লগইন রেজিস্ট্রেশন

হিন্দু ধর্মগ্রন্থের বৈজ্ঞানিক ভুল

লিখেছেন: ' julius' @ বুধবার, জানুয়ারি ৬, ২০১০ (১১:২০ পূর্বাহ্ণ)

হিন্দু ধর্মগ্রন্থের বৈজ্ঞানিক ভুলঃ

হিন্দু ধর্মগ্রন্থ গুলো হচ্ছে বেদ, গীতা, উপনিষাদ ইত্যাদি।

হিন্দু ধর্মগ্রন্থ গুলোতে যে সব বৈজ্ঞানিক ভুল পাওয়া যায় তার কিছু নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

আমরা জানি বিজ্ঞান বলে যে পৃথিবী চলমান, এবং তা ৩৬৫ দিনে একবার সূর্যকে প্রদক্ষীন করে। কিন্তু বেদের বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায় পৃথীবি স্থিরঃ

বেদ বলছে পৃথীবি স্থিরঃ
১। “Oh Man ! He who made the trembling earth static is Indra.” (Rig Ved
2/12/12)
অর্থঃ দেব ইন্দ্র পৃথিবী কে স্থির রেখেছেন।

২। “The God who made the earth stable” (Yajur Ved 32/6)
অর্থঃ ঈশ্বর এই পৃথিবীকে স্থির রূপে তৈরি করেছেন।

৩। “Indra protects the wide earth which is immovable and has many forms ”
(Atarv Ved 12/1/11)
অর্থঃ ইন্দ্রা এই বিশাল পৃথিবীকে স্থির রেখেছেন।

আমরা জানি পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুড়ছে। কিন্তু বেদ বলে সূর্য ঘোড়ার গাড়ির উপর রয়েছে ও এই ঘোড়ার গাড়িটি ৭টি ঘোড়া চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং পৃথিবীর চারদিকে ঘুড়ছে।

১। “Sun is full of light and knows all the human beings, so his horses take
him to sky to look at the world” (Rig Ved 1/50/1)
অর্থঃ সূর্য আলোর আধার এবং সকল মানব সম্প্রদায় কে সে চেনে, তাই তার ঘোড়াগুলো তাকে বিশ্ব দেখানোর জন্য আকাশে নিয়ে গেছে।

২। “O, Bright sun, a chariot named harit with seven horses takes you to sky”
(Rig Ved 1/50/8)
অর্থঃ “হে, উজ্জ্বল সূর্য, হৃত নামক সাত ঘোরায় চালিত রথ তোমাকে আকাশে নিয়ে গেছে।”

৩। “O, man, the sun who is most attractive, takes round of the earth, on his
golden chariot through the sky and removes the darkness of the earth”
(Yajur Ved 33/43)
অর্থঃ হে মানব, আকর্ষনীয় সূর্য সোনার রথের উপর চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করছে এবং পৃথিবীর অন্ধকার দূর করছে।

বেদ বলছে আকাশের পিলার আছে এবং তা গরুর উপর রয়েছেঃ

১। “The Bull has supported the sky.” (Yajur Ved: 4: 30)
অর্থঃ গরু আকাশ কে ধারন করে আছে।

২। “Upon the back of bull (Aditi) I lay thee the sky’s supporter” (Yajur Ved: 14:5 )
অর্থঃ গরু অদিতির পিঠের উপর আমি আকাশকে বসিয়ে দিয়েছি।

বাতাস ছাড়া কি প্রদীপ জ্বলতে পারে?
১। “A lamp kept in windless place does not shake.” (Bhagvad Gita: 6: 19)
অর্থঃ বায়ু বিহীন জায়গায় প্রদীপের আলো কাঁপে না।
>> বাতাস না থাকলে তো আলোই জ্বলার কথা না, কাঁপা তো দূরের কথা।

২। Arjun says to Krishna ,“The sun and moon are your eyes.” (Bhagvad Gita: 11: 19)
অর্থঃ “অর্জুন কৃষনা কে বল্ল, ‘সূর্য এবং চাঁদ তোমার দুই চোখ”
>> আমরা জানি সূর্য এবং চাদ কারো চোখ নয়, সূর্য হচ্ছে নক্ষত্র এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৫৭৬ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৪ টি মন্তব্য

  1. কোন ধর্মগ্রন্থের অনুবাদ দিয়ে তার ভুল ধরতে যাওয়াটা আসলে সঠিক নয়।

    আল-কোরআনের ক্ষেত্রেও অনুবাদের কারণে অনেক ভুল ধরা যায়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেখানে ব্যাপার অন্য, যেমনঃ আয়াতটির সাহিত্য দিক, শব্দের একাধিক অর্থ, শানে নুযূল ইত্যাদি বিবেচনায় আসল ঘটনা জানা যায়।

    এখন বাইবেল , বেদ এগুলো কোনটাই তাদের মূল ভাষাতেই নেই। বাইবেলের ক্ষেত্রে যদিও সমসাময়িক একটা ভাষায় রয়েছে, কিন্তু বেদের বেলায় এটা কতদিনের পুরানো ও কি কি পরিবর্তন হয়েছে তা সর্বোচ্চ পর্যায়ের হিন্দু পন্ডিতরাই বলতে পারেন না এবং এটা তারা স্বীকারও করেন, তাই জাকির নায়েক বলেছেন যে, তিনি হিন্দু গ্রন্থের বৈজ্ঞানিক ভুল ধরতে যান না , যেহেতু তাদের পন্ডিতরাই এর অনেক সীমাবদ্ধতা স্বীকার করেন।

    কিন্তু, বাইবেলের বেলায় ব্যাপারটি পুরোটা এরকম নয়। খ্রীস্টানদের মধ্যে যারা ক্যাথলিক তারা কিন্তু পুরো বাইবেলকে সৃষ্টিকর্তার গ্রন্থ মানে না। বরং যারা প্রটেষ্টান্ট , কেবলমাত্র তারাই বলে যে, পুরো বাইবেলই সৃষ্টিকর্তার গ্রন্থ। তাই জাকির নায়েক , আহমদ দিদাত , উনাদের বিতর্ক খেয়াল করলে দেখবেন প্রায় সব বিতর্কই প্রটেষ্টান্ট খ্রীস্টানদের সাথে।

    ধন্যবাদ।

    দ্য মুসলিম

    @মালেক_০০১,

    একমত।