লগইন রেজিস্ট্রেশন

আল্লাহর ঘরে নারী

লিখেছেন: ' মুসলিম' @ বুধবার, এপ্রিল ১৪, ২০১০ (১০:১২ অপরাহ্ণ)

হাজ্জ নিয়ে একটি সুন্দর স্মৃতিকথা রুচিশীল ই-ম্যাগাযিন “সোনার বাংলাদেশে” প্রকাশিত হয়েছে। পাঠকদের অনুরোধ করছি পড়ে দেখতে। লেখাটার শেষের দিকে মহিলা হাজিদের প্রতি কর্তৃপক্ষের আচরণ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে লেখক কিছু কথা লিখেছেন – যা পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল।

হে আল্লাহ, তুমি এবং তোমার রাসুল মুসলিম নারীদের যে অধিকার দিয়েছ কেউ যেন তা কেড়ে নিতে না পারে। হাজারো অজুহাত দেখিয়ে মুসলিম পুরুষেরা যুগে যুগে মুসলিম নারীর ন্যায়সঙ্গত অধিকার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশের মসজিদ থেকে নারীকে তো পুরোপুরিই বিতাড়িত করা হয়েছে। অন্ততঃ তোমার ঘর (বায়তুল্লাহ) -এ এসে নারী যেন তোমাকে উপাসনার ন্যায্য অধিকারটুকু পায় !

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
১২০ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars ( ভোট, গড়:০.০০)

৭ টি মন্তব্য

  1. “বাংলাদেশের মসজিদ থেকে নারীকে তো পুরোপুরিই বিতাড়িত করা হয়েছে।”

    এই অংশটি যেন কেমন লাগল। আপনি কি জানেন না হযরত আয়েশা রযি. এবং হযরত উমার রযি. তাদের যুগেই নারীদের মসজিদে গমনকে নিরুৎসাহিত করতেন।

    হাফিজ

    @মাহমুদ, সহমত ।
    পরবর্তীতে সাহাবীদের ইজমা হয় এব্যাপারে ।

    ফুয়াদ

    @মাহমুদ,

    ঐ দলিল গুলি কতটুকু সহী? আমিও পড়েছিলাম, কিন্তু সহি কতটুকু তা পরিক্ষা করা সম্ভব হয় নি। আর, নিরুৎসাহিত আর বন্দ করা এক কথা নয়।

    দ্য মুসলিম

    @ফুয়াদ,

    নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বন্ধ করা হয়েছে এমন দলিল আমার জানা নাই।
    বর্তমানে বাংলাদেশে একজন নারী যেখানে স্বাধীন ভাবে পর্দা করতে পারেন না, যা কিনা ফরজ, সেখানে মসজিদে নামাজের স্হানের জন্য অধিকারের কথা চিন্তা করাটাও কেমন জানি!

  2. উমর (রা.) এর স্ত্রী ফজর এবং ইশার সালাত মসজিদে গিয়ে জামায়াতে আদায় করতেন। একজন তাঁকে বললেন, “আপনি কেন সালাতের জন্য বেরিয়ে আসেন, অথচ উমর এটা অপছন্দ করেন, আর উমরের আত্মসম্মানবোধ প্রবল।” উত্তরে উমর (রা.) এর স্ত্রী বললেন, ” কীসে তাঁকে (উমরকে)বিরত রেখেছে আমাকে বাধা দেয়া থেকে ?” তখন ঐ ব্যক্তি জবাব দিলেন ” রাসুলের (সা.) এই বক্তব্য , ‘আল্লাহর দাসীদেরকে আল্লাহর মসজিদে আসতে বিরত করোনা’ — এই বক্তব্যই উমরকে বিরত রেখেছে।” [সহীহ বুখারী। নিচে দেখুন]

    কাজেই উমর (রা.) অপছন্দ করলেও নিজের স্ত্রীকে নিষেধ করেননি।

    এমনকি রাতে মহিলাদের মসজিদে আসা সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, “মহিলাদেরকে রাতে মসজিদে যেতে অনুমতি দাও।” [সহীহ বুখারী। নিচে দেখুন]

    কেবল উপমহাদেশীয়দের মধ্যে নির্দিষ্ট ঘরানার লোকদেরকেই বলতে শুনি নিষেধাজ্ঞার কথা। বিদেশেতো কখোনই কোনো আরব বা পশ্চিমি আলেমকে আপত্তি করতে দেখলামনা। ইজমা থাকলে তাঁরা কি জানতেন না ???

    আবার দেখুন মুসলিম শরীফে উল্লেখিত বিলাল ইবন আবদুল্লাহ এবং আবদুল্লাহ ইবনে উমরের মধ্যকার কথোপখন। ইবনে উমর (রা.)বলছেন, রাসুল (সা.) মহিলাদের মসজিদে যেতে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন। তাই শুনে বিলাল ইবনে আবদুল্লাহ বললেন, আল্লাহর কসম তাদেরকে বাধা দেব। তখন ইবনে উমর (রা.) নজীরবিহীন ভঙ্গীতে প্রত্যুত্তর দিলেন, রাসুলের (সা.) কথা আমি তোমাকে বললাম, আর তুমি বলছ বাধা দেবে !!

    তো দেখুন, ইজমা গেল কোথায় ?

    নোট: মহিলাদের জন্য গৃহেই সালাত আদায় উত্তম – এব্যাপারে কোন বিতর্ক নেই। প্রশ্ন হলো জোর করে মসজিদে আসতে বাধা দেয়ার ব্যাপারে। মহিলারা বিশেষতঃ জুমার সালাত পড়ার সুযোগ পেলে খুতবা থেকে উপকৃত হতে পারেন। মসজিদ কেন্দ্রীক সমাজ – যা পশ্চিমের মাইনোরিটি মুসলিমদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তার বাস্তবায়নেও মসজিদে আসা মহিলাগণ ব্যপক ভূমিকা রেখে চলেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

    Sahih Bukhari:Volume 2, Book 13, Number 22:
    Narrated Ibn Umar:

    The Prophet (p.b.u.h) said, “Allow women to go to the Mosques at night.”

    ——————————————————————————–
    Volume 2, Book 13, Number 23:
    Narrated Ibn Umar:

    One of the wives of Umar (bin Al-Khattab) used to offer the Fajr and the ‘Isha’ prayer in congregation in the Mosque. She was asked why she had come out for the prayer as she knew that Umar disliked it, and he has great ghaira (self-respect). She replied, “What prevents him from stopping me from this act?” The other replied, “The statement of Allah’s Apostle (p.b.u.h) : ‘Do not stop Allah’s women-slave from going to Allah s Mosques’ prevents him.”

    ———————–
    From Islam-qa.com

    But the fact that praying at home is preferable does not mean that that women are not permitted to go to the mosque, as is clear from the following hadeeth:
    From ‘Abdullah ibn ‘Umar, who said: “I heard the Messenger of Allaah SAWS (peace be upon him) say: ‘Do not prevent your women from going to the mosque if they ask your permission.’” Bilaal ibn ‘Abdullah said, “By Allaah, we will prevent them.” (Ibn ‘Umar) turned to him and told him off in an unprecedented fashion, saying: “I tell you what the Messenger of Allaah (Peace & Blessings of Allaah be upon Him) said, and you say ‘By Allaah, we will prevent them’!!” (reported by Muslim, 667).

    দ্য মুসলিম

    @মুসলিম,

    নোট: মহিলাদের জন্য গৃহেই সালাত আদায় উত্তম – এব্যাপারে কোন বিতর্ক নেই। প্রশ্ন হলো জোর করে মসজিদে আসতে বাধা দেয়ার ব্যাপারে। মহিলারা বিশেষতঃ জুমার সালাত পড়ার সুযোগ পেলে খুতবা থেকে উপকৃত হতে পারেন। মসজিদ কেন্দ্রীক সমাজ – যা পশ্চিমের মাইনোরিটি মুসলিমদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তার বাস্তবায়নেও মসজিদে আসা মহিলাগণ ব্যপক ভূমিকা রেখে চলেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

    সহমত!
    তবে উপমহাদেশের বিশেষ করে বাংলাদেশে এটা কতটুকু বাস্তবসম্মত সেটাও বিবেচ্য বিষয়। তাছাড়া এতে ফেতনাও বেড়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে। এক কথায় বাংলাদেশ রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কিছু এলাকা ছাড়া বেশীর ভাগ এলাকায় মসজিদে নামাজ পড়াটা প্রায় অসম্ভব!

    Fiqriyatu Fiddin

    @মুসলিম,আপনি ঠিকই বলেছেন। ইসলাম নারীদের অধিকার স্পষ্ট করে দি্যেছে, আমরাই Confuse করি নিজের মতো করে। এই সময়ে নারীরা মসজিদে গেলে Substantial/Factual Demand হলো নিকাব করতে হবে। এখন এই নিয়েও Argument শুরু হবে।কেউ বলবে নিকাব ফরজ, কেউ বলবা সুন্নত।মুল Objective যে নারীদের বখাটেদের থেকে আড়াল করা, সেই বিষয়টা কেউ পাত্তাই দিবেন না। আমাদের নিজেদের মাঝে Understanding বাড়ানো উচিত Urgently. তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো immediate Threats/Requirements for the Muslim ummah কোনটা। দোয়া করবেন।