<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: ৩। মাজহাব ও আনুষংগিক বিষয় [ আল্লাহ এবং রসুলকে অনুসরন করার পদ্ধতি ]</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6646</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6646</guid>
		<description>@manwithamission,  আপনার অভিযোগ থাকলে তাদের সাপোর্টে মেইল করেন । আপনার মতামত এবং যে বিষয়ে আপনার সংশয় তাদের জানান ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@manwithamission,  আপনার অভিযোগ থাকলে তাদের সাপোর্টে মেইল করেন । আপনার মতামত এবং যে বিষয়ে আপনার সংশয় তাদের জানান ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: manwithamission</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6642</link>
		<dc:creator>manwithamission</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6642</guid>
		<description>@হাফিজ, ভাই, আমি পিস ইন ইসলামের উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি! এই সাইট শিরকের প্রশ্রয়দানকারী। তারা যা করেছে এর উপযুক্ত প্রতিদান আল্লাহর নিকট পাবে।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ, ভাই, আমি পিস ইন ইসলামের উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলছি! এই সাইট শিরকের প্রশ্রয়দানকারী। তারা যা করেছে এর উপযুক্ত প্রতিদান আল্লাহর নিকট পাবে।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6641</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6641</guid>
		<description>@manwithamission,  

&lt;strong&gt;
//হযরত সহল বিন মোআজ তার বাবার কাছ থেকে রেওয়ায়েত করেছেন : জনৈক মহিলা সাহাবী রসুলুল্লাহ (সা:) এর খিদমতে হাজির হয়ে বললেন “ইয়া রসুলুল্লাহ (সা:) আমার স্বামী জিহাদে গিয়েছেন । তিনি থাকতে আমি তার সালাত ও অন্যান্য কাজ অনুসরন করতাম । এখন তার ফিরে আসা পর্যন্ত এমন কোনো আমল আমাকে বাতলে দিন যা তার আমলের সমমর্যাদায় আমাকে পৌছিয়ে দিবে । (মুসনাদে আহমদ )

দেখুন মহিলা সাহাবী সালাতসহ অন্যান্য সমস্ত আমলে তার স্বামীর তাকলীদ করতেন দলীল খোজা ব্যতীত অথচ রসুলুল্লাহ (সা:) নিষেধ বা অসম্মতি প্রকাশ করেননি । সুতরাং দলীল ছাড়াও অনসুরন করা যায় কিন্তু শর্ত হোলো যাকে অনসুরন করা হচ্ছে সে “মুজতাহিদ” বা যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে । //

মহিলা সাহাবী (রা) জিজ্ঞেস করেছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট কারণ তিনি জীবিত ছিলেন আর যাকে তাকলীদ করতেন সেই ব্যক্তিও জীবিত ছিল। বর্তমানে যাদের তাকলীধ করতে বলা হয় তারা আমাদের নিকট অনুপস্থিত কাজেই আমাদের এখন যাকে অনুসরণ করতে হবে সেই বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহীহ সুন্নাহ’র খোজ করতে হবে যেমনটি মহিলা সাহাবীটি (রা) করেছিলেন, কারণ তার স্বামী জীবিত থেকে উপস্থিত ছিল না। মহিলা সাহাবী (রা) কিন্তু আগে যেমন স্বামীকে তাকলীদ করতেন তেমনি তাকলীদ করতে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেন নি তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমল বাতলে দেওয়ার কথা বলেছেন। সাহাবীগণ (রা) আমাদের জন্যে কতই না উৎকৃষ্ট উদাহরণ স্থাপন করে গেছেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহাবীদের মতো করে ইসলামকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।&lt;/strong&gt; 


ব্রাদার ,  আপনি যেটা বলেছেন :  

&lt;strong&gt; মহিলা সাহাবী (রা) কিন্তু আগে যেমন স্বামীকে তাকলীদ করতেন তেমনি তাকলীদ করতে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেন নি তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমল বাতলে দেওয়ার কথা বলেছেন। 
&lt;/strong&gt; 

ব্যাপারটা সেরকম নয় । মহিলা সাহাবী (রা:) নামাজ , রোজা এগুলোর মাসআলা জিজ্ঞেস করার জন্য আসেননি । উনি আগের মতোই এই আমলগুলো তার স্বামী যিনি সাহাবি ছিলেন তাকে অনুসরন করতেন । উনি সব আমলে তার স্বামীকে অনুসরন করতেন , কিন্তু জেহাদে যাবার কারনে &quot;জেহাদ&quot; যেহেতু মহিলাদের জন্য ফরজ নয় , তাই রসুলের (সা:) এর কাছে জানতে এসেছিলেন এই আমলের (জেহাদ) পরিবর্তে উনি কোন আমল করতে পারবেন ? উনি যেহেতু সব আমলে তার স্বামীর অনুসরন করতেন তাই উনি চাচ্ছিলেন এমন একটি আমল রসুলুল্লাহ (সা:) বলে দিক যেটা করলে জেহাদের সমান সওয়াব পাবে  ।

আশাকরি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন । 

 
&lt;strong&gt;
কারণ তিনি জীবিত ছিলেন আর যাকে তাকলীদ করতেন সেই ব্যক্তিও জীবিত ছিল। বর্তমানে যাদের তাকলীধ করতে বলা হয় তারা আমাদের নিকট অনুপস্থিত কাজেই আমাদের এখন যাকে অনুসরণ করতে হবে সেই বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহীহ সুন্নাহ’র খোজ করতে হবে যেমনটি মহিলা সাহাবীটি (রা) করেছিলেন

&lt;/strong&gt; 

একথা আপনি কোথায় পেলেন তকলীদের ক্ষেত্রে জীবিত কি মৃত সেটা দেখতে হয় । সমগ্র ক্ষেত্রেই তকলীদ করা যায় যদি সেটা শরীয়ত সম্মত হয় । আপনার এই ব্যাখ্যায় অনেকে বলবে জীবিত মানুষ শরীয়তবিরোধী কাজ করলে সেটাও তকলীদ করা যায় । কখনই নয় । 
মাপকাঠি হোলো শরীয়ত । জীবিত কি মৃত সেটা শর্ত নয় ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@manwithamission,  </p>
<p><strong><br />
//হযরত সহল বিন মোআজ তার বাবার কাছ থেকে রেওয়ায়েত করেছেন : জনৈক মহিলা সাহাবী রসুলুল্লাহ (সা:) এর খিদমতে হাজির হয়ে বললেন “ইয়া রসুলুল্লাহ (সা:) আমার স্বামী জিহাদে গিয়েছেন । তিনি থাকতে আমি তার সালাত ও অন্যান্য কাজ অনুসরন করতাম । এখন তার ফিরে আসা পর্যন্ত এমন কোনো আমল আমাকে বাতলে দিন যা তার আমলের সমমর্যাদায় আমাকে পৌছিয়ে দিবে । (মুসনাদে আহমদ )</p>
<p>দেখুন মহিলা সাহাবী সালাতসহ অন্যান্য সমস্ত আমলে তার স্বামীর তাকলীদ করতেন দলীল খোজা ব্যতীত অথচ রসুলুল্লাহ (সা:) নিষেধ বা অসম্মতি প্রকাশ করেননি । সুতরাং দলীল ছাড়াও অনসুরন করা যায় কিন্তু শর্ত হোলো যাকে অনসুরন করা হচ্ছে সে “মুজতাহিদ” বা যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে । //</p>
<p>মহিলা সাহাবী (রা) জিজ্ঞেস করেছিলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট কারণ তিনি জীবিত ছিলেন আর যাকে তাকলীদ করতেন সেই ব্যক্তিও জীবিত ছিল। বর্তমানে যাদের তাকলীধ করতে বলা হয় তারা আমাদের নিকট অনুপস্থিত কাজেই আমাদের এখন যাকে অনুসরণ করতে হবে সেই বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহীহ সুন্নাহ’র খোজ করতে হবে যেমনটি মহিলা সাহাবীটি (রা) করেছিলেন, কারণ তার স্বামী জীবিত থেকে উপস্থিত ছিল না। মহিলা সাহাবী (রা) কিন্তু আগে যেমন স্বামীকে তাকলীদ করতেন তেমনি তাকলীদ করতে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেন নি তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমল বাতলে দেওয়ার কথা বলেছেন। সাহাবীগণ (রা) আমাদের জন্যে কতই না উৎকৃষ্ট উদাহরণ স্থাপন করে গেছেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সাহাবীদের মতো করে ইসলামকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।</strong> </p>
<p>ব্রাদার ,  আপনি যেটা বলেছেন :  </p>
<p><strong> মহিলা সাহাবী (রা) কিন্তু আগে যেমন স্বামীকে তাকলীদ করতেন তেমনি তাকলীদ করতে পারতেন কিন্তু তিনি তা করেন নি তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমল বাতলে দেওয়ার কথা বলেছেন।<br />
</strong> </p>
<p>ব্যাপারটা সেরকম নয় । মহিলা সাহাবী (রা:) নামাজ , রোজা এগুলোর মাসআলা জিজ্ঞেস করার জন্য আসেননি । উনি আগের মতোই এই আমলগুলো তার স্বামী যিনি সাহাবি ছিলেন তাকে অনুসরন করতেন । উনি সব আমলে তার স্বামীকে অনুসরন করতেন , কিন্তু জেহাদে যাবার কারনে &#8220;জেহাদ&#8221; যেহেতু মহিলাদের জন্য ফরজ নয় , তাই রসুলের (সা:) এর কাছে জানতে এসেছিলেন এই আমলের (জেহাদ) পরিবর্তে উনি কোন আমল করতে পারবেন ? উনি যেহেতু সব আমলে তার স্বামীর অনুসরন করতেন তাই উনি চাচ্ছিলেন এমন একটি আমল রসুলুল্লাহ (সা:) বলে দিক যেটা করলে জেহাদের সমান সওয়াব পাবে  ।</p>
<p>আশাকরি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন । </p>
<p><strong><br />
কারণ তিনি জীবিত ছিলেন আর যাকে তাকলীদ করতেন সেই ব্যক্তিও জীবিত ছিল। বর্তমানে যাদের তাকলীধ করতে বলা হয় তারা আমাদের নিকট অনুপস্থিত কাজেই আমাদের এখন যাকে অনুসরণ করতে হবে সেই বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহীহ সুন্নাহ’র খোজ করতে হবে যেমনটি মহিলা সাহাবীটি (রা) করেছিলেন</p>
<p></strong> </p>
<p>একথা আপনি কোথায় পেলেন তকলীদের ক্ষেত্রে জীবিত কি মৃত সেটা দেখতে হয় । সমগ্র ক্ষেত্রেই তকলীদ করা যায় যদি সেটা শরীয়ত সম্মত হয় । আপনার এই ব্যাখ্যায় অনেকে বলবে জীবিত মানুষ শরীয়তবিরোধী কাজ করলে সেটাও তকলীদ করা যায় । কখনই নয় ।<br />
মাপকাঠি হোলো শরীয়ত । জীবিত কি মৃত সেটা শর্ত নয় ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6640</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6640</guid>
		<description>@manwithamission,  

ইবনুল কাইয়্যুমের এর বই যেটা আপনি রেফার  করেছেন সেটা কি &quot;আবদুস শহীদ নাসিম&quot; অনূদিত ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@manwithamission,  </p>
<p>ইবনুল কাইয়্যুমের এর বই যেটা আপনি রেফার  করেছেন সেটা কি &#8220;আবদুস শহীদ নাসিম&#8221; অনূদিত ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6614</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6614</guid>
		<description>@manwithamission,  সেই পোস্টে আমার এই  প্রশ্নের জবাব পাইনি । আমি চেয়েছিলাম আপনি এর উত্তর দিবেন । আপনার মধ্যে সহনশীলতা এবং ক্রোধবিহীন আলোচনা করার মতো গুন পেয়েছি । তাই আপনার সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করতে আমার দ্বিধা নেই ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@manwithamission,  সেই পোস্টে আমার এই  প্রশ্নের জবাব পাইনি । আমি চেয়েছিলাম আপনি এর উত্তর দিবেন । আপনার মধ্যে সহনশীলতা এবং ক্রোধবিহীন আলোচনা করার মতো গুন পেয়েছি । তাই আপনার সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করতে আমার দ্বিধা নেই ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: manwithamission</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6606</link>
		<dc:creator>manwithamission</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6606</guid>
		<description>@সাদাত, ভাই আমি কিছু লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তু আবু ইব্রাহিম ভাই একটা পোস্ট দিয়েছেন &lt;strong&gt;ইজতিহাদ, তাক্বলীদ এবং সাধারণ মানুষের করণীয়&lt;/strong&gt; সেই পোস্টের সাথে আমি একমত। আপনি যে প্রশ্নগুলো করেছেন সেই প্রশ্নগুলোর জবাব উক্ত পোস্টে রয়েছে।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত, ভাই আমি কিছু লিখতে চেয়েছিলাম কিন্তু আবু ইব্রাহিম ভাই একটা পোস্ট দিয়েছেন <strong>ইজতিহাদ, তাক্বলীদ এবং সাধারণ মানুষের করণীয়</strong> সেই পোস্টের সাথে আমি একমত। আপনি যে প্রশ্নগুলো করেছেন সেই প্রশ্নগুলোর জবাব উক্ত পোস্টে রয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: manwithamission</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6605</link>
		<dc:creator>manwithamission</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6605</guid>
		<description>@হাফিজ, ভাই এ বিষয়ে আবু ইব্রাহিম ভাই একটা পোস্ট দিয়েছেন, আমি সেই পোস্টের সাথে সহমত।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ, ভাই এ বিষয়ে আবু ইব্রাহিম ভাই একটা পোস্ট দিয়েছেন, আমি সেই পোস্টের সাথে সহমত।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: ?????</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6597</link>
		<dc:creator>?????</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6597</guid>
		<description>à¦…à¦¨à§‡à¦• à¦§à¦¨à§à¦¯à¦¬à¦¾à¦¦ à¦à¦‡ à¦—à§à¦°à§à¦¤à§à¦¬à¦ªà§‚à¦°à§à¦£ à¦¬à¦¿à¦·à§Ÿà§‡ à¦ªà§‹à¦·à§à¦Ÿà§‡à¦° à¦œà¦¨à§à¦¯à¥¤</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>à¦…à¦¨à§‡à¦• à¦§à¦¨à§à¦¯à¦¬à¦¾à¦¦ à¦à¦‡ à¦—à§à¦°à§à¦¤à§à¦¬à¦ªà§‚à¦°à§à¦£ à¦¬à¦¿à¦·à§Ÿà§‡ à¦ªà§‹à¦·à§à¦Ÿà§‡à¦° à¦œà¦¨à§à¦¯à¥¤</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6581</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6581</guid>
		<description>@manwithamission,  

ভাই আমার পোস্টের মুল বক্তব্য সেটা সম্বন্ধে আপনার মতামত জানতে চাই , আপনি তো শাখা প্রশাখা নিয়ে কমেন্ট করেছেন যে বিষয়ে আমি পরবর্তিতে পোস্ট দিবো বলেছি । 
&lt;strong&gt;
কোরআন হাদিসের অনুসরন করার পদ্ধতি হোলো , যেসকল ফকীহ মুজতাহিদ কোরআন হাদিস বুঝে গেছেন , নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন তাদের ব্যাখ্যা গ্রহন করা । অর্থ্যাৎ “ফকীহ, মুজতাহিদ”কে শুধুমাত্র কোরআন হাদিসের ব্যাখ্যাকার মনে করা , অন্য কিছু নয় । তাদেরকে অনুসরন করা বলতে তারা কোরআন হাদিসের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা মেনে চলা । এটাই সুন্নত পদ্ধতি যা আমরা সাহাবীদের জীবন পর্যালোচনা করে দেখতে পেলাম। 

&lt;/strong&gt; 

এ বিষয়ে আপনার মত জানতে আগ্রহী ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@manwithamission,  </p>
<p>ভাই আমার পোস্টের মুল বক্তব্য সেটা সম্বন্ধে আপনার মতামত জানতে চাই , আপনি তো শাখা প্রশাখা নিয়ে কমেন্ট করেছেন যে বিষয়ে আমি পরবর্তিতে পোস্ট দিবো বলেছি ।<br />
<strong><br />
কোরআন হাদিসের অনুসরন করার পদ্ধতি হোলো , যেসকল ফকীহ মুজতাহিদ কোরআন হাদিস বুঝে গেছেন , নিজের জীবনকে উৎসর্গ করে গেছেন তাদের ব্যাখ্যা গ্রহন করা । অর্থ্যাৎ “ফকীহ, মুজতাহিদ”কে শুধুমাত্র কোরআন হাদিসের ব্যাখ্যাকার মনে করা , অন্য কিছু নয় । তাদেরকে অনুসরন করা বলতে তারা কোরআন হাদিসের যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা মেনে চলা । এটাই সুন্নত পদ্ধতি যা আমরা সাহাবীদের জীবন পর্যালোচনা করে দেখতে পেলাম। </p>
<p></strong> </p>
<p>এ বিষয়ে আপনার মত জানতে আগ্রহী ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/hafiz/5899/comment-page-1/#comment-6580</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5899#comment-6580</guid>
		<description>@manwithamission,  

&lt;strong&gt;
ইমাম আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “আমরা কোথা থেকে মাসআলা গ্রহণ করেছি, তা জানার আগ পর্যন্ত আমাদের বক্তব্য গ্রহণ করা কারোর জন্য জায়েয নয়”। 
&lt;/strong&gt; 
আপনি কি তাহকিক করে দেখেছেন ইমাম আবু হানিফা (রহ:) কাদের উদ্দেশ্যে এটা বলেছেন ?  এখন আপনার কাছে প্রশ্ন যে আরবীর আলিফ জানে না , উসুলে ফিকাহ , উসুলে হাদিস , উসুলে কোরআন , দলীল বের করার পদ্ধতি কিছুই জানে না সে কি পারবে কোন মাসআলা ঠিক কোনটা ভুল , কোনটার দলীল বেশী সেগুলো যাচাই করতে ? 
&lt;strong&gt;
আলেমরা  এর ব্যাখ্যায় বলেছেন  ইমাম আবু হানিফার (রহ:) মুজতাহিদ এবং মুতাবাহহির ফিল মাজহাব যারা তাদের উদ্দেশ্য করে 
এই কথা বলেছেন । সারকথা যাদের মাসআলা যাচাই বাছাই করার মতো যোগ্যতা আছে যেমন অন্যান্য মুজতাহিদগন তাদের উদ্দেশ্য করে ইমাম আবু হানিফা (রহ:) এ কথা বলেছেন । &lt;/strong&gt;ইমাম আবু হানিফার (রহ:) মাসআলার দলীল ঠিক কি ভুল সেটাও বের করতে পারেন একমাত্র অন্য মুজতাহিদ । এবং এটা অনেকে করেছেনও । এইজন্য দেখুন ইমাম আবু হানিফার (রহ:) অনেক মাসআলাও যেটার চেয়ে আরো শক্তিশালী দলীল থাকার কারনে হানাফি মাজহাবের আলেমগন তার মাসআলা গ্রহন না করে , আবু ইউসুফ , মুহম্মদ (রহ:) ওনাদের মাসআলা গ্রহন করেছেন । যদি হানাফী মাজহাব মানা অন্ধ অনুসরন হোতো তাহলে কি আলেমগন ইমাম আবু হানিফা(রহ:) এর মাসআলা পরিত্যাগ করে আবু ইউসুফ এবং ওন্যান্য মুজতাহিদের আলেমদের মাসআলা গ্রহন করতেন । কখনও নয় । কিন্তু আমরা তখনই গ্রহন করি যখন অন্য &quot;মুজতাহিদ&quot; আলেম এর ফয়সালা দেন । 

অর্থ্যাৎ অযোগ্য ব্যক্তিকে মাসআলা বের করার দায়িত্ব না দিয়ে আলেমগন যোগ্য ব্যক্তিকে সে দায়িত্ব দেন ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@manwithamission,  </p>
<p><strong><br />
ইমাম আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “আমরা কোথা থেকে মাসআলা গ্রহণ করেছি, তা জানার আগ পর্যন্ত আমাদের বক্তব্য গ্রহণ করা কারোর জন্য জায়েয নয়”।<br />
</strong><br />
আপনি কি তাহকিক করে দেখেছেন ইমাম আবু হানিফা (রহ:) কাদের উদ্দেশ্যে এটা বলেছেন ?  এখন আপনার কাছে প্রশ্ন যে আরবীর আলিফ জানে না , উসুলে ফিকাহ , উসুলে হাদিস , উসুলে কোরআন , দলীল বের করার পদ্ধতি কিছুই জানে না সে কি পারবে কোন মাসআলা ঠিক কোনটা ভুল , কোনটার দলীল বেশী সেগুলো যাচাই করতে ?<br />
<strong><br />
আলেমরা  এর ব্যাখ্যায় বলেছেন  ইমাম আবু হানিফার (রহ:) মুজতাহিদ এবং মুতাবাহহির ফিল মাজহাব যারা তাদের উদ্দেশ্য করে<br />
এই কথা বলেছেন । সারকথা যাদের মাসআলা যাচাই বাছাই করার মতো যোগ্যতা আছে যেমন অন্যান্য মুজতাহিদগন তাদের উদ্দেশ্য করে ইমাম আবু হানিফা (রহ:) এ কথা বলেছেন । </strong>ইমাম আবু হানিফার (রহ:) মাসআলার দলীল ঠিক কি ভুল সেটাও বের করতে পারেন একমাত্র অন্য মুজতাহিদ । এবং এটা অনেকে করেছেনও । এইজন্য দেখুন ইমাম আবু হানিফার (রহ:) অনেক মাসআলাও যেটার চেয়ে আরো শক্তিশালী দলীল থাকার কারনে হানাফি মাজহাবের আলেমগন তার মাসআলা গ্রহন না করে , আবু ইউসুফ , মুহম্মদ (রহ:) ওনাদের মাসআলা গ্রহন করেছেন । যদি হানাফী মাজহাব মানা অন্ধ অনুসরন হোতো তাহলে কি আলেমগন ইমাম আবু হানিফা(রহ:) এর মাসআলা পরিত্যাগ করে আবু ইউসুফ এবং ওন্যান্য মুজতাহিদের আলেমদের মাসআলা গ্রহন করতেন । কখনও নয় । কিন্তু আমরা তখনই গ্রহন করি যখন অন্য &#8220;মুজতাহিদ&#8221; আলেম এর ফয়সালা দেন । </p>
<p>অর্থ্যাৎ অযোগ্য ব্যক্তিকে মাসআলা বের করার দায়িত্ব না দিয়ে আলেমগন যোগ্য ব্যক্তিকে সে দায়িত্ব দেন ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
