<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>Comments on: আল্লাহ্ কি সত্যিই আছেন? &#8211; ২</title>
	<atom:link href="http://www.peaceinislam.com/muslim55/1252/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.peaceinislam.com/muslim55/1252/</link>
	<description>Islamic Blog Site in Bangla</description>
	<lastBuildDate>Fri, 03 Feb 2023 08:44:23 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.4</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>By: muslim55</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/muslim55/1252/comment-page-1/#comment-793</link>
		<dc:creator>muslim55</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1252#comment-793</guid>
		<description>সংশয় থাকা উচিত নয়, তবে সংশয় আছে! &quot;সামু&quot; ও আমার ব্লগের পাতা জুড়ে এদের লেখাই প্রকাশিত হয়। এরা জন্মগত নাস্তিক বা কাফির নয়। এরা সুদীর্ঘ সামাজিক/সাংস্কৃতিক &quot;কাফিরায়ন&quot; প্রক্রিয়ার ফসল। 
এ সম্বন্ধে &quot;সামুতে&quot; একটা মন্তব্যে আমি লিখেছিলাম:

&lt;strong&gt;আমাদের এই কাফিরায়ন একদিনে হয়নি। গর্বভরে যেদিন আমাদের বাবা-মায়েরা ছেলে-মেয়েদের, ন্যূনতম দ্বীন-শিক্ষায়-শিক্ষিত resilient brain গঠিত হবার আগেই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়তে পাঠিয়েছেন, &quot;সিনডারেলা&quot; বা &quot;স্নো-হোয়াইট এন্ড সেভেন ডোয়ার্ভস&quot; বা &quot;ঠাকুরমার ঝুলি&quot; পড়তে শিখিয়েছেন, অন্তরার গানে &quot;তেলের শিশি ভাঙ্গলো বলে&quot; লিরিকের আড়ালে &quot;অখন্ড ভারত মাতার&quot; মন্ত্র শিখিয়েছেন, ছায়ানট বা বাফায় নাচ বা গান শিখাতে নিয়ে গিয়েছেন অথবা &quot;হীরক রাজার দেশে&quot; দেখিয়ে কালচারড বানানোর চেষ্টা করেছেন - সেদিনই এই কাফিরায়ন প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছে! আজ তো আমরা কেবল end product দেখতে পাচ্ছি - as you sow, so you reap নিয়মের আওতায়। &quot;মুক্তমনা&quot;, &quot;ভিন্নমত&quot; বা &quot;সচলায়তন&quot; একদিনে মাটি ভেদ করে উঠে আসেনি। সময়ের upstream-এ বহু বছর আগে, কেউ যে বীজ বপন করেছিল proactive চিন্তা থেকে, আজ তারই ফসল হচ্ছে নাস্তিক ও এগনোস্টিক অধ্যুষিত আমাদের নগর ও মহানগর। সৌভাগ্যবশত আমাদের বঞ্চিত জনসংখ্যা ওসবের অশুভ ছায়া থেকে এতদিন বেঁচে থাকলেও, আমাদের বদ-নসীব যে, এখন আর তা থাকছে না - ২০টাকা মূল্যের পর্ণো সিডি এখন পৌঁছে গেছে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল বা সিলেটের কানাইর ঘাটের মত প্রত্যন্ত অঞ্চলে। আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকেই একবার প্রশ্ন করুন, আপনি নিজে কি ঐ অশুভ-ছায়া থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত??&lt;/strong&gt;

আবার &quot;আমার ব্লগেও&quot; এপ্রসঙ্গে মন্তব্য করতে হয়:
 
&lt;strong&gt;বিশ্বাস থাকলে জীবনে তার effect ও manifestation থাকতে হবে - কারণ মানুষর সকল কমর্কান্ডই হচ্ছে তার বিশ্বাসের function ও variable । একটা ছোট্ট উদাহরণ হিসবে কুর&#039;আনের নীচের আয়াতটা খেয়াল করুন:

If ye do it not, take notice of war from Allah and His Messenger: but if ye turn back, ye shall have your capital sums; deal not unjustly, and ye shall not be dealt with unjustly.(২:২৭৯)

এখানে সুদের লেনদেন ত্যাগ না করলে আল্লাহ, মানুষের বিরুদ্ধে তাঁর ও তাঁর রাসূলের(সা.) পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আয়াতের বক্তব্যে বিশ্বাস করলে কি কোন মুসলিম, কখনো, সুদের কারবারে জড়িত হতে পারতো? নিশ্চয়ই না! তাহলে পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিমরা কেন সুদের সাথে জড়িত? সরল উত্তর হচ্ছে আল্লাহ ও আখেরাত সম্বন্ধে যে ভাবে convinced হলে, তাদের conviction থাকতে পারতো - তারা সে ভাবে convinced নয়! আর বিশ্বাস দৃঢ় করতে চাওয়া দোষের কিছু নয়। আল্লাহ নিজে মানুষকে প্রাথমিকভাবে খুব সহজ যুক্তি দিয়ে বিশ্বাসের দিকে ডেকেছেন। নীচের আয়াতে দেখুন একজন নবী কিভাবে &quot;কিছু দেখে&quot; তার বিশ্বাসকে আরো শক্ত করতে চেয়েছেন:
Behold! Abraham said: &quot;My Lord! Show me how Thou givest life to the dead.&quot; He said: &quot;Dost thou not then believe?&quot; He said: &quot;Yea! but to satisfy my own understanding.&quot; He said: &quot;Take four birds; tame them to turn to thee; put a portion of them on every hill, and call to them; they will come to thee, (flying) with speed. Then know that Allah is Exalted in Power, Wise.&quot;

সংশয়বাদীদের জন্য জ্ঞতব্য:

আমি আসলেই মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি না। পৃথিবীতে কি মুসলিমের সংখ্যা এমনিতেই কম আছে? নামসবর্স্ব মুসলিমের সংখ্যা আরো কিছু বাড়িয়ে কি লাভ? আমি, যারা নিজেদের মুসলিম ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের এবং সেই সঙ্গে নিজেকেও আহ্বান করছি নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবতে - আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি? আমরা এখানে কি করছি??
বিশ্বাস থাকলে জীবনে তার effect ও manifestation থাকতে হবে - কারণ মানুষর সকল কমর্কান্ডই হচ্ছে তার বিশ্বাসের function ও variable । একটা ছোট্ট উদাহরণ হিসবে কুর&#039;আনের নীচের আয়াতটা খেয়াল করুন:

If ye do it not, take notice of war from Allah and His Messenger: but if ye turn back, ye shall have your capital sums; deal not unjustly, and ye shall not be dealt with unjustly.(২:২৭৯)

এখানে সুদের লেনদেন ত্যাগ না করলে আল্লাহ, মানুষের বিরুদ্ধে তাঁর ও তাঁর রাসূলের(সা.) পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আয়াতের বক্তব্যে বিশ্বাস করলে কি কোন মুসলিম, কখনো, সুদের কারবারে জড়িত হতে পারতো? নিশ্চয়ই না! তাহলে পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিমরা কেন সুদের সাথে জড়িত? সরল উত্তর হচ্ছে আল্লাহ ও আখেরাত সম্বন্ধে যে ভাবে convinced হলে, তাদের conviction থাকতে পারতো - তারা সে ভাবে convinced নয়! আর বিশ্বাস দৃঢ় করতে চাওয়া দোষের কিছু নয়। আল্লাহ নিজে মানুষকে প্রাথমিকভাবে খুব সহজ যুক্তি দিয়ে বিশ্বাসের দিকে ডেকেছেন। নীচের আয়াতে দেখুন একজন নবী কিভাবে &quot;কিছু দেখে&quot; তার বিশ্বাসকে আরো শক্ত করতে চেয়েছেন:
Behold! Abraham said: &quot;My Lord! Show me how Thou givest life to the dead.&quot; He said: &quot;Dost thou not then believe?&quot; He said: &quot;Yea! but to satisfy my own understanding.&quot; He said: &quot;Take four birds; tame them to turn to thee; put a portion of them on every hill, and call to them; they will come to thee, (flying) with speed. Then know that Allah is Exalted in Power, Wise.&quot;

সংশয়বাদীদের জন্য জ্ঞতব্য:

আমি আসলেই মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি না। পৃথিবীতে কি মুসলিমের সংখ্যা এমনিতেই কম আছে? নামসবর্স্ব মুসলিমের সংখ্যা আরো কিছু বাড়িয়ে কি লাভ? আমি, যারা নিজেদের মুসলিম ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের এবং সেই সঙ্গে নিজেকেও আহ্বান করছি নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবতে - আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি? আমরা এখানে কি করছি??বিশ্বাস থাকলে জীবনে তার effect ও manifestation থাকতে হবে - কারণ মানুষর সকল কমর্কান্ডই হচ্ছে তার বিশ্বাসের function ও variable । একটা ছোট্ট উদাহরণ হিসবে কুর&#039;আনের নীচের আয়াতটা খেয়াল করুন:

If ye do it not, take notice of war from Allah and His Messenger: but if ye turn back, ye shall have your capital sums; deal not unjustly, and ye shall not be dealt with unjustly.(২:২৭৯)

এখানে সুদের লেনদেন ত্যাগ না করলে আল্লাহ, মানুষের বিরুদ্ধে তাঁর ও তাঁর রাসূলের(সা.) পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আয়াতের বক্তব্যে বিশ্বাস করলে কি কোন মুসলিম, কখনো, সুদের কারবারে জড়িত হতে পারতো? নিশ্চয়ই না! তাহলে পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিমরা কেন সুদের সাথে জড়িত? সরল উত্তর হচ্ছে আল্লাহ ও আখেরাত সম্বন্ধে যে ভাবে convinced হলে, তাদের conviction থাকতে পারতো - তারা সে ভাবে convinced নয়! আর বিশ্বাস দৃঢ় করতে চাওয়া দোষের কিছু নয়। আল্লাহ নিজে মানুষকে প্রাথমিকভাবে খুব সহজ যুক্তি দিয়ে বিশ্বাসের দিকে ডেকেছেন। নীচের আয়াতে দেখুন একজন নবী কিভাবে &quot;কিছু দেখে&quot; তার বিশ্বাসকে আরো শক্ত করতে চেয়েছেন:
Behold! Abraham said: &quot;My Lord! Show me how Thou givest life to the dead.&quot; He said: &quot;Dost thou not then believe?&quot; He said: &quot;Yea! but to satisfy my own understanding.&quot; He said: &quot;Take four birds; tame them to turn to thee; put a portion of them on every hill, and call to them; they will come to thee, (flying) with speed. Then know that Allah is Exalted in Power, Wise.&quot;

সংশয়বাদীদের জন্য জ্ঞতব্য:

আমি আসলেই মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি না। পৃথিবীতে কি মুসলিমের সংখ্যা এমনিতেই কম আছে? নামসবর্স্ব মুসলিমের সংখ্যা আরো কিছু বাড়িয়ে কি লাভ? আমি, যারা নিজেদের মুসলিম ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের এবং সেই সঙ্গে নিজেকেও আহ্বান করছি নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবতে - আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি? আমরা এখানে কি করছি??&lt;/strong&gt;

এখনকার situation সত্যিই খুব serious!!</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>সংশয় থাকা উচিত নয়, তবে সংশয় আছে! &#8220;সামু&#8221; ও আমার ব্লগের পাতা জুড়ে এদের লেখাই প্রকাশিত হয়। এরা জন্মগত নাস্তিক বা কাফির নয়। এরা সুদীর্ঘ সামাজিক/সাংস্কৃতিক &#8220;কাফিরায়ন&#8221; প্রক্রিয়ার ফসল।<br />
এ সম্বন্ধে &#8220;সামুতে&#8221; একটা মন্তব্যে আমি লিখেছিলাম:</p>
<p><strong>আমাদের এই কাফিরায়ন একদিনে হয়নি। গর্বভরে যেদিন আমাদের বাবা-মায়েরা ছেলে-মেয়েদের, ন্যূনতম দ্বীন-শিক্ষায়-শিক্ষিত resilient brain গঠিত হবার আগেই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়তে পাঠিয়েছেন, &#8220;সিনডারেলা&#8221; বা &#8220;স্নো-হোয়াইট এন্ড সেভেন ডোয়ার্ভস&#8221; বা &#8220;ঠাকুরমার ঝুলি&#8221; পড়তে শিখিয়েছেন, অন্তরার গানে &#8220;তেলের শিশি ভাঙ্গলো বলে&#8221; লিরিকের আড়ালে &#8220;অখন্ড ভারত মাতার&#8221; মন্ত্র শিখিয়েছেন, ছায়ানট বা বাফায় নাচ বা গান শিখাতে নিয়ে গিয়েছেন অথবা &#8220;হীরক রাজার দেশে&#8221; দেখিয়ে কালচারড বানানোর চেষ্টা করেছেন &#8211; সেদিনই এই কাফিরায়ন প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছে! আজ তো আমরা কেবল end product দেখতে পাচ্ছি &#8211; as you sow, so you reap নিয়মের আওতায়। &#8220;মুক্তমনা&#8221;, &#8220;ভিন্নমত&#8221; বা &#8220;সচলায়তন&#8221; একদিনে মাটি ভেদ করে উঠে আসেনি। সময়ের upstream-এ বহু বছর আগে, কেউ যে বীজ বপন করেছিল proactive চিন্তা থেকে, আজ তারই ফসল হচ্ছে নাস্তিক ও এগনোস্টিক অধ্যুষিত আমাদের নগর ও মহানগর। সৌভাগ্যবশত আমাদের বঞ্চিত জনসংখ্যা ওসবের অশুভ ছায়া থেকে এতদিন বেঁচে থাকলেও, আমাদের বদ-নসীব যে, এখন আর তা থাকছে না &#8211; ২০টাকা মূল্যের পর্ণো সিডি এখন পৌঁছে গেছে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল বা সিলেটের কানাইর ঘাটের মত প্রত্যন্ত অঞ্চলে। আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকেই একবার প্রশ্ন করুন, আপনি নিজে কি ঐ অশুভ-ছায়া থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত??</strong></p>
<p>আবার &#8220;আমার ব্লগেও&#8221; এপ্রসঙ্গে মন্তব্য করতে হয়:</p>
<p><strong>বিশ্বাস থাকলে জীবনে তার effect ও manifestation থাকতে হবে &#8211; কারণ মানুষর সকল কমর্কান্ডই হচ্ছে তার বিশ্বাসের function ও variable । একটা ছোট্ট উদাহরণ হিসবে কুর&#8217;আনের নীচের আয়াতটা খেয়াল করুন:</p>
<p>If ye do it not, take notice of war from Allah and His Messenger: but if ye turn back, ye shall have your capital sums; deal not unjustly, and ye shall not be dealt with unjustly.(২:২৭৯)</p>
<p>এখানে সুদের লেনদেন ত্যাগ না করলে আল্লাহ, মানুষের বিরুদ্ধে তাঁর ও তাঁর রাসূলের(সা.) পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আয়াতের বক্তব্যে বিশ্বাস করলে কি কোন মুসলিম, কখনো, সুদের কারবারে জড়িত হতে পারতো? নিশ্চয়ই না! তাহলে পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিমরা কেন সুদের সাথে জড়িত? সরল উত্তর হচ্ছে আল্লাহ ও আখেরাত সম্বন্ধে যে ভাবে convinced হলে, তাদের conviction থাকতে পারতো &#8211; তারা সে ভাবে convinced নয়! আর বিশ্বাস দৃঢ় করতে চাওয়া দোষের কিছু নয়। আল্লাহ নিজে মানুষকে প্রাথমিকভাবে খুব সহজ যুক্তি দিয়ে বিশ্বাসের দিকে ডেকেছেন। নীচের আয়াতে দেখুন একজন নবী কিভাবে &#8220;কিছু দেখে&#8221; তার বিশ্বাসকে আরো শক্ত করতে চেয়েছেন:<br />
Behold! Abraham said: &#8220;My Lord! Show me how Thou givest life to the dead.&#8221; He said: &#8220;Dost thou not then believe?&#8221; He said: &#8220;Yea! but to satisfy my own understanding.&#8221; He said: &#8220;Take four birds; tame them to turn to thee; put a portion of them on every hill, and call to them; they will come to thee, (flying) with speed. Then know that Allah is Exalted in Power, Wise.&#8221;</p>
<p>সংশয়বাদীদের জন্য জ্ঞতব্য:</p>
<p>আমি আসলেই মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি না। পৃথিবীতে কি মুসলিমের সংখ্যা এমনিতেই কম আছে? নামসবর্স্ব মুসলিমের সংখ্যা আরো কিছু বাড়িয়ে কি লাভ? আমি, যারা নিজেদের মুসলিম ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের এবং সেই সঙ্গে নিজেকেও আহ্বান করছি নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবতে &#8211; আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি? আমরা এখানে কি করছি??<br />
বিশ্বাস থাকলে জীবনে তার effect ও manifestation থাকতে হবে &#8211; কারণ মানুষর সকল কমর্কান্ডই হচ্ছে তার বিশ্বাসের function ও variable । একটা ছোট্ট উদাহরণ হিসবে কুর&#8217;আনের নীচের আয়াতটা খেয়াল করুন:</p>
<p>If ye do it not, take notice of war from Allah and His Messenger: but if ye turn back, ye shall have your capital sums; deal not unjustly, and ye shall not be dealt with unjustly.(২:২৭৯)</p>
<p>এখানে সুদের লেনদেন ত্যাগ না করলে আল্লাহ, মানুষের বিরুদ্ধে তাঁর ও তাঁর রাসূলের(সা.) পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আয়াতের বক্তব্যে বিশ্বাস করলে কি কোন মুসলিম, কখনো, সুদের কারবারে জড়িত হতে পারতো? নিশ্চয়ই না! তাহলে পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিমরা কেন সুদের সাথে জড়িত? সরল উত্তর হচ্ছে আল্লাহ ও আখেরাত সম্বন্ধে যে ভাবে convinced হলে, তাদের conviction থাকতে পারতো &#8211; তারা সে ভাবে convinced নয়! আর বিশ্বাস দৃঢ় করতে চাওয়া দোষের কিছু নয়। আল্লাহ নিজে মানুষকে প্রাথমিকভাবে খুব সহজ যুক্তি দিয়ে বিশ্বাসের দিকে ডেকেছেন। নীচের আয়াতে দেখুন একজন নবী কিভাবে &#8220;কিছু দেখে&#8221; তার বিশ্বাসকে আরো শক্ত করতে চেয়েছেন:<br />
Behold! Abraham said: &#8220;My Lord! Show me how Thou givest life to the dead.&#8221; He said: &#8220;Dost thou not then believe?&#8221; He said: &#8220;Yea! but to satisfy my own understanding.&#8221; He said: &#8220;Take four birds; tame them to turn to thee; put a portion of them on every hill, and call to them; they will come to thee, (flying) with speed. Then know that Allah is Exalted in Power, Wise.&#8221;</p>
<p>সংশয়বাদীদের জন্য জ্ঞতব্য:</p>
<p>আমি আসলেই মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি না। পৃথিবীতে কি মুসলিমের সংখ্যা এমনিতেই কম আছে? নামসবর্স্ব মুসলিমের সংখ্যা আরো কিছু বাড়িয়ে কি লাভ? আমি, যারা নিজেদের মুসলিম ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের এবং সেই সঙ্গে নিজেকেও আহ্বান করছি নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবতে &#8211; আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি? আমরা এখানে কি করছি??বিশ্বাস থাকলে জীবনে তার effect ও manifestation থাকতে হবে &#8211; কারণ মানুষর সকল কমর্কান্ডই হচ্ছে তার বিশ্বাসের function ও variable । একটা ছোট্ট উদাহরণ হিসবে কুর&#8217;আনের নীচের আয়াতটা খেয়াল করুন:</p>
<p>If ye do it not, take notice of war from Allah and His Messenger: but if ye turn back, ye shall have your capital sums; deal not unjustly, and ye shall not be dealt with unjustly.(২:২৭৯)</p>
<p>এখানে সুদের লেনদেন ত্যাগ না করলে আল্লাহ, মানুষের বিরুদ্ধে তাঁর ও তাঁর রাসূলের(সা.) পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আয়াতের বক্তব্যে বিশ্বাস করলে কি কোন মুসলিম, কখনো, সুদের কারবারে জড়িত হতে পারতো? নিশ্চয়ই না! তাহলে পৃথিবীর অধিকাংশ মুসলিমরা কেন সুদের সাথে জড়িত? সরল উত্তর হচ্ছে আল্লাহ ও আখেরাত সম্বন্ধে যে ভাবে convinced হলে, তাদের conviction থাকতে পারতো &#8211; তারা সে ভাবে convinced নয়! আর বিশ্বাস দৃঢ় করতে চাওয়া দোষের কিছু নয়। আল্লাহ নিজে মানুষকে প্রাথমিকভাবে খুব সহজ যুক্তি দিয়ে বিশ্বাসের দিকে ডেকেছেন। নীচের আয়াতে দেখুন একজন নবী কিভাবে &#8220;কিছু দেখে&#8221; তার বিশ্বাসকে আরো শক্ত করতে চেয়েছেন:<br />
Behold! Abraham said: &#8220;My Lord! Show me how Thou givest life to the dead.&#8221; He said: &#8220;Dost thou not then believe?&#8221; He said: &#8220;Yea! but to satisfy my own understanding.&#8221; He said: &#8220;Take four birds; tame them to turn to thee; put a portion of them on every hill, and call to them; they will come to thee, (flying) with speed. Then know that Allah is Exalted in Power, Wise.&#8221;</p>
<p>সংশয়বাদীদের জন্য জ্ঞতব্য:</p>
<p>আমি আসলেই মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি না। পৃথিবীতে কি মুসলিমের সংখ্যা এমনিতেই কম আছে? নামসবর্স্ব মুসলিমের সংখ্যা আরো কিছু বাড়িয়ে কি লাভ? আমি, যারা নিজেদের মুসলিম ভাবতে পছন্দ করেন, তাদের এবং সেই সঙ্গে নিজেকেও আহ্বান করছি নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবতে &#8211; আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য কি? আমরা এখানে কি করছি??</strong></p>
<p>এখনকার situation সত্যিই খুব serious!!</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>By: রেজওয়ান করিম</title>
		<link>http://www.peaceinislam.com/muslim55/1252/comment-page-1/#comment-791</link>
		<dc:creator>রেজওয়ান করিম</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.peaceinislam.com/?p=1252#comment-791</guid>
		<description>আল্লাহ অবশ্যই আছেন...........এ নিয়ে আমাদের কোন সংশয় থাকা উচিত নয়।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>আল্লাহ অবশ্যই আছেন&#8230;&#8230;&#8230;..এ নিয়ে আমাদের কোন সংশয় থাকা উচিত নয়।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
