লগইন রেজিস্ট্রেশন

আমরা যেন এক কূপ হইতে বের হইয়া আরেক কূপে গিয়া না পড়ি -১

লিখেছেন: ' ইবনে হাবীব(মাহমুদ)' @ সোমবার, এপ্রিল ১৯, ২০১০ (৯:১৮ পূর্বাহ্ণ)

১৯৪২ সালের একটি ঘটনা। ঘটনাটি ঘটিয়াছিল পান্ঞ্জাব হাইকোর্টে। অবিভক্ত ভারতের হাইকোর্টের বিচারক একজন ইংরেজ। আহলে তাকলীদ মাযহাবীর মেয়ের বিবাহ হইয়াছিল গায়রে মুকাল্লিদ আহলে হাদীসের ছেলের সঙ্গে। আহলে হাদীস ছেলে মেয়েটিকে তিন তালাক দেওয়ার পরও স্ত্রীকে ঘরে নেওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করিতেছিল। মুকাল্লিদ মেয়ে তিন তালাকের পর কিছুতেই স্বামী গৃহে পুনঃবিবাহ ব্যতিত যাইতে পারেনা, হারাম। এদিকে স্বামীর দল স্ত্রীকে না নিয়া ছাড়িবেনা, ঐদিকে স্ত্রীর দল কিছুতেই মেয়েকে হারাম কাজে দিবেনা। গ্রাম্য শালিসের পর মুকদ্দমা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়াইল। উভয় পক্ষে নামী দামি উকিল-ব্যারিষ্টার নিয়োগ দেওয়া হউয়াছে। যেহতু ইহা ধর্মীয় ব্যাপার, কাজেই উভয় পক্ষের উকিল-ব্যারিষ্টারদের উপদেষ্টা হিসাবে রহিয়াছেন খ্যাতনামা আলেম সাহেবগন।
ছেলে পক্ষের উকিল মেয়ে পক্ষের উকিলকে প্রশ্ন করিল, আচ্ছা বলুন তো ইসলামের মাযহাব কয়টি?
ছেলে পক্ষের উকিল জবাব দিল, মুসলমানদের মধ্যে মাযহাব পাচঁটি। হানাফী, শাফেয়ী, মালেকি, হাম্বলী ও আহলে হাদীস।
মেয়ে পক্ষের উকিল: কোন মাযহাবে কত লোক আছে?
ছেলে পক্ষের উকিল: সকল মাযহাবেই প্রচুর লোক আছে।
মেয়ে পক্ষের উকিল: আচ্ছা বলুন, কত মাযহাবের লোকের এই মত যে, তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পড়ে। আর কত মাযহাবের লোকের এই মত যে, তিন তালাক দিলে এক তালাক পড়ে?
যেহেতু উভয় পক্ষের উকিলের উপদেষ্টা হিসাবে বিখ্যাত বিখ্যাত আলেম রহিয়াছেন, বাস্তব বিরোধী, শরীয়ত বিরোধী কোনকথা বলিয়া বাচিঁয়া যাওয়ার উপায় নাই।সুতারাং যাহা বাস্তব, বিচারকের সম্মুখে তাহাই প্রকাশ করিতে হইবে। কাজেই ছেলে পক্ষের উকিল বলিল, মুসলমানদের পাচঁ মাযহাবের মধ্যে চারি মাযহাবের এই মত যে, তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পড়িয়া যাইবে।
এইবার মেয়ে পক্ষের উকিল ইংরেজ বিচারককে সম্মোধন করিয়া বলিল, কেসটি যেহেতু মুসলমানদের ধর্মীয় ব্যাপার আর মুসলমানদের মধ্যে ধর্মীয় মাযহাব পাচঁটি, তম্মধ্যে চার মাযহাবের লোকেরা বলিতেছে তিন তালাক দিলে তিন তালাকই পড়িয়া স্ত্রী হারাম হইয়া যায়, তাহার স্ত্রী রাখিবার অধিকার নাই। আর এক মাযহাবের লোকের এই মত যে, তিন তালাক দেওয়ার পরেও স্ত্রী রাখিতে পারে। অতএব মাননীয় বিচারপতি! আমার আবেদন- এইবার যথারীতি আইন অনুযায়ী বিচার করা হউক।
ইংরেজ বিচারকের মেধায় এইবার বিষয়টি পরিষ্কার হইয়া গেল। জুরির হাকিমদের আইন-কানূন তাহার জানা আছে। মেজরিটি প্রাধান্য লাভ করে। ইংরেজ হাকিম রায় লিখিলেন: চার মাযহাবের লোকের মতে তিন তালাক দেওয়ার পর স্বামীর জন্য যখন স্ত্রী অবৈধ ও হারাম হইয়া গিয়াছে, কাজেই তিন তালাক দেওয়ার পর স্বামীর দাবী অগ্রাহ্য।
আহলে হাদীসগন একটু চিন্তা করুন, এই ঘটনার প্রতি লক্ষ্য করুন, তিন তালাক নিয়া বাড়াবাড়ি করিবেন না। একজনের দ্বারা ভুল হওয়া সম্ভব, সকলে একসাথে ভুল করিতে পারেনা। ইমাম, ফক্বিহ, মুহাদ্দিস, মুফাসসিরগণের মধ্য হইতে একমাত্র ইবনে তাইমিয়া রহ. ব্যতিত আর কেউ এই মতে দ্বিমত করিয়াছেন কি? কাজেই একটু চিন্তা করুন। একজনের ভুল হওয়া বিচিত্র নহে, সকলে কিরুপে ভুল করিতে পারেন?
যদি আপনারা বাস্তবিকই আহলে হাদীস হইয়া থাকেন, তবে একমাত্র ইবনে তাইমিয়া রহ. -এর মতকে ভিত্তি করিয়া সারা বিশ্বের আলেম, ফক্বিহ, মুহাদ্দিস, মুফাসসিরগণের উক্তি ও অভিমত উপেক্ষা করিয়া তিন তালাককে এক তালাক কিরুপে বলিতে পারেন? উভয় পক্ষের দলীল যদি সমান সমানও হইত তবুও সতর্কতার বিষয় কোনটা ছিল? হালাল হারামে দন্দ্ব হইলে হারামই প্রাধান্য লাভ করে। তাই আপনাদের জন্যেও সতর্কতা এই যে, নিজের মতের উপর আমল না করা। বরং অনেক ক্ষেত্রে আপনারা এই মতকে অন্যের ঘাড়ে চাপাইয়া দিতেও ত্রুটি করেন না। ইহাকে জিদ ও হটকারিতা ছাড়া আর কি বলা যাইতে পারে?
তাই আসুন, ব্যক্তির প্রতি অন্ধবিশ্বাস ও ব্যক্তিপূজার মানসিকতা পরিহার করি। আমরা যেন এক কূপ হইতে বের হইয়া আরেক কূপে গিয়া না পড়ি।

(উক্ত ঘটনাটি মাওলানা মুহাম্মদ পালন হাক্কানী (গুজরাটি) রচিত ‘কোরআন-হাদীসের কষ্টিপাথরে আহলে হাদীস সম্প্রদায়’-বইটি থেকে সংগৃহিত)

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৩৬৫ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৩.০০)

১২ টি মন্তব্য

  1. মাহমুদ, “ইমাম তাইয়িমা (র:) কে অনুসরন যদি কেউ করে সেটাও তো তকলীদ হোলো” । তাহলে দেখা যাচ্ছে যারা মাজহাব মানে তারাও অনুসরন করে আর যারা মাজহাব মানে না তারাও অনুসরন করে ?

    মাহমুদ

    @হাফিজ, জ্বী আপনি ঠিকই বলেছেন। তারা শুধুই অনুসরনই করে না, ব্যক্তি বিশেষের অন্ধ অনুসরনও করে। বর্তমানে তাদের নাসির উদ্দীন আল বানীর অন্ধ অনুসরন চলছে।

    হাফিজ

    @মাহমুদ, অন্ধ অনুসরন বলতে আমি বুঝি “কোরআন হাদিস” এর দলীল নেই এমন বিষয় বলার পরও কেউ যদি সেই ব্যক্তিকে অনুসরন করে । এমন কি প্রমান করা সম্ভব নাসিরুদ্দিন আলবানী কোরআন হাদিস এর দলীল নেই এমন কিছু বলেছে বা এমন কোনো কাজ করেছে যেটা আগেকার সলফে সালেহিনদের পদ্ধতির সাথে সাংঘর্ষিক ?

    মাহমুদ

    @হাফিজ, আপনি নাসিরুদ্দিন আলবানী রচিত “রাসুলুল্লাহর(স.) নামায” বইটি পড়তে পারেন। তিনি বুখারি, মুসলিমের সব হাদীস কে সহীহ মনে করেন না।

    মনপবন

    @মাহমুদ, ভাই না জেনে কথা বলাটা কি ঠিক? আপনি জানেন মেয়েদের স্বর্ণ পড়ার ব্যাপারে নাসিরুদ্দিন আলবানীর মতামত আমরা মানি কিনা? তাক্বলিদ মানে অন্ধ ভক্তি, আমরা উনার অন্ধভক্ত হলে এ ব্যাপারে উনার মতামত মেনে নিতাম। আল্লাহ আমাদের না জেনে কারো নামে কিছু বলা থেকে বিরত রাখুন

    মাহমুদ

    @মনপবন, জ্বী , একইভাবে আমরা ইমামগনের সমালোচনা, গীবত হতেও বেচে থাকি।

  2. আস্‌সালামু আলাইকুম,
    আল্লাহ আমার ও আপনাদের সকলকে হেদায়াত দান করুন। এ পর্যন্ত মনপবন, মেরিনার, মুসলিম৫৫ অনেকবার বলেছেন যে শুদ্ধ পথ হল কোন একজন আলেম কে অনুসরন না করে সব আলেম কেই অনুসরন করা যারা কোরআন হাদিস এর দলীলের ভিত্তি তে কথা বলতে পারেন। আপনাদের অবগতির জন্য বলি; আমি সেদিন জানতে পারলাম যাকাতের ব্যাপারে ঈমাম আবু হানীফার মতামত টিই সবচেয়ে ঠিক। আমি ত খুশী হয়েই মেনে নিলাম। এই যে এই সিদ্ধান্ত টা, এটাকি আমি নিজের নফসের উপর ভিত্তি করে নিয়েছি।না, মোটেও না ইনশা আল্লাহ। বরং আলেমদের মতেই এটা জানলাম। তেমনি আপনারা উপরে যে গল্পটি দিলেন সেটার অর্থ হল (যদি ভুল বুঝি তবে ঠিক করে দিবেন) একসাথে তিন তালাক দিলে সেটা অফেরতযোগ্য তালাক হবে। এই বই কিসের ভিত্তি তে কোথা থেকে এই কথা লিখেছে জানা আছে বলে মনে হয়না। একটু খুজলেই পাবেন যে একসাথে (একই মূহুর্তে) তিন তালাক দিলে সেটা একটাই বিবেচিত হবে।এমন কি চার মাযহাবের ঈমাম সহ অনেক আলেম পাবেন যারা এটাই কোরান সুন্নাহ অনুযায়ী বুঝেছেন। হযরত ওমর শাসনমুলক ভাবে একসাথে (একই মূহুর্তে) তিন তালাক কে তালাক বিবেচনা করেছিলেন যা পরে রহিত করেছেন সহযাত কারণে।যাক সেই কথা।সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ বিষয় হল কেউ এই ব্লগে আহলে হাদীস হওয়ার দাওয়াত দিচ্ছে বলে আমি জানিনা।কোন ঈমাম কে ছোট করার তো প্রশ্নই আসেনা। সেটা হলে আমি ঈমাম তাহাবী, যিনি কিনা একজন হানাফি আলেম, তার লিখা আকীদার ১০৫ খানা পয়েন্ট দিয়ে দ্বীন শিক্ষা করতাম না বা যাকাতের ব্যাপারে ঈমাম আবু হানীফার মতামত টিই সবচেয়ে ঠিক এই কথা শুনে মানতাম না। ইসলাম এমন একটা দ্বীন যেটা কেয়ামত পর্যন্ত preserved থাকবে। সেটা কিভাবে হবে তা কি আমরা একবার ও ভেবেছি? অবশ্যই সেটা আলেমদের কাছে সুরক্ষিত কোরান সুন্নাহ এর জ্ঞানের মাদ্ধ্যমে।আমরা কি ভাবি যে পৃথীবির বুকে কেবল ৪ জন আলেম এসেছেন এবং এদের পর যতই আলেম এসেছেন তাদের সবার উপর এটা বাদ্ধ্যতামুলক হয়ে গেছে যে তারা উক্ত চারজনের যেকোন একজনের অনুসরন করবেন। এমন কোন আলেম কি থাকবেনা যিনি কোরান সুন্নাহ এর আলোকে বলবেন যে কোন একটি ব্যাপারে ঈমাম মালিক (র:) ঈমাম শাফেঈ (র)এর চেয়ে ঠিক বলেছেন। একটা ঘটনা শুনেছিলাম। এক শাফেঈ মাযহাবের লোক হজ্জে গিয়ে বলছে, ভাই আমি এখানে এসে হানাফী হয়ে গেছি।কারন শাফেঈ মাযহাএব বিপরীত লিেন্গর কারো স্পর্শ লাগলে ওযু ভেংগে যায়। হজ্জে গিয়ে এই নিয়ম ত মানা সম্ভব নয়। এই লোক কি তাহলে ভুল করল। না।অবশ্যই না। কারন ঈমাম শাফেঈ (র) কাছে ওই বিষয়ক হাদীস টি হয়ত পৌছায়নাই, অথচ হানাফি আলেমরা হয়ত এই হাদীস টা পেয়েছেন। আমরা কি বলব এই রকম কোন মাসালা কোন মাযহাবে ঠিক আছে তা বলার জন্য কোন আলেম পৃথীবি তে নাই? আরো একটা উদাহারন দেই। মেয়েদের নিকাব কোন মাযহাবে বাদ্ধতামুলক কোন মাযহাবে নয়। বেশীর ভাগ আলেম বলেছেন সবসময় এটা বাদ্ধতামুলক নয়। এখন কোনো মেয়ে কি তার মাযহাবে এটা বাদ্ধতামুলক বিধায় কোন আলেমের রায় নিয়ে এটা বাদ্ধতামুলক না ভাবতে পারেনা। আমি দ্বীনের জ্ঞানে একেবারেই হত দরিদ্র। আল্লাহ আমাকে মাফ করুন যদি ভুল বলে থাকি। অবুঝের মত আপনারা বলছেন অন্যরা অন্ধ অনুসরন করছে। আপনারা কি যাদের ব্যাপারে এই কথা বলছেন তাদের সাথে কথা বলে এটা নিশ্চিত করেছেন? নয়ত কি আমরা অপবাদের দোষে দোষী হবনা?
    No qattat (Slanderer) will enter paradise.
    -Narrated from Bukhadi
    আমরা কি ভাবি যে এই পৃথীবিতে এই উপমহাদেশ ছাড়া আর কোথাও কোন আলেম নাই? তাহলে কাদের দাওয়াতে ইউসুফ এসটেস,আব্দুর রহমান গ্রীন, বিলাল ফিলিপস,জামাল আল দ্বীন আল যারাবোযার মত লোক ইসলাম ধর্ম গ্রহন করে এখন ইসলাম প্রচার করছেন আর জ্ঞানের দিক থেকেও এগিয়ে গেছেন আমাদের চেয়ে হাযার যোজন। নিজেদের সীমাবদ্ধ করে কোরান সুন্নাহ এর বিশাল জ্ঞানের ভান্ডারে আমরা নিজেদের জন্য কি জোগাড় করেছি? হানাফী মুসলিম দাবি করে আমরা সারা জীবনেও হয়ত ঈমাম তাহাবীর আক্বীদার ১০৫ পয়েন্ট ব্যাপার টা জানার বাইরে রেখেই মরে যাই। অথচ হানাফী না হয়েও পুরো পৃথীবির অনেকেই এটা নিয়ে পড়ছেন আর উপকৃত হচ্ছেন। এমন আরো অনেক জ্ঞান অজানা থেকে যায় আমাদের অহন্কারের জন্য। আর আমরা পরিতৃপ্তির ঢেকুর তুলি অল্প জেনেই। যাদের কে আহলে হাদীস ভাবছেন তারা কি কখনো বলেছে যে সবাই কে আহলে হাদীস হতে হবে? তারা বলছে আমাদের শুদ্ধ জ্ঞানের জন্য আলেমদের কাছে যেতে। একটু চলুন না শাইখ বিলাল ফিলিপসের http://www.islamiconlineuniversity.com এ। গিয়ে দেখি তারা কিভাবে দ্বীন শিখাচ্ছেন। ওখানে যাও্য়া মানেই ত পরাজয় নয়। বরং কোরান সুন্নাহ এর আলোকে একটু বেশি জানলে কি আমাদের উপকার হবেনা ইনশা আল্লাহ? সারাক্ষন ব্লগে লিখার সময় হয়, ওখানে যেতে ক্ষতি কি?ইন্টারনেট তো আছেই। দেশে চানত ড: মনযুর ই ইলাহি, মো: ইব্রাহীম সাহেবদের কাছে যান। উনাদের কাছে ইসলামিক টিভির লেকচার শুনে আমি কি ভড়কে যাই নি? পরে সত্য জেনে তা কি মেনে নেইনি? যা মানছেন তা না ফেলুন,তারপর ও শিখুন- আল্লাহ হয়ত সঠিক পথ টি দেখিয়ে দিবেন । আমরা মুসলিম হতে চাই, সে রকম মুসলিম যাদের কে দেখে কাফির রা ভয় পাবে, ভয় পাবে আমাদের ঈমানের জোড় দেখে আর আক্বীদার ব্যাপারে ঐক্য দেখে। এই ভাবেই কি পূর্বে আল্লাহ আমাদের ক্ষমতা দেননাই। তাই আসুন, ইলম, আমল ও দাওয়াত নিয়ে সামনে আগাই।অবশ্যই সে দাওয়াত হবে আল্লাহ এর পথের দিকে। কোনো দলের দিকে নয়। আমরা সব ঈমাম এবং আলেমদের (কোরান সুন্নাহ এর আলোকে যারা কথা বলেছেন, বলছেন এবং বলবেন) শ্রদ্ধা করব কিন্তু কখনও হানাফি,মালিকি,শাফী,হামবলী, আহলে হাদীস বলে নিজেদের অন্য মুসলিম ভাই থেকে আলাদা করবনা।

    And who is better in speech than he who invites to Allah, and does righteous deeds, and says: “I am one of the Muslims.” (koran:Sura 41: Ayat 33)

    ফি আমানিল্লাহ

    মাহমুদ

    @Abu Aaisha, চলুন আলোচনার জন্য আপনার ব্লগে যাই। http://www.peaceinislam.com/abu-aaisha/5885/

  3. //গ্রাম্য শালিসের পর মুকদ্দমা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়াইল। উভয় পক্ষে নামী দামি উকিল-ব্যারিষ্টার নিয়োগ দেওয়া হউয়াছে।//
    আল্লাহর ক্বুরানের একটা আয়াত মনে পড়লো –
    “হে মুমিনগণ, তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহ্‌র ও আনুগত্য কর রাসূলের এবং তোমাদের মধ্য থেকে কর্তৃত্বের অধিকারীদের। অতঃপর কোন বিষয়ে যদি তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ্‌ ও রাসূলের দিকে প্রত্যার্পণ করাও- যদি তোমরা আল্লাহ্‌ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখ। এটি উত্তম এবং পরিণামে উৎকৃষ্টতর।”
    সূরা আন নিসা, ৪ঃ ৫৯

    মাহমুদ

    @মনপবন, উক্ত আয়াত দ্বারা আপনি কী বোঝাতে চাইছেন ?

  4. আপনি কি তাদের কথা বলিতেছেন, যারা ডাক্তার না হইয়াও ডাক্তারীর বই নিয়া আর হাতে ছুরি কাচি নিয়া অপারেশন থিয়েটারে রুগীকে কচুকাটা করিতেছে?

    মাহমুদ

    @তামীম, জ্বী ঠিক ধরেছেন।