লগইন রেজিস্ট্রেশন

একের মধ্যে তিন!

লিখেছেন: ' মামুন' @ বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১০ (৩:৪৪ পূর্বাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
সাহাবীদের মধ্যেও কিছু লোক বিদ’আতী ছিলেনঃ
“আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমি হাউযে কাউসারে তোমাদের অগ্রগামী প্রতিনিধি, তোমাদের মধ্যকার কিছু ব্যক্তিকে উপস্থাপন করা হবে (আমার সম্মুখে) তারপর তাদেরকে আমার নিকট থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আমি বলবঃ হে আমার রব্ব! এরা তো আমার সাহাবী (উম্মাত)। আমাকে বলা হবেঃ তুমি জান না, তোমার অবর্তমানে তারা কত নতুন কাজ (বিদ’আত) করেছে। তখন আমি বলবঃ যারা আমার পরে আমার দ্বীনের পরিবর্তন ঘটিয়েছো তারা দুর হও, দুর হও।” (সহীহ বুখারী) (সূত্রঃ হাদীসে কুদসী)

একটি মজার হাদীসঃ
“আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একদিন নাবী (সাঃ) কথাবার্তা ও আলোচনা করছিলেন। তাঁর নিকট একজন গ্রাম্য আরবও ছিলো। নাবী (সাঃ) বললেনঃ জান্নাতী একটি লোক আল্লাহ তা’আলার নিকট কৃষিকাজ করার অনুমতি চাবে। আল্লাহ তাকে বলবেনঃ তোমার যা প্রয়োজন তা কি তোমার নিকট নেই? সে বলবেঃ হ্যাঁ, তবে আমি কৃষিকাজ করতে চাই। তাই সে এ ব্যাপারে তাড়াহুড়া করবে এবং বীজ বপন করবে, চোখের পলক ফেলার পূর্বেই ফসল অঙ্কুরিত হবে, ফসল বড় হবে, কাটা হবে এবং পাহাড়ের মত গাদা হয়ে যাবে। আল্লাহ তা’আলা তাকে বলবেনঃ হে ইবন আদম! তুমি এগুলি নিয়ে নাও, কেননা কোন কিছুতেই তোমার তৃপ্তি হয় না। তখন গ্রাম্য আরবটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! দেখবেন সে হয়ত কোন আনসারী অথবা কুরাইশ গোত্রীয় হবে, কেননা তারাই কৃষিকাজ করে থাকে, আর আমরা তো কৃষি কাজ করি না। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হেসে ফেললেন।” (সহীহ বুখারী, কিতাবুত তাওহীদ, অনুঃ জান্নাতীদের সাথে রব্বুল আলামীন কথা বলবেন) (সূত্রঃ হাদীসে কুদসী)

স্বামী-স্ত্রীর মনোমুগ্ধকর ভালোবাসা

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি যে তার স্ত্রীর সাথে সর্বোত্তম ব্যবহারকারী হয়। আমি আমার সহধর্মিনীদের সাথে খুবই উত্তম ব্যবহার করে থাকি।”

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) স্বীয় স্ত্রীদের সাথে অত্যন্ত ভাল ব্যবহার করতেন। তাঁদের সাথে হাসি মুখে কথা বলতেন, তাঁদেরকে সবসময় খুশী রাখতেন, মনোমুগ্ধকর কথা-বার্তা বলতেন, তাঁদের অন্তর তিনি স্বীয় মুষ্টির মধ্যে রাখতেন, তাঁদের জন্য উত্তম খাওয়া-পরার ব্যবস্থা করতেন, প্রশান্ত মনে তাঁদের উপর খরচ করতেন এবং মাঝে মাঝে তিনি এমন কথাও বলতেন যে, তাঁরা হেসে উঠতেন। এমনও ঘটেছে যে, তিনি উম্মুল মু’মিনীন আয়িশাহ (রাঃ) এর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করেছেন। সে দৌড়ে আয়িশাহ (রাঃ) আগে বেড়ে যান। কিছু দিন পর আবার দৌড় প্রতিযোগিতা হলে আয়িশাহ (রাঃ) পিছনে পড়ে যান। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ “শোধ-বোধ হয়ে গেল।” এর দ্বারাও তাঁর উদ্দেশ্য ছিল আয়িশাহ (রাঃ)-কে সন্তুষ্ট রাখা।
মোটকথা তিনি স্ত্রীদেরকে অত্যন্ত ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রাখতেন। সুতরাং মুসলমানদেরও স্ত্রীদের সাথে প্রেম-প্রীতি বজায় রাখা উচিত। (প্রিয় নবীর বিবিগণ)

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৯৬ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

১ টি মন্তব্য

  1. আস-সালামু আলাইকুম,

    সাহাবীদের সম্বন্ধে কিছু বলার আগে অবশ্যই আমাদের সাবধান হতে হবে । এই হাদিস পরবর্তিকালের উম্নত সম্বন্ধে বলা হয়েছে । যারা রসুলুল্লাহ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম ) এর সার্বক্ষনিক সংগী ছিল সেই সকল সাহাবীদের মর্যাদা সম্বন্ধে জানতে গেলে মুফতী মো: শফী (রা) মাকামাতে সাহাবা বইটি পড়ুন ।

    আমাদের “ব্যবহারের শর্তাবলী” অনুযায়ী আপনার লেখাটা পড়ের পাতায় সরিয়ে দেয়া হলো ।

    ২.৩। নবী , রসুল , সাহাবা , তাবেয়ী , তাবে-তাবেয়ী সর্বোপরী ইসলামের যেকোন সম্মানিত ব্যক্তিকে নিয়ে কটাক্ষ করে এমন যে কোনো লেখা ।

    ওয়াস সালাম।
    কর্তৃপক্ষ [ পিস ইন ইসলাম ]