লগইন রেজিস্ট্রেশন

নামাজে সূরা ফাতেহা পড়া জরূরী এবং তা ইমামের পিছেনে হলেও

লিখেছেন: ' Mujibur Rahman' @ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১১ (১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ)

আসসালামু আলাইকুম,
নামাজে সূরা ফাতেহা পড়া জরূরী এবং তা ইমামের পিছেনে হলেও পড়তে হবে।আমাদের অনেকে ইমামে পিছেনে সূরা ফাতেহা পড়েন না। আমি এ বিষয়ে কিছু হাদিস সহীহ মুসলিম শরীফ থেকে সরাসরি ইমেজ হিসেবে পেষ্ট করলাম।
Fatiha3

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১,৫২৫ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ১.২৫)

১১ টি মন্তব্য

  1. সম্ভবত আপনি একজন আহলে হাদীস-আপানাকে মুফতি মিজানুর রহমান সাহেবের আহলে হাদীসের স্বরুপ উম্নেচন বইপি পড়ুন।তাহলে আপনার জবাব পাবেন।

    shahedups

    @এম এম নুর হোসেন,ভাই এই হল আমাদের মুসলমানদের অবস্হা। সহীহ হাদীসের রেফারেন্স দিলেও বলে আপনি এটা আপনি ওটা।

    আর পুর্ব-পুরুষদের অন্ধ-অনুসরন তো আছেই। ।পোষ্টকারীকে অনেক ধন্যবাদ।

    Mujibur Rahman

    @এম এম নুর হোসেন, ভাই, যারা রাছুলুল্লাহ(সাঃ) এর হাদিস মান্য করল তারাই আহলে হাদীস।আপনি যদি রাছুলুল্লাহ(সাঃ) এর হাদিস মান্য করে চলেন তাহলে আপনি ও একজন আহলে হাদীস। যারা রাছুলুল্লাহ(সাঃ) এর সহীয় হাদিস মান্য করল না তারা রাছুলুল্লাহ(সাঃ) কে মান্য করল না ।আল্লাহ তালা বলেছেন যারা রাছুলুল্লাহ(সাঃ)কে মান্য করল তারা আমাকে মান্য করল। ঠিক উল্টো টা যে, যারা রাছুলুল্লাহ(সাঃ) কে মান্য করল না তারা আল্লাহ তালা কে মান্য না করল এবং কুফরি করল।
    আলহামদোলিল্লাহ, যে আমি একজন মুসলমান হতে পেড়ে এবং একজন আহলে হাদীস-তথা ‘আহলে সুন্নত আল জামায়াত ‘এর অন্তর্ভুক্ত হতে পেড়ে।
    আমাদের বাংলাভাষী মুসলমান সমাজ না জেনেই মাযহাবী দোহাই দিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সহীহ সুন্নাত পরিত্যাগ করি, যা অত্যান্ত অবাঞ্চনীয়।
    যারা মাজহাবী দোহাই দিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সহীহ সুন্নাত পালন থেকে নিজে বিরত রয়েছেন এবং অন্যদেরকেও বিরত রাখছেন, এ ব্যাপারে দেখুন আমাদের শ্রদ্ধেয় ইমামগণ কি বলেছেনঃ- ইমাম আবু হানীফা (রঃ) তাঁর আল হিদায়া গ্রন্থে-“হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাজহাব” এবং তাঁর অনুসারী অসংখ্য সঙ্গী-সাথীরা বহু কথা বর্ণনা করেছেন, আর সেগুলোর মূল সুর বা ধারা একটাই তা হল হাদীস আঁকড়ে ধরা ওয়াজিব এবং ইমামদের যে সকল রায় হাদীস বিরোধী তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। Imam Abu Hanifa Rahimahullah said: “When I say something contradicting the Book of Allah the Exalted or what is narrated from the Messenger (sallallaahu ‘alaihi wa sallam), then ignore my saying.” [Al-Fulaani in Eeqaaz al-Himam (p. 50)]
    এখন আমার প্রশ্ন যে, কেন আমরা ইসলামকে এতভাগে বিভক্ত করি, কেনই বা এত মতানৈক্য। বুখারী মুসলিমসহ অন্যান্য হাদীসগ্রন্থেও হাদিসদ্বয় উল্লেখ আছে-(ক)“নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, ইয়াহুদীরা ৭১ দল, খ্রী খ্রীষ্ঠানরা ৭২ দল আর আমার উম্মাত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। শুধু একটি মাত্র দল জান্নাতে যাবে সেটা হচ্ছে ‘আহলে সুন্নত আল জামায়াত ‘এবং বাকি সব দলই জাহান্নামী।আর ঐ দল হচ্ছে যারা কিতাবাল্লাহ, আমার সুন্নাত ও খোলাফায়ে রাশেদীন এবং সাহাবীদের পথ অনুসরণ করেছে, তারাই ঐ একটি দলের অন্তর্ভুক্ত”।
    শয়তান চেষ্টা করবে আমাদেরকে কতবেশী দলে ভাগ করতে। প্রথম ভাগ হয়েছে শিয়াদের দ্বারা। এরপর কত মাযহাব কত দল।

    এম এম নুর হোসেন

    @Mujibur Rahman,তা হলে আপনি বলতে চান যারা মাজহাবের অনুসরন করে তারা সহী হাদীসের অনুসরন করেনা।আপনারা তো ১৪০০ বছর পরে এসে আরেকটা নতুন ফিরকা আবিস্কার করলেন আহলে হাদীস নামে।এর আগে যারা মাজহাব মানলো ,এরা কি কিছুই বুঝে নাই।যত বুঝলেন আপনারা আহলে হাদেসেরা।মাজহাব তো কোন দল নয়।

    Shahin Chishte

    @এম এম নুর হোসেন, ভাই মাজহাব হলো চলার পথ। একটা মাধ্যম। একটা প্রশ্ন করি পথের মধ্যে যদি দেখেন কাটা তবে আপনি কি করেন? কাটার উপর দিয়ে হাটেন নাকি কাটা সরিয়ে দেন? আহলে হাদিস নিয়ে এত মাথাব্যাথা কেন আপনাদের? কেউ যদি সঠিক পথের সন্ধান দেয় তবে সে কি একজন আহলে হাদিস?

    হযরত ইমাম আবু হানিফা (র:) এর মত অনুযায়ী নামাযে তাকবীরে তাহরিমার সময় আল্লাহু আযম বলা যায়েজ,,কিংবা ফারসি ভাষায় কিরাত পড়া যায়েজ । আপনি কি তা মানেন? আপনি কি জানেন আবু হানিফা (র:) এর একজন ছাত্র যাকে হানাফী মাজহাবের একজন বড় আলেম হিসেবে সবাই চিনে তিনি এই মত দুটি বাতিল করেছেন সহীহ হাদীসের আলোকে। তাকে আপনি কি বলবেন? আহলে হাদীস? ভাইজান ওনারা আপনার মত যাকে তাকে খুশি আহলে হাদীস বলতোনা। ১৪০০ বছর আগে যেভাবে চলছিলো ইসলাম সেভাবেই আছে। শুধু পাল্টেছে লেভেল। এত মতের সৃষ্টি না হলে মুসলমানরা আজ সারা দুনিয়ার শাসন করতো। ইতিহাস ঘাটলে দেখবেন সেই আব্বাসীয় খলিফাদের সময় থেকেই মুসমলমানদের পতন শুরু হয়েছে যার ভিত্তি ছিলো মাজহাবী ফতোয়া।

    দেশী৪৩২

    @Mujibur Rahman,তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন ইমাম আবু হানিফা রাঃ আপনার বর্নীত এই হাদিস জানতেন না ?আর হাজার হাজার বড় বড় আলেম উলামারা মাযহাব মেনে যচ্ছেন তারাও কিছু জানেন না ? ইমাম বোখারী রঃ স্বয়ং কেন মাঝহাব মেনেছেন ?উনার জীবনী গ্রন্হ পড়লেই এই তথ্য পাবেন। আর রসুল পাক সাঃ বলেছেন ”আমার এক নির্দেশ আন্য নির্দেশকে রহিত করে” এই হাদিসটি আপনি পড়েছেন বা জানেন ?আর একটা হাদিস পেয়েই ফতোয়া দেয়া শুরু করেন,এ হাদিছের বিপরীতে অন্য হাদিস আছে কিনা তার জ্ঙান না থাকলেও ।পরিশেষে আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন। আমিন । ।

    Shahin Chishte

    @দেশী৪৩২, আবু হানিফা (র:) এ হাদীস জানতেন কিনা সে প্রশ্ন করাটাও একটা বেয়াদবী। উনি তো মানুষ ছিলো। তাইনা? উনার কি ভুল হতে পারেনা? ইমামের কিরাত মুক্তাদির জন্য যথেষ্ট। এখানে কিরআত বলতে কি বোঝানো হয়েছে? আপনি যদি মোটামুটি হানাফী মাজহাবের অনুসারী হন তাহলে বলবেন কিরাত বলতে সুরা ফাতিহাকেই বোঝানো হয়েছে। আর যদি পুরাপুরি হানাফী হন তাহলে উল্লেখিত হাদীসের আলোকে বলবেন এখানে সুরা ফাতিহার পরে যে কিরআত পড়া হয় তার কথা বলা হয়েছে। আবু হানিফা (র:) বলেছেন সহীহ হাদীসই আমার মাজহাব। আপনি মানলেন কই? উক্ত হাদীসগুলো সন্দেহাতীতভাবে সহীহ প্রমানিত। আর অন্য কোন হাদীস এ হাদীসকে রহিত করেনি। বুঝলেন।

    Shahin Chishte

    @Shahin Chishte, মাজহাব মানা জরুরি। কিন্তু অন্ধভাবে মাজহাবের অনুসরন করা হারাম। তাকলিদ শুধুমাত্র মহান আল্লাহ তাআলা ও তার রসূল হযরত মুহম্মদ (স:) এর উপর। অন্য কারও না। হোক তিনি যত বড় ইমাম।পবিত্র কোরআন শরীফে সূরা নিসায় স্পষ্ট বলা আছে ” তোমরা আল্লাহকে অনুসরন করো।তার রসূল(স:)কে অনুসরন করো।আর অনুসরন করো হক্কানী আলেমদের।যদি তোমাদের মধ্যে কোন মতপার্থক্য হয় তবে আল্লাহ ও তার রসূল (স:) দিকে ফিরে যাও।” এ কারনেই মাজহাব মানা জরুরি। কিন্তু যখন মতের অমিল হবে তখন শুধু কোরআন ও হাদীসের আলোকে সমাধান করতে হবে। যদি কোরআন হাদীসে না থাকে তবে পরবর্তী পদ্ধতিতে যাবো। এই পোষ্টের সমাধান সহীহ হাদীস দ্বারা সমাধানকৃত। আমাদের পূর্ববর্তিরা ভুল করলে আমরা তা করবো কেন? ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় আমাদের দেশে ইসলাম ধর্মের প্রসার বেশি দিনের না। তারা অমুসলিম ছিলো। তাই বলে কি আমরাও ? নাউযুবিল্লাহ।

    ফিকাহর মাসআলায় একতেলাফ স্বাভাবিক। নবীজী জীবিত থাকা অবস্থায় কোন এখতেলাফের সুযোগ ছিলো না। সাহাবীদের সময় এখতেলাফ ছিলো। তারা যখন সঠিক তথ্য পেত তখন তওবা করে নিজেকে শুধরে নিতো। উল্লেখ্য যে বিদায় হজ্বের পরে সাহাবায়ে কেরামেরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছিলো। আসেন আমরা চেষ্টা করি আমাদের ভুলগুলোকে কমিয়ে আনি সহীহ হাদীসের মাধ্যমে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

  2. Mujibur Rahman ভাই,
    আপনার উল্লেখিত পোষ্ট ‘নামাজে সূরা ফাতেহা পড়া জরূরী এবং তা ইমামের পিছেনে হলেও’ -এ আপনি সহীহ মুসলিমের যে হাদীসটি দিয়েছেন তাতে কোথায় লেখা আছে ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা পড়তে হবে। দয়া করে লাইন ধরে দেখিয়ে দিয়ে আমাদের উপকার করুন।

    অথচ আল্লাহ তা’য়ালা তার পবিত্র কুরআন শরীফে বলেছেন,
    আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়। (Al-A’raaf: 204)

    আপনার জ্ঞানের পরিধি আমার এই পোষ্টে পেয়েছি। তাই বলছি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা থেকে দূরে থাকুন।

    আল্লাহ আমাদের সকলকে সহীহ বুঝ দান করুন। আমীন।

    Mujibur Rahman

    @আবদুস সবুর, ভাই নীচের লিংকে খুজুন-সহীহ মুসলিম শরীফ থেকে কপি/পেষ্ট করা হয়েছে। এখানে হাদিস নাম্বার ও পাবেন, প্রয়োজনে বইয়ের ঐ পাতা খুজলে পাবেন ইনশাল্লাহ।
    http://www.peaceinislam.com/mujib7/11044/
    আপনি Al-A’raaf: 204 এর যে আয়াত উল্লেখ করেছেন তা রাছুলুল্লাহ( সাঃ) ভাল করেই জানতেন।এটা ‘আম’ করে বলা হয়েছে, কিন্তু নামাজের জন্য ‘খাস’ করে সূরা ফাতেহা মোক্তাদির জন্য মনে মনে বলতে বলা হয়েছে উপরের হাদিসে। এখন আমার কথা- যোহর বা আছরের নামাজে আপনি ইমামের কেরাত শুনতে পান না অথচ তখনও আপনি চুপ থাকতে বলছেন।
    কেউ বিভ্রান্তিতে থাকলে আল্লাহতালা ইচ্ছে না করলে তারা বিভ্রান্তিতেই থাকবে।

    আবদুস সবুর

    আপনি বলেছেন,
    @আবদুস সবুর, ভাই নীচের লিংকে খুজুন-সহীহ মুসলিম শরীফ থেকে কপি/পেষ্ট করা হয়েছে। এখানে হাদিস নাম্বার ও পাবেন, প্রয়োজনে বইয়ের ঐ পাতা খুজলে পাবেন ইনশাল্লাহ।

    ধরুন কারো মায়ের হাতে টিউমার হয়েছে। লোকটি টাকা বাচানোর জন্য তার মায়ের অপারেশন না বাজার থেকে মেডিকেলের অপারেশন সংক্রান্ত সকল বই কিনে এনে বই দেখে দেখে তার মায়ের অপারেশন করতে লেগে গেল।

    আপনার কাছে প্রশ্ন সে কি বুদ্ধিমানের মত কাজ করল?

    আপনি যদি মনে করেন শুধু হাদীস দেখে আমল করবেন তবে আপনি খেয়াল করবেন সকল হাদীসগ্রন্থেই বিপরীতধর্মী হাদীস রয়েছে। আপনি কোনটি গ্রহন করবেন?

    আপনি যদি বলেন আমার ইচ্ছামত আমি যে কোন হাদীস গ্রহন করব তবে আপনি যে ভুলের মধ্যে আছেন তা আশা করি আমার এই পোষ্টে (http://www.peaceinislam.com/asksumon007/10874/) আপনাকে দেওয়া উত্তর থেকে বুঝে গেছেন।

    আপনি বলেছেন,
    আপনি Al-A’raaf: 204 এর যে আয়াত উল্লেখ করেছেন তা রাছুলুল্লাহ( সাঃ) ভাল করেই জানতেন।এটা ‘আম’ করে বলা হয়েছে, কিন্তু নামাজের জন্য ‘খাস’ করে সূরা ফাতেহা মোক্তাদির জন্য মনে মনে বলতে বলা হয়েছে উপরের হাদিসে।

    আপনাকে আবারো প্রশ্ন করছি, হ্যা আবারো প্রশ্ন করছি,
    আপনার উল্লেখিত পোষ্ট ‘নামাজে সূরা ফাতেহা পড়া জরূরী এবং তা ইমামের পিছেনে হলেও’ -এ আপনি সহীহ মুসলিমের যে হাদীসটি দিয়েছেন তাতে কোথায় লেখা আছে ইমামের পিছনে সুরা ফাতিহা পড়তে হবে। দয়া করে লাইন ধরে দেখিয়ে দিয়ে আমাদের উপকার করুন।

    @Mujibur Rahman, আপনার কাছে আরো একটি প্রশ্ন করি- কুরআনের কোন আয়াতের হুকুমকে কিভাবে আম থেকে খাছ এবং খাছ থেকে আম করে?

    আপনি বলেছেন, কেউ বিভ্রান্তিতে থাকলে আল্লাহতালা ইচ্ছে না করলে তারা বিভ্রান্তিতেই থাকবে।

    আপনার কাছে আর একটি প্রশ্ন, আল্লাহ কি তার বান্দাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিতে রাখেন নাকি বান্দা তার সত্য গ্রহন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কারনে বিভ্রান্তিতে থাকে?

    আপনি বলেছেন,
    এখন আমার কথা- যোহর বা আছরের নামাজে আপনি ইমামের কেরাত শুনতে পান না অথচ তখনও আপনি চুপ থাকতে বলছেন।

    হ্যা চুপ থাকতে বলছি। কেন চুপ থাকতে বলছি তা জানতে চাওয়ার আগে দয়া করে উপরের প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন।
    অপেক্ষা করুন ঈমামের পিছনে সুরা ফাতিহা সংক্রান্ত যত হাদীস আছে সেগুলো নিয়ে একটি পর্যালোচনামূলক পোষ্ট খুব শিগগিরই এই ব্লগে দেয়ার চিন্তা করেছি। আশা করি আপনার হাদীস সংক্রান্ত সকল প্রশ্নে জবাব দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

    আল্লাহ আমাদের সহীহ বুঝ দান করুন। আমীন।