লগইন রেজিস্ট্রেশন

২০ এপ্রিলের মহাসমাবেশ সরকারের প্রতি সঙ্কেত : ইসলাম প্রতিষ্ঠা না হলে কোনো মন্ত্রণালয়ই দূর্র্নীতিমুক্ত হবে না :পীর সাহেব চরমোনাই

লিখেছেন: ' এম এম নুর হোসেন' @ রবিবার, এপ্রিল ১৫, ২০১২ (৫:২৯ অপরাহ্ণ)

স্টাফ রিপোর্টার
ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, জাতীয়তাবাদ, পুঁজিবাদী গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা বা মানব রচিত যত আদর্শ রয়েছে, সব আদর্শই মানবতার মুক্তি দিতে যে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ এটি দেশ স্বাধীনের ৪১ বছরে সব সরকার বারবার প্রমাণ করেছে। দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির একমাত্র রক্ষাকবচ হলো ইসলামী শাসনতন্ত্র। তিনি মহাজোট সরকারের রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ৭০ লাখ টাকাসহ ধরা পড়ার ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, শুধু রেল মন্ত্রণালয় কেন, ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা না হলে কোনো সেক্টরই দুর্নীতিমুক্ত হবে না। তিনি অবিলম্বে মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির দায়ে রেলমন্ত্রীর অপসারণ দাবি করেন।
চরমোনাই পীর সাহেব হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবিলম্বে সরকার যদি ইসলাম, দেশ ও মানবতার স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে, তবে ২০ এপ্রিল মহাসমাবেশের জনসমুদ্র থেকে সরকারের প্রতি চরম সঙ্কেত জানানো হবে ইনশাআল্লাহ।
গতকাল বাদ জুমা ইসলামী আন্দোলন ঘোষিত ২০ এপ্রিলের জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে আয়োজিত যৌথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
এতে কেন্দ্রীয় ও নগর নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, নগর সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, দফতর সম্পাদক মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মো. আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন, মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট একেএম এরফান খান, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ, অ্যাডভোকেট লুত্ফর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা নেছার উদ্দিন, ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি আবু সাঈদ সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, শফিকুল আমীন খান প্রমুখ।
এদিকে মহাসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে রাজধানীর বংশাল, তেজগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় গতকাল বাদ জুমা মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৭৭ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ১.৫০)

৫ টি মন্তব্য

  1. চরমোনাই পীর সাহেব হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবিলম্বে সরকার যদি ইসলাম, দেশ ও মানবতার স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে, তবে ২০ এপ্রিল মহাসমাবেশের জনসমুদ্র থেকে সরকারের প্রতি চরম সঙ্কেত জানানো হবে ইনশাআল্লাহ। (F) (F) (F) (F)

  2. চরমোনাই য়ের পীর সাহেব ঘোড়ার ডিমও করতে পারবেন না। সারাদেশে ১% ভোটও তাঁর নেই। নিজ এলাকা থেকে একজন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হওয়ার মত ভোটও ইনার আছে কিনা সন্দেহ। বাস্তব কথা বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সহ এদেশে ইসলামের প্রধান ভিত্তিমুল তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনিই এদেশে জালেম পাকিস্তানী শাসন হঠিয়ে ন্যায়ের শাসন কায়েম করেছেন। এই সব তথা কথিত পীর সাহেব রা তখন জালেমদের পক্ষালম্বন করেছিলেন। জালেম পাকিস্তানী শাসনের কুফল আজও পাকিস্তান বাসী ভোগ করছে। সেখানে আজ প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী শিয়া। সেদিন বংগবন্ধু দেশ স্বাধীন না করলে আজ আমরাও শিয়া শাসনের অধীনে থাকতাম। সেখানে হাজার হাজার উলামা কেরামদের জংগী অপবাদে পাখির মত গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে। হাজারো উলামা কেরাম আজ ফেরারী সেখানে। বংগবন্ধুর কল্যাণে আজ এদেশে উলামা কেরাম স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে পারছেন। না হলে আজ এদেশেও উলামা কেরাম ফেরারী থাকতেন।

    আমি আওয়ামী সাপোর্টার নই। কিন্তু এই ব্লগারের অব্যহত রাজনৈতিক পোস্টের প্রতিবাদে একজন ডামি আওয়ামী সেজে মন্তব্যটা লিখলাম। এভাবে সবাই-ই নিজেদের স্বার্থে ইসলাম ব্যবহার করছে।

    অনুগ্রহ করে রাজনৈতিক পোস্ট বন্ধ করুন। এই ব্লগটাকে ইসলামিক রাখুন। রাজনৈতিক ব্লগ বানাবেন না মেহেরবানী করে।

    এম এম নুর হোসেন

    @guest, বঙ্গ বন্ধুর আরো গুন হলো তিনি বাকশাল কায়েম করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন,অসাম্প্রাদাযীক বানাতে গিয়ে জীবন দিলেন,অল্পের জন্য দেশকে ভারতের একটি প্রদেশ বানাতে ব্যার্থ হলেন।আরো অনেক গুনাগুন।

    একজন খাস চামচাই পারে এরকম নেতার প্রশংসা করতে।

    guest

    @এম এম নুর হোসেন, আমি আওয়ামী সাপোর্টার নই। এই ব্লগারের ইসলামী রাজনীতির নামে কৃত ভুলের প্রেক্ষিতে লিখলাম।

    “বঙ্গ বন্ধুর আরো গুন হলো তিনি বাকশাল কায়েম করতে গিয়ে জীবন দিয়েছেন,অসাম্প্রাদাযীক বানাতে গিয়ে জীবন দিলেন,অল্পের জন্য দেশকে ভারতের একটি প্রদেশ বানাতে ব্যর্থ হলেন।” এখানে দেশকে ভারতের একটি প্রদেশ বানাতে কথাটি মিথ্যা কথা। এরপক্ষে উনার কাছে কোন প্রমাণ নেই। ধারণা প্রসূত অথবা প্রচলিত রাজনৈতিক যুক্তিবিদ্যা থেকে প্রসূত এই কথাটি। ইসলামের এমন কোন রাজনৈতিক ধারার অস্তিত্ব নেই যেখানে কোন প্রয়াত নেতা সম্পর্কে মিথ্যাচার বা গালিগালাজ করা যায়। নবীজি (সা.) নিজেই কোন দিন কোন মরা মানুষকে গালি দেন নি। একই ভাবে মাওলানা মাদানী রহ. ভারত বিভাগ চান নি। আপনার ভাষ্যমতে বঙ্গবন্ধু যদি দেশকে ভারতের একটি প্রদেশ বানাতে চান তাহলে তো তিনি অনেক বড় একজন আলেমের অনুসরণ করেছেন। বঙ্গবন্ধু জালেমের হাত থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করার এক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তার সম্পর্কে শ্রদ্ধাই কাম্য ছিল।

    একজন খাস চামচাই পারে এরকম নেতার প্রশংসা করতে। আওয়ামী ও বিএনপি পরস্পর এমন বাক্য ব্যবহার করে থাকে। এখন পাঠকরাই বিচার করুন প্রচলিত রাজনীতি ও রাজনীতিবিদ থেকে এইসব স্বঘোষিত ইসলামী রাজনীতিবিদদের মধ্যে কোন পার্থক্য খুঁজে পান কি?

    বাস্তব কথা হল আধুনিক রাজনীতি ও গনতন্ত্রের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। এর সাথে ইসলাম জড়ানো মানে হল প্রসাবের মধ্যে মিষ্টি ফেলে দিয়ে ঐ মিষ্টি সাবাইকে খাওয়ানোর জন্য আহবান করা। বাতিল শক্তির প্রতিষ্ঠিত এই রাজনীতিতে জড়ানো ইসলামের অবমাননা ছাড়া কিছু না। এইসব তথা কথিত পীর সাহেব রা এই কাজটিই করছেন।

    রাজনৈতিক প্লাটফর্ম খোজার জন্য অন্য কোন ব্লগ দেখুন। অনেক লেখক, ব্লগার কষ্ট করে এই ব্লগকে জনপ্রিয় করেছেন। এই ব্লগকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করা তাই রীতিমত ডাকাতি বলে মনে করি।

  3. চরমোনাই পীর সাহেব হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অবিলম্বে সরকার যদি ইসলাম, দেশ ও মানবতার স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে, তবে ২০ এপ্রিল মহাসমাবেশের জনসমুদ্র থেকে সরকারের প্রতি চরম সঙ্কেত জানানো হবে ইনশাআল্লাহ (F) (F) (F)