<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: তবলীগ জামাতের আক্বীদাহ্ ও মানহাজ &#8211; ২</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: সাদাত</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-7249</link>
		<dc:creator>সাদাত</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-7249</guid>
		<description>@সাদাত,

once a person fell ill. He became so ill that he stopped all movement. So, the people shut his eyes and prepared him – took off his clothes, etc. so as to give him Ghusl. All of a sudden, he woke up and showed signs of movement. The people said, ‘Glory be to Allah, we thought you passed away!’ He said, ‘Yes I had passed away and I was taken to my grave at which I saw a handsome young man with a sweet smelling fragrance. He put me in my grave and covered me up with leaves. Therein, an ugly evil oudored woman appeared saying, ‘You did this and that and she counted a few things of which I was put to shame. I said, ‘I swear by Allah that you should leave me alone.’ She said, ‘Lets go, we will challenge you.’ We went to a wide spacious sweet smelling house at which there was an outdoor side bench made from silver. In one corner, stood a person performing Salaat. He was reciting Surah Nahl and he got stuck repeating the same verse over and over again. The woman then corrected the man. 
Thereafter, the man then lifted up a pillow nearby under which lay a piece of paper which he removed. He looked at it but before he could say anything, the ugly woman spoke out, ‘This man did this and that’. The young handsome man said, ‘But he did this and this and this…’ enumerating all the good. The man said, ‘This is a servant who has wronged himself but Allah Ta’ala has forgiven him. His time is not yet up. He will die on Monday. This person then explained to the people around him – look – if I die on Monday, then I hope to get what I’ve seen and if I don’t die on Monday then these were just imaginary thoughts. The man passed away on Monday after Asr. 
(Man aasha ba’adal mawt of Hafiz ibn Abid-Dunyaa pg.127)</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@সাদাত,</p>
<p>once a person fell ill. He became so ill that he stopped all movement. So, the people shut his eyes and prepared him – took off his clothes, etc. so as to give him Ghusl. All of a sudden, he woke up and showed signs of movement. The people said, ‘Glory be to Allah, we thought you passed away!’ He said, ‘Yes I had passed away and I was taken to my grave at which I saw a handsome young man with a sweet smelling fragrance. He put me in my grave and covered me up with leaves. Therein, an ugly evil oudored woman appeared saying, ‘You did this and that and she counted a few things of which I was put to shame. I said, ‘I swear by Allah that you should leave me alone.’ She said, ‘Lets go, we will challenge you.’ We went to a wide spacious sweet smelling house at which there was an outdoor side bench made from silver. In one corner, stood a person performing Salaat. He was reciting Surah Nahl and he got stuck repeating the same verse over and over again. The woman then corrected the man.<br />
Thereafter, the man then lifted up a pillow nearby under which lay a piece of paper which he removed. He looked at it but before he could say anything, the ugly woman spoke out, ‘This man did this and that’. The young handsome man said, ‘But he did this and this and this…’ enumerating all the good. The man said, ‘This is a servant who has wronged himself but Allah Ta’ala has forgiven him. His time is not yet up. He will die on Monday. This person then explained to the people around him – look – if I die on Monday, then I hope to get what I’ve seen and if I don’t die on Monday then these were just imaginary thoughts. The man passed away on Monday after Asr.<br />
(Man aasha ba’adal mawt of Hafiz ibn Abid-Dunyaa pg.127)</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: বাংলা মৌলভী</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-7246</link>
		<dc:creator>বাংলা মৌলভী</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-7246</guid>
		<description>@Biplobi,

&lt;strong&gt;&lt;blockquote&gt;এ ধরনের মিরাকল বিষয় কোরানে হযরত ওযাইরের ব্যাপারে, আসহাবে কাহফের ব্যাপারে, এবং এ জাতিয় ঘটনাবলী কেবল আশরাফ সাহেবই নয় বরং আরো অনেক দেওবন্দী ঘরণার বাইরে প্রসিদ্ধ এবং বিতর্কিত নয় এমন স্কলাররাও লিখেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন হাফেজ ( হাফেজুল হাদীস যা কিনা আলবানী (রহ:) চাইতে বেশী কস্টকর ১লক্ষের বেশী হাদিস সনদ সহ মুখস্ত করা) ইবনু আবিদ্দুনিয়া রহ, যিনি এ ” من عاش بعد الموت ” – মৃত্যুর পরেও যারা জীবিত হয়েছিলেন – নামের স্বতন্ত্র একটি কিতাব রচনা করেছেন।
জাওযী তার ” রুহের জগত” এ রুহের বিভিন্ন ব্যাখায় এ বিষয়টিকে সম্ভব বলে স্বীকার করেন। আরো দেখুন মুফতি আব্দুর রউফ (পাকিস্তান) এর ছয়টি গুনাহ ও তার ভয়াবহ শাস্তির পুনুরুজ্জীবন নিয়ে একটি (অলৌকিক! আজগুবী!) কাহীনি ও তার বাস্তবতা নিয়ে শরয়ী ও সাইন্টিফিক বিশ্লেষণ কবর আযাব ও মৃত্যুর পরে পুনুরুজ্জীবন (কেয়ামতের পূর্বের) নিয়ে একটি সংশয় ও নিরসন অধ্যায়।&lt;/blockquote&gt;
&lt;/strong&gt;
&lt;strong&gt;
ইবনু আবিদ্দুনিয়ার সতন্ত্র পুস্তিকা, মুফতি আব্দুর রউফের চাপ্টার বিশ্লেষণের পরেও আমাকে আজগুবী ভাবা কেমন তা আপনিই চিন্তা করুন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Biplobi,</p>
<p><strong><br />
<blockquote>এ ধরনের মিরাকল বিষয় কোরানে হযরত ওযাইরের ব্যাপারে, আসহাবে কাহফের ব্যাপারে, এবং এ জাতিয় ঘটনাবলী কেবল আশরাফ সাহেবই নয় বরং আরো অনেক দেওবন্দী ঘরণার বাইরে প্রসিদ্ধ এবং বিতর্কিত নয় এমন স্কলাররাও লিখেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন হাফেজ ( হাফেজুল হাদীস যা কিনা আলবানী (রহ:) চাইতে বেশী কস্টকর ১লক্ষের বেশী হাদিস সনদ সহ মুখস্ত করা) ইবনু আবিদ্দুনিয়া রহ, যিনি এ ” من عاش بعد الموت ” – মৃত্যুর পরেও যারা জীবিত হয়েছিলেন – নামের স্বতন্ত্র একটি কিতাব রচনা করেছেন।<br />
জাওযী তার ” রুহের জগত” এ রুহের বিভিন্ন ব্যাখায় এ বিষয়টিকে সম্ভব বলে স্বীকার করেন। আরো দেখুন মুফতি আব্দুর রউফ (পাকিস্তান) এর ছয়টি গুনাহ ও তার ভয়াবহ শাস্তির পুনুরুজ্জীবন নিয়ে একটি (অলৌকিক! আজগুবী!) কাহীনি ও তার বাস্তবতা নিয়ে শরয়ী ও সাইন্টিফিক বিশ্লেষণ কবর আযাব ও মৃত্যুর পরে পুনুরুজ্জীবন (কেয়ামতের পূর্বের) নিয়ে একটি সংশয় ও নিরসন অধ্যায়।</p></blockquote>
<p></strong><br />
<strong><br />
ইবনু আবিদ্দুনিয়ার সতন্ত্র পুস্তিকা, মুফতি আব্দুর রউফের চাপ্টার বিশ্লেষণের পরেও আমাকে আজগুবী ভাবা কেমন তা আপনিই চিন্তা করুন।</strong></p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-7237</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-7237</guid>
		<description>@Biplobi,  
&lt;strong&gt;
। অভূতপূর্ব ব্যাখ্যা – এই না হলে মৌলভী!

&lt;/strong&gt; 

কমেন্ট করার সময় আদব রক্ষা করে কমেন্ট করুন । কারো ভুল থাকলে সেটা শরীয়তের দলীল দিয়ে উত্তর দিন । তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে নয়।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Biplobi,<br />
<strong><br />
। অভূতপূর্ব ব্যাখ্যা – এই না হলে মৌলভী!</p>
<p></strong> </p>
<p>কমেন্ট করার সময় আদব রক্ষা করে কমেন্ট করুন । কারো ভুল থাকলে সেটা শরীয়তের দলীল দিয়ে উত্তর দিন । তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে নয়।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: সাদাত</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-7236</link>
		<dc:creator>সাদাত</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-7236</guid>
		<description>@Biplobi,

মৃত মানুষ জীবিত হবার ঘটনা প্রথম শুনলেন, এটা আপনার অজ্ঞতা।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Biplobi,</p>
<p>মৃত মানুষ জীবিত হবার ঘটনা প্রথম শুনলেন, এটা আপনার অজ্ঞতা।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Biplobi</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-7230</link>
		<dc:creator>Biplobi</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-7230</guid>
		<description>@বাংলা মৌলভী, 

&lt;blockquote&gt;&lt;strong&gt;ঘটনায় বিভ্রান্তির কি পেলেন আমি বুঝলাম না&lt;/strong&gt;, আহলে সুন্নাহ এ বিশ্বাষ পোষণ করে যে কিছু মানুষের কারামত হয়ে থাকে, ঘটনাটি দিয়ে আশরাফ (রহ:) সেই কারামতকে উল্লেখ করেছেন এর সত্য বা মিথ্যা আমরা কোনটাই বলতে যাবো না কারন ইহুদী -নাসারাদের বর্ননার ক্ষেত্রেও রসূল তাদেরকে মিথ্যা বলতে নিষেধ করেছেন।
&lt;strong&gt;এবার আসুন থানভী সাহেবকে আমরা একজন মুসলিম ষ্কলার বা সাধারণ মুসলিম ধরে নিয়েই যদি ঘটনাটিকে বিশ্বাস করি তাতেও আমাদের বিশ্বাষের পরিপন্থি &lt;/strong&gt;– খালেছ দ্বীনে হানিফের বিশ্বাসের পরিপন্থি আমি কিছু দেখি না এই অর্থে যে,
যে অবয়ব তাদের কাছে আসতো তা মানুষ না হয়ে জ্বীন ছিল, আর বদ ও খারাপ জ্বীন সবার পক্ষেই যে কোন আকৃতি ধারণ করা সম্ভব, এটা কোরানের একাধিক আয়াত এবং সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত। তাই এমন তো হতেই পারে যে আল্লাহ তার নাতীদের মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য কোন নেককার জ্বীনকে তাদের প্রপিতার রুপ ধারন করে তাদের নিকট পাঠিয়েছেন।&lt;/blockquote&gt;

আপনাকে মোবারকবাদ। অভূতপূর্ব ব্যাখ্যা - এই না হলে মৌলভী! &lt;strong&gt;মৃত মানুষ আবার জীবিত হয়ে আসা যে &quot;কারামাহ্&quot;&lt;/strong&gt; - তা এই প্রথম শুনলাম/জানলাম। আমি মনে করতাম পাক-ভারতে বা অন্যত্রও কেবল heathen-রাই পুনর্জন্মে বিশ্বাস করে!!</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@বাংলা মৌলভী, </p>
<blockquote><p><strong>ঘটনায় বিভ্রান্তির কি পেলেন আমি বুঝলাম না</strong>, আহলে সুন্নাহ এ বিশ্বাষ পোষণ করে যে কিছু মানুষের কারামত হয়ে থাকে, ঘটনাটি দিয়ে আশরাফ (রহ:) সেই কারামতকে উল্লেখ করেছেন এর সত্য বা মিথ্যা আমরা কোনটাই বলতে যাবো না কারন ইহুদী -নাসারাদের বর্ননার ক্ষেত্রেও রসূল তাদেরকে মিথ্যা বলতে নিষেধ করেছেন।<br />
<strong>এবার আসুন থানভী সাহেবকে আমরা একজন মুসলিম ষ্কলার বা সাধারণ মুসলিম ধরে নিয়েই যদি ঘটনাটিকে বিশ্বাস করি তাতেও আমাদের বিশ্বাষের পরিপন্থি </strong>– খালেছ দ্বীনে হানিফের বিশ্বাসের পরিপন্থি আমি কিছু দেখি না এই অর্থে যে,<br />
যে অবয়ব তাদের কাছে আসতো তা মানুষ না হয়ে জ্বীন ছিল, আর বদ ও খারাপ জ্বীন সবার পক্ষেই যে কোন আকৃতি ধারণ করা সম্ভব, এটা কোরানের একাধিক আয়াত এবং সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত। তাই এমন তো হতেই পারে যে আল্লাহ তার নাতীদের মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য কোন নেককার জ্বীনকে তাদের প্রপিতার রুপ ধারন করে তাদের নিকট পাঠিয়েছেন।</p></blockquote>
<p>আপনাকে মোবারকবাদ। অভূতপূর্ব ব্যাখ্যা &#8211; এই না হলে মৌলভী! <strong>মৃত মানুষ আবার জীবিত হয়ে আসা যে &#8220;কারামাহ্&#8221;</strong> &#8211; তা এই প্রথম শুনলাম/জানলাম। আমি মনে করতাম পাক-ভারতে বা অন্যত্রও কেবল heathen-রাই পুনর্জন্মে বিশ্বাস করে!!</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: হাফিজ</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-6967</link>
		<dc:creator>হাফিজ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-6967</guid>
		<description>@Anonymous,  সহমত , মদীনা ইউনিভার্সিটির শুধু &quot;হাদিস&quot; ডিপার্টমেন্টে আহলে হাদিসদের কিছু পাওয়া যায় , কিন্তু তফসীর এবং ফেকাহ ডিপার্টেমেন্টে আহলে হাদিস নেই বললেই চলে , সেটা কিন্তু এখানকার &quot;আহলে হাদিস&quot; গন বলেননা ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@Anonymous,  সহমত , মদীনা ইউনিভার্সিটির শুধু &#8220;হাদিস&#8221; ডিপার্টমেন্টে আহলে হাদিসদের কিছু পাওয়া যায় , কিন্তু তফসীর এবং ফেকাহ ডিপার্টেমেন্টে আহলে হাদিস নেই বললেই চলে , সেটা কিন্তু এখানকার &#8220;আহলে হাদিস&#8221; গন বলেননা ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-6965</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-6965</guid>
		<description>@মনপবন,আপনারা কি দয়া করে আপনাদের মিথ্যাচার একটু বন্ধ করবেন? আপনারা যেসব আকিদা ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ও গুলো ভুল নয় বরং মিথ্যাচার তার জবাব অনেক আগেই দেয়া হয়েছে। এমন কি মাদীনা ইউনিভারসিটি থেকেই অনেক আলীম দিয়েছেন। আপনারা কখনই তা উল্লেক করেন না। আপনাদের লখা পড়লে মনে হয় মাদীনা ইউনিভারসিটি বুঝি তথা থিত আহলে হাদিস দের আড্ডা। আসলে মোটেই তা নয়। ওখানে অনেক হানাফী আলীম, শাফেয়ী আলীম অন্যান্য মাযহাবী আলীম এবং অনেক সহনশীল ও উদার লা-মাযহাবী আলীমও আছেন। তারা অনেক সময়েই গোড়া ও কট্টর লা-মাযহাবীদের বিভিন্ন অভিযোগের উত্তর দিয়েছেন। এ সম্পর্কে প্রচুর আর্টিকেল পাওয়া যায়। অবেক কিতাবও আছে। আলহা&#039;মদুলিল্লাহ কছু কিতাব বাংলায় তরজমাওর হয়েছে। মাওলানা আব্দুল মালেক দামাতবারাকাতুহুম কিছু আর্টিকেল উনার মুখপত্র আলকাওসারে লিখছেন। খন আলহা&#039;মদুলিল্লাহ &lt;a href=&quot;http://alkawsar.com&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;আল কাওসার অনলাইনেও এসেছে। &lt;/a&gt; কিন্তু আপনারা কখনই মাদীনা ইউনিভারসিটি এর অন্যান্য আলীমদের লেখাগুলো প্রচার করেন না। কারণটা বলবেন এটু প্লিজ? আপনারা ইসলামের নামে আসলে কি চান একটু পরিষ্কার করলে ভালো হয়।

বি দ্রঃ এখানে আপনারা বলতে আমি সরাসরি আপনাকে বুঝাই নি। বরং াদের বঝিয়েছি যারা পানি ঘোলা করে সার্থ উদধার করতে চায়</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@মনপবন,আপনারা কি দয়া করে আপনাদের মিথ্যাচার একটু বন্ধ করবেন? আপনারা যেসব আকিদা ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ও গুলো ভুল নয় বরং মিথ্যাচার তার জবাব অনেক আগেই দেয়া হয়েছে। এমন কি মাদীনা ইউনিভারসিটি থেকেই অনেক আলীম দিয়েছেন। আপনারা কখনই তা উল্লেক করেন না। আপনাদের লখা পড়লে মনে হয় মাদীনা ইউনিভারসিটি বুঝি তথা থিত আহলে হাদিস দের আড্ডা। আসলে মোটেই তা নয়। ওখানে অনেক হানাফী আলীম, শাফেয়ী আলীম অন্যান্য মাযহাবী আলীম এবং অনেক সহনশীল ও উদার লা-মাযহাবী আলীমও আছেন। তারা অনেক সময়েই গোড়া ও কট্টর লা-মাযহাবীদের বিভিন্ন অভিযোগের উত্তর দিয়েছেন। এ সম্পর্কে প্রচুর আর্টিকেল পাওয়া যায়। অবেক কিতাবও আছে। আলহা&#8217;মদুলিল্লাহ কছু কিতাব বাংলায় তরজমাওর হয়েছে। মাওলানা আব্দুল মালেক দামাতবারাকাতুহুম কিছু আর্টিকেল উনার মুখপত্র আলকাওসারে লিখছেন। খন আলহা&#8217;মদুলিল্লাহ <a href="http://alkawsar.com" rel="nofollow">আল কাওসার অনলাইনেও এসেছে। </a> কিন্তু আপনারা কখনই মাদীনা ইউনিভারসিটি এর অন্যান্য আলীমদের লেখাগুলো প্রচার করেন না। কারণটা বলবেন এটু প্লিজ? আপনারা ইসলামের নামে আসলে কি চান একটু পরিষ্কার করলে ভালো হয়।</p>
<p>বি দ্রঃ এখানে আপনারা বলতে আমি সরাসরি আপনাকে বুঝাই নি। বরং াদের বঝিয়েছি যারা পানি ঘোলা করে সার্থ উদধার করতে চায়</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-6964</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-6964</guid>
		<description>@মনপবন, আমি ম্যান… এবং মেরিনার এর সব কয়টি পোস্ট দেখলাম। দখলাম বললে ভুল হবে হেিডং এবং এক নজর চোখ বুলিয়েছি প্রথম কয়েক লাইনের উপর। উনাদের লেখাগুলোতো ভাল ছিল বলেই মনে হল। হঠাৎ করে উনারা আমাদের সলফে সালেহীন দের উপর খেপে গেলেন কেন বুঝা গেল না। আমি যদিধারণা করি যে উনারাঐ সকল ভালো মানষির দ্বারা ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেিলং এর ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছেন তাহলে কি ভুল হবে? ঃ-/</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@মনপবন, আমি ম্যান… এবং মেরিনার এর সব কয়টি পোস্ট দেখলাম। দখলাম বললে ভুল হবে হেিডং এবং এক নজর চোখ বুলিয়েছি প্রথম কয়েক লাইনের উপর। উনাদের লেখাগুলোতো ভাল ছিল বলেই মনে হল। হঠাৎ করে উনারা আমাদের সলফে সালেহীন দের উপর খেপে গেলেন কেন বুঝা গেল না। আমি যদিধারণা করি যে উনারাঐ সকল ভালো মানষির দ্বারা ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেিলং এর ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছেন তাহলে কি ভুল হবে? ঃ-/</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: Anonymous</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-6955</link>
		<dc:creator>Anonymous</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-6955</guid>
		<description>
  &quot;@হাসান  আল বান্না,সরি ভাই। আসলে খুব ব্যস্ত কয়েক দিন ধরে। দেশের যা অবস্থা। ৯টার অফিস ধরতে পৌনে আটটায় রওয়ানা করতে হয়। সেকষেত্রে রেডী হতে হয় ৭টা থেকে। ওদিকে ৫টার অফিস ছুটি হতে হতে ৬টা সাড়ে ৬টা বেজে যায়। সাড়ে ৬টায় রওয়ানা হয়ে একদিনও সাড়ে আটটার আগে পোঁছতে পারি না। নামায পড়ে আসতে আসতে সোয়া নয়টা বেজে যায়। সময় পাচ্ছি না। তাই কুইক একটা রিপ্লাই দিয়েছিলাম।
   আসলে উনাদের লেখার মধ্যে কুরআন হাদিস এবং গ্রহণযোগ্য যুক্তি কমই থাকে। থাকে কিছু নাটকীয়তা। কিছু ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেইলিং। ঊনার রিপ্লাই রেডী করতে ছিলাম এর মধ্যে একজন তাবলীগ জামাতের বিরূদ্ধে এক বানোয়াট ফতওয়া হাজির করল। আর যুক্তিটা কি সুন্দর! এমন একজন গ্রান্ড মুফতি নাকি না জেনে ফতওয়া দেননা। হতে পারে উনি না জেনে ফতওয়া দেননি। কিন্তু উনাদের মূল মাকসাদ ছিল তাকলীদে শাখসী এর বিরূদ্ধে। উনি একজন গ্রান্ড মুফতি তাই উনার ফতওয়া গ্রহণযোগ্য বু এই যুক্তিতো পরিষ্কার তাকলীদে শাখসী। উনি যদি সত্যিকার আহলে হাদিস হয়ে থাকেন তাহলে তো উনি কুরআন হাদিস থেকে বলবেন। কোন কোন গ্রান্ড মুফতি থেকে নয়। উনার ঐ কথার রিপ্লাই দেয়ার জন্যই বসেছিলাম কিন্তু ঐ লেখাটি আর পেলাম না।
   দেখুন উনি শুরুটাই করেছেন নাটকীয় ভাবে। হেডিং তাবলীগ জামাতের মানহাজ অথচ পুরো পোস্টিং জুড়ে কেবল মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এর ব্যাপারে কিছু মিথ্যাচার। খুব নাটকীয় ভাবে উনি উল্ল্যেখ করেছেন উনার দ্বীনের লাইনে পথ চলা শুরু তাবলীগ জামাতের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে পাঠকদের মনজয়ের এক চেষ্টা। এটা একটা কমন টেকনিক। সবাইই এমনই বলে থাকে। বলে যে, আমি তবলীগ জামাত খুব কছ থেকে দেখেছি। এরা এই, এরা সেই। ইত্যদি ইত্যদি। সমস্ত বাতিল যেমন একজোট হয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লেগেছে তেমনি ইসলামের নামে যত ফেরকা আছে সবার বন্দুকের নলও তাবলীগ জামাতের দিকে। সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#039;নহুম দের এই মেহনত তো দুই একটা লেকচার বা বয়ান বা দুই একটা জোড় থেকে শেখার জিনিস না। পুরা জীবন দিয়েও এর ছিটাফোটাও যদি শেখা যায় তাহলেই তো ধন্য হয়ে যাবার কথা। 
  এরপর উনি শুরু করলেন মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এর ব্যাপারে কিছু মিথ্যাচার। উনি কিছু বই থেকে কিছু উদ্ধৃতি তুলে ধরছেন। আমি জানিনা ঐগুলো আদৌ মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এর কোন কিতাব কিনা। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এর তুলনায় মাদানী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি কে বেশি পছন্দ করি। আফসোস এই সকল অতি উৎসাহী অবিবেচকের দল মাদানী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এর সংগ্রামী জীবনের ফসল সম্পর্কেও প্রশ্ন তুলেছে। বলেছে তাঁর জীবন নাকি ছিল বন্দে মাতরম প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম। আল্লহ তায়া&#039;লা হিদায়াত দান করেন এদের। পরে উনার সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে কিছু লেখার আশা রাখি। আমি মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এর কিতাব কমই পড়েছি। তাই আমি নিশ্চিত নই এই বইগুলো আদৌ উনার লেখা কোন কিতাব কিনা। যদি হয়ে থাকেও তাহলেও বুঝার উপায় নেই এই অনুচ্ছেদ গুলো দ্বারা আদৌ উহাই বুঝাতে চেয়েছেন কিনা যেভাবে পোস্টিংএর লেখক ব্যাখ্যা করেছেন। দেখুন এইভাবে দুই একটি অনুচ্ছেদের অংশ দেখে পুরো লেখার ভাব বুঝার উপায় নেই। উনি বলেছেন এগুলো নাকি সেলফ এক্সপ্লানেটরী। আমার মনে আছে কয়েক বছর আগে আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, &lt;em&gt;যদি বিরোধিদলীয় নেত্রী আশ্বাস দেন যে উনি আর হরতাল করবেন না তাহলে আমরাও ঘোষণা দিলাম আমরা বিরোধীদলে গেলেও আর হরতাল করব না।&lt;/em&gt; কপাল খারাপ। কিছু দিনের মধ্যে বিরোধী নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হলেন। প্রধানমন্ত্রী বিরোধী নেত্রী হলেন। কোন কারণে বিরোধী নেত্রী হরতাল দিলেন। প্রধানমন্ত্রী সুযোগ বুঝে বিরোধী নেত্রীর আগের কথা কাটছাট করে প্রচার করলেন &lt;em&gt;ঘোষণা দিলাম আমরা বিরোধীদলে গেলেও আর হরতাল করব না।&lt;/em&gt; হ্যাঁ কথাটা সেলফ এক্সপ্লানেটরী বটে কিন্তু কথাটা সত্য কি? তাই এই ভাবে দুএকটি অনুচ্ছেদ পড়ে কারও জীবন ও আকীদা সম্পর্কে কোন উপসংহার টানা হয়েছে। দেখুন কত বড় মুর্খতা। পুরো ভাব জানতে হলে পুরো বইটাই পড়তে হবে। এরপর যদি বুঝা না যায় সেক্ষেত্রে তাঁর অন্যান্য বইগুলোও পড়তে হবে। দেখুন মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি উনার পুরা জীবনে এক হাজারের কাছাকাছি বই লিখেছেন। কোন এক বইয়ের আধা প্যারা পড়েই উনি সর্বেশ্বরবাদের ফতওয়া দিয়ে দিলেন। মুর্খতার একটা সীমা থাকা দরকার। আমি নিশ্চিত লেখক নিজেও উনার ঐ বইটা পুরাপুরি পড়েননি। কোথাও থেকে পেয়েছেন আর চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। একটা কথা উনারা (স্বঘোষিত আহলে হাদিস, প্রকৃত পক্ষে আহলে নফস) প্রায়ই উনার বক্তব্যকে চালিয়ে দেয়ার জন্য বলে থাকেন যে, কোন মানুষই ভুলের উর্ধে নয়। হ্যাঁ কথা আমি মানি, নবী বাদে কেউই ভুলের উর্ধে নয়। কিন্তু মানুষ ভুল করে এবং ভুলের সংশোধনও করে। পক্ষান্তরে শয়তান ভুল করে কিন্তু ভুলের সংশোধন করে না। মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি ও ভুলের উর্ধে নন। তিনি ভুল করেছেন কিন্তু উনার জীবদ্দশায়ই ভুলের সংশধোনও করচছেন। এমন ঘটনা উনার জীবনে বেশ কয়েকবারই ঘটেছে। এমনকি জীবনের শেষ সময়ে রাজনৈতিক দুরদর্শিতার ব্যাপারে উনি কিছু ভুল ধারণা করেছিলেন। উনি জীবদ্দশায় এর সংশোধন করার সু্যোগ পাননি। কিন্তু উনার শিষ্যরা ঠিকই স্বীকার করেছেন ওটা ভুল ছিল। (ভারত বিভাগ প্রসঙ্গ) আসলে ভুল স্বীকার করলে সম্মান কমে না বরং বাড়ে এই সব মহান ব্যক্তিত্ব এটা ভাল করেই জানতেন। ভুল স্বীকার করার ঘটনা শুধু উনার নয় বহু আলেমদের জীবনেই আছে। এমনকি বর্তমান উলামাকেরামদের মধ্যেও এই সিফাতটা বিদ্যমান। মাওলানা সা&#039;দ সাব দামাতবারাকাতুহুম আকছিরু মিন কওলী লা-ইলাহা ইল্লালহের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এমন কিছু কথা বলছিলেন যা পূর্ববর্তী ব্যাখ্যার বিপরীত। পরবর্তী উনি ভুল স্বীকার করে উনার ব্যকখ্যা প্রতাহার করে নেন। এটাই মহত্বের লক্ষন। এই গুণ সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#039;নহুম দেরও ছিল। তাই যদি ধরেও নেয়া হয় যে উনি ঐ কিতাবে ভুল করেছেন যে ক্ষেত্রে অবশ্যই উনি ঐ ভুল ব্যাখ্যা প্রতাহার করে নিয়েছেন অন্য কোন কিতাবে। তাই উনার সকল বই পড়ার পরই কেবল বলা যাবে যে উনি সর্বেশ্বরবাদী। এই ব্লগের মাহমুদ ভাই একবার বলেছিলেন যে, কারও আকীদা জানতে হলে সবচেয়ে ভাল উপায় হল তাঁর অনুসারীদের আকীদা জানা। মাওলানতোথানভী রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এর শিষ্য মাওলানা আবরাহুল হক রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি সুন্নত জিন্দা করার মেহনত দাওয়াতুল হক চালু করেন। বাংলাদেশে এই মেহনতের প্রচুর উলামাকেরাম আছেন। মাওলানা আবরাহুল হক রহমাতুল্লহ আ&#039;লাইহি এরওঅনেক সরাসরি শিষ্যও আছেন। আমি নিজে প্রফেসর হামিদুর রহমান স্যার দামাতবারাকাতুহুম এরও অনেক মজলিসে গিয়েছি। কোন দিনও এই সব মাজলিসে সর্বেশ্বরবাদী কোন তথা শুনিনি। আমি শুনেছি সুন্নতের কথা। সুন্নত জিন্দা করার মেহনত ও ফাযায়েল। শুনেছি ঈমান ও আখেরাতের কথা। এক কথাও দ্বীন, ঈমান, তাকওয়া, নফসের রোগের চিকিৎসা, আখেরাত, সুন্নত, ইলমে নববী এর বাইরে কোন কথা আমি শুনিনি। অন্য কেউ দাওয়াতুল হকের মাজলিস থেকে অন্য কিছু শুনে থাকলে জানাবেন। আমি সিওর লেখক নিজে কখনও তটঠিক আকদাহ তজানতে চাননি।
  এই ভাবে পুরো পোসটিং এ প্রচুর মিথ্যাচার এবং ইমোশনাল ব্ল্যকমেইলিং রয়েছে। উনি লিখেছেন তাবলীগ জামাত উনি কাছ থেকে দেখেছেন কিন্তু তাদের সাথে মিশেননি। কারণটা খুবই পরিষ্কার। তাবলীগের মেহনত হল সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#039;নহুমদের মেহনত। তারা পুরা দ্বীনের মেহনত করে। কিছু লোক আছে যারা পুরা দ্বীন মানতে চায় না। চায় আংশিক দ্বীন মানবে। কিন্তু সত্যি কথা হল ইসলামের মধ্যে সর্টকাট কোন রাস্তা নেই। কেউ যদি মুহাম্মাদ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম এর দ্বীনের উপর হাশরের ময়দানে খাড়া হতে চায় তার জন্য জরুরি হল সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#039;নহুম দের মত পুরা দ্বীনের মেহনত করা। আর আমাদের বাংলাদেশের তথাকথিত আহলে হাদিসের মেহনত হল সর্টকাটের মেহনত। বরং আমি বলব আহলে নফসের মেহনত। যারা নিজের মন মত দ্বীন মানতে চায় তাদের জন্য এই মেহনতটা ফিটেস্ট। দেখুন আমি বাংলাদেশের তথাকথিত আহলে হাদীস দের কথা বলছি। আদি এবং আসল আহলে হাদীস যেমন ইমাম বুখারী, ইমাম তিরমিযী, ইমাম আবু হানিফা, ইমাম হাম্মাদ, ইমাম মালেক, ইমাম তাইমিয়া রহিমাহুমুল্লাহ উনারদের কথা বলছি না। উনারাতো সত্যিকার ভাবেই আহলে হাদীস ছিলেন। বাংলাদেশের আহলে নফসরা খালি ফরয আদায় করে আর কিছু ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় করে। কোন নফল আদায় করে না। কারণ ওগুলো নাকি সব বিদয়াত। আওয়ানীন বিদায়াত, ইশরাক বিদায়াত, শবে বরাতে রোযা বিদায়াত, কুরআন তেলাওয়াত বিদায়াত। আহা কি মজার ইসলাম! এমন নয়া ইসলামের সন্ধান পেলে তাবলীগের সাহাবাহ ওয়ালা পুরাতন, সেকেলে(?) ইসলাম কে মানতে যাবে। আহলে নফসরা সুন্দর ভাবে বিদয়াত ও সুন্নতের সংজ্ঞা দিয়েছে। যা কেবল মাত্র ইবাদাতের নিয়তে করা হয় কিন্তু রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#039;লাইহি ওয়া সাল্লাম এর যামানায় ছিলনা তাই বিদয়াত। এই জন্য উনারা শুধু নামায রোযার মধ্যেই সুন্নত খুজেন। বিয়ে শাদী, চলাফেরা পোষাক আষাক চাকর্রী ব্যাবসা কাফেররদের তরীকায় করেন। যেহেতু ওগুলো সুন্নতের নিয়তে করেন না তাই ওগুলো বিদয়াত নয় বরং জায়েজ। মারহাবা এমন ইসলামইতো চাই। কি দরকার সাহাবাহ দের পুরাতন পচা ঘুনে ধরা ইসলামের। আহলে নফসদের আধুনিক, মর্ডাণ ইসলামের পথে বাধা হল এই সব তাবলীগ, দেওবান্দী, থানভী, মাদানী। এদেরতো তুলোধুনো করা তাই চাইই চাই। একটু খেয়াল করে দেখবেন এদের সব কয়টি পোস্টই এই টপিকস গুলোর উপরে। এইসবের পিছনে হাদিস কুরআন তো আর পায় না তাই তারা ভাষা পান্ডিত্য আর ইমোশনাল ব্ল্যকমেইলিং এর উপর জোর দিয়ে থাকেন।
  আল্লহ তায়া&#039;লা মাফ করেন। আমার তো মনে হয়না বিন বায, আলবানী উনারা এদের মত আকিদা রাখতেন কিনা। সিওর এরা উনাদের নাম ইউজ করছে।আরও অনেক কথা বাকি ছিল। সময় বের করতে পারলাম না। মাফ করবেন। আল্লহ তায়া&#039;লা উম্মতকে আহলে নফসদের কবল থেকে হিফাযত করেন।
  &#160;
  &#160;
  &#160;
  &#160;
  &#160;
  &#160;
  &#160;
</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>&#8220;@হাসান  আল বান্না,সরি ভাই। আসলে খুব ব্যস্ত কয়েক দিন ধরে। দেশের যা অবস্থা। ৯টার অফিস ধরতে পৌনে আটটায় রওয়ানা করতে হয়। সেকষেত্রে রেডী হতে হয় ৭টা থেকে। ওদিকে ৫টার অফিস ছুটি হতে হতে ৬টা সাড়ে ৬টা বেজে যায়। সাড়ে ৬টায় রওয়ানা হয়ে একদিনও সাড়ে আটটার আগে পোঁছতে পারি না। নামায পড়ে আসতে আসতে সোয়া নয়টা বেজে যায়। সময় পাচ্ছি না। তাই কুইক একটা রিপ্লাই দিয়েছিলাম।<br />
   আসলে উনাদের লেখার মধ্যে কুরআন হাদিস এবং গ্রহণযোগ্য যুক্তি কমই থাকে। থাকে কিছু নাটকীয়তা। কিছু ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেইলিং। ঊনার রিপ্লাই রেডী করতে ছিলাম এর মধ্যে একজন তাবলীগ জামাতের বিরূদ্ধে এক বানোয়াট ফতওয়া হাজির করল। আর যুক্তিটা কি সুন্দর! এমন একজন গ্রান্ড মুফতি নাকি না জেনে ফতওয়া দেননা। হতে পারে উনি না জেনে ফতওয়া দেননি। কিন্তু উনাদের মূল মাকসাদ ছিল তাকলীদে শাখসী এর বিরূদ্ধে। উনি একজন গ্রান্ড মুফতি তাই উনার ফতওয়া গ্রহণযোগ্য বু এই যুক্তিতো পরিষ্কার তাকলীদে শাখসী। উনি যদি সত্যিকার আহলে হাদিস হয়ে থাকেন তাহলে তো উনি কুরআন হাদিস থেকে বলবেন। কোন কোন গ্রান্ড মুফতি থেকে নয়। উনার ঐ কথার রিপ্লাই দেয়ার জন্যই বসেছিলাম কিন্তু ঐ লেখাটি আর পেলাম না।<br />
   দেখুন উনি শুরুটাই করেছেন নাটকীয় ভাবে। হেডিং তাবলীগ জামাতের মানহাজ অথচ পুরো পোস্টিং জুড়ে কেবল মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এর ব্যাপারে কিছু মিথ্যাচার। খুব নাটকীয় ভাবে উনি উল্ল্যেখ করেছেন উনার দ্বীনের লাইনে পথ চলা শুরু তাবলীগ জামাতের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে পাঠকদের মনজয়ের এক চেষ্টা। এটা একটা কমন টেকনিক। সবাইই এমনই বলে থাকে। বলে যে, আমি তবলীগ জামাত খুব কছ থেকে দেখেছি। এরা এই, এরা সেই। ইত্যদি ইত্যদি। সমস্ত বাতিল যেমন একজোট হয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লেগেছে তেমনি ইসলামের নামে যত ফেরকা আছে সবার বন্দুকের নলও তাবলীগ জামাতের দিকে। সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহুম দের এই মেহনত তো দুই একটা লেকচার বা বয়ান বা দুই একটা জোড় থেকে শেখার জিনিস না। পুরা জীবন দিয়েও এর ছিটাফোটাও যদি শেখা যায় তাহলেই তো ধন্য হয়ে যাবার কথা।<br />
  এরপর উনি শুরু করলেন মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এর ব্যাপারে কিছু মিথ্যাচার। উনি কিছু বই থেকে কিছু উদ্ধৃতি তুলে ধরছেন। আমি জানিনা ঐগুলো আদৌ মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এর কোন কিতাব কিনা। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এর তুলনায় মাদানী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি কে বেশি পছন্দ করি। আফসোস এই সকল অতি উৎসাহী অবিবেচকের দল মাদানী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এর সংগ্রামী জীবনের ফসল সম্পর্কেও প্রশ্ন তুলেছে। বলেছে তাঁর জীবন নাকি ছিল বন্দে মাতরম প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম। আল্লহ তায়া&#8217;লা হিদায়াত দান করেন এদের। পরে উনার সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে কিছু লেখার আশা রাখি। আমি মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এর কিতাব কমই পড়েছি। তাই আমি নিশ্চিত নই এই বইগুলো আদৌ উনার লেখা কোন কিতাব কিনা। যদি হয়ে থাকেও তাহলেও বুঝার উপায় নেই এই অনুচ্ছেদ গুলো দ্বারা আদৌ উহাই বুঝাতে চেয়েছেন কিনা যেভাবে পোস্টিংএর লেখক ব্যাখ্যা করেছেন। দেখুন এইভাবে দুই একটি অনুচ্ছেদের অংশ দেখে পুরো লেখার ভাব বুঝার উপায় নেই। উনি বলেছেন এগুলো নাকি সেলফ এক্সপ্লানেটরী। আমার মনে আছে কয়েক বছর আগে আমাদের দেশের প্রধান মন্ত্রী এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, <em>যদি বিরোধিদলীয় নেত্রী আশ্বাস দেন যে উনি আর হরতাল করবেন না তাহলে আমরাও ঘোষণা দিলাম আমরা বিরোধীদলে গেলেও আর হরতাল করব না।</em> কপাল খারাপ। কিছু দিনের মধ্যে বিরোধী নেত্রী প্রধানমন্ত্রী হলেন। প্রধানমন্ত্রী বিরোধী নেত্রী হলেন। কোন কারণে বিরোধী নেত্রী হরতাল দিলেন। প্রধানমন্ত্রী সুযোগ বুঝে বিরোধী নেত্রীর আগের কথা কাটছাট করে প্রচার করলেন <em>ঘোষণা দিলাম আমরা বিরোধীদলে গেলেও আর হরতাল করব না।</em> হ্যাঁ কথাটা সেলফ এক্সপ্লানেটরী বটে কিন্তু কথাটা সত্য কি? তাই এই ভাবে দুএকটি অনুচ্ছেদ পড়ে কারও জীবন ও আকীদা সম্পর্কে কোন উপসংহার টানা হয়েছে। দেখুন কত বড় মুর্খতা। পুরো ভাব জানতে হলে পুরো বইটাই পড়তে হবে। এরপর যদি বুঝা না যায় সেক্ষেত্রে তাঁর অন্যান্য বইগুলোও পড়তে হবে। দেখুন মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি উনার পুরা জীবনে এক হাজারের কাছাকাছি বই লিখেছেন। কোন এক বইয়ের আধা প্যারা পড়েই উনি সর্বেশ্বরবাদের ফতওয়া দিয়ে দিলেন। মুর্খতার একটা সীমা থাকা দরকার। আমি নিশ্চিত লেখক নিজেও উনার ঐ বইটা পুরাপুরি পড়েননি। কোথাও থেকে পেয়েছেন আর চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। একটা কথা উনারা (স্বঘোষিত আহলে হাদিস, প্রকৃত পক্ষে আহলে নফস) প্রায়ই উনার বক্তব্যকে চালিয়ে দেয়ার জন্য বলে থাকেন যে, কোন মানুষই ভুলের উর্ধে নয়। হ্যাঁ কথা আমি মানি, নবী বাদে কেউই ভুলের উর্ধে নয়। কিন্তু মানুষ ভুল করে এবং ভুলের সংশোধনও করে। পক্ষান্তরে শয়তান ভুল করে কিন্তু ভুলের সংশোধন করে না। মাওলানা থানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি ও ভুলের উর্ধে নন। তিনি ভুল করেছেন কিন্তু উনার জীবদ্দশায়ই ভুলের সংশধোনও করচছেন। এমন ঘটনা উনার জীবনে বেশ কয়েকবারই ঘটেছে। এমনকি জীবনের শেষ সময়ে রাজনৈতিক দুরদর্শিতার ব্যাপারে উনি কিছু ভুল ধারণা করেছিলেন। উনি জীবদ্দশায় এর সংশোধন করার সু্যোগ পাননি। কিন্তু উনার শিষ্যরা ঠিকই স্বীকার করেছেন ওটা ভুল ছিল। (ভারত বিভাগ প্রসঙ্গ) আসলে ভুল স্বীকার করলে সম্মান কমে না বরং বাড়ে এই সব মহান ব্যক্তিত্ব এটা ভাল করেই জানতেন। ভুল স্বীকার করার ঘটনা শুধু উনার নয় বহু আলেমদের জীবনেই আছে। এমনকি বর্তমান উলামাকেরামদের মধ্যেও এই সিফাতটা বিদ্যমান। মাওলানা সা&#8217;দ সাব দামাতবারাকাতুহুম আকছিরু মিন কওলী লা-ইলাহা ইল্লালহের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এমন কিছু কথা বলছিলেন যা পূর্ববর্তী ব্যাখ্যার বিপরীত। পরবর্তী উনি ভুল স্বীকার করে উনার ব্যকখ্যা প্রতাহার করে নেন। এটাই মহত্বের লক্ষন। এই গুণ সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহুম দেরও ছিল। তাই যদি ধরেও নেয়া হয় যে উনি ঐ কিতাবে ভুল করেছেন যে ক্ষেত্রে অবশ্যই উনি ঐ ভুল ব্যাখ্যা প্রতাহার করে নিয়েছেন অন্য কোন কিতাবে। তাই উনার সকল বই পড়ার পরই কেবল বলা যাবে যে উনি সর্বেশ্বরবাদী। এই ব্লগের মাহমুদ ভাই একবার বলেছিলেন যে, কারও আকীদা জানতে হলে সবচেয়ে ভাল উপায় হল তাঁর অনুসারীদের আকীদা জানা। মাওলানতোথানভী রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এর শিষ্য মাওলানা আবরাহুল হক রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি সুন্নত জিন্দা করার মেহনত দাওয়াতুল হক চালু করেন। বাংলাদেশে এই মেহনতের প্রচুর উলামাকেরাম আছেন। মাওলানা আবরাহুল হক রহমাতুল্লহ আ&#8217;লাইহি এরওঅনেক সরাসরি শিষ্যও আছেন। আমি নিজে প্রফেসর হামিদুর রহমান স্যার দামাতবারাকাতুহুম এরও অনেক মজলিসে গিয়েছি। কোন দিনও এই সব মাজলিসে সর্বেশ্বরবাদী কোন তথা শুনিনি। আমি শুনেছি সুন্নতের কথা। সুন্নত জিন্দা করার মেহনত ও ফাযায়েল। শুনেছি ঈমান ও আখেরাতের কথা। এক কথাও দ্বীন, ঈমান, তাকওয়া, নফসের রোগের চিকিৎসা, আখেরাত, সুন্নত, ইলমে নববী এর বাইরে কোন কথা আমি শুনিনি। অন্য কেউ দাওয়াতুল হকের মাজলিস থেকে অন্য কিছু শুনে থাকলে জানাবেন। আমি সিওর লেখক নিজে কখনও তটঠিক আকদাহ তজানতে চাননি।<br />
  এই ভাবে পুরো পোসটিং এ প্রচুর মিথ্যাচার এবং ইমোশনাল ব্ল্যকমেইলিং রয়েছে। উনি লিখেছেন তাবলীগ জামাত উনি কাছ থেকে দেখেছেন কিন্তু তাদের সাথে মিশেননি। কারণটা খুবই পরিষ্কার। তাবলীগের মেহনত হল সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহুমদের মেহনত। তারা পুরা দ্বীনের মেহনত করে। কিছু লোক আছে যারা পুরা দ্বীন মানতে চায় না। চায় আংশিক দ্বীন মানবে। কিন্তু সত্যি কথা হল ইসলামের মধ্যে সর্টকাট কোন রাস্তা নেই। কেউ যদি মুহাম্মাদ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম এর দ্বীনের উপর হাশরের ময়দানে খাড়া হতে চায় তার জন্য জরুরি হল সাহাবাহ কেরাম রদিয়াল্লহু আ&#8217;নহুম দের মত পুরা দ্বীনের মেহনত করা। আর আমাদের বাংলাদেশের তথাকথিত আহলে হাদিসের মেহনত হল সর্টকাটের মেহনত। বরং আমি বলব আহলে নফসের মেহনত। যারা নিজের মন মত দ্বীন মানতে চায় তাদের জন্য এই মেহনতটা ফিটেস্ট। দেখুন আমি বাংলাদেশের তথাকথিত আহলে হাদীস দের কথা বলছি। আদি এবং আসল আহলে হাদীস যেমন ইমাম বুখারী, ইমাম তিরমিযী, ইমাম আবু হানিফা, ইমাম হাম্মাদ, ইমাম মালেক, ইমাম তাইমিয়া রহিমাহুমুল্লাহ উনারদের কথা বলছি না। উনারাতো সত্যিকার ভাবেই আহলে হাদীস ছিলেন। বাংলাদেশের আহলে নফসরা খালি ফরয আদায় করে আর কিছু ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদা আদায় করে। কোন নফল আদায় করে না। কারণ ওগুলো নাকি সব বিদয়াত। আওয়ানীন বিদায়াত, ইশরাক বিদায়াত, শবে বরাতে রোযা বিদায়াত, কুরআন তেলাওয়াত বিদায়াত। আহা কি মজার ইসলাম! এমন নয়া ইসলামের সন্ধান পেলে তাবলীগের সাহাবাহ ওয়ালা পুরাতন, সেকেলে(?) ইসলাম কে মানতে যাবে। আহলে নফসরা সুন্দর ভাবে বিদয়াত ও সুন্নতের সংজ্ঞা দিয়েছে। যা কেবল মাত্র ইবাদাতের নিয়তে করা হয় কিন্তু রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ&#8217;লাইহি ওয়া সাল্লাম এর যামানায় ছিলনা তাই বিদয়াত। এই জন্য উনারা শুধু নামায রোযার মধ্যেই সুন্নত খুজেন। বিয়ে শাদী, চলাফেরা পোষাক আষাক চাকর্রী ব্যাবসা কাফেররদের তরীকায় করেন। যেহেতু ওগুলো সুন্নতের নিয়তে করেন না তাই ওগুলো বিদয়াত নয় বরং জায়েজ। মারহাবা এমন ইসলামইতো চাই। কি দরকার সাহাবাহ দের পুরাতন পচা ঘুনে ধরা ইসলামের। আহলে নফসদের আধুনিক, মর্ডাণ ইসলামের পথে বাধা হল এই সব তাবলীগ, দেওবান্দী, থানভী, মাদানী। এদেরতো তুলোধুনো করা তাই চাইই চাই। একটু খেয়াল করে দেখবেন এদের সব কয়টি পোস্টই এই টপিকস গুলোর উপরে। এইসবের পিছনে হাদিস কুরআন তো আর পায় না তাই তারা ভাষা পান্ডিত্য আর ইমোশনাল ব্ল্যকমেইলিং এর উপর জোর দিয়ে থাকেন।<br />
  আল্লহ তায়া&#8217;লা মাফ করেন। আমার তো মনে হয়না বিন বায, আলবানী উনারা এদের মত আকিদা রাখতেন কিনা। সিওর এরা উনাদের নাম ইউজ করছে।আরও অনেক কথা বাকি ছিল। সময় বের করতে পারলাম না। মাফ করবেন। আল্লহ তায়া&#8217;লা উম্মতকে আহলে নফসদের কবল থেকে হিফাযত করেন।<br />
  &nbsp;<br />
  &nbsp;<br />
  &nbsp;<br />
  &nbsp;<br />
  &nbsp;<br />
  &nbsp;<br />
  &nbsp;</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: বাংলা মৌলভী</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/mariner/5279/comment-page-1/#comment-6938</link>
		<dc:creator>বাংলা মৌলভী</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=5279#comment-6938</guid>
		<description>@বাংলা মৌলভী,ওযাইর নবী ছিলেন না ভাল মানুষ ছিলেন এ ব্যাপারটি মুফাস্সিরদের কাছে বিতর্কিত, আসহাবে কাহফ নবী নন এটা সর্বজনবিদিত। আনন্যাসেসারি বিষয়াবলির প্রকারভেদগুলো আপনার জানা থাকলে ঘটনাটিকে বিভ্রান্তিকর বলে কাকতালীয় যোগসাজষ লাগিয়ে তাবলীগ জামাতের ঘাড়ে ফেলার কথা না। আপনার অনেক লেখাই আগে ভালো লাগতো, কিন্তু এই লেখাটা পড়ে একেবারেই বোকা মনে হচ্ছে আপনাকে, আপনার সুষ্ঠ মনমানসিকতার সাথে এটা বেমানান ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@বাংলা মৌলভী,ওযাইর নবী ছিলেন না ভাল মানুষ ছিলেন এ ব্যাপারটি মুফাস্সিরদের কাছে বিতর্কিত, আসহাবে কাহফ নবী নন এটা সর্বজনবিদিত। আনন্যাসেসারি বিষয়াবলির প্রকারভেদগুলো আপনার জানা থাকলে ঘটনাটিকে বিভ্রান্তিকর বলে কাকতালীয় যোগসাজষ লাগিয়ে তাবলীগ জামাতের ঘাড়ে ফেলার কথা না। আপনার অনেক লেখাই আগে ভালো লাগতো, কিন্তু এই লেখাটা পড়ে একেবারেই বোকা মনে হচ্ছে আপনাকে, আপনার সুষ্ঠ মনমানসিকতার সাথে এটা বেমানান ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
