লগইন রেজিস্ট্রেশন

Contemporary Legend ড: জাকির নাইক

লিখেছেন: ' হাফিজ' @ বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০০৯ (১২:১৭ পূর্বাহ্ণ)

অসাধারন প্রতিভাবান একজন ইসলামিক স্কলার ড: জাকির নাইক। ভারতের মুম্বাই এর অধিবাসী । ১৯৬৫ সনে জন্ম । বর্তমানে বয়স মাত্র ৪৪ । বিখ্যাত দাই আহমদ দীদাত যার উপাধি দিয়েছিলেন দীদাত প্লাস ।

জাকির নাইকের কিছু অসাধারন Quality:
কয়েকটি বইশিষ্টের কারেন তাকে আনপ্যারালাল ধরা হয় । অস্বাভাবিক স্নরনশক্তি বা ফটোজেনক মেমোরি , উপস্হিত বুদ্ধি , যেকোনো কঠিন বিষয়কে জেনারেল এডুকেডেট মানুষদের উপযোগী করে উপস্হাপন করা , যেকোনো সমস্যা প্রধান তিনটি ধর্মগ্রন্হে (হিন্দু, ইসলাম, খৃষ্টান ) কিভাবে সমাধান দেয়া আছে তা পানির মতো উল্লেখ করা ইত্যাদি । আর একটি বিষয়, উনাকে কেউ কখনও রাগতে দেখেননি । বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য রাখার সময় অনেক দর্শক উনাকে আক্রমন করে কথা বলেন , কিন্তু উনি সেগুলোর উত্তর খুবই ঠান্ডা মাথায় দিয়ে থাকেন ।

হিন্দু , ইসলাম এবং খৃষ্টান ধর্ম:
পৃথিবীর প্রধান তিনটি ধর্মের মুল গ্রন্হ “গীতা” , “কোরান” , “বাইবলে” থেকে অনর্গল রেফারেন্স দিতে পারেন জাকির নাইক। মিডিয়াতে যারা আসে তাদের মধ্যে এপর্যন্ত এমন বিস্নয়কর স্নরনশক্তি আর দেখা যায় নাই । যেকোন রেফারেন্স দিলে উনি সাথে সাথে কোনো অধ্যায় , কত নাম্বার , কোন ভার্সান উল্লেখ করে দেন , এতে আমাদের মতো শ্রোতাদের বিষয়টি খুজে পেতে খবুই সুবিধা হয় ।

মাস্টারপিস ডিবেট: ড: উইলিয়াম ক্যাম্পবেল এবং জাকির নাইক
অসাধারন একটি ডিবেট । ড: উইলিয়াম ক্যাম্পবেল ছিলেন আনুমানিক ৩০ বছরের বড় জাকির নাইকের থেকে এবং উনি ১৫ বছর মরক্কো থেকে আরবি ভাষার উপর দক্ষতা অর্জন করেছেন । জাকির নাইক তাকে বাইবেল এর সাইন্টিফিক ভুল ২২ টা উল্লেখ করে প্রশ্ন করেছিলেন যার কোনোটির উত্তর ড: উইলিয়াম ক্যাম্পবেল দিতে পারেন নাই । ড: উইলিয়াম ক্যাম্পবেল সেই ব্যক্তি যিনি ড: মরিস বুকাইলির কোরান , বাইবেল এবং সাইন্স বই এর রিপ্লাই দিয়েছিলেন । সবচেয়ে মজার বিষয় হল ডিবেট এর সময় দর্শকদের মধ্য থেকে ড: উইলিয়াম ক্যাম্পবেল কে বাইবেল বিষয় প্রশ্ন করা হয়েছিল যেগুলোর তিনি উত্তর দিতে না পারলেও জাকির নাইক বাইবলেএর ভার্সন , কোন বাইবলে , কত নাম্বার রেফারেন্স সব সহ অবলীলায় উল্লেখ করে যান । যেমন বাইবেলের পানি চক্র বিষয়ক প্রশ্ন ।

মাস্টারপিস ডিবেট: রবি শংকর এবং জাকির নাইক
ভারতে হিন্দু ধর্মিয় অধিবাসীদের মধ্যে ড: রবি শংকর আর এক লিজেন্ড । পৃথিবীর ১৫০ টি দেশে উনি ভাষন প্রদান করেছেন । সেই রবি শংকর এস সাথে আলোচনায় ড: জাকির নাইক প্রমান করেছেন বেদে স্রষ্টার যে কনসেপ্ট সেটা একত্ববাদ সাপোর্ট করে এবং পূজার বিরোধী । আর বেদের ২০ এর অধিক জায়গায় মুসলমানদের শেষ নবী মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর উল্লেখ আছে যেটা উনি রেফারেন্স সহ বলে দেন । যার কোনোটাই রবি শংকর খন্ডাতে পারেন নাই । চমক্প্রদ ব্যাপার হলো সম্পুর্ন অনুষ্ঠানে রবি শংকর একটাও বেদের রেফারেন্স দিতে পারেন নাই যেখানে জাকির নাইক অজস্র রেফারেন্স দিয়ে গেছেন পানির মতো অবলীলাক্রমে । আর একটা বিষয় লক্ষনীয় , মুল টপিক্স ছিল “হিন্দু এবং ইসলাম ধর্মে স্রষ্টার ধারনা” এবং রবি শংকর টপিক্স এর বাইরে তার বক্তব্য রাখেন যেটা অবশ্যই তার ব্যর্থতা ।

লেকচার সমগ্র
জাকির নাইকের সমস্ত বক্তব্য , ডিবেট বাংলায় অনুবাদ আকারে ২ খন্ডে বের হয়েছে । কালেকশনে রাখার মতো । যেকোন রেফারেন্স তারাতারি খুজে বের করার জন্য খুবই সুবিধা । কেননা বক্তব্য থেকে নির্দিষ্ট কোনো রেফারেন্স খুজে বের করতে অনেক সময় লাগে । কিন্তু বই আকারে থাকলে মার্ক করে রাখা যায় ।

জাকির নাইকের কিছু বিখ্যাত উক্তি
** পৃথিবীর সব ধর্মই ভালো কথা বলে তবে কিভাবে আপনি ভালো থাকবেন সেটা একমাত্র ইসলাম ধর্মই দেখিয়ে দেয় ।

** কোরআন কোনো Science এর বই নয় , তবে কোরআনে রয়েছে অনেক Sign বা নিদর্শন ।

** নাস্তিকদের আমি ধন্যবাদ জানাই এই জন্য যে তারা আমাদের কালেমার প্রথম অংশ “লা ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নাই) এটা অলরেডি বিশ্বাস করে । সুতরাং আমার শুধু পরের অংশটা ( ইল্লাল্লাহ ) তাকে বোঝাতে পারলেই চলে।

** মিডিয়া সানিয়া মির্জার পোষাক নিয়ে আমাদের প্রশ্ন করে কিন্ত সেরেনা উইলিয়াম এর পোষাক নিয়ে পোপকে প্রশ্ন করে না কেনো ?

জাকির নাইক এবং আহমদ দীদাত

বিখ্যাত বক্তা আহমদ দীদাত যার ডিবেট এবং বক্তব্য শুনে অসংখ্য খৃষ্টান মুসলমান হয়েছিল , তিনি জাকির নাইক সম্বন্ধে বলিছিলেন “আমি ৪০ বছর সাধনা করে যা শিখেছি , জাকির নাইক ৪ বছরেই সেটা শিখে ফেলেছে” ।

জাকির নাইকের অবদান
প্রথমত: জাকির নাইকের অর্গানাইজেশন IRF এর মাধ্যমে সপ্তাহে এভারেজে একজন করে মুসলিম হয় । যেখানে জাকির নাইক বক্তব্য রেখেছেন এমন অনেক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে তার দ্বারা অনেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন । ভারতের মুম্বাই এ এক সেমিনার ৭ জন হিন্দু থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে যেটা হয়েছিল মুম্বাই এটাকের কিছুদিন আগে। এবছর ক্যানাডায় তার সেমিনার ৭ জন খ্বৃষ্টান থেকে মুসলিম হয়েছে , তবে সেই অনুষ্ঠানে আরো অনেক বক্তা ছিলেন ।

দ্বিতিয়ত: ৯/১১ এর পরে সারা পৃথিবীতে ইসলাম সম্বন্ধে খারাপ ধারনা হয়েছিল । যেহেতু মিডিয়াতে জাকির নাইক স্ট্রং তাই তার সমস্ত বক্তব্যের মাধ্যমে পাশ্চাত্যে ইসলাম সম্বন্ধে অনেক ভুল ধারনা দুরীভুত হয়েছে ।

জাকির নাইকের কি সব কিছুই ঠিক, অনুসরন করার মতো ?
আপনি যদি জাকির নাইকের সমস্ত বক্তব্য শুনেন তাহলে সেটাকে ক্যাটাগরী করলে হয়:
1) Comparative Relagion ( Debate )
2) Clarification about Misconception about Islam ( E.g Women rights in islam , Is terrorism muslim monopoly )
3) Beauty of Islam ( E.g. Universal Brotherhood)
4) Islamic Jurisprudence ( E.g Salat , মাসলা মাসায়েল নামাজ , রোজা , তারাবী ইত্যাদি )

প্রথম তিনটি বিষয়ে ( ১-৩) নির্দিদ্বায় যেকেউ শুনে বুঝে অপরকে বুঝাতে পারেন । ৪ নং বিষয়ের উপর অনুসরন করার ব্যাপারে কিছু সমস্যা আছে । যেহেতু সে সরাসরি কোনো মাজহাব অনুসরন করে না , পক্ষান্তরে আমাদের এখানে যেহেতু হানাফী মাজহাবের অনুসারী বেশী তাই তার মাসলা মাসায়েল সংক্রান্ত ফয়সালা অনুসরন করলে আপনি এখানে সমস্যায় পড়তে পারেন । কেননা এইসব ক্ষেত্রে মুজতাহিদ বা ইসলামিক স্কলাররা যে সমাধান দিয়েছেন সেটা হলো কেউ মাসলা মাসায়েল এর ক্ষেত্র তার চারপাশে যে ধরনের আলেম বা মুফতী Available সেটাই অনুসরন করবে কেননা কোনো একটা সমস্যা হলে তাকে তাদের সাথেই আলাপ করে সমাধান পৌছাতে হবে । এই ক্ষেত্রে আপনি জাকির নাইককে যেহেতু হাতের কাছে পাচ্ছেন না তাই সমস্যা পড়তে পারেন ।

সারাংশ

জাকির নাইকের মতো ফুল টাইম দাই আমাদের দরকার । তার মতো হয়ত উপস্হিত বুদ্ধি , স্নরনশক্তি , মেধা পাওয়া যাবে না তবে সেটা ধর্তব্য নয় । আমাদের যার যে যোগ্যতা আছে তাই নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে । আর একটা কথা তার মতো অনেক বিষয়ে একজনের হয়ত পড়াশুনা নাও থাকতে পারে কিন্তু আমরা যদি একটা কমিউনিটি বা সার্কেল করে একেকজন একেক বিষয় ভাগ করে নিতে পারি তাহলে কিন্তু আমাদের জন্য বিষয়টা অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে ।

আমারা পিস-ইন-ইসলাম -এ উৎসাহি ব্লগারদের নিয়ে এমন একটা কমিউনিটি ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে পারি কিনা ?

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৯৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ১.০০)

১৬ টি মন্তব্য

  1. Yes, he is really talent. We like him.
    Please add this post in amarblog.com , so that I can make it favorite.

    হাফিজ

    @rezowan , সমস্যা হলো , আমারব্লগে ইসলামিক আর্টেকেল পোস্ট করলে গালাগালি করে , সেইজন্য দিতে চাচ্ছি না । আর আপনি ভাই এই সাইটের খবর পেলেন কিভাবে ? শুধুমাত্র curicity , অসুবিধা হলে বলার দরকার নেই ।

  2. Thanks brother Hafiz. I agree to the “SUMMARY” part of your comment with an addition of my own comment.

    Among us who are literate and we are favorable and curious about Islam we have no excuse to “show cause” that we do not have the ability to justify, clarify and verify what out scholars say, specially considering in this age of IT where everything is available @ a click distance away. So regardless of whoever gives the comment, be that our favorite scholar or the local scholar we need to double check their comment in light of the very Hadith and Quranic Ayath they use as reference.

    I would like to mention that the prominent rulings of the 4 major School of Thoughts are based on the principle sayings of the 4 Imams and the Hadiths they used as reference. But do remember that full cimpilation and verification/clarification/justification of the Sahih Hadiths were done after the lifetime of these 4 Imams. Therefore there are infact many Fatwas of these 4 Imams that automatically get abbrogated by the Sahih Hadiths that contradicts them.

    FOr example

    - Hanafi’s dont say Ameen loudly after Surah Fatihah but we Sahih Hadith that tells us to do so
    - Hanafi’s dont raise their hands before going to Ruku and after coming from Ruku and we have Sahih Hadith that tells us to do so.
    - Such know concerns are also present in the Salafi’s, Maliki’s and so on.

    Therefore, when such things are clear we clearly know our priority as Muslims.

    1st => Its the Quran
    2nd => Its the Hadith.

  3. @sael2k, আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ । আমি এ সম্বন্ধে কিছু কমেন্ট করছি , ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন ।

    Among us who are literate and we are favorable and curious about Islam we have no excuse to “show cause” that we do not have the ability to justify, clarify and verify what out scholars say, specially considering in this age of IT where everything is available @ a click distance away. So regardless of whoever gives the comment, be that our favorite scholar or the local scholar we need to double check their comment in light of the very Hadith and Quranic Ayath they use as reference.

    সবার সামর্থ্য নেই যাচাই বাছাই করার , তবে যার আছে সে তো অবশ্যই যাচাই বাছাই করবে । এ ব্যাপারে আমি একমত । তবে কার কতটুকু সামর্থ্য আছে সেটা যেন সে আগে যাচাই বাছাই করে । নিজের সম্বন্ধে যেন over confident না থাকে ।

    I would like to mention that the prominent rulings of the 4 major School of Thoughts are based on the principle sayings of the 4 Imams and the Hadiths they used as reference. But do remember that full cimpilation and verification/clarification/justification of the Sahih Hadiths were done after the lifetime of these 4 Imams. Therefore there are infact many Fatwas of these 4 Imams that automatically get abbrogated by the Sahih Hadiths that contradicts them.

    এখানে আমাদের একটা বিষয় বুঝতে হবে । যাচাই বাছাই এক জিনিস এবং বই আকারে বের হওয়া এক জিনিস । হাদিস যাচাই বাছাই চার ইমামের সময়ও ছিল , এইজন্য ওনারা যখন হাদিস এর বই বের করেছে তখন ওনারাও সবার হাদিস গ্রহন করেন নাই ( যেমন মুয়াত্তা ইমাম মালেক , মুসনাদের ইমাম আবু হানিফা ইত্যাদি ) । তাই সিহাহ সি্ত্তাহ বের হওয়ার আগেও হাদিসের যাচাই বাছাই ছিল । যেকোন সময় যদি হাদিস যাচাই বাছাই না হবে , তাহলে পরবর্তিরা কিভাবে সহীহ হাদিস পাবে ।

    Therefore there are infact many Fatwas of these 4 Imams that automatically get abbrogated by the Sahih Hadiths that contradicts them.

    FOr example

    - Hanafi’s dont say Ameen loudly after Surah Fatihah but we Sahih Hadith that tells us to do so
    - Hanafi’s dont raise their hands before going to Ruku and after coming from Ruku and we have Sahih Hadith that tells us to do so.

    সহিহ হাদিসে আমিন জোরে বলা এবং আস্তে বলা , রফে ইদাইন করা বা না করা দুটোই আছে , তিরমিজী শরীফে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:) এর বর্ননায় রফে ইদাইন না করার স্পষ্ট বর্ননা আছে । “ইলাউস সুনান” গ্রন্হে হানাফী মাজহাবের সমস্ত জুরিসপ্রুডেন্স এর হাদিস এর রেফারেন্স উল্লেখা আছে । আর যখন কোনো বিষয়ে দুই রকম সহিহ হাদিস পাওয়া যায় তখন মুজতাহিদ ইমামরা নির্দিষ্ট পন্হায় কোনো একটিকে গ্রহন করেন যেটাক “উসুল” বা গ্রামার ওফ জুরিসপ্রুডেন্স বলা হয় । সুতরাং কাউকেও বলা যাবে না যে তার পক্ষের দলীল নেই ।

    আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদের সঠিক জ্ঞান দিন । আমিন।

    shane2k

    Agree to your points. Presence or absence of proof was not my point rather when there are signs of proof one cannot negate or oppose the other group. Your very last arguement just goes to prove that both ways are acceptable. But when more than one hadiths are considered Sahih that “Garammar of Jursiprudence” does not accept only one but all but the principle of such or the formula is different. I recall mentioning in one of my comments in a topic in a blog in this site which is very relevant to this discussion as well, it is that when hadiths express different opinions it does not mean it negates each other or it contradicts each other rather it these hadiths draw the limits of the topic. Meaning, on a particular topic if one says “A” and the other says “B” then A and B do not contradict rather A and B are the limits and options of the topic. This is the general concensious of the Scholars. My concern is in the recent times and also at times our scholars do not and have seen sometime does not or may be fail to go with this principle.

    I would like to invite to read my “Moon Sighting” article where I have posted the link of the book where such differences are clear. Though analogy is present but at times it is clear that analogy fails to acknowledge the new information and such is due to the scholar who is not so willing to come out of his regular norms.

  4. Yes, u r right.
    আমারব্লগে ইসলামিক আর্টেকেল পোস্ট করলে গালাগালি করে
    Ami এই সাইটের খবর amarblog.com theke i payasi….

  5. ভাই নিচের ব্লগটা পড়ুন আর যদি কোন দাতভাঙ্গা জবাব জানা থাকে….পোষ্ট করুন অথবা আমাকে বলেন……..
    যাতে কোন উত্তর দিতে পারি….
    http://faruk55kw.amarblog.com/posts/86740

    হাফিজ

    ওহ, ফারুক এর লেখা । সে তো আহলে কোরান , অর্থ্যাৎ হাদিস, ফেকাহ কিচ্ছু মানে না । তার সম্বন্ধে একটা বিশাল পোস্ট দিয়েছিল আমারব্লগের এক নিক । সেটা আগে দেখুন :

    http://deshebideshe.amarblog.com/posts/74481/

    হাফিজ

    তার সাথে তর্ক করার চেয়ে ভালো হয় যদি তার মত গুলো কপি পেস্ট করে দেন , যাতে নিরীহ পাবলিকরা তার সম্বন্ধে জানতে পারে।

  6. হাফিজ ভাই আহলে হাদিস, আহলে কোরান, মোহাম্মাদী, হানাফীদের মধ্য পার্থক্য কি কি? এসব নিয়ে যদি বিস্তারিত একটা ব্লগ লেখতেন ভালো হত।
    ধন্যবাদ, লেখাটি পড়লাম আর দেখলাম তার এখনো শিক্ষা হয়নি ও বুঝলাম সে একজন জ্ঞানপাপী।

    হাফিজ

    রেজওয়ান ভাই, এভাবে বলবেন না , তার অনেক অবদান আছে , তাছাড়া সে নিজে ফলো না করলেও মাজহাব অস্বিকার করে না বা কাউকে গালাগালি করে না । এটা তার একটা ভালো দিক । আর তার দ্বারা শত শত বিধর্মী মুসলমান হচ্ছে , এটা নিশ্চয় সহজ কাজ না ।
    আর একটা মানুষেরতো সব গুন থাকে না । জাকির নাইক তার সম্পুর্ন সময় দ্বিন প্রচারের কাজে ব্যয় করে এটা আমরা কয়জন করি বলেন ?

    rezowan

    না না আমিতো জাকির নাইকের কথা বলিনি আমি বলেছি ফারুকের কথা।
    হ্যা, মাজহাব বিষয়ে পরেই লিখুন। প্রথমে ইসলামের প্রতি আকর্ষন হয় এমন আর্টিকেলই বেশী লিখুন।

    হাফিজ

    ওহ , তাই বলেন । ফারুক জ্ঞানপাপীও হতে পারে আবার পেইড এজেন্ট হতে পারে । সে কোনো জায়গায় বলে নাই যে সে মুসলমান । আর যে শিয়া , সুন্নিদের মোশরেক বলে সে কখনও মুসলমান হতে পারে না । Quran Only এই মতবাদের যারা তারা সমস্ত আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতের মতে অমুসলিম । বিস্তারিত পরে আলাপ হবে ।

    হাফিজ

    রেজওয়ান ভাই, আর একটা কথা , পরের দিকে মাজহাব এবং অন্যান্য মতবাদ নিয়ে লেখার আগ্রহ আছে , তবে প্রথমে ইসলামের প্রতি আকর্ষন হয় এমন আর্টিকেল বেশী বেশী করে লেখার আগ্রহ আছে । এসম্বন্ধে আপনার মত কি জানাবেন ।

    shane2k

    Zakir Naik is not a staunch or blind follower of any Mazhab but he looks up to the the Imams of School of Thoughts as they are infact one of our leading Scholars of time. I think Hafiz bhai was not trying to point out that it is wrong that Zakir Naik is not a supporter who would call himself only Hanafi or Shafi, etc, rather he was trying to point due to limited knowledge of the mass it is infact prudent to stick to the scholars of the land and this is something Dr Zakir himself agrees and unanimously every scholar agrees. What Dr. Zakir rightfully promotes and which I also agree that we do not require or have any need to attach ourselves to a particular School of Thought and be strict to establish and promote its value. This would push ourselves in to darkness due blindness and stops the door or Scholarly argument which the very Imams of these Schools were promoting.

    I personally do the analogy as below. Physics, Chemistry, Biology is universal in Science, no matter from which University you get your PHd from the essence remains the same. Each University may come up with their new theories and fact finding methods and new innovative ideas based on their research to reveal the truth or to understand it, this does not necessarily mean it becomes Physics of Dhaka University, Physics of MIT or Physics of Harvard, when you are in MIT and if you do not follow the Physics of Harvard you are breaking the laws of Physics. Similarly, these 4 Imams are our leading Scholars and we look up to their work and it is as simple as that to me, nothing more than that to call myself Hanafi or whatever or nothing less than that to say their work is pointless. I think this is what Dr Zakir is promoting, so does Dr Tariq Ramadan.