লিখেছেন: '
manwithamission' @ সোমবার, জানুয়ারি ৪, ২০১০ (১:৩৯ পূর্বাহ্ণ)
আমাদের অনেকের মাঝেই একটা ভুল ধারণা প্রচলিত হয়ে আছে। ভুল ধারণাটির উদ্ভব হয়েছে আয়াতটির প্রকৃত অর্থ না বুঝার কারণে। আয়াতটির ভুল অর্থ করা হয় এইভাবে, “তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আমাদের জন্য আমাদের ধর্ম”। কিন্তু বাস্তবে আয়তটির অর্থ মোটেও এটা বুঝায় না। আসলেই কি বুঝায় সেই বিষয়টিই আলোকপাত করব। ইনশাল্লাহ আমাদের ভুল ধারণাটি দূর হয়ে যাবে।
এই আয়াতটি হচ্ছে কুরআন শরীফের ১০৯ নং সূরা কাফিরুনের ৬ নং আয়াত
যার প্রকৃত অর্থ হচ্ছেঃ “তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
মুসলিম৫৫' @ রবিবার, জানুয়ারি ৩, ২০১০ (১০:১২ অপরাহ্ণ)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আস সালামু আলাইকুম!
ভূমিকা:
এই লেখাটি প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু somewhereinblog-এর “ইসলাম” গ্রুপের জন্য লেখা। তারপর ঐ সাইটের আরো ২/১টা গ্রুপে অবগতির জন্য দেয়া হয়েছিল।
এই লেখার ভূমিকাস্বরূপ বা পূর্বকথা হিসেবে যে লেখাটা লিখেছিলাম: ঘোলা পানিতে মাছ শিকার – তা ইতোমধ্যেই Peace in Islam-এ “পোস্ট” হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে। আমি ভেবেছিলাম এখানে আর শিয়া-doctrine নিয়ে কিছু লেখার প্রয়োজন নেই, কারণ এখানকার প্রায় সবাই practicing Muslim বলেই মনে হয়। কিন্তু গতকাল জুমু’আর খুতবায়, আমি যে মসজিদে জুমু’আর সালাত আদায় করলাম তার .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
মামুন' @ রবিবার, জানুয়ারি ৩, ২০১০ (৪:১৪ পূর্বাহ্ণ)
সর্ব শক্তিমান আল্লাহ তা’আলা কুরআনে বলেনঃ
১। হে নবী! মৃত ব্যক্তিকে তুমি কোন কথা (কোন আহ্বান) শুনাতে পারবে না। (সূরা নামল, ২৭ঃ৮০)
২। হে নবী! তোমার সাধ্য নেই যে, তুমি মৃত ব্যক্তিকে কিছু শোনাবে। (সূরা রুম, ৩০ঃ৫২)
৩। জীবিত ও মৃত সমান হতে পারে না, আল্লাহ যাকে চান শুনার, হে নবী! তুমি সেই লোকদেরক শুনাতে পার না যারা ক্ববর সমূহে দাফন হয়ে রয়েছে। (সূরা ফাতির, ৩৫ঃ২২)
৪। তার চেয়ে বেশী গোমরাহী কে হতে পারে যে আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাকে ডাকছে সি কিয়ামত পর্যন্ত তার .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
মেরিনার' @ রবিবার, জানুয়ারি ৩, ২০১০ (১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ)
[আমরা দেখবো কিভাবে স্কলারভেদে সুন্নাহর সংজ্ঞা পরিবর্তিত হয়। ফিকাহ শাস্ত্রবিদ, হাদীসের স্কলার, ইসলামী আইনতত্ত্ববিদ বা উসূলি এবং আক্বীদাহ্ বিশেষজ্ঞ - এই চার শ্রেণীর স্কলাররা যে ভাবে ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় সুন্নাহর সংজ্ঞা দিয়ে থাকেন, তার সবক'টির সাথে পরিচিত না হয়ে, সুন্নাহ সম্বন্ধে কথা বলতে গিয়ে আমরা অনেক সময়েই বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়াই।
এই লেখাটি সঠিকভাবে বুঝতে হলে এই সিরিজের আগের লেখাগুলো পড়া আবশ্যক!!
আক্বীদাহ্ বিশেষজ্ঞদের মতে "সুন্নাহ্” শব্দটির সংজ্ঞা
হিজরী তৃতীয় শতাব্দীর প্রাক্কালে আক্বীদার (বিশ্বাস ও ঈমান বিষয়ক) বিশেষজ্ঞরা "সুন্নাহ” শব্দটিকে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
ফরগিভনেস_সিকার' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (৪:৩৪ অপরাহ্ণ)
আমাদের বর্তমান জীবনে সংগীত এবং বাদ্যযন্ত্র একটি ব্যাধির ন্যায় মিশে গিয়েছে। আসুন দেখি আলেমরা এই ব্যাপারে কি বলে।
Sheikh Yousuf Estes explained detail (I think this is the best)
Part 1
http://www.youtube.com/watch?v=p0aHS_kWL5w&feature=related
Part 2
http://vidpk.com/view_video.php?vid=2667
কামাল আল মাক্কী
.....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
মালেক_০০১' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১২:০৮ অপরাহ্ণ)
ফারুক সাহেব ইসলামের নবীর সাথে বিয়ের সময় মা আয়েশারপ্রকৃত বয়স কত ছিল? ৬ নাকি ১৯? নামে একটি পোষ্ট দিয়েছিলেন। তার পোষ্টের স্বপক্ষের যুক্তি ও প্রমাণগুলো পাওয়া যাবে নিচের লিংকে যা আগেও দিয়েছিলামঃ
What was Ayesha’s (ra) Age at the Time of Her Marriage?
অনেক খোজাখুজির পর উপরের লিংকের ভ্রান্তধারণাগুলোর উত্তর পেলাম নিচের লিংকটিতেঃ
Our Mother A\'isha\'s Age At The Time Of Her Marriage to The Prophet
সকলকেই পোষ্টদুটো পড়ে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি এবং ফারুক সাহেবের .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
বাগেরহাট' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ)
‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’
যুদ্ধের এক ময়দান । কাফিরদের সাথে মুসলিমদের ভীষন যুদ্ধ চলছে।
হযরত আলী (রাঃ) জনৈক বিপুল বলশালী শত্রুর সাথে যুদ্ধে মত্ত রয়েছে। বহুক্ষন যুদ্ধ চলার পর তাকে কাবু করেন ভূপাতিত করলেন এবং তাকে আঘাত হানার জন্য তার জুলফিকার উত্তোলন করলেন । কিন্তু আঘাত হানার আগেই ভূপাতিত শত্রুটি হযরত আলী (রাঃ) এর চেহারা মুবারকে থুথু নিক্ষেপ করলো। ক্রোধে হযরত আলী (রাঃ) এর চেহরা রক্তবর্ণ হয়ে উঠলো। মনে হলো এই বুঝি তাঁর তরবারি শত্গুন বেশী শক্তি নিয়ে শত্রুকে .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
manwithamission' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ)
আমরা অনেক সময় শুনে থাকি, “এই বিষয়টি আলেমদের সর্বসম্মত্তি ঐক্যমতের উপর প্রতিষ্ঠিত …….” বা “আলেমদের সর্বসম্মত্তি ঐক্যমত অনুযায়ী ……..”, ঐক্যমতের বিষয়টিকে ‘ইজমা’ বলা হয়।
প্রত্যেক রাসূলগণ তাদের কমিউনিটিতে আল্লাহ প্রদত্ত বার্তা একদম পরিপূর্ণভাবে পৌছে দিতেন। আল্লাহর ইবাদত কিভাবে করতে হবে, তার কর্মপদ্ধতী কি প্রভৃতি বিষয়গুলো রাসূলগণ দেখিয়ে দিতেন। ইজমা- যাকে আমরা এক কথায় বলতে পারি উম্মার ঐক্যমত, সহীহ একটা পন্থায় উম্মার ঐক্যমত অবশ্যই কাম্য কিন্তু ভুল একটা মতবাদ বা পন্থায় উম্মার ঐক্যমত হওয়া কোনভাবেই উচিত নয়।
ইজমা বা ঐক্যমত হওয়ার একটা .....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
দ্য মুসলিম' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ,
পবিত্র কোরআন এর দলিলঃ
অবশেষে যখন আমার আদেশ এসে পৌছল, তখন আমি তাদের দেশটির উপরিভাগকে নীচে এবং নিম্নভাগ উপরে উঠিয়ে দিলাম ও তার উপরে স্তরে স্তরে পাকা কাঁকর-পাথর অবিরাম ধারায় বর্ষণ করলাম। যার প্রতিটি ছিল তোমার প্রভুর কাছে সুচিহ্নিত ও রক্ষিত। এ শাস্তি সেই পাপাচারীদের কাছ থেকে বেশী দুরেও নয়।
সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরা কেবল পুরুষদের সাথে কুকর্ম কর এবং তোমাদের পালনকর্ত তোমাদের জন্য যে স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেনম তাদেরকে বর্জন কর। আসলে তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী সম্প্রদায়।(সুরা আশ শায়ারা ১৬৫-১৬৬)
এবং আমি
.....
|
বিস্তারিত >>
লিখেছেন: '
ইসানুর' @ শনিবার, জানুয়ারি ২, ২০১০ (৩:০১ পূর্বাহ্ণ)
প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ কাজের শুরুতে ‘আল্লাহর যিকর’ মাসনূন। যে কাজের সূচনায় শরীয়ত যে যিকর নির্দেশ করেছে সে কাজের জন্য ঐ যিকরই মাসনূন। অনেক কাজে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম’ বলা বা লেখার নির্দেশনা রয়েছে। শরীয়তে তা মাসনূন। বিধানগত বিচারে এটা মাসনূন বা মুস্তাহাব হলেও এর তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর। সংক্ষেপে বলা যায় যে, এর দ্বারা বান্দা নতুন করে এর অঙ্গিকার। আল্লাহ তাআলার নেয়ামত সমূস স্মরণ করে এবং আল্লাহর দিকে রুজূ করে কাজের মধ্যে দুরুসী ও খায়র ও বরকতের দরখাস্ত করে। এজন্য এই আমল গুরুত্বের .....
|
বিস্তারিত >>