লগইন রেজিস্ট্রেশন

যদি ভুল হয় যবেন কই? কিসাস, একটি মানুষের মৃত্যু।

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ শুক্রবার, মার্চ ১৯, ২০১০ (৫:২৩ পূর্বাহ্ণ)

একটি মানুষের মৃত্যু হলে বা অন্যায় ভাবে তাকে মারা হলে, আল্লাহ পাকের কাছে পুরো পৃথিবীটাই ধংস করা সহজ। এখন রজমের ব্যাপারে একটি ইমোশনাল পোষ্ট দেখা গেল। িমোশন দিয়ে দুনিয়া চলেনা। পোষ্টে রজমের ব্যাপারে কথা বলা হল।

১ আমরা যে হিসাব নিকাশ করি তা অত্যান্ত দুর্বল, আল কুরান থেকে আয়াত নেই রজমের ব্যাপারে।

২ বেশীর ভাগ হাদিস যা পাওয়া যায়, তা সূরা নুরের আবতরনের আগে। A narration attributed to Abu Ishaq Shaibani reports:
“ I asked ‘Abdullah b. Abu Aufi if Allah’s Messenger awarded (the punishment) of stoning (to death). He said: Yes. I said: After Sura al-Nur was revealed or before that? He said: I do not know । ^ Kitab Al-Hudud|Book 017, Number 4218

৩ আমি সাদাত ভাইয়ের সাথে কথা বলেছিলাম একটি পয়েন্টের ব্যাপারে, আবারো এটি তুলে ধরলাম, যারা মুসলিমদের ভিন্ন দল সম্পর্কে জানেন তারা বুঝবেন পয়েন্ট ফেলনা নয়।
{এখানে আম শিয়া জনতা বা বর্তমান শিয়াদের বলা হইতেছে না ইবনে সাবার দিকে লক্ষ্য করে বলা হইতেছে, এবং কিছু সংখ্যাক শিয়া দের দ্বাবী বলা হইতেছে যারা নিচের দ্বাবী গুলি করে]
শিয়া সুন্নি দন্দ, শিয়ারা সুন্নি ট্রেডিশনে বলা হয়ে থাকে, ইবনে সাবার সৃষ্ট। কিছু সুন্নিদের লেখায় শিয়াদের সম্পর্কে এই কথা ঊঠে আসে যে, শিয়ারা নাকি মনে করে আল কুরান ৯০ পারা ছিল, এর ৩০ পারা বাকি আছে, আর ৬০ পারা গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। এখন সোদি থেকে এক বাংজ্ঞালি কাছা কাছি প্রশ্ন করল এবং কুরানের এক আয়াত দিয়ে বলল তারা কি তা বিশ্বাস করে না, তারা উত্তর দিল, তারা আল-কুরান বিশ্বাস করে, এবং পালটা প্রশ্ন করল, যে কই পেয়েছ যে আমরা তা বিশ্বাস করি। তখন, সে উসুলে কুসুল (নাম ভুলে গেছি) শিয়াদের দ্বিতীয় প্রধান বইয়ের নাম নম্বর উল্লেখ করল। তারা পালটা উল্লেখ করল, তুমাদের বইয়ে এরূপ আছে। আপনি হযরত উমর ফারুক রাঃ কর্তৃক যে হাদিস দিয়ে ছিলেন, ঐ গুলি দিল। তারপর বলল, আমাদের গ্রন্থে একটু লেখা থাকলে তোমাদের গ্রন্থে দ্বী-গুন লেখা আছে। মানে রজমের ব্যাপারের হাদিস গুলি শিয়াদের বাচাতে এগিয়ে আসে। তারপর কঠিন পয়েন্ট হল, হযরত আয়াশা সিদ্দিকার নাম, শিয়ারা হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাঃ কে পছন্দ করে না। এবার নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন, রজমের আয়াত কার কাছ হতে পারালো ? ইতিহাস বা হাদিস ঐ গ্রন্থ বলে, হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাঃ কাছ হতে। প্রশ্ন করুন, কার নামে মিথ্যা অপবাদ উঠেছিল? উত্তর আসবে হযরত আয়েশা সিদ্দিকার রাঃ নামে। অতএব, বিষয় কি ক্লিয়ার ষড়যন্ত্র ?

উত্তরে সাদাত ভাই বললেনঃ সুন্নিদের মতে,
আল-কুরআনের ৩ ধরণের রহিত আয়াত রয়েছে:
এক.

যেসব আয়াতের হুকুম রহিত হয়েছে, কিন্তু তিলাওয়াত রহিত নাই।
কাজেই উক্ত আয়াত আল-কুরআনের অংশ কিন্তু আমলযোগ্য নয়:

মুমিনগণ, তোমরা রসূলের কাছে কানকথা বলতে চাইলে তৎপূর্বে সদকা প্রদান করবে। এটা তোমাদের জন্যে শ্রেয়ঃ ও পবিত্র হওয়ার ভাল উপায়। যদি তাতে সক্ষম না হও, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।[৫৮:১২]

এই আয়াতের ওপর শুধুমাত্র একজন সাহাবী(রা) আমল করতে পেরেছিলেন।

তারপর এই আয়াতের হুকুম রহিত হয়ে যায়:

তোমরা কি কানকথা বলার পূর্বে সদকা প্রদান করতে ভীত হয়ে গেলে? অতঃপর তোমরা যখন সদকা দিতে পারলে না এবং আল্লাহ তোমাদেরকে মাফ করে দিলেন তখন তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহ ও রসূলের আনুগত্য কর। আল্লাহ খবর রাখেন তোমরা যা কর। [৫৮:১৩]

দুই.
যেসব আয়াতের তিলাওয়াত রহিত হয়ে গেছে, কিন্তু হুকুম রহিত হয় নাই।
তিলাওয়াত রহিত হওয়ার কারণে উক্ত আয়াত আর আল-কুরআনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে না। কিন্তু হুকুম বলবৎ থাকবে:
যেমন:
রজমের আয়াত। যার তিলাওয়াত রহিত হবার কারণে, উহা আর আল-কুরআনের অংশ নয়। কিন্তু হুকুম বলবৎ আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং খুলাফায়ে রাশেদিন(রা.) হতে রজম প্রয়োগের অনেক প্রমাণ আছে।

তিন.
যেসব আয়াতের তিলাওয়াত রহিত হয়ে গেছে, হুকুম ও রহিত হয়ে গেছে।
কাজেই এসব আয়াত এখন আর আল-কুরআনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে না।

এতক্ষন যা বললাম তাই কিন্তু আমাদের এতদিনকার শিক্ষা। আজকাল ইসলামকে আধুনিক করতে নতুন নতুন থিওরি বের হচ্ছে। একটা কথা মনে রাখতে হবে। আল্লাহপাক আল-কুরআনকে সংরক্ষণ করবেন শুধু অক্ষরে নয় অর্থেও ব্যাখ্যাতেও। কাজেই হুকুম আহকাম বিষয়ক আল-কুরআনের প্রতিটি আয়াতের সঠিক অর্থ ও ব্যাখ্যা প্রত্যেক যুগে সংরক্ষিত থাকতে হবে। ১৪০০ বছর পর নতুন ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর অর্থ হবে এতদিন আল-কুরআন সংরক্ষিত ছিল না।

নিজে নিজে চিন্তা করলে তো হইলো না, আল্লাহ পাক অমুক আয়াত দিয়েছেন ঐ আয়াত এভাবে দিয়েছেন, ইত্যাদি বললেই হল না। প্রমান থাকতে হবে। সরাসরি প্রমান। সুন্নি মত কোন প্রমান নয়। সরাসরি হাদিস এবং আল কুরানেই প্রমান। অবশ-ঈ সরাসরি হতে হবে, কারন আল কুরানের সূরা আল ঈম্রানে আয়াত ৭ বা ৯ য়ে বলা আছে, রূপক আয়াত ব্যাপারে।
একটি মানুষকে মেরে ফেলার বিধান দিবেন আর আল কুরান থেকে ডাইরেক্ট প্রমান দিবেন না, তা কি করে হয়? এটা ছারা কাউকে মারা আইন কিভাবে হয়?

সুরা নিসা, আয়াত ১৬ ঃ “তোমাদের মধ্য হইতে যেই
দুইজন সেই কুকর্মে লিপ্ত হয়, তাহাদিগকে শাস্তি প্রদান কর। অতঃপর যদি উভয়ে তওবা
করে এবং নিজেদের সংশোধন করে, তবে তাহাদের হইতে হাত গুটাইয়া নাও।”

সুরা আন-নূর, আয়াত ২৬ ও ৩ ঃ “দুশ্চরিত্রা
নারীরা দুশ্চরিত্র পুরুষদের জন্য ও দুশ্চরিত্র পুরুষরা দুশ্চরিত্রা নারীদের জন্য …
ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী বা মুশরিকা নারীকেই বিবাহ করে এবং
ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী বা মুশরিক পুরুষই বিবাহ করে।”

নিজেরা ইচ্চা মত ব্যাক্ষা করবেন নাকি আল্লাহ পাকের কথা শুনবেন তা আমার জানা নেই। ভাগ্য ভাল আমি মুফতী নই। আমি বলব ব্যাপারটি আমি নিশ্চিত নই কিন্তু যারা সাপোর্টে আছেন, তাদের বলি যদি আপনারা ভুল করে থাকেন, তাহলে আপনারা যত ভাল মানুষ ই হন না কেন, যত আমলদার ঈ হন না কেন, আল্লাহ পাকের নিকট কিছু না, আল্লাহ পাকের এক বান্দাকে অন্যায় ভাবে তাও আবার অন্যায় বিচার করে, আল্লাহ পাকের নামে মেরে ফেলবেন, তা আল্লাহ পাক বসে বসে দেখবেন, তা কি করে ভাবলেন। মৃত্যু দন্ডের মত কঠিন বিষয় যা সর্বোচ্চ শাস্তির পর্যায়ে পরে তা আল কুরানে থাকবে না, তা বুঝতে পারতেছি না। এইখানে বড় ধরনের ভুল হইতেছে।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৪৪৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

১৯ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম ভাই,

    ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠিত, এইটা পরিবর্তন, পরিবর্ধন করার কোন এখতিয়ার আমাদের নেই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে আমাদের বলে গেছেন সেভাবেই করতে হবে। ইসলাম ইহুদী বা খ্রিস্টানদের ধর্মের মতো নয়, যারা প্রতিদিনই তাদের ধর্মে পরিবর্তন সাধন করে থাকে।

    “আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম আর ইসলামকে তোমাদের জীবন বিধান হিসেবে মনোনীত করলাম” (সূরা মায়িদাঃ৩)
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে ইসলামকে আল্লাহ তাআলা পরিপূর্ণ ঘোষণা করেছেন।

    রজমের বিধান পবিত্র কুরআনে রয়েছে এবং আল্লাহ তাআলা নিজে রজমের শাস্তি দিয়েছেন।
    কওমে লূত যে অবৈধ কার্যকলাপ করতো তার শাস্তি স্বরুপ আল্লাহ তাআলা তাদের পাথর নিক্ষেপ করে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।
    “তারপর আমি তাদের নগরগুলো উলটিয়ে দিলাম এবং ওদের উপর পাকানো মাটির পাথর বর্ষণ করলাম” (সূরা হিজরঃ ৭৪)

    আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন। বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট। (আল ইমরানঃ ১৬৪)

    কাজের কথা শিক্ষা দেন।
    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়ে দিয়েছেন কোন ক্ষেত্রে রজম করতে হবে।
    কেউ জিনা করলো আর তাকে ধরে নিয় রজম করে দিলাম ব্যাপারটা মোটেও এরকম নয়। রজমের কিছু শর্ত আছে সেগুলো পূরণ হলে তবেই কেবল রজম করতে হবে।
    প্রথম শর্তঃ বিবাহিত হয়ে যদি জিনা করে।
    দ্বিতীয় শর্তঃ চারজন মুমিন ব্যক্তির সাক্ষ্য লাগবে।
    তৃতীয় শর্তঃ যে জিনা করেছে সে যদি নিজেই স্বীকার করে নেয়।

    এখন কেউ জিনা করলো এরপর তওবা করলো এবং তার ব্যাপাড়ে কোন সাক্ষী পাওয়া গেল না বা সে নিজেও স্বীকার করলো না, তাহলে তার ব্যাপাড়ে আল্লাহ তাআলাই বিচার করবেন। কারণ,
    “আপনি আমার বান্দাদেরকে জানিয়ে দিন যে, আমি অত্যন্ত ক্ষমাশীল দয়ালু এবং ইহাও যে, আমার শাস্তিই যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।” (সূরা হিজরঃ ৪৯-৫০)

    ‘গামেদিয়া বলে হাদীসে উল্লেখিত জনৈকা সাহাবীয়া মহিলার দ্বারা ব্যাভিচারের কর্ম সংঘটিত হয়। এ বিষয়ে অন্য কারো খবর বা কল্পনাও ছিল না। কিন্তু তাঁর বিশ্বাস ছিল, আমার অপরাধ সম্পর্কে মহান আল্লাহ জ্ঞাত রয়েছেন, তাঁর আযাব দুনিয়ার যাবতীয় কষ্টের চেয়ে ভীষণ পীড়াদায়ক। তাই রাসূল ﷺ এর নিকট উপস্থিত হয়ে নিজের কৃত অপরাধ সবিস্তার বর্ণনাপূর্বক আবেদন করলেন: “যথাযোগ্য শাস্তি দিয়ে আমাকে পবিত্র করুন”। রাসূল ﷺ এটা তেমন গুরুত্ব না দেওয়ায় পুনরায় আরয করলেন: “হুযুর! আমার কথা কোন পাগলের প্রলাপ নয়। স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে আমি এ বক্তব্য রাখছি। আমাকে রজম করিয়ে দিন, যেন পরকালের আযাব থেকে নিস্তার পাই।” তিনি আরো বললেন: “অবৈধ মিলনের ফলে আমি অন্তঃসত্তা হয়েছি বলে আমার বিশ্বাস”। তার বিবরণ শুনে রাসূল ﷺ বললেন: “যদি তাই হয় তবে, এখন তোমার উপর হদ্দ জারি করা যাবে না। প্রসবের পরে আসবে”।

    প্রসবের পর সন্তান কোলে নিয়ে আল্লাহর সে বান্দাহ রাসূল ﷺ খিদমতে হাজির হয়ে আবেদন জানালেন, “হুজুর! আমি অমুক অপরাধিনী মহিলা। সন্তান প্রসব হয়ে গেছে, তাই শাস্তি দানে আমাকে নির্মল করুন”। রাসূল ﷺ বললেন: “বাচ্চা এখনো মায়ের দুধের উপর নির্ভরশীল। দুধ ছাড়িয়ে যখন রুটি খেতে শুরু করে তখন আসবে।” অতঃপর বাচ্চাটি রুটি খাওয়ার যোগ্য হওয়ার পর তার হাতে রুটির টুকরা নিয়ে রাসুল ﷺ এর নিকট হাজির হন। বাচ্চাটি তখন রুটি খাচ্ছিল। আবেদন করলেন: হুজুর! আমি সেই অপরাধিনী। আমার বাচ্চার এখন দুধের প্রয়োজন ফুরিয়েছে। দেখুন সে রুটি খাচ্ছে। এখন একে কারো হাতে সোপর্দ করে পরকালের আযাব থেকে আমার মুক্তির ব্যবস্থা করুন।”

    সুতরাং মহিলাটিকে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা হল। পাথর নিক্ষেপকারীগণের মধ্যে একজন বিরুপ মন্তব্য করেছিলেন। রাসূল ﷺ একথা জানতে পেরে উক্ত সাহাবীকে জিজ্ঞেস করলেন: “তুমি এরুপ করলে কেন? তুমি কি জান, সে এমন তওবাই করেছে যে, মদীনাবাসীদের সকলের মধ্যে তা বন্টন করে দিলে তাদের সবার নাজাতের জন্য যথেষ্ট।” আল্লাহু আকবর! পরকালের চিন্তার কি অপূর্ব নিদর্শন।
    তথ্যসূত্রঃ The Book Pertaining to Punishments Prescribed by Islam (Kitab Al-Hudud)
    Muslim :: Book 17 : Hadith 4205
    Muslim :: Book 17 : Hadith 4206
    Muslim :: Book 17 : Hadith 4207
    Abu Dawud 38:4426

    মহিলা সাহাবিটি আল্লাহর নিকট তওবাও করেছিলেন আবার আল্লাহর শাস্তির ভয়ে দুনিয়ার আল্লাহর বিধান মোতাবেক শাস্তি গ্রহণ করে ছিলেন। আর রাসূল ﷺ প্রথমে গুরুত্ব দেননি, কারণ, মহিলা সাহাবিটির ঘটনা কেউ জানতো না, সে আল্লাহর নিকট তওবা করে নিলেই পারতো। কিন্তু মহিলা সাহাবীটি আল্লাহকে এতই ভয় করতেন যে আল্লাহ তিনি আল্লাহর বিধান তার উপর বাস্তবায়ন করে নিয়েছিলেন।
    প্রকৃতপক্ষে যারাই আল্লাহকে যত বেশী ভয় করে তারাই আল্লাহ তাআলার বিধান তত বেশী মেনে চলে

    “আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি সত্যগ্রন্থ, যা পূর্ববতী গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী এবং সেগুলোর বিষয়বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। অতএব, আপনি তাদের পারস্পারিক ব্যাপারাদিতে আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং আপনার কাছে যে সৎপথ এসেছে, তা ছেড়ে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে তোমাদের সবাইকে এক উম্মত করে দিতেন, কিন্তু এরূপ করেননি-যাতে তোমাদেরকে যে ধর্ম দিয়েছেন, তাতে তোমাদের পরীক্ষা নেন। অতএব, দৌড়ে কল্যাণকর বিষয়াদি অর্জন কর। তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অতঃপর তিনি অবহিত করবেন সে বিষয়, যাতে তোমরা মতবিরোধ করতে।” (সূরা মায়িদাঃ ৪৮)

    ফুয়াদ

    @manwithamission,

    “তারপর আমি তাদের নগরগুলো উলটিয়ে দিলাম এবং ওদের উপর পাকানো মাটির পাথর বর্ষণ করলাম” (সূরা হিজরঃ ৭৪)

    এই আয়াতের সাহিত রজমকে মিলানো ঠিক হল না। এটা অন্যায় করেছেন, এভাবে হালকার উপর ঝাপ্সা কিছু দিয়ে মানুষকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া প্রুভ হয় না। এই আয়াতে আল্লাহ পাক যা বলেছেন, তা উনার শাস্তির কথা বলেছেন, তিনি তো নুহের কওকে পানিতে ডুবিয়ে মেরেছেন, ফেরাঊন কে পানিতে ডুবিয়ে মেরেছেন। এই ঘটনা গুলির সাহিত বাস্তব দুনিয়ার আইনের কোন মিল নেই। কেউ যদি দেখাতে চায়, তাহলে সে আল্লাহর নামে নিজের মতামত চাপিয়ে দিল, যা ভয়ংকর অন্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়।

    রাগ করবেন না প্লিজ। যে আয়াতে যা হয় না, তা প্রস্তাবনা হিসাবে থাকতে পারে কখন-ই আইনের ভিত্তি হতে পারে না। এটা আল্লহর আয়াতের অপ-প্রয়োগ। আপনি ভুল করেছেন তাই ধরিয়ে দিলাম, আমাকে ক্ষমা করবেন।

    দ্য মুসলিম

    @ফুয়াদ,

    ভাই, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি তাহলে কোরানের আইন না মেনে বিচার করে গেছেন? (নাউযুবিল্লাহ।) যেখানে রজমের দলিল হাদীস শরীফে উল্লেখ আছে, সেটা কিসের ভিত্তিতে উপেক্ষা করবেন?

    ফুয়াদ

    @দ্য মুসলিম,
    নাওযুবিল্লাহ, কি আজব কথা বার্তা বলেন, আপনাদের কে আমি ভাল মসুলমান ভেবেছিলাম, আর আপনি কি উপহার দিলেন। আমার কাছে ঐ হাদিস গুলি সত্য কিনা, তা নিয়ে সংদ্ধেহ লেগেছে। এটাই প্রকাশ করেছি। আর আপনি কি থেকে কই নিয়ে গেলেন। এটা কি ধরনের মসুলমানের কাজ।

    A narration attributed to Abu Ishaq Shaibani reports:
    “ I asked ‘Abdullah b. Abu Aufi if Allah’s Messenger awarded (the punishment) of stoning (to death). He said: Yes. I said: After Sura al-Nur was revealed or before that? He said: I do not know । ^ Kitab Al-Hudud|Book 017, Number 4218

    এই জিনিস্টি দেখেছেন। আমি রজম অস্বীকার করতেছি না, কিন্তু সুরা নূরের পরবর্তী হাদিস গুলি নিয়ে সত্যতা সম্পর্কে সংদ্ধেহ হচ্ছে, তাই শেয়ার করলাম, আর আপনি আমাকে রাসূল বিরুধী বানিয়ে দিলেন। কড়া কথা বলতাম না, যদি না আপনি আমাকে রাসূল বিরুধী বানানোর অপচেষ্টা না করতেন। এভাবেই মনে হয় আগের দিনের আলেম দের জেলে পুরা হইত, মাইর দেওয়া হইত। অপচেষ্টা ছাড়োন, এটা কোন ভাল লক্ষন নয়।

    আমাকে ক্ষমা করবেন, আর সমালোচনা প্রজিটিভলি নিবেন আশা করি।

    দ্য মুসলিম

    @ফুয়াদ,

    দুঃখিত। কমেন্ট করার সময় হাদীস বিরোধী বা এসবের বিন্দু-বিষর্গ ও আমার মনে ছিলো না। আমি শুধু আলোচনা করতে চেয়েছিলাম। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সরল সঠিক পথ প্রদর্শন করুন। আমিন।

    ফুয়াদ

    @দ্য মুসলিম,

    আমিও দুঃখিত, আশাকরি বুঝতে পেরেছেন। কমেন্ট করার সময় একটু দেখে কমেন্ট করলেই এরূপ হয় না। আপনাকে ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন। এটা সাম্পয়ীক পোষ্ট। এটা নয়ে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই, এটা মুফতীদের কাজ আমার না, আমি শুধু আলোচনার জন্যই লিখেছি। হয়ত পরে ডিলিট করে দিব, দরকার মনে করলে রাখব। ইনশা-আল্লাহ

    manwithamission

    @ফুয়াদ,

    ভাই ফুয়াদ, আমি মনগড়া কোন ব্যাখ্যা দেই না এবং আল্লাহর নিকট দোয়া করি তিনি যেন আমাকে মনগড়া, বিভ্রান্তমূলক কথা বলা থেকে হিফাজত করেন।
    এটা ইবনে আব্বাস (রা) এর একটি রেওয়ায়েত, এই ব্যাখ্যাটি উনার সূত্র থেকে এসেছে। ইবনে আব্বাস (রা) ছিলেন বিখ্যাত সাহাবী যিনি কুরআনের তাফসীর করতেন! আর অধিকাংশ সলফে সালেহীনদের মতামতও এটাই। এখন কেউ যদি সাহাবীদের চেয়ে বেশী জ্ঞানবান হয়, বেশী দ্বীনদার হয় তখন আমার আর কি করার আছে।

    তথ্যসূত্রঃ পড়ে দেখুন – শরীয়তী রাষ্ট্র ব্যবস্থা-ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ, পৃষ্ঠাঃ ১৫৪-১৫৫।

    ফুয়াদ

    @manwithamission,

    ঐ কথা যদি ইবনে আব্বাস যদি না বলে থাকেন। তখন কি হবে?

    আমি তফসিরুল মারিফাতুল আল কুরানে ওই বিষয়টি পড়েছি। ইবনে আব্বাস রাঃ তাফসির আমি অগ্রাধিকারে রাখতাম, কিন্তু আসল বিষয় হইতেছে, যেখানে রাসূল সঃ এর কথা ই জাল হয়েগেছে, (উদাহারনঃ বাস্তবের জাল হাদিস), সেখানে যে কোন সাহাবীর নামে জাল বক্তব্য দেওয়া আরো অনেক অনেক সহজ।মানে জাল হবার সম্ভাবনা আরো বেশী সম্ভাবনা। দেখুন, আগের মানুষকে, আল কুরান মুঘস্ত রাখতে হল, তারপর আবার হাদীস মুঘস্তরেখে , তাফসীর কতদূর মুঘস্ত রাখা সম্ভব, । তাফসীর টি কি হাদীসের মত সতর্কতার সাহিত ধরে রাখা হয়েছিল? যদি হয়ে থাকে, তা কি লেখার সময় হাদিসের মত পরিক্ষা করা হয়েছিল ?

    অনেক অনেক বিষয় আছে। বিষয় গুলি এত সহজ না। একটি জিনিস আমি জানি, রাসূল সঃ এর কোন হাদিস ই আল কুরানের সাথে সাংঘার্ষিক নয়, এতএব, হয় হাদীসটি আমি বুঝতেছিনা, না-হয় হাদিসটি সহী নয়।

    হাফিজ

    @ফুয়াদ,

    প্রথম প্রশ্ন যেটা দি মুসলিম করেছেন
    ১) ভাই, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি তাহলে কোরানের আইন না মেনে বিচার করে গেছেন? (নাউযুবিল্লাহ।)

    ২) আপনি বলেছেন , কোরআন হাদিসের নিজস্ব ব্যাখ্যা করবেন না । এখন আপনাকে প্রশ্ন আপনি যে পোস্ট দিয়েছে সেটা আপনার নিজস্ব ব্যাখ্যা । আপনি সাহাবী , তাবেয়ী অথবা অন্যান্য আলেমদের রেফারেন্স দিন তারা “রজম” বিষয়ে কি বলেছে ?

    ফুয়াদ

    @হাফিজ,

    আমি উপরের আল কুরানের কোন ব্যাক্ষাই করলাম না, আর আপনি মনগড়া ব্যাক্ষা কি বলতেছেন? আমি সূরা আল নূরের পর্বর্তী হাদীস নিয়ে প্রশ্ন শেয়ার করলাম মাত্র।

    আর ১ পয়েন্টে দ্যা মুসলিমকে যে উত্তর দিয়েছি তা আপনাকেও দিলাম, আশা করি রাগ করবেন না।
    @দ্য মুসলিম,
    নাওযুবিল্লাহ, কি আজব কথা বার্তা বলেন, আপনাদের কে আমি ভাল মসুলমান ভেবেছিলাম, আর আপনি কি উপহার দিলেন। আমার কাছে ঐ হাদিস গুলি সত্য কিনা, তা নিয়ে সংদ্ধেহ লেগেছে। এটাই প্রকাশ করেছি। আর আপনি কি থেকে কই নিয়ে গেলেন। এটা কি ধরনের মসুলমানের কাজ।

    A narration attributed to Abu Ishaq Shaibani reports:
    “ I asked ‘Abdullah b. Abu Aufi if Allah’s Messenger awarded (the punishment) of stoning (to death). He said: Yes. I said: After Sura al-Nur was revealed or before that? He said: I do not know । ^ Kitab Al-Hudud|Book 017, Number 4218

    এই জিনিস্টি দেখেছেন। আমি রজম অস্বীকার করতেছি না, কিন্তু সুরা নূরের পরবর্তী হাদিস গুলি নিয়ে সত্যতা সম্পর্কে সংদ্ধেহ হচ্ছে, তাই শেয়ার করলাম, আর আপনি আমাকে রাসূল বিরুধী বানিয়ে দিলেন। কড়া কথা বলতাম না, যদি না আপনি আমাকে রাসূল বিরুধী বানানোর অপচেষ্টা না করতেন। এভাবেই মনে হয় আগের দিনের আলেম দের জেলে পুরা হইত, মাইর দেওয়া হইত। অপচেষ্টা ছাড়োন, এটা কোন ভাল লক্ষন নয়।

    আমাকে ক্ষমা করবেন, আর সমালোচনা প্রজিটিভলি নিবেন আশা করি।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    রজম প্রয়োগের জন্য আরেকটি শর্ত আছে, আমি যতদুর জানি। তা হলো, সে দেশে ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠিত থাকতে হবে।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম, জ্বী সহমত । ইসলামি খেলাফত শর্ত ।

    manwithamission

    @দ্য মুসলিম, আসসালামু আলাইকুম ভাই, জ্বী আপনি ঠিক বলেছেন।

    হাফিজ

    @manwithamission, আপনি যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন , সেটা যথেষ্ট।

  2. A narration attributed to Abu Ishaq Shaibani reports:
    “ I asked ‘Abdullah b. Abu Aufi if Allah’s Messenger awarded (the punishment) of stoning (to death). He said: Yes. I said: After Sura al-Nur was revealed or before that? He said: I do not know । ^ Kitab Al-Hudud|Book 017, Number 4218
    এই জিনিস্টি দেখেছেন। আমি রজম অস্বীকার করতেছি না, কিন্তু সুরা নূরের পরবর্তী হাদিস গুলি নিয়ে সত্যতা সম্পর্কে সংদ্ধেহ হচ্ছে, তাই শেয়ার করলাম,

    সহীহ বুখারী Volume 8, Book 82, Number 816: লিংকঃ http://www.usc.edu/schools/college/crcc/engagement/resources/texts/muslim/hadith/bukhari/082.sbt.html#008.082.804

    Narrated Ibn ‘Abbas:
    ‘Umar said, “I am afraid that after a long time has passed, people may say, “We do not find the Verses of the Rajam (stoning to death) in the Holy Book,” and consequently they may go astray by leaving an obligation that Allah has revealed. Lo! I confirm that the penalty of Rajam be inflicted on him who commits illegal sexual intercourse, if he is already married and the crime is proved by witnesses or pregnancy or confession.” Sufyan added, “I have memorized this narration in this way.” ‘Umar added, “Surely Allah’s Apostle carried out the penalty of Rajam, and so did we after him.”

    এরপর আর কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকা উচিত নয়।

    হাফিজ

    @মালেক_০০১, সহমত ।

    শরীয়তের দলীল “হাদিস” শরীফও । তাই হাদিস শরীফ “রজম” সত্য প্রমান করার জন্য যথেষ্ট ।

    ফুয়াদ

    @মালেক_০০১,

    আমি এই বিষয় জানী বলেই শিয়াদের ব্যাপারে কিছু কথা উপরে উল্লেখ করেছি। একটু দেখে নেনে প্লিজ।

    সাদাত

    @ফুয়াদ,

    ধৈর্য ধারণ করুন,আপনার প্রত্যেক পয়েন্টের ওপর ইনশাআল্লাহ আলাদা পোস্ট দিচ্ছি।
    আপাতত:
    http://www.peaceinislam.com/bngsadat/5020/

    এই পোস্টটা দেখু্‌ন।

    মালেক_০০১

    @ফুয়াদ, আপনি বলেছেন যে, আপনি কোরআন ও সহীহ হাদিস মানতে চান। তাই আমি সহীহ হাদিসটি দিয়েছি। এখন আপনি যদি এটার সাথে শিয়াদের “৯০ পারা কোরআন শরিফের” হাদিস মিলিয়ে ফেলেন তাহলেতো হবে না। “৯০ পারা কোরআন শরিফ ছিল” এই হাদিসের সনদ গ্রহণযোগ্য নয় বলেইতো তা গ্রহণ করা হয়নি। আল-কোরআনে এখনও রহিত আয়াত রয়েছে, যেমনঃ ৪-১২ দ্বারা ২-২৪০ রহিত হয়ে গিয়েছে, অনুরূপভাবে ৪-১৪০ দ্বারা ৬-৬৯ রহিত হয়ে গিয়েছে। আর রহিতকরণের দলিল রয়েছে ২-১০৬ ও ১৬-১০১ আয়াতে। আমি কি ব্যাপারটা আপনাকে বোঝাতে পারলাম?