লগইন রেজিস্ট্রেশন

***Hizb-ut-Tahrir: A Deviant Sect***

লিখেছেন: ' manwithamission' @ শনিবার, মে ১৫, ২০১০ (১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ)

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্যে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া আর কেউই ইবাদত পাওয়ার যোগ্য নয় এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর বান্দাহ ও রাসূল। উত্তম বাণী হচ্ছে আল্লাহর বাণী, উত্তম পথ হচ্ছে রাসূল ﷺ এর পথ এবং নিকৃষ্ট বিষয় হচ্ছে দ্বীন ইসলামের মধ্যে নতুন উদ্ভাবিত বিষয়(বিদআহ), নিশ্চয়ই প্রত্যেক বিদআহ’ই হচ্ছে পথভ্রষ্টতা আর পথভ্রষ্টতার গন্তব্যস্থল জাহান্নাম।

হিজবুত তাহরীর, এই নামটি মোটামুটি অনেকেই জানেন বিশেষ করে পাবলিক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা এই নামটির সাথে বেশী পরিচিত। আলহামদুলিল্লাহ, হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয়েছে। এই দলটি যে পন্থা বা পদ্ধতীতে তাদের কথা প্রচার করে, তাদের যে আকীদা রয়েছে বা তারা যেগুলো তে বিশ্বাস করে তা মোটেই ইসলামী কাজ নয়, ইসলামী বিশ্বাস নয়। সত্য-সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত একটি দল। কাজেই তাদের প্রচারনা যেন মুসলিম ভাই-বোনদের বিভ্রান্ত করতে না পারে তা জন্যেই তাদের কিছু দিক তুলে ধরব।

হিজবুত তাহরীর এর আকীদা:
১. যে পর্যন্ত কোরআন তাদের আকলের বোধগম্য না হয় সে পর্যন্ত তারা কোরআনের আয়াত বিশ্বাস করে না। (এই বিষয়টি তাদের বই “The System of Islam বা Nidham ul Islam” এ রয়েছে)। অথচ কোরআনের প্রত্যেকটি আয়াতকে শর্তহীনভাবে প্রত্যেক মুসলিমকে বিশ্বাস করতে হবে। কেউ যদি কোরআনের একটি মাত্র আয়াত অস্বীকার করে বা বিশ্বাস করবে না সে আর মুসলিম থাকবে না।
২. হিজবুত তাহরীর তাদের বই Nidham ul Islam এ ইসলামের বিশ্বাস করাকে Emotional বিশ্বাস বলে অভিহিত করে, এই বিশ্বাসকে তারা Idol Worshiper দের সাথে তুলনা করেছে, Emotion এর কারণেই এরা Idol Worship করছে। এর জন্যে এরা বিশ্বাসকে যুক্তি দিয়ে বুঝাকে ওয়াজিব করেছে।
৩. কবরের আযাবকে তারা বিশ্বাস করে না। অথচ এই বিষয়ে সহীহ হাদীস ও কোরআনের আয়াত রয়েছে। রাসূল ﷺ নামাজে শেষ বৈঠকে কবরের আযাব থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। মুতাযিলা সম্প্রদায়ও এই কবরের আযাবকে বিশ্বাস করতো না।
৪. এরা ইলমুল কালামে বিশ্বাসী। অর্থাৎ কোরআন এবং হাদীসের উপরে এরা যুক্তিকে প্রাধান্য দেয়। কিন্তু আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এই ইলমুল কালাম আকীদাকে অস্বীকার করে। ইমাম আবু হানিফা (রহ) এবং ইমাম শাফেঈ (রহ) এই ইলমুল কালামদের বিদআতী আখ্যায়িত করেছেন এবং যারা ইলমুল কালাম ব্যবহার করতো তাদের শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দিতেন।
৫. মুতাযিলা, মাতুরিদী, আশআরী সম্প্রদায়ের আকীদার সাথে এদের যথেষ্ট মিল রয়েছে। এমনকি হিজবুত তাহরীরের প্রতিষ্ঠাতা Taqiuddin an-Nabahani মাতুরিদী আকীদার, এবং মাতুরিদী আকীদার উলামাদের Ulamaa ut-Tawheed বলে অভিহিত করেছে।

হিজবুত তাহরীর এর কার্যক্রম:

১. এরা খিলাফতের দাওয়াত প্রচার করে। যেকোন বিষয়ে আলোচনা করার আগে তারা খিলাফতকে উল্লেখ করবে। আর এটা করতে যেয়ে তারা বিভিন্ন সেমিনার করে খিলাফতের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। খিলাফতের প্রয়োজনীয়তা বলতে যেয়ে তারা কুরআন এবং সুন্নাহর ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে। আর এদের চেনার এটাই সহজ উপায় এরা সর্বপ্রথম খিলাফতের দাওয়াত দিবে।
২. এরা মানুষকে প্রথমেই খিলাফতের দাওয়াত দিবে যদিও সেই মানুষটির ইসলাম, ঈমান সম্পর্কে অজ্ঞ, শিরক-বিদআতে লিপ্ত থাকে তবুও সমস্যা নেই।
৩. এরা তাদের আন্দোলনকে রাসূল ﷺ এর সাথে তুলনা করে। অথচ রাসূল ﷺ মক্কার মুশরিকদের প্রথমেই খিলাফতের দাওয়াত দেন নি। তিনি তাওহীদ তথা একত্ববাদের দাওয়াত দিতেন। তিনি কখনও বলেননি, আমরা খিলাফত করব, কাজেই আমাদের খিলাফতে যোগ দাও, তিনি বলতেন, তোমরা এক আল্লাহর ইবাদত কর, তার সাথে কাউকে শরীক করো না। অর্থাৎ রাসূল ﷺ এর সুন্নাত হল মানুষকে আগে ঈমান সম্পর্কিত শিক্ষা দেওয়া, তাদের আকীদা ঠিক করানো, শিরক থেকে মুক্ত করানো। খিলাফত হচ্ছে একদম শেষ স্টেজ, আর এরা প্রথম স্টেজ ঠিক না করেই এক লাফে খিলাফত প্রতিষ্ঠ করার জন্যে উঠে পরে লেগেছে।
৪. ইসলাম বিষয়ে এদের জ্ঞান খুবই কম, শুধু খিলাফতের কথা বলবে, তাদের যুক্তি গণসচেতনতা তৈরী করে বিপ্লব তথা গণঅভ্যূত্থানের মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা।
৫. মুসলিম উম্মাহর অধপতন হয়েছে আল্লাহর আনুগত্য, রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ না মানার কারণে। অথচ এই বিষয়টি তারা কখনও উল্লেখ করবে না, বরং তারা খিলাফতকে গুরুত্ব দিবে।

আরো যারা বিস্তারিত জানতে চান তারা নীচের লিংকটি বিস্তারিত পড়ে নিতে পারেন।
এখানে ক্লিক করুন

আল্লাহ তাআলা আমাদের ভুল পথে পরিচালিত তথা সঠিক-সরল পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া থেকে হিফাজত করুন এবং ইখলাসের সাথে ও রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ অনুযায়ী ইবাদত করার তৌফিক দান করুন। । আমীন।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,০৪৭ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৩.৬৭)

২০ টি মন্তব্য

  1. আস-সালামু আলাইকুম,


    মুতাযিলা, মাতুরিদী, আশআরী সম্প্রদায়ের আকীদার সাথে এদের যথেষ্ট মিল রয়েছে। এমনকি হিজবুত তাহরীরের প্রতিষ্ঠাতা Taqiuddin an-Nabahani মাতুরিদী আকীদার, এবং মাতুরিদী আকীদার উলামাদের Ulamaa ut-Tawheed বলে অভিহিত করেছে।

    উপরের লাইনগুলোর কারনে আপনার পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হোলো ।

    “আশাআরী এবং মাতুরীদী” হক জামাত । ৪ মাজহাবের সকলেই আকিদাগতভাবে আশআরী এবং মাতুরিদী ইমামদ্বয় কর্তৃক সংকলিত আকীদা সমস্টিকে অনুসরন করে থাকে । তাদেরকে পথভ্রষ্ট বলা মানে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাআতকে পথভ্রষ্ট বলা ।

    ওয়াসসালাম।

    Biplobi

    @কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ], কর্তৃপক্ষ বলতে যদিও একটা faceless entity মনে হয়, তবুও রোবট তো নয় – বরং মানুষ দিয়েই “কর্তৃপক্ষ” হয়! সুতরাং আপনি/আপনারা যে-ই হোন না কেন আপনি/আপনারা কি আল্লাহর নামে শপথ করে বলতে পারবেন যে:

    ১) আমার এই মন্তব্য পড়ার আগে আপনি/আপনারা কখনো বিস্তারিত পড়ে দেখেছেন যে আশ’আরী ও মাতুরিদী আক্বীদাহ্ বলতে আসলে কি বোঝায়?
    ২)আপনারা কি জানেন যে, ইমাম আবু হানিফার আক্বীদাহ্ থেকে আশ’আরী ও মাতুরিদী আক্বীদাহ্ ভিন্ন?
    ৩) আর কিছুতে পার্থক্য থাকলেও, সারা বিশ্বের মুসলিমদের আক্বীদাহ্ একই হতে হবে – এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়া আল-জামা’আর আক্বীদাহ একটা এবং মাত্র একটাই হতে পারে? – আপনারা কি সেটা জানেন?

    manwithamission

    @Biplobi, সহমত।

    হাফিজ

    @manwithamission, ইসলামি হুকুমত যে খেলাফত সমর্থন করে এ বিষয়ে আপনার কোনো মতামত আছে ?

    কর্তৃপক্ষ [ পিস-ইন-ইসলাম ]

    @Biplobi,

    আস-সালামু আলাইকুম,

    আপনি কিছু প্রশ্ন করেছেন ( সেটা ভদ্রতা বজায় রেখে করেছেন কিনা সেটা পাঠকরা বিবেচনা করবন ) যেগুলোর উত্তর নীচে দেয়া হোলো :


    ১) আমার এই মন্তব্য পড়ার আগে আপনি/আপনারা কখনো বিস্তারিত পড়ে দেখেছেন যে আশ’আরী ও মাতুরিদী আক্বীদাহ্ বলতে আসলে কি বোঝায়?

    বাংলা ভাষায় “ইসলামি আক্বীদাহ” একটি বই আছে যেটা মাওলানা হেমায়েতউদ্দিন এর লেখা , বিস্তারিত পড়ে দেখতে পারেন । এছাড়া ইংরেজী ওয়েব সাইট যদি দেখতে চান তাহলে http://www.askimam.org/ দেখতে পারেন , এছাড়া আকিদাতুত তাহাবী রয়েছে । আপনার প্রশ্নের উত্তর হোলো “হ্যা” এ বিষয়ে আমাদের জানা আছে । এরপরও যদি আপনি ভেবে খুশী হন , এ বিষয়ে আমাদের কোনো জানাশোনা নেই, সেটা আপনার নিজস্ব ব্যাপার ।


    ২)আপনারা কি জানেন যে, ইমাম আবু হানিফার আক্বীদাহ্ থেকে আশ’আরী ও মাতুরিদী আক্বীদাহ্ ভিন্ন?

    জ্বী জানা আছে । আমলের ক্ষেত্রে যেমন “ফরজ” , “ওয়াজিব” , “নফল” আছে , তেমন আক্বিদার ক্ষেত্রেও রয়েছে । ইমাম আবু হানিফার (রহ:) এর সাথে আশ’আরী (রহ:) ও মাতুরিদী (রহ:) যে মতভেদ রয়েছে সেটা খুবই মাইনর । এমন বলা যাবে না দুইজনের যেকোনো একজন সুন্নি আক্বীদা থেকে ভিন্ন । ইমাম আবু হানিফার (রহ:) এর সময় অনেক প্রশ্নের উদ্ভব হয় নাই , যেগুলো গ্রীক দর্শনের সংস্পর্শে এসে পরবর্তীকালে মুসলমানদের মধ্যে উদ্ভব হয়েছিল । যেহেতু এগুলোর উদ্ভব পরবর্তিকালে তাই পরবর্তিকালের ইলমে কালাম বিষয়ে অভিজ্ঞ ( ইমাম আশআরী ও ইমাম মাতুরিদী ) আলেমগন এগুলোর জবাব দিয়েছিলেন । আপনার প্রশ্নের এটা একটি উত্তর ।

    কিন্তু সবচেয়ে মজার বিষয় হোলো ওহাবীরা/সালাফীগন ইমাম আবু হানিফার (রহ:)-র সববিষয় গ্রহন না করে শুধুমাত্র বাছাই করা কিছু কথার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ( যেটা তাদের স্বভাব ) মুসলমানদের মাঝে চরম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে সে বিষয়ে এখানে বিস্তারিত না বলে নীচের লিংকটি দিলাম :

    http://www.masud.co.uk/ISLAM/ust_abd/fiqh_al_akbar.htm


    ৩) আর কিছুতে পার্থক্য থাকলেও, সারা বিশ্বের মুসলিমদের আক্বীদাহ্ একই হতে হবে – এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়া আল-জামা’আর আক্বীদাহ একটা এবং মাত্র একটাই হতে পারে? – আপনারা কি সেটা জানেন?

    সারা পৃথিবীর সবার আকীদাকে প্রমোট করার জন্য পিস ইন ইসলামের জন্ম হয়নি । ওহাবী , সালাফীদের মতো বিভ্রান্ত গোষ্ঠির আক্বীদার সাথে সুন্নিদের বিস্তর মতপার্থক্য আছে । সেগুলো বিস্তারিত জানতে গেলে দেখুন :

    http://www.askimam.org/fatwa/fatwa.php?askid=a32c5fe2ab584aad605c67129568cc58
    http://www.sunnah.org/articles/Wahhabiarticleedit.htm
    http://www.masud.co.uk/

    পৃথিবীর সমস্ত হক আলেমগন গত ১০০ বছর ধরে বলে আসছেন “ওহাবী” মতবাদ একটি ঘৃনিত মতবাদ এবং “নজদ” হোলো সেই অভিশপ্ত জায়গা যেটা সম্বন্ধে রসুল (সা:) দোয়া করেননি । দেখুন :
    http://www.youtube.com/watch?v=mK8oCggqiFg

    আপনাদের নিজস্ব ওহাবী মতবাদের সাথে যে ব্লগ সাইটের মিল খুজে পান সেখানে লেখালেখি করে প্রচার করতে থাকুন, এখানে বিবাদ-বিদ্বেষ ছড়াবেন না ।

    ওয়াসসালাম ।

  2. @ manwithamission,
    হিজবুত তাহরির সম্মন্ধে আমার জানাশোনা কম।
    “তাদের যুক্তি গণসচেতনতা তৈরী করে বিপ্লব তথা গণঅভ্যূত্থানের মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা।”- এটা সত্য হলে তো আলহামদুলিল্লাহ।
    ইসলামের নামে যত অপপ্রচার হয়েছে তাতে ইসলামের লাভই বেশি হয়েছে। অনুরুপ আপনি এলেন অপপ্রচার করতে, আর হিজবুত তাহরিরের বিজ্ঞাপনটাও হয়ে গেল।

    হাফিজ

    @মাহমুদ,

    ইসলামের নামে যত অপপ্রচার হয়েছে তাতে ইসলামের লাভই বেশি হয়েছে। অনুরুপ আপনি এলেন অপপ্রচার করতে, আর হিজবুত তাহরিরের বিজ্ঞাপনটাও হয়ে গেল।

    :)

  3. @ manwithamission,
    কবরের আযাবকে তারা বিশ্বাস করে না।
    কোরআন এবং হাদীসের উপরে এরা যুক্তিকে প্রাধান্য দেয়।
    খিলাফতের প্রয়োজনীয়তা বলতে যেয়ে তারা কুরআন এবং সুন্নাহর ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে।

    আপনার কথাগুলো যে সত্য তার রেফারেন্স/দলীল দিবেন আশা করি।

  4. শুরুতেই বলে রাখি, আমি হিযবুত তাহরীরের সাথে সংম্পৃক্ত নই, এবং তাদের সকল বিশ্বাস ও দাবী নিয়ে বিস্তারিত কোন স্ট্যাডিও নেই, উইকিপিডিয়া সার্চা করে ব্লগার বিপ্লবের দাবী অনুযায়ী হিযবুত তাহরীরের মতাদর্শ ঘেটে দেখলাম কিন্তু কোন যোগসাশ পেলাম না। কারন লেখায় এক নং পয়েন্টে যে সোর্স দেয়া হয়েছে এবং হিংসাত্নক ভাবে যে কাফের দাবী করা হয়েছে তা তাহরীর প্রতিষ্ঠাতা ফিলীস্তিনের শেখ তাকীউদ্দিনের উপর অযথাই আরোপ করা হয়েছে, যে বইটির সোর্স দিয়েছেন তার যে অংশে এমন দাবী করেছেন তা কোড করলেও পারতেন কিন্তু তা না করে আগোছালো ভাবেই একটি সংবাদ পরিবেশন করছেন।
    পরের পয়েন্টগুলোর তো কোন সোর্সই নেই তাহলে এসব উপাত্তকে আমরা আপাতত দৃষ্টিতে সত্য বলবো না মিথ্যা? সত্য বলতে গেলে তা প্রমান করা ওয়াজিব হবে আর মিথ্যা বল্লে আমরা আপাতত প্রমান না হওয়া পর্যন্ত তাদের ব্যাপারে খারাপ ধারণা থেকে বাচঁতে পারি।

    লেখক আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশ এর নিষিদ্ধ করনে, সৌদি সরকার তালেবান সংম্পৃক্ততা ও ক্রুসেড বিরোধী যোদ্ধা লাদেন কে নিষিদ্ধ করেছে, টেররিজমের মোল হোতা বলে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে, আলেম সমাজের বিশেষ মহলকে এসব নিয়ে মগজ ধোলাই করা আলাদা স্টাডিজের দায়ত্ব দিচ্ছে এসব কার স্বার্থ? কে লাভবান হয় এসবে? সৌদি প্রিন্স এমেরিকার সমালোচনা করে বল্লেন ” তার কাজ নয় আফগান সমস্যার সমাধান করা, সে শুধু বড় বড় (লাদেন ও তার সংঙ্গীদের) সন্ত্রাসীকে খতম করে পাকিস্তান ছেড়ে দেক” আজ পৃথীবিতে মুসলিম শাষকদের অবস্থান কী তা সকল মুসলমানই জানে। এমেরিকা-ও সম্রাজ্যবাদ ক্রুসেডের বিরুদ্ধে ইসলাম প্রতিরোধের যে হুকুম করে তা আক্রান্ত স্থানে বাধাগ্রস্থ না হলে সকল রাস্ট্রের জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়, কিন্তু সেই সশস্ত্র প্রতিরোধ তো দুরের কথা উল্টা প্রতিরোধকারীদের বিরোদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার স্বার্থে?

    হিযবুত তাহরীর এযাবতকাল কোন দেশেই সশস্ত্র জিহাদ করেছে বলে আমার জানা নেই, তারা লবিং করে, লেখা লেখি করে এবং ইন্টেলেকচুয়াল ইমেজ তৈরি করে সম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফোরাম তৈরি করেছে এতে খারাপ কিছু আমি দেখি নি। সরকার দেশের স্বার্থহানীর আশংকা করে তাকে ব্যান করছেন সেটা আমার আলোচনার বিষয় নয়, কিন্তু আমাদের নয় কেবল সকল মুসলিম দেশগুলোর প্রতিনিধ্বিদের অবস্থান কোথায় তা বলার অপেক্ষা রাখে না, বিশেষত যখন পশ্চিম থেকে কোন সংগঠনের বিরুদ্ধে পয়গাম আসে তখন তা আল্লাহ পয়গামের চাইতে বড় হয়ে দাড়ায় নিজেদের মসনদের খাতিরেই। একটু নীরবে বসে ভেবে দেখুন হাত কোথায় চালাচ্ছেন।

    manwithamission

    @বাংলা মৌলভী, The System of Islam বা Nidham ul Islam এই বইটি হিজবুত তাহরীর এর ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়। ডাউনলোড করে পড়ে নিবেন। আপনি নিজেই স্বীকার করেছেন হিজবুত তাহরীর সম্পর্কে জানেন না, শুধু উইকিপিডিয়া সার্চ দিলেন আর সব পেয়ে গেলেন?

    মুফতি ইব্রাহিম দেশাই এর ফাতওয়া দেখুন হিজবুত তাহরীর সম্পর্কে,
    http://www.islam.tc/cgi-bin/askimam/ask.pl?q=1666&act=print

    Sahih Aqeedah (correct beliefs) are a necessity of faith (Imaan) and are a definite criterion between Imaan and Kufr. It was for this very reason that the Ulama had initiated the compilation of Aqaaid 1200 years ago.

    Nowadays, many propounders of Baatil (falsehood) are putting forth their corrupt theories for no reason other than to facilitate fulfilment of their base desires. By the Fadhl (grace) of Allah, this was long ago anticipated by the Ulama who worked to keep the Aqaaid of Deen pure and unadulaterated. This latest falsehood bein promulgated by the Hizb al-Tahreer is in fact nothing new or unecountered by the Ulama of Deen. Some of the Baatil being promulgated by them is, in fact the same as originated by the Mu?tazila 12 centuries ago and more recently by the Jamaat Islaami of Pakistan. The Ulama have successfully repelled both these and numerous other attempts to adulterate the pristine purity of Islam and will, Insha Allah, continue to do so.

    and Allah Ta’ala Knows Best

    Mufti Ebrahim Desai
    FATWA DEPT.

    দ্য মুসলিম

    @বাংলা মৌলভী,

    সৌদি প্রিন্স এমেরিকার সমালোচনা করে বল্লেন ” তার কাজ নয় আফগান সমস্যার সমাধান করা, সে শুধু বড় বড় (লাদেন ও তার সংঙ্গীদের) সন্ত্রাসীকে খতম করে পাকিস্তান ছেড়ে দেক” আজ পৃথীবিতে মুসলিম শাষকদের অবস্থান কী তা সকল মুসলমানই জানে।

    ড. জাকির নায়েকও আজ পর্যন্ত লাদেন সম্পর্কে সরাসরি কিছু বলেন নি। বরং তিনি ইশারা ইঙ্গিতে তাদের কর্মকান্ডকে সাপোর্ট করে থাকেন এবং সন্ত্রাসী বলে স্বীকার করেন না।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম,

    ড. জাকির নায়েকও আজ পর্যন্ত লাদেন সম্পর্কে সরাসরি কিছু বলেন নি। বরং তিনি ইশারা ইঙ্গিতে তাদের কর্মকান্ডকে সাপোর্ট করে থাকেন এবং সন্ত্রাসী বলে স্বীকার করেন না।

    কথা হোলো , লাদেন সন্ত্রাশী হলে সেটা মুসলিমগন অবশ্যই সাপোর্ট করে না । কিন্তু “ফাসেক” , “সাম্রাজ্যবাদিদের” কথা শুনে যাচাই বাছাই না করে “লাদেন” কে গালাগালি করা সেটা কোনোমতেই সমর্থন করা যায় না ।

    তাছারা ৯/১১ লাদেন করেছে এমন প্রমান করা সম্ভব ? কখনই নয় ।

    হাফিজ

    @বাংলা মৌলভী, সহমত ।

    হিজবুত তাহরীরে কিছু সমস্যা থাকতে পারে , কিন্তু লেখক সেটা উপস্হাপন করার পরিবর্তে “আশআরী,মাতুরীদি” আকিদা নিয়ে এসে প্রকারন্তরে “সুন্নিদের” আকীদা ভুল এটাই প্রমান করতে চেয়েছেন , যেটা কোনো মতেই সমর্থনযোগ্য নয়।

  5. ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্হা। কেউ যদি একদিক থেকে শুরু করতে চান তাহলে তাকে অবশ্যই অন্য দিক ছেড়ে দিতে হবে। এটা নির্ভর করে যার যার যু্ক্তির উপর। কেউ খিলাফত এর দাওয়াত দেয়াকে প্রমোট করেন কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে ৮৮% মানুষই মুসলমান। আবার কেউ আবার ঈমানের দাওয়াত দেয়াকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন, যেমনঃ তাবলীগি জামাত। এক্ষেত্রেও তাদের যথেষ্ট দলিল ও যুক্তি রয়েছে। সুতরাং খিলাফতের দাওয়াত দেয়, এর উপর নির্ভর করে একটি ইসলামী দলের বিরুদ্ধে কিছু বলাটা যুক্তি সঙ্গত বলে মনে হলোনা। তাছাড়া তাদের কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থাকলে বা ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড থাকলে আলাদা কথা। যদিও আজ পর্যন্ত এধরণের কিছু শুনিনি। সরকার হিজবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ করেছে একমাত্র রাজনীতিক কারণে।

    হাফিজ

    @দ্য মুসলিম, সহমত ।

  6. @manwithamission,
    হিজবুত তাহরীর হয়ত কিছু ভুল করছে, কিন্তু আপনি এখানে তাদের সাথে মাতুরিদী, আশআরী আক্বিদা জড়িয়ে বলতে চাইছেন মাতুরিদী, আশআরী আক্বিদা শুদ্ধ নয়। আপনার এরুপ প্রচেষ্টার নিন্দা করি।

    আকাইদের ক্ষেত্রে ‘আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতে’র যে দুটি ধারা তা হল আশাইরা ও মাতুরীদিয়্যা। আশাইরা মতবাদটি ৪র্থ হিজরী শতাব্দী হতে আজ পর্যন্ত ইলমে কালামের সর্ববৃহৎ এবং প্রসিদ্ধতম মতবাদ হিসাবে চলে আসছে। পক্ষান্তরে আহলে ইলম-এর উপর মাতুরীদিয়্যা মতবাদটির প্রভাব অত্যন্ত সুদূর প্রসারী।আজও দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ও মাদরাসা সমূহে মাতুরীদিয়্যা মতবাদটিকে ইসলামী আকাইদের প্রসিদ্ধতম উৎসসমূহের মধ্যে গণ্য করা হয়।

    ইমাম আবুল হাসান আল-আশআরী এবং ইমাম আবূ মানসুর মাতুরীদী উভয়েই সুন্নী ছিলেন এবং সম্মিলিতভাবে মু’তাযিলাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছিলেন। ইমাম আবুল হাসান আল-আশআরী নিজে ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল-এর পথের অনুসারী হলেও তার অনুসারীদের অধিকাংশ ছিল শাফিঈ মতাবলম্বী। ইমাম আবূ মানসুর মাতুরীদী ছিলেন ইমাম আবু হানিফার বিশেষ সাগরেদ ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে হাসান শায়বানীর শিষ্য। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত হানাফী ফক্বীহ, আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতে’র একজন প্রসিদ্ধ মুতাকাল্লিম এবং মুতাযিলাদের ঘোর বিরোধী। তার অনুসারীদের অধিকাংশ হানাফী মতাবলম্বী। (ইসলামী বিশ্বকোষ, ইসলামিক ফাউন্ডেশান বাংলাদেশ-ইলমুল কালাম,শিবলী নো’মানী)

    এসব আপনাদের ওহাবী-সালাফীদের জানিয়ে লাভ কতটুক হবে বুঝতে পারছিনা। কারন, দেখে মনে হয় আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতে’র সালফে সালেহীনদের চরিত্র হনন করাই আপনাদের প্রধান mission.

    হাফিজ

    @সালাহউদ্দীন, ১০০% সহমত । সুন্দর বলেছেন ।

  7. @manwithamission – আপনি আর মেরিনার৫৫ – আপনারা সব কি Focused Ghair Muqallid – SALAFI নাকি ? সাউদ বংশের টাকা আর আমেরিকান লবি এই দিয়ে ইসলাম এর সেবা…বেশ updated methodology? আমার কাছে ওদের নিজাম উল ইসলাম বই এর দারস্‌ আছে। আপনার কথার সত্যতার প্রমান নেই। অবশ্য আপনিতো পড়েছেন নিজে নিজে, কোনো মুশরিফ ছাড়া। এরকম পদচুতি হতেই পারে। AQIDAH, FIQH, MANHAJ [Methodology] & prime issue of USUL – এই ইস্যু গুলোতে নিজে পড়েই বুঝে নেবার সফলতা খুব কম। Abdul Rahman Dimashqiyah ও Saleem Hilali [Albani's student], এদের কাছ থেকে AQIDAH নিয়ে টানাটানি ছাড়া আর কি আশা করা যায়? আপনাদের অভিযোগতো আবু হানিফা, মাতুরিদি, আশারি – সবাইকে নিয়েই। Hizb Ut Tahrir প্রতিষ্ঠাতা একজন শাফিই ইমাম ছিলেন। এটাওতো আপনাদের একটা সমস্যা মনে হবার কথা। নিজেরা মুসলিম উম্মআহর জন্য কিছু করেন, অন্য মুসলিম ভাই এর দোষ খোজা বাদ দেন। বেশ আজব আজব point আপনি তুলে ধোরলেন। ওদের কারো সাথে কথা বলে খোলাশা হোন। দোআ করবেন।

    manwithamission

    @Fiqriyatu Fiddin,
    আমি উপরের একটি মন্তব্যে মুফতি ইব্রাহিম দেশাই এর ফাতওয়া দিয়েছি হিজবুত তাহরীর সম্পর্কে পড়ে দেখবেন।

    আর নীচে একটি ছবি দিলাম:
    image_228_73496

    ছবিটি ভালো করে লক্ষ্য করুন, হিজবুত তাহরীরের গতকালের মিছিল। লাল বৃত্ত লক্ষ্য করুন।
    যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ অমান্য করে প্যান্ট টাখনুর নীচে লম্বা করে পড়ে আর কালেমা নিয়ে খিলাফতের মিছিল করে তারা কোন ব্রান্ডের ইসলাম পালন করছে?

    Dress
    Bukhari :: Book 7 :: Volume 72 :: Hadith 678
    Narrated Abu Huraira:
    The Prophet said, “The part of an Izar which hangs below the ankles is in the Fire.”

    Clothing (Kitab Al-Libas)
    Dawud :: Book 32 : Hadith 4082
    Narrated AbuSa’id al-Khudri:
    AbdurRahman said: I asked AbuSa’id al-Khudri about wearing lower garment. He said: You have come to the man who knows it very well. The Apostle of Allah (peace_be_upon_him) said: The way for a believer to wear a lower garment is to have it halfway down his legs and he is guilty of no sin if it comes halfway between that and the ankles, but what comes lower than the ankles is in Hell. On the day of Resurrection. Allah will not look at him who trails his lower garment conceitedly.

    Dress
    Malik :: Book 48 : Hadith 48.5.12
    Yahya related to me from Malik from al Ala ibn Abd ar-Rahman that his father said, “I asked Abu Said al-Khudri about the lower garment. He said that he would inform me with knowledge and that he had heard the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, ‘The lower garment of the mumin should reach to the middle of his calves. There is no harm in what is between that and the ankles. What is lower than that is in the Fire. What is lower than that is in the Fire. On the Day of Rising, Allah will not look at a person who trails his lower garment in arrogance.’ ”

    যারা নিজেদের মাঝেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ পালন করতে পারল না তারা কোন ব্র্যান্ডের ইসলাম পালন করছে? আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে ভালোবাসা অন্য যে কোন কিছুর অগ্রে। আর এই ভালোভাসা মানেই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতিটা নির্দেশ নিজের মধ্যে বাস্তবায়ন করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটা সুন্নাতকে অবজ্ঞা করা বা তা দরকার নেই মনে করাকে আমি শুকনো খড়কুটোর মাঝে ছোট একটা আগুনের ফুলকি পড়ার সমতুল্য মনে করি। ছোট আগুনের ফুলকি যেমন বিশাল খড়কুটোকে জ্বালিয়ে ছাড়খার করে দেয় তেমনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটা সুন্নাত অবজ্ঞা করাও সেই ব্যক্তির ইসলামকে তার নিকট থেকে জ্বালিয়ে দিবে।

    (সূরা তওবা:২৪) Say: If your fathers, your sons, your brothers, your wives, your kindred, the wealth that you have gained, the commerce in which you fear a decline, and the dwellings in which you delight … are dearer to you than Allâh and His Messenger, and striving hard and fighting in His Cause, then wait until Allâh brings about His Decision (torment). And Allâh guides not the people who are Al-Fâsiqûn (the rebellious, disobedient to Allâh).

    Fiqriyatu Fiddin

    @manwithamission, (F) টাখনুর নিচে প্যান্ট পড়া নিয়েতো উলামাদের মাঝেই Difference আছে – আপনিতো বেশ সাহস করে লিখে দিলেন টাখনুর নিচে প্যান্ট পড়া আকিদার সমস্যা। আপনার সাহস আছে বৈকি ! এই ব্যাপারে আমি এই ফাতো্আ মেনে চলি – http://islamtoday.com/quesshow-26-3655.htm । পড়ুন এবং আমাদের জানান।
    মুফতি ইব্রাহিম দেসাই এর সব ফাতোআ On Politics [Islamic-ally SIYASAH] – বেশ শিশুতোষ। এইসব ব্যাপারে আরো উলামাদের ফাতোআ দেখুন। দেওবন্দ এর আলিমদের মতামত নিন।
    Nidham Ul Islam – বইটি আপনি পড়েছেন? আমাকে একটু আলোকিত করুন ঐ বইয়ের ভুল গুলোর ব্যাপারে। Detailed. আপনার যেহেতু muslim55 ভাইয়ের মতো অন্য মুলিম ভাইয়ের আকিদার ভুল ধরে পরম শান্তি – তাই আপনার কাছে আকিদাহ্‌ পরিষ্কার করি।
    Muslim World – এর বেশ কটি দেশে ওদের আমি দেখেছি। চরম কঠিন Struggle এর মাঝেই ওরা সব ব্যাপারে ইসলাম কে Represent করছে। আপনি আমি কি করছি? SO CALLED SALAFI – দের উপদ্রবে – সাধারন মুসলিমদের আকিদাহ্‌ নিয়ে টানাটানি খুব মামুলি ব্যাপার হয়ে দাড়ি্যেছে।আল্লাহ্‌ পাক রহম করুন। আমিন।