লগইন রেজিস্ট্রেশন

সৌদি আরবের আসলেই কি এই অবস্থা? এই পোষ্টটি পড়েন।

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৮, ২০১০ (৮:১৪ অপরাহ্ণ)

http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=6317&cpage=1 (আবুল কাশেম নামের ঐ ব্যাক্তির লেখা আমার নিকট কোন গ্রহন যোগ্যতা নেই, কিন্তু দেশে থাকতেও এরূপ শুনেছিলাম। মিথ্যা বলে তাদের উলটা সমালোচনা করেছি। কিন্তু বার বার, এসব কি দেখতেছি। আপনারা একটু আলোক পাত করুন।)

মুক্তমনা নামক নাস্তিকবাদী সাইটে এই লেখা দেখলাম। আর দেশে থাকতে এরূপ কিছু শুনেছিলাম। লেখার কমেন্ট সেকশন্টি একটু দেখবেন। আর যারা সৌদি থাকেন বা ছিলেন, তারা কি দয়াকরে কিছু জানাবেন?

আবুল কাশেম কমেন্ট সেকশনে যে ভয়ানক, কথা বলেছেন, তা এখানে তুলে ধরলাম। আপনারা কিছু জানলে বলেন প্লিজ।
:

আরবের সবার, নারী ও পুরুষ, তাদের আছে অদম্য যৌনক্ষুধা। এরা বোধ করি বিশ্বের সবচাইতে কামাতূর লোক। এটা আমার মনগড়া কথা নয়। নবীজির জীবনি রচয়িতা রডিন্সন সাহেব লিখেছেন যে যদি বিশ্বের সমস্ত যৌনক্ষুধা এক করা হত তবে তা থাকবে আরবদের দেহে।

আমি এতে অন্যায়ের কিংবা অনৈতিকতার কিছু দেখি না। যৌনক্ষুধা তো এক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। এই ক্ষুধাকে এড়ানো তো অসম্ভব।

এখন চিন্তা করুন এই অদম্য আদিম ক্ষুধাকে যখন শক্তিবলে বেঁধে রাখা হয়, তখন তা একটা আনবিক বোমার মতই সুপ্ত হয়ে থাকে। এটা যেন একটা বাঁধের মতই, ছাড়া পেলেই সর্বগ্রাসী বন্যায় পরিনত হবে।

সৌদি আরবের পুরুষেরা এই যৌন আনবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়, যখনই তারা বিদেশে যায়, বিশেষত্বঃ মিশর, বাংকক, ম্যানিলা, কোপেনহাগেন, মুম্বাই, আমস্টারডাম… আপনি যদি কোনদিন বাংকক-এর উঁচুদরের হোটেলের কোন বারে যান তবে দেখবেন এই সব আরবেরা কি করছে। দেখবেন তারা মদ্য পান করে যাচ্ছেতাই ব্যবহার করছে বারের কর্মী মেয়েদের উপর। প্রত্যেকের পাশে বসা থাকে থাই বেশ্যা। আর আরবেরা লোক চক্ষুর সম্মুখেই ঐ অসহায়া বেশ্যা নারীদের সাথে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ব্যাবহার করছে। লক্ষ্য করবেন যে ঐ আরবেরা ছাড়া অন্য সব খদ্দের মদ খাচ্ছে কিন্তু সভ্য ব্যবহার করছে।

হয়তো জিজ্ঞাসা করবেন আমি কি করছিলাম ঐ হোটেলের বারে। হাঁ আমিও ওখানে দুই পাত্র বিয়ার পান করেছিলাম। কিন্তু সুন্দরী থাই বেশ্যা ক্রয় করার মত সামর্থ্য আমার ছিলনা। তখন আমি ছাত্র ছিলাম। তাই দুই গ্লাস বিয়ার ছাড়া আমার পক্ষে ক্রয়সাধ্য কিছু ছিলনা। আরবদের ঐ বেলেল্লেপনা ব্যবহারে আমার লজ্জার অন্ত ছিলনা। কারণ আমার নামটা যে ছিল ইসলামী।

এখানে বলে রাখা ভাল যে শরীয়া আইন অনূযায়ী কাফের মেয়েদের সাথে অফুরন্ত যৌন সঙ্গমে কোন বাধা নেই ইসলামে—আর তা যদি হয় কাফেরদের দেশে তাতে কোন অসুবিধাই নেই।( পিয়র মিথ্যাচার)

কিন্তু দুঃখ হয় সৌদি আরবের যৌনক্ষুধিত মেয়েদের জন্যে। তাদের বিদেশে গিয়ে ঐ যৌন আনবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানোর কোন সুযোগই নেই। তাই এই অতিশয় যৌনক্ষুধার্ত আরব মেয়েদের বিকল্প পথ বেছে নিতে হয়—যা আমি আগেই লিখেছি।

আপনি কষ্ট করে খালীদের বর্ণনা পড়েছেন জেনে খুশী হলাম। ওলীদের সাথে আমার আরা যোগাযোগ নেই। তাকে ই-মেল দিয়েও উত্তর পাই নি। আমি জানিনা তার ভাগ্যে কি ঘটেছে। তবে আমার মনে আছে খালীদ আমাকে একবার লিখেছিল, সৌদি মেয়েদের যৌন ক্ষুধা এতই প্রবল যে অনেক মেয়েই লুকিয়ে মরভুমির বিশাল প্রান্তরে চলে যায়। সেখানে তাদের জন্যে অপেক্ষ করে তাদের বয়ফ্রেন্ড অথবা ভাড়া করা প্রেমিক।

এ ছাড়াও সৌদি নারীরা অনেকেই যৌন ক্ষুধা মিটায় তাদের পরিবারের মাঝেই। অর্থাত, ভাই, পিতা, চাচা, দাদা, নানা, কাজিন—-ইত্যদি। সংবাদপত্রে এবং কোন বইতে (খুব সম্ভবতঃ প্রিন্সেস) পড়েছিলাম সৌদি নারীরা গোপনে তাদের যৌন ক্ষুধা মিটাতে যা কিছু করতে প্রস্তুত—এমনকি মৃত্যু কে উপেক্ষা করেই। অস্ট্রেলিয়ার এক সংবাদপত্রে পড়েছিলাম যে আরব তথা ইসলামী সমাজে incest খুবই প্রকট। এই প্রসঙ্গে পাকিস্তানেরও উল্লেখ ছিল।

বি দ্রঃ আবুল কাশেম সাহেব একজন ভয়ানক ইসলাম বিদ্দেষী মানুষ। উনি যে অভিযোগ করেছেন তা দিলাম।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৯,০৮৪ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৩.৫০)

৬ টি মন্তব্য

  1. আসসালামু আলাইকুম,

    ইসলাম বিরোধীদের কাজই হচ্ছে কিছু ঘটনাকে এমন রং লাগিয়ে প্রচার করানো যাতে করে মুসলিমরা তাদের মুসলিম পরিচয় নিয়ে শংকিত হয়ে যায়! আমি উপরোক্ত ঘটনার একবিন্দুও বিশ্বাস করি না কারণ যে লিখেছে সে নিজে একজন মদপ্য আর সে সেটা নিজেই স্বীকার করেছে অর্থাৎ স্বঘোষিত ইসলাম ত্যাগী।
    প্রত্যেক সমাজেই কুলাঙ্গার থাকে, সৌদি আরবে যেমন ভাল মানুষ আছে তেমনি আবু জেহেল, আবু লাহাবদের বংশধরেরাও আছে যারা তাদের পূর্ব পুরুষদের স্বভাব বজায় রেখেছে। কিছু কুলাঙ্গারের জন্যে সবাইকে দোষী করা মোটেই উচিত না।
    আমি যখন সাধারণ সৌদিদের সাথে কথা বলি তখন ওরা বলে তোমরা নাকি সামান্য কাজ করে দেওয়ার জন্যে ঘুষ খাও! তোমাদের দেশ নাকি বিশ্বে সবচেয়ে দূর্নীতিগ্রস্থ জাতি? আমাদের দেশের সবাইকি ঘুষখোর? না, আল্লাহর ভালো বান্দাহরা এখনও এ জমিনে হেটে বেড়ায়।

    আনাস ইবনে মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ দাজ্জাল আসবে। অবশেষে মদীনার একপার্শ্বে অবতরণ করবে। (এ সময় মদীনা) তিনবার প্রকম্পিত হবে। তখন সকল কাফের ও মুনাফিক বের হয়ে তার কাছে চলে আসবে।
    (সহীহ আল বুখারী ফিতনা অধ্যায়)

    এ হাদীস থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় যে খোদ মদীনাতে কাফির ও মুনাফিক বিদ্যমান আর এরাই হচ্ছে কুলাঙ্গার – যতসব অপকর্ম করে বেড়ায়। কাজেই এরা যদি বাইরে যেয়ে জঘন্য অপকর্ম করে তাতে অবাক হওয়ার কি আছে?

    আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ ইসলাম শুরুতে অপরিচিত ছিল, অচিরেই তা আবার শুরুর মতো অপরিচিত হয়ে যাবে। সুতরাং এরুপ অপরিচিত অবস্থায়ও যারা ইসলামের উপর কায়েম থাকবে, তাদের জন্যে মুবারকবাদ। (সহীহ মুসলিম ঈমান অধ্যায়)

    ইবনে উমর (রা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি ইরশাদ করেনঃ অপরিচিতের বেশে ইসলামের শুরু হয়েছিল, অচিরেই তা আবার অপরিচেতের অবস্থায় ফিরে যাবে। সাপ যেমন সংকুচিত হয়ে তার গর্তে প্রবেশ করে তদ্রুপ ইসলামও দুই মসজিদের(মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববী) মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। (সহীহ মুসলিম, ঈমান অধ্যায়)

    আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ সাপ যেমন সঙ্কুচিত হয়ে আপন গর্তের দিকে প্রত্যাবর্তন করে তদ্রুপ ইসলামও সঙ্কুচিত হয়ে মদীনার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। (সহীহ মুসলিম, ঈমান অধ্যায়)

    এই হাদীসত্রয় থেকে প্রমাণ হয় যে মসজিদে নববী ও মসজিদে হারামে তথা মক্কা-মদীনায় সহীহ ইসলাম বিদ্যমান থাকবে। কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অপর একটি হাদীসে বলেছেনঃ জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, কিয়ামত পর্যন্ত আমার উম্মতের একদল হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে বাতিলের বিরুদ্ধে লড়তে থাকবে। (সহীহ মুসলিম ঈমান অধ্যায়)

    কাজেই সৌদি আরবে ভাল, হকের উপর প্রতিষ্ঠিত মুসলমান যেমন আছে তেমনি কাফির, মুনাফিকও আছে। তাই সংকিত হওয়ার কিছু নেই।

    ভাই, আল্লাহকে অবিশ্বাসীদের সাথে সময় কাটাবেন না, এরা আপনাকে কনফিউস্ড করে দিবে, আপনি ভাল বান্দাহদের সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে পড়বেন, ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আপনার মনে সন্দেহ ঢুকে যাবেন তাই খুবই সতর্ক থাকবেন। আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন, কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ’র চর্চা করুন এবং সাহাবীদের মতো করে ইসলামকে বুঝুন, ইনশাল্লাহ আল্লাহ তাআলা আপনাকে হিফাজত করবেন।

    ফুয়াদ

    @manwithamission,

    ধন্যবাদ উমর ভাই, আমিও এই রূপ মনে করতেছিলাম, আমাকে সব বিষয়ে আগে ভাল ধারনাই করি আলহামদুলিলাহ। আরেকটি বিষয় অভিজোগ শুনলাম, সৌদিতে নাকি, অনেক সৌদি মেয়ের বিবাহ হয় না, বয়স, দেনমূহর আর গোত্র প্রথার জন্য। তাদের নাকি কোন স্বাধিনতা নেই। অভিবাবকের গোলামের মত।

    আমি যা জানি তা হল, সৌদিরা চারটি পর্যন্ত বিবাহ করতে পারে। তাহলে, এরূপ হওয়া তো অসম্ভব। এ বিষয়ে আপনি কি বলেন?

    হাফিজ

    @manwithamission,

    ভাই, আল্লাহকে অবিশ্বাসীদের সাথে সময় কাটাবেন না, এরা আপনাকে কনফিউস্ড করে দিবে, আপনি ভাল বান্দাহদের সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে পড়বেন, ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আপনার মনে সন্দেহ ঢুকে যাবেন তাই খুবই সতর্ক থাকবেন। আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন, কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ’র চর্চা করুন এবং সাহাবীদের মতো করে ইসলামকে বুঝুন, ইনশাল্লাহ আল্লাহ তাআলা আপনাকে হিফাজত করবেন।

    সহমত ।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    প্রত্যেক সমাজেই কুলাঙ্গার থাকে, সৌদি আরবে যেমন ভাল মানুষ আছে তেমনি আবু জেহেল, আবু লাহাবদের বংশধরেরাও আছে যারা তাদের পূর্ব পুরুষদের স্বভাব বজায় রেখেছে। কিছু কুলাঙ্গারের জন্যে সবাইকে দোষী করা মোটেই উচিত না।
    সহমত!
    এ কথাটা এই ব্লগে সবার ক্ষেত্রে যদি এপ্লাই করা যেত আর আমরা সবাই যদি তা মেনে নিতে পারতাম তাহলে এত বাক-বিতন্ডা হতো না। কেউ আর না বুঝে ঢালাও ভাবে দেওবন্দী বা সালাফিদের দোষারোপ করতেন না। ঢালাওভাবে সবাইকে দোষারোপ করা আমার কাছে বড়ই অন্যায় মনে হয়।

    ফুয়াদ

    @দ্য মুসলিম,

    ঢালাওভাবে সবাইকে দোষারোপ করা আমার কাছে বড়ই অন্যায় মনে হয়।
    -আমার কথা ই বললেন। একমত।

    মধ্যমপন্থাই ভাল, কোন রূপ উগ্র পন্থা গ্রহন যোগ্য নয়।

  2. O ye who believe! If a wicked person comes to you with any news, ascertain the truth, lest ye harm people unwittingly, and afterwards become full of repentance for what ye have done. And know that among you is Allah’s Messenger: were he, in many matters, to follow your (wishes), ye would certainly fall into misfortune: But Allah has endeared the Faith to you, and has made it beautiful in your hearts, and He has made hateful to you Unbelief, wickedness, and rebellion: such indeed are those who walk in righteousness;- A Grace and Favour from Allah; and Allah is full of Knowledge and Wisdom. (Qur’an, 49:6-8)