লগইন রেজিস্ট্রেশন

বর্তমান বিশ্বের রাজনিতি বুঝার জন্য মাহতির মুহাম্মদের এর এই ভাষন পড়া জরুরি

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ মঙ্গলবার, মে ১১, ২০১০ (৫:৪১ পূর্বাহ্ণ)

ইংরেজি লিখাটি আমার কাছে আছে, কিন্তু ভাষনটির বাংলা অনুবাদ দেওয়া দরকার। তাই উভয়টিই দিলাম। ভাষনটির বাংলা অনুবাদ পেয়েছি দাদা তপন সাহেবের ব্লগে। এই তার লিংক ঃ http://necray.amarblog.com/posts/62004

আপনারা মানবাধিকার নিয়ে বেশ চিন্তিত। এটি খুবই ভাল লক্ষণ এবং আমরা যেহেতু একটি সভ্য সমাজের বাসিন্দা, আমাদের সবারই আমাদের দেশের ও পৃথিবীর মানবাধিকারের অবস্থা নিয়ে চিন্তা করা উচিৎ। কিন্তু মানবাধিকার তখনই তুলে ধরতে হবে যখন সেটি মানুষকে একটি সুন্দর জীবন লাভ করতে সাহায্য করবে। অল্প কয়েকজন মানুষের অধিকার লঙ্ঘন হয়েছে, এই সন্দেহে এক লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিলে তা স্ববিরোধিতা হবে। কিন্তু মানবাধিকার রক্ষক গোষ্ঠীর উন্মাদনায় মানুষ প্রাণ বাঁচানোর বদলে উল্টো প্রাণ হারাচ্ছে। আমার মনে হয় অনুপাত সম্পর্কে আমাদের ধারণা নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

সভ্যতার অগ্রগতির কারণে মানুষের পক্ষে এটি খুবই স্বাভাবিক আচরণ যে তারা স্রষ্টার সৃষ্ট নিম্ম শ্রেণীর প্রাণীদের থেকে নিজেদেরকে আলাদা করতে চাইবে, পাশবিক আকাঙখার কবল থেকে নিজেদেরকে মুক্ত রাখতে চাইবে। শক্তিমানের কাছে আত্মসমর্পন প্রাচীন সমাজ ও পশুদের জগতে খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু সমাজ যত এগুবে, তাদের চিন্তার ক্ষেত্র তত প্রসারিত হতে হবে, ভাল ও মন্দকে পৃথকীকরণের ক্ষমতা থাকতে হবে এবং আকাঙখার সাহায্য না নিয়ে বুদ্ধির সাহায্য নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার দিক দিয়ে আজকের দুনিয়া প্রাচীন সময় থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি। যেমন- আজকে যারা নিজেদেরকে সভ্য দাবি করে, তারা মনে করে যে তাদের উপর অন্যের অত্যাচার বর্ষন মহাপাপ কিন্তু অন্যের উপর তাদের জুলুম মানবিক দৃষ্টীভঙ্গি থেকে সঠিক। একারণেই তো আজকের দুনিয়ায় ইরাকে ১৭০০ মার্কিন সৈ্ন্য নিহত হলে মানুষ রাগে কাপতে থাকে কিন্তু তার চেয়ে শতগুণ সাধারণ ইরাকি একটি গনতান্ত্রিক দেশের গনতান্ত্রিক সরকারের অধীনে সামরিক আগ্রাসনের কবলে প্রাণ হারালে কেউ টু শব্দটিও করে না। একটি ইরাকির মৃত্যুরও ট্যালি রাখা হয় না কিন্তু প্রত্যেকটি মার্কিন সৈ্ন্যের মৃত্যু সারা বিশ্বের কাছে রিপোর্ট করা হয়। যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়ে কোন সৈ্ন্য বেঁচে ফিরে আসার বিশ্বাস দৃঢ়ভাবে পোষণ করতে পারে না। কিন্তু মার্কিন আগ্রাসনের কাছে যারা প্রাণ হারিয়েছে, তারা সাধারণ নাগরিক এবং সাদ্দাম হুসেইনের একনায়কতন্ত্রের অধীনে তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশী ছিল। আপনি এবং আমি ভাবলেশহীনভাবে খবরের কাগজে এইসব অভাগাদের পরিণতির খবর পড়ি। তাদের যে বেঁচে থাকার অধিকার, তাদের যে কোন রাষ্ট্রের সন্ত্রাসী কাজকর্মের হাত থেকে মুক্ত থাকার অধিকার, তাদের সেইসব অধিকার কেউ ভঙ্গ করলে আপনার-আমার কিছু যায় আসে না।

মিথ্যা কারণ দেখিয়ে ইরাক দখলের আগে দেশটিতে ঔষুধ ও খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে ৫ লাখ নবজাতককে খুন করা হয়েছিল। সাংবাদিকরা যখন তৎকালীন মার্কিন সচিব ম্যাদেলিন এলব্রাইটকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি বললেন যে সাদ্দামকে গদি থেকে সরানোর দাম খুব চড়া হলেও যথার্থ ছিল। যখন এসব ঘটনা ঘটছিল, তখন মানবাধিকার কর্মীরা কোথায় ছিল? তারা কি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কুকর্মগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরেছিল? তারা কি তাদের সরকারের প্রতিবাদ করেছিল? না। কারণ আর কিছুই না, তাদের শত্রুরাই তো মারা পড়ছিল। সেটা গ্রহনযোগ্য। কিন্তু তাদের কেউ কখনও মারা পড়তে পারবে না। তাদের কেউ মারা গেলে সেটি হবে সন্ত্রাস।
আচ্ছা, সন্ত্রাস মানে কি? যে কাজ মানুষের ভেতর ত্রাসের সৃষ্টি করে, তাই তো সন্ত্রাস তাই না? মানুষ কি বোমা খেয়ে মরতে ভয় পায় না? যারা সর্বক্ষন বোমাতঙ্কে ভোগে, তারা জানে যেকোন মুহুর্তে তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তাদের শরীর থেকে আলাদা হয়ে যাবে। কেউ হয়ত সাথে সাথেই মারা যাবে। কিন্তু অনেকের এই সৌভাগ্য হবে না। তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যে ছিড়ে যাচ্ছে, তা তারা অনুভব করবে, তাদের ছেড়া বুক থেকে যে তাদের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসছে, তাও তারা অনুভব করতে পারবে। তারা কাপতে কাপতে সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করবে, যা কখনওই আসবে না। এরপর আবার আরেকটি বোমা পড়বে এবং তারা একই দুঃস্বপ্নের ভেতর দিয়ে আবার যাত্রা করবে। যারা বেঁচে যাবে, তারা বুঝতে পারবে বোমারু উড়োযানগুলো আবার যখন ফিরে আসবে তখন তাদের কি হবে, আগামীকাল, পরশু, পরের হপ্তা কিংবা পরবর্তী মাসে। তারা জানবে যে তারাই হয়ত পরবর্তি ভুক্তভোগী হবে। হয় তারা জঘন্যভাবে মরবে নয় তারা আজীবন প্রতিবন্ধি হয়ে থাকবে। তারপরও বোমা হামলা চলতে থাকবে। গালফ্ যুদ্ধ ও ইরাক আগ্রাসনের মধ্যবর্তী ১০ বছর ইরাকিরা ভীত-সন্ত্রস্ত জীবনযাপন করেছে। তাদের উপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। তাদের কি কোন মানবাধিকার আছে? সারা বিশ্বের মানুষের কি এ নিয়ে কোন মাথাব্যাথা ছিল?

ব্রিটিশ ও আমেরিকান বৈমানিকরা তাদের আরামদায়ক, আধুনিক বিমানে চড়ে আসল, কয়েকটি বোতাম টিপে হাত-পা বাঁধা মানুষের উপর বোমা ফেলল, তারপর “মিশন একমপ্লিশদ্” ব্যানার নিয়ে মাতৃভূমিতে ফিরে গিয়ে মহোৎসবে মেতে ঊঠল। কারা সন্ত্রাসী? যারা বোমা খেয়েছিল না যারা বোমা খাইয়েছিল? কাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে? আমি এখানে এই বিষয় নিয়ে একারণে কথা বলছি যে মানবাধিকার সম্পর্কে দ্বিমুখী আদর্শ নেই, বহুমুখী আদর্শ আছে। আমাদেরকে অবশ্যই আমাদের দেশে সব বিদেশী কর্মকর্তা-কর্মী ও অভিবাসীদের আদর-যত্নে রাখতে হবে। সবাই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে কিনা, পর্যাপ্ত পরিমানে খাবার পাচ্ছে কিনা, বিনা বিচারে শাস্তি দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে কিনা এসব নিয়ে অবশ্যই আমাদের মাথা ঘামাতে হবে। কিন্তু যারা নিরীহ ইরাকি, আফগান, পানামানিয়ান, নিকারাগুয়ান, চিলিয়ান, ইকুয়েডরিয়ানদের রক্তে নিজেদের হাত জর্জরিত করেছে; যারা পানামা, চিলি, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্টদের হত্যা করেছে; যারা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে একজন নোরিয়েগাকে গ্রেপ্তার ও বিচার করার জন্য শত শত পানামানিয়ান মেরেছে এবং সেই দেশের আইন ফেলে নিজেদের আইনে প্রেসিডেন্টের বিচার করেছে- তাদের কি আমাদের দেশের মানবাধিকারের অবস্থা নিয়ে কথা বলার অধিকার আছে? তাদের কি প্রতি বছর সারা বিশ্বের দেশগুলোর মানবাধিকার লঙ্ঘন মূল্যায়ন করার অধিকার আছে? তাদের মিত্র দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে তারা কোন উচ্চবাচ্য করে না, উল্টো তাদেরকে মানবাধিকার লঙ্ঘনে সহায়তা করে। ইসরায়েলকে হেলিকপ্টার গানশিপ দেওয়া হয়, অস্ত্র দেওয়া হয়, বুলেট দেওয়া হয় তাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য যাদের আত্মঘাতি হামলা করা ছাড়া আর কোন পথ নেই। বর্মপরিহিত অবস্থায় ইসরায়েলি সেনারা রনতরী থেকে ফিলিস্তিনিদের ঘরের উপর বোমাবর্ষণ করে, বেচারাদেরকে ঘর থেকে বের হওয়ার সুযোগটিও দেয় না। ইসরায়েলের পারমানবিক বোমা আছে, তবুও তাদেরকে অন্য দেশের তথাকথিত পরমানু গবেষনাগার ধ্বংস করার জন্য যুদ্ধ-বিমান সরবরাহ করা হয়েছে। ব্রিটিশ-আমেরিকানদের মত ইসরায়েলিদের বোমা ফিলিস্তিনি, ইরাকি, ইরানি, সিরিয়ানদের ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে, তাদের একবারও মনে হয়নি যে তাদের শিকারেরও কিছু অধিকার আছে।

এরকম আরও কিছু সন্ত্রাসি রাষ্ট্র আছে যেগুলো তার নাগরিকদের নগন্যতম গনতান্ত্রিক অধিকারও দেয় না, তাদেরকে নির্বিচারে মারে ও জেলে পুরে। কিন্ত এসব রাষ্ট্র যদি সেইসব সুপার-পাওয়ারদের সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখতে না পারে, তখন সেইসব সুপার-পাওয়ার রাষ্ট্রের নেতৃবৃন্দ দাবি করেন যে পয়সা খরচ করে সেইসব স্বৈরাচারিদের উৎখাত করার অধিকার তাদের আছে, এনজিওদের টাকা দিয়ে সরকারকে গদি থেকে সরানোর অধিকার তাদের আছে। এরকম ক্ষেত্রে যেটি সবচেয়ে বেশী দেখা যায়- তারা ক্ষমতার জোর খাটিয়ে সেইসব প্রার্থীদেরকে নির্বাচনে জিতিয়ে দেয় যারা তাদের অনুগত বান্দা হিসেবে থাকতে রাজি হবে। এরকম “নির্বাচন” আমরা ইতিমধ্যেই দেখা শুরু করেছি।

একটা সময় ছিল যখন সব রাষ্ট্র শপথ করত তারা অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন বিষয়ে নাক গলাবে না। একারনে বহু স্বৈরাচারী সরকার আগাছার মত গজানো শুরু করে। ক্যামবডিয়া আর পল পটকে উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়। সেই পবিত্র রাষ্ট্রীয় শপথের কারণে ২০ লাখ ক্যামবোডিয়ান প্রাণ হারায়। অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার একটি ক্ষেত্র আছে। কিন্তু কে এই ক্ষেত্র নির্ধারণ করবে? এই অধিকার কি কোন বিশেষ সুপার-পাওয়ারকে দিতে হবে? যদি তাই হয়, তবে কি আমরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারব যে সেই দেশটি নিজের স্বার্থ না দেখে মানবাধিকারের স্বার্থে তার দায়িত্ব ঠিকমত পালন করবে?

মিডিয়া সাদ্দাম হুসেইনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং দেখিয়েছে যে তিনি মানুষের উপর জুলুম করতেন। কিন্তু সেটা ব্রিটেন-আমেরিকার কৈফিয়ত ছিল না। তারা দাবি করেছিল ইরাকের কাছে পুরো বিশ্ব ধ্বংস করার অস্ত্র আছে। তারা আরও আবিস্কার করেছিল যে সাদ্দাম হুসেইন নির্দেশ দিলে ৪৫ মিনিটের ব্যবধানে সেই বোমাগুলো ব্রিটেনে আঘাত হানত। আমরা জানি এগুলো সবই মিথ্যা। যেই সকল এজেন্সিকে সেইসব বোমা খুজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তারা কেউ কোন কিছু খুজে পায়নি। ব্রিটেন-আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থাগুলোই তো বলেছিল যে বিশ্বের কোন দেশকেই হুমকির মুখে ফেলার মত অস্ত্র ইরাকের কাছে নেই। এখন তো আর সাদ্দাম হুসেইন তাদের বাধা দিচ্ছে না, তারা সেই সব অস্ত্র খুজে বের করে বিশ্ববাসীকে দেখায় না কেন?

যাই হোক, আমেরিকা আর ব্রিটেন মনে করেছিল ইরাকে “গনতন্ত্র” প্রতিষ্ঠা করা তাদের পবিত্র দায়িত্ব। এর ফলে যত লোক প্রাণ দিয়েছে, সেই সংখ্যার কাছে সাদ্দামের খুনের সংখ্যা কিছুই না। আবু ঘ্রাইব, গুয়ানতানামো ও অন্য সব কারাগারে ইরাকিদের নির্যাতন করে তারা আন্তর্জাতিকভাবেভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার আইনগুলো ভেঙ্গেছে। সেই একই মানুষগুলো আবার নির্লজ্জের মত দাবি করে যে তারা ইরাকিদের মুক্তি দিয়েছে।
একারণেই আমাদের চিন্তা করা উচিত- অন্য দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কি এই সুপার-পাওয়ার দেশগুলোর আছে, বিশেষ করে সেই অভ্যন্তরীন বিষয় যখন মানবাধিকারের মত খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়? মালায়শিয়া তার সীমান্তের ভেতরে মানবাধিকার অবস্থা নিয়ে চিন্তিত। সুহাকাম চালু করার জন্য তার বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের কোন দরকার নেই(সুহাকাম একটি সংগঠন, যা দেশটির ভেতরে মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে- দাদা তপন)। মালায়শিয়ার মানুষ বেশ সুখেই আছে। তারা ইচ্ছেমত কাজ করছে, ব্যবসা করছে, পয়সা কামাচ্ছে। নিজ দেশের ভেতর ও বহির্বিশ্বে যাত্রা করার অধিকারও তাদের আছে। সরকারপক্ষীয় হোক, সরকারবিরোধি হক, তাদের রাজনৈতিক দল আছে যা তারা ইচ্ছেমত চালাতে পারে। মানুষের কাছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম(যা সরকারকে সমর্থন করছে) এবং বিদেশী সংবাদ মাধ্যম(যেগুলোর বেশীরভাগই সরকারের বিরোধীতা করছে)- দু’টোই উন্মুক্ত করা আছে। International Herald Tribune এবং Wall Street Journal এর মত পত্রিকা মালায়শিয়ায় মুদ্রণ করা হচ্ছে এবং মানুষের কাছে উন্মুক্তভাবে বিতরণ করা হচ্ছে। তাছাড়া মালায়শিয়ায় আছে সর্বশক্তিমান ইন্টারনেট, যেখানে হাজার চেষ্টা করেও মানহানিকর, কুরুচিপূর্ণ তথ্যপ্রবাহ থামানো যায় না।

মালায়শিয়ায় সময়মত নির্বাচন হয় এবং প্রত্যেকটি মানুষ সেই নির্বাচনে অংশগ্রহন করে। নির্বাচনগুলোর ফলাফলগুলো চিৎকার করে বলে যে সরকারকে অগনতান্ত্রিক পথ অবলম্বনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হলেও বিরোধী দলের প্রার্থীরা ঠিকই সংসদের বসার সুযোগ পায়। এমনও হয়েছে যে অনেক মূল্যবান সীট বিরোধী দলের কাছে চলে গিয়েছে। একটি নির্বাচনেও এমন কোন বিরোধী দলীয় প্রার্থী পাওয়া যায়নি যিনি নির্বাচনী বিধিমালার একটি আইনও লঙ্ঘন করেছেন। এতকিছুর পরও তারা বলে যে সুদীর্ঘ ২২ বছর আমি মালায়শিয়ার নেতৃত্ব দিয়েছিলাম, সেই সময়ে মালায়শিয়ায় স্বৈরশাসন চলছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বগ্রহন করার পর আমি যখন হাজত থেকে অনেক বন্দীদের মুক্তি দেই কিংবা আই.এস.এ. কে রয়েসয়ে ব্যবহার করি, তাহলে তাদের এই দাবি সমর্থিত হয় না যে আমি একজন স্বৈরশাসক ছিলাম আর আমি প্রায়ই মানবাধিকার লঙ্ঘন করতাম। আবার আই.এস.এ. কে ব্যবহার না করলে এবং বিনা বিচারে কাউকে হাজতে পাঠালেও তারা খুশি হয় না। একজন প্রাক্তন DPMকে যখন কাঠগরায় দাড় করানো হল এবং নয়জন উকিল তার পক্ষে লড়ার পরও যখন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযগ সত্য প্রমানিত হল, তখন তারা আদালতের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ আনল। আই.এস.এ. কে ব্যবহার করলে আপনি শেষ, না করলেও আপনি শেষ।

বিশ্বমানবতার এসব স্বনির্বাচিত প্রতিনিধিদের চোখে আপনি কখনওই ভাল হতে পারবেন না যতক্ষন না তারা আপনার উপর সন্তুষ্ট হতে পারবে। তারা যদি আপনাকে পছন্দ করে এবং আপনি যদি একজন অপরাধী হন, তবে আদালত আপনাকে বাঁচানোর জন্য যত হাস্যকর পন্থাই অবলম্বন করুক, তারা আদালতের রায়কে নিরপেক্ষ ঘোষণা করবে। তারা মনে করে মানবাধিকার আইন তৈরীতে একচ্ছত্র আধিপত্য করার অধিকার তাদের ঐশী প্রদত্ত অধিকার এবং বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন পর্যবেক্ষনের অধিকার একমাত্র তাদেরই আছে। আর এখন এই মানুষগুলোই এক উদ্ভট ধারণার জন্ম দিয়েছে- বিশ্বায়ন।

প্রথমই আমাদের প্রশ্ন করা উচিৎ- কে বিশ্বায়নকে ব্যাখ্যা করবে? এটা তো পরিস্কার যে দরিদ্র দেশগুলো এই ধারণার অবতারণা করতে পারেনি। ধনীরাই এই ধারণার জন্ম দিয়েছে এবং মনের মাধুরী সাজিয়ে একে ব্যাখ্যা করেছে।
বিশ্বায়িত দুনিয়াতে কোন সীমান্ত থাকবে না। কিন্তু বিশ্বের কোন দেশেই যদি সীমান্ত না থাকে, তবে মানুষ তো ইচ্ছেমত এক দেশ থেকে আরেক দেশে যেতে পারবে, তাদের কোন কাগজপত্র লাগবে না। দরিদ্র দেশের মানুষ ধনী দেশগুলোতে চলে যেতে পারবে, যেখানে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। কিন্তু আমাদেরকে পরিস্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিশ্বায়ন আমাদের দুঃখী ভাই-বোনদের জন্য না, বিশ্বায়ন হল মূলধন, মুদ্রা ব্যবসায়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, তথাকথিত মানবাধিকার-লঙ্ঘন ও গনতন্ত্রের অভাব দূরীকরনে ব্যস্ত এনজিওদের জন্য। দেখতেই পাচ্ছেন, প্রবাহটি একমুখী। শুধুমাত্র ধনীরাই মনের সুখে সীমান্ত পাড়ি দিতে পারবে। তাদের ব্যবসা সমৃদ্ধ হবে, কিন্তু অভুক্তরা অভুক্তই রয়ে যাবে। কিন্তু দরিদ্র দেশের মানুষ ধনী দেশে চাকরীর সন্ধানে যেতে পারবে না, দরিদ্র দেশের এনজিও ধনী দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন পর্যবেক্ষনের জন্য যেতে পারবেনা, তারা সেখানকার গনমাধ্যমের ব্যাপারে সচেতনতা গড়ে তুলতে পারবে না যা কিছু বিশেষ রাজনৈতিক দলের স্বার্থ রক্ষার্থে নিজেরাই নিজেদেরকে সেন্সর করে, তারা সেখানকার নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবেনা, যেগুলোর বেশীরভাগই পোষা আদালত দিয়ে বৈধ করা হয়। কালোরা সাদাদের দেশে যেতে পারবে না। তারা যদি সাদাদের দেশে পদার্পন করে, তাদেরকে হয় দেশ থেকে ভাগিয়ে দেওয়া হবে নয়ত তাদেরকে কাঁটাতার যুক্ত বেড়ার পেছনে থাকতে দেওয়া হবে। এগুলো খুবই গনতান্ত্রিক এবং মানবিক।

আমরা পেছনে তাকালে বিশ্বায়নের আসল চেহারা দেখতে পাব। এটি মোটেই নতুন কিছু না। বাণিজ্যের বিশ্বায়ন শুরু হয়েছিল যখন নৃতাত্ত্বিক ইউরোপীয়রা পূর্ব ও পশ্চিমে যাত্রার জন্য নৌপথ আবিস্কার করেছিল। তারা সশস্ত্র হয়ে ব্যবসা করতে গিয়ে তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সর্বহারা করে ছেড়েছিল। স্থানীয়রা যদি দুর্বল হত, তাহলে তাদেরকে দেখামাত্র গুলি করা হত এবং হয় তাদের ভূমি কেড়ে নিয়ে নতুন নতুন নৃ্তাত্ত্বিক ইউরোপীয় রাষ্ট্র গড়ে তোলা হত, নয়ত সেই জায়গাগুলোকে তাদের সাম্রাজ্যের অংশ করা হত। ইউরোপীয়দের জন্য এসব দেশে সূর্য কখনওই অস্ত যেত না। কিন্তু স্থানীয়দের জন্য সেই যে রাত শুরু হয়েছে, এখনও তারা সূর্যের মুখ দর্শন করতে পারেনি। আজকের দুনিয়ার মানচিত্র বিশ্বায়নের চিত্র তুলে ধরে, সেই ইউরোপীয়রা এভাবেই বিশ্বায়নের ব্যাখ্যা করেছিল। ইউরোপীয়রা নৌপথ আবিস্কার করার আগে ও তাদের বাণিজ্য শুরু করার আগে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, লাতিন আমেরিকা বলতে কিছু ছিল না। ইউরোপীয়দের আগে আরব, ভারতীয়, চৈনিক ও তুর্কি ব্যবসায়ীরা ছিল। এরা যখন নৌপথে ব্যবসা করত, তখন তো মারামারি-হানাহানি ছিল না। যেই মুহুর্তে ইউরোপীয়রা দেখা দিল, অমনি যুদ্ধ-বিগ্রহ, মানবাধিকার লঙ্ঘন, আগ্রাসন, গণহত্যা ও পরের ধনে পোদ্দারি শুরু হল। এগুলো হল ঐতিহাসিক সত্য। আজকে আবার বিশ্বায়ন শুরু করলে কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না?

আজকের দুনিয়ায় ২০% মানুষ বিশ্বের ৮০% সম্পদের মালিক। প্রায় ২ বিলিওন মানুষ প্রতিদিন এক মার্কিন ডলারের উপর বেঁচে থাকে। খাবার নেই, কাপর নেই, মাথার উপর ছাদ নেই। শীতকালে এদের মধ্যে অনেকেই মারা যাবে। আর সেখানে ধনী দেশের মানুষরা আমাদের দেশের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মাথার চুল ছিড়ছে। আমরা মানবাধিকার রক্ষায় সচেষ্ট থাকব, কিন্তু একই সাথে আমাদের মনে রাখতে হবে যে বিশ্বের রুই-কাতলারা আমাদেরকে লাইনচ্যুত করতে বদ্ধপরিকর, কারণ আমরা অতিরিক্ত স্বাধীন এবং এই গরিব অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আমাদের দেশটিই খুব সম্ভবত একমাত্র দেশ যেখানে মানুষের জীবনে সুখ আছে।
দরিদ্র আর পীড়িত মানুষের হিত কামনা করে বিশ্বায়ন প্রার্থনা করা চরম ভন্ডামি। মালায়শিয়ায় আমাদেরকে মাঝে মধ্যে যেসব পরিস্থিতির শিকার হতে হয়, তাদেরকে সেসব পরিস্থিতির সম্মুখীন করলে তাদের প্রতিক্রিয়া আমাদের চেয়ে অধিকতর মন্দ হবে। গুয়ানতানামোতে অনেক বন্দী আছে যাদের সাথে সন্ত্রাসবাদের কোন সম্পর্ক নেই। আবু ঘ্রাইব কারাগারে তো উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের নির্দেশ পর্যন্ত্য দিয়ে দিয়েছিলেন। বিশ্বমানবতার ধিক্কার বন্ধ করার জন্য যখন এসব সন্ত্রাসিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পালা আসল, তখন দেখা গেল হয় তারা নির্দোষ, নয়ত তারা হালকা শাস্তি পেয়ে পার পেয়ে গিয়েছে। তাদের নিজেদের আদালতে নিজেদের আইনে সেসব সন্ত্রাসীদের বিচার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের প্রতিনিধিদের আদালতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। যেসব দেশে অপরাধগুলো সংগঠিত হয়েছে, সেসব দেশের বিচার-ব্যবস্থাকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। পুরো বিষয়টিই লোক-দেখানো ছাড়া কিছুই না। আর এরাই কিনা বলে মালায়শিয়ার আদালতগুলোকে নিয়ন্ত্রন করা হয়, মালায়শিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয়। মালায়শিয়ার এনজিও ও মিডিয়াও এগুলো হা করে গিলে।

আমাদেরকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধের লড়তে হবে, মানবাধিকারের পক্ষে লড়তে হবে। কিন্তু আমরা অন্যদের অধিকার কেড়ে নিতে পারবনা, সংখ্যাগরিষ্ঠের অধিকার কেড়ে নিতে পারব না। মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে তাদেরকে মেরে তাদের দেশ দখল করতে পারব না। ইসলাম ও অন্য ধর্মের নামে অপকর্ম সাধন করা হয় বটে, কিন্তু গনতন্ত্র আর মানবাধিকারের দোহাই দিয়ে আরও নিকৃষ্ট কাজ করা হয়। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী পরিস্কার রাখতে হবে। দু’টো মিথ্যা মিলে একটি সত্য হয় না। শুধু ব্যক্তি বিশেষ আর সংখ্যালঘু না, পুরো সম্প্রদায়েরও কিছু অধিকার আছে। রাজনৈতিকভাবে আমরা স্বাধীন, কিন্তু অনেকের মন এখনও ঔপনিবেশিকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

ইংরেজীঃ he following is the text of a controversial speech by Mahathir Mohamad at
Suhakam’s Human Rights Conference on 09/09/2005, which led to the walkout of a
number of diplomats and made news all over the world.

By Mahathir Mohamad

16/09/2005 “ICH” — I would like to thank Suhakam for this honour to address
you on a subject that you have more knowledge and experience than I do.

You are concerned with human rights or hak asasi manusia. And it is only right
that as a civilised society and nation we should all be concerned with human
rights in our country and in fact in the world.

But human rights should be upheld because they can contribute to a better
quality of life. To kill 100,000 people because you suspect that the human
rights of a few have been denied seem to be a contradiction. Yet the fanaticism
of the champions of human rights have led to more people being deprived of
their rights and many their lives than the number saved. It seems to me that we
have lost our sense of proportion.

With civilisational advances it is only right that the human community try to
distinguish itself more and more from those of the other creatures created by
God which are unable to think, to reason and to overcome the influence of base
desires and feelings. Submission to the strong and the powerful was right in
the animal world and in primitive human societies. But the more advance the
society the greater should be the capacity to think, to recognise and evaluate
between right and wrong and to choose between these based on higher reasoning
power and not just base feelings and desires.

The world today is, in the sense of the ability to make right choices, still
very primitive. For example those who claim to be the most civilised still
believe that the misfortune which befall them as a result of the actions by
their enemies are wrong but the misfortune that they inflict on their enemies
are right. This is seen from the concern and anger over the death of 1,700 US
soldiers in Iraq but the death of a hundred times more of Iraqis as a result of
the military invasion and occupation of Iraq and the civil war precipitated by
the imposition of democratic elections are not even mentioned.

There is no tally of Iraqi deaths but every single death of a US soldier is
reported to the world. These are soldiers who must expect to be killed. But the
Iraqis who die because of US action or the civil war in Iraq that the US has
precipitated are innocent civilians who under the dictatorship of Saddam
Hussein would be alive.

You and I read reports of the death of Iraqis with equanimity as if it is right
and just. You and I do not react with anger and horror over this injustice,
this abuse of the rights of the Iraqis to live, to be free from terror
including state initiated terror.

Prior to the invasion of Iraq on false pretences, 500,000 infants died because
sanctions deprived them of medicine and food/ Asked by the press, Madelene
Albright, then US secretary of state, whether she thought the price was not too
high for stopping Saddam Hussein’s dictatorship, she said it was difficult but
the price (death of 500,000 children) was worth it.

At the time this was happening where were the people who are concerned with
human rights? Did they expose the abuses of Britain and America? Did they
protest against their own governments? No. It is because they, the enemy, are
killed. That is acceptable. But their own people must not be killed. To kill
them is to commit acts of terror.

Yet what is an act of terror. Isn’t it any act that terrifies people? Are not
the people terrified at the idea of being bombed and killed? Those who are to
be killed by exploding bombs know they would have their bodies torn from their
heads and limbs. Some will die instantly no doubt. But many would not. They
would feel their limbs being torn from their bodies, their guts spilled on the
ground through their torned abdomen. They would wait in terrible pain for help
that may not come. And they would again experience the terror, expecting the
next bomb or rocket. And those who survive would know the terror of what would,
what could happen to them personally when the bombers come again, tomorrow, the
day after, the week or month after.

They would know that they could be next to have their heads torn off from their
bodies, their limbs too. They would know that they would die violently or they
would survive in horrible pain, minus arms, minus legs, maimed forever. And yet
the bombings would go on. In Iraq for 10 years between the Gulf War and the
Iraq invasion, the people lived in terrible fear. They were terrorised. Have
they any rights? Did the people of the world care?

The British and American bomber pilots came, unopposed, safe and cosy in their
state-of-the-art aircrafts, pressing buttons to drop bombs, to kill and maim
real people who were their targets, just targets. And these murderers, for that
is what they are, would go back to celebrate ‘Mission accomplished’.

Who are the terrorists? The people below who were bombed or the bombers? Whose
rights have been snatched away?

I relate this because there are not just double standards where human rights
are concerned, there are multiple standards. Rightly we should be concerned
whether prisoners and detained foreign workers in this country are treated well
or not. We should be concerned whether everyone can exercise his right to vote
or not, whether the food given to detainees are wholesome or not, indeed
whether detention without trial is a violation of human rights or not.

But the people whose hands are soaked in the blood of the innocents, the blood
of the Iraqis, the Afghans, the Panamanians, the Nicaraguans, the Chileans, the
Ecuadorians; the people who assassinated the presidents of Panama, Chile,
Ecuador; the people who ignored international law and mounted military attacks,
invading and killing hundreds of Panamanian in order to arrest Noriega and to
try him not under Panamanian laws but under their own country’s law, have these
people a right to question human rights in our country, to make a list and
grade the human rights record of the countries of the world yearly, these
people with blood-soaked hands.

They have not questioned the blatant abuses of human rights in countries that
are friendly to them. In fact they provide the means for these countries to
indulge in human rights abuses.

Israel is provided with weapons, helicopter gunships, bullets coated with
depleted uranium to wage war against people whose only way to retaliate is by
committing suicide bombing. The Israeli soldiers were well-protected with body
armour, operated from armoured tanks and armoured bulldozers, to rocket and
bomb the Palestinian and demolish their houses while the occupants were still
inside.

Israel has nuclear weapons but it was provided with bombers to bomb so-called
nuclear research facilities in other countries. And as with American and
British actions, the Israeli bombs and rockets tore up the living Palestinians,
Iraqis and soon Syrians and Iranians, without the slightest consideration that
the people they killed have rights, have human rights to their lives, to
security and peace.

Then there are other friends of these terrorist nations who abuse the rights of
their own people, deny them even the simplest democratic rights, jailing and
executing their people without fair trial but are not criticised or condemned.

But when countries are not friendly with these great powers, their governments
claim they have a right to expend money to subvert the government, to support
the NGOs to overthrow the government, to ensure only candidates willing to
submit to them win. Already we are seeing elections in which candidates wanting
to stay independent being rejected while only those ready to submit to these
powers being allowed to contest and to win.

There was a time when nations pledged not to interfere in the internal affairs
of other countries. As a result many authoritarian regimes emerged which
committed terrible atrocities. Cambodia and Pol Pot is a case in mind. Because
of the principle of non-interference in the internal affairs of countries, two
million Cambodians died horrible deaths.

There is a case for interference. But who determines when there is a case? Is
this right to be given to a particular superpower? If so, can we be assured the
superpower would act in the best interest of the country concerned, in order to
uphold human rights.

Saddam Hussein was tried by the media and found guilty of oppressing his
people. But that was not the excuse for invading Iraq. The excuse was that Iraq
threatened the world with weapons of mass destruction (WMD). Specifically
Britain was supposed to be threatened with WMD capable of hitting it within 45
minutes of the order being given by Saddam.

As we all know it was a lie. Every agency tasked with verifying the accusation
that Saddam had weapons of mass destruction could not prove it. Even the
intelligence agencies of the US and Britain said that there was no weapon of
mass destruction that Saddam could threaten the US or Britain or the world
with. And today, after months of thorough search without Saddam and his people
getting in the way, no WMD has been found.

Yet the US and UK took it upon themselves to invade Iraq in order to remove an
allegedly authoritarian government. The result of the invasion is that many
more people have been killed and injured than Saddam was ever accused of. Worse
still, the powers which are supposed to save the Iraqi people have broken
international laws on human rights, by detaining Iraqis and others and
torturing them at Guantanamo, Abu Ghraib and elsewhere.

So can we accept that these big powers alone have a right to determine when to
interfere in the internal affairs of other countries to protect human rights?

Malaysia is concerned about human rights within its borders. It does not need
the interference of foreign powers before it sets up Suhakam, a body dedicated
to overseeing and ensuring that there are no abuses of human rights within its
borders.

People in Malaysia seem to be quite happy. They can work and do business and
make as much money as they like. There is no restriction on the freedom to move
about, to go abroad even.

They have political parties that they are free to join, whether these are
pro-government or anti-government. They can read newspapers, which support or
oppose the government. While the local electronic media is supportive of the
government, no one is prevented from watching or listening to foreign
broadcasts which are mostly critical of the government.

Foreign newspapers and magazines are freely available. In fact many foreign
papers, like the International Herald Tribune and Asian Wall Street Journal are
printed in Malaysia and are freely available to Malaysians. Then there is the
Internet which no one seems able to stop even if libelous lies are screened.

Periodically, without fail there would be elections in Malaysia. Anyone and
everyone can participate in these elections. The campaigns by both sides are
vigorous and hard-hitting. And the results show quite clearly that despite
accusations against the government of undemocratic practices, many opposition
candidates would win. In fact several states were lost to the opposition
parties. Not one of the winning opposition candidates has been charged in court
and found guilty of some minor breaches of the election procedure and prevented
from taking his seat in Parliament as happens in a certain country.

But all these notwithstanding, Malaysia is accused of having a totalitarian
government during the 22 years of my premiership. That I had released detainees
on assumption of office as prime minister and I had used the ISA sparingly does
not mitigate against the accusation that I was a dictator, an abuser of human
rights.

And not using the ISA, not detaining a person without trial would not help
either. And so when a former DPM was charged in court, defended by nine lawyers
and found guilty through due process, all that was said was that there was a
conspiracy, the court was influenced and manipulated and the trial was a sham.
So you are damned if you use the ISA, and you are damned if you don’t use the
ISA.

In the eyes of these self-appointed judges of human behaviour worldwide, you
can never be right no matter what you do, if they do not like you. If they like
you, a court decision in your favour, even on laughable grounds, would be right.

Those are the people who now seem to appropriate to themselves the right to lay
down the ground rules for human rights and who have appointed themselves as the
overseers of human rights credentials of the world.

And now these same people have come up with what they call globalisation. In
the first place who has the right to propose and interpret globalisation? It is
certain that globalisation was not conceived by the poor countries. It was
conceived, interpreted and initiated by the rich.

The globalised world is to be without borders. But if countries have no borders
surely the first thing that should happen is that people would be able to move
from one country to another without any conditions, without papers and
passports. The poor people in the poor countries should be able to migrate to
the rich countries where there are jobs and opportunities.

But it has been made clear that globalisation, borderlessness are not for
people but for capital, for currency traders, for corporations, for banks, for
NGOs concerned over so-called human rights abuses, over lack of democracy, etc.
The flow is, as you can see, only in one direction. The border crossing will be
done by the rich so as to be able to benefit their business, banks, currency
traders, their NGOs, for human rights and for democracy.

There will be no flows in the opposite direction, from the poor countries to
the rich, the flow of poor people in search of jobs, the NGOs concerned with
human rights abuses in the rich and powerful countries where the media
self-censors to promote certain parties, where dubious voting results are
validated by tame courts. There will be no flow of coloured people to white
countries. If they succeed they would be apprehended and sent to isolated
islands in the middle of the ocean or if they manage to land, they would be
accommodated behind razor-wire fence. It is all very democratic and caring for
the rights of man.

If we care to look back, we will recognise globalisation for what it is. It is
really not a new idea at all. Globalisation of trade took place when the ethnic
Europeans found the sea passages to the West and to the East. They wanted
trade, but they came in armed merchantmen with guns and invaded, conquered and
colonised their trading partners.

If the indigenous people were weak, they would just be liquidated, shot on
sight, their land taken and new ethnic European countries set up. Otherwise
they would be made a part of empires where the sun never sets, their resources
exploited and their people treated with disdain.

The map of the world today shows the effect of globalisation, as interpreted by
the ethnic Europeans in history. There was no US, Canada, Australia, Latin
America, New Zealand until the Europeans discovered the sea passages and
started global trade.

Before the Europeans, there were Arab, Indian, Chinese and Turkic traders.
There was no conquest or colonisation when these people sailed the seas to
trade. Only when the Europeans carried out world trade were countries invaded,
human rights abused, genocide committed, empires built and new ethnic European
nations created on land belonging to others.

These are historical facts. Would today’s globalisation not result in weak
countries being colonised again, new empires created, and the world totally
hegemonised. Would today’s globalisation not result in human rights abuses?

In today’s world 20 percent of the people own 80 percent of the wealth. Almost
two billion people live on one US dollar a day. They don’t have enough food or
clothing or a proper roof over their heads. In winter, many of these people
would freeze to death. The people of the powerful countries are concerned about
our abuses of human rights.

But shouldn’t we be concerned over the uneven distribution of wealth which
deprived two billion people of their rights to a decent living, deprived by the
avarice of those people who seem so concerned about us and the unintended
occasional lapses that has resulted in abuse of human rights in our country.

We should condemn human rights abuses in our country but we must be wary of the
people who want to destabilise us because we are too independent and we have
largely succeeded in giving our people a good life, and despite all the
criticism, we are more democratic than most of the friends of the powerful
nations of the world.

The globalisation of concern for the poor and the oppressed is sheer hypocrisy.
If these people who appears to be concerned are faced with the situation that
we in Malaysia have to face sometimes, their reactions and responses are much
worse than us. At Guantanamo detention camp the detainees, some of whom are not
even remotely connected with terrorism, are tortured and humiliated. At Abu
Ghraib, the most senior officers actually sanctioned the inhuman treatment of
the detainees.

When forced by world opinion to take action against those responsible for these
reprehensible acts, the culprits were either found not guilty or given light
sentences. They were tried by their own courts under their own laws. Their
victims were not represented. The countries where the crimes were committed
were denied jurisdiction. Altogether the whole process was so much eyewash. Yet
these are the countries and the people who claim that Malaysian courts are
manipulated by the government, that abuses of rights are rampant in Malaysia.
And Malaysian NGOs, media and others lapped it up.

We must fight against abuses of human rights. We must fight for human rights.
But we must not take away the rights of others, the rights of the majority. We
must not kill them, invade and destroy their countries in the name of human
rights. Just as many wrong things are done in the name of Islam and also other
religions, worse things are being done in the name of democracy and human
rights. We must have a proper perspective of things. Two wrongs do not make one
right. Remember the community have rights too, not just the individual or the
minority.

We have gained political independence but for many the minds are still
colonised.
Dr Mahathir Mohamad is a former prime minister of Malaysia

সর্বসাধারনের জন্য আমার বক্তব্যঃ
আমাদের দৃষ্টি ভংগি পরিষ্কার রাখতে হবে, গনতন্ত্র কিংবা ইসলামের যাতে কোন প্রকার অপব্যাবহার না হয়। বিশেষ করে ইসলামের। গনতন্ত্র তো পুরাই আমাদের না। কিন্তু ইসলাম আমাদের। আমাদের দোষ গুলি, আমাদের কেই সংশোধন করতে হবে। মালোশিয়া কে দেখুন, বুঝতে শত্র মিত্র বুঝতে চেষ্টা করুন। রাজনিতি বুঝতে চেষ্টা করুন। গনতন্ত্র আমাদের বিরোধি নয়, তুরষ্ক কে দেখুন, আসল বিরুধী তাদের ফ্যাসীবাদী শাষক (কারো দ্বারা ক্ষমতা প্রাপ্ত), কিন্তু মানুষ ঠিকই (ভোটে) ইসলামের পক্ষে রায় দেয়।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৮৩ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৫ টি মন্তব্য

  1. রাজনিতি বুঝার জন্য হিন্টসঃ
    ১ আপনি যাই করুন না কেন, আপনার বিপক্ষে শক্তিশালী শক্তি আছে।
    ২ সে শক্তি বিভিন্নভাবে আপনাকে কাবু করতে চাইবে।
    ৩ একজন মানুষকে কাবুকরা কিংবা নিজের পক্ষে নিয়ে আসা ১০০ জনের চেয়ে সহজ।
    ৪ ১০০ জনকে কাবু করা হাজার হাজার জনের চেয়ে সহজ।
    ৫ তাই ক্ষমতা রাজা বা একনায়ক বা এ ধরনের কিছু ব্যাক্তির কাছে থাকলে তা সহজেই চুরি হয়ে থাকবে, তা আপনি বুঝেও না বুঝার ভান করে থাকতে পারবেন না।(মূল কৌশল){উদাহারনঃ আরব রাজত্ব}
    ৬ বেশীর ভাগ জনগুস্টির কাছে থাকলে, তাকেও চুরি করার চেষ্টা করবে ঐ বিপক্ষীয় শক্তি, কিন্তু সফলতা কম।(উদাহারনঃ্মালোশিয়া)
    ৭ তবে এতে সফলতা নির্ভর করবে বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর, কিন্তু কখনই কিছু ব্যাক্তির কাছে ক্ষমতা থাকলে যত সহজে পারবে তত সহজে পারবে না।
    ৮ মানুষ হঠাত করে বদলে যেতে পারে, মুসলিম দেশ গুলিতে নিয়ন্ত্রনহীন সত্যিকার গনতন্ত্র দিলে, খুব দ্রুত ইসলাম এর প্রেসার বারবে।(উদাহারনঃ তুরষ্ক)
    ৯ তাই এখানে ছলে বলে কৌশলের কিছু ব্যাক্তির হাতেই ক্ষমতা রেখে দেওয়ার জন্য আপনার বিপক্ষীয় শক্তি চেষ্টা করবে। এভাবেই মিশর, আলজেরিয়া নিয়ন্ত্রীত হয়।(মূল কৌশল)
    ১০ কিছু দেশে আরো ভাল গনতন্ত্র থাকবে, যাদের গনতান্ত্রীক প্রতিষ্ঠান গুলো আরো শক্তীশালী, যেমন মালোশিয়া। সেখানে বিপক্ষীয় শক্তি তার খেলাতে হোচট খাবে।
    ১১ সব খানে, আপনার মূল প্রতিদন্দী বিপক্ষীয় শক্তি। গনতন্ত্র নয়। আর, ১০০ জন মানুষকে দাসে পরিনত করা খুব সহজ, কিন্তু কোটি মানুষকে সহজ নয়, করলেও তারা ফেরত যাবার সম্ভাবনা থাকে। যেমনঃ আমিরাত সহজেই অন্যদের কিন্তু ইরান নয়। কিন্তু ইরান ও অন্যদের ছিল যখন, শাহ ক্ষমতায় ছিল।
    ১২ এই কোটি মানুষকে নিয়িন্ত্রনীর জন্য অর্থের খেলা, মানে ভোগবাদী করে তোলা।(নতুন কৌশল)
    ১৪ ভোগের লোভ দেখিয়ে মানুষকে , বাশের আগায় লাগিয়ে পুতুল নাচ দেওয়া।(নতুন কৌশল)
    ১৫ আবার কাউকে ভিন্ন বিষয়ে লোভ দেখিয়ে নাচানো।(নতুন কৌশল)

    বিপক্ষের কৌশল জানুন। এদের ঐখানেই বুঝুন, তাদের খেলার পুতুল হইয়েন না প্লিজ।

  2. আমাদের নেতা গুলোর বুঝ যদি মহাতিরের মত কেন হয়না এটিই বুঝিনা।

    ফুয়াদ

    @মুনিম,

    আপনি ছাড়া কেউ কমেন্ট ই করল না, নেতাদের দোষ দিয়ে কি লাভ? যারা এখানে নিয়মিত লেখা লেখি করেন, গনতন্ত্র বিষয়ক লেখাও দেন, তাদের চোখেই এটি পরল না। এই না হলাম আমরা।

    => আমাদের প্রকৃত জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ দরকার। তাই আগে সবাই কে শিক্ষিত হতে হবে, হতে হবে আখিরাতের আলিমের পাশা পাশি আটোমিক বায়লজি কিংবা স্পেইস ইঞ্জিনিয়ার, অথবা পদার্থ বিজ্ঞানী কিংবা এস্ট্র-পিজিস্ট। কিন্তু কে শুনে কার কথা, ভাবখানা এমন দুনিয়ার মাঝে আমরাই জ্ঞানী, আর বাকিরা ঘোড়ার ডিম। তারা বাস্তবে না, সব সময় সপ্নের দেশে ঘুরে বেড়ায়। কি বলব বলেন।

    ফুয়াদ

    @মুনিম,

    এই হিন্টস গুলি রাজনিতির গুলি দিয়েছিলাম যদি আমার দুই পোষ্ট পড়ে, যাতে আমি কি বুঝাইতে চাইতে ছি তা যেন বুঝতে পারেন। দূঃখ আর কোথায় রাখব বলেন।

    আল্লাহ পাক আমাদের মাফ করুন, এবং তিনি যেন আমাকে আপনাকে আমাদের সবাইকে জ্ঞান দান করুন। আমিন ।

    ফুয়াদ

    @মুনিম,

    দুনিয়ার মধ্যে ধর্মিয় দৃষ্টি কোণ থেকে হয়ত আমরা জ্ঞানী তা মানা যায়।