লগইন রেজিস্ট্রেশন

আর কত দিন মুসলিমদের কষ্ট দিয়ে যাবেন

লিখেছেন: ' রাতদিন' @ রবিবার, মার্চ ৬, ২০১১ (৭:০৭ অপরাহ্ণ)

(সাজ্জাদ ভাই, আশা করি, ছোট ভাই হিসাবে দেখবেন, সত্য মিথ্যার বাস্তবতায়, ভুল দেখলে কষ্ট লাগে, তাই এই লেখ্‌ কষ্ট পেলে মাফ করিয়েন)

আমাদের এখানকার এক ভাই, একটি পোষ্ট দিয়েছেন, যা পিস ইন ইসলাম কর্তৃপক্ষ স্টিকি করেছেন। (কর্তৃপক্ষের জবাব আশা করছি পুরো পোষ্ট পড়ার পর)

আল্লাহ পাকের রাসূল সঃ যদি বলে থাকেন চাঁদ দ্বিখন্ডিত করেছেন। তাহলে অবশ্য-ই তা হয়েছে। এতে কাউরো কোন মতো বিরোধ থাকার কথা না। আসুন কিছু ভুল দেখি,

১ কয়েক দিন আগে গ্রাফিক্সের সহায়তায় কিছু কংকাল কে বড় করে, আদ জাতি বলে দ্বাবী করা হয়েছিল, কিন্তু ছবি গুলো পুরাই মিথ্যা।

২ নীল আমস্ট্রং নাকি চাদে গিয়ে আজান শুনতে পেয়েছেন। তাও বানোয়াট কাহিনী।

৩ এবার আমাদের ভাই আরেকটি নিয়ে আসছেন, (এটা আসল না নকল জানি না)
“মিশরের ভূ-বিশারদ ড. জাগুল নাজ্জার তার এক সাক্ষাৎকারে বলেন,
আমি ব্রিটেনের এক ভার্সিটিতে বক্তব্য দিচ্ছিলাম। যাতে মুসলমানসহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীও উপস্থিত হয়েছিল। আমি এই (চন্দ্র বিদর্ণ) প্রসঙ্গে আলোছনা করছিলাম। আলোচনার মাঝে একজন নৌ-মুসলমান দাড়িয়ে বলল,স্যার আমি কিছু বলতে পারি? আমি অনুমতি দিলাম। সে বলতে লাগল,মূলতঃ আমি আমার মুসলমান বন্ধুদের কাছ থেকে কুরআন অনুবাদসহ পড়ার জন্য নিলাম। সর্বপ্রথম যে আয়াতটি আমার চোখে পড়ে তা হচ্ছে এই আয়াতটি। আমি অনুবাদ পড়ে মনে মনে বললাম,এটা কিভাবে হতে পারে যে, চন্দ্র একবার খন্ডিত হয়ে যাওয়ার পর আবার জোড়া লেগে যায়। এর পর আমি আমার কাজে ব্যস্ত থাকি। হঠাৎ একদিন বিবিসিতে সাক্ষাৎকার চলছে একজন সাংবাদিক ও তিনজন নবোযাত্রীদের মাঝে। সাংবাদিক তাদের এই প্রজেক্টে কত খরছ হয়েছে তা জানতে চাইলে তারা উত্তর দেয় ১০ কোটি মিলিয়ন ডলার। তখন সাংবাদিক বলল,নিজ দেশের পতাকা ইড্ডিয়ন করার জন্য এত অর্থ ব্যয় করার কোন কি মানে হয়। অথচ সারা পৃথিবী এখন অনাহারে মরছে। তখন তারা উত্তার দিল,আমরা এত অর্থ ব্যয় করার পরও মানুষকে বাস্তবতা বিশ্বাস করানোর জন্য এর চেয়েও বেশী অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে। তখন সাংবাদিক বলল, সে সত্যটা কি? তারা বলল,আমরা সেখানে গিয়ে এমন কিছু নিদর্শন দেখতে পেলাম যা দ্বারা প্রমাণিত হয় এই চাঁদটি একবার ফেটে ছিল,তারপর আবার জোড়া লাগে”(****)

এখানে আসুন দেখি কি ঘটনা হয়েছেঃ
## ডা জাগুল নাজ্জার সাক্ষাত কারে বলেছেন
##তিনি আবার রেফারেন্স টেনেছেন তার আরেক সাক্ষাত কারের
##সেখানে আবার রেফারেন্স হল নামহীন এক নৌ-মুসলিম
##সেই নামহীন নৌ-মুসলিম আবার বি বি সি এর রেফারেন্স নিয়েছেন, যা আবার আরো কতগুলি নামহীন ব্যাক্তির বক্তব্য

তাহলে আসলে কে বলেছে ?????????????????????????????????????????????

এখন আপনি নিজেই বলুন, এগুলো কি রেফারেন্স হল ?

এর ভিতর তিনি আবার এক খানা অপবাদ দিলেনঃ
“আসা যাক রেফারেন্সের ব্যাপারে,হ্যা ভাই,আমি এত এরেদিয়া না যে, আপনার মত না দেখে কথা বলে নিজেকে বাদশা মনে করব”

=>উনি ঠিকমত রেফারেন্স দেন নাই, কারন লেখার নিচে কোন রেফারেন্স ছিল না, যা আমি প্রশ্ন করার পর দিয়েছেন। আর আমি নাকি না দেখে কথা বলেছি ! এটা কি মিথ্যা অপবাদ হল না

=> আমি কখন নিজে কে বাদসা মনে করলাম, তিনি যদি একটুকু প্রমান করে দেখাতেন ?

শুধু তাই নয়, উনি যে সব রেফারেন্স দিয়েছেন একটিও গ্রহন যোগ্য নয়। http://en.wikipedia.org/wiki/Splitting_of_the_moon এখানে দেখুন সাইন্টিফিক কিছু বলা হয় নি। শুধু আমাদের ধর্মিয় রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে।

আরবি ব্লগ গুলি কিংবা বাংলা ব্লগ গুলি ইচ্ছা মত লেখা যায়। কেউ কিছু আরবি তে লেখলেই কিছু প্রমান হয়ে গেল না।

আমার প্রতি অন্যায় করার পর-ও আমি প্রশ্ন করব সাজ্জাত ভাই কে, যেন উনি ***** মার্ক করা অংশের সত্যিকার রেফারেন্স দেখান “আসলে কে বলেছে? “।
আমি, কোন বিজ্ঞানিক যারা চন্দ্র অভিযান করেছে তাদের কাছে এ রূপ কথা পাই নেই। এনো-সাইকো-পিডিয়া অব এস্ট্রনমি তে নেই। পদার্থ বিজ্ঞানের বই গুলিতে এখন পাই নাই। রিসেন্ট এস্ট্রনমির বইয়ে খুজলাম পাই নাই। নাসার চাঁদ বিষয়ক আর্টিক্যালে নাই। তাছাড়া, কোন সাইন্টিফিক জার্নালেও এ রূপ দেখি নাই।

এখন সাজ্জাত ভাই যদি বলতেন আসলে কোন বিজ্ঞানী এই কথা বলেছেন ? বিবিসির কোন অনুষ্ঠান এ। লিংক দিলেই হবে। আমি খুশি, জানলাম। (ঘটনার সত্যতা আমি আস্বীকার করছি না, পৃথিবীতে অনেকেই অনেক কথা বলে, কিন্তু ঘটনা আসলে খুজে পাইনি, কেউ দিলেই তো জানবো। আবারো বলছি, আসল ঘটনা হতে হবে, ক্রসের উপর ক্রস রেফারেন্স নয়)

দেখেন ডাঃ জাকির কে এখানে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, আমরা কিভাবে চাঁদ দ্বী-খন্ডন প্রমান করব ? আমরা চাদে কি কোন মিশন পাঠাবো ?
উত্তরেঃ তিনি অনেক কথাই বললেন। তার মধ্যে কথা হল, চাদের কিছু ছবি পাওয়া যায়, যা দিয়ে এটা প্রমান করা যেতে পারে

আমি যত দূর পড়েছি, এই জানি যে, বিজ্ঞানের দৃষ্ঠিতে (কে কি বল তা পরের বিষয়)
= চাঁদ দ্বী খন্ডিত হলে হতেও পারে, কিন্তু এখন আমাদের কাছে সাইন্টিফিক প্রুভ নাই, কিছু ছবি ছাড়া। কিন্তু ছবি গুলি কে ইচ্ছা মত ব্যাক্ষা করা যাবে।
= এ বিষয় হয়ত আরো অপেক্ষা করতে হবে।

তাহলে চাঁদ দ্বী-খন্ডতিত হবার পক্ষে প্রমান কি ? প্রমান হল হাদিস এবং আল কুরান। এই প্রমান গুলোই আমাদের জন্য যতেষ্ট। এর জন্য বিজ্ঞানের নামে মিথ্যার আশ্রয়ের দরকার নেই। বিজ্ঞানে যদি নাও বলে তাতেও কিছু যায় আসে না। কিন্তু আমরা মুসলিম হিসাবে কিছু বলতে হলে, হিসাব করেই বলা উচিত।

চাঁদ দ্বী-খন্ডীত হবার পক্ষে চাক্ষুস সাক্ষীঃ

Narrated Anas bin Malik: “The people of Mecca asked Allah’s Apostle to show them a miracle. So he showed them the moon split in two halves between which they saw the Hiram’ mountain. (Translation of Sahih Bukhari, Merits of the Helpers in Madinah (Ansaar), Volume 5, Book 58, Number 208)”

Narrated ‘Abdullah: “The moon was split ( into two pieces ) while we were with the Prophet in Mina. He said, “Be witnesses.” Then a Piece of the moon went towards the mountain. (Translation of Sahih Bukhari, Merits of the Helpers in Madinah (Ansaar), Volume 5, Book 58, Number 209)”

Narrated Abdullah bin Masud: “During the lifetime of the Prophet the moon was split into two parts and on that the Prophet said, ‘Bear witness (to thus).’ (Translation of Sahih Bukhari, Virtues and Merits of the Prophet (pbuh) and his Companions, Volume 4, Book 56, Number 830)”

Narrated Anas: “That the Meccan people requested Allah’s Apostle to show them a miracle, and so he showed them the splitting of the moon. (Translation of Sahih Bukhari, Virtues and Merits of the Prophet (pbuh) and his Companions, Volume 4, Book 56, Number 831)”

Narrated Ibn ‘Abbas: “The moon was split into two parts during the lifetime of the Prophet. (Translation of Sahih Bukhari, Virtues and Merits of the Prophet (pbuh) and his Companions, Volume 4, Book 56, Number 832)”

Narrated ‘Abdullah bin ‘Abbas: “During the lifetime of Allah’s Apostle the moon was split (into two places). (Translation of Sahih Bukhari, Merits of the Helpers in Madinah (Ansaar), Volume 5, Book 58, Number 210)”

Narrated ‘Abdullah: “The moon was split (into two pieces). (Translation of Sahih Bukhari, Merits of the Helpers in Madinah (Ansaar), Volume 5, Book 58, Number 211)”

Narrated Abdullah: “Five things have passed, i.e. the smoke, the defeat of the Romans, the splitting of the moon, Al-Batsha (the defeat of the infidels in the battle of Badr) and Al-Lizam (the punishment)’ (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 345)”

Narrated Abdullah: “Allah sent (the Prophet) Muhammad and said:–

‘Say, No wage do I ask of you for this (Qur’an) nor am I one of the pretenders (i.e. a person who pretends things which do not exist). (38.68) When Allah’s Apostle saw Quraish standing against him, he said, “O Allah! Help me against them by afflicting them with seven years of famine similar to the seven years (of famine) of Joseph. So they were afflicted with a year of drought that destroyed everything, and they ate bones and hides. (One of them said), “And they ate hides and dead animals, and (it seemed to them that) something like smoke was coming out of the earth. So Abu Sufyan came to the Prophet and said, “O Muhammad! Your people are on the verge of destruction! Please invoke Allah to relieve them.” So the Prophet invoked Allah for them (and the famine disappeared). He said to them. “You will revert (to heathenism) after that.” ‘Abdullah then recited:

‘Then watch you for the Day that the sky will bring forth a kind of smoke plainly visible…….but truly you will revert (to disbelief).’ He added, “Will the punishment be removed from them in the Hereafter? The smoke and the grasp and the Al-Lizam have all passed.” One of the sub-narrator said, “The splitting of the moon.” And another said, “The defeat of the Romans (has passed).” (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 349)”

Narrated ‘Abdullah: “Five things have passed: Al-Lizam, the defeat of the Romans, the mighty grasp, the splitting of the moon, and the smoke. (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 350)”

Narrated Ibn Masud: “During the lifetime of Allah’s Apostle the moon was split into two parts; one part remained over the mountain, and the other part went beyond the mountain. On that, Allah’s Apostle said, ‘Witness this miracle.’ (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 387)”

Narrated Abdullah: “The moon was cleft asunder while we were in the company of the Prophet, and it became two parts. The Prophet said, ‘Witness, witness (this miracle).’ (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 388)”

Narrated Ibn Abbas: “The moon was cleft asunder during the lifetime of the Prophet. (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 389)”

Narrated Anas: “The people of Mecca asked the Prophet to show them a sign (miracle). So he showed them (the miracle) of the cleaving of the moon. (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 390)”

Narrated Anas: “The moon was cleft asunder into two parts. (Translation of Sahih Bukhari, Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)), Volume 6, Book 60, Number 391)”

“Abdullah said that five signs have (become things) of the past (and have proved the truth of the Holy Prophet): (Enveloping) by the smoke, inevitable (punishment to the Meccans at Badr), (the victory of) Rome, (violent) seizing (of the Meccans at Badr) and (the splitting up of) the Moon. (Translation of Sahih Muslim, The Book Giving Description of the Day of Judgement, Paradise and Hell (Kitab Sifat Al-Qiyamah wa’l Janna wa’n-Nar), Book 039, Number 6721)”

“Abu Ma’mar reported on the authority of Abdullah that the moon was split up during lifetime by Allah’s Messenger (may peace be upon him) in two parts and Allah’s Messenger (may peace be upon him) said: Bear testimony to this. (Translation of Sahih Muslim, The Book Giving Description of the Day of Judgement, Paradise and Hell (Kitab Sifat Al-Qiyamah wa’l Janna wa’n-Nar), Book 039, Number 6724)”

“This hadith has been transmitted on the authority of Abdullah b. Mas’ud (who said): We were along with Allah’s Messenger (may peace be upon him) at Mina, that moon was split up into two. One of its parts was behind the mountain and the other one was on this side of the mountain. Allah’s Messenger (may peace be upon him) said to us: Bear witness to this. (Translation of Sahih Muslim, The Book Giving Description of the Day of Judgement, Paradise and Hell (Kitab Sifat Al-Qiyamah wa’l Janna wa’n-Nar), Book 039, Number 6725)”

“Abdullah b. Mas’ud reported that the moon was split up in two parts during the lifetime of Allah’s Messenger (may peace be upon him). The mountain covered one of its parts and one part of it was above the mountain and Allah’s Messenger (may peace be upon him) said: Bear witness to this. (Translation of Sahih Muslim, The Book Giving Description of the Day of Judgement, Paradise and Hell (Kitab Sifat Al-Qiyamah wa’l Janna wa’n-Nar), Book 039, Number 6726)”

“Anas reported that the people of Mecca demanded from Allah’s Messenger (may peace be upon him) that he should show them (some) signs (miracles) and he showed them the splitting of the moon. This hadith has been narrated on the authority of Anas through another chain of transmitters. (Translation of Sahih Muslim, The Book Giving Description of the Day of Judgement, Paradise and Hell (Kitab Sifat Al-Qiyamah wa’l Janna wa’n-Nar), Book 039, Number 6728)”

“Anas reported that the moon was split up in two parts and in the hadith recorded in Abu Dawud, the words are: ‘The moon was split up into two parts during the life of Allah’s Messenger (may peace be upon him).’ (Translation of Sahih Muslim, The Book Giving Description of the Day of Judgement, Paradise and Hell (Kitab Sifat Al-Qiyamah wa’l Janna wa’n-Nar), Book 039, Number 6729)”

“Ibn ‘Abbas reported that the moon was split up during the lifetime of Allah’s Messenger (may peace he upon him). (Translation of Sahih Muslim, The Book Giving Description of the Day of Judgement, Paradise and Hell (Kitab Sifat Al-Qiyamah wa’l Janna wa’n-Nar), Book 039, Number 6730)”

আশা রাখি, কিছু ভুল ধরিয়ে দিলে পাঠক সহ সাজ্জাদ ভাই কেউ রাগ করবেন না। মত ভিন্নতা, এগুলো তেমন কিছু নয়।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১৭৭ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৮ টি মন্তব্য

  1. (Y) (Y) (Y)

    রাতদিন

    @এস.এম. রায়হান,

    ধন্যবাদ ।

  2. @Ratdin,
    please themy jeo-na palta jobab deber chasta koro.

    রাতদিন

    @hafes_alamin,

    হায় হায় চিন্তা করিয়েন না ।

  3. আপনার বক্তব্যের সাথে সহমত এই অর্থে যে, انما كان قولهم إذا سمعوا ” سمعنا و أطعنا” অর্থাত সাহাবাগনের দৃষ্টিভংঙ্গীও এমনই ছিল রসূল বলেছেন তো তা মেনে নিয়েছেন। এতে বিবেক-সাইন্স ও সেন্স সাপোর্ট করুক বা না করুক।
    তবে আধুনা বিজ্ঞান দিয়ে আমাদের কোরান সুন্নাহকে বাস্তব প্রমান করার কিছুই নেই, যা আছে তা হলো এসব বিজ্ঞানমনষ্কদের কোরানের বিশালতা খুজেঁ পাওয়া। ধরুন আমি নিজ মুখে মাওলানা আব্দুল মজীদ নদীম দামাত বারাকাতুহ বলতে শুনেছি, সেই সাথে তিনি যে অনুষ্ঠানে এ কথা বলছিলেন তার হাজারো শ্রোতাও শুনছিলেন যে তিনি বল্লেন:
    ” আমি নাসার ল্যাবে আমন্ত্রিত হয়েছিলাম, তারা আমার জন্য একটি এস্তেকবালের অনুষ্ঠান করলো এবং সে সময় ডিসপ্লে তে কোরানের إن في خلق السموات و الأرض و إختلاف الليل …. আয়াতখানা বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে দেখাচ্ছিল……… তখন ভাষানটেক থেকে কোন গাজাখোর এসে হয়তো বলবে ভাই কবে কোন মোল্লারে আবার নাসার ল্যাবে রেসপেক্টিং অভ্যর্থনা দিল ইত্যাদি ইত্যাদি, এই আপত্তিতে আমার মাওলানার ঘটনাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই যেমনটি আমার কাছে অকাট্য প্রমানও নেই যে তিনি নাসার ল্যাবে কখণ এই অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন।
    রেফারেন্স সবার কাছে গ্রহনযোগ্য হতে হবে কথা নেই, কোন কোন উপাত্ত কেউ গ্রহন করে কেউ পরিত্যাগ করে এটাই স্বভাব।

    রাতদিন

    @আল মুরতাহিল,

    আপনার কথা বুঝতে পেরেছি।

    এবার ধরুন কোন এক অমুসলিম ব্যাক্তি কিছু বলল, তা কি ইসলামের অংশ হয়ে গেল ? কোন কিছু ইসলামের অংশ হতে হলে তাকে অবশ্য-ই আল কুরান, আল হাদিস, এর অংশ হতে হবে, এট লিস্ট কোন মসুলমানের বক্তব্য হতে হবে।

    ঠিক তেমনি বিজ্ঞানের নাম ভাংগালে অবশই তাকে বিজ্ঞানের সমর্থিত কথা হতে হবে, অথবা কোন বিজ্ঞানীর কথা হতে হবে, অথবা বিজ্ঞানের নির্দিষ্ট যুক্তি এবং প্রমানের ভিত্তিতেই হতে হবে(এ জন্য বিজ্ঞানী না হলেও চলবে)।
    এ সব না হলে বিজ্ঞানের নাম ব্যাবহার করা খুবই বড় সমস্যা। ব্যাপারটি কি বুঝতে পারলেন ?

  4. তাহলে চাঁদ দ্বী-খন্ডতিত হবার পক্ষে প্রমান কি ? প্রমান হল হাদিস এবং আল কুরান। এই প্রমান গুলোই আমাদের জন্য যতেষ্ট। এর জন্য বিজ্ঞানের নামে মিথ্যার আশ্রয়ের দরকার নেই। বিজ্ঞানে যদি নাও বলে তাতেও কিছু যায় আসে না। কিন্তু আমরা মুসলিম হিসাবে কিছু বলতে হলে, হিসাব করেই বলা উচিত। (Y) (Y) (Y)

    রাতদিন

    @rasel ahmed, (Y) (Y)