লগইন রেজিস্ট্রেশন

মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লে আলা

লিখেছেন: ' হাফিজ' @ বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৮, ২০১০ (২:৩৭ অপরাহ্ণ)

নজরুলের একটি অনবদ্য নাত-এ-রসুল আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম

মোহাম্মদ মুস্তফা সাল্লে আলা
তুমি বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়ালা ।।

পাপে-তাপে পূর্ণ আধার দুনিয়া
হ,ল পূণ্য বেহেশতী নূরে উজালা ।।

গুনাহগার উম্মত লাগি’ তব
আজো চয়ন নাহি, কাদিছ নিরালা ।।

কিয়ামতে পিয়াসী উম্মত লাগি’
দাড়ায়ে র’বে ল’য়ে তহুরার পিয়ালা

জ্বলিবে হাশর দিনে দ্বাদশ রবি ,
নফসি নফসি ক’রে সকল নবী
য়্যা উম্মতী , য়্যা উম্মতী, একেলা তুমি,
কাদিবে খোদার পাক আরশ চুমি –
পাপী উম্মত ত্রাণ তব জপমালা ।।

করে আউলিয়া আম্বিয়া তোমারি ধ্যান
তব গুন গাহিল খোদ আল্লাহতা’লা ।।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৬৬৪ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৪.০০)

৩৯ টি মন্তব্য

  1. “তুমি বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়লা”

    “করে আউলিয়া আম্বিয়া তোমারি ধ্যান”

    – এই কথাগুলোতে কি শিরক পান না হাফিজ ভাই?

    হাফিজ

    @মনপবন, জ্বী না আমি পাইনি , আপনি কি পেলেন একটু ব্যাখ্যা করেন ।

    মনপবন

    @হাফিজ, আল্লাহর গুণবাচক নামগুলোর মধ্যে একটি “আল-মালিক” এর অর্থ রাজাধিরাজ, বা সত্য রাজা যিনি সব রাজারও রাজা। আরবিতে “মালিক” মানে রাজা/বাদশাহ আর “আল-মালিক” বা দ্য মালিক মানে আল্লাহ। কাজেই যদি কাউকে বাদশাহের বাদশাহ বলতে হয় তিনি আল্লাহ – মুহাম্মদ (সাঃ) নন। মুহাম্মদ (সাঃ) কে “বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়লা” বলা শিরকে আসমা ওয়াস সিফাত।
    মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে বাদশাহী প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এটা ঐতিহাসিক সত্য, তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার সময় খলিফা উপাধি পছন্দ করেছিলেন ‘মালিক’ নয়। কাজেই উনাকে শুধু বাদশাহ বলাটাও অনুচিত।

    একথা ঠিক কিছু নামধারী মুসলিম মুহাম্মদ (সাঃ) এর ধ্যান করে। কিন্তু একাজ শিরকে আকবার। আল্লাহ বলেন –
    “নিশ্চয়ই তোমারা আল্লাহ ব্যতীত আর যাদেরকে ডাক তারাও তোমাদের মত আল্লাহর দাস” ৭-১৯৪
    সুতরাং যেসব আউলিয়া আম্বিয়া মুহাম্মদ (সাঃ) এর ধ্যান করে তারা শিরক করে।

    দ্য মুসলিম

    @মনপবন,

    কাজেই যদি কাউকে বাদশাহের বাদশাহ বলতে হয় তিনি আল্লাহ – মুহাম্মদ (সাঃ) নন। মুহাম্মদ (সাঃ) কে “বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়লা” বলা শিরকে আসমা ওয়াস সিফাত।
    সুক্ষ্মভাবে চিন্তা করলে কিছুটা গন্ধ হয়তো পাওয়া যাবে। আপনার যুক্তি অগ্রাহ্য করা যায় না।

    করে আউলিয়া আম্বিয়া তোমারি ধ্যান
    এখানে ধ্যান বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন তিনিই ভালো বলতে পারবেন। তিনি হয়তো হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আদর্শ অনুযায়ী জীবন গঠনের প্রচেষ্টা করাকে ধ্যান বলেছেন, যা আউলিয়ারা করে থাকেন। তাছাড়া দুরূদ পাঠ করাকেও ধ্যান বলে থাকতে পারেন।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম,
    কাজেই যদি কাউকে বাদশাহের বাদশাহ বলতে হয় তিনি আল্লাহ – মুহাম্মদ (সাঃ) নন। মুহাম্মদ (সাঃ) কে “বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়লা” বলা শিরকে আসমা ওয়াস সিফাত।
    সুক্ষ্মভাবে চিন্তা করলে কিছুটা গন্ধ হয়তো পাওয়া যাবে। আপনার যুক্তি অগ্রাহ্য করা যায় না।

    ওসমানি খেলাফতের সময় বিভিন্ন দেশে খলীফা থাকতেন এবং তাদের সকলের আবার কেন্দ্রীয় একজন খলীফা থাকতেন । যাকে নির্দিদ্ধায় বলা যায় “খলীফাদের খলীফা” । এর বাংলা যদি কেউ বলে “বাদশাহর বাদশাহ” তাহলে তাকে কি শীরক বলা যায় ?

    এটা সম্পূর্ন আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার সৃষ্টির মধ্যে একটি তুলনা বা পজিশন , এর সাথে স্রষ্টার মাহাত্ন বা জাতের কি সম্পর্ক ? আর স্রষ্টাকে কি বাদশাহ বা খলীফা বলা যায় ?

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    না, যায় না। আমিও তাই বলেছি। যদি কেউ সূক্ষ্মভাবে চিন্তা করে তবে হয়তো শিরকের গন্ধ পেতে পারে। তবে এভাবে সরাসরি শিরকে আকবর বলা উচিত হবে না। তাছাড়া কবিতা লিখার সময় ছন্দ মেলানোর জন্য বিভিন্ন শব্দ আমদানি করতে হয়, লিখকের মনে এধরণের কিছু ছিলো বলে মনে হয় না।

    মেরিনার

    @মনপবন, সহমত – একেবারে স্পষ্ট “শিরক আকবার”!!

    হাফিজ

    @মনপবন,
    , আল্লাহর গুণবাচক নামগুলোর মধ্যে একটি “আল-মালিক” এর অর্থ রাজাধিরাজ, বা সত্য রাজা যিনি সব রাজারও রাজা। আরবিতে “মালিক” মানে রাজা/বাদশাহ আর “আল-মালিক” বা দ্য মালিক মানে আল্লাহ। কাজেই যদি কাউকে বাদশাহের বাদশাহ বলতে হয় তিনি আল্লাহ – মুহাম্মদ (সাঃ) নন। মুহাম্মদ (সাঃ) কে “বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়লা” বলা শিরকে আসমা ওয়াস সিফাত।
    মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে বাদশাহী প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এটা ঐতিহাসিক সত্য, তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার সময় খলিফা উপাধি পছন্দ করেছিলেন ‘মালিক’ নয়। কাজেই উনাকে শুধু বাদশাহ বলাটাও অনুচিত।

    মনপবন আপনার মতের জন্য ধন্যবাদ ।

    “আল-মালিক” আরবী শব্দ এর অর্থ রাজাধিরাজ নয় । আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা “রাজা” নয় । রাজা , রানী এসকল শব্দ আল্লাহ তাআলার ক্ষেত্রে উল্লেখ করা সমীচিন নয় । কিন্ত যেহেতু বাংলায় মালিক শব্দের প্রকৃত অর্থ হয় না , তাই অনেকে এটা বলে থাকে । মালিক অর্থ তিনি আমাদের মালিক , বা অভিভাবক ।

    আপনিই বলেন আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার ক্ষেত্রে “রাজা” বা “রাজার রাজা” একথা বলা কি ঠিক ?


    একথা ঠিক কিছু নামধারী মুসলিম মুহাম্মদ (সাঃ) এর ধ্যান করে। কিন্তু একাজ শিরকে আকবার। আল্লাহ বলেন –
    “নিশ্চয়ই তোমারা আল্লাহ ব্যতীত আর যাদেরকে ডাক তারাও তোমাদের মত আল্লাহর দাস” ৭-১৯৪
    সুতরাং যেসব আউলিয়া আম্বিয়া মুহাম্মদ (সাঃ) এর ধ্যান করে তারা শিরক করে।

    ধ্যান করা অর্থ কারো বিষয়ে চিন্তা করা , আর স্রষ্টাকে ডাকা অর্থ তার ইবাদত করা । এদুটোকে আপনি এক করে ফেলেছেন । রসুলের ধ্যান করা অর্থ তার বিষয়ে চিন্তা করা । শুধু রসুল কেনো , স্বামি স্ত্রী , বাবা মা যেকারো জন্যই ধ্যান করা যায় । আপনি অভিধান যদি দেখেন , সেখানে দেখবেন “ধ্যান” করা বলতে বুঝিয়েছে কোনো বিষয়ে গভীর মনোনিবেষ সহ চিন্তা করা । এইজন্য ধ্যান থেকে আরো একটি শব্দ এসেছে অনুধ্যান বা Discourse ।

    মেরিনার

    @হাফিজ, নজরুলকে defend করা কি এতই জরুরী কোন ব্যাপার?
    বিশেষত আপনি যখন জানেন যে, শিরক এমন একটি পাপ যা আল্লাহ্ কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। আমাদের উচিত শিরকের সকল উপাদান বা এমনকি সম্ভাব্য উপাদান থেকেও নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখা। নজরুলের status আল্লাহ ঠিক করবেন – আমরা তার জন্য দোয়া করতে পারি – তিনি অজ্ঞতাবশত ওরকম বলেছেন মনে করে। কিন্তু তার ভুল আচরণকে defend করতে গেলে, আমরা হয়তো নিজেরাই শিরকের দায়ভার আমাদের কাঁধে উঠিয়ে নেবো। নজরুলের লেখায় অগণিত শিরক রয়েছে – আপনি কয়টা উদাহরণ চান? আমি এসব discussion-এ অংশগ্রহণ করতে চাই না, কারণ আমার জীবনে সময় খুব কম বলে আমি মনে করি। কিন্তু আজ অংশগ্রহণ করলাম স্রেফ আপনার জন্য – কারণ ইসলামী বিষয়ে আপনার attitude, আমি সাধারণভাবে ঠিক মনে করি। ক্বিয়ামতের দিন নজরুল বা পৃথিবীর কোন মানুষই আপনার বোঝাটুকু শেয়ার করবে না! আল্লাহ্ আমাদের ঐ আগুন থেকে রক্ষা করুন যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর!! আমীন!!!

    হাফিজ

    @মেরিনার,

    @হাফিজ, নজরুলকে defend করা কি এতই জরুরী কোন ব্যাপার?
    বিশেষত আপনি যখন জানেন যে, শিরক এমন একটি পাপ যা আল্লাহ্ কিছুতেই ক্ষমা করবেন না। আমাদের উচিত শিরকের সকল উপাদান বা এমনকি সম্ভাব্য উপাদান থেকেও নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখা।

    নজরুলকে আমি defend করছি না । এবং আমি এটাও জানি নজরুল আমাদের আদর্শ কোনোমতেই হতে পারে না । তবে তার সব কাজকে আমি ফেলে দিতে রাজি না । নজরুলের অনেক লেখায় শরীয়ত বিরোধি কথা আছে আমি জানি , সেটা আমি অস্বীকার করছি না । আমি শুধু যে বিষয়ে মনপবন আলোচনা করছেন , সেটা নিয়ে আসছি ।

    হাফিজ

    @মেরিনার, আর একটি কথা , শুধু নজরুলের ব্যাপার হলে আমি এর উত্তর দিতাম না । কেননা নজরুলের অনেক শরীয়তবিরোধী কাজ আছে , যেটা আমি জানি । কিন্ত এখানে এটার উত্তর দেবার আরো একটি কারন আছে । আজকাল অনেককেই দেখা যায় কোনো একটি বিষয়ে একটু উনিশ বিশ হলে বিচার বিশ্লেষন না করেই “হারাম, কুফরী , শেরেক” ইত্যাদি বলে থাকে । যেটার আমি ঘোরতর বিরোধী । কারো বক্তব্য শরীয়ত বিরোধী মনে হলে আগে তার থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া উচিত । সে জীবিত না থাকলে সেই বক্তব্যের বিভিন্ন ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করে দেখা উচিত ।

    কোনো বক্তব্যের যদি দুটো ব্যাখ্যাই থেকে “যার একটি শেরেকী এবং আর একটি অনুমোদিত” , তাহলে আমাদের ফতোয়া দেবার আগে তেমনভাবেই উল্লেখ করা উচিত । আমাদের বলা উচিত “লেখক যদি বক্তব্যের মাধ্যমে এমন বুঝাতে চায় , তাহলে সেটা শেরেকী আর লেখক যদি বক্তব্যের মাধ্যমে এমন বুঝাতে চায় তাহলে সেটা শেরেকী নয়” ।

    মেরিনার

    @হাফিজ, এখানে কয়েকটা মূলনীতি মনে রাখতে হবে:

    ১) যে কাউকে আমরা কেবল তার বাহ্যিক আচরণ দিয়ে বিচার করবো – তার অন্তর চিরে দেখার ক্ষমতা বা প্রয়োজনীয়তা – কোনটাই আমাদের নেই। যে কোন একটা ব্যাপরে বা বক্তব্যে, স্পষ্ট অর্থ যেটা আমরা সেটাই গ্রহণ করবো।
    ২) “কুফর”-কে “কুফর” বা “শিরক”-কে শিরক না বলতে বলতে এমন অবস্থা হয়েছে যে, আজ প্রতিকৃতি বা মূর্তিতে ফুল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকাও ৮৭% মুসলিমের দেশে “শ্রদ্ধা নিবেদন” হয়ে দাঁড়িয়েছে – এটা প্রাথমিকভাবে ‘আলিমদের ব্যর্থতা! তাই এই কাজগুলোকে সনাক্ত করে “কুফর” এবং “শিরক” নামেই অভিহিত করতে হবে।
    ৩) কাজগুলোকে “কুফর” এবং “শিরক” নামেই অভিহিত করলেও, সংশ্শিষ্ট ব্যক্তিকে যেন আমরা কিছুতেই “কাফির” বা “মুশরিক” বলে না ডাকি! এটা আমাদের কাজ নয়। তবে বিশ্ব বরেণ্য মুফতিরা যদি কারো ব্যাপারে judgment দেন, তবে আমরা তা follow করবো!

    হাফিজ

    @মেরিনার,


    ১) যে কাউকে আমরা কেবল তার বাহ্যিক আচরণ দিয়ে বিচার করবো – তার অন্তর চিরে দেখার ক্ষমতা বা প্রয়োজনীয়তা – কোনটাই আমাদের নেই। যে কোন একটা ব্যাপরে বা বক্তব্যে, স্পষ্ট অর্থ যেটা আমরা সেটাই গ্রহণ করবো।

    সহমত । তবে সে জীবিত থাকলে তার মতামতও নিতে হবে , সে একথার দ্বারা কি বুঝিয়েছে ।

    ২) “কুফর”-কে “কুফর” বা “শিরক”-কে শিরক না বলতে বলতে এমন অবস্থা হয়েছে যে, আজ প্রতিকৃতি বা মূর্তিতে ফুল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকাও ৮৭% মুসলিমের দেশে “শ্রদ্ধা নিবেদন” হয়ে দাঁড়িয়েছে – এটা প্রাথমিকভাবে ‘আলিমদের ব্যর্থতা! তাই এই কাজগুলোকে সনাক্ত করে “কুফর” এবং “শিরক” নামেই অভিহিত করতে হবে।

    সহমত ।


    ৩) কাজগুলোকে “কুফর” এবং “শিরক” নামেই অভিহিত করলেও, সংশ্শিষ্ট ব্যক্তিকে যেন আমরা কিছুতেই “কাফির” বা “মুশরিক” বলে না ডাকি! এটা আমাদের কাজ নয়। তবে বিশ্ব বরেণ্য মুফতিরা যদি কারো ব্যাপারে judgment দেন, তবে আমরা তা follow করবো!

    সহমত ।

    হাফিজ

    @মেরিনার,

    এখানে আরো একটি কথা । অনেক সময় আছে কোনো কাজ বিশ্বাস করলে শিরক কিন্তু সেটা বিশ্বাস না করে শুধু আমল করলে শিরক হয় না । যেমন ধরুন “সিজদা করা” । আমরা আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে সিজদা করি না । এখন কেউ যদি কাউকে সিজদা করে তাহলে সেটা সম্পূর্ন হারাম । কিন্তু সেটা শিরক কিনা সেটা নির্ভর করবে তার নিয়তের উপর । তার নিয়ত যদি হয় আল্লাহর সমকক্ষ দাড় করানো তাহলে সেটা নির্দিদ্ধায় শিরক। আর তার উদ্দেশ্য যদি আল্লাহর সমকক্ষ করা না হয় , তাহলেও সেটা হবে “হারাম” , তবে শিরক নয় ।
    [ শুধু সিজদা করা যে শিরক নয়, এটার প্রমান পাবেন ইউসুফ (আ:) এর ঘটনাতে যেটা কোরআন শরীফে উল্লেখ আছে । ] ।

    আমি উপরে সেটাই বুঝাতে চেয়েছি । যদি “বাদশাহর বাদশা” আল্লাহর সমকক্ষ দাড় করানোর জন্য না হয় , তাহলে সেটা কোনোমতেই শিরক নয় । তবে আলেমরা যদি বলেন এটা ব্যবহার করা অনুচিত , তাহলে সেটা হারামের পর্যায়ে পড়বে , শিরক নয় । শিরক সবসময় নিয়তের ওপর নির্ভর করবে ।

    আমার আপত্তি ছিল সেই জায়গায় , আপনারা লেখার সাথে সাথে বললেন “একেবারে স্পষ্ট “শিরক আকবার”!!” । এভাবে না বলে বিষয়টি পরিস্কারভাবে সমস্ত পারস্পেকটিভে ব্যাখ্যা করা উচিত ।

    দ্য মুসলিম

    @হাফিজ,

    শিরক নিয়তের উপর নির্ভর করে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো ব্যতিক্রম।
    কেউ যদি পকেটে দশ টাকা নিয়ে আইসক্রিম খাবার জন্য ঘোরাঘোরি করে, তবে এটাকে কখনোই শিরক বলা যাবে না। কিন্তু কেউ যদি সেই দশ টাকাকে যাবতীয় দুঃখ-দুর্দশা দুর কারী বা তাকে রক্ষাকারী এই ধরণের মনভাব নিয়ে থাকে তবে তা শিরক হবে।
    দেখা যাচ্ছে ঘটনা একই, কিন্তু নিয়তের ক্ষেত্রে অবস্হা ভিন্ন।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম,

    শিরক নিয়তের উপর নির্ভর করে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো ব্যতিক্রম।

    আপনার উত্তরটা স্পষ্ট নয় । তবে আপনার উদাহরন কিন্তু স্পষ্ট । আপনার উদাহরনে বোঝা যাচ্ছে , সে ব্যক্তি পকেটে ১০ টাকা নিয়ে
    ঘুরছে সেটা ব্যাপার না , কিন্তু যখনই সে “আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার” উপর ভরসা না করে টাকার উপর মুল ভরসা করছে , তখনই সেটা শিরক হচ্ছে । এতে বোঝা গেলো সেটা নিয়তের ওপর নির্ভরশীল ।

    pathkhuji

    @হাফিজ,@হাফিজ,

    শুধু সিজদা করা যে শিরক নয়, এটার প্রমান পাবেন ইউসুফ (আ:) এর ঘটনাতে যেটা কোরআন শরীফে উল্লেখ আছে ।

    আসসালামু আলাইকুম।
    ইসলাম আসার পর সিজদা দেবার রেওয়াজ বন্ধ হয়ে গেছে, তাফসির ইবনে কাসিরের ব্যখ্যা অনুযায়ি। এটা আপনি সুরা ইউসুফের তাফসিরে পাবেন। নিচে আমি একটু অংশ তুলে ধরলাম।

    (I saw (in a dream) eleven stars…) In the laws of these and previous Prophets, it was allowed for the people to prostrate before the men of authority, when they met them. This practice was allowed in the law of Adam until the law of `Isa, peace be upon them, but was later prohibited in our law. Islam made prostration exclusively for Allah Alone, the Exalted and Most Honored. The implication of this statement was collected from Qatadah and other scholars. When Mu`adh bin Jabal visited the Sham area, he found them prostrating before their priests. When he returned (to Al-Madinah), he prostrated before the Messenger of Allah , who asked him,

    «مَا هَذَا يَا مُعَاذُ؟»

    (What is this, O, Mu`adh) Mu`adh said, “I saw that they prostrate before their priests. However, you, O Messenger of Allah, deserve more to be prostrated before.” The Messenger said,

    «لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ، لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا لِعِظَمِ حَقِّهِ عَلَيْهَا»

    (If I were to order anyone to prostrate before anyone else (among the creation), I would have ordered the wife to prostrate before her husband because of the enormity of his right on her.) Therefore, this practice was allowed in previous laws, as we stated. This is why they (Ya`qub and his wife and eleven sons) prostrated before Yusuf

    হাফিজ

    @pathkhuji, ব্রাদার , একটু মনোযোগ দিয়ে লেখাটা পড়লে ভালো হতো না । ইসলাম আসার পর সিজদা যে নিষেধ হয়ে গেছে সেটা আমিও বলেছি । দেখুন :

    এখন কেউ যদি কাউকে সিজদা করে তাহলে সেটা সম্পূর্ন হারাম । কিন্তু সেটা শিরক কিনা সেটা নির্ভর করবে তার নিয়তের উপর । তার নিয়ত যদি হয় আল্লাহর সমকক্ষ দাড় করানো তাহলে সেটা নির্দিদ্ধায় শিরক। আর তার উদ্দেশ্য যদি আল্লাহর সমকক্ষ করা না হয় , তাহলেও সেটা হবে “হারাম” , তবে শিরক নয় ।

    মনপবন

    @হাফিজ ভাই, আপনার সাথে তর্ক করার কোন ইচ্ছা আমার নেই, আপনাকে তর্কে পরাজিত করার ইচ্ছাও নেই, শাহরিয়ার ভাইয়ের পোস্টের থেকে শিক্ষা পেয়েছি। তাও লিখতে হচ্ছে অন্য যারা পড়বে তাদের জন্য।

    مَـٰلِكِ – মাআলিক, যেখানে মিম এর উপর টান আছে তার অর্থ – স্বত্তাধিকারী যাকে আমরা চলতি বাংলায় মালিক বলি।
    উদাহরণঃ সুরা ফাতিহার তৃতীয় আয়াত –
    Verse:003
    Dr. Mohsin : The Only Owner (and the Only Ruling Judge) of the Day of Recompense (i.e. the Day of Resurrection)
    Pickthal : Owner of the Day of Judgment,
    Yusuf Ali : Master of the, Day of Judgment.

    مَلِكِ – মালিক, মিম এ এক আলিফ টান নেই, এর অর্থ রাজা, ইংরেজিতে কিং।
    উদাহরণঃ সুরা নাসের দ্বিতীয় আয়াত -
    Verse:002
    Dr. Mohsin : “The King of mankind
    Pickthal : The King of mankind,
    Yusuf Ali : The King (or Ruler) of Mankind―

    মজার ব্যাপার হল আমি রাজাধিরাজ শব্দটা এনেছিলাম তালহা তিতুমীর ভাইয়ের একটি পোস্ট থেকে যেখানে আপনি কমেন্ট করেছিলেন – “খুবই সুন্দর হয়েছে পোস্টটি । সংরক্ষন করে রাখলে পরে কাজে দিবে । ধন্যবাদ আপনাকে ” [ জানুয়ারি ২, ২০১০ at ১:১৩ পূর্বাহ্ণ ]
    সেখানে আপনি

    ৩। আল-মালিক~~~~(রাজাধিরাজ) ~~~~(২৩ : ১১৬)

    এটার কোন প্রতিবাদ করেননি, কিন্তু এখন করলেন কারণ এখন তা আপনার ব্যাখ্যার বিপক্ষে যাচ্ছে। আমি আল্লাহকে “রাজা” বলিনি, “সব রাজার রাজা” বলেছি। আল্লাহ যেখানে ক্বুরানের বহু স্থানে (আল ক্বামার ৫৫, ত্বোহা ১১৪, আল হাশর ২৩, আল জুম’আ ১) নিজেকে আল-মালিক বা দ্য কিং বা রাজাধিরাজ বলেছেন সেখানে আমি ঠিক-বেঠিক বলার কে? বাদশাহর বাদশাহ মানে সব বাদশাহর বাদশাহ বা রাজাধিরাজ এটা কি স্পষ্ট নয়?
    আল্লাহ যে নাম নিজের জন্য রেখেছেন তা অন্য কাউকে দেয়া শিরকে আসমা ওয়াস সিফাত অর্থাৎ আল্লাহর নাম এবং গুণসমুহে অন্য কাউকে অংশীদার করা।
    ——————————————————————————————————
    ধ্যান (p. 442) [ dhyāna ] বি. 1 মনের স্হিরতা লাভের উদ্দেশ্যে গভীর চিন্তা; 2 অভিনিবেশসহকারে মনন বা স্মরণ; 3 (দেবতাদির) রূপচিন্তন। – সংসদ বাংলা অভিধানের ৪৪২ পৃষ্ঠা থেকে নেয়া।

    ধ্যানের বর্তমান প্রচলিত অর্থ – আরাধনা/ইবাদাত যদি নেয়া হয় তবে সেটা শিরক হবে এবং সেটা শিরকে আকবার। কিন্তু আপনি যে অর্থে ধ্যান ভাবছেন তাহলে তা শিরক হবেনা। আপনার মতামত এক্ষেত্রে ঠিক, আমারটা ভুল। কিন্তু তারপরেও সংশয়ের অবকাশ থেকে যায় কারণ আপনি/ আমি কেউই জানিনা নজরুল কি অর্থে লিখেছিলেন। আল্লাহ তাকে মাফ করুক।
    ধ্যান মানে যদি চিন্তাও ধরে নেই তবে রসুলুল্লাহ (সাঃ) সম্পর্কে চিন্তা করার চেয়ে তাঁর সিরাত পড়ে তাঁর সম্পর্কে জানাটা কি ভালো নয়? আমরা তো আল্লাহর আয়াত নিয়ে চিন্তা করতে আদিষ্ট হয়েছি রসুলকে নিয়ে নয়।
    আল্লাহ আমাদেরকে নির্ভেজাল ইসলাম প্রচারের তৌফিক দিন।

    হাফিজ

    @মনপবন,
    @হাফিজ ভাই, আপনার সাথে তর্ক করার কোন ইচ্ছা আমার নেই, আপনাকে তর্কে পরাজিত করার ইচ্ছাও নেই, শাহরিয়ার ভাইয়ের পোস্টের থেকে শিক্ষা পেয়েছি। তাও লিখতে হচ্ছে অন্য যারা পড়বে তাদের জন্য।

    আপনি যেহেতু আগের থেকেই আমার সম্বন্ধে খারাপ ধারনা মনে রাখছেন , তাই আর আলোচনা বাড়ালাম না , কেননা তাতে দুরত্ব আরো বাড়বে । আর যে পোস্টের দিকে আপনি ইংগিত দিয়েছেন সেটা আরও একটু ভালো করে পড়ে দেখবেন উনি কত জায়গায় আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমন করা সত্বেও আমি কিছু বলিনি ।

    হাফিজ

    @মনপবন,
    এটার কোন প্রতিবাদ করেননি, কিন্তু এখন করলেন কারণ এখন তা আপনার ব্যাখ্যার বিপক্ষে যাচ্ছে।

    আপনি একটি ধারনা করে আমাদের দোষারোপ করছেন , এই কাজটি কি ঠিক ?

    হাফিজ

    দু:খিত “আমাদের” নয় , হবে “আমার” ।

    সাদাত

    @হাফিজ,

    এক্ষেত্রে আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না। আপনি জেনে বলছেন তো? আমার মনে হয় কোন অভিজ্ঞ আলেমের কাছ থেকে ব্যাপারটি সম্পর্কে জেনে নিন।

    হাফিজ

    @সাদাত, আমি আপনার সাথে এখন আলোচনা করব , যেহেতু আপনি ধৈর্যের সাথে বিদ্বেষ না রেখে আলোচনা করেন , শুধুমাত্র সেই কারনে । আপনি যদি আমার সাথে আলোচনা Continute করেন তাহলে দেখবেন , শুধুমাত্র নিজেকে Defend করা বা তর্কে জেতার জন্য আমি আলোচনা করি না ।

    আমার মনে হয় কোন অভিজ্ঞ আলেমের কাছ থেকে ব্যাপারটি সম্পর্কে জেনে নিন।

    আমার এতে কোনো আপত্তি নেই । তবে আগে যদি আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিতে পারি সেটাতেও আমি রাজি ।

    হাফিজ

    @সাদাত,

    কেউ যখন কোনো কথা বলবে , আগে তার থেকে সেটার ব্যাখ্যা চাইতে হবে । তার ব্যাখ্যার উপর “ফতোয়া” হবে । আর সে যদি জীবিত না থাকে , এবং তার ব্যাখ্যার পজিটিভ এবং নেগেটিভ দুটো অর্থই যদি করা যায় , তাহলে সেটার ওপর কুফরী বা শেরিকী বলা যায় না । এ বিষয়টি কি আমি ঠিক বললাম ?

    সাদাত

    @হাফিজ,
    তার ব্যাখ্যার পজিটিভ এবং নেগেটিভ দুটো অর্থই যদি করা যায় , তাহলে সেটার ওপর কুফরী বা শেরিকী বলা যায় না
    আমার জ্ঞান অনুযায়ী এটা ঠিক আছে।
    ঝটপট কুফর শিরক শব্দ ব্যবহার করার আমা পক্ষপাতি না, কারণ আমি মুফতি না।
    আমার বক্তব্য হলো:
    ধ্যান বলতে এখানে কবি কী বুঝিয়েছেন আমি নিশ্চিত না। তবে যদি জিকির বুঝিয়ে থাকেন, তবে এটা নি:সন্দেহে শরিয়তপরিপন্থী।

    হাফিজ

    @সাদাত,

    ধ্যান বলতে এখানে কবি কী বুঝিয়েছেন আমি নিশ্চিত না।
    তবে যদি জিকির বুঝিয়ে থাকেন, তবে এটা নি:সন্দেহে শরিয়তপরিপন্থী।

    জ্বী আমিও এভাবে উত্তর দেয়া পছন্দ করি এবং আমারও এই মত । যদি এটা চিন্তা হয় তাহলে সমস্যা নেই আর যদি জিকিরের সমতুল্য মনে করা হয় সেটা শরীয়ত পন্হী ।

    সাদাত

    @হাফিজ,
    যদি এটা চিন্তা হয় তাহলে সমস্যা নেই আর যদি জিকিরের সমতুল্য মনে করা হয় সেটা শরীয়ত পন্হী ।

    টাইপিং মিসটেক নাকি?

    হাফিজ

    @সাদাত, জ্বী হবে শরীয়ত পরিপন্হী ।

  2. মনপবন ভাই ঠিক বলেছেন বলেই আমার ধারণা।

    ১.তুমি বাদশারও বাদশাহ কমলিওয়ালা ।।

    রাজার রাজা উপাধি একমাত্র আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট। কারো সন্দেহ লাগলে যে কোন মুফতি সাহবকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

    ২.করে আউলিয়া আম্বিয়া তোমারি ধ্যান
    তব গুন গাহিল খোদ আল্লাহতা’লা ।।

    ধ্যান বলতে এখানে কবি কী বুঝিয়েছেন আমি নিশ্চিত না। তবে যদি জিকির বুঝিয়ে থাকেন, তবে এটা নি:সন্দেহে শরিয়তপরিপন্থী।

    আরেকটা গজল আছে:
    মুহাম্মাদের নাম জপে ছিলি বুলবুলি তুই আগে…

    আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নাম জপা নিষিদ্ধ।

    এমন কি “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” এটা জপ করা যাবে না।
    জপতে হবে শুধু “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ” ।
    তবে “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর জিকির করার সময় মাঝে মাঝে রিসালাতের স্বীকৃতি হিসেবে “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” পুরোটা বলা যেতে পারে।

    বিষয়টা আমি নিশ্চিত। কারো সন্দেহ লাগলে যে কোন মুফতি সাহবকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

    হাফিজ

    @সাদাত,
    রাজার রাজা উপাধি একমাত্র আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট। কারো সন্দেহ লাগলে যে কোন মুফতি সাহবকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

    আমি আলেমদের সাথে আলোচনা করে আবার আপনার সাথে আলোচনা করব ।

    সাদাত

    @হাফিজ,
    বুখারি শরিফের নিচের হাদিস(অনুবাদ) দুটো দেখুন।
    আর হ্যাঁ আলেমদের সাথে অবশ্যই আলোচনা করুন।

    Volume 8, Book 73, Number 224:
    Narrated Abu Huraira:

    Allah’s Apostle said, “The most awful name in Allah’s sight on the Day of Resurrection, will be (that of) a man calling himself Malik Al-Amlak (the king of kings).”

    Volume 8, Book 73, Number 225:
    Narrated Abu Huraira:

    The Prophet said, “The most awful (meanest) name in Allah’s sight.” Sufyan said more than once, “The most awful (meanest) name in Allah’s sight is (that of) a man calling himself king of kings.” Sufyan said, “Somebody else (i.e. other than Abu Az-Zinad, a sub-narrator) says: What is meant by ‘The king of kings’ is ‘Shahan Shah.,”

    হাফিজ

    @সাদাত,

    আরব দেশে বাদশাহকেও মালিক বলা হয় । কিন্তু সেটাকে তারা আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার সমকক্ষ হিসেবে বলে না । তাই সেটাকে কেউ নিষেধ বলে না । যদি কেউ মনে মনে সেটাকে সমকক্ষ দাড় করায় তবে সেটা অবশ্যই শিরক ।

    অনেক সময় কিছু শব্দ আছে যেটা অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, আবার কিছু শব্দ আছে যেটা শুধুমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার জন্য নির্দিষ্ট । যে শব্দ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় সেটার ব্যাখ্যা দরকার । আর আরবী শব্দের বাংলা সঠিক অর্থ করা খুবই কঠিন ।

    যখন “বাদশাহ” শব্দ আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় , তখন বুঝা যাবে তার বাদশাহী অনন্তকাল , সময়ের সাথে নির্দিষ্ট নয় । যার শুরু শেষ কোনটাই নেই । এটা তাকে অর্জন করে নিতে হয়নি । এটা কখনও হ্রাস বৃদ্ধি হয় না । এটা সমস্ত দুর্বলাতে থেকে পবিত্র ।

    আর যখন “বাদশাহ” শব্দ মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় , তখন বুঝা যাবে এটা ক্ষনস্হায়ী , সময়ের সাথে নির্দিষ্ট । এটার শুরু আছে । শেষ আছে । আল্লাহ চাইলে যেকোনো সময় এটা নিয়ে নিতে পারেন , এবং ওনার সাহায্য ছাড়া এক মুহুর্তকাল এটা স্হায়িত্ব লাভ করতে পারে না । এটা আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে অর্জন করে নিতে হয়েছে । এটা হ্রাস বৃদ্ধি হতে পারে ।

    সুতরাং দুটো ভিন্ন জিনিস এবং ব্যাখ্যা সাপেক্ষ । আমার উপরের ব্যাখ্যায় যদি আপনার দ্বিমত থাকে তাহলে আমি আলেমদের থেকে আলোচনা করে নিতে পারি । সাথে এটাও ভালো হয় আপনার পরিচিত আলেমদের থেকে যদি ভেরিফাই করে নিতেন ।

    সাদাত

    @হাফিজ,

    মুফতি মনসূরুল হকের কাছ থেকে আমি শুনেছি রাজার রাজা উপাধি গ্রহণ কোন মানুষের জন্য বৈধ নয়। তারপরও আপনি ভেরিফাই করুন। আমার শোনার বা বুঝার ভুলও থাকতে পারে।

    সাদাত

    @সাদাত,

    রোম বা পারস্যের সম্রাটের কাছে, রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে পত্র পাঠিয়েছিলেন, সেখানে রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোম/পারস্য সম্রাট না লিখে রোম প্রধান/পারস্য প্রধান লিখিয়েছিলেন।

    যা হোক ‘বাদশাহ’ বা ‘রাজা’ এখানে আমার আলোচনার ফোকাস নয়। আমার ফোকাস হচ্ছে ‘রাজার রাজা’ বা ‘বাদশাহের বাদশাহ’।

    ‘শাহআলম’ নামে আমার একজন পরিচিত ভাই নিজের নাম পরিবর্তন করে ‘নাঈম’ রেখেছেন। কারণ মুফতি সাহেব বলেছিলেন ‘শাহআলম’, ‘শাহানশাহ’ এসব নাম রাখা ঠিক না।

    হাফিজ

    @সাদাত, জ্বী হতে পারে এসব নাম রাখা শরীয়তে নিষেধ । কিন্ত সেই নিষেধটা কি পর্যায়ের ? যেমন অনেক সাহাবীর নাম রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) পরিবর্তন করে দিয়েছেন । কেননা সে নামগুলোর অর্থ খারাপ ছিল ।

    আমার প্রশ্ন হোলো কারো বিশ্বাস ঠিক থাকার পর এই নাম রাখলে সেটাকে কি “শিরক” বলা যাবে । ( আমি কিন্তু মেনে নিচ্ছি এই নামগুলো রাখা জায়েজ নয় )

    সাদাত

    @হাফিজ,
    আমার প্রশ্ন হোলো কারো বিশ্বাস ঠিক থাকার পর এই নাম রাখলে সেটাকে কি “শিরক” বলা যাবে ।

    এর উত্তর দেওয়া আমার স্কোপের বাইরে।

    তবে এই পয়েন্টে আপনি যদি আপত্তি করে থাকেন, সেটা করতেই পারেন।
    ঝটপট কুফর শিরক শব্দ ব্যবহার করার আমি পক্ষপাতি না, কারণ আমি মুফতি না।

  3. আসসালামু আলাইকুম সবাইকে,

    কারো কিছু গ্রহণ করা বা কারো কিছু ভালো লাগার আগে আমাদের দেখতে হবে তার আক্বিদা কেমন ছিল? সেকি সাহাবীদের মতো করে ইসলামকে বুঝতো নাকি আবেগের বশবর্তী হয়ে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যাখ্যা দেয় বা শুধু অন্ধ অনুকরণ করতো?
    ১.নজরুলে আক্বিদা ঠিক ছিল না, যদি থাকতই তাহলে তিনি হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করতেন না।
    ২.নজরুল আবেগের বশবর্তী ছিলেন আর যে কারণে তার কবিতা আর গানগুলো অধিকাংশই আমাদের আবেগী করে তোলে।
    ৩.আবেগ দিয়ে ইসলামের ব্যাখ্যা হবে না, ইসলামকে বুঝতে হবে ঠিক ঐভাবেই যেভাবে আল্লাহর রাসূল আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন এবং সাহাবীরা যেভাবে বুঝেছিলেন।
    ৪.যার আক্বিদা ঠিক নেই তার সাথে থাকলে, তার চিন্তা-ভাবনা গ্রহণ করলে আমরা নিজেরাও কনফিউসড হয়ে যাব, আর এই জন্যেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পূর্ববর্তী জাতীদের(ইহুদী ও খ্রিস্টান) অনুকরণ করতে নিষেধ করেছেন আর আল্লাহ তাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।

    আল্লাহ তাআলা আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।

    হাফিজ

    @manwithamission, নজরুল আমাদের আদর্শ নয় , এ ব্যাপারে আমি একমত । তার আকীদা আমি গ্রহন করছি না । শুধুমাত্র যে কবিতাটা এখানে উল্লেখ করলাম সে বিষয়ে আলোচনা করছি ।