লগইন রেজিস্ট্রেশন

ধ্বংসের হাত থেকে দেশ বাঁচুক!

লিখেছেন: ' এম_আহমদ' @ বুধবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১৫ (৬:১১ অপরাহ্ণ)

সব স্বৈরাচারী, সব জালেম, সব ফেরাউন, সব মালাউন-সন্ত্রাসীদের সাথে মানুষ সর্বকালেই যুদ্ধ করে বিজয়ী হতে হয়েছে। এই যুদ্ধে আবারও রক্ত ঝরেছে, আবারও প্রাণনাশ হয়েছে, ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু এই যুদ্ধে স্বৈরাচারী, জালেম ও সন্ত্রাসীরা যখনই পরাজয় অনুভব করেছে, তখনই “ন্যায়নীতির” দোহাই পেড়েছে, “আলোচনার” কথা বলেছে -যাতে করে ধোঁকা ও প্রতারণায় আবারও “পার” পেতে পারে।

আজকের সন্ত্রাসী আমলীগ ও তাদের সন্ত্রাসী সমর্থকদের কারণে মানুষ যদি অতিষ্ঠ হয়ে উঠে, যদি তাদের প্রতি বিদ্বেষ ভাবাপন্ন হয়, যা কাম্য নয়, তবে এরও মূল কারণ তাদের মধ্যে নিহিত: তাদেরই সন্ত্রাসে, তাদেরই স্বৈরাচারে,তাদেরই ফ্যাসিবাদে। মানুষ কি সন্ত্রাসীদেরকে “সোহাগ” করবে? ওরে মূর্খ! আজ মারতে এসে যখন মুখে থাপ্পড় পড়ছে তাই বুঝি প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী, বিদ্বেষী?

আজ লোকজন নির্যাতিত হচ্ছে; অনেক পরিবারের মেয়েরা ধর্ষিতা হচ্ছে; অসংখ্য মিথ্যা মামলার সম্মুখীন হচ্ছে; আরোপিত মামলায় ঘোষ দিতে দিতে ন্যস্তে-নাবুদ হচ্ছে; খুন খারাবির শিকার হচ্ছে; কারো কারো ভূমি দখলকৃত হচ্ছে; চাঁদা দিয়ে সাধারণ মানুষ ব্যবসা করতে হচ্ছে; আজ মানুষ সার্বিকভাবে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হারিয়েছে। স্বাধীনতা হারিয়েছে। ন্যায়বিচার পাবার অধিকার হারিয়েছে। মান-সম্মান ও সম্পত্তির নিরাপত্তা হারিয়েছে। (দেখুন, লীগগোষ্ঠীর আমলনামা)।

কথা ছিল একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে, কোনো স্বৈরাচার ও সন্ত্রাসীদের অধীনে নয়। বলুন তো, স্বৈরাচারী সন্ত্রাসী ডাকুদের অধীনে নির্বাচনে যাওয়াই কি গণতন্ত্র? ডাকুতন্ত্রের নির্বাচন বর্জন করা কি ভুল? স্বৈরাচারী ডাকাতগণ ক্ষমতা কুক্ষিগত করে কি কেবল মুখরোচক কথা ও যুক্তি শোনাবে?

আজ মানুষ কি করবে? কি করার অধিকার রয়েছে? সে বেরিয়ে আসলেই তাকে মারপিট করবেন, দৌড়ের উপর রাখবেন। কিন্তু সে যদি ঘুরে দাঁড়িয়ে পালটা থাপ্পড় দেয় তবে তা কি অন্যায় হয়ে যাবে? ওরে সন্ত্রাসী ন্যায়বাদী রে!

আজ জাতির সার্বিক অবস্থার দিকে তাকান। নৈতিকতার দিকে তাকান। কি হচ্ছে? তাদের মূল্যবোধ ও বিশ্বাস কোণঠাসা হচ্ছে। আর উলটো তাদেরকে মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক, জঙ্গি ইত্যাদি আখ্যায়িত করে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, বিশ্বাস, আমল-আখলাকের পথ রুধ করা হচ্ছে। ধর্মনিরপেক্ষতার নামে তাদের উপর “অপরের বিশ্বাস ও সংস্কৃতি” (যেমন নাস্তিক্যবাদ ও পৌত্তলিকতা) কৌশলে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। আর এতে ব্রাহ্মণ্য প্রভাবিত মুসলিম নামধারী পৌত্তলিক মুনাফিকগণ ধর্মীয় মুখোশ পরে, ধর্মের এজেন্সি নিজেদের হাতে এনে, আলেম উলামাদেরকে বিষোদগার করছে। আজ যাদের পেটে বোমা ফোটালেও কোরান হাদিসের ইলম বেরিয়ে আসবে না, তারাও কোরান থেকে উদ্ধৃতি মারতে শুরু করেছে। এরা শয়তান। জাতি এই শয়তানদের হাত থেকে মুক্তি পাক, বেঁচে থাকুক।

[এই ব্লগে যা বলা হয়েছে তাতে তৃণমূল, বা সাধারণ-স্তরের, আমলীগারা উদ্দেশ্যিত নন।]

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
২১৪ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)