে কোরান ও সুন্নাহর আলোকে চিন্তা করা উচিৎ। যে জ্ঞান আমাদের কে স্রষ্টার কাছ থেকে দুরে সরিয়ে দেয় বা মনে বেপরওয়া ভাব সৃষ্টি করে, এই ধরনের জ্ঞান অর্জন করার ক্ষেত্রে সাবধাণতা অবলম্বন করা উচিৎ। আল্লাহ পাক আমাদের হেদায়াত করুন। <img src='http://www.peaceinislam.com/wp-content/plugins/smilies-themer/Yahoo/rose.png' alt='(F)' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সাউন্ড অফ ইসলাম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/1627/comment-page-1/#comment-1283</link>
		<dc:creator>সাউন্ড অফ ইসলাম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1627#comment-1283</guid>
		<description>ধন্যবাদ, সুন্দর বিষয় উপস্থাপন করার জন্য।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>ধন্যবাদ, সুন্দর বিষয় উপস্থাপন করার জন্য।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: fuad</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/1627/comment-page-1/#comment-1281</link>
		<dc:creator>fuad</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1627#comment-1281</guid>
		<description>ধন্যবাদ । আমি আমার নিজের মত করে উপস্থাপন করেছি । কিন্তু আমরা তো পড়াশুনা বাদ দিয়ে দিয়েছি । তবে আপনাকে ধন্যবাদ ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>ধন্যবাদ । আমি আমার নিজের মত করে উপস্থাপন করেছি । কিন্তু আমরা তো পড়াশুনা বাদ দিয়ে দিয়েছি । তবে আপনাকে ধন্যবাদ ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: বাংলা মৌলভী</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/1627/comment-page-1/#comment-1276</link>
		<dc:creator>বাংলা মৌলভী</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1627#comment-1276</guid>
		<description>গবেষকরা ভেবে দেখেছেন যে এই দৃশ্য জগত্টা কোন না কোন ভাবে একটা আরেকটার উপর অধিনস্ত। আর গবেষক রা এও ভেবে দেখেছেন যে কোনো স্বত্বা যদি এই প্রভাবমুক্ত থাকে তবে তিনি সেই প্রভাবমুক্ত স্বত্বাই পারে জগত্কে সৃষ্টি-শাষন-পরিপালন-ধ্বংষ করতে। 
যেমন ইব্রাহীম আলাইহে ওয়াসাল্লামের কথা ভাবুন &quot; যখন রাত্র ঘনিয়ে এল এবং  তিনি তারকা রাজি দেখলেন বল্লেন এগুলো আমার রব, আর যখন তা হারিয়ে গেল তিনি বল্লেন আমি হারিয়ে যাওয়া স্বত্বাকে ভালবাসি না, আর যখন তিনি চন্দ্রকে দেখলেন তিনি বল্লেন এটা আমার রব, আর যখন তাও হারিয়ে গেল তিনি বল্লেন: যদি প্রতিপালক আমাকে হেদায়াত দান না করেন তবি আমি ভ্রান্তদের অন্তুর্ভুক্ত হব, আর যখন সূর্য্যকে দেখলেন বল্লেন এটা আমার রব, এটাই বড়, আর যখন তাও অস্তগেল তিনি বল্লেন হে আমার জাতি আমি তোমাদের শিরিককৃত প্রভুদের থেকে মুক্ত। সূরা আনআম ৭৪-৭৭
( না সূর্য্য প্রভু না চন্দ্র না অন্য কোন তারকা, আর ইব্রাহীম আ: এর জাতি এসব কে প্রভু বলে বিশ্বাস করতো যেমনটি এস্ট্রোলজির অনেক বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস যে অমুক গ্রহের বিকিরণ-ইত্যাদি ইত্যাদির কারণে এই এই প্রতিক্রিয়া হয় এবং এভাবে একটির সাথে একটির ঘর্ষণে পৃথীবির সৃস্টি কিংবা এভাবে এভাবে অমুক গ্রহের কারনে পৃথীবি ধ্বংস হয়ে যাবে, এসবই মুশরিক এহুদী নাসারাদের এস্ট্রোলজিক্যল গবেষণা । 
আল্লাহ ইব্রাহীম আ: এর তারকাবিজ্ঞানকে কোরানে ঈমানদারদের জন্য উপস্থাপন করেছেন, যে তিনি কিভাবে এসবের মাঝে আল্লাহকে খুজেঁ পেলেন। 
পোষ্ট টি মন্দ নয় তবে ইংরেজ এস্ট্রলজিকাল বিজ্ঞানের সাথে কোরানেও এর বিজ্ঞান ও বাস্তবতা নিয়ে কি বলছে তা পড়তে ও জানতে হবে । কারণ ওদের গবেষনা ও থিওরি রচনার পিছনে অনেক সূক্ষ কূটচাল আছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের লোকদের তারা এসব জগতের স্রষ্ঠা থেকে ভুলিয়ে এর সৃষ্টির পিছেপরার বুদ্ধি শিখায়। (Y)</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>গবেষকরা ভেবে দেখেছেন যে এই দৃশ্য জগত্টা কোন না কোন ভাবে একটা আরেকটার উপর অধিনস্ত। আর গবেষক রা এও ভেবে দেখেছেন যে কোনো স্বত্বা যদি এই প্রভাবমুক্ত থাকে তবে তিনি সেই প্রভাবমুক্ত স্বত্বাই পারে জগত্কে সৃষ্টি-শাষন-পরিপালন-ধ্বংষ করতে।<br />
যেমন ইব্রাহীম আলাইহে ওয়াসাল্লামের কথা ভাবুন &#8221; যখন রাত্র ঘনিয়ে এল এবং  তিনি তারকা রাজি দেখলেন বল্লেন এগুলো আমার রব, আর যখন তা হারিয়ে গেল তিনি বল্লেন আমি হারিয়ে যাওয়া স্বত্বাকে ভালবাসি না, আর যখন তিনি চন্দ্রকে দেখলেন তিনি বল্লেন এটা আমার রব, আর যখন তাও হারিয়ে গেল তিনি বল্লেন: যদি প্রতিপালক আমাকে হেদায়াত দান না করেন তবি আমি ভ্রান্তদের অন্তুর্ভুক্ত হব, আর যখন সূর্য্যকে দেখলেন বল্লেন এটা আমার রব, এটাই বড়, আর যখন তাও অস্তগেল তিনি বল্লেন হে আমার জাতি আমি তোমাদের শিরিককৃত প্রভুদের থেকে মুক্ত। সূরা আনআম ৭৪-৭৭<br />
( না সূর্য্য প্রভু না চন্দ্র না অন্য কোন তারকা, আর ইব্রাহীম আ: এর জাতি এসব কে প্রভু বলে বিশ্বাস করতো যেমনটি এস্ট্রোলজির অনেক বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস যে অমুক গ্রহের বিকিরণ-ইত্যাদি ইত্যাদির কারণে এই এই প্রতিক্রিয়া হয় এবং এভাবে একটির সাথে একটির ঘর্ষণে পৃথীবির সৃস্টি কিংবা এভাবে এভাবে অমুক গ্রহের কারনে পৃথীবি ধ্বংস হয়ে যাবে, এসবই মুশরিক এহুদী নাসারাদের এস্ট্রোলজিক্যল গবেষণা ।<br />
আল্লাহ ইব্রাহীম আ: এর তারকাবিজ্ঞানকে কোরানে ঈমানদারদের জন্য উপস্থাপন করেছেন, যে তিনি কিভাবে এসবের মাঝে আল্লাহকে খুজেঁ পেলেন।<br />
পোষ্ট টি মন্দ নয় তবে ইংরেজ এস্ট্রলজিকাল বিজ্ঞানের সাথে কোরানেও এর বিজ্ঞান ও বাস্তবতা নিয়ে কি বলছে তা পড়তে ও জানতে হবে । কারণ ওদের গবেষনা ও থিওরি রচনার পিছনে অনেক সূক্ষ কূটচাল আছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের লোকদের তারা এসব জগতের স্রষ্ঠা থেকে ভুলিয়ে এর সৃষ্টির পিছেপরার বুদ্ধি শিখায়। <img src='http://www.peaceinislam.com/wp-content/plugins/smilies-themer/Yahoo/thumbs_up.png' alt='(Y)' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
