লগইন রেজিস্ট্রেশন

দেওবন্দ নিয়া প্যাচ লাগছে(কাহিনী ব্যাপক জটিল)

লিখেছেন: ' মালেক_০০১' @ বুধবার, এপ্রিল ৭, ২০১০ (১:০৩ পূর্বাহ্ণ)

দেওবন্দিরা নাকি নিম্নলিখিত আকিদাগুলো বিশ্বাস করে। এগুলো সম্পর্কে বলেছেন শায়খ মতিউর রহমান।
ভিডিওগুলো আছে এখানে Aqeda of Deobond

সমস্যা হল শায়খ মতিউর রহমান বলছেন যে, দেওবন্দীরা নাকি সহজে স্বীকার যান না যে এগুলো তাদের আকিদা। তিনি বিভিন্ন বইয়ের রেফারেন্স দিয়েছেন যেগুলো সবাই হাতের কাছে পাবে না পড়ার জন্য। সুতরাং ঝামেলা থেকেই যাবে মনে হচ্ছে। আমি অতি শীঘ্রই এগুলো নিয়ে বসুন্ধরা, আল-কাউসার ও মাসিক মদীনায় যোগাযোগ করব ইনশাআল্লাহ । সাদাত, হাফিজ ও মুসলিম ভাই রেফারেন্স সহ উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবেন আশা করি।

অভিযোগ অনুযায়ী দেওবন্দী আলেমগণ নিম্নলিখিত আকিদাগুলি পোষণ করেনঃ

১। ওহদাতুল ওজুদ (এটার ব্যাখ্যা সাদাত ভাই দিয়েছেন কিন্তু শায়খ মতীউর রহমান যে বইগুলোর রেফারেন্স দিয়েছেন সেগুলো সবার পক্ষে পাওয়া মনে হয় সম্ভব না, তাই ঝামেলা থেকেই যাবে অর্থাৎ ভুল বুঝাবুঝির সম্ভাবনা প্রায় ১০০%)
২। পীরের ধ্যান করা।
৩। কবর থেকে ফায়েজ বা উপকার আসে বিশ্বাস করা।
৪।সূফীবাদ যার মধ্যে রয়েছে পীরের মধ্যে ফানা হওয়া ও পীর থেকে আধ্যাতিকভাবে লাভবান হওয়া।
৫। ওলীগণ মৃত অবস্থাতেও বিপদ হতে উদ্ধার করতে পারেন।
৬। ওলীগণের রূহ শরীরে মৃত্যুর পরে ফিরে আসতে পারে।
৭। ওলীগণ যেকোন সময় যেকোন স্থানে চলে যেতে পারেন।
৮। কারামত ওলীগণের নিজস্ব ক্ষমতা , যখন খুশি দেখাতে পারেন।
৯। পীরে কামেলকে ডাকলে আল্লাহকে ডাকা হয়।
১০। ওলীর কবরের পাশে গিয়ে ধ্যান করলে লাভ হবে।
১১। নবী আমাদের মতই জীবিত অবস্থায় আছেন।
১২। রওজা যিয়ারত করা ওয়াজিব।
১৩। ওলীদের ওসীলায় দোয়া করা।
১৪। রসূলকে জাগ্রত অবস্থায় দেখতে পাওয়া।
১৫। তকলীদ করা ওয়াজিব নাইলে গোমরাহ।

আমরা কেউ কাউকে আক্রমণাত্মক ভাষায় (খোটা দিয়ে) কথা বলবো না ইনশাআল্লাহ । সুন্দর সাবলীল ভাষায় দলিল সহ কথা বলব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী চলার তৌফিক দান করুন । আমীন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,০৩৭ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৮ টি মন্তব্য

  1. মতিউর রহমান সাহেব নিজে দেওবন্দের ছাত্র। ওখানে পড়া অবস্থায় ওনার এইসব মালূম হতে পারে, কিন্তু আমি বা আমার পরিবারের সবাই দেওবন্দ সংষ্লিষ্ট, আমরাতো দেওবন্দি আক্বীদার কারনেই উল্লেখিত পয়েন্টগুলো বিশ্বাস করি না। তাহলে মতিউর রহমান সাহেব যে সোর্সগুলো বলছেন তা আলীক অথবা কাকতালীয় প্রচেষ্টায় দেওবন্দীদের লেখাতে ওগুলো প্রমান করার চেষ্টা, মুলত এই অপপ্রয়াশের জন্যই সালাফীদের সমালোচনা করতে হয়।
    উপমহাদেশে খালেছ তাউহিদ প্রচারে দেওবন্দীদের ভুমিকা সব্রাগ্রে এ বিষয়টি বিশ্ব স্বীকৃত, শুধু উপমহাদেশ নয় সুদুর দক্ষিন আফ্রিকা, ইউরোপ ও এমেরিকায় ও আজ দেওবন্দিদের প্রয়াশে একনিষ্ঠ দ্বীন প্রচার চলছে। কোন ভুতে কিলিয়ে এই দেওবন্দীদের সমালোচনায় নামায় তা বুঝতে পারছি না।
    মতিউর রহমান সালাফি সাহেব নিশ্চয় সৌদিয়া জন্ম গ্রহণ করেন নি, তার প্রাথমিক পড়া লেখাও সৌদিয়া তে নয়, তিনি আরবীর হাতেখড়ি পেয়েছেন এই দেওবন্দীদের কাছেই, এরকম অনেক মতিউর রহামান সালাফী সৌদি গিয়ে দেশের আলেমশ্রেনীর সমালোচনায় একাট্টা- এটাই আমাদের দেশের সমস্যা।

    মালেক_০০১

    @বাংলা মৌলভী, আমার মনে হয় ভুল বুঝাবুঝি এড়ানোর জন্য সালাফি ও দেওবন্দি আলেমগণ ঠান্ডা মাথায় সামনা-সামনি আলোচনা করলেই পারেন এবং সেগুলো ভিডিও করে প্রচার করা উচিত। এতে ভুল বুঝাবুঝি অনেক কমার কথা।

    দ্য মুসলিম

    @বাংলা মৌলভী,

    উপমহাদেশে খালেছ তাউহিদ প্রচারে দেওবন্দীদের ভুমিকা সব্রাগ্রে এ বিষয়টি বিশ্ব স্বীকৃত, শুধু উপমহাদেশ নয় সুদুর দক্ষিন আফ্রিকা, ইউরোপ ও এমেরিকায় ও আজ দেওবন্দিদের প্রয়াশে একনিষ্ঠ দ্বীন প্রচার চলছে।
    সহমত।

  2. আমাদের দেশের সরকারি ইসলাম শিক্ষা বইগুলোতে যে শিখলাম “আল্লাহ নিরাকার ও সর্বত্র বিরাজমান” – এটা কাদের আক্বিদা?
    আমার বাসা মোহাম্মদপুরে, তিনটি মসজিদের মাইকের আওয়াজ একসাথে আসে, মতিউর রহ্মানের এই ভিডিওটা আমি এখনো দেখিনি, কিন্তু মালেক ভাই যা উল্লেখ করলেন তার মোটামুটি সবগুলাই আমি অনিচ্ছাসত্বেও “শুনে” জেনে ফেলেছি। – এরা তাহলে কার অনুসারী? এই মসজিদের হুজুররা কার কাছ থেকে ইসলাম শিখেছে?

    মালেক_০০১

    @মনপবন, আমার মনে হয় এখানে কিছু ভুল-বোঝাবুঝি রয়েছে। আমি অনেক কওমী আলেমের সাথে কথা বলেছি যারা মিলাদের, পীর-মাজার এগুলোর বিরোধীতা করেন। আবার অনেকে মিলাদ পড়ান। সুতরাং গণভাবে সকলকে দায়ী করা ঠিক হবে না।

    দ্য মুসলিম

    @মালেক_০০১,

    গণভাবে সকলকে দায়ী করা ঠিক হবে না।
    একথাটাই গত কয়েকদিন থেকে বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রসঙ্গ বা সময়ের কারণে বলা হয়নি। মানুষ মাত্রই ভুল করে থাকে। তাদের মধ্যে ভুল থাকতে পারে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে “দেওবন্দী” নামকরণ করে পুরো মাদ্রাসার বদনাম করা এক ধরণের অসৎকর্ম মনে হয় আমার কাছে। কারো কাছে যদি কোন আক্বীদায় সমস্যা মনে হয় তবে শুধুমাত্র সে আক্বীদার ব্যপারে আলোচনা করলে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।

    ব্লগার ভাইদেরকেও একই অনুরোধ করছি। অনেকেই বলে থাকেন যে আমরা তর্ক থেকে বেঁচে থাকতে পছন্দ করি বা থাকি। এখানে তর্ক করতে বলছিনা। তাছাড়া তর্ক করা আর আলোচনা করা আলাদা ব্যপার। বিভ্রান্তিকর বিষয়ে যদি আলোচনা নাই করতে পারি তাহলে আর ব্লগিং করে লাভ কি?

  3. কেউ যেটা স্বীকার করে না , সেটা তার আক্বিদা হয় কিভাবে? ‘শায়খ’রা কি আজকাল অন্তর পড়া শুরু করেছেন নাকি?

    যাহোক ভিডিওগুলি ডাউনলোড করতে পারি নাই। কেউ করে থাকলে মেইলে পাঠালে ভালো হয়।

    মালেক_০০১

    @সাদাত, মেইল করা সম্ভব না। আমার কাছে যেটা আছে তার টোটাল সাইজ ৮২৮ মেগাবাইট। মেইলে আপনার সাথে যোগাযোগ করে পরবর্তীতে পেন-ড্রাইভে দেয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।