<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: আমার ইমাম হুসাইন রঃ</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/fuad/3115/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/3115/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: শাহরিয়ার</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/fuad/3115/comment-page-1/#comment-2750</link>
		<dc:creator>শাহরিয়ার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=3115#comment-2750</guid>
		<description>ঈমাম হুসাইনের মৃত্যু সত্যই ঈসালমের জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। তবে একটা ব্যপারে একটু না বললে নয়, আর তা হলো- শোক প্রকাশ।
কেউ মার যাবার পর পুরুষদের জন্য একদিনও শোক প্রকাশ করার বিধান নাই। মহিলারা তাদের স্বামী মারা গেলে সর্বোচ্চ ৪০ দিন শোক পালন করতে পারবেন, তবে বুক চাপড়ানো এবং বিলাপ করা যাবে না। নিজ স্বামী বাদে অন্য কোন নিকটাত্মীয় মারা গেলে সর্বোচ্চ তিন দিন শোক পালন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও বিলাপ বা বুক চাপড়ানো যাবে না। এ শোক হলো নিরবে কাঁদা বা মন খারাপ করা।

ইদানীং দেখা যায় তাজীয়া মিছিল নিয়ে যেভাবে শীয়ারা শোক পালন করছেন তাহা নিঃসন্দেহে বিদ&#039;আত। এই দিনে রোযা রাখার নির্দেশ আছে। হাদীসে আছে যে ব্যক্তি মহররমের ৯ এবং ১০ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ দুইটা রোজা পালন করবে তার অতীতের এবং ভবিষ্যতের এক বছরের সকল ছোট্ট/ সাগীরা গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। রমযানের রোযা বাদে সর্বোচ্চ ফযিলতের দু&#039;ই টি রোযা আছে, ০১) আরাফাতের দিনের একটি রোযা এবং ০২) আশুরার রোযা।

রাস্তায় রাস্তায় তাজীয়া মিছিল নিয়ে এক শ্রেণীর লোক যেভাবে শোক প্রকাশ করে তা পথভ্রষ্টদের আমল।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>ঈমাম হুসাইনের মৃত্যু সত্যই ঈসালমের জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। তবে একটা ব্যপারে একটু না বললে নয়, আর তা হলো- শোক প্রকাশ।<br />
কেউ মার যাবার পর পুরুষদের জন্য একদিনও শোক প্রকাশ করার বিধান নাই। মহিলারা তাদের স্বামী মারা গেলে সর্বোচ্চ ৪০ দিন শোক পালন করতে পারবেন, তবে বুক চাপড়ানো এবং বিলাপ করা যাবে না। নিজ স্বামী বাদে অন্য কোন নিকটাত্মীয় মারা গেলে সর্বোচ্চ তিন দিন শোক পালন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও বিলাপ বা বুক চাপড়ানো যাবে না। এ শোক হলো নিরবে কাঁদা বা মন খারাপ করা।</p>
<p>ইদানীং দেখা যায় তাজীয়া মিছিল নিয়ে যেভাবে শীয়ারা শোক পালন করছেন তাহা নিঃসন্দেহে বিদ&#8217;আত। এই দিনে রোযা রাখার নির্দেশ আছে। হাদীসে আছে যে ব্যক্তি মহররমের ৯ এবং ১০ অথবা ১০ ও ১১ তারিখ দুইটা রোজা পালন করবে তার অতীতের এবং ভবিষ্যতের এক বছরের সকল ছোট্ট/ সাগীরা গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। রমযানের রোযা বাদে সর্বোচ্চ ফযিলতের দু&#8217;ই টি রোযা আছে, ০১) আরাফাতের দিনের একটি রোযা এবং ০২) আশুরার রোযা।</p>
<p>রাস্তায় রাস্তায় তাজীয়া মিছিল নিয়ে এক শ্রেণীর লোক যেভাবে শোক প্রকাশ করে তা পথভ্রষ্টদের আমল।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
