লগইন রেজিস্ট্রেশন

***শিয়ালের কাছে মুরগী’র গল্প***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ শুক্রবার, মার্চ ৫, ২০১০ (১১:২৪ পূর্বাহ্ণ)

আমাদের দেশে এই কথাটি প্রচলিত আছে যে, শিয়ালের কাছে মুরগীর গল্প বলে লাভ নেই বা শিয়ালের কাছে মুরগী রেখে লাভ নেই। আপনি যতই শিয়ালকে যেয়ে বুঝান দেখ, মুরগীটা খেয়ো না! কিন্তু শিয়াল কি আপনার কথা বুঝবে? নাহ! কখনই না, আপনি তার কাছে একটা মুরগী রেখে আসুন তারপর দেখবেন মুরগীটি শিয়ালের পেটে চলে গেছে।

আবার ধরুন, আপনার এলাকার একটা ফাটাফাটি মাস্তান, এলাকার সবাই ভয় পায়। এই ভয় পাওয়ার কারণ কি? কারণ, এলাকার মানুষ জানে ফাটাফাটি মাস্তানের সাথে তোয়াজ করে চলতে হবে না হলে সে একটা ফাটাফাটি কান্ড ঘটিয়ে দিবে। এলাকার অধিকাংশ মানুষ ফাটিফাটি মাস্তানকে ফাটাফাটি কান্ড ঘটাতে দেখেনি শুধু শুনেছে আর তাতেই তাদের মনে ভয় ধরে গেছে, কারণ তারা বিশ্বাস করে আসলেই সে ফাটাফাটি মাস্তান।

আরেকটি গল্প বলি, হয়তো অনেকেই জানেন, একটা বনে সিংহ, নেকড়ে আর শিয়াল থাকতো। সেই বনে মহিষ, হরিণ আর খরঘোস পাওয়া যেত। স্বাভাবিকভাবেই সিংহ বনের রাজা। সে নেকড়ে আর শিয়ালকে ডেকে বললো, বল তো কে কোন প্রাণীটা খাবে? প্রথমে নেকড়ে বললো, আপনি মহিষটি খাবেন, আমি হরিণটি খাবো আর শিয়াল খরঘোসটি খাবে। এই কথা শুনে সিংহের রাগ চরে গেল, সে এক প্রচন্ড থাবা দিয়ে নেকড়েকে দিখন্ডিত করে দিতে দিতে বললোঃ কত বড় শাহস, আমি হলাম বনের রাজা আর আমাকে খাওয়ার জন্যে দিস শুধু একটা প্রাণী? এরপর সিংহ শিয়ালকে বললো, এবার তুই বল। শিয়াল বললো, আমার ভয় হচ্ছে তবে আপনি অভয় দিলে বলতে পারি। সিংহ বললো, যা অভয় দিলাম! এরপর শিয়াল বললোঃ আপনি সকাল বেলা খরঘোসটি দিয়ে নাস্তা করবেন, দুপুরে মহিষটি দিয়ে দুপুরের খাবার খাবেন আর রাতে হরিণটি দিয়ে রাতের খাবার খাবেন! শুনে তো সিংহ মহাখুশি, কি হে শিয়াল, তুই এত সুন্দর ভাগ বাটোয়ারা করা শিখলি কোথা থেকে? শিয়াল মনে মনে বললোঃ এই তো কিছুক্ষণ আগে আপনি যখন নেকড়েকে দিখন্ডিত করলেন তখন।

এবার আসল কথায় আসি, বর্তমানে অনেককেই দেখি ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করতে যেমন, ইসলামের এই আইনটা এরকম কেন? ঐ আইনটা ঐরকম কেন? জ্বীন আবার কি? হু, শয়তান কে? নাহ, এই জিনিসটা ইসলামে বর্বর নাহ ঐ আইনটা ইসলামে ঠিক নাই। অমুক, তমুক, এইটা, সেইটা নানা ধরণের প্রশ্ন। এই প্রশ্নগুলো আগে অধিকাংশই অবিশ্বাসীরাই করতো আর এখন দুঃখজনক হলেও সত্যি অনেক মুসলমানও এই ধরণের প্রশ্ন করে থাকেন!! এই প্রশ্নগুলো আসার কারণ একটাই, আর তা হলো, মানুষ আল্লাহ তাআলা সম্পর্কে জানে না! একটু বিস্তারিত করে বলি তাহলেই বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে।

মানুষের ফিতরাত বা স্বভাব হলো, সে বিশ্বাস করুক আর না করুক, আল্লাহর অস্তিত্ব সে অস্বীকার করে না। এমনকি ঘোর নাস্তিকও একদম তার হৃদয়ের গহিন কোনে বিশ্বাস করে আল্লাহ বলে একজন আছেন যদিও এই কথাটা সে কোনভাবেই স্বীকার করবে না। পৃথিবীতে যত নবী-রাসূল এসেছেন তাদের কাউকেই মানুষকে শিখাতে হয় নি, আল্লাহ কে! মানুষ আল্লাহ সম্পর্কে জানতো। মানুষ জানতো, আল্লাহ এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তিনি পালনকর্তা, রক্ষাকর্তা, মালিক প্রভৃতি। যাকে আমরা আল্লাহর শাসন কর্তৃত্ব বা Lordship of Allah বলতে পারি। তাহলে নবী-রাসূলগণ মানুষদের কি বলতেন? সকল নবী-রাসূলদের একটা কমন দাওয়াত ছিল আর তাহল, এক আল্লাহর দাসত্ব মেনে নেওয়া। একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা বা Worship of Allah। আর মানুষকে আল্লাহর গুণাবলী বা Attributes of Allah সম্পর্কে জানানো। মানুষ শুধুমাত্র আল্লাহর শাসন কর্তৃত্ব বা Lordship of Allah সম্পর্কে জানতো এবং বর্তমানেও অধিকাংশ মানুষ এই সম্পর্কে জানে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা বা Worship of Allah এবং আল্লাহর গুণাবলী বা Attributes of Allah সম্পর্কে জানে না। আর এ কারণেই মানুষ পূর্বে উল্লেখিত ধরণের প্রশ্নগুলো করে থাকে যদি তারা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা বা Worship of Allah এবং আল্লাহর গুণাবলী বা Attributes of Allah সম্পর্কে জানতো তাহলে অনন্তপক্ষে অনেক মুসলমান ভাই এই প্রশ্নগুলো করতো না।

যে শুধুমাত্র আল্লাহর শাসন কর্তৃত্ব বা Lordship of Allah সম্পর্কে জানে তাকে আপনি ইসলামের নিয়ম কানুন, আইন শেখাতে যান হয়তো সে মানবে আর অধিকাংশ সময়ই মানবে না। মুসলমান পর্যন্ত অনেক সময় ইসলামী আইন, বিভিন্ন ইবাদত নিয়ে সমালোচনা করবে, নিজস্ব মতামত উপস্থাপন করবে, নিজে যা ভাল মনে করবে তাই পালন করবে। যার কারণ একটাই আল্লাহ সম্পর্কিত জ্ঞানের অভাব।

এবার লেখার শুরুতে ঘটনাগুলো আবার চোখ বুলান, যার নিকট আল্লাহ সম্পর্কিত জ্ঞান নেই সে একদম প্রথম ঘটনাটির মতো, তাকে আপনি যতই ইসলামী নিয়ম, বিধান বুঝান সে নিজে যা বুঝে তাই করবে কারণ সে, একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা বা Worship of Allah এবং আল্লাহর গুণাবলী বা Attributes of Allah সম্পর্কে জানে না। যদি জানতো তাহলে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ঘটনাটির মতো হতো। আল্লাহ যা বলেছেন তা এক বাক্যে মেনে নিতো এবং নিজের সবটুকু আল্লাহর সামনে আত্মসমর্পন করে দিত।

এই বিষয় নিয়ে পরে ইনশাল্লাহ বিস্তারিত আরো লিখবো। আজকে শুধু কিছু মৌলিক জিনিস তুলে ধরছিঃ
১. কোরআন আল্লাহ তাআলার বাণী। আল্লাহ তাআলা যা বলেছেন তা একবাক্যে মেনে নেওয়া প্রতিটি মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। কোন বিষয় নিয়ে দ্বিমত পোষণ করা, সন্দেহ পোষণ করা বা আল্লাহ প্রদত্ত বিধানের চেয়ে অন্য কোন বিধানকে শ্রেষ্ট মনে করা একজন মুসলমানকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে ঠিক যেভাবে তীর ছোটার পর তা বের হয়ে যায়।

২. রাসূল ﷺ এর কোন সহীহ সুন্নাহ বা কর্মপদ্ধতীর সামাগ্রিক বিষয় অবিশ্বাস করা বা কোন একটা বিষয় নিয়ে অবিশ্বাস করা, রাসূল ﷺ কে অপছন্দ করা বা তিনি যে বিষয়গুলো আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক বাস্তবায়ন করে গেছেন তার কোন একটা বিষয় অপছন্দ করা, রাসূল ﷺ এর উপর নাযিলকৃত দ্বীনের কোন বিষয় হেয় হতে দেখলে মনে আনন্দ অনুভব করা এবং বিকৃত করে দ্বীনের বিষয়কে ছড়িয়ে দেওয়া একজনকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে ঠিক যেভাবে তীর ছোটার পর তা বের হয়ে যায়।

৩. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ, এর দুইটি অংশ। প্রথম অংশটি হচ্ছে, আল্লাহ ছাড়া ইবাদত আর কেউই ইবাদত পাওয়ার যোগ্য নয় এবং দ্বিতীয় অংশটি হচ্ছে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল ( একমাত্র ব্যক্তি যাকে অনুসরণ করতে হবে)। আর রাসূল ﷺ কে খুব কাছে থেকে দেখেছেন সাহাবীগণ তাই তাদের মতো করে ইসলামকে বুঝতে হবে কারণ তারা সরাসরি রাসূল ﷺ এর নিকট থেকে ইসলামকে বুঝেছেন।

ইনশাল্লাহ, ভবিষ্যতে আরো বিস্তারিত লিখবো।
মহান আল্লাহ তাআলার শান্তি ও রহমত রাসূল ﷺ ও তার পরিবার, সাহাবী এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাদের যারা অনুসরণ করবে তাদের উপর অর্পিত হোক। আমীন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৫১২ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)

৮ টি মন্তব্য

  1. ২. রাসূল ﷺ এর কোন সহীহ সুন্নাহ বা কর্মপদ্ধতীর সামাগ্রিক বিষয় অবিশ্বাস করা বা কোন একটা বিষয় নিয়ে অবিশ্বাস করা, রাসূল ﷺ কে অপছন্দ করা বা তিনি যে বিষয়গুলো আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক বাস্তবায়ন করে গেছেন তার কোন একটা বিষয় অপছন্দ করা, রাসূল ﷺ এর উপর নাযিলকৃত দ্বীনের কোন বিষয় হেয় হতে দেখলে মনে আনন্দ অনুভব করা এবং বিকৃত করে দ্বীনের বিষয়কে ছড়িয়ে দেওয়া একজনকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে ঠিক যেভাবে তীর ছোটার পর তা বের হয়ে যায়।

    (Y) (Y) (*) (*)

    ৩. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ, এর দুইটি অংশ। প্রথম অংশটি হচ্ছে, আল্লাহ ছাড়া ইবাদত আর কেউই ইবাদত পাওয়ার যোগ্য নয় এবং দ্বিতীয় অংশটি হচ্ছে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল ( একমাত্র ব্যক্তি যাকে অনুসরণ করতে হবে)। আর রাসূল ﷺ কে খুব কাছে থেকে দেখেছেন সাহাবীগণ তাই তাদের মতো করে ইসলামকে বুঝতে হবে কারণ তারা সরাসরি রাসূল ﷺ এর নিকট থেকে ইসলামকে বুঝেছেন।

    (*) (*) (Y) (Y) সুন্দর বলেছেন ।

    তবে নীচের এই কথাটায় আমার আপত্তি আছে ।

    মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল ( একমাত্র ব্যক্তি যাকে অনুসরণ করতে হবে) । সাহাবীদের অনুসরন করা যাবে বা সেটা প্রশংশনীয় সেটা কোরআন শরীফ এবং হাদিস শরীফ দ্বারা প্রমানিত ।

    وَالسَّابِقُونَ الأَوَّلُونَ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَالأَنصَارِ وَالَّذِينَ اتَّبَعُوهُم بِإِحْسَانٍ رَّضِيَ اللّهُ عَنْهُمْ وَرَضُواْ عَنْهُ وَأَعَدَّ لَهُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي تَحْتَهَا الأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا أَبَدًا ذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ

    100
    আর যারা সর্বপ্রথম হিজরতকারী ও আনছারদের মাঝে পুরাতন, এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ সে সমস্ত লোকদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছে। আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কানন-কুঞ্জ, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণসমূহ। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হল মহান কৃতকার্যতা।

    ব্যাখ্যা: এখানে এই আয়াতে বলা হয়েছে যারা মুহাজির এবং আনসার এবং যারা তাদের অনুসরন করেছেন , আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা তাদের প্রতি সন্তুষ্ট । এর অর্থ আমরা নির্দিদ্বায় সাহাবীদের অনুসরন করতে পারি ।

    হাফিজ

    @হাফিজ, আয়াতটা সুরাহ তওবার ১০০ নং ।

    manwithamission

    @হাফিজ, আসসালামু আলাইকুম ভাই,
    জ্বী ভাই, একদম ঠিক বলেছেন।

    রাসূল ﷺ বলেছেন,
    “আমার উম্মতের সর্বশ্রেষ্ঠ যুগ আমার যুগ। এরপর তৎসংলগ্ন যুগ(তাবেয়ীদের যুগ)। এরপর তৎসংলগ্ন যুগ (তাবে-তাবেয়ীদের যুগ)।” এই হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম উভয়েই তাদের সহীহ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
    রাসূল ﷺ এর যুগ ছিল অর্থাৎ যে যুগে রাসূল ﷺ এবং তার সাহাবীরা ছিলেন, এরপর যারা তাদের অনুসরণ করেছে তারা তাবেয়ী এবং এদেরকে যারা
    অনুসরণ করেছে তারা তাবে-তাবেয়ী। এই বিষয়টিতেও বুখারী ও মুসলিম উভয়েই সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

    এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয়, আমার উম্মতের সর্বশ্রেষ্ঠ যুগ বলতে কিয়ামত পর্যন্ত আগত যত যুগ আসবে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।

    রাসূল ﷺ বলেছেন,
    “তোমরা আমার সাহাবীগণকে গালমন্দ করো না। যার হাতে আমার প্রাণ তাঁর শপথ, তোমাদের কেউ যদি ওহোদ পাহাড় সমান স্বর্ণ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় কর, তবে তাদের একমুদ বা অর্ধমুদ-এর সমপরিমাণ সাওয়াব হবে না।” (বুখারী ও মুসলিম)

    তাদের এবং আমাদের মধ্যে পার্থক্যটি লক্ষ্য করুন। তারা রাসূলের ﷺ সাথে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম করেছেন। রাসূল ﷺ এবং আমাদের মধ্যে অনেক মাধ্যম থেকে আমরা ইলম অর্জন করি অর্থাৎ রাসূল ﷺ থেকে ইলম আমাদের মধ্যে যে সব মাধ্যম দ্বারা পৌছেছে আমরা সেখান থেকে ইলম অর্জন করি, আর তারা ইলম তাজা এবং নতুন অবস্থায় অর্জন করেছেন সরাসরি রাসূল ﷺ নিকট থেকে।

    হাফিজ

    @manwithamission, আপনার বক্তব্য আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো লাগল ।

  2. অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উল্লেখ করলেন, ভাই। ধন্যবাদ

  3. উমর ভাই,

    রাসূল ﷺ এর কোন সহীহ সুন্নাহ বা কর্মপদ্ধতীর সামাগ্রিক বিষয় অবিশ্বাস করা বা কোন একটা বিষয় নিয়ে অবিশ্বাস করা, রাসূল ﷺ কে অপছন্দ করা বা তিনি যে বিষয়গুলো আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক বাস্তবায়ন করে গেছেন তার কোন একটা বিষয় অপছন্দ করা, রাসূল ﷺ এর উপর নাযিলকৃত দ্বীনের কোন বিষয় হেয় হতে দেখলে মনে আনন্দ অনুভব করা এবং বিকৃত করে দ্বীনের বিষয়কে ছড়িয়ে দেওয়া একজনকে ইসলাম থেকে বের করে দিবে ঠিক যেভাবে তীর ছোটার পর তা বের হয়ে যায়।

    =>এখন যদি কেউ কোন হাদিস কে সহী মনে না করে, এ জন্য সে ইসলাম থেকে বেড়িয়ে গেছে বলা ঠিক নয়। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন আমরা খারিজিদের মত আচরন না করি। কারন, খারিজিরা নিজেদের বাদে অন্যদেরকে কাফির বলতে চাইতো, (আমি যত দূর জানি), আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

    মালেক_০০১

    @ফুয়াদ,কেউ যদি কোন হাদিসকে সহীহ মনে না করে তাহলে তাকে উপযুক্ত দলিল প্রমাণ পেশ করতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, বিজ্ঞান দিয়ে হাদিসকে যাচাই করা হচ্ছে কিংবা অমুসলিমদের বা তথাকথিত মডার্ন মুসলমানদের তুষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে যা মোটেও ঠিক নয়। উপযুক্ত দলিল প্রমাণ ছাড়া সহীহ হাদিস বাদ দিলে সে যে ইসলাম থেকে খারিজ হবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।

  4. কুরআন হাদিসের রেফারেন্স থাকলে ভালো হত!