<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: ২. মাজহাব ও আনুষংগিক বিষয় ( সহীহ হাদিস সরাসরি অনুসরন করা যাবে কিনা ? )</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6236</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6236</guid>
		<description>@সাদাত,  খুজে পেয়েছি , আপডেট করি দিচ্ছি ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত,  খুজে পেয়েছি , আপডেট করি দিচ্ছি ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সাদাত</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6235</link>
		<dc:creator>সাদাত</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6235</guid>
		<description>@হাফিজ,

পোস্ট লিখুন &gt;&gt; পোস্ট সম্পাদনা
এরপর আপনার পোস্ট সিলেক্ট করে সম্পাদনা করুন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ,</p>
<p>পোস্ট লিখুন &gt;&gt; পোস্ট সম্পাদনা<br />
এরপর আপনার পোস্ট সিলেক্ট করে সম্পাদনা করুন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6203</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6203</guid>
		<description>@সাদাত,  মুল পোস্টে কি এডিট করার ব্যবস্হা আছে ? এখন কি সংযুক্ত করা যাবে কিনা ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত,  মুল পোস্টে কি এডিট করার ব্যবস্হা আছে ? এখন কি সংযুক্ত করা যাবে কিনা ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6202</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6202</guid>
		<description>@সাদাত,

এখানে একটি বিষয় প্রনিধানযোগ্য । যদি তারা &quot;মাজহাবের আমলকে ভুল প্রমান করতে চান&quot; তাহলে আগে তাদের দলীল দিয়ে প্রমান করতে হবে &quot;মাজহাবের এই আমল ভুল&quot; । তারপর আমরা দলীল দিয়ে প্রমান করব সেটা সঠিক ।  যদি তারা দলীল দিয়ে প্রমান না করতে পারে যে মাজহাবের এই আমল ভুল ,তাহলে আমাদের ও দায়দায়িত্ব নেই এগুলোর পিছনে সময় নষ্ট করা ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত,</p>
<p>এখানে একটি বিষয় প্রনিধানযোগ্য । যদি তারা &#8220;মাজহাবের আমলকে ভুল প্রমান করতে চান&#8221; তাহলে আগে তাদের দলীল দিয়ে প্রমান করতে হবে &#8220;মাজহাবের এই আমল ভুল&#8221; । তারপর আমরা দলীল দিয়ে প্রমান করব সেটা সঠিক ।  যদি তারা দলীল দিয়ে প্রমান না করতে পারে যে মাজহাবের এই আমল ভুল ,তাহলে আমাদের ও দায়দায়িত্ব নেই এগুলোর পিছনে সময় নষ্ট করা ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: মনপবন</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6200</link>
		<dc:creator>মনপবন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6200</guid>
		<description>@সাদাত ভাই, আমি প্রচলিত নূরানি পদ্ধতিতে ক্বুরান শিখেছিলাম। তবে এখন তাজবিদ বিশুদ্ধ করে পড়ছি যার কাছে তার ক্বুরান শিক্ষার সিলসিলার প্রথম ব্যক্তি রসুলুল্লাহ সাঃ। আপনি যদি চান আমি সনদ উল্লেখ করবো ইনশাল্লাহ।
আপনি যে কথাটা বলেছেন তা উত্তম প্রস্তাব। ইনশাল্লাহ আমি শীঘ্রই এটা শুরু করব।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত ভাই, আমি প্রচলিত নূরানি পদ্ধতিতে ক্বুরান শিখেছিলাম। তবে এখন তাজবিদ বিশুদ্ধ করে পড়ছি যার কাছে তার ক্বুরান শিক্ষার সিলসিলার প্রথম ব্যক্তি রসুলুল্লাহ সাঃ। আপনি যদি চান আমি সনদ উল্লেখ করবো ইনশাল্লাহ।<br />
আপনি যে কথাটা বলেছেন তা উত্তম প্রস্তাব। ইনশাল্লাহ আমি শীঘ্রই এটা শুরু করব।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সাদাত</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6198</link>
		<dc:creator>সাদাত</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6198</guid>
		<description>@হাফিজ, 
মূল পোস্টে সংযুক্ত করে দিলে ভালো হয়।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ,<br />
মূল পোস্টে সংযুক্ত করে দিলে ভালো হয়।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সাদাত</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6197</link>
		<dc:creator>সাদাত</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6197</guid>
		<description>@হাফিজ,

মূল পোস্টে সংযুক্ত করে দিলে ভালো হয়।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ,</p>
<p>মূল পোস্টে সংযুক্ত করে দিলে ভালো হয়।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6184</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6184</guid>
		<description>@সাদাত,  

৪র্থ পয়েন্টের উদাহরন : 
&lt;strong&gt;
৪র্থ পরিস্হিতি : এমনো হতে পারে কোনো হাদিসে কোনো একটি কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে , আপনি হয়ত ভাবলেন সেটা সবার জন্য , চিরকালের জন্য নিষেধ । কিন্তু গবেষনা করে দেখা গেল সেটা আসলে সেই ব্যক্তির জন্য এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ , পরবর্তিকালে সবার জন্য সেটা নিষেধ নয় । ( নির্দিষ্ট কিছু সাহাবীকে হাদিস সংকলন করতে নিষেধ করা এই বিষয়ের মধ্যে পড়বে ) ।&lt;/strong&gt; 


প্রথম হাদিস শরীফ (হাদিস বিষয়ে লিখতে নিষেধ করা ): রসুলুল্লাহ (সা:) বলেন &quot;আমার নিকট হতে কোরআন ব্যতীত তোমরা অন্য &lt;strong&gt;কিছু  লিখবে না&lt;/strong&gt; । যে ব্যক্তি আমার নিকট হইতে কোরআন ব্যতীত অন্য কিছু লিখিয়াছে সে যেন তাহা মুছিয়া ফেলে । ( মুসলিম, মোকদ্দামা ) 

দ্বীতিয় হাদিস শরীফ( হাদিস বিষয়ে লিখতে বলা ) :  কোনো কোনো সাহাবার নিকট ক্ষুদ্র পুস্তিকা ছিল হাদিসের সংকলন । আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের হাদিস এর পুস্তকখানি এক দৃষ্টান্ত । তিনি তার বই এর নাম রেখেছিলেন &quot;আস সাদিকাহ&quot; । কোনো কোনো সাহাবার দৃষ্টি আবদুল্লাহ ইবনে আমরের বই এর প্রতি পড়ল । তারা বলল , রসুল (সা:) যা কিছু বলেছেন  তা আপনি লিখে রাখছেন ? রসুলল্লাহ (সা:) রাগান্বিত হলে এমন কিছু বলেন যা সাধারনত শরীয়ত বলে গ্রহন করা চলে না । অত:পর ইবনে আমর বিষয়টি রসুলের (সা:) কে বললেন । রসুলুল্লাহ  (সা:) বলেন &quot;&lt;strong&gt;আমার থেকে যা শ্রবন কর তা লিখে রাখ । &lt;/strong&gt;ঐ পবিত্র  সত্বার শপথ যার হাতে আমার জীবন আমার মুখ থেকে হক ব্যতীত কিছুই বের হয় না । 

প্রথম হাদিস শরীফে লিখতে নিষেধ করা হয়েছে , আর দ্বিতীয় হাদিস শরীফে লিখতে বলা হয়েছে । এর ব্যাখ্যায় আলেমগন বলেন 

** অধিকাংশ আলেমগন বলেন অনুমতি দ্বারা নিষেধাজ্ঞা রহিত হয়ে গেছে । 

** কিছু কিছু আলেম বলেন নিষেধাজ্ঞা ছিল তাদের জন্য যাদের ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা ছিল তারা &quot;কোরআন&quot; এবং &quot;হাদিস&quot; মিশিয়ে ফেলতে পারেন , কিন্তু যাদের ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা ছিল না তাদেরকে নিষেধ করা হয়নি। 

সূত্র : 

১। ইসলামি শরীয়াহ ও সুন্নাহ : মুস্তফা হোসন আস সুবায়ী 
২। হাদিসের তত্ব ও ইতিহাস : নুর মোহাম্মদ আজমী</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত,  </p>
<p>৪র্থ পয়েন্টের উদাহরন :<br />
<strong><br />
৪র্থ পরিস্হিতি : এমনো হতে পারে কোনো হাদিসে কোনো একটি কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে , আপনি হয়ত ভাবলেন সেটা সবার জন্য , চিরকালের জন্য নিষেধ । কিন্তু গবেষনা করে দেখা গেল সেটা আসলে সেই ব্যক্তির জন্য এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ , পরবর্তিকালে সবার জন্য সেটা নিষেধ নয় । ( নির্দিষ্ট কিছু সাহাবীকে হাদিস সংকলন করতে নিষেধ করা এই বিষয়ের মধ্যে পড়বে ) ।</strong> </p>
<p>প্রথম হাদিস শরীফ (হাদিস বিষয়ে লিখতে নিষেধ করা ): রসুলুল্লাহ (সা:) বলেন &#8220;আমার নিকট হতে কোরআন ব্যতীত তোমরা অন্য <strong>কিছু  লিখবে না</strong> । যে ব্যক্তি আমার নিকট হইতে কোরআন ব্যতীত অন্য কিছু লিখিয়াছে সে যেন তাহা মুছিয়া ফেলে । ( মুসলিম, মোকদ্দামা ) </p>
<p>দ্বীতিয় হাদিস শরীফ( হাদিস বিষয়ে লিখতে বলা ) :  কোনো কোনো সাহাবার নিকট ক্ষুদ্র পুস্তিকা ছিল হাদিসের সংকলন । আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আসের হাদিস এর পুস্তকখানি এক দৃষ্টান্ত । তিনি তার বই এর নাম রেখেছিলেন &#8220;আস সাদিকাহ&#8221; । কোনো কোনো সাহাবার দৃষ্টি আবদুল্লাহ ইবনে আমরের বই এর প্রতি পড়ল । তারা বলল , রসুল (সা:) যা কিছু বলেছেন  তা আপনি লিখে রাখছেন ? রসুলল্লাহ (সা:) রাগান্বিত হলে এমন কিছু বলেন যা সাধারনত শরীয়ত বলে গ্রহন করা চলে না । অত:পর ইবনে আমর বিষয়টি রসুলের (সা:) কে বললেন । রসুলুল্লাহ  (সা:) বলেন &#8220;<strong>আমার থেকে যা শ্রবন কর তা লিখে রাখ । </strong>ঐ পবিত্র  সত্বার শপথ যার হাতে আমার জীবন আমার মুখ থেকে হক ব্যতীত কিছুই বের হয় না । </p>
<p>প্রথম হাদিস শরীফে লিখতে নিষেধ করা হয়েছে , আর দ্বিতীয় হাদিস শরীফে লিখতে বলা হয়েছে । এর ব্যাখ্যায় আলেমগন বলেন </p>
<p>** অধিকাংশ আলেমগন বলেন অনুমতি দ্বারা নিষেধাজ্ঞা রহিত হয়ে গেছে । </p>
<p>** কিছু কিছু আলেম বলেন নিষেধাজ্ঞা ছিল তাদের জন্য যাদের ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা ছিল তারা &#8220;কোরআন&#8221; এবং &#8220;হাদিস&#8221; মিশিয়ে ফেলতে পারেন , কিন্তু যাদের ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা ছিল না তাদেরকে নিষেধ করা হয়নি। </p>
<p>সূত্র : </p>
<p>১। ইসলামি শরীয়াহ ও সুন্নাহ : মুস্তফা হোসন আস সুবায়ী<br />
২। হাদিসের তত্ব ও ইতিহাস : নুর মোহাম্মদ আজমী</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6183</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6183</guid>
		<description>@সাদাত,  

তৃতীয় পরিস্হিতি : এমনও হতে পারে কোনো সহীহ হাদিস দুরকম ব্যাখ্যা হয় এবং দুটোই সঠিক ( বনু কুরায়জার আসর নামাজের ঘটনা )

এই হাদিস শরীফটি দেখুন: 

রসুলুল্লাহ (সা:) একবার একদল মুসলমানকে নিম্নোক্ত নির্দেশসহ প্রেরন করলেন &quot;বনু কুরায়জায় পৌছে সালাত আদায় করবে&quot; । তার এই আদেশকে শাব্দিক অর্থে গ্রহন করে দলের কিছু সাহাবী নির্ধারিত সময় আসর সালাতের জন্য না থেমে প্রায় সুর্যাস্হ পর্যন্ত সফর অব্যাহত রাখেন এবং বনু কুরায়জায় গিয়ে আসরের সালাত আদায় করেন । আবার কিছু সংখ্যক লোক যারা রসুলের (সা:) আদেশের শাব্দিক অর্থ গ্রহন না করে এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনুসরন করতে গিয়ে বনু কোরায়জায় পৌছার পূর্বে স্বল্প সময়ের জন্য বিরতি করে আসেরর সালাত আদায় করেন । রসুল (সা:) এর নিকট উভয় দলের ঘটনা বর্ননা করা হলে তিনি বলেছিলেন , উভয়ই সঠিক । 

এই হাদিস দ্বারা আমরা বুঝতে পারলাম কিছু ক্ষেত্রে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের দুটি সমাধান হতে পারে যার দুটোই সঠিক । এবং এটাকে আপনি কিয়াসও বলতে পারেন । দুই দল সাহাবী রসুলের (সা:) বক্তব্যের ওপর কেয়াস করেছিলেন এবং দুটোই সঠিক ছিল । ( তবে এমন কিয়াস করতে পারেন শুধু মুজতাহিদগন , আমাদের মত আমজনতা নন )</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত,  </p>
<p>তৃতীয় পরিস্হিতি : এমনও হতে পারে কোনো সহীহ হাদিস দুরকম ব্যাখ্যা হয় এবং দুটোই সঠিক ( বনু কুরায়জার আসর নামাজের ঘটনা )</p>
<p>এই হাদিস শরীফটি দেখুন: </p>
<p>রসুলুল্লাহ (সা:) একবার একদল মুসলমানকে নিম্নোক্ত নির্দেশসহ প্রেরন করলেন &#8220;বনু কুরায়জায় পৌছে সালাত আদায় করবে&#8221; । তার এই আদেশকে শাব্দিক অর্থে গ্রহন করে দলের কিছু সাহাবী নির্ধারিত সময় আসর সালাতের জন্য না থেমে প্রায় সুর্যাস্হ পর্যন্ত সফর অব্যাহত রাখেন এবং বনু কুরায়জায় গিয়ে আসরের সালাত আদায় করেন । আবার কিছু সংখ্যক লোক যারা রসুলের (সা:) আদেশের শাব্দিক অর্থ গ্রহন না করে এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনুসরন করতে গিয়ে বনু কোরায়জায় পৌছার পূর্বে স্বল্প সময়ের জন্য বিরতি করে আসেরর সালাত আদায় করেন । রসুল (সা:) এর নিকট উভয় দলের ঘটনা বর্ননা করা হলে তিনি বলেছিলেন , উভয়ই সঠিক । </p>
<p>এই হাদিস দ্বারা আমরা বুঝতে পারলাম কিছু ক্ষেত্রে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের দুটি সমাধান হতে পারে যার দুটোই সঠিক । এবং এটাকে আপনি কিয়াসও বলতে পারেন । দুই দল সাহাবী রসুলের (সা:) বক্তব্যের ওপর কেয়াস করেছিলেন এবং দুটোই সঠিক ছিল । ( তবে এমন কিয়াস করতে পারেন শুধু মুজতাহিদগন , আমাদের মত আমজনতা নন )</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5617/comment-page-1/#comment-6182</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5617#comment-6182</guid>
		<description>@সাদাত,  

&lt;strong&gt;দ্বিতীয় পরিস্হিতি : আপনি কোনো সহীহ হাদিস পেলেন , যেটাতে নামাজে কথা বলা যায় এমন ঘটনা বর্ননা করা আছে । কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে এই হুকুম এখনও বলবৎ আছে । কেননা অন্যন্য হাদিস শরীফ দ্বারা আমরা জানতে পারি এই হুকুম পরবর্তিতে মনসুখ ( বা রহিত ) হয়ে গেছে ।

&lt;/strong&gt; 

২য় পয়েন্টের উদাহরন দেয়া হোলো: 

হাদিস শরীফ: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা:) থেকে বর্নিত , তিনি বলেন , রসুলুল্লাহ (সা:)  আমাকে একটি কাজে পাঠিয়েছিলেন । আমি ফিরে এসে দেখি , তিনি (সওয়ারীতে আরোহন করে নফল) সালাত আদায় করছেন আমি ( ঐ অবস্হায়) তাকে সালাম দিলাম । তিনি ইংগিতে আমাকে চুপ করতে বললেন । তারপর সালাত শেষ করে আমাকে ডাকলেন এবং বললেন , তুমি এক্ষুনে আমাকে সালাম দিয়েছিলে অথচ আমি সালাতরত ছিলাম । বর্ননাকারী বলেন , তিনি এই সময় পূর্বমুখী ছিলেন । ( মুসলিম শরীফ : ১০৮৬ ) 

দেখুন এখানে কিন্তু রসুলুল্লাহ (সা:)  নামাজের মধ্যেই ইশারাতে তাকে চুপ করতে বললেন । 

এবার এই হাদিসটি দেখুন : 

হাদিস শরীফ: যায়দ ইবনে আরকাম (রা:) থেকে বর্নিত যে , তিনি বলেন , আমরা সালাতে কথাবার্তা বলতাম , প্রত্যেকেই তার পাশের ব্যক্তির সাথে আলাপ করত । অত:পর যখন &quot;ওয়া কুমু লিল্লাহি কনিতিন&quot; ( আল্লাহর জন্য দাড়াবে বিনীতভাবে )( ২:২৩৮) আয়াতটি নাযিল হোলো , তখন আমাদেরকে চুপ থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পরস্পরে আলাপ করতে নিষেধ করা হয় । 

এছাড়া আরো অনেক হুকুম আছে যেটা আগে নামাজে ছিল পরবর্তিতে নিষেধ করা হয় । যেমন থুথু ফেলা । প্রথমদিকে নামাজ পড়া অবস্হায় বাম দিকে থুতু ফেলা যেত ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত,  </p>
<p><strong>দ্বিতীয় পরিস্হিতি : আপনি কোনো সহীহ হাদিস পেলেন , যেটাতে নামাজে কথা বলা যায় এমন ঘটনা বর্ননা করা আছে । কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে এই হুকুম এখনও বলবৎ আছে । কেননা অন্যন্য হাদিস শরীফ দ্বারা আমরা জানতে পারি এই হুকুম পরবর্তিতে মনসুখ ( বা রহিত ) হয়ে গেছে ।</p>
<p></strong> </p>
<p>২য় পয়েন্টের উদাহরন দেয়া হোলো: </p>
<p>হাদিস শরীফ: জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা:) থেকে বর্নিত , তিনি বলেন , রসুলুল্লাহ (সা:)  আমাকে একটি কাজে পাঠিয়েছিলেন । আমি ফিরে এসে দেখি , তিনি (সওয়ারীতে আরোহন করে নফল) সালাত আদায় করছেন আমি ( ঐ অবস্হায়) তাকে সালাম দিলাম । তিনি ইংগিতে আমাকে চুপ করতে বললেন । তারপর সালাত শেষ করে আমাকে ডাকলেন এবং বললেন , তুমি এক্ষুনে আমাকে সালাম দিয়েছিলে অথচ আমি সালাতরত ছিলাম । বর্ননাকারী বলেন , তিনি এই সময় পূর্বমুখী ছিলেন । ( মুসলিম শরীফ : ১০৮৬ ) </p>
<p>দেখুন এখানে কিন্তু রসুলুল্লাহ (সা:)  নামাজের মধ্যেই ইশারাতে তাকে চুপ করতে বললেন । </p>
<p>এবার এই হাদিসটি দেখুন : </p>
<p>হাদিস শরীফ: যায়দ ইবনে আরকাম (রা:) থেকে বর্নিত যে , তিনি বলেন , আমরা সালাতে কথাবার্তা বলতাম , প্রত্যেকেই তার পাশের ব্যক্তির সাথে আলাপ করত । অত:পর যখন &#8220;ওয়া কুমু লিল্লাহি কনিতিন&#8221; ( আল্লাহর জন্য দাড়াবে বিনীতভাবে )( ২:২৩৮) আয়াতটি নাযিল হোলো , তখন আমাদেরকে চুপ থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং পরস্পরে আলাপ করতে নিষেধ করা হয় । </p>
<p>এছাড়া আরো অনেক হুকুম আছে যেটা আগে নামাজে ছিল পরবর্তিতে নিষেধ করা হয় । যেমন থুথু ফেলা । প্রথমদিকে নামাজ পড়া অবস্হায় বাম দিকে থুতু ফেলা যেত ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
