<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: ***একটি বড় শিরক বা শিরকে আকবরের নমুনা***</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6829</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6829</guid>
		<description>@KOTHINLOGIC,  

&lt;strong&gt;
আপনার এই প্রশ্ন ঠিক আছে যে “সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। “(?? !!)
এটার উত্তর আমার জানা নেই । তবে হাত মুবারক বের হবার সাথে আক্বীদার কি সন্পর্ক? মানুষের আকীদা নষ্ট হবে কেন ?

&lt;/strong&gt;
ঠিক বলেছেন । এরা আক্বীদা বিষয়ে সঠিক জ্ঞান রাখে না ।  কোনটা আকিদা আর কোনটা আমল সেটার পার্থক্য এদের জানা নেই ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@KOTHINLOGIC,  </p>
<p><strong><br />
আপনার এই প্রশ্ন ঠিক আছে যে “সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। “(?? !!)<br />
এটার উত্তর আমার জানা নেই । তবে হাত মুবারক বের হবার সাথে আক্বীদার কি সন্পর্ক? মানুষের আকীদা নষ্ট হবে কেন ?</p>
<p></strong><br />
ঠিক বলেছেন । এরা আক্বীদা বিষয়ে সঠিক জ্ঞান রাখে না ।  কোনটা আকিদা আর কোনটা আমল সেটার পার্থক্য এদের জানা নেই ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: KOTHINLOGIC</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6817</link>
		<dc:creator>KOTHINLOGIC</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6817</guid>
		<description>লেখকের এই পোস্ট টা এখানেও পোস্ট করেছিলেন http://www.somewhereinblog.net/blog/manwithamission/29144666  
এই সাইটে আমার এক্সেস ছিল না। 
সে খানে লেখকের সাথে আমার আলোচনা এখানে কপি পেস্ট করলাম।

কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আপাততঃ পড়াশুনা চালিয়ে যান ।

অপরিপূর্ণ ডাক্তার রোগীর জিবনাশংকা সৃস্টি করে,
অপরিপূর্ণ আলেম ঈমান রক্ষার পরিবর্তে ইমান নাশের কারণ হয়। 

লক্ষ্য,উসিলা,মাধ্যম,কারণ, উদ্দেশ্য,রাস্তা আর গন্তব্যের মধ্যের পার্থক্য কি? এবং কিভাবে? বুঝার চেস্টা করুন । 

শিরক কি ? শিরক এ আকবর কি ? কুফর কি ? জানুন। 

কোন মুসলমান কে মুশরিক বলা কুফর, জেনে নিন। 
সব চেয়ে জঘন্য অপবাদ অন্যায় ভাবে কাউকে কাফের,মুরতাদ বা মুশরিক বলা । এজন্য মুশরিক বা কাফের ফোতোয়া দেওয়া সবচেয়ে ঝুঁকিপুর্ণ ।
উপমহাদেশের এক জন প্রথম সারির আলেম কে মুশরিক বলার মত ঝুঁকি নিতে পারেন এত বড় আলেম আপনে কোথায় বা কেমনে হলেন?

শায়খুল হাদীস যাকারিয়্যা (রহঃ) বাংলায় বইটি লিখেন নি, মূল বইয়ে কি শব্দ ব্যবহার করেছেন সেটা আমার জানা নাই । 
যদিও সন্তুষ্টি লিখতে কোন সমস্যা নাই তারপরেও যেহেতু শিরোনাম &quot;প্রতিবেদন&quot; আবার অত্যন্ত গম্ভীর অভিযোগ তাই অনুসন্ধানের গুরুত্ব বুঝাতে বলতে চাই , মূল শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ কি সন্তুষ্টি ? নাকি খুশি করা বা অন্য অর্থ হতে পারি কিনা ? যাচাই করেছেন? অনুবাদকের শব্দচয়নের ভুল হল কিনা ? 

নিজের ক্ষমতা কে যাচাই করুন তার পর ক্বোরআন হাদীস পড়ুন , না হলে ৫০ টা আয়াত আর ২০ টা হাদিস পইরা বাজারে গেলে মনে হবে বাংলাদেশের ১২ কোটি মুসলমানই কাফের ।

৫ টন ওজনের ভার বহন করার আগে ট্রাকের টায়ার আর বডি ফিটনেস পরিক্ষা না করে নিলে, ওজন বহন দুরের কথা ঐ ট্রাক বহন করার জন্য ক্রেন লাগবে। এলেম অনেক ভারী জিনিষ নিজের ফিটনেস ঠিক না করে এলেম নিয়া উল্টায়া পরবেন দোষ এলেমের না দোষ আলেমের ফিটনেসের । 


১৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৮ 
উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনার নামের সাথে আপনার মন্তব্যের যথার্থতা রয়েছে, মাশাআল্রাহ, চমৎকার বলেছেন। 

আরবীতে একটা কথা আছে &quot;হাতেবুল্লাইলিন&quot; যার মানে হলো রাত্রের বেলা লাকড়ী কুড়ানো। দিনের বেলা লাকড়ী কুড়ালে কোন সমস্যা নেই, ঠিকমতো লাকড়ী কুড়িয়ে ব্যাগে বা বস্তায় রাখা যায় কিন্তু রাত্রের বেলা অন্ধকারে লাকড়ী কুড়ালে বিপদে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে যেমন লাকড়ী কুড়াতে কুড়াতে কেউ সাপকে লাকড়ী মনে করে বস্তায় ভরে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে আর তখন সাপের দংশনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠিক তেমনি কিছু মানুষের বই এরকম, আপনি পড়তে পড়তে অনেক কিছু শিখতে পারবেন কিন্তু হঠাৎ এমনকিছু শিখবেন বা জানতে পারবেন যা আপনার সমস্ত ইবাদতকেই বাতিল করে দিবে।

কারো যদি আকীদাতে ভুল থাকে সে যেমন ভাল কথা বলবে ঠিক তেমনি শিরকী ও বিদআতী কথাও বলবে।
নীচের ছবি দুটি লক্ষ্য করুনঃ




এখন কেউ যদি বলে ইয়া রাসূলাল্লাহ মেহেরবাণীপূর্বক একটু দয়া ও রহমতের দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন। এটা কি শিরক নয়? আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নিকট দয়া ও রহমত কামনা করা! নিঃসন্দেহে শিরকে আকবর।
এরপর বলা হল, আমাদের মতো দূর্ভাগা হইতে আপনি কি করিয়া গাফিল থাকিতে পারেন।
তারপর, বলা হল, আপন সৌন্দর্য ও সৌরভের দ্বারা সারা জাহানকে সঞ্জীবিত করিয়া তুলুন। আপনার চেহারার ঝলকে আমাদের দিনকে কামিয়াব করে দিন। দূর্বল ও অসহায়দের সাহায্য করুন।
এগুলো কি বাড়াবাড়ি নয়? এগুলো কি শিরক নয়?

দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। এরকম জালিয়াতি কথা বলে মানুষের আকীদা নষ্ট করার মানে কি? এরকম বহু শিরকের উদাহরণ ফাযায়েল আমলে রয়েছে। আবার অনেক সহীহ কথাও রয়েছে। সহীগুলো মানতে কোনই আপত্তি নেই কিন্তু কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে কি সাবধান করা উচিত নয়?
যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না? এগুলো থেকে মানুষকে সাবধান করা কি উচিত নয়? কাউকে ধ্বংস করা বা কারো কুৎসা রটানো বা মানহানি করা এখানে উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন। ১৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৭ 
 কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আরবী শব্দ টা &quot;&quot;হাতেবুল্লাইলিন&quot; নয়, &quot;হাতেবুল লাইল&quot; হবে। 
জন্ম যেহেতু আরব দেশে এবং দির্ঘ সময় কাটিয়েছি তাই সংশোধন করে দিলাম । 

আপনি মনে হয় একরকম জোর করেই কিছু একটা বলে ফেলতে চাইছেন । 
প্রথম ছবি টা ভাল করে খেয়াল করেন শুরুর লাইনে যে দুইটা পংতি দেখছেন তা কিন্তু আরবী ভাষা নয় এবং লেখার ধরণে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে এটা কোন কবিতা যা নিশ্চয় অন্য কারো এবং শেখ যাকারিয়া তা উদৃত করেছেন শুধু । নিচে বাংলা লেখাটার শিরোনাম &quot;অনুবাদ&quot; তা প্রমান করে।
যদি কবিতা সাহিত্যের ন্যুনতম ধারণা থাকে তো আপনার জানা থাকার কথা কবিতা মানুষের বিশ্বাস কে প্রতিফলিত করে না বরং কল্পনা বা যা হবার নয়, বা হয় নাই , বা যদি এরকম হত, জাতীয় বিষয় প্রাধান্য পায়। 
আবেগী কবিতার বেলায় প্রায় ৯৯% ভাগ ই এরকম আপনি যে কোন ভাষার কবিতা থেকে উদাহরণ নিতে পারেন ।
কবিতার শিরিক তখন শিরিক গন্য হবে যখন বক্তব্য পাস্ট ভার্বে ব্যাবহৃত হবে । 
যদি বলে এরকম হলে এরকম করতাম তাহলে গুনাহ হবে তবে শিরিক হবে না। 
যেমন কোন মুসলমান যদি বলে কালকে আমি অমুক ধর্ম গ্রহন করব তা হলে সে গুনাহগার হবে তবে আজকে তাকে কাফের বা মুশরিক বলা যাবে না । 

&quot;দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন।&quot; 

আপনার এই প্রশ্ন ঠিক আছে যে &quot;সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। &quot;(?? !!) 
এটার উত্তর আমার জানা নেই । তবে হাত মুবারক বের হবার সাথে আক্বীদার কি সন্পর্ক? মানুষের আকীদা নষ্ট হবে কেন ? 
বিষয় টা কোন হাদিস কোরান নয় ইতিহাস স্বরুপ একটা ঘটনা, সত্য না হবার সমূহ সম্ভাবনা আছে ,তবে এটা কোথাও থেকে উনি উদৃত করেছেন মাত্র । উনার নিজের কথা নয় আবার বিশ্বাস করা মোটেও জরুরি নয় ।

&quot;যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না?&quot; 
এখানেও সেই পুরোনো কথায় ফিরে যাই । 
শুধু এরকম আংশিক এলেম গ্রহন করা মানুষ এ রকম করতেও পারে তবে যে করবে তার অপরিপুর্ন এলেমের কারণে করবে লেখকের কিছুই করার নাই। 
শেখ যাকারিয়া শেষ জিবন টা মদিনা শরিফে কাটিয়েছেন উনার কবর জান্নাতুল বাক্বি তে , উনি নিজে এই ঘটনার লিখক কিন্তু উনি কখনো &quot;কবরের কাছে গিয়ে বলেন নি, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ&quot; । 
আমি ধারণা থেকে বলছি না আমি তখন সউদি আরবেই ছিলাম এবং ব্যাক্তিগত ভাবে মদিনার এমন অনেক কে চিনি যারা উনাকে চিনত এবং জানত। 

কবরের কাছে গিয়ে যদি কেও বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে অবশ্যই শিরক হবে সন্দেহের অবকাশ নাই। 
কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে সাবধান করা উচিত। সম্পূর্ন একমত । 

আপনার উদ্দেশ্য কে সমর্থন করি 
&quot;উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন। &quot; 

আমার এত লম্বা মন্তব্যের উদ্দশ্য হচ্ছে শেখ যাকারিয়া সন্মর্কে আপনার বক্তব্য 
&quot;আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্যের সন্তুষ্টি কামনা করা হয়েছে এবং সেই অন্যের সন্তুষ্টির ওসিলায় গোনাহ মাফের আশা করা হয়েছে, যা স্পষ্ট শিরক। এটি হচ্ছে বড় শিরক বা শিরকে আকবর&quot; ।

আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে অবশ্যই শিরিক সম্মর্কে মানুষ কে সচেতন করুন তবে তা করতে গিয়ে কারো ব্যাপারে নিজের মতামত দিতে সতর্ক থাকুন। 

যত গুরুতর বিষয় তত বেশী সতর্কতা কাম্য। 



১৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮ 
 উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক,
কবিতাটির আগে কিছু কথা ছিল সেটা আমি এখানে দেইনি নাই, এখন দিচ্ছি, এই ছবিটা দেখুন তারপর অনুবাদটি আবার পড়ুন বুঝতে সুবিধা হবে- 



এরপর দেখুন বিষয়টি তাহলে কি দাড়াল? ১৬. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৩:৫৮ 
কঠিনলজিক বলেছেন: বিষয় টি আপনিই দেখুন , লেখক নিজেই বলছেন কাসিদা মানে কবিতা আর মুখে বলা কেচ্ছা। লেখকের বলার ধরণ গল্পচ্ছলে বলার মত এর মধ্যে শিরকের মত সিরিয়াসনেস কোথায় দেখলেন ? আমি কনফিউসড। ১৭. ০১ লা মে, ২০১০ সকাল ৯:৪০ 
উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনি কি ছবিটার প্রথম দিকে ভালো করে পড়ে দেখেন নি, এই কাসিদা লেখার জন্যে উনি স্বপ্নে আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন এবং তিনি এটাকে একটা মহৎ কাসিদা হিসেবেই ফাযায়েল আমলে স্থান দিয়েছেন যে কাসিদা শুনে রাসূল ﷺ এর হাত বেড়িয়ে এসেছিল। আপনি তো লজিকের মানুষ, বলুন মৃত্যুর পর কারো হাত বেড়িয়ে আসে, আপনি এটা বিশ্বাস করবেন? যাকারিয়া সাহেব যদি বিশ্বাস নাই করতেন তাহলে এই কিচ্ছা কাহিনী ফাযায়েল আমলে স্থান দিতেন না। কারণ, উনি নিজেই বলেছেন এই কিচ্ছা আমার শোনা এবং স্মরণ থাকার মধ্যে কোনই সন্দেহ নাই।

সত্য প্রকাশের জন্যে দলীল প্রয়োজন আছে, কোনআন এবং সহীহ সুন্নাহ থেকে সে দলীল হতে হবে। কিন্তু তিনি কোন দলীল ছাড়াই কাসিদা ছেপে দিলেন এখন কোন মানুষ যদি এই কাসিদা পড়ে শিরকে লিপ্ত হয় তার দায়ভার কে নেবে? ইসলামে কিচ্ছা কাহিনীর স্থান নাই। আপনি লজিকওয়ালা মানুষ এবং মাশাল্লাহ ভালো লজিক স্থাপন করেন এবং আপনার মন্তব্য থেকে বুঝতে পেরেছি আপনি আল্লাহর রহমতে ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনাও করেন। ঠিকআছে ধরলাম এগুলো মিথ্যা ভিত্তিহীন কাহিনী, তাহলে তো এগুলো প্রচার করা রাসূল ﷺ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করার শামিল। ১৮. ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪ 
 কঠিনলজিক বলেছেন: দলীল প্রমান ছাড়া বা কিচ্ছা কাহীনির ইসলামে স্হান নাই, এই ব্যাপারে আপনার সাথে কোন প্রকার দ্বীমত প্রকাশ করার সুযোগ নাই ।

আমি শিরক/শিরকে আকবর এবং শেখ যাকারিয়্যা (রঃ) মুশরিক বলার নিয়ে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করি এবং তাই লিখেছিলাম । 

আরেকটা বিষয় আমি গত কাল খোঁজ নিয়ে নিশ্চিৎ হলাম, ফাযায়েলে দরুদ চ্যাপটার কে লেখক জিবদ্বশায় মূল কিতাব থেকে বাদ দিয়ে দেন । ১৯৮৬ সাল থেকে এখন কোন ফাযায়েলে আমলেই ফাজায়েলে দরুদ অন্তর্ভুক্ত নয়। 
হ্য়ত এই ভুল বা এরকম আরো ভুলের কারণেই , ভূল হওয়া দোষের না যদি ভুল কে স্বীকার করে সংশোধন করা হয় । 

আপনি মনে হয় সে রকম কোন আগেকার এডিশন থেকে এই কপি পেয়েছেন । 
০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:১৪ 
লেখক বলেছেন: আমি ফাযায়েল আমল এই লিংক থেকে ডাউনলোড করেছি, এটার মাঝে প্রতিনিয়ত বই আপডেট করা হয়, ইজতেমার বয়ান আপডেট করা হয়। 

হক কথা বলেছেন, ভুল হওয়া দোষের না যদি ভুলকে স্বীকার করে সংশোধন করা হয়। তাবলিগ জামাতের সাথে আমার এমন কোন আক্রোশ নেই যে আমি তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করব, বরং তারা কিছু ভালো কাজ করে যেমন, বেনামাযী মানুষকে নামাজের দিকে আহবান করে, তাদেরকে কালেমা শিক্ষা দেয়, কিছু সহীহ সুন্নাত অনুসরণ করে। এই বড় জামাতটি যদি সংশোধন হয় তাহলে সেটা খুবই উত্তম হতো। তার জন্যেই এই প্রয়াস। আল্লাহ তাআলা আমাদের হক বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>লেখকের এই পোস্ট টা এখানেও পোস্ট করেছিলেন <a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/manwithamission/29144666" rel="nofollow">http://www.somewhereinblog.net/blog/manwithamission/29144666</a><br />
এই সাইটে আমার এক্সেস ছিল না।<br />
সে খানে লেখকের সাথে আমার আলোচনা এখানে কপি পেস্ট করলাম।</p>
<p>কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আপাততঃ পড়াশুনা চালিয়ে যান ।</p>
<p>অপরিপূর্ণ ডাক্তার রোগীর জিবনাশংকা সৃস্টি করে,<br />
অপরিপূর্ণ আলেম ঈমান রক্ষার পরিবর্তে ইমান নাশের কারণ হয়। </p>
<p>লক্ষ্য,উসিলা,মাধ্যম,কারণ, উদ্দেশ্য,রাস্তা আর গন্তব্যের মধ্যের পার্থক্য কি? এবং কিভাবে? বুঝার চেস্টা করুন । </p>
<p>শিরক কি ? শিরক এ আকবর কি ? কুফর কি ? জানুন। </p>
<p>কোন মুসলমান কে মুশরিক বলা কুফর, জেনে নিন।<br />
সব চেয়ে জঘন্য অপবাদ অন্যায় ভাবে কাউকে কাফের,মুরতাদ বা মুশরিক বলা । এজন্য মুশরিক বা কাফের ফোতোয়া দেওয়া সবচেয়ে ঝুঁকিপুর্ণ ।<br />
উপমহাদেশের এক জন প্রথম সারির আলেম কে মুশরিক বলার মত ঝুঁকি নিতে পারেন এত বড় আলেম আপনে কোথায় বা কেমনে হলেন?</p>
<p>শায়খুল হাদীস যাকারিয়্যা (রহঃ) বাংলায় বইটি লিখেন নি, মূল বইয়ে কি শব্দ ব্যবহার করেছেন সেটা আমার জানা নাই ।<br />
যদিও সন্তুষ্টি লিখতে কোন সমস্যা নাই তারপরেও যেহেতু শিরোনাম &#8220;প্রতিবেদন&#8221; আবার অত্যন্ত গম্ভীর অভিযোগ তাই অনুসন্ধানের গুরুত্ব বুঝাতে বলতে চাই , মূল শব্দের সঠিক বাংলা অর্থ কি সন্তুষ্টি ? নাকি খুশি করা বা অন্য অর্থ হতে পারি কিনা ? যাচাই করেছেন? অনুবাদকের শব্দচয়নের ভুল হল কিনা ? </p>
<p>নিজের ক্ষমতা কে যাচাই করুন তার পর ক্বোরআন হাদীস পড়ুন , না হলে ৫০ টা আয়াত আর ২০ টা হাদিস পইরা বাজারে গেলে মনে হবে বাংলাদেশের ১২ কোটি মুসলমানই কাফের ।</p>
<p>৫ টন ওজনের ভার বহন করার আগে ট্রাকের টায়ার আর বডি ফিটনেস পরিক্ষা না করে নিলে, ওজন বহন দুরের কথা ঐ ট্রাক বহন করার জন্য ক্রেন লাগবে। এলেম অনেক ভারী জিনিষ নিজের ফিটনেস ঠিক না করে এলেম নিয়া উল্টায়া পরবেন দোষ এলেমের না দোষ আলেমের ফিটনেসের । </p>
<p>১৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৮<br />
উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনার নামের সাথে আপনার মন্তব্যের যথার্থতা রয়েছে, মাশাআল্রাহ, চমৎকার বলেছেন। </p>
<p>আরবীতে একটা কথা আছে &#8220;হাতেবুল্লাইলিন&#8221; যার মানে হলো রাত্রের বেলা লাকড়ী কুড়ানো। দিনের বেলা লাকড়ী কুড়ালে কোন সমস্যা নেই, ঠিকমতো লাকড়ী কুড়িয়ে ব্যাগে বা বস্তায় রাখা যায় কিন্তু রাত্রের বেলা অন্ধকারে লাকড়ী কুড়ালে বিপদে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে যেমন লাকড়ী কুড়াতে কুড়াতে কেউ সাপকে লাকড়ী মনে করে বস্তায় ভরে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে আর তখন সাপের দংশনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠিক তেমনি কিছু মানুষের বই এরকম, আপনি পড়তে পড়তে অনেক কিছু শিখতে পারবেন কিন্তু হঠাৎ এমনকিছু শিখবেন বা জানতে পারবেন যা আপনার সমস্ত ইবাদতকেই বাতিল করে দিবে।</p>
<p>কারো যদি আকীদাতে ভুল থাকে সে যেমন ভাল কথা বলবে ঠিক তেমনি শিরকী ও বিদআতী কথাও বলবে।<br />
নীচের ছবি দুটি লক্ষ্য করুনঃ</p>
<p>এখন কেউ যদি বলে ইয়া রাসূলাল্লাহ মেহেরবাণীপূর্বক একটু দয়া ও রহমতের দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন। এটা কি শিরক নয়? আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নিকট দয়া ও রহমত কামনা করা! নিঃসন্দেহে শিরকে আকবর।<br />
এরপর বলা হল, আমাদের মতো দূর্ভাগা হইতে আপনি কি করিয়া গাফিল থাকিতে পারেন।<br />
তারপর, বলা হল, আপন সৌন্দর্য ও সৌরভের দ্বারা সারা জাহানকে সঞ্জীবিত করিয়া তুলুন। আপনার চেহারার ঝলকে আমাদের দিনকে কামিয়াব করে দিন। দূর্বল ও অসহায়দের সাহায্য করুন।<br />
এগুলো কি বাড়াবাড়ি নয়? এগুলো কি শিরক নয়?</p>
<p>দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। এরকম জালিয়াতি কথা বলে মানুষের আকীদা নষ্ট করার মানে কি? এরকম বহু শিরকের উদাহরণ ফাযায়েল আমলে রয়েছে। আবার অনেক সহীহ কথাও রয়েছে। সহীগুলো মানতে কোনই আপত্তি নেই কিন্তু কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে কি সাবধান করা উচিত নয়?<br />
যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না? এগুলো থেকে মানুষকে সাবধান করা কি উচিত নয়? কাউকে ধ্বংস করা বা কারো কুৎসা রটানো বা মানহানি করা এখানে উদ্দেশ্য নয়, উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন। ১৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৭<br />
 কঠিনলজিক বলেছেন: ভাই আরবী শব্দ টা &#8220;&#8221;হাতেবুল্লাইলিন&#8221; নয়, &#8220;হাতেবুল লাইল&#8221; হবে।<br />
জন্ম যেহেতু আরব দেশে এবং দির্ঘ সময় কাটিয়েছি তাই সংশোধন করে দিলাম । </p>
<p>আপনি মনে হয় একরকম জোর করেই কিছু একটা বলে ফেলতে চাইছেন ।<br />
প্রথম ছবি টা ভাল করে খেয়াল করেন শুরুর লাইনে যে দুইটা পংতি দেখছেন তা কিন্তু আরবী ভাষা নয় এবং লেখার ধরণে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে এটা কোন কবিতা যা নিশ্চয় অন্য কারো এবং শেখ যাকারিয়া তা উদৃত করেছেন শুধু । নিচে বাংলা লেখাটার শিরোনাম &#8220;অনুবাদ&#8221; তা প্রমান করে।<br />
যদি কবিতা সাহিত্যের ন্যুনতম ধারণা থাকে তো আপনার জানা থাকার কথা কবিতা মানুষের বিশ্বাস কে প্রতিফলিত করে না বরং কল্পনা বা যা হবার নয়, বা হয় নাই , বা যদি এরকম হত, জাতীয় বিষয় প্রাধান্য পায়।<br />
আবেগী কবিতার বেলায় প্রায় ৯৯% ভাগ ই এরকম আপনি যে কোন ভাষার কবিতা থেকে উদাহরণ নিতে পারেন ।<br />
কবিতার শিরিক তখন শিরিক গন্য হবে যখন বক্তব্য পাস্ট ভার্বে ব্যাবহৃত হবে ।<br />
যদি বলে এরকম হলে এরকম করতাম তাহলে গুনাহ হবে তবে শিরিক হবে না।<br />
যেমন কোন মুসলমান যদি বলে কালকে আমি অমুক ধর্ম গ্রহন করব তা হলে সে গুনাহগার হবে তবে আজকে তাকে কাফের বা মুশরিক বলা যাবে না । </p>
<p>&#8220;দ্বিতীয় ছবিতে বলা হল, রাসূল ﷺ হাত বের করে দিয়েছিলেন। সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন।&#8221; </p>
<p>আপনার এই প্রশ্ন ঠিক আছে যে &#8220;সাহাবাদের জন্যে কোনদিন হাত বের করে দিলেন না। আর উনার জন্যে বের করে দিলেন। &#8220;(?? !!)<br />
এটার উত্তর আমার জানা নেই । তবে হাত মুবারক বের হবার সাথে আক্বীদার কি সন্পর্ক? মানুষের আকীদা নষ্ট হবে কেন ?<br />
বিষয় টা কোন হাদিস কোরান নয় ইতিহাস স্বরুপ একটা ঘটনা, সত্য না হবার সমূহ সম্ভাবনা আছে ,তবে এটা কোথাও থেকে উনি উদৃত করেছেন মাত্র । উনার নিজের কথা নয় আবার বিশ্বাস করা মোটেও জরুরি নয় ।</p>
<p>&#8220;যারা এগুলো পড়বে তারপর রাসূল ﷺ এর কবরের কাছে যেয়ে যদি বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে কি সে শিরক করবে না?&#8221;<br />
এখানেও সেই পুরোনো কথায় ফিরে যাই ।<br />
শুধু এরকম আংশিক এলেম গ্রহন করা মানুষ এ রকম করতেও পারে তবে যে করবে তার অপরিপুর্ন এলেমের কারণে করবে লেখকের কিছুই করার নাই।<br />
শেখ যাকারিয়া শেষ জিবন টা মদিনা শরিফে কাটিয়েছেন উনার কবর জান্নাতুল বাক্বি তে , উনি নিজে এই ঘটনার লিখক কিন্তু উনি কখনো &#8220;কবরের কাছে গিয়ে বলেন নি, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ&#8221; ।<br />
আমি ধারণা থেকে বলছি না আমি তখন সউদি আরবেই ছিলাম এবং ব্যাক্তিগত ভাবে মদিনার এমন অনেক কে চিনি যারা উনাকে চিনত এবং জানত। </p>
<p>কবরের কাছে গিয়ে যদি কেও বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ মদদ, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমি দূর্বল সাহায্য করুন। তাহলে অবশ্যই শিরক হবে সন্দেহের অবকাশ নাই।<br />
কেউ যদি ভাল কাজ মনে করে শিরক করে তাকে সাবধান করা উচিত। সম্পূর্ন একমত । </p>
<p>আপনার উদ্দেশ্য কে সমর্থন করি<br />
&#8220;উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তি যেই হোক আমরা যেন শিরককে শিরক বলতে শিখি, মানুষকে কুরআন ও সুন্নাহ’র দিকে আহবান করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের শিরক থেকে হিফাজত করুন, সত্য বুঝার তৌফিক দান করুন, আমিন। &#8221; </p>
<p>আমার এত লম্বা মন্তব্যের উদ্দশ্য হচ্ছে শেখ যাকারিয়া সন্মর্কে আপনার বক্তব্য<br />
&#8220;আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্যের সন্তুষ্টি কামনা করা হয়েছে এবং সেই অন্যের সন্তুষ্টির ওসিলায় গোনাহ মাফের আশা করা হয়েছে, যা স্পষ্ট শিরক। এটি হচ্ছে বড় শিরক বা শিরকে আকবর&#8221; ।</p>
<p>আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে অবশ্যই শিরিক সম্মর্কে মানুষ কে সচেতন করুন তবে তা করতে গিয়ে কারো ব্যাপারে নিজের মতামত দিতে সতর্ক থাকুন। </p>
<p>যত গুরুতর বিষয় তত বেশী সতর্কতা কাম্য। </p>
<p>১৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮<br />
 উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক,<br />
কবিতাটির আগে কিছু কথা ছিল সেটা আমি এখানে দেইনি নাই, এখন দিচ্ছি, এই ছবিটা দেখুন তারপর অনুবাদটি আবার পড়ুন বুঝতে সুবিধা হবে- </p>
<p>এরপর দেখুন বিষয়টি তাহলে কি দাড়াল? ১৬. ০১ লা মে, ২০১০ রাত ৩:৫৮<br />
কঠিনলজিক বলেছেন: বিষয় টি আপনিই দেখুন , লেখক নিজেই বলছেন কাসিদা মানে কবিতা আর মুখে বলা কেচ্ছা। লেখকের বলার ধরণ গল্পচ্ছলে বলার মত এর মধ্যে শিরকের মত সিরিয়াসনেস কোথায় দেখলেন ? আমি কনফিউসড। ১৭. ০১ লা মে, ২০১০ সকাল ৯:৪০<br />
উমর বলেছেন: @কঠিনলজিক, ভাই আপনি কি ছবিটার প্রথম দিকে ভালো করে পড়ে দেখেন নি, এই কাসিদা লেখার জন্যে উনি স্বপ্নে আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন এবং তিনি এটাকে একটা মহৎ কাসিদা হিসেবেই ফাযায়েল আমলে স্থান দিয়েছেন যে কাসিদা শুনে রাসূল ﷺ এর হাত বেড়িয়ে এসেছিল। আপনি তো লজিকের মানুষ, বলুন মৃত্যুর পর কারো হাত বেড়িয়ে আসে, আপনি এটা বিশ্বাস করবেন? যাকারিয়া সাহেব যদি বিশ্বাস নাই করতেন তাহলে এই কিচ্ছা কাহিনী ফাযায়েল আমলে স্থান দিতেন না। কারণ, উনি নিজেই বলেছেন এই কিচ্ছা আমার শোনা এবং স্মরণ থাকার মধ্যে কোনই সন্দেহ নাই।</p>
<p>সত্য প্রকাশের জন্যে দলীল প্রয়োজন আছে, কোনআন এবং সহীহ সুন্নাহ থেকে সে দলীল হতে হবে। কিন্তু তিনি কোন দলীল ছাড়াই কাসিদা ছেপে দিলেন এখন কোন মানুষ যদি এই কাসিদা পড়ে শিরকে লিপ্ত হয় তার দায়ভার কে নেবে? ইসলামে কিচ্ছা কাহিনীর স্থান নাই। আপনি লজিকওয়ালা মানুষ এবং মাশাল্লাহ ভালো লজিক স্থাপন করেন এবং আপনার মন্তব্য থেকে বুঝতে পেরেছি আপনি আল্লাহর রহমতে ইসলাম সম্পর্কে পড়াশুনাও করেন। ঠিকআছে ধরলাম এগুলো মিথ্যা ভিত্তিহীন কাহিনী, তাহলে তো এগুলো প্রচার করা রাসূল ﷺ সম্পর্কে মিথ্যা প্রচার করার শামিল। ১৮. ০১ লা মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৪<br />
 কঠিনলজিক বলেছেন: দলীল প্রমান ছাড়া বা কিচ্ছা কাহীনির ইসলামে স্হান নাই, এই ব্যাপারে আপনার সাথে কোন প্রকার দ্বীমত প্রকাশ করার সুযোগ নাই ।</p>
<p>আমি শিরক/শিরকে আকবর এবং শেখ যাকারিয়্যা (রঃ) মুশরিক বলার নিয়ে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করি এবং তাই লিখেছিলাম । </p>
<p>আরেকটা বিষয় আমি গত কাল খোঁজ নিয়ে নিশ্চিৎ হলাম, ফাযায়েলে দরুদ চ্যাপটার কে লেখক জিবদ্বশায় মূল কিতাব থেকে বাদ দিয়ে দেন । ১৯৮৬ সাল থেকে এখন কোন ফাযায়েলে আমলেই ফাজায়েলে দরুদ অন্তর্ভুক্ত নয়।<br />
হ্য়ত এই ভুল বা এরকম আরো ভুলের কারণেই , ভূল হওয়া দোষের না যদি ভুল কে স্বীকার করে সংশোধন করা হয় । </p>
<p>আপনি মনে হয় সে রকম কোন আগেকার এডিশন থেকে এই কপি পেয়েছেন ।<br />
০১ লা মে, ২০১০ রাত ৯:১৪<br />
লেখক বলেছেন: আমি ফাযায়েল আমল এই লিংক থেকে ডাউনলোড করেছি, এটার মাঝে প্রতিনিয়ত বই আপডেট করা হয়, ইজতেমার বয়ান আপডেট করা হয়। </p>
<p>হক কথা বলেছেন, ভুল হওয়া দোষের না যদি ভুলকে স্বীকার করে সংশোধন করা হয়। তাবলিগ জামাতের সাথে আমার এমন কোন আক্রোশ নেই যে আমি তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করব, বরং তারা কিছু ভালো কাজ করে যেমন, বেনামাযী মানুষকে নামাজের দিকে আহবান করে, তাদেরকে কালেমা শিক্ষা দেয়, কিছু সহীহ সুন্নাত অনুসরণ করে। এই বড় জামাতটি যদি সংশোধন হয় তাহলে সেটা খুবই উত্তম হতো। তার জন্যেই এই প্রয়াস। আল্লাহ তাআলা আমাদের হক বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: দ্য মুসলিম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6712</link>
		<dc:creator>দ্য মুসলিম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6712</guid>
		<description>@Anonymous,

ভালো কিছু গ্রহণ করতে আমার কখনোই আপত্তি নেই। আপনার পোষ্টের আশায় রইলাম। ধন্যবাদ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Anonymous,</p>
<p>ভালো কিছু গ্রহণ করতে আমার কখনোই আপত্তি নেই। আপনার পোষ্টের আশায় রইলাম। ধন্যবাদ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6711</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6711</guid>
		<description>@দ্য মুসলিম, &lt;em&gt;আমি অনেককে চিনি যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না এবং এই কাজটি করেন সংশ্লিষ্ট তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে।&lt;/em&gt;
তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে তাবলীগ পছন্দ না করা একটা প্রথম শেণীর মূর্খতা। ব্যক্তির দায়ভার প্রতিষ্ঠানের উপর চাপানো যায় না।

&lt;em&gt;তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ।&lt;/em&gt;
দাওয়াত ফরযে কেফায়া এই বিষয়ে সারা বিশ্বের সমস্ত আলীম একমত। প্রায় সব আলীমই বর্তমান প্রেক্ষাপটে ফরযে আঈ&#039;ন বলেছেন। আর কিছু আলীমদের মতে সব সময়ের জন্যই দাওয়াত ফরযে আঈ&#039;ন। মাওলানা সা&#039;দ সাহেব দামাতবারাকাতুহুম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। &lt;a href=&quot;http://maolanasaad.wordpress.com/&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;এখানে ঊনার বয়ানগুলো তরজমা করার চেষ্টা করছি দেখতে পারেন।&lt;/a&gt; অভ্র ইন্সটল করে নিয়েন দয়া করে। কাজেই যে লোকগুলো বা যে জামাত এই ফরয কাজ করার চেষ্টা করছে তাদের পছন্দ না করাও গুনাহ। আমি ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে একটি পোস্টে এবিষয়ে লিখব কেন প্রচলিত অর্থে তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা মারাত্মক গুনাহ হবে।

কোন সন্দেহ নেই যে কেউ যে কোন ভাবে দাওয়াত দিবে সেই ومنْ احْسن قولا مّمّن -الاية এই আয়াতের ফযিলতের অন্তর্ভুক্ত হবে কিন্তু যে মেহনত সুন্নতের যত কাছা কাছি সে মেহনত থেকে ততবেশি ফায়দা পাওয়া যাবে। প্রচলিত তাবলীগ কেন অন্যান্য সকল মেহনতের মধ্যে সুন্নতের সবচেয়ে কাছাকাছি এ ব্যাপারে আমি পরে লিখব ইনশাআল্লাহ। সা&#039;দ সাহেব দামাতবারকাতুহুম ও অন্যান্য আকাবিরদের বয়ানেও আশা করি এসম্পর্কে জানতে পারবেন। &lt;a href=&quot;http://www.rzsoftware-bd.com/ti2010/&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;এবারের এস্তেমার বয়ানগুলো এখানে পাবেন।&lt;/a&gt; এটা আমার অফিসিয়াল সাইট।

জাযাকাল্লহ</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@দ্য মুসলিম, <em>আমি অনেককে চিনি যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না এবং এই কাজটি করেন সংশ্লিষ্ট তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে।</em><br />
তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে তাবলীগ পছন্দ না করা একটা প্রথম শেণীর মূর্খতা। ব্যক্তির দায়ভার প্রতিষ্ঠানের উপর চাপানো যায় না।</p>
<p><em>তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ।</em><br />
দাওয়াত ফরযে কেফায়া এই বিষয়ে সারা বিশ্বের সমস্ত আলীম একমত। প্রায় সব আলীমই বর্তমান প্রেক্ষাপটে ফরযে আঈ&#8217;ন বলেছেন। আর কিছু আলীমদের মতে সব সময়ের জন্যই দাওয়াত ফরযে আঈ&#8217;ন। মাওলানা সা&#8217;দ সাহেব দামাতবারাকাতুহুম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। <a href="http://maolanasaad.wordpress.com/" rel="nofollow">এখানে ঊনার বয়ানগুলো তরজমা করার চেষ্টা করছি দেখতে পারেন।</a> অভ্র ইন্সটল করে নিয়েন দয়া করে। কাজেই যে লোকগুলো বা যে জামাত এই ফরয কাজ করার চেষ্টা করছে তাদের পছন্দ না করাও গুনাহ। আমি ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে একটি পোস্টে এবিষয়ে লিখব কেন প্রচলিত অর্থে তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা মারাত্মক গুনাহ হবে।</p>
<p>কোন সন্দেহ নেই যে কেউ যে কোন ভাবে দাওয়াত দিবে সেই ومنْ احْسن قولا مّمّن -الاية এই আয়াতের ফযিলতের অন্তর্ভুক্ত হবে কিন্তু যে মেহনত সুন্নতের যত কাছা কাছি সে মেহনত থেকে ততবেশি ফায়দা পাওয়া যাবে। প্রচলিত তাবলীগ কেন অন্যান্য সকল মেহনতের মধ্যে সুন্নতের সবচেয়ে কাছাকাছি এ ব্যাপারে আমি পরে লিখব ইনশাআল্লাহ। সা&#8217;দ সাহেব দামাতবারকাতুহুম ও অন্যান্য আকাবিরদের বয়ানেও আশা করি এসম্পর্কে জানতে পারবেন। <a href="http://www.rzsoftware-bd.com/ti2010/" rel="nofollow">এবারের এস্তেমার বয়ানগুলো এখানে পাবেন।</a> এটা আমার অফিসিয়াল সাইট।</p>
<p>জাযাকাল্লহ</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: দ্য মুসলিম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6708</link>
		<dc:creator>দ্য মুসলিম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6708</guid>
		<description>@Anonymous,

&lt;strong&gt;দেখুন আরবীতে একটি অতি পুরাতন প্রবাদ আছে–বেয়াদবদের সাথে বেয়াদবী করাই প্রকৃত আদবের পরিচয়।&lt;/strong&gt;
এই প্রবাদ কোরআন-হাদীস-শরীয়াহ সম্মত কিনা আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন। আল্লাহ তায়ালা বান্দার হক্ব কখনো ক্ষমা করবেন না যতক্ষন পর্যন্ত না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্ষমা না করেন।

&lt;strong&gt;উনি আসলে তাবলীগ জামাত পছন্দ করেন না।&lt;/strong&gt;
হতে পারে উনি করেন না আবার হতে পারে করেন। শুধু উনি কেন, বাংলাদেশের অনেকে আছেন যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না। আমি অনেককে চিনি যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না এবং এই কাজটি করেন সংশ্লিষ্ট তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে।

&lt;strong&gt;তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ।&lt;/strong&gt;
দুঃখিত, ভাই। একমত হতে পারলাম না। তাবলীগ বা ইসলামের দাওয়াত দেয়া অর্থাৎ সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ করার বিষয়টি অস্বীকার করা অবশ্যই গুনাহের কাজ, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তাবলীগ জামাতকে পছন্দ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য পন্হায়ও তাবলীগের কাজটি সম্পাদন করতে পারেন। যেমন দাওয়াতুল হকও একটি দাওয়াতের মেহনতের জামাত। 

&lt;strong&gt;আর একটি অনুরোধ তাবলীগে লম্বা সময় লাগান সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।&lt;/strong&gt;
তাবলীগের সাথে আমার জাতিগত কোন দুশমনি নেই। যদি কখনো সময় পাই অবশ্যই যাব, ইনশাআল্লাহ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Anonymous,</p>
<p><strong>দেখুন আরবীতে একটি অতি পুরাতন প্রবাদ আছে–বেয়াদবদের সাথে বেয়াদবী করাই প্রকৃত আদবের পরিচয়।</strong><br />
এই প্রবাদ কোরআন-হাদীস-শরীয়াহ সম্মত কিনা আল্লাহ তায়ালাই ভালো জানেন। আল্লাহ তায়ালা বান্দার হক্ব কখনো ক্ষমা করবেন না যতক্ষন পর্যন্ত না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ক্ষমা না করেন।</p>
<p><strong>উনি আসলে তাবলীগ জামাত পছন্দ করেন না।</strong><br />
হতে পারে উনি করেন না আবার হতে পারে করেন। শুধু উনি কেন, বাংলাদেশের অনেকে আছেন যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না। আমি অনেককে চিনি যারা তাবলীগ পছন্দ করেন না এবং এই কাজটি করেন সংশ্লিষ্ট তাবলীগী ভাইদের কর্মকান্ডের কারণে।</p>
<p><strong>তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ।</strong><br />
দুঃখিত, ভাই। একমত হতে পারলাম না। তাবলীগ বা ইসলামের দাওয়াত দেয়া অর্থাৎ সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধ করার বিষয়টি অস্বীকার করা অবশ্যই গুনাহের কাজ, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তাবলীগ জামাতকে পছন্দ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্য পন্হায়ও তাবলীগের কাজটি সম্পাদন করতে পারেন। যেমন দাওয়াতুল হকও একটি দাওয়াতের মেহনতের জামাত। </p>
<p><strong>আর একটি অনুরোধ তাবলীগে লম্বা সময় লাগান সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।</strong><br />
তাবলীগের সাথে আমার জাতিগত কোন দুশমনি নেই। যদি কখনো সময় পাই অবশ্যই যাব, ইনশাআল্লাহ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6707</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6707</guid>
		<description>@দ্য মুসলিম, এই পোস্টটা হোম পেজ থেকে সরানো হয়েছে তাই আপনার এই কথাটার উত্তর দেয়ার প্রয়োজন বোধ করিনি। কিন্তু এখন লক্ষ করলাম এটা এখনও সার্চ পেইজ এ এবং লেখক আর্কাইভ পেইজ এ আছে। তাই উত্তর দিচ্ছি। দেখুন আরবীতে একটি অতি পুরাতন প্রবাদ আছে--&lt;strong&gt;বেয়াদবদের সাথে বেয়াদবী করাই প্রকৃত আদবের পরিচয়।&lt;/strong&gt;

এখন আসুন, বিশ্লেষণ করি উনার কথাটা কত মারাত্মক শিরক যুক্ত। উনি বলেছেন আল্লহ তায়া&#039;লার সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কারও সন্তুষ্টির জন্য কিছু করলে নাকি ঐটা শিরকে আকবার। এই হিসেবে কুরআনের কিছু আয়াত দিয়ে হাদিসের কিছু রেফারেন্স দিয়ে বললেন মাওলানা যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি নাকি শিরকে আকবার করেছেন। 

অথচ রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনে অনেক ঘটনা পাওয়া যায় যা তিনি বিভিন্ন মানুষকে খুশি করার জন্য করেছেন। যেমন উনি উনার পুরাতন খাদেমা হযরত উম্মু আইমান রদিয়াল্লহু আ&#039;নহাকে মা ডেকে ছিলেন। উনার উপর কি আল্লহ তায়া&#039;লার প্রকাশ্য কোন নির্দেশ ছিল ঐ মহিলাকে মা ডাকার। তাহলে কি নাউযুবিল্লাহ রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম শিরক করেছেন? 

একই ভাবে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম আ&#039;য়েশা রদিয়াল্লহু আ&#039;নহু কে খুশি করার জন্য দৌড় প্রতিযোগীতা করেছেন। দুই দুই বার। আবার আ&#039;য়েশা রদিয়াল্লহু আ&#039;নহা ছোট ছিলেন বলেন তাঁকে শিশুসুলভ আনন্দ দেয়ার জন্য (অর্থাৎ এক শিশু কে খুশি করার জন্য) হাবশী গোলামদের তলোয়ার বাজি খেলা দেখিয়েছিলেন যতক্ষন পর্যন্ত না আ&#039;য়েশা রদিয়াল্লহু আ&#039;নহা তৃপ্ত হন। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত হাসান ও হুসাইন রদিয়াল্লহু আ&#039;নহুমা কে প্রায়ই ঘাড়ে নিয়ে বেড়াতে যেতেন কেননা শিশুরা এতে খুশি হয়। এমন কি তিনি তাঁদের জন্য ঘোড়াও হয়েছেন। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লামের নাত্নী হযরত উমামা রদিয়াল্লহু আ&#039;নহা তাঁর পিঠে উঠতেন সিজদার সময়। তিনি ততক্ষন পর্যন্ত তাঁকে নামাতেন না যতক্ষন তিনি নিজে থেকে না নামতেন। একই ভাবে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত উম্মে সালামাহ রদিয়াল্লহু আ&#039;নহার সন্তান হযরত সালামাহ রদিয়াল্লহু আ&#039;নহু ও হযরত যায়নাব রদিয়াল্লহু আ&#039;নহা দের সাথে প্রচুর দুষ্টুমি করেছেন বলে রেওয়ায়েতে পাওয়া যায়। এমনি ভাবে অনেক শিশুদের খুশি করার জন্য রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক কিছু করেছেন যা করার জন্য রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লামের উপর আল্লহ তায়া&#039;লার পক্ষ থেকে সরাসরি কোন হুকুম আসেনি। লেখকের মতে এগুলো সবই শিরকে আকবার। 

এক বুড়ি কে একটু হাসানোর জন্য বলেছিলেন কোন বুড়ি জান্নাতে যাবে না। হযরত হালীমা রদিয়াল্লহু আ&#039;নহা দেখা করতে আসলে তিনি নিজের গায়ের চাদর বিছিয়ে দিয়েছেন তাঁকে বসার জন্য। শুধু খাজিদা রদিয়াল্লহু আ&#039;নহার সম্মানে তাঁর এক পরিচিত মহিলাকে বেশ কদর করেছিলেন। আর কত ঘটনার কথা বলব? 

এবার চাচা প্রসঙ্গ। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর চাচা হযরত আব্বাস রদিয়াল্লহু আ&#039;নহু কে অনেক সম্মান করতেন। অনেক ঘটনা পাওয়া যায় এ প্রসঙ্গে। এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, তোমাদের কি জানা নাই মানুষের চাচা তাঁর পিতার সমতুল্য। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে যেখানে চাচাকে অনেক সম্মান করেছেন, চাচাকে বিভিন্ন সময়ে খুশি করেছেন। চাচার সম্মানে অনেক সুপারিশ কবুল করেছেন (মক্কা বিজয়ের পর আবু সুফিয়ান প্রসঙ্গ) এরই অনুসরণে (সুন্নতের অনুসরণে) যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি তাঁর চাচাকে খুশি করার জন্য একটা দ্বীনী কিতাব তাড়াতাড়ি লিখেছেন এটা নাকি শিরক। চাচাকে খুশি করা যদি শিরক হয় তবেতো এই শিরকের জনক রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে (নাউযুবিল্লাহ)। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম কে যে মুশরিক বলতে পারে সে ভালো খৃষ্টান বা ভালো ইয়াহুদী হতে পারে কিন্তু ন্যুনতম পর্যায়ের মুসলমানও নয়।

আসলে মূর্খদের অবস্থাই এমন। যা মনে চায় ফট করে বলে ফেলে কিন্তু জানে না কথা কত মারাত্মক হয়। কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকে। উনি আসলে তাবলীগ জামাত পছন্দ করেন না। তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ। এটা পরে সুযোগ পেলে আলোচনা করব ইনশাআল্লহ। তাবলীগ জামাতে সমালোচনা করতে গিয়ে উনি এমন একটা কথা বললেন যা কিনা রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম কে পর্যন্ত আক্রমন করে। এই জন্যই নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের দিকে খেয়াল না করে কোন সন্দেহ সৃষ্টি হলে উলামা কেরামদের সাথে আলোচনা করা উচিত। নাহলে এমন পর্যায়ের শিরকের খপ্পরে পড়তে হবে। &lt;a href=&quot;http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6162/comment-page-1/#comment-6685&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;দয়া করে এই কমেন্টটি একটা পড়ুন। &lt;/a&gt;

আর একটি অনুরোধ তাবলীগে লম্বা সময় লাগান সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

জাযাকাল্লহ</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@দ্য মুসলিম, এই পোস্টটা হোম পেজ থেকে সরানো হয়েছে তাই আপনার এই কথাটার উত্তর দেয়ার প্রয়োজন বোধ করিনি। কিন্তু এখন লক্ষ করলাম এটা এখনও সার্চ পেইজ এ এবং লেখক আর্কাইভ পেইজ এ আছে। তাই উত্তর দিচ্ছি। দেখুন আরবীতে একটি অতি পুরাতন প্রবাদ আছে&#8211;<strong>বেয়াদবদের সাথে বেয়াদবী করাই প্রকৃত আদবের পরিচয়।</strong></p>
<p>এখন আসুন, বিশ্লেষণ করি উনার কথাটা কত মারাত্মক শিরক যুক্ত। উনি বলেছেন আল্লহ তায়া&#8217;লার সন্তুষ্টি ছাড়া অন্য কারও সন্তুষ্টির জন্য কিছু করলে নাকি ঐটা শিরকে আকবার। এই হিসেবে কুরআনের কিছু আয়াত দিয়ে হাদিসের কিছু রেফারেন্স দিয়ে বললেন মাওলানা যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি নাকি শিরকে আকবার করেছেন। </p>
<p>অথচ রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনে অনেক ঘটনা পাওয়া যায় যা তিনি বিভিন্ন মানুষকে খুশি করার জন্য করেছেন। যেমন উনি উনার পুরাতন খাদেমা হযরত উম্মু আইমান রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহাকে মা ডেকে ছিলেন। উনার উপর কি আল্লহ তায়া&#8217;লার প্রকাশ্য কোন নির্দেশ ছিল ঐ মহিলাকে মা ডাকার। তাহলে কি নাউযুবিল্লাহ রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম শিরক করেছেন? </p>
<p>একই ভাবে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম আ&#8217;য়েশা রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহু কে খুশি করার জন্য দৌড় প্রতিযোগীতা করেছেন। দুই দুই বার। আবার আ&#8217;য়েশা রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহা ছোট ছিলেন বলেন তাঁকে শিশুসুলভ আনন্দ দেয়ার জন্য (অর্থাৎ এক শিশু কে খুশি করার জন্য) হাবশী গোলামদের তলোয়ার বাজি খেলা দেখিয়েছিলেন যতক্ষন পর্যন্ত না আ&#8217;য়েশা রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহা তৃপ্ত হন। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত হাসান ও হুসাইন রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহুমা কে প্রায়ই ঘাড়ে নিয়ে বেড়াতে যেতেন কেননা শিশুরা এতে খুশি হয়। এমন কি তিনি তাঁদের জন্য ঘোড়াও হয়েছেন। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লামের নাত্নী হযরত উমামা রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহা তাঁর পিঠে উঠতেন সিজদার সময়। তিনি ততক্ষন পর্যন্ত তাঁকে নামাতেন না যতক্ষন তিনি নিজে থেকে না নামতেন। একই ভাবে রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত উম্মে সালামাহ রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহার সন্তান হযরত সালামাহ রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহু ও হযরত যায়নাব রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহা দের সাথে প্রচুর দুষ্টুমি করেছেন বলে রেওয়ায়েতে পাওয়া যায়। এমনি ভাবে অনেক শিশুদের খুশি করার জন্য রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক কিছু করেছেন যা করার জন্য রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লামের উপর আল্লহ তায়া&#8217;লার পক্ষ থেকে সরাসরি কোন হুকুম আসেনি। লেখকের মতে এগুলো সবই শিরকে আকবার। </p>
<p>এক বুড়ি কে একটু হাসানোর জন্য বলেছিলেন কোন বুড়ি জান্নাতে যাবে না। হযরত হালীমা রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহা দেখা করতে আসলে তিনি নিজের গায়ের চাদর বিছিয়ে দিয়েছেন তাঁকে বসার জন্য। শুধু খাজিদা রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহার সম্মানে তাঁর এক পরিচিত মহিলাকে বেশ কদর করেছিলেন। আর কত ঘটনার কথা বলব? </p>
<p>এবার চাচা প্রসঙ্গ। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর চাচা হযরত আব্বাস রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহু কে অনেক সম্মান করতেন। অনেক ঘটনা পাওয়া যায় এ প্রসঙ্গে। এক হাদিসে উল্লেখ করেছেন, তোমাদের কি জানা নাই মানুষের চাচা তাঁর পিতার সমতুল্য। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে যেখানে চাচাকে অনেক সম্মান করেছেন, চাচাকে বিভিন্ন সময়ে খুশি করেছেন। চাচার সম্মানে অনেক সুপারিশ কবুল করেছেন (মক্কা বিজয়ের পর আবু সুফিয়ান প্রসঙ্গ) এরই অনুসরণে (সুন্নতের অনুসরণে) যাকারিয়া রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি তাঁর চাচাকে খুশি করার জন্য একটা দ্বীনী কিতাব তাড়াতাড়ি লিখেছেন এটা নাকি শিরক। চাচাকে খুশি করা যদি শিরক হয় তবেতো এই শিরকের জনক রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে (নাউযুবিল্লাহ)। রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম কে যে মুশরিক বলতে পারে সে ভালো খৃষ্টান বা ভালো ইয়াহুদী হতে পারে কিন্তু ন্যুনতম পর্যায়ের মুসলমানও নয়।</p>
<p>আসলে মূর্খদের অবস্থাই এমন। যা মনে চায় ফট করে বলে ফেলে কিন্তু জানে না কথা কত মারাত্মক হয়। কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকে। উনি আসলে তাবলীগ জামাত পছন্দ করেন না। তাবলীগ জামাত পছন্দ না করা নিজেই একটা মারাত্মক গুনাহ। এটা পরে সুযোগ পেলে আলোচনা করব ইনশাআল্লহ। তাবলীগ জামাতে সমালোচনা করতে গিয়ে উনি এমন একটা কথা বললেন যা কিনা রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম কে পর্যন্ত আক্রমন করে। এই জন্যই নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের দিকে খেয়াল না করে কোন সন্দেহ সৃষ্টি হলে উলামা কেরামদের সাথে আলোচনা করা উচিত। নাহলে এমন পর্যায়ের শিরকের খপ্পরে পড়তে হবে। <a href="http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6162/comment-page-1/#comment-6685" rel="nofollow">দয়া করে এই কমেন্টটি একটা পড়ুন। </a></p>
<p>আর একটি অনুরোধ তাবলীগে লম্বা সময় লাগান সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>জাযাকাল্লহ</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: দ্য মুসলিম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6687</link>
		<dc:creator>দ্য মুসলিম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6687</guid>
		<description>@হাফিজ, 

আরেকটি প্রশ্ন। 
ওহাবী কাদেরকে বলা হয়? 
কয়েকদিন আগে একটি বই পড়ে জানতে পারলাম- আহলে হাদীস কে ওহাবী বলা হয়।
আশরাফ আলী থানভী রঃ এর উদৃতি থেকে জানতে পেরেছি- দেওবন্দীদেরকে ওহাবী বলা হয়।

মুলত ওহাবী কারা?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ, </p>
<p>আরেকটি প্রশ্ন।<br />
ওহাবী কাদেরকে বলা হয়?<br />
কয়েকদিন আগে একটি বই পড়ে জানতে পারলাম- আহলে হাদীস কে ওহাবী বলা হয়।<br />
আশরাফ আলী থানভী রঃ এর উদৃতি থেকে জানতে পেরেছি- দেওবন্দীদেরকে ওহাবী বলা হয়।</p>
<p>মুলত ওহাবী কারা?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: দ্য মুসলিম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6686</link>
		<dc:creator>দ্য মুসলিম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6686</guid>
		<description>@হাফিজ, 

বুঝলাম না ভাই। কোনটা ওহাবীদের থেকে এসেছে? আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করেছি সেটা?
&lt;strong&gt;আপনি কি ১০০% শিওর আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জন করা শিরক ? যেমন ধরুন পিতা মাতা ?&lt;/strong&gt; এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ, </p>
<p>বুঝলাম না ভাই। কোনটা ওহাবীদের থেকে এসেছে? আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করেছি সেটা?<br />
<strong>আপনি কি ১০০% শিওর আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা ছাড়া অন্য কারো সন্তুষ্টি অর্জন করা শিরক ? যেমন ধরুন পিতা মাতা ?</strong> এক্ষেত্রে আপনার মতামত কি?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6683</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6683</guid>
		<description>@দ্য মুসলিম,  এটা আপনার নিজস্ব ব্যাখ্যা , যেটা ওহাবীদের থেকে এসেছে ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@দ্য মুসলিম,  এটা আপনার নিজস্ব ব্যাখ্যা , যেটা ওহাবীদের থেকে এসেছে ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সাদাত</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/manwithamission/6135/comment-page-1/#comment-6666</link>
		<dc:creator>সাদাত</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=6135#comment-6666</guid>
		<description>বেয়াদবি এবং স্পর্ধার একটা সীমা থাকা উচিত।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>বেয়াদবি এবং স্পর্ধার একটা সীমা থাকা উচিত।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
