<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: যে সুন্নাহ প্রত্যাখ্যান করে তার বেলায় বিধান &#8211; ২</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: mariner</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2491</link>
		<dc:creator>mariner</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2491</guid>
		<description>@fuad, 

&lt;strong&gt;
&lt;blockquote&gt;তার বিরুদ্ধে কাফের ফতোয়া দেয়া হয় নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে। প্রথমত: ইবনে সিনা তার দর্শনে বিশ্বকে চিরজীবী দাবী করেন যার কোন শুরু নেই। যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করেন আল্লাহ শূন্য থেকে এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন। দ্বিতীয়ত: তিনি বলেন, আল্লাহ সৃষ্টি এবং ধ্বংস সম্পর্কে সাধারন ভাবে জানেন, কিন্তু পুংখানুপুঙ্খ ভাবে নয়। যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করে থাকেন, আল্লাহ আক্ষরিক অর্থেই প্রতিটি বিষয় অবগত। তৃতীয়ত, তিনি শারীরীক পুনরুথ্থান নয়, বরং আত্মিক পুনরুথ্থানের উপর জোড় দেন। মূলত এই তিনটি কারনে ইমাম গাজালী ইবনে সিনাকে কাফের সাব্যস্ত করা বাধ্যতামূলক বলে দাবী করেন।

এখন দেখা যাক, এই আপাত বিতর্কিত্ ইস্যু গুলো নিয়ে ইবনে সিনা আসলে কি বলেছিলেন।

ইবনে সিনা এটা বিশ্বাস করতেন যে, এই বিশ্ব চিরজীবী বা আদি অন্ত বিহীন। তবে এটাও বিশ্বাস করতেন যে, বিশ্ব একটি সৃষ্ট বস্তু। তিনি ব্যাখা দেন, সৃষ্ট হবার অর্থ এই নয় যে সময়ের প্রেক্ষিতে তার কোন শুরু আছে। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের অস্তিত্বের পেছনে কার্যকরন ও প্রয়োজন বিদ্যমান। আল্লাহ এই বিশ্বকে হতে দিয়েছেন, যার শুরু থাকতেও পারে কিংবা নাও থাকতে পারে। তবে শেষ নেই। ইমাম গাজালী চ্যালেন্জ্ঞ দিয়ে বলেন, আল্লাহ যদি একমাত্র স্বাধীন অমূখাপেক্ষী সত্ত্বা হন তবে বিশ্বকে তার পরেই সৃষ্ট হতে হবে, তা অস্তিত্ব ও সময় - দুটোরই মানদন্ডে। সুতরাং তা অনাদি অনন্ত হতে পারে না। এই দর্শনকে কুফরী বলে আখ্যায়িত করেছেন ইমাম গাজালী। &lt;/blockquote&gt;&lt;/strong&gt;

উপরের উদ্ধৃতিটুকু আপনার দেয়া &quot;সামুর&quot; লিংক থেকে নিয়ে আসলাম - প্রথম প্যারাগ্রাফে ইবনে সিনার প্রতিটি ধারণা নির্ভেজাল &quot;কুফর&quot;। শুধু ইবন সিনাহ নন - খলিফা হারুনুর রশীদ ও তার ছেলে খলিফা আল-মামুন, গ্রেকো-রোমান pagan philosophy সহ পৃথিবীর তাবত &quot;মানব রচিত ও ভাবনা উদ্ভূত&quot; দর্শনের জন্য Islamdom এর দরজা যখন খুলে দেন, তখনই ইসলামে ভেজাল ঢুকতে শুরু করে - এবং তার মত আরো অনেক &quot;ফালসুফা&quot; সম্পন্ন লোকদের জন্ম হয়। আজও সেই অভিশাপ থেকে আমরা মুক্ত হতে পারি নি। আমাদের বুঝতে হবে যে, &lt;strong&gt;কেউ&lt;/strong&gt; &quot;by being a Muslim&quot; or &quot;by having a Muslim name&quot; &lt;strong&gt; ইসলামকে &quot;ধন্য&quot; করার যোগ্যতা রাখেন না&lt;/strong&gt; - ইবনে সিনা না, ইমাম গাজ্জালি না, আব্দুস সালাম (পদার্থ বিদ্যায় নোবেল বিজয়ী ক্বাদীয়ানী) না - বরং যিনি সত্যি সত্যি আল্লাহর ইচ্ছার কাছে নিজেকে সমর্পণ করবেন, তিনিই ধন্য হয়ে যাবেন। দুর্ভাগ্যবশত পশ্চিমে থাকা এবং পশ্চিমা প্রভুদেরকে শ্রেয় মনে করে হীনমন্যতায় ভোগা কিছু মুসলিম apologetic ও modernist - ওদের কাছে ইসলামের মাহাত্ম্যকে তুলে ধরতে, ইবন সিনার মত এসব মুসলিম নামধারী deviant-দেরকে ফলাও করে প্রকাশ ও প্রচার করেন। Maryam Jameelahর মত ২/৪ জন ব্যতিক্রম ছাড়া, খুব কম সমকালীন মুসলিম চিন্তাবিদকেই এই দীনতা অতিক্রম করতে দেখা যায়। ইসলামের ব্যাপারে &quot;নস&quot; বা text হচ্ছে authority-র উৎস। অহীভিত্তিক text-এর বিপরীতে গিয়ে ইব সিনা, ফারাবী, ইকবাল, রুমী, রুশো, ভল্টেয়ার, মিশেল ফুকো বা বদলেয়ার - কে কি বললেন তাতে কিছুই আসে যায় না।     

Revealed truth হচ্ছে absolute truth - পক্ষান্তরে acquired knowledge হচ্ছে conditional এবং অনেক ক্ষেত্রেই কেবলই conjecture - আর সেজন্যই আল্লাহ বা তাঁর রাসূল(সা.) কোন ব্যাপারে যা কিছু বলেছেন, সেটাই চূড়ান্ত - নিজের-পিঠটাও-ঠিকমত-চুলকাতে-না-পারা অসহায় ও নশ্বর মানুষের তার উপর মতামত প্রকাশের মত ধৃষ্টতা দেখানো একেবারেই অসহনীয় একটা অন্যায়!</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@fuad, </p>
<p><strong></p>
<blockquote><p>তার বিরুদ্ধে কাফের ফতোয়া দেয়া হয় নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে। প্রথমত: ইবনে সিনা তার দর্শনে বিশ্বকে চিরজীবী দাবী করেন যার কোন শুরু নেই। যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করেন আল্লাহ শূন্য থেকে এই পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন। দ্বিতীয়ত: তিনি বলেন, আল্লাহ সৃষ্টি এবং ধ্বংস সম্পর্কে সাধারন ভাবে জানেন, কিন্তু পুংখানুপুঙ্খ ভাবে নয়। যেখানে মুসলিমরা বিশ্বাস করে থাকেন, আল্লাহ আক্ষরিক অর্থেই প্রতিটি বিষয় অবগত। তৃতীয়ত, তিনি শারীরীক পুনরুথ্থান নয়, বরং আত্মিক পুনরুথ্থানের উপর জোড় দেন। মূলত এই তিনটি কারনে ইমাম গাজালী ইবনে সিনাকে কাফের সাব্যস্ত করা বাধ্যতামূলক বলে দাবী করেন।</p>
<p>এখন দেখা যাক, এই আপাত বিতর্কিত্ ইস্যু গুলো নিয়ে ইবনে সিনা আসলে কি বলেছিলেন।</p>
<p>ইবনে সিনা এটা বিশ্বাস করতেন যে, এই বিশ্ব চিরজীবী বা আদি অন্ত বিহীন। তবে এটাও বিশ্বাস করতেন যে, বিশ্ব একটি সৃষ্ট বস্তু। তিনি ব্যাখা দেন, সৃষ্ট হবার অর্থ এই নয় যে সময়ের প্রেক্ষিতে তার কোন শুরু আছে। তিনি আরো বলেন, বিশ্বের অস্তিত্বের পেছনে কার্যকরন ও প্রয়োজন বিদ্যমান। আল্লাহ এই বিশ্বকে হতে দিয়েছেন, যার শুরু থাকতেও পারে কিংবা নাও থাকতে পারে। তবে শেষ নেই। ইমাম গাজালী চ্যালেন্জ্ঞ দিয়ে বলেন, আল্লাহ যদি একমাত্র স্বাধীন অমূখাপেক্ষী সত্ত্বা হন তবে বিশ্বকে তার পরেই সৃষ্ট হতে হবে, তা অস্তিত্ব ও সময় &#8211; দুটোরই মানদন্ডে। সুতরাং তা অনাদি অনন্ত হতে পারে না। এই দর্শনকে কুফরী বলে আখ্যায়িত করেছেন ইমাম গাজালী। </p></blockquote>
<p></strong></p>
<p>উপরের উদ্ধৃতিটুকু আপনার দেয়া &#8220;সামুর&#8221; লিংক থেকে নিয়ে আসলাম &#8211; প্রথম প্যারাগ্রাফে ইবনে সিনার প্রতিটি ধারণা নির্ভেজাল &#8220;কুফর&#8221;। শুধু ইবন সিনাহ নন &#8211; খলিফা হারুনুর রশীদ ও তার ছেলে খলিফা আল-মামুন, গ্রেকো-রোমান pagan philosophy সহ পৃথিবীর তাবত &#8220;মানব রচিত ও ভাবনা উদ্ভূত&#8221; দর্শনের জন্য Islamdom এর দরজা যখন খুলে দেন, তখনই ইসলামে ভেজাল ঢুকতে শুরু করে &#8211; এবং তার মত আরো অনেক &#8220;ফালসুফা&#8221; সম্পন্ন লোকদের জন্ম হয়। আজও সেই অভিশাপ থেকে আমরা মুক্ত হতে পারি নি। আমাদের বুঝতে হবে যে, <strong>কেউ</strong> &#8220;by being a Muslim&#8221; or &#8220;by having a Muslim name&#8221; <strong> ইসলামকে &#8220;ধন্য&#8221; করার যোগ্যতা রাখেন না</strong> &#8211; ইবনে সিনা না, ইমাম গাজ্জালি না, আব্দুস সালাম (পদার্থ বিদ্যায় নোবেল বিজয়ী ক্বাদীয়ানী) না &#8211; বরং যিনি সত্যি সত্যি আল্লাহর ইচ্ছার কাছে নিজেকে সমর্পণ করবেন, তিনিই ধন্য হয়ে যাবেন। দুর্ভাগ্যবশত পশ্চিমে থাকা এবং পশ্চিমা প্রভুদেরকে শ্রেয় মনে করে হীনমন্যতায় ভোগা কিছু মুসলিম apologetic ও modernist &#8211; ওদের কাছে ইসলামের মাহাত্ম্যকে তুলে ধরতে, ইবন সিনার মত এসব মুসলিম নামধারী deviant-দেরকে ফলাও করে প্রকাশ ও প্রচার করেন। Maryam Jameelahর মত ২/৪ জন ব্যতিক্রম ছাড়া, খুব কম সমকালীন মুসলিম চিন্তাবিদকেই এই দীনতা অতিক্রম করতে দেখা যায়। ইসলামের ব্যাপারে &#8220;নস&#8221; বা text হচ্ছে authority-র উৎস। অহীভিত্তিক text-এর বিপরীতে গিয়ে ইব সিনা, ফারাবী, ইকবাল, রুমী, রুশো, ভল্টেয়ার, মিশেল ফুকো বা বদলেয়ার &#8211; কে কি বললেন তাতে কিছুই আসে যায় না।     </p>
<p>Revealed truth হচ্ছে absolute truth &#8211; পক্ষান্তরে acquired knowledge হচ্ছে conditional এবং অনেক ক্ষেত্রেই কেবলই conjecture &#8211; আর সেজন্যই আল্লাহ বা তাঁর রাসূল(সা.) কোন ব্যাপারে যা কিছু বলেছেন, সেটাই চূড়ান্ত &#8211; নিজের-পিঠটাও-ঠিকমত-চুলকাতে-না-পারা অসহায় ও নশ্বর মানুষের তার উপর মতামত প্রকাশের মত ধৃষ্টতা দেখানো একেবারেই অসহনীয় একটা অন্যায়!</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: fuad</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2471</link>
		<dc:creator>fuad</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2471</guid>
		<description>@mariner,

http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28990335 এই লিখাটি একটু পড়েন দয়াকরে ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@mariner,</p>
<p><a href="http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28990335" rel="nofollow">http://www.somewhereinblog.net/blog/irinblog/28990335</a> এই লিখাটি একটু পড়েন দয়াকরে ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: mariner</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2470</link>
		<dc:creator>mariner</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2470</guid>
		<description>@fuad, আল্লাহর অশেষ রহমত যে, কমবয়সে পড়শোনা কম থাকায় - আমি কোনদিন কারো ভক্ত হয়ে উঠিনি: না ইবন সিনার না আবু হামিদ আল গাজ্জালীর। পরে আল্লাহ যখন পড়াশোনার তৌফিক্ব দিয়েছেন, তখন দেখেছি মুসলিমদের জন্য কেবল একজন মানুষই infallible এবং তাঁকেই কেবল সকল অবস্থায় অনুসরণ করতে হবে (বুঝলেও অথবা না বুঝলেও) - তিনি হচ্ছেন রাসূল(সা.)। যে কোন যুগের বড় আলেমরা যখন কারো ব্যাপারে &quot;হুজ্জত&quot; বা evidence কায়েম করবেন যে, সে &quot;কাফির&quot;, তখন আমরা সেটা গ্রহণ করবো - যেমন আমাদের সময়ে আমিনাহ্ ওয়াদুদের বেলায় ঘটেছে - অথবা কেউ যদি নিজেই নিজের অবিশ্বাসের ঘোষণা দেয় - যেমন হুমায়ূন আযাদ বা তসলিমা নাসরিন প্রমুখ। এছাড়া আমরা সাধারণ মানুষরা কাউকে &quot;কাফির&quot; বলবো না। কেউ &quot;কুফর&quot;-এর কাজ করছে বলা একটা ব্যাপার, আর তাকে &quot;কাফির&quot; বলা ভিন্ন একটা ব্যাপার।

ইবন সিনার মারাত্মক আক্বীদাহর ত্রুটি ছিল - তিনি physical resurrection-এ বিশ্বাস করতেন না। জন্মগতভাবে তিনি শিয়া ছিলেন। তাছাড়া তিনি মনে করতেন যে, সাধরণের জন্য &quot;দ্বীনের&quot; বিধি-বিধান বা বক্তব্য এক রকম (যেমন ধরুন জাহান্নামের শাস্তি, জান্নাতের পুরস্কার - এসব কেবলই সাধারণ মানুষকে প্রলোভন বা ভয় দেখানোর জন্য বলা হয়েছে) আর &quot;খাস&quot; মানুষের বেলায় সেসব অন্যরকম।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@fuad, আল্লাহর অশেষ রহমত যে, কমবয়সে পড়শোনা কম থাকায় &#8211; আমি কোনদিন কারো ভক্ত হয়ে উঠিনি: না ইবন সিনার না আবু হামিদ আল গাজ্জালীর। পরে আল্লাহ যখন পড়াশোনার তৌফিক্ব দিয়েছেন, তখন দেখেছি মুসলিমদের জন্য কেবল একজন মানুষই infallible এবং তাঁকেই কেবল সকল অবস্থায় অনুসরণ করতে হবে (বুঝলেও অথবা না বুঝলেও) &#8211; তিনি হচ্ছেন রাসূল(সা.)। যে কোন যুগের বড় আলেমরা যখন কারো ব্যাপারে &#8220;হুজ্জত&#8221; বা evidence কায়েম করবেন যে, সে &#8220;কাফির&#8221;, তখন আমরা সেটা গ্রহণ করবো &#8211; যেমন আমাদের সময়ে আমিনাহ্ ওয়াদুদের বেলায় ঘটেছে &#8211; অথবা কেউ যদি নিজেই নিজের অবিশ্বাসের ঘোষণা দেয় &#8211; যেমন হুমায়ূন আযাদ বা তসলিমা নাসরিন প্রমুখ। এছাড়া আমরা সাধারণ মানুষরা কাউকে &#8220;কাফির&#8221; বলবো না। কেউ &#8220;কুফর&#8221;-এর কাজ করছে বলা একটা ব্যাপার, আর তাকে &#8220;কাফির&#8221; বলা ভিন্ন একটা ব্যাপার।</p>
<p>ইবন সিনার মারাত্মক আক্বীদাহর ত্রুটি ছিল &#8211; তিনি physical resurrection-এ বিশ্বাস করতেন না। জন্মগতভাবে তিনি শিয়া ছিলেন। তাছাড়া তিনি মনে করতেন যে, সাধরণের জন্য &#8220;দ্বীনের&#8221; বিধি-বিধান বা বক্তব্য এক রকম (যেমন ধরুন জাহান্নামের শাস্তি, জান্নাতের পুরস্কার &#8211; এসব কেবলই সাধারণ মানুষকে প্রলোভন বা ভয় দেখানোর জন্য বলা হয়েছে) আর &#8220;খাস&#8221; মানুষের বেলায় সেসব অন্যরকম।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: fuad</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2427</link>
		<dc:creator>fuad</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2427</guid>
		<description>@mariner,

আল্লাহ পাক আমাদের ক্ষমা করুন ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@mariner,</p>
<p>আল্লাহ পাক আমাদের ক্ষমা করুন ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: fuad</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2426</link>
		<dc:creator>fuad</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2426</guid>
		<description>@mariner,

বুঝলাম, ইবনে সিনার ব্যপারটা । সে কিন্তু মৃত্যুর তিন দিন আগ থেকে আল কোরান পাঠ ও শুনে কেটে ছিল । তাকে আপনি এখন কি বলবেন ? জীবনের কোন সময় হয়ত একটি মানুষ ভুল করতে পারে । পরে হয়ত শুদ্ধ হয়ে যেতে পারে যা বই পুস্তকে আসে নি । কেউ তওবা করতেও পারে । আমি তাওকালতুল ফালাসাফি(ইমাম গাজ্জালি রঃ) আর ইবনে তাইমিয়ার রঃ ফতোয়া সম্পর্কে জানি । কিন্তু সবাই সব বিষয়ে ১০০ % সঠিক নয়, মানুষ ভুল করতে পারে । ইমাম গাজ্জালি রঃ, আর ইবনে তাইমিয়া রঃ এর উর্দ্ধে নন ।

আমরা সুন্নিরা তো মাঝে মধ্যে এমন ভাবে বক্তব্য দেই, যেন ইমামা হোসাইন রঃ এর সব দোষ, আর ইয়াজিদ নিরাপরাদ। ইয়াজ়ীদের ব্যপারে প্রমান চাওয়া হয় যে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাফির ছিল, ইবনে সিনার ব্যপারে চাওয়া হয় না । আবার অন্যদিকে, হযরত নিজামউদ্দিন আল তুসী রঃ আর ইমাম গাজ্জালি রঃ কে সাব্বির হোসাইনের মত ব্যক্তিরা (গবেষনা করে) ক্রিমিনাল অব ইসলাম ও বলে । কেউ কেউ বলে এই দুই জন ব্যক্তির জন্ম না হইলে আরবরা নিউটন, গ্যালালিও এর জাতি হইত । 

আমাকে ভুল বোঝবেন না, যা সত্য আমি তা তুলে ধরেছি। আমি ইমাম গাজ্জালি রঃ এর ভক্ত ছোট বেলা থেকেই । সাব্বির হোসেন
হোসাইন দের বক্তব্য আমি পড়েও দেখি নাই ।

আপনার মন্তব্য শুনতে চাই । অপেক্ষায় রইলাম ।
ইবনে সিনার বক্তব্য 
The blasphemy of somebody like me is not easy and exorbitant,
&lt;strong&gt;There isn&#039;t any stronger faith than my faith,&lt;/strong&gt;
&lt;strong&gt;If there is just one person like me in the world and that one is impious,
So there are no Muslims in the whole world.&lt;/strong&gt;
:( :( :(</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@mariner,</p>
<p>বুঝলাম, ইবনে সিনার ব্যপারটা । সে কিন্তু মৃত্যুর তিন দিন আগ থেকে আল কোরান পাঠ ও শুনে কেটে ছিল । তাকে আপনি এখন কি বলবেন ? জীবনের কোন সময় হয়ত একটি মানুষ ভুল করতে পারে । পরে হয়ত শুদ্ধ হয়ে যেতে পারে যা বই পুস্তকে আসে নি । কেউ তওবা করতেও পারে । আমি তাওকালতুল ফালাসাফি(ইমাম গাজ্জালি রঃ) আর ইবনে তাইমিয়ার রঃ ফতোয়া সম্পর্কে জানি । কিন্তু সবাই সব বিষয়ে ১০০ % সঠিক নয়, মানুষ ভুল করতে পারে । ইমাম গাজ্জালি রঃ, আর ইবনে তাইমিয়া রঃ এর উর্দ্ধে নন ।</p>
<p>আমরা সুন্নিরা তো মাঝে মধ্যে এমন ভাবে বক্তব্য দেই, যেন ইমামা হোসাইন রঃ এর সব দোষ, আর ইয়াজিদ নিরাপরাদ। ইয়াজ়ীদের ব্যপারে প্রমান চাওয়া হয় যে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাফির ছিল, ইবনে সিনার ব্যপারে চাওয়া হয় না । আবার অন্যদিকে, হযরত নিজামউদ্দিন আল তুসী রঃ আর ইমাম গাজ্জালি রঃ কে সাব্বির হোসাইনের মত ব্যক্তিরা (গবেষনা করে) ক্রিমিনাল অব ইসলাম ও বলে । কেউ কেউ বলে এই দুই জন ব্যক্তির জন্ম না হইলে আরবরা নিউটন, গ্যালালিও এর জাতি হইত । </p>
<p>আমাকে ভুল বোঝবেন না, যা সত্য আমি তা তুলে ধরেছি। আমি ইমাম গাজ্জালি রঃ এর ভক্ত ছোট বেলা থেকেই । সাব্বির হোসেন<br />
হোসাইন দের বক্তব্য আমি পড়েও দেখি নাই ।</p>
<p>আপনার মন্তব্য শুনতে চাই । অপেক্ষায় রইলাম ।<br />
ইবনে সিনার বক্তব্য<br />
The blasphemy of somebody like me is not easy and exorbitant,<br />
<strong>There isn&#8217;t any stronger faith than my faith,</strong><br />
<strong>If there is just one person like me in the world and that one is impious,<br />
So there are no Muslims in the whole world.</strong> <img src='http://www.peaceinislam.com/wp-content/plugins/smilies-themer/Yahoo/2.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> <img src='http://www.peaceinislam.com/wp-includes/images/smilies/2.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> <img src='http://www.peaceinislam.com/wp-content/plugins/smilies-themer/Yahoo/2.gif' alt=':(' class='wp-smiley' /> </p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: mariner</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2387</link>
		<dc:creator>mariner</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2387</guid>
		<description>@fuad, না ঠিক আছে। তবে আপনার উপরোক্ত মতামতের আলোকে, আপনাকে আরো ২ টা ব্যাপার জানানো আবশ্যক মনে করছি - ক) ইবনে সিনাকে অনেক বড় বড় আলেম &quot;তাকফির&quot; করেছেন যাদের অন্যতম হচ্ছেন ইমাম গাজ্জালী। খ) ঈমান বিনষ্টকারী বিষয়গুলোর ১ টি হচ্ছে &quot;কাফির&quot;কে কাফির মনে না করা!!</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@fuad, না ঠিক আছে। তবে আপনার উপরোক্ত মতামতের আলোকে, আপনাকে আরো ২ টা ব্যাপার জানানো আবশ্যক মনে করছি &#8211; ক) ইবনে সিনাকে অনেক বড় বড় আলেম &#8220;তাকফির&#8221; করেছেন যাদের অন্যতম হচ্ছেন ইমাম গাজ্জালী। খ) ঈমান বিনষ্টকারী বিষয়গুলোর ১ টি হচ্ছে &#8220;কাফির&#8221;কে কাফির মনে না করা!!</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: fuad</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2383</link>
		<dc:creator>fuad</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2383</guid>
		<description>@হাফিজ, 
এক জন আরেক জনকে কাফির বললে কি হতে পারে তা বুঝানোর জন্য দিয়েছিলাম</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@হাফিজ,<br />
এক জন আরেক জনকে কাফির বললে কি হতে পারে তা বুঝানোর জন্য দিয়েছিলাম</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: fuad</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2382</link>
		<dc:creator>fuad</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2382</guid>
		<description>@mariner,
আমি দুখিত ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@mariner,<br />
আমি দুখিত ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: mariner</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2377</link>
		<dc:creator>mariner</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2377</guid>
		<description>@fuad, আমি কাউকে &#039;কাফির&quot; বলিনি - বলার প্রশ্নই ওঠে না। যারা সুন্নাহ মানে না তাদের সম্বন্ধে বিধান কি, তা আমি একটা scholarly বই থেকে হুবহু তুলে দিয়েছি - একটি লাইনও আমার নিজের নয়। আপনাকে আমি &quot;সামু&quot; থেকে চিনি। এখানে আপনার লেখাটা surprisingly বেশ অসংলগ্ন ও অপ্রাসঙ্গিক মনে হলো। 

&quot;তাকফির&quot; [অর্থাৎ কাউকে &quot;কাফির&quot; সাব্যস্ত করা] খুব সিরিয়াস একটা ব্যাপার। ইমাম মালিকের একটা &quot;আসার&quot; আছে, যার সারমর্ম হচ্ছে এরকম যে, ১০০ টা দিক বিবেচনা করে যদি দেখা যায় যে, ৯৯টা বিষয়ে কেউ &quot;কুফরির&quot; উপর রয়েছে - কিন্তু ১টা বিষয়ে তাকে ঈমানদার মনে হয়, তবে তিনি (ইমাম মালিক) ঐ ব্যক্তিকে &quot;মুসলিম&quot;-ই মনে করবেন। কারণ ঐ একটা বিষয়ের জন্য যদি আল্লাহ তাকে মুসলিম হিসেবে কবুল কের নেন, তাহলে তাকে &quot;কাফির&quot; &quot;ব্র্যান্ড&quot; করার জন্য, ব্যাপারটা (তাকফির) হয়তো তার (ইমাম মালিকের) উপরই উল্টা applicable হবে [এই সংক্রান্ত রাসূল(সা.)-এর প্রসিদ্ধ হাদীস অনুযায়ী]। ভবিষ্যতে ইনশা&#039;আল্লাহ্ &quot;তাকফির&quot; সংক্রান্ত একটা পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করবো।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@fuad, আমি কাউকে &#8216;কাফির&#8221; বলিনি &#8211; বলার প্রশ্নই ওঠে না। যারা সুন্নাহ মানে না তাদের সম্বন্ধে বিধান কি, তা আমি একটা scholarly বই থেকে হুবহু তুলে দিয়েছি &#8211; একটি লাইনও আমার নিজের নয়। আপনাকে আমি &#8220;সামু&#8221; থেকে চিনি। এখানে আপনার লেখাটা surprisingly বেশ অসংলগ্ন ও অপ্রাসঙ্গিক মনে হলো। </p>
<p>&#8220;তাকফির&#8221; [অর্থাৎ কাউকে "কাফির" সাব্যস্ত করা] খুব সিরিয়াস একটা ব্যাপার। ইমাম মালিকের একটা &#8220;আসার&#8221; আছে, যার সারমর্ম হচ্ছে এরকম যে, ১০০ টা দিক বিবেচনা করে যদি দেখা যায় যে, ৯৯টা বিষয়ে কেউ &#8220;কুফরির&#8221; উপর রয়েছে &#8211; কিন্তু ১টা বিষয়ে তাকে ঈমানদার মনে হয়, তবে তিনি (ইমাম মালিক) ঐ ব্যক্তিকে &#8220;মুসলিম&#8221;-ই মনে করবেন। কারণ ঐ একটা বিষয়ের জন্য যদি আল্লাহ তাকে মুসলিম হিসেবে কবুল কের নেন, তাহলে তাকে &#8220;কাফির&#8221; &#8220;ব্র্যান্ড&#8221; করার জন্য, ব্যাপারটা (তাকফির) হয়তো তার (ইমাম মালিকের) উপরই উল্টা applicable হবে [এই সংক্রান্ত রাসূল(সা.)-এর প্রসিদ্ধ হাদীস অনুযায়ী]। ভবিষ্যতে ইনশা&#8217;আল্লাহ্ &#8220;তাকফির&#8221; সংক্রান্ত একটা পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করবো।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/2495/comment-page-1/#comment-2374</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=2495#comment-2374</guid>
		<description>@fuad,ভাই আমিও বুঝলাম না আপনার কথা । এই টপিকসের সাথে কি সম্পর্ক ?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@fuad,ভাই আমিও বুঝলাম না আপনার কথা । এই টপিকসের সাথে কি সম্পর্ক ?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
