লগইন রেজিস্ট্রেশন

গসপল অব বারনাবাস (বারনাবাসের ইনঞ্জিল)

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ রবিবার, জানুয়ারি ৩১, ২০১০ (৭:৫৯ অপরাহ্ণ)

ইনজিল বিভিন্ন ব্যক্তি কর্তিক সম্পাদিত । যেমন ঃ মার্কের ইনজিল, জনের ইনজিল , ম্যথিঊয়ের ইনজিল , লুকের ইঞ্জিল । আরেকটি নুতুন ইঞ্জিলের কথা শুনুন , বারনাবাস বা বান্ডাবাসের ইঞ্জিল । কে ছিলেন বারনাবাস ? চলুন দেখে নেই ।
বান্ডাবাস ছিলেন প্রথম যুগের একজন ক্রিষ্টান, তিনি ঈহুদি বংশদ্ভুদ ছিলেন স্পেশালি লেভিট দলের ছিলেন । আপনারা হয়ত জানেন তখন ক্রিষ্টানিটি ঈ আসল মুসলিম ছিল আথবা, ইসলাম ছিল । যাইহোক, বান্ডাবাস প্রথম দিকের ক্রিষ্টান ধর্মের প্রচারক এবং শিক্ষক ছিলেন । বান্ডাবাস অন্যান্য প্রথম দিকের ক্রিস্টান ধর্ম প্রচারকদের মত তিনিও ইহুদি ছিলেন। তিনি ধর্ম প্রচারে নামেন এবং বহু মানুষকে ক্রিস্টান ধর্মের দিকে নিয়ে আসেন। তিনি জেরুজালেম কাঊন্সিলেও অংশগ্রহন করতেন। তার খালা বা ফুফু (আন্ট) বাইবেল লেখক জনের মাতা ছিলেন। তার কথা নিউস্টেইট মেন্টের বহু জায়গায় তাকে বর্নিত আছে। সিরিয়া এবং সালামি থেকে আগত কিছু ইহুদি তাকে পাথর ছুড়ে এবং ভয়ানক কষ্ট দিয়ে শহীদ করে। এভাবেই তার কাহীনি শেষ হয়ে যায়। কিন্তু সত্য যে বার বার উকি মারে। কন্সটেন্টিপালের(সালামি, সিয়াপ্রাস) আরচ্চ-বিশপ, বান্ডাবাস কে সপ্নে দেখেন 478 A.D. তে। তখন ঐ আর্চ-বিশপ একটি মন্দির খুজে পান ঐখানে তার মরা লাশের বুকের উপর আসল লিখিত বান্ডাবাসের গস্পল বা ইঞ্জিল পান।
যাইহোক,
বারনাবাসের ইঞ্জিল ৩২৫ C.E পর্যন্ত Churches of Alexandria এর কাছে গ্রহনযোগ্য ছিল ।
পলের সাথে তার মতামতের কিছু দন্দ ছিল, তাই প্‌ বারনাবাস আর পিটারকে সমালোচনা করেন । তা বুঝা যায় (Galatians 2:11-14) তে। ও বলতে ভুলে গেছিলাম গস্পল অব পিটার ও ছিল যা বহু বছর গায়েব ছিল, পরে তা আবিষ্কৃত হয় ১৮৮৬ সালে মিশরে ফ্রান্সের কিছু ব্যক্তির দ্বারা । ইরেনিয়াস(১৩০-২০০সালের) সত্যিকার একঈশ্বর বাদের পক্ষে গস্পল অব বারনাবাস কে ঊদৃত করেন যখন পোল রোমান ধর্ম আর প্লাটোর ফিলসফি ক্রিস্টান ধর্মের ভিতর ঢুকানো শুরু করেন । যাইহোক, ৩২৫ সালে Nicene Council সমাপ্ত হয়, এবং সকল আসল হিব্রু গস্পলের কপি ধংশের নির্দেশ দেওয়া হয়। ৩৮৪ সালে এক পোপ এক কপি গস্পল অফ বারনাবাস লিজের পাব্লিক লিব্রেরিতে রক্ষা করে রাখেন ।Emperor Zeno(478 C.E. ) তে ৪৭৮ দিকে গস্পল অব বারনাবাস পাওয়া যায় । তার পর বহু বৎসর পর গস্পল অব বারনাবাস পৃথিবীর মানুষের কাছে প্রকশিত হয় ১৭০০-১৮০০ সালের দিকে। তার ভিতর বিভিন্ন ভাষয় এটি অনুবাদিত হয় । বিশ্ববাসীর কাছে প্রকাশিত হওয়ার আগে সব কিছু গোপন ই ছিল । আসল ইঙ্গিল তো এখন আর পাওয়া যায় না, তাই এ সব গোপন ইঞ্জিল গুলো প্রকাশিত বাইবেল এর চেয়ে অধিক গ্রহন যোগ্য । কারন প্রকাশিত গোলোতে পরিবর্তন অনেক বেশিই হয়েছে।

কি আছে গস্পল অব বান্ডাবাসে ? গস্পল অফ বান্ডাবাসে আছে পরিষ্কার বলা আছে হযরত ঈসা আঃ আল্লাহর নবী, পুত্র নন । “Cursed be every one who shall insert into my sayings that I am the son of God” (53:6)
Jesus answered: “And you; what say you that I am?” Peter answered: “You are Christ, son of God”. Then was Jesus angry, and with anger rebuked him, saying: “Begone and depart from me, because you are the devil and seek to cause me offences” (70)
আরো আছে, সরাসরি রাসূল সঃ নাম উল্লেক সহ অনেক লাইন, যেমনঃ “Muhammed is his blessed name” ‘ (ch. 97)
তাছাড়া প্রকাশিত অন্যন্য গস্পল বা বাইবেল গুলোতেও রাসূল সঃ নাম পাওয়া যায় । যাইহোক, আমরা সবাই জানি যে, পরিবর্তন হলেও কিছু না কিছু সত্য থেকে যায় । আল্লাহ সুবাহানাতালা আমাদের ক্ষমা করুন ।

এমন ও নাকি আছে(রেফারেন্স হারিয়ে ফেলেছি, খুজলে বার করতে পারব ইনশি-আল্লাহ) হযরত আদম আঃ আকাশে তাকালেন, তিনি দেখলেন লেখা আছে, নাই কোন মাবূদ আল্লাহ ছাড়া,হযরত মুহাম্মদ সঃ আল্লাহর দূত( এম্বাসিডর) {আমার এক জার্মান ফ্রেন্ডের কাছ হতে পাওয়া এবং তার নিজের অনুবাদ, তাই কিছু ভুল থাকতে পারে, একই কারনে রেফারেন্স বলতে পারতেছি না, ভুলে গেছি চাপ্টার ৫৩ তে মনে হয় এই কথা আছে, আবার বলতেছি ভুলে গেছি, উপরের অংশ মূল্যহীন ধরতে পারেন, কারন সম্পূর্ন গস্পল আমি পড়িনি কিন্তু চাপ্টার ৫৩ পড়ে এখন তা পাই নি, এখন সময় নেই, পরে পেলে ইনশি-আল্লাহ জানাব}

কিছু চম্বুক অংশের মূল ভাব ঐখান থেকে
Opening- True Gospel of Jesus, called Christ, a new prophet sent by God to the world: according to the description of Barnabas his apostle.
Chapter 1 The angel Gabriel visits Virgin Mary concerning the birth of Jesus
Chapter 2 The warning of the angel Gabriel given to Joseph concerning the conception of the Virgin Mary.
Chapter 3 Wonderful birth of Jesus, and appearance of angels praising God.

সময় নিয়ে লিখতে হবে। তাই আমাকে আপাত মাফ করবেন।
রেফারেন্সঃ
http://en.wikipedia.org/wiki/Gospel_of_Barnabas
http://en.wikipedia.org/wiki/Barnabas
http://www.barnabas.net/barnabasP53.html
http://en.wikipedia.org/wiki/Gospel_of_Peter
আরো জানতে পড়ুনঃ
http://www.islamic-life.com/forums/christianity-judaism/gospel-barnabas-muhammad-judgement-day-1192
http://barnabas.net/how-the-gospel-of-barnabas-survived.htm

সম্পূর্ন গস্পল
http://www.answering-christianity.com/barnabas.htm

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৪৮৪ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৩ টি মন্তব্য

  1. পড়ে ভালো লাগলো। আর আমরা মুসলিমরাও প্রায় অনেকে ভাল করে যানি যে, এখনকার যে বাইবেল তা আমরা ইঞ্জিল বলে বলে মানি না বা আসল ইঞ্জিল নয়। এছাড়া দুনিয়াতে আরো অনেক আসমানি কিতাব আল্লাহ পাঠিয়েছিলেন কিন্তু তা আর এখন অবশিষ্ঠ নেই। যাই হোক, আপনাকে ধন্যবাদ আপনার লিখাটির জন্যে আর আপনাকে আরেকটি কথা বলি, খ্রীষ্টান্রা যদি এখনকার যে বাইবেল আছে অন্তত তাও মেনে চলে, তাহলেও আলহামদুলিহহাহ অনেক ভালো। বাইবেলের মধ্যে অনেক ভূল, অনেক অসংগতি ইত্যাদি লক্ষ করা যায়, তা বাদ দিয়ে যদি তারা মূল কথা গুলিও মানে, তাহলেও কেও প্রমান করতে পারবেনা যে যীশুখ্রীষ্ট ঈশ্বর (নাউযুবিল্লাহ)।
    তাই আল্লাহ বলেনঃ এসো সেই কথায় যা আমাদের মধ্যে অভিন্ন। ভালো থাকবেন। :)

  2. নিঃসন্দেহে জ্ঞানগর্ভ পোষ্ট। ধন্যবাদ।

  3. ধন্যবাদ এই লেখার জন্য । বর্তমানে এই “বারনাবাসের বাইবেল” বাংলায় অনুবাদ হয়েছে । আগ্রহী কেউ দেখে নিতে পারেন ।

    ওয়াস সালাম ।