লগইন রেজিস্ট্রেশন

এই হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাদের কথা বলেছেন?

লিখেছেন: ' হাসান আল বান্না' @ বুধবার, মার্চ ২৪, ২০১০ (৩:১৪ অপরাহ্ণ)

মুসনাদ আহমদ এ বর্ণিত – রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
কিয়ামাত কায়েম হবেনা যতক্ষণ আমার উম্মতের একদল লোক মুশরিকদের সাথে মিলিত হবে এবং মুর্তিপুজা করবে।

এখানে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের্‌ উম্মতের একদল লোকের কথাই বলেছেন, নিশ্চই, মুশরিকরা নয়।

আমার প্রশ্ন, কারা এরা? কিভাবে ?

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২১৮ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

১৬ টি মন্তব্য

  1. সময় এলে নিজেই বুঝতে পারবেন। ভাষ্কার্য বা স্তম্ভ বানানো দোষের না, কিন্তু এটি পুজো করা দোষের, বাকিটুকু নিজের জ্ঞান বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে বের করে নেন।

    হাফিজ

    @ফুয়াদ, এনিমেটেড যেকোন প্রানীর ভাস্কর্য বানানো নিষেধ ।

  2. নিজেকে মুসলমান দাবি করে কিন্তু কোরআনের আইনকে অস্বীকার করে এমন লোকেরতো অভাব নাই। এরা কয়দিন পরে মূর্তিপূজাও জায়েজ কইরা নিতে পারে। কিছুই কওন যায় না। অবশ্য এরা এদের কাজকে ডাইরেক্ট মূর্তিপূজা কইবো না, এরা যেইটা করবো সেইটা হইলো, হেগো ত্যাগী নেতাগো মূর্তি বানাইয়া হেইটার সামনে গিয়া ব্যাপক সম্মান প্রদর্শন করতে থাকবো। এই কাম অবশ্য এখনই শুরু হইয়া গেছে ছবি-টবি দিয়া আরকি। এইটা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বললাম।

    আবার ইরানের শিয়ারাতো দেখি তাদের আয়াতুল্লাদের ছবি টাঙিয়ে সেগুলোর প্রতি ব্যাপক সম্মান প্রদর্শন করে থাকে।

    আল্লাহই ভাল জানেন।

    হাসান আল বান্না

    @মালেক_০০১,এরা কয়দিন পরে মূর্তিপূজাও জায়েজ কইরা নিতে পারে।</strong

    কয়দিন পরে!
    স্কুল, কলেজ, সরকারী মাদ্রাসা সহ প্রত্যেকটি সরকারী, আধা সরকারী প্রতিষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি টাঙিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক । আমাদের যুগে ছবির ব্যাপক ব্যবহারের কারণে এসব বিষয় কারো চোছে পড়েনা। এই চোখে না পরাটাই শয়তানের ফিতনা। অমুসলিমদের দিকে দেখুন, তারা ঘরে -দোকানে-অফিসে মুর্তির পরিবর্তে তাদের দেবতাদের ছবিও টাঙিয়ে রাখে। যেকোন ছবিকে যদি পূজা, বশ্যতা কিংবা রাজনৈতিক আনুগত্যের প্রতীক হিসেবে রাখা হয় তবে তা নিশ্চয় মুর্তি পূজা।

    মালেক_০০১

    @হাসান আল বান্না, এখনতো ছবি দিয়া করে। কয়দিন পর ত্রিমাত্রিক ভাস্কর্য বানাইয়া ফুল দিবে–এটাই বোঝাতে চেয়েছি আরকি।

  3. আসসালামু আলাইকুম ভাই,

    প্রথমত, মানব জাতির ইতিহাসে সর্বপ্রথম শিরক শুরু হয় কবর পূজা দিয়ে। কবর পূজা Idol Worship এর একটা মাধ্যম। কবর পূজা করাটাকে অনেক মুসলিমই কিছুই মনে করেন না বরং তারা এটাকে তারা সওয়াবের অংশ মনে করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই কবর পূজা সম্পর্কে তার মৃত্যুর পূর্বেও সতর্ক করে গেছেন।

    দ্বিতীয়ত, মর্ডানিস্ট মুসলিম, এরা বলে আমাদের কোরআনের নতুন ব্যাখ্যা প্রয়োজন, হাদীসের প্রয়োজন নেই, তোমার কাছে ইসলামের যে ব্যাখ্যা ভালো লাগে তাই মেনে চল, সকল ধর্মই ঠিক আছে, আর তাই তারা সকল ধর্মের ঐক্য চায়, One World, One Religion যাকে আরবীতে বলা হয় ওয়াহদিতুল আদিয়ান। এরা Idol Worship করাটাকে কিছুই মনে করে না বরং ঠিক আছে মনে করে। যার বাস্তব উদাহরণ, শাহরুখ খান – যিনি নিজেকে একজন মুসলিম দাবী করেন কিন্তু তার বাচ্চাদের মূর্তি পূজা করতে বাধা দেন না, তার বউও হিন্দু ধর্মালম্বী, তিনি তার বাচ্চাদের শেখান সকল ধর্মই ঠিক, God knows every language so whatever you say HE will be understood.

    তৃতীয়ত, মালেক ভাই যেটা বলেছেন যাকে আরো পরিস্কার করে বললে বলা যায়, পূর্ব পুরুষদের পূজা করা, কথায় কথায় তাদের পূর্ব পুরুষরা কি করতো তার গুণ কীর্তণ করা, তাদের মূর্তির(ছবি) সামনে যেয়ে দাড়িয়ে থাকা, মূর্তি পূজারীদের মতো সেই বেদীদে ফুল দেওয়া প্রভৃতি। কিন্তু তারা নিজেদের মুসলিম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসারী বলে দাবী করবে।

    আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাইদের মূর্তি পূজা করা থেকে হিফাজত করুন। আমীন।

    দ্য মুসলিম

    @manwithamission,

    পূর্ব পুরুষদের পূজা করা, কথায় কথায় তাদের পূর্ব পুরুষরা কি করতো তার গুণ কীর্তণ করা

    ভাই, এই অংশটুকুর মর্মার্থ বুঝিনি। একটু ব্যাখ্যা করবেন, প্লিজ?

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম, শরীয়ত সম্মত উপায়ে গুন কীর্তন করা দোষের কিছু না । কোনো একটি বিষয়ে যদি ভালো-মন্দ মিশ্রিত থাকে তাহলে বলার সময় সেটার পার্থক্য পরিস্কার করে বলা উচিত । ভালোটাও বলা উচিত মন্দটাও বলা উচিত ।

    হাফিজ

    @হাফিজ, আমার কথা হোলো , মন্দটা বলতে যেয়ে যেনো আমরা ভালোটাও অস্বীকার করে না বসি ।

    manwithamission

    @দ্য মুসলিম,

    আসসালামু আলাইকুম ভাই,
    জাহিলিয়াতের যুগে মানুষদের একটা স্বভাব ছিল তারা প্রায়ই পূর্ব-পুরুষদের গুণ-কীর্তণ করতো, কথায় কথায় তাদের কথা বলে গর্ব বোধ করতো অথচ একবারও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতো না। তাদের আক্বিদা ছিল, পূর্ব পুরুষরা যে কাজগুলো করেছে সেগুলো তারা তাদের নিজেদের যোগ্যতায় করেছে, তারা না করলে এটা সম্ভব হতো না প্রভৃতি কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত যে কোন কিছুই সম্ভব না এটা তারা মানতো না। বরং পূর্ব পুরুষদের তারা এতটাই প্রশংসা করতো যেভাবে প্রশংসা পাবার ভাগিদার একমাত্র আল্লাহ।

    “যখন তোমরা তোমাদের (হজ্জের যাবতীয়) আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নিবে তখন যেভাবে তোমরা তোমাদের পূর্বপুরুষদের স্মরণ করতে, তেমনি করে বরং তার চাইতে বেশী পরিমাণে (এখন) আল্লাহকে স্মরণ করো” (সূরা বাকারা:২০০)

    বর্তমানে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকান, কোন জায়গায় বক্তৃতা দিতে উঠলেই হল, অমুক পিতা তমুক করেছেন, অমুক পিতার স্বপ্ন তমুক ছিল, তমুক জিয়া অমুক করেছেন প্রভৃতি অথচ তারা একটি বারও আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করবে না। পূর্ব-পুরুষদের এতটাই গুণগান গাবে যে, তাদের মুসলিম হিসেবে আল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব নিয়ে তারা ভাবেই না বরং পূর্বপুরুষরা যা করতে বলেছেন তাই করার আপ্রাণ চেষ্টা।

    ইনশাল্লাহ, বিষয়টি বুঝতে এখন সমস্যা হবে না।
    ভাল থাকবেন, ভাই।
    আল্লাহ আপনাকে এবং আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।

    হাফিজ

    @manwithamission, সহমত । এই দৃষ্টিতে চিন্তাধারা সম্পূর্ন সঠিক । ধন্যবাদ।

    আমাদের মধ্যে কোন প্রশংশনীয় কিছু থাকলেও সেটা সম্ভব হয়েছে আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার অসীম বরকতে । এটা আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে ।

    হাফিজ

    @manwithamission,

    মানব জাতির ইতিহাসে সর্বপ্রথম শিরক শুরু হয় কবর পূজা দিয়ে। কবর পূজা Idol Worship এর একটা মাধ্যম। কবর পূজা করাটাকে অনেক মুসলিমই কিছুই মনে করেন না বরং তারা এটাকে তারা সওয়াবের অংশ মনে করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই কবর পূজা সম্পর্কে তার মৃত্যুর পূর্বেও সতর্ক করে গেছেন।

    শুধু কবর/গোরস্হান জিয়ারত করাটাকেও কি আপনি কবর পূজার অংশ মনে করেন ?

    manwithamission

    @হাফিজ, আসসলামু আলাইকুম ভাই,

    জিয়ারত অর্থ ভ্রমন করা। আপনি কবর জিয়ারত করতে পারেন কোন সমস্যা নেই কিন্তু জিয়ারত করার উদ্দেশ্য যদি থাকে সওয়াব পাওয়ার আশা বা কবর জিয়ারত করার মাধ্যমে কল্যাণ প্রাপ্ত হব বা কবরবাসীর কল্যাণে আমার অমুক আশা পূরণ হবে বা কবরবাসী আমাকে তমুক বিপদ থেকে উদ্ধার করবে তাহলে সেটা পূজার কাতারে চলে যাবে।

    কবর জিয়ারত করলে আমরাও যে একদিন পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব এই কথা আমাদের স্মরণ হবে, ফলশ্রুতিতে আমরা আরো বেশী আল্লাহর আনুগত্য করতে চেষ্টা করবো। কবর জিয়ারত করার প্রধানতম উদ্দেশ্য এটাই।
    তথ্যসূত্রঃ Muslim :: Book 4 : Hadith 2130 (The Book of Prayers (Kitab Al-Salat))
    Muslim :: Book 4 : Hadith 2129 (The Book of Prayers (Kitab Al-Salat))
    আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার মায়ের কবর জিয়ারত করলেন, তার চোখ দিয়ে পানি পরছিল, এরপর তিনি অশ্রুভেজা চোখ নিয়ে তার আশেপাশে যারা ছিল তাদের দিকে ফিরে বললেনঃ আমি আল্লহার নিকট তার(মায়ের) ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্যে অনুমতি চেয়েছিলাম কিন্তু এটা আমার জন্যে কবুল করা হয়নি এরপর, আমি তার(মায়ের) কবর জিয়ারত করার অনুমতি চেয়েছিলাম আর এটা আমার জন্যে কবুল করা হয়েছে। কাজেই তোমরা কবর জিয়ারত কর কারণ, এটা তোমাদের মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।

    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদের কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম কিন্তু এখন তোমরা জিয়ারত করতে পার।
    তথ্যসূত্রঃ
    Dawud :: Book 26 : Hadith 3689 (Drinks (Kitab Al-Ashribah))
    Malik :: Book 23 : Hadith 23.4.8 (Sacrificial Animals)
    Muslim :: Book 4 : Hadith 2131 (The Book of Prayers (Kitab Al-Salat) )
    Muslim :: Book 22 : Hadith 4866 (The Book of Sacrifices (Kitab Al-Adahi) )

    রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন তিনটি স্থান ব্যতীত অন্য কোন জায়গায় সওয়াবের উদ্দেশ্যে তোমরা ভ্রমণ করো না।
    স্থান তিনটি হচ্ছেঃ
    ১. মসজিদুল হারাম
    ২. মসজিদে নববী
    ৩. মসজিদুল আক্বসা

    তথ্যসূত্রঃ
    Muslim :: Book 7 : Hadith 3099 (The Book of Pilgrimage (Kitab Al-Hajj))
    Bukhari :: Book 3 :: Volume 29 :: Hadith 87 (Penalty of Hunting while on Pilgrimmage)
    Bukhari :: Book 3 :: Volume 31 :: Hadith 215 (Fasting)

    ইনশাল্লাহ, বিষয়টি বুঝতে আপনার সুবিধা হবে।
    জাদিকাল্লাহু ইলমান।

    হাসান আল বান্না

    @manwithamission,
    ম্যান উইথ মিশন এর সাথে একমত।

  4. দলবদ্ধ মুর্তি পূজা যেমন স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াও জাতীয়-মুর্তিপূজার পর্যায়ে পড়ে। এক্ষেত্রে জনগণ প্রতিবাদ না করতে পারলেও অন্তত ঘৃণা করা অপরিহার্য মনে করি।

    manwithamission

    @হাসান আল বান্না,
    আসসালামু আলাইকুম ভাই, সহমত।