<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা কি সম্ভব?</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: Phoenix69</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-10319</link>
		<dc:creator>Phoenix69</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-10319</guid>
		<description>যারা বলছেন খিলাফত প্রতিষ্ঠা গনতন্ত্র ছাড়া সম্ভব না তাদের জন্য 

আল-কুরআনঃ &quot;যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য &quot; [২:১৬৫]

গনতন্ত্রঃ জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস ।

&quot;আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার ক্ষমতা নেই। &quot; [১২:৪০]

গনতন্ত্রঃ আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগন, সংসদ, মন্ত্রী-এমপির 

গনতন্ত্রের অন্যতম পুরোধা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন &quot;Democracy is of the people from the people by the people&quot;

#আল-কুরআনঃ আল্লাহ তাআলা সার্বভৌমত্বের মালিক। [৩:২৬]

গনতন্ত্রঃ সার্বভৌমত্বের মালিক জনগন।

গনতন্ত্র হল সেক্যুলারিসম এর রাজনৈতিক ধারনা , যেখানে  সেক্যুলারিসমের মূল কথা হল ধর্ম ধর্মের জায়গায় , জিবনের সাথে কোন সম্পর্ক নেই  ... এটা ইসলামের সাথে সাঙ্ঘর্ষিক ।। গনতন্ত্র হালাল হবার কোন প্রশ্নই আসে না ...
আর খিলাফাত প্রতিষ্ঠা কিভাবে করতে হবে সেটা মুহাম্মাদ(স) -ই আমাদের দেখিয়েছেন মদীনায় খিলাফত প্রতিষ্ঠা করে .নবীজী(স)- এর শুদ্ধ সীরাত গ্রন্থে খুজলেই পাবেন ..... সেটাই ইসলামি তরিকা ...</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>যারা বলছেন খিলাফত প্রতিষ্ঠা গনতন্ত্র ছাড়া সম্ভব না তাদের জন্য </p>
<p>আল-কুরআনঃ &#8220;যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য &#8221; [২:১৬৫]</p>
<p>গনতন্ত্রঃ জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস ।</p>
<p>&#8220;আল্লাহ ছাড়া কারও বিধান দেবার ক্ষমতা নেই। &#8221; [১২:৪০]</p>
<p>গনতন্ত্রঃ আইন প্রণয়নের ক্ষমতা জনগন, সংসদ, মন্ত্রী-এমপির </p>
<p>গনতন্ত্রের অন্যতম পুরোধা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন &#8220;Democracy is of the people from the people by the people&#8221;</p>
<p>#আল-কুরআনঃ আল্লাহ তাআলা সার্বভৌমত্বের মালিক। [৩:২৬]</p>
<p>গনতন্ত্রঃ সার্বভৌমত্বের মালিক জনগন।</p>
<p>গনতন্ত্র হল সেক্যুলারিসম এর রাজনৈতিক ধারনা , যেখানে  সেক্যুলারিসমের মূল কথা হল ধর্ম ধর্মের জায়গায় , জিবনের সাথে কোন সম্পর্ক নেই  &#8230; এটা ইসলামের সাথে সাঙ্ঘর্ষিক ।। গনতন্ত্র হালাল হবার কোন প্রশ্নই আসে না &#8230;<br />
আর খিলাফাত প্রতিষ্ঠা কিভাবে করতে হবে সেটা মুহাম্মাদ(স) -ই আমাদের দেখিয়েছেন মদীনায় খিলাফত প্রতিষ্ঠা করে .নবীজী(স)- এর শুদ্ধ সীরাত গ্রন্থে খুজলেই পাবেন &#8230;.. সেটাই ইসলামি তরিকা &#8230;</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: deshibhai007</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7449</link>
		<dc:creator>deshibhai007</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7449</guid>
		<description>@সালাহউদ্দীন,সহমত।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সালাহউদ্দীন,সহমত।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সালাহউদ্দীন</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7412</link>
		<dc:creator>সালাহউদ্দীন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7412</guid>
		<description>@deshibhai007, সহমত।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@deshibhai007, সহমত।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সালাহউদ্দীন</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7411</link>
		<dc:creator>সালাহউদ্দীন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7411</guid>
		<description>তবে আমার মনে হয় বর্তমান প্রেক্ষাপটে খিলাফাত প্রতিষ্ঠার উপায়, পথ-পদ্ধতি নিয়ে আমাদের আরো গবেষণা করা  দরকার। এবং এটা সময়ের দাবী।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>তবে আমার মনে হয় বর্তমান প্রেক্ষাপটে খিলাফাত প্রতিষ্ঠার উপায়, পথ-পদ্ধতি নিয়ে আমাদের আরো গবেষণা করা  দরকার। এবং এটা সময়ের দাবী।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সালাহউদ্দীন</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7410</link>
		<dc:creator>সালাহউদ্দীন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7410</guid>
		<description>@deshibhai007,  চমৎকার, ভাল বলেছেন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@deshibhai007,  চমৎকার, ভাল বলেছেন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সালাহউদ্দীন</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7409</link>
		<dc:creator>সালাহউদ্দীন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7409</guid>
		<description>@deshibhai007,  আমার নীচের কমেন্টটি দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@deshibhai007,  আমার নীচের কমেন্টটি দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: deshibhai007</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7404</link>
		<dc:creator>deshibhai007</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7404</guid>
		<description>@সালাহউদ্দীন,

আপনার বর্ণিত এই পদ্ধতির সপক্ষে কোরআন-হাদীস থেকে কোন দলিল-প্রমান উপস্থাপন করবেন কি, দয়া করে?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সালাহউদ্দীন,</p>
<p>আপনার বর্ণিত এই পদ্ধতির সপক্ষে কোরআন-হাদীস থেকে কোন দলিল-প্রমান উপস্থাপন করবেন কি, দয়া করে?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: deshibhai007</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7403</link>
		<dc:creator>deshibhai007</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7403</guid>
		<description>@সালাহউদ্দীন,

আপনার ১ থেকে ৭ পর্যন্ত পয়েন্টে আমি একমত। কিন্তু ৮ এবং পরবর্তী পয়েন্টে আমি বলবোঃ

৮।	আকাবার শপথ অনুষ্ঠিত হয়। মদীনার ১২ টি গোত্রের নেতারা একটি প্রতিনিধিদল প্রেরণের মাধ্যমে রাসুল(সাঃ) কে মদীনায় আসার আমন্ত্রণ জানায়। তারা রাসুল (সাঃ) কে নিরাপত্তা দানের প্রতিশ্রুতি দেন। ইবনে ইসহাক বর্ণিত, “লোকেরা বায়াতের জন্য সমবেত হওয়ার পর হজরত আব্বাস ইবনে ওবাদা ইব্নে নাযলা (রাঃ) বললেন, তোমারা জানো, তোমরা কিসের উপর বায়াত করছো? সবাই বললো, হ্যা জানি। তোমরা তাঁর হাতে কালো ও লাল লোকদের সাথে যুদ্ধ করার বায়াত করছো। যদি তোমরা মনে করে থাকো, যখন তোমাদের ধন-সম্পদ বিনষ্ট করা হবে, তোমাদের অভিজাত নেতৃস্থানীয় লোকদের হত্যা করা হবে, তখন তোমরা তাঁকে পরিত্যাগ করবে, তবে এখনই তাঁকে পরিত্যাগ করো। ...”- [আর রাহীকুল মাখতুম, পৃষ্টাঃ ১৭৪,প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ]
	
     দেখা যাচ্ছে, এ শপথ ইসলাম গ্রহন করার শপথ ছাড়াও যুদ্ধের সম্ভাবনা মাথায় নিয়েও রাসুল(সাঃ) কে মদীনা নিয়ে যাওয়ার শপথ ছিলো। দেখুন নীচের হাদিসটিঃ
     হজরত জাবের (রাঃ) বর্ণিত, “সমবেত ৭০ জন লোক বায়াতের জন্য উঠলে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী আসয়াদ ইবনে যুরারা (রাঃ) রাসুল (সাঃ) এর হাত ধরে বললেন, ইয়াসরিববাসী একটু থামো। আমরা তাঁর কাছে উটের বুক শুকানো দূরত্ব অতিক্রম করে এই বিশ্বাস নিয়ে এসেছি যে, তিনি আল্লাহর রাসুল। আজ তাকে মক্কা থেকে নিয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে, সমগ্র আরবের সাথে শত্রুতা, তোমাদের বিশিষ্ট নেতাদের নিহত হওয়া ও তলোয়ারের ঝনঝনানি। কাজেই এসব যদি সহ্য করতে পারো তবেই তাঁকে নিয়ে যাও। তোমাদের এ কাজের বিনিময় আল্লাহর কাছে রয়েছে। আর যদি নিজের প্রাণ তোমাদের কাছে প্রিয় হয়ে থাকে, তবে তাঁকে এখানেই ছেড়ে যাও। এটা হবে আল্লাহর কাছে তোমাদের অধিক গ্রহণযোগ্য ওযর”।  - মুসনাদে আহমদ।


৯.  এই আমন্ত্রণে মুসলিমরা মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনায় চলে যায়। সবশেষে মুহাম্মাদ স. ও আবু বকর রযি. ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদীনায় হিজরত করেন। বর্ণিত আছেঃ “৫ম, ১২তম, ২৬ তম দিনের জুময়া বার তিনি আল্লাহর নির্দেশে সওয়ারীতে আরোহন করেন। তখন আবু বকর (রাঃ) তাঁর পিছনে ছিলেন। কোবা থেকে রওয়ানা হওয়ার আগে তিনি তাঁর মাতুল গোত্র বনু নাযযারকে খবর পাঠান। তারা তলোয়ার সহ হাজির হয়। তাদের সাথে নিয়ে তিনি মদীনা অভিমূখে রওয়ানা হন।” -[সহীহ বুখারী, ১ম খন্ড, পৃঃ ৫৫৫-৫৬০, যাদুল মায়াদ, ২য় খন্ড, পৃঃ ৫৫, ইবনে হিসাম, ১ম খন্ড, পৃঃ ৪৯৪;রাহীকুল মাখতুম,পৃষ্টাঃ ১৯৬,প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ]
		
         তাই দেখা যাচ্ছে, রাসুল (সাঃ) এর মদীনায় গমন শুধুমাত্র এক বিশাল জন-নেতার  (যাকে অধিকাংশ জনগণ পছন্দ করে) নিজ জণগনের কাছে গমন ছিলোনা, সেখানে Show of Power / Force ও ছিলো। যারা মনে করেন, দাওয়াত দানের পর অধিকাংশ জণগণকে মুসলিম বানিয়েই কেবল ইসলাম ক্ষমতায় যায়/গিয়েছিলো, তারা এই জায়গায় একটু আবার চিন্তা করবেন, please. সব যুগেই ইসলাম দুইটি জিনিসের সাহায্যে বিজয় লাভ করেছে। তা হচ্ছে, আল-কোরআন ও তলোয়ার। 

       রাসুল (সাঃ) বলেছেন,  “আমি আদৃষ্ট হয়েছি মানুষের সাথে যুদ্ধ করতে যতক্ষণ না তারা এই সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোন প্রকৃত ইলাহ নেই ও মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসুল, সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয়। তারা যদি এটা করে তবে ইসলামী আইনের ব্যাপার ছাড়া তাদের জীবন ও ধন-সমপদ আমার কাছে নিরাপদ, আর তাদের হিসাব আল্লাহর কাছে”। - সহীহ বুখারী, হাদিস নং ২৪, সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩।  

      ইবনে তাইমিয়া (রঃ)“And We brought forth iron wherein is mighty power (in matters of war), as well as many benefits for mankind, that Allaah may test who it is that will help Him (His religion) and His Messengers in the unseen” [al-Hadeed 27:25]  এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ  So whoever deviates from the Book is to be brought back with iron, i.e. by force. Hence the soundness of the religion is based on the Qur’aan and the Sword. It was narrated that Jaabir ibn ‘Abd-Allaah (may Allaah be pleased with him) said: The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) commanded us to strike with this, meaning the sword, whoever turns away from this, meaning the Qur’aan. -Majmoo’ al-Fataawa, 28/263

      ইবনুল কায়্যিম (রঃ) বলেন, “আল্লাহ কিয়ামতের পূর্বে, রাসুল (সাঃ) কে পাঠিয়েছেন – পথপ্রদর্শক কিতাব (আল-কুরআন) ও বিজয়ী তলোয়ার দিয়ে, যাতে কোন শরীক ছাড়া এক আল্লাহর ইবাদত হয় এবং তাঁর রিযক তলোয়ার ও ঢালের  ছায়াতলে অবস্থিত। আল্লাহ দ্বীন ইসলামকে প্রতিষ্টিত / বিজয়ী করছেন দলীল-প্রমাণ এবং ঢাল-তলোয়ারের মাধ্যমে, দুটোই একত্রিত এবং পরস্পরের পরিপূরক- আল ফুরুসিয়া (পৃঃ ১৮)

১০.	 হযরত স. এর আগমনের পর মুসলমানেরা ক্রমান্বয়ে চারদিক থেকে এসে মদীনায় জমায়েত হচ্ছিল। পূর্বের মতোই দাওয়াত বা গণসংযোগের কাজ জোরদার গতিতে চলতে থাকে।

১১. 	নবী (সাঃ) মুসলিমদের মধ্যে বিশেষ ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক স্থাপন করেন।  অতঃপর শুধু মুসলিমদের মধ্যে আলাদা সহযোগিতার অংগীকার করান, এবং তাদেরকে “অন্য সকল মানুষ থেকে এক ভিন্ন উম্মতে” আবদ্ধ করেন। [আর রাহীকুল মাখতুম, ১ম সংস্করণ, পৃষ্টাঃ ২১১, প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ] তাছাড়াও তিনি ইহুদীদের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হন। যাতে এটাও উল্লেখ ছিলো যে, (এক) বনু আওফের ইহুদীরা মুসলিমদের সাথে মিলিত হয়ে একই উম্মত হিসেবে বিবেচিত হবে। ইহুদী ও মুসলিম নিজ নিজ দ্বীনের উপর আমল করবে। ... বনু আওফ ছাড়াও তাই  অন্য ইহুদীরাও একই অধিকার ভোগ করবে।  তাছাড়াও (নয়) এ চুক্তির অন্তর্ভূক্তদের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দিলে বা ঝগড়া-বিবাদ হলে আল্লাহর আইন অনুযায়ী রাসুল (সাঃ) তার মীমাংসা করবেন। [ইবনে হিসাম, ১ম খন্ড, পৃঃ ৫০৩-৫০৪; আর রাহীকুল মাখতুম, ১ম সংস্করণ, পৃষ্টাঃ ২১৬-২১৭, প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ]  

      অর্থাৎ মদীনা মুসলিমদের আয়ত্বে আসার পর রাসুল (সাঃ) সেটাকে ইসলাম অনুযায়ী পরিচালনা  করেন। জনগণের কোন প্রাণের দাবীর জন্য তিনি অপেক্ষা করেন নি । ইহুদীরাও মদীনার খিলাফতের অন্তর্ভূক্ত ছিলো। আর ইহুদীদের সাথে রাসুল (সাঃ) এর চুক্তিতে বর্তমানের অনেক আপোষকামী ইসলামপন্থীদের বিভিন্ন চুক্তির সমর্থন পাওয়া যায়না। কারণ রাসুল (সাঃ) এর চুক্তি অনুযায়ী তিনি ছিলেন সর্বে সর্বা, ইসলাম ছিলো বিজয়ী, যে কোন ব্যাপারে মতভেদ-বিবাদ হলে আল্লাহর আইন অনুযায়ী তা মীমাংসা হতো আর বর্তমানে যে সব চুক্তি-সনদ সাক্ষরিত হয় তাতে ইসলামের/ আল্লাহর আইনের কোন অংশ থাকে না বরং অপর পক্ষের দয়ার উপর ইসলাম পন্থীরা টিকে থাকেন। এবং অধিকাংশ / সকল যৌথ সিদ্ধান্ত হয় গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি অনুযায়ী দ্বীন ইসলামের দিকে ভ্রুক্ষেপ ও না করে অথবা নিজেদের খেয়াল-খুশী অনুযায়ী, যার কোন বৈধতা ইসলামে নেই।

১২. 	রাসুল স. মদীনায়  আসা এটাই প্রমাণ করে যে, মুসলিমরা মদীনার নেতৃত্ব নিয়ে নিয়েছেন। এতে শুধুমাত্র জণগণের প্রাণের দাবী থাকলে রাসুল (সাঃ) তলোয়ারসহ বনু নাযযার কে মদীনায় প্রবেশ করার সময় সাথে রাখতেন না। তাঁর এ ধরনের প্রবেশ এটাই প্রমাণ করে যে, জণগণের প্রাণের দাবীর পাশাপাশি (অধিকাংশ জণগণ বলতে চাইলে যে কাউকে দলীল-প্রমাণ হাজির করতে হবে) শক্তি-সামর্থের মাধ্যমে মুসলিমরা মদীনার কর্তৃত্বে আসেন। স্বভাবতই রাসুল (সাঃ) হন, তাদের নেতা / আমীর / খলিফা।

 
১৩. 	অত:পর মদীনার  সকল স্তরের জণগণকে নিয়ে একটি  ইসলামী  খিলাফত গঠিত হয়। (রাস্ট্র বলছিনা কারণ এই শব্দের অনেক Side effect  আছে, যা খিলাফত আর ইসলামী রাস্ট্রকে বেশ আলাদা করে দেয়) এই খিলাফতে শুধু মুসলিমরা ছিলেন না, মদীনার অন্যান্য ধর্মালম্বীরাও ছিলো। আর এটাকে হয়তো ঐ ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির বিপ্লব বলা যায় যার মাঝে জনসমর্থন ও সশস্ত্র শক্তির সমন্বয় ছিলো। বিপ্লব শব্দটি ব্যবহার করা বা না করায় কিছু যায় আসে না। 

আস্‌সালামু আলাইকুম।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সালাহউদ্দীন,</p>
<p>আপনার ১ থেকে ৭ পর্যন্ত পয়েন্টে আমি একমত। কিন্তু ৮ এবং পরবর্তী পয়েন্টে আমি বলবোঃ</p>
<p>৮।	আকাবার শপথ অনুষ্ঠিত হয়। মদীনার ১২ টি গোত্রের নেতারা একটি প্রতিনিধিদল প্রেরণের মাধ্যমে রাসুল(সাঃ) কে মদীনায় আসার আমন্ত্রণ জানায়। তারা রাসুল (সাঃ) কে নিরাপত্তা দানের প্রতিশ্রুতি দেন। ইবনে ইসহাক বর্ণিত, “লোকেরা বায়াতের জন্য সমবেত হওয়ার পর হজরত আব্বাস ইবনে ওবাদা ইব্নে নাযলা (রাঃ) বললেন, তোমারা জানো, তোমরা কিসের উপর বায়াত করছো? সবাই বললো, হ্যা জানি। তোমরা তাঁর হাতে কালো ও লাল লোকদের সাথে যুদ্ধ করার বায়াত করছো। যদি তোমরা মনে করে থাকো, যখন তোমাদের ধন-সম্পদ বিনষ্ট করা হবে, তোমাদের অভিজাত নেতৃস্থানীয় লোকদের হত্যা করা হবে, তখন তোমরা তাঁকে পরিত্যাগ করবে, তবে এখনই তাঁকে পরিত্যাগ করো। &#8230;”- [আর রাহীকুল মাখতুম, পৃষ্টাঃ ১৭৪,প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ]</p>
<p>     দেখা যাচ্ছে, এ শপথ ইসলাম গ্রহন করার শপথ ছাড়াও যুদ্ধের সম্ভাবনা মাথায় নিয়েও রাসুল(সাঃ) কে মদীনা নিয়ে যাওয়ার শপথ ছিলো। দেখুন নীচের হাদিসটিঃ<br />
     হজরত জাবের (রাঃ) বর্ণিত, “সমবেত ৭০ জন লোক বায়াতের জন্য উঠলে, তাদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী আসয়াদ ইবনে যুরারা (রাঃ) রাসুল (সাঃ) এর হাত ধরে বললেন, ইয়াসরিববাসী একটু থামো। আমরা তাঁর কাছে উটের বুক শুকানো দূরত্ব অতিক্রম করে এই বিশ্বাস নিয়ে এসেছি যে, তিনি আল্লাহর রাসুল। আজ তাকে মক্কা থেকে নিয়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে, সমগ্র আরবের সাথে শত্রুতা, তোমাদের বিশিষ্ট নেতাদের নিহত হওয়া ও তলোয়ারের ঝনঝনানি। কাজেই এসব যদি সহ্য করতে পারো তবেই তাঁকে নিয়ে যাও। তোমাদের এ কাজের বিনিময় আল্লাহর কাছে রয়েছে। আর যদি নিজের প্রাণ তোমাদের কাছে প্রিয় হয়ে থাকে, তবে তাঁকে এখানেই ছেড়ে যাও। এটা হবে আল্লাহর কাছে তোমাদের অধিক গ্রহণযোগ্য ওযর”।  &#8211; মুসনাদে আহমদ।</p>
<p>৯.  এই আমন্ত্রণে মুসলিমরা মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনায় চলে যায়। সবশেষে মুহাম্মাদ স. ও আবু বকর রযি. ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদীনায় হিজরত করেন। বর্ণিত আছেঃ “৫ম, ১২তম, ২৬ তম দিনের জুময়া বার তিনি আল্লাহর নির্দেশে সওয়ারীতে আরোহন করেন। তখন আবু বকর (রাঃ) তাঁর পিছনে ছিলেন। কোবা থেকে রওয়ানা হওয়ার আগে তিনি তাঁর মাতুল গোত্র বনু নাযযারকে খবর পাঠান। তারা তলোয়ার সহ হাজির হয়। তাদের সাথে নিয়ে তিনি মদীনা অভিমূখে রওয়ানা হন।” -[সহীহ বুখারী, ১ম খন্ড, পৃঃ ৫৫৫-৫৬০, যাদুল মায়াদ, ২য় খন্ড, পৃঃ ৫৫, ইবনে হিসাম, ১ম খন্ড, পৃঃ ৪৯৪;রাহীকুল মাখতুম,পৃষ্টাঃ ১৯৬,প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ]</p>
<p>         তাই দেখা যাচ্ছে, রাসুল (সাঃ) এর মদীনায় গমন শুধুমাত্র এক বিশাল জন-নেতার  (যাকে অধিকাংশ জনগণ পছন্দ করে) নিজ জণগনের কাছে গমন ছিলোনা, সেখানে Show of Power / Force ও ছিলো। যারা মনে করেন, দাওয়াত দানের পর অধিকাংশ জণগণকে মুসলিম বানিয়েই কেবল ইসলাম ক্ষমতায় যায়/গিয়েছিলো, তারা এই জায়গায় একটু আবার চিন্তা করবেন, please. সব যুগেই ইসলাম দুইটি জিনিসের সাহায্যে বিজয় লাভ করেছে। তা হচ্ছে, আল-কোরআন ও তলোয়ার। </p>
<p>       রাসুল (সাঃ) বলেছেন,  “আমি আদৃষ্ট হয়েছি মানুষের সাথে যুদ্ধ করতে যতক্ষণ না তারা এই সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোন প্রকৃত ইলাহ নেই ও মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর রাসুল, সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয়। তারা যদি এটা করে তবে ইসলামী আইনের ব্যাপার ছাড়া তাদের জীবন ও ধন-সমপদ আমার কাছে নিরাপদ, আর তাদের হিসাব আল্লাহর কাছে”। &#8211; সহীহ বুখারী, হাদিস নং ২৪, সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩।  </p>
<p>      ইবনে তাইমিয়া (রঃ)“And We brought forth iron wherein is mighty power (in matters of war), as well as many benefits for mankind, that Allaah may test who it is that will help Him (His religion) and His Messengers in the unseen” [al-Hadeed 27:25]  এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেনঃ  So whoever deviates from the Book is to be brought back with iron, i.e. by force. Hence the soundness of the religion is based on the Qur’aan and the Sword. It was narrated that Jaabir ibn ‘Abd-Allaah (may Allaah be pleased with him) said: The Messenger of Allaah (peace and blessings of Allaah be upon him) commanded us to strike with this, meaning the sword, whoever turns away from this, meaning the Qur’aan. -Majmoo’ al-Fataawa, 28/263</p>
<p>      ইবনুল কায়্যিম (রঃ) বলেন, “আল্লাহ কিয়ামতের পূর্বে, রাসুল (সাঃ) কে পাঠিয়েছেন – পথপ্রদর্শক কিতাব (আল-কুরআন) ও বিজয়ী তলোয়ার দিয়ে, যাতে কোন শরীক ছাড়া এক আল্লাহর ইবাদত হয় এবং তাঁর রিযক তলোয়ার ও ঢালের  ছায়াতলে অবস্থিত। আল্লাহ দ্বীন ইসলামকে প্রতিষ্টিত / বিজয়ী করছেন দলীল-প্রমাণ এবং ঢাল-তলোয়ারের মাধ্যমে, দুটোই একত্রিত এবং পরস্পরের পরিপূরক- আল ফুরুসিয়া (পৃঃ ১৮)</p>
<p>১০.	 হযরত স. এর আগমনের পর মুসলমানেরা ক্রমান্বয়ে চারদিক থেকে এসে মদীনায় জমায়েত হচ্ছিল। পূর্বের মতোই দাওয়াত বা গণসংযোগের কাজ জোরদার গতিতে চলতে থাকে।</p>
<p>১১. 	নবী (সাঃ) মুসলিমদের মধ্যে বিশেষ ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক স্থাপন করেন।  অতঃপর শুধু মুসলিমদের মধ্যে আলাদা সহযোগিতার অংগীকার করান, এবং তাদেরকে “অন্য সকল মানুষ থেকে এক ভিন্ন উম্মতে” আবদ্ধ করেন। [আর রাহীকুল মাখতুম, ১ম সংস্করণ, পৃষ্টাঃ ২১১, প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ] তাছাড়াও তিনি ইহুদীদের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হন। যাতে এটাও উল্লেখ ছিলো যে, (এক) বনু আওফের ইহুদীরা মুসলিমদের সাথে মিলিত হয়ে একই উম্মত হিসেবে বিবেচিত হবে। ইহুদী ও মুসলিম নিজ নিজ দ্বীনের উপর আমল করবে। &#8230; বনু আওফ ছাড়াও তাই  অন্য ইহুদীরাও একই অধিকার ভোগ করবে।  তাছাড়াও (নয়) এ চুক্তির অন্তর্ভূক্তদের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দিলে বা ঝগড়া-বিবাদ হলে আল্লাহর আইন অনুযায়ী রাসুল (সাঃ) তার মীমাংসা করবেন। [ইবনে হিসাম, ১ম খন্ড, পৃঃ ৫০৩-৫০৪; আর রাহীকুল মাখতুম, ১ম সংস্করণ, পৃষ্টাঃ ২১৬-২১৭, প্রকাশকঃ হাফিজ মুনির উদ্দিন আহমেদ]  </p>
<p>      অর্থাৎ মদীনা মুসলিমদের আয়ত্বে আসার পর রাসুল (সাঃ) সেটাকে ইসলাম অনুযায়ী পরিচালনা  করেন। জনগণের কোন প্রাণের দাবীর জন্য তিনি অপেক্ষা করেন নি । ইহুদীরাও মদীনার খিলাফতের অন্তর্ভূক্ত ছিলো। আর ইহুদীদের সাথে রাসুল (সাঃ) এর চুক্তিতে বর্তমানের অনেক আপোষকামী ইসলামপন্থীদের বিভিন্ন চুক্তির সমর্থন পাওয়া যায়না। কারণ রাসুল (সাঃ) এর চুক্তি অনুযায়ী তিনি ছিলেন সর্বে সর্বা, ইসলাম ছিলো বিজয়ী, যে কোন ব্যাপারে মতভেদ-বিবাদ হলে আল্লাহর আইন অনুযায়ী তা মীমাংসা হতো আর বর্তমানে যে সব চুক্তি-সনদ সাক্ষরিত হয় তাতে ইসলামের/ আল্লাহর আইনের কোন অংশ থাকে না বরং অপর পক্ষের দয়ার উপর ইসলাম পন্থীরা টিকে থাকেন। এবং অধিকাংশ / সকল যৌথ সিদ্ধান্ত হয় গণতান্ত্রিক রীতি-নীতি অনুযায়ী দ্বীন ইসলামের দিকে ভ্রুক্ষেপ ও না করে অথবা নিজেদের খেয়াল-খুশী অনুযায়ী, যার কোন বৈধতা ইসলামে নেই।</p>
<p>১২. 	রাসুল স. মদীনায়  আসা এটাই প্রমাণ করে যে, মুসলিমরা মদীনার নেতৃত্ব নিয়ে নিয়েছেন। এতে শুধুমাত্র জণগণের প্রাণের দাবী থাকলে রাসুল (সাঃ) তলোয়ারসহ বনু নাযযার কে মদীনায় প্রবেশ করার সময় সাথে রাখতেন না। তাঁর এ ধরনের প্রবেশ এটাই প্রমাণ করে যে, জণগণের প্রাণের দাবীর পাশাপাশি (অধিকাংশ জণগণ বলতে চাইলে যে কাউকে দলীল-প্রমাণ হাজির করতে হবে) শক্তি-সামর্থের মাধ্যমে মুসলিমরা মদীনার কর্তৃত্বে আসেন। স্বভাবতই রাসুল (সাঃ) হন, তাদের নেতা / আমীর / খলিফা।</p>
<p>১৩. 	অত:পর মদীনার  সকল স্তরের জণগণকে নিয়ে একটি  ইসলামী  খিলাফত গঠিত হয়। (রাস্ট্র বলছিনা কারণ এই শব্দের অনেক Side effect  আছে, যা খিলাফত আর ইসলামী রাস্ট্রকে বেশ আলাদা করে দেয়) এই খিলাফতে শুধু মুসলিমরা ছিলেন না, মদীনার অন্যান্য ধর্মালম্বীরাও ছিলো। আর এটাকে হয়তো ঐ ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির বিপ্লব বলা যায় যার মাঝে জনসমর্থন ও সশস্ত্র শক্তির সমন্বয় ছিলো। বিপ্লব শব্দটি ব্যবহার করা বা না করায় কিছু যায় আসে না। </p>
<p>আস্‌সালামু আলাইকুম।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: বাংলা মৌলভী</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7401</link>
		<dc:creator>বাংলা মৌলভী</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7401</guid>
		<description>@deshibhai007, সহমত</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@deshibhai007, সহমত</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: deshibhai007</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mahmud/6341/comment-page-1/#comment-7400</link>
		<dc:creator>deshibhai007</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6341#comment-7400</guid>
		<description>@নাজনীন,

আমি আপনার সাথে  সহমত। 

ঐক্য দরকার সত্যি, কিন্তু তা কি যাকে হাতের কাছে পাই তার সাথে ঐক্য নাকি কুরান-সুন্নাহ ভিত্তিক ঐক্য?
এখন যদি তাব্লীগ-জামাত/জামায়াতে ইসলামী/অন্য কোন দল সবাইকে তাদের দলে শরীক হয়ে ঐক্য স্থাপন করতে বলে, তাহলে সবাই কি রাজী হবে? মনে হয় না।

এখন সবাই যদি বলে, আমরা আলাদা আলাদা দলে থেকেও ঐক্য বজায় রাখতে পারি, তবে সেটার জন্য একটা মূলনীতি থাকা দরকার। সেই মূলনীতি কিসের ভিত্তিতে তৈরী হবে? অবশ্যই কুরান-সুন্নাহর আলোকে। 
এখন যারা কুরান-সুন্নাহ আলোকে না চলে তার বিপরীত দিকে চলছে (এখানে দলীয় নীতির কথা বলছি, কারো ব্যক্তিগত ভুল-ত্রুটির কথা বলছি না), তাদের সাথে কি ঐক্য সম্ভব? 

আপনিই বলুন, যদি আপনাকে বলা হয়, আপনি মাজারে সিজদা দেয়, এরকম এক লোকের সাথে ঐক্য করুন, তাহলে কি আপনি তার সাথে ঐক্য করবেন? যদি আপনি তার সাথে ঐক্য করেন, তবে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের (সাঃ) সাথে অনৈক্য করলেন।

তাই ঐক্যের স্বরুপটা আমাদের সবার কাছে পরিস্কার থাকা প্রয়োজন। আর সেটা হলো কোরান-সুন্নাহ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@নাজনীন,</p>
<p>আমি আপনার সাথে  সহমত। </p>
<p>ঐক্য দরকার সত্যি, কিন্তু তা কি যাকে হাতের কাছে পাই তার সাথে ঐক্য নাকি কুরান-সুন্নাহ ভিত্তিক ঐক্য?<br />
এখন যদি তাব্লীগ-জামাত/জামায়াতে ইসলামী/অন্য কোন দল সবাইকে তাদের দলে শরীক হয়ে ঐক্য স্থাপন করতে বলে, তাহলে সবাই কি রাজী হবে? মনে হয় না।</p>
<p>এখন সবাই যদি বলে, আমরা আলাদা আলাদা দলে থেকেও ঐক্য বজায় রাখতে পারি, তবে সেটার জন্য একটা মূলনীতি থাকা দরকার। সেই মূলনীতি কিসের ভিত্তিতে তৈরী হবে? অবশ্যই কুরান-সুন্নাহর আলোকে।<br />
এখন যারা কুরান-সুন্নাহ আলোকে না চলে তার বিপরীত দিকে চলছে (এখানে দলীয় নীতির কথা বলছি, কারো ব্যক্তিগত ভুল-ত্রুটির কথা বলছি না), তাদের সাথে কি ঐক্য সম্ভব? </p>
<p>আপনিই বলুন, যদি আপনাকে বলা হয়, আপনি মাজারে সিজদা দেয়, এরকম এক লোকের সাথে ঐক্য করুন, তাহলে কি আপনি তার সাথে ঐক্য করবেন? যদি আপনি তার সাথে ঐক্য করেন, তবে আপনি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের (সাঃ) সাথে অনৈক্য করলেন।</p>
<p>তাই ঐক্যের স্বরুপটা আমাদের সবার কাছে পরিস্কার থাকা প্রয়োজন। আর সেটা হলো কোরান-সুন্নাহ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
