লগইন রেজিস্ট্রেশন

বিপদে ধৈর্য্যধারণঃ কয়েকটি উপদেশ

লিখেছেন: ' nabsarctg7' @ সোমবার, এপ্রিল ২৩, ২০১২ (২:৫০ অপরাহ্ণ)

মুসিবত পুণ্যবাণ হওয়ার আলামত, মহত্বের প্রমাণ। এটাই বাস্তবতা। একদা সাহাবী সাদ বিন ওয়াক্কাস রা. রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন, হে আল্লাহর রসূল, দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত কে? উত্তরে তিনি বলেন :

“নবীগণ, অতঃপর যারা তাদের সাথে কাজ-কর্ম-বিশ্বাসে সামঞ্জস্যতা রাখে, অতঃপর যারা তাদের অনুসারীদের সাথে সামঞ্জস্যতা রাখে। মানুষকে তার দ্বীন অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়। দ্বীনি অবস্থান পাকাপোক্ত হলে পরীক্ষা কঠিন হয়। দ্বীনি অবস্থান দুর্বল হলে পরীক্ষাও শিথিল হয়। মুসিবত মুমিন ব্যক্তিকে পাপশূন্য করে দেয়, এক সময়ে দুনিয়াতে সে নিষ্পাপ বিচরণ করতে থাকে”। (তিরমিজি : ২৩২২)

রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “আল্লাহ যার সাথে কল্যাণের ইচ্ছা করেন, তার থেকে বাহ্যিক সুখ ছিনিয়ে নেন”। (বোখারি : ৫২১৩ মুসলিম : ৭৭৮)

তিনি আরো বলেন : “আল্লাহ তাআলা যখন কোন সম্প্রদায়কে পছন্দ করেন, তখন তাদেরকে বিপদ দেন ও পরীক্ষা করেন”। ( তিরমিযী : ২৩২০ ইবনে মাজাহ : ৪০২১)

►মুসিবতের বিনিময়ে উত্তম প্রতিদানের কথা স্মরণ

মোমিনের কর্তব্য বিপদের মুহূর্তে প্রতিদানের কথা স্মরণ করা। এতে মুসিবত সহনীয় হয়। কারণ কষ্টের পরিমাণ অনুযায়ী সওয়াব অর্জিত হয়। সুখের বিনিময়ে সুখ অর্জন করা যায় না- সাধনার ব্রিজ পার হতে হয়। প্রত্যেককেই পরবর্তী ফলের জন্য নগদ শ্রম দিতে হয়। ইহকালের কষ্টের সিঁড়ি পার হয়ে পরকালের স্বাদ আস্বাদান করতে হয়। “কষ্টের পরিমাণ অনুযায়ী প্রতিদান প্রদান করা হয়”। (তিরমিযী : ২৩২০)

একদা হজরত আবু বকর রা. ভীত-ত্রস্ত হালতে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর কীভাবে অন্তরে স্বস্তি আসে? “না তোমাদের আশায় এবং না কিতাবীদের আশায় (কাজ হবে)। যে মন্দকাজ করবে তাকে তার প্রতিফল দেয়া হবে। আর সে তার জন্য আল্লাহ ছাড়া কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না”। (নিসা : ১২৩)

রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : “হে আবু বকর, আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুন, তুমি কি অসুস্থ হও না? তুমি কি বিষণ্ণ হও না? মুসিবত তোমাকে কি পিষ্ট করে না? উত্তর দিলেন, অবশ্যই। বললেন :“এগুলোই তোমাদের অপরাধের কাফফারা-প্রায়শ্চিত্ত”। (আল মুসনাদ মিন হাদীসে আবি বকর : ৬৮)

আল্লাহ তাআলা ধৈর্য্যশীল বিপদগ্রস্তদের জন্য উত্তম প্রতিদান তৈরী করেছেন, বালা-মুসিবতগুলো গুনাহের কাফফারা ও উচ্চ মর্যাদার সোপান বানিয়েছেন। আরো রেখেছেন যথার্থ বিনিময় ও সন্তোষজনক ক্ষতিপূরণ।

জান্নাতের চেয়ে বড় প্রতিদান আর কি হতে পারে! এ জান্নাতেরই ওয়াদা করা হয়েছে ধৈর্য্যশীলদের জন্য। যেমন মৃগী রোগী মহিলার জন্য জান্নাতের ওয়াদা করা হয়েছে- ধৈর্য্যধারণের শর্তে। আতা বিন আবি রাবাহ বর্ণনা করেন, একদা ইবনে আব্বাস রা. আমাকে বলেন, আমি কি তোমাকে জান্নাতি মহিলা দেখাবো? আমি বললাম অবশ্যই। তিনি বললেন, এই কালো মহিলাটি জান্নাতি।

ঘটনাটি এরূপ- একবার সে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট এসে বলে, হে আল্লাহর রসূল আমি মৃগী রোগী, রোগের দরুন ভূপাতিত হয়ে যাই, বিবস্ত্র হয়ে পরি। আমার জন্য দোয়া করুন। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : ‘ ইচ্ছে করলে ধৈর্য্যধারণ করতে পার, বিনিময়ে জান্নাত পাবে, আর বললে সুস্থ্যতার জন্য দোয়া করে দেই। সে বলল, আমি ধৈর্য্যধারণ করব। তবে আমি বিবস্ত্র হয়ে যাই, আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, যাতে বিবস্ত্র না হই। অতঃপর তিনি তার জন্য দোয়া করে দেন”। (বুখারী : ৫২২০ মুসলিম : ৪৬৭৩_)

অনুরূপ জান্নাতের নিশ্চয়তা আছে দৃষ্টিহীন ব্যক্তির জন্য। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : “আল্লাহ তাআলা বলেছেন : আমি যখন আমার বান্দাকে দুটি প্রিয় বস্তু দ্বারা পরীক্ষা করি, আর সে ধৈর্য্যধারণ করে, বিনিময়ে আমি তাকে জান্নাত দান করি”। (বুখারী : ৫২২১)

আরো জান্নাতের ওয়াদা আছে, প্রিয় ব্যক্তির মৃত্যুতে ধৈর্য্যধারণকারীর জন্য। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, আমি যখন আমার মুমিন বান্দার অকৃত্রিম ভালোবাসার পাত্রকে দুনিয়া থেকে উঠিয়ে নেই। এবং তাতে সে ধৈর্য্যধারণ করে, ছওয়াবের আশা রাখে, আমার কাছে তার বিনিময় জান্নাত বৈ কি হতে পারে?” (বুখারী : ৫৯৪৪) অর্থাৎ নিশ্চিত জান্নাত।

সন্তান হারাদেরও আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করেছেন। কারণ তিনি বান্দার প্রতি দয়ালু, তার শোক-দুঃখ জানেন। যেমন: রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন তিন সন্তান দাফনকারী মহিলাকে। তিনি তাকে বলেন- “তুমি জাহান্নামের আগুন প্রতিরোধকারী মজবুত ঢাল বেষ্টিত হয়ে গেছ।” ঘটনাটি নিম্নরূপ :

সে একটি অসুস্থ বাচ্চা সাথে করে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসে, এবং বলে হে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করুন। ইতিপূর্বে আমি তিন জন সন্তান দাফন করেছি। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনে নির্বাক : “তিন জন দাফন করেছ!” সে বলল- হ্যাঁ। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন :“তুমি জাহান্নামের আগুন প্রতিরোধকারী মজবুত প্রাচীর ঘেরা সংরক্ষিত দুর্গে প্রবেশ করেছ”। (মুসলিম : ৪৭৭০)

অন্য হাদীসে আছে : “সাবালকত্ব পাওয়ার আগে মৃত তিন সন্তান- তাদের মুসলিম পিতা-মাতার জন্য জাহান্নামের আগুন প্রতিরোধকারী মজবুত ঢালে পরিনত হবে”।
আবুযর রা. বলেন, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দু’জন মারা গেছে। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : “দুজন মারা গেলেও।” উস্তাদুল কুররা আবুল মুনজির উবাই রা. বলেন : হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার একজন মারা গেছে, তিনি বললেন : ‘একজন মারা গেলেও। তবে মুসিবতের শুরুতেই ধৈর্য্যধারণ করতে হবে”। (মুসনাদ : ৪৩১৪)

মাহমুদ বিন লাবিদ জাবির রা. থেকে বর্ণনা করেন : আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি : “সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে, যার তিনজন সন্তান মারা যায় এবং সে তাদের পূণ্য জ্ঞান করে”। তিনি বলেন : আমরা জিজ্ঞাসা করলাম হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যার দু’জন মারা যায়? বললেন : দু’জন মারা গেলেও। মাহমুদ বলেন : আমি জাবের রা.- কে বললাম, আমার মনে হয় আপনারা যদি একজনের কথা বলতেন, তাহলে তিনি একজনের ব্যাপারেও হাঁ বলতেন। তিনি সায় দিয়ে বলেন : আমিও তাই মনে করি”।(মুসনাদে আহমদ : ১৪২৮৫)

শোক সন্তপ্ত পিতা-মাতার জন্য আরেকটি হাদিস। আশা করি এর দ্বারা সান্ত্বনা লাভ হবে, দুঃখ ঘুচে যাবে। এরশাদ হচ্ছে :

“যখন বান্দার কোন সন্তান মারা যায়, আল্লাহ তাআলা ফেরেস্তাদের বলেন :তোমরা আমার বান্দার সন্তান কেড়ে নিয়ে এসেছো? তারা বলে হ্যাঁ। তোমরা আমার বান্দার কলিজার টুকরো ছিনিয়ে এনেছো? তারা বলে হ্যাঁ। অতঃপর জিজ্ঞাসা করেন, আমার বান্দা কি বলেছে? তারা বলে, আপনার প্রসংশা করেছে এবং বলেছে আমরা আল্লাহ তাআলার জন্য এবং তার কাছেই প্রত্যাবর্তন করব। আল্লাহ তাআলা বলেন, আমার বান্দার জন্য একটি ঘর তৈরী কর এবং তার নাম দাও বায়তুল হামদ্ বা প্রশংসার ঘর বলে”। ( তিরমিযী : ৯৪২)

উপরন্তু ওই অসম্পূর্ণ বাচ্চা, যা সৃষ্টির পূর্ণতা পাওয়ার আগেই মায়ের পেট থেকে ঝড়ে যায়, সেও তার মায়ের জান্নাতে যাওয়ার উসিলা হবে। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : “ওই সত্তার শপথ, যার হাতে আমার জীবন, অসম্পূর্ণ বাচ্চাও তার মাকে আচঁল ধরে টেনে জান্নাতে নিয়ে যাবে। যদি সে তাকে পূণ্য জ্ঞান করে থাকে”। (ইবনে মাজাহ : ১৫৯৮_)

বিশুদ্ধ হাদীসে এ ধরনের বিপদাপদকে গুনাহের কাফফার বলা হয়েছে। এরশাদ হচ্ছে : “ যে কোন মুসলমান কাঁটা বা তারচেয়ে সামান্য বস্তুর দ্বারা কষ্ট পায়, আল্লাহ তার বিনিময়ে প্রচুর গুনাহ ঝড়ান- যেমন বৃক্ষ বিশেষ মৌসুমে স্বীয় পত্র-পল্লব ঝড়িয়ে থাকে”। ( বুখারী : ৫২১৫ মুসলিম : ৪৬৬৩)

আরেকটি বিশুদ্ধ হাদিসে এসেছে : “মুসলমানদের কষ্ট-ক্লেশ, চিন্তা-হতাশা আর দুঃখ-বিষাদ দ্বারা আল্লাহ গুনাহ মাফ করেন। এমনকি শরীরে যে কাঁটা বিঁধে তার বিনিময়েও আল্লাহ গুনাহ মাফ করেন”। (বুখারী : ৫২১০)

আরো এরশাদ হচ্ছে : “মুমিন নর-নারীরা নিজের, সন্তানের বা সম্পদের মাধ্যমে সর্বদা বিপদগ্রস্ত থাকে। যতক্ষণ না সে আল্লাহর সাথে নিষ্পাপ সাক্ষাৎ করে”। (তিরমিযী : ২৩২৩)

মুসিবত মর্যাদার সোপান। কারণ ধৈর্য্যের মাধ্যমে অতটুকু সফলতা অর্জন করা যায়। যা আমল বা কাজের দ্বারা করা যায় না। মুসনাদে ইমাম আমহদে বর্ণিত আছে : “আল্লাহ তাআলা যখন কোন বান্দার মর্যাদার স্থান পূর্বে নির্ধারণ করে দেন, আর সে আমল দ্বারা ওই স্থান লাভে ব্যর্থ হয়, তখন আল্লাহ তার শরীর, সম্পদ বা সন্তানের ওপর মুসিবত দেন এবং ধৈর্যের তওফিক দেন। এর দ্বারা সে নির্ধারিত মর্যাদার উপযুক্ত হয়ে যায়”। (মুসনাদ : ২২৩৩৮)

একদা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবাদের জিজ্ঞাসা করেন : “তোমরা কাকে নিঃসন্তান মনে কর? তারা বলল : যার কোন সন্তান হয় না। তিনি বললেন : সে নয়। বরং সে, যার মৃত্যুর পূর্বে তার কোন সন্তানের মৃত্যু হল না”। (মুসলিম : ৪৭২২)

অর্থাৎ পার্থিব জগতে সন্তানাদি আমাদের বার্ধক্যের সম্বল। যার সন্তান নেই সে যেন নিঃসন্তান। তদ্রুপ পর জগতের সম্বল মৃত সন্তান। যার সন্তান মারা যায়নি সে প্রকৃত- পরজগতের- নিঃসন্তান। এতে আমরা সন্তানহারা পিতা-মাতার প্রতিদান অনুমান করতে পারি। সন্তান বিয়োগের মুসিবত কল্যাণকর, এর বিনিময়ে অর্জিত হয় জান্নাত।
মুসিবতের পশ্চাতে আছে কল্যাণ, উত্তম বিনিময়। যার কোন প্রিয় বস্তু হারায়, সে এর পরিবর্তে অধিক প্রিয় বস্তু প্রাপ্ত হয়। অনেক সময় এক সন্তান মারা গেলে, তারচে’ ভাল দ্বিতীয় সন্তান প্রদান করা হয়। দুঃখের আড়ালে সুখ বিদ্যমান। উম্মে ছালামা বর্ণনা করেন, আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি :

“যে কোন মুসলমান মুসিবত আক্রান্ত হয় এবং বলে- আমরা আল্লাহর জন্য এবং তার কাছেই ফিরে যাব। হে আল্লাহ, তুমি আমার এ মুসিবতের প্রতিদান দাও এবং এর চেয়ে উত্তম জিনিস দান কর। আল্লাহ তাকে উত্তম জিনিস দান করেন।” তিনি বলেন : যখন আবু ছালামা মারা যায়, আমি ভাবলাম মুসলমানের ভেতর কে আছে যে, আবু ছালামা থেকে উত্তম? সর্বপ্রথম তার পরিবার রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট হিজরত করে আসে। তবুও বলার জন্য বললাম, আল্লাহ তাআলা আমাকে আবু সালামার পরিবর্তে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে প্রদান করেন। যিনি আবু সালামা থেকে উত্তম। (মুসলিম : ১৫২৫)

কতক সন্তানের মৃত্যুতে পিতা-মাতার নানাবিধ কল্যাণ নিহিত থাকে। হতে পারে তাকদির অনুযায়ী এ ছেলেটি বেঁচে থাকলে পিতা-মাতার কষ্টের কারণ হত। যেমন খিজির আলাইহিস সালাম এর ঘটনায় বর্ণিত বাচ্চার অবস্থা। অনেক সময় পিতা-মাতার ধৈর্য্যধারণ, মৃত সন্তানকে পূণ্য জ্ঞান করণ উত্তম প্রতিদানের কারণ হয়। যেমন উম্মে ছালামার ঘটনা। কখনো আগন্তুক শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া লাভ হয়। যেমন তারা বলেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি তাদের উত্তম বিনিময় দান কর। তাদের ক্ষতস্থান পূর্ণ কর। তার পরিবর্তে উত্তম বস্তু দান কর’। যার ফলে তার জীবিত অন্যান্য ভাইরা সংশোধন ও অধিক তওফিক প্রাপ্ত হয়। পিতা-মাতা অধিক আনুগত্যশীল সুসন্তান প্রাপ্ত হয় ।

Processing your request, Please wait....
  • Print this article!
  • Digg
  • Sphinn
  • del.icio.us
  • Facebook
  • Mixx
  • Google Bookmarks
  • LinkaGoGo
  • MSN Reporter
  • Twitter
৫৪৭ বার পঠিত
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (ভোট, গড়: ৫.০০)